Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কলকাতা শহরের ইতিবৃত্ত ১ – বিনয় ঘোষ

    বিনয় ঘোষ এক পাতা গল্প603 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ২২. বটতলার থিয়েটার

    বটতলার থিয়েটার

    প্রথম প্রস্তাব

    একতলা—বেলতলা থেকে সমস্ত গাছতলা ঘুরে শেষকালে একটা সময় যেন বটতলার সাগরসঙ্গমে কলকাতার সংস্কৃতিগঙ্গার গতিধারার স্বাভাবিক মিলন হয়। বাংলা ছাপাখানা ও ছাপা সাহিত্যের তা—ই হয়েছিল। কবি, আখড়াই, খেউড়, হাফ—আখড়াইও বাঁধা বটতলার বুকে যেরকম সুললিত কণ্ঠে ঝঙ্কৃত হয়ে উঠেছিল, সেরকম আর কোনো বেলতলায় বা পিপুলতলায় হয়নি। কলকাতা কালচারের আদিপর্বে ধনিক বাবুপ্রধান সুতানুটির স্বাভাবিক চিন ছিল অত্যন্ত বেশি। সেই টানে কলকাতার থিয়েটারও ওইদিকে এগিয়ে গেছে এবং বটতলার বুকে তার বিকাশ হয়েছে।

    কবি, খেউড়, আখড়াই, বাইনাচ, ভাঁড়নাচ ইত্যাদি বাৎসরিক পূজা—পার্বণ উৎসব—অনুষ্ঠানে বাবুদের হলঘরে ও নাচঘরে ক্রমে আধা—থিয়েটারের রূপ নিয়েছে। রাসলীলায়, রথযাত্রায়, দোলযাত্রায় ও দুর্গোৎসবে এই নাচ—গানের আসর সরগরম হয়ে উঠেছে। প্রেরণাটা প্রধানত এসেছে কৃষ্ণনগর থেকে। নদিয়ার মহারাজা কৃষ্ণচন্দ্রর উৎসব—অনুষ্ঠানই হল তার আদর্শ। ব্রিটিশ আমলের বাঙালি বড়লোকেরা কলকাতার উৎসবাদিতে অপরিমিত ব্যয় করতে থাকেন, অনেকটা মহারাজা কৃষ্ণচন্দ্রর অনুকরণে। শোভাবাজারের রাজবাড়ি, ঠাকুরবাড়ি, সিংহবাড়ি, মল্লিকবাড়ি, দে—সরকারের বাড়ি, ভূ—কৈলাস বাড়িতে তখন পাল্লা দিয়ে পুজো, বিয়ে, শ্রাদ্ধ, গৃহপ্রবেশ ইত্যাদি হত। এইসব মহাবাবুদের বাড়ির বৈঠকখানা, বাগানবাড়ি, হলঘর, পূজামণ্ডপ, নাচঘর এইভাবে প্রায় রঙ্গালয় হয়ে উঠল। ১৮২৩ সালে দ্বারকানাথ ঠাকুর যে গৃহপ্রবেশের উৎসব করেন তাতে দেশি গান ও ইংরেজি বাদ্য—নৃত্য হয়। কলকাতার সমস্ত সম্ভ্রান্ত সাহেব ও বাঙালিবাবু উপস্থিত থাকেন। নৃত্য—গীতাদির শেষে ভাঁড়েরা সং সেজে আমোদ করেন এবং তার মধ্যে একজন গোরুর বেশ ধারণ করে হাম্বা—হাম্বা রব করে যখন ঘাস চর্বণ করতে থাকেন, তখন উপস্থিত দর্শকদের মধ্যে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। এই ভাঁড়ামিকে আমরা আধুনিক রঙ্গালয়ের প্রসববেদনা বলতে পারি। যাত্রাগানের যুগের ‘সভামণ্ডল’ ও ‘রঙ্গভূমি’ দুইই তখন বাবুদের হলঘরে ও নাচঘরে স্থানান্তরিত হয়েছে। শখের নাট্যশালা ও রঙ্গালয় তারই পল্লবিত রূপ ছাড়া আর কিছু নয়।

    কৃষ্ণনগরের ঢেউ কলকাতায় এসেছিল, আগেই বলেছি। অস্তমিত নদিয়া কালচারের সঙ্গে উদীয়মান কলকাতা কালচারের এক বিচিত্র সংমিশ্রণ হয়েছিল। দেওয়ান কার্তিকেয়চন্দ্র রায়ের রচনা থেকে কৃষ্ণনগরের কোর্ট—কালচারের একটু আভাস দিচ্ছি :

     

    আরও দেখুন
    বাংলা বইয়ের আলোচনা ফোরাম
    বাংলা বইয়ের উপহার কার্ড
    বাংলা লেখকদের সাক্ষাৎকার
    PDF বই
    বইয়ের তালিকা
    Books
    অনলাইনে বই
    বাংলা সাহিত্য
    বাংলা ফন্ট সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা ই-বুক রিডার

     

    ‘এক রাত্রিতে রাজবাটীতে এক অপূর্ব রূপসি ও অসাধারণ সুকণ্ঠা তরফাওয়ালির নৃত্য—গীতে সকলেই বিমোহিত হইলেন। কেহ প্রস্তাব করিলেন যে, এই রমণী সুন্দর খেমটা নাচিতে পারে। তখন সুরাপানে সকলেরই হৃদয় প্রফুল্ল ছিল, সুতরাং সুন্দরী যখন পেশোয়ার ছাড়িয়া একখানি কালোপেড়ে সূক্ষ্ম ধুতি পরিয়া গৃহে প্রবেশ করিল যেন স্বর্গবিদ্যাধরী অবতীর্ণা হইলেন দর্শকবৃন্দের ঢুলুঢুলু নয়নে এইরূপ দৃষ্ট হইল। নিমন্ত্রিত মহাশয়দিগের মধ্যে কী প্রধান, কী বিজ্ঞ, কী পদস্থ প্রায় সকলেই তাহার নৃত্যে বিমোহিত হইলেন। প্রথমে কয়েক অবিজ্ঞ যুবা আপন আপন চরণ নিজ বশে রাখিতে পারিলেন না। তাঁহারা ওই সঙ্গে নৃত্য আরম্ভ করিলেন। প্রাচীন ও পদস্থ একজনও দণ্ডায়মান হইলেন। এক বিজ্ঞবর প্রথমাবধি গম্ভীরভাবে ছিলেন, তাঁহার পদ শেষে অস্থির হইয়া উঠিল। তিনি উক্ত প্রাচীনকে নাচাইবার ছলে আপনি নাচিতে লাগিলেন।’

    এরপর শোভাবাজারের রাজবাড়ির দুর্গোৎসবের একটা বর্ণনা না দিলে কলকাতা ও কৃষ্ণনগরের ‘কালচারাল কোলাকুলি’র স্বরূপ বোঝা যাচ্ছে না। প্রত্যক্ষদর্শী পাদরি ওয়ার্ড সাহেবের বিবরণ থেকে তুলে দিচ্ছি। পাদরি ওয়ার্ড লিখেছেন : ‘১৮০৬ সালে শোভাবাজারের রাজবাড়ির দুর্গোৎসবে আমি উপস্থিত ছিলাম। চারমহলা প্রাসাদের মাঝখানে উৎসব—প্রাঙ্গণ, সামনে পূজামণ্ডপ। পুবদিকের একখানা ঘরে মদ ও সাহেবি খানার আয়োজন, আমন্ত্রিত সাহেবসুবোদের জন্য। ঘরের সামনে দুইজন পর্তুগিজ খানসামা অভ্যর্থনার জন্য মোতায়েন রয়েছে। ঠিক তার উল্টোদিকে পূজামণ্ডপে প্রতিমা প্রতিষ্ঠিত। দুইপাশের ঘরে আমন্ত্রিত এ দেশি অতিথিরা উপস্থিত রয়েছেন। মধ্যে হিন্দু নর্তকীদের নৃত্য—গীত চলছে, চারদিক ঘিরে সাহেব অতিথিরা কৌচে বসে তন্ময় হয়ে দেখছেন। মধ্যে মধ্যে মুসলমান বাইজিরা হিন্দুস্থানি গান গেয়ে, বিসদৃশ অঙ্গভঙ্গি ও রঙ্গতামাশা করে সকলকে আপ্যায়ন করছে। রাত দুটো আন্দাজ বাইজি ও নাচওয়ালিরা চলে গেল, সাহেব অতিথিরাও সকলে চলে গেলেন, কেবল আমরা কয়েকজন রইলাম। পূজামণ্ডপে আলো ছাড়া আর সব আলো নিভে গেল। বাইরের দরজা খুলে দেওয়া হল। তখন হুড়মুড় করে একদল লোক ভিতরে ঢুকল, বিচিত্র তাদের পোশাক, হাবভাব, মাথায় লম্বা লম্বা পাউরুটির মতন টুপি। অশ্লীল গান গেয়ে, নৃত্য ও অঙ্গভঙ্গি করে তারা আমোদ করতে লাগল। এরকম বীভৎস দৃশ্য আমি জীবনে কখনও দেখিনি, বিশেষ করে পূজামণ্ডপে যে এইরকম খিস্তিখেউড় ও বেলেল্লাগিরি চলতে পারে তা আমার কল্পনাতীত ছিল…।’

     

    আরও দেখুন
    ই-বই পড়ুন
    ই-বই সাবস্ক্রিপশন
    স্বাস্থ্য টিপস
    Library
    বই
    বাংলা লেখকদের সাক্ষাৎকার
    কৌতুক সংগ্রহ
    বাংলা বইয়ের উপহার কার্ড
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    ডিকশনারি

     

    নৃত্য—গীত, রঙ্গ ও ভঙ্গিমা, যা দিয়ে রঙ্গাভিনয়, শেষ পর্যন্ত এই হল তার পরিণতি। রঙ্গালয়ের আগের কথা। কবিগান ও যাত্রাগানেরও রূপ বদলাতে লাগল। ইংরেজদের থিয়েটারে এবং বড়বাবুদের নাচঘরে ও পূজামণ্ডপে তার ককটেল—রূপ দেখে এ দেশি যাত্রা ও কবিগান চরম বিকৃতির পঙ্ককুণ্ডে হাবুডুবু খেয়ে বিলুপ্তির পথে এগিয়ে গেল। কতশত এ দেশি লোকপ্রতিভা, লোককবি ও লোকশিল্পী যে কলকাতার হঠাৎ—বড়লোকদের নব্য ‘ক্যালকাটা কালচার’—এর তীব্র ঝাঁঝ সহ্য করতে না পেরে একেবারে নিশ্চিন্ত হয়ে গেল, তার ঠিক নেই। শুধু বাংলার পটুয়ারাই যে কালীঘাটে এসে তাদের কবর রচনা করেছিল তা নয়। বাংলার শত শত লোককবি ও শিল্পী শোভাবাজারে, চোরবাগানে, পাথুরিয়াঘাটায় ও বটতলায় এসে অকাল অপমৃত্যু বরণ করেছে। তাদের কোনো ইতিহাস লেখা নেই। নিকি বাইজিদের হাজার টাকা মাইনে হল, ইংরেজদের থিয়েটারের অধ্যক্ষ, অভিনেতা—অভিনেত্রীরা উচ্চবেতনে অভিনয়শিক্ষক নিযুক্ত হলেন এবং শিশুরাম, গোবিন্দ, পরমানন্দ, বদন, কৃষ্ণকমল, প্রেমানন্দ অধিকারী ও গোপাল উড়েদের বংশধরেরা একেবারে উচ্ছন্নে গেল।

    যাত্রার রূপ বদলাচ্ছিল দ্রুতগতিতে। কৃষ্ণ—যাত্রা ও বিদ্যাসুন্দর—যাত্রার রূপ ঢেলে সাজা হচ্ছিল। আদিরস ও ভাঁড়ামির মাত্রাধিক্যে যাত্রাগান যে পরিমাণ গেঁজিয়ে উঠেছিল তা ভাষায় ব্যক্ত করা যায় না। শিক্ষিত বাবুরাই নতুন নতুন যাত্রার দলের অধিকারী হচ্ছিলেন। গোপাল উড়ে ও বদন অধিকারীদের পসার কমে যাচ্ছিল। ইংরেজদের থিয়েটার থেকে দেশি যাত্রাগানে স্ত্রীলোক অভিনেত্রীর আবির্ভাব হল। জোড়াসাঁকোর রামচাঁদ মুখুজ্জে যে ‘নন্দবিদায়’ যাত্রা করলেন, তাতে ত্রয়োদশী ছিদামের নাচ—গানে সকলে মোহিত হয়ে গেল। গোপাল উড়েরা টেক্কা দিতে পারল না বাবুদের যাত্রার দলের সঙ্গে। এমনকি বিদ্যাসুন্দর—যাত্রার মধ্যে যথেষ্ট আদিরসের মাত্রা চড়িয়েও টেক্কা দেওয়া সম্ভব হল না। বাবুদের মন উঠল না তাতে। কেন উঠল না, তা এ দেশি যাত্রার অধিকারীরা বুঝেও বুঝতে পারলেন না। রুশ ব্যবসায়ী লেবেডেফ বুঝতে পেরেছিলেন। তাই ১৭৯৫ সালে লেবেডেফ যে রঙ্গাভিনয়ের আয়োজন করেন তাতে বাঙালি গোলোকনাথ দাসের সাহায্যে ইংরেজি নাটক বাংলায় অনুবাদ করান, বিদ্যাসুন্দরের গান ইংরেজি সুরে রচনা করেন এবং এ দেশি স্ত্রীলোকদেরও অভিনয়ের জন্য সংগ্রহ করেন। লেবেডেফ যা করতে পারলেন, শিশুরাম অধিকারীর শিষ্য—প্রশিষ্যরা তা পারলেন না।

     

    আরও দেখুন
    PDF বই
    কৌতুক সংগ্রহ
    বাংলা অডিওবুক
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বাংলা লেখকদের সাক্ষাৎকার
    লেখকের বই
    লাইব্রেরি
    বই ডাউনলোড
    পিডিএফ
    বাইশে শ্রাবণ

     

    বিদ্যাসুন্দর—যাত্রার স্বর্ণযুগ তখন, তার সমাদরও তখন সবচেয়ে বেশি। রুশবাসী লেবেডেফ পর্যন্ত তা বুঝতে পেরেছিলেন, তাই ডোমতলায় তিনি যে রঙ্গালয় প্রতিষ্ঠা করেন, সেখানে বিদ্যাসুন্দরও গীত হয়। কিন্তু—

    সুন্দরীর করে ধরি সুন্দর বিনয় করি

    কহে শুন শুন প্রাণেশ্বরী।

    আজি দিনে দুপ্রহরে দেখিলাম সরোবরে

    কমলিনী বান্ধিয়াছে করী।।

    —এসব অভিনয় আর কিশোর—বালকদের মুখে শুনে বাবুদের ভাল লাগে না। তাই শখের বিদ্যাসুন্দর—যাত্রায় স্ত্রীলোকের অভিনয় শুরু হল।

    শ্যামবাজারের নবীনচন্দ্র বসু এক নাট্যশালা স্থাপন করে ‘বিদ্যাসুন্দর’ নাটক অভিনয় করেন। নবীনবাবুর বাড়িতেই এই অভিনয় হয়। ১৮৩৫ সালের কথা। শ্যামবাজারে আগে যেখানে ট্রাম—কোম্পানির আস্তাবল (ঘোড়ার ট্রামের আসলে) ছিল, সেখানে ছিল নবীনবাবুর বাড়ি। তখনও রঙ্গমঞ্চ বা দৃশ্যপট ইত্যাদির ব্যবস্থা হয়নি। নাটকের দৃশ্যাবলি বাড়ির বিভিন্ন স্থানে প্রকৃত সাজসজ্জাদি দিয়ে সাজানো হয়। এক ঘর থেকে অন্য ঘরে মাটি খুঁড়ে সুড়ঙ্গ করা হয়। বীরসিংহের দরবার হয় নবীনবাবুর বৃহৎ বৈঠকখানায়। বকুলতলার পুষ্করিণীর দৃশ্য বাড়ির উদ্যানের পুষ্করিণীর তীরে সাজানো হয়। উদ্যানের একপাশে মালিনীর কুটির তৈরি হয়। এক স্থানে এক দৃশ্যের অভিনয় দেখে দর্শকরা অন্য স্থানে দৃশ্য দেখতে উঠে যেতেন। প্রথম ‘বিদ্যাসুন্দর’ অভিনয় এইভাবে দর্শকরা ছুটোছুটি করে দেখেন। বিদ্যার ভূমিকায় ষোড়শবর্ষীয়া রাধামণি দাসী ও তার সখীর ভূমিকায় রাজকুমারীর অভিনয়, অঙ্গভঙ্গি, নৃত্য—গীত দেখে সকলেই মুগ্ধ হন। অভিনয়ের ব্যয়নির্বাহার্থ নবীনবাবু প্রায় দুই লক্ষ টাকা খরচ করেন। তার জন্য ‘খাতাবাড়ি’ নামে ইংরেজটোলার এক বাড়ি তাঁকে বিক্রি করতে হয়। এখন যে বাড়িতে ‘মিলিটারি অ্যাকাউন্টস’—এর আপিস, তাকেই সেকালের খাতাবাড়ি বলা হত।

     

    আরও দেখুন
    গল্প, কবিতা
    বাংলা অডিওবুক
    বাংলা বইয়ের প্রিন্ট কপি
    PDF বই
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    পিডিএফ
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    রেসিপি বই
    অনলাইনে বই

     

    এইভাবে বাঙালির উদযোগে প্রথম বাংলা নাটক অভিনয়ের সূত্রপাত হয়। ইংরেজি থিয়েটার ও যাত্রাগানের সংমিশ্রণে বাংলা রঙ্গাভিনয়ের এক নতুন ধারার প্রবর্তন হয়। বাঙালির রঙ্গালয় তখনও প্রতিষ্ঠিত হয়নি, সাধারণ জাতীয় রঙ্গালয় তো নয়ই।

    .

    দ্বিতীয় প্রস্তাব

    With fire in their eyes and love on their lips

    And passion in each of their elegant skips,

    As breathless as angles, as wicked as devils,

    Performed at these highly indelicate revels.

     

    আরও দেখুন
    বাংলা লেখকদের সাক্ষাৎকার
    বই ডাউনলোড
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    PDF বই
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    বইয়ের তালিকা
    ডিকশনারি
    উপন্যাস সংগ্রহ
    রেসিপি বই
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই

     

    —‘Lays of Ind’

    বাবুদের বাড়ি বাইনাচ আর ভাঁড়নাচ দেখে ইংরেজ কবি ‘দ্য নটি নাচ’ কবিতা লিখে ফেললেন। নাচানাচির পর্বও ক্রমে শেষ হয়ে এল। সুপ্রিমকোর্টের মামলা—মকদ্দমা ও পুজো—বিয়ে—অন্নপ্রাশন—শ্রাদ্ধে অপরিমিত ব্যয় করে বাঙালি হঠাৎ—নবাবরা প্রায় নিলামে ওঠার উপক্রম হলেন। তা ছাড়া বাবুদের বংশলোচনদের কিঞ্চিৎ জ্ঞানবৃদ্ধিও হতে থাকল। ধনক্ষয়টা যে প্রায় বর্বরের মতন হচ্ছে তা তাঁরা কিছু ‘লেটে’ হলেও শেষ পর্যন্ত বুঝলেন। রঙ্গালয়ের ইতিহাসের প্রথম একশো বছর আমাদের সাবালক হতে—হতেই কেটে গেল।

    গুণতে গেলে একশো বছরই প্রায় বলতে হয়। অষ্টাদশ শতাব্দীর মাঝামাঝি থেকে প্রায় ঊনবিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝি পর্যন্ত। ১৭৫৬ সালের কিছু আগে ইংরেজদের প্রথম থিয়েটার প্রতিষ্ঠিত হয় কলকাতায়। সেই সময় থেকে ঊনবিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝি পর্যন্ত ‘দি চৌরঙ্গি থিয়েটার’, ‘দি ক্যালকাটা থিয়েটার’, ‘সাঁ সোচি থিয়েটার’ ইত্যাদি একাধিক ইংরেজি রঙ্গালয় কলকাতায় স্থাপিত হয়। এই সময় অনেক ইংরেজ অভিনেতা—অভিনেত্রী, মঞ্চাধ্যক্ষ ও প্রযোজক কলকাতায় আসেন এবং তাঁদের অভিনয় দেখে বাবুরা রঙ্গালয়ের দিকে আকৃষ্ট হন। তার থেকেই সেইদিন বাবুদের শখের থিয়েটারের উৎপত্তি হয় বলা চলে। বোধহয় চৌরঙ্গি থিয়েটার (১৮১৩—৩৯), ক্যালকাটা থিয়েটার ও সাঁ সোচি থিয়েটারের প্রভাবেই বাঙালি বড়বাবুরা শখের নাট্যশালা খুলতে অনুপ্রাণিত হন। বাঙালি প্রতিষ্ঠিত প্রথম থিয়েটার হল প্রসন্নকুমার ঠাকুরের ‘হিন্দু থিয়েটার’ (১৮১৩ সাল) এবং তাতে প্রথম অভিনয় হয় শেক্সপিয়রের ‘জুলিয়াস সীজার’—এর অংশ ও উইলসন অনূদিত ভবভূতির ‘উত্তররামচরিত’। অভিনয় দেখে একজন ‘সমাচার চন্দ্রিকা’ পত্রিকায় বেশ একখানি মজার চিঠি লেখেন। তাঁর চিঠির বক্তব্য আমি কিঞ্চিৎ মার্জিত ভাষায় উদ্ধৃত করছি :

     

    আরও দেখুন
    ই-বই সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    গল্প, কবিতা
    বই পড়ুন
    বইয়ের
    ডিকশনারি
    পিডিএফ
    অনলাইন বুকস্টোর
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    বাংলা হস্তলিপি কুইল

     

    ‘রাঢ়দেশের ক্ষুদ্র লোকের সন্তানেরা কালীয়দমন, রামযাত্রা, কৃষ্ণযাত্রা, চণ্ডীযাত্রা ইত্যাদি করত। এখন ভদ্রলোকের সন্তানেরা ওই ব্যবসা আরম্ভ করলেন। সুখের কথা এঁরা ধনীর সন্তান, প্রতিপদে এঁদের পেলা দিতে হবে না। যাত্রার ছোকরারা সর্বদাই টাকাপয়সা চাইত, পয়সা—সিকি—আধুলি না পেলে দর্শকদের কাছে এসে নান রকমের রঙ্গভঙ্গি করত। নিস্তার পাবার জন্য কিছু তাদের নিতেই হত। এখন আর সে আপদ রইল না। ধনীর দুলালরা নিজেদের অর্থ ব্যয় করে নানা রকমের বেশভূষা প্রস্তুত করেছেন। ইংরেজ শিক্ষক রেখে অভিনয় অভ্যাস করেছেন। আমাদের দেশীয় অধিকারীরা কেবল একরকম বেশ করে অভিনয় করেন। থরকাটা প্রেমচাঁদ অধিকারী শুধু কতকগুলি বাইআনা বেশের সৃষ্টি করেছেন। তার চেয়ে ইংরেজ অধিকারীদের বেশভূষার সজ্জা হাজারগুণ ভাল। যেমন সং, তেমন অভিনয় এবং ঠিক অবিকল সেইরকম পোশাক।’

    এই চিঠির উপর মন্তব্য নিষ্প্রয়োজন। ইংরেজদের থিয়েটার থেকেই বাঙালিবাবুরা শখের থিয়েটারের প্রেরণা পান এবং ইংরেজ অধিকারীর তালিমেই বাঙালির শখের থিয়েটার গড়ে ওঠে। শিল্প—বাণিজ্য যেমন একটা বিশেষ অঞ্চলকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠে, থিয়েটারও তেমনি গড়ে ওঠে কলকাতা শহরে। প্রথম যুগের রঙ্গালয়কেন্দ্র ছিল চৌরঙ্গি—পার্ক স্ট্রিট থেকে চীনাবাজার—লালবাজার পর্যন্ত। সেটা ইংরেজি থিয়েটারের যুগ এবং চৌরঙ্গি থেকে চীনাবাজারের মধ্যেই প্রধানত তখন ইংরেজরা বাস করতেন। শখের থিয়েটারের যুগে কলকাতার থিয়েটার—অঞ্চল ক্রমে উত্তরদিকে স্থানান্তরিত হত থাকে, কারণ কলকাতায় শৌখিন বড়বাবুদের প্রধান বসবাসকেন্দ্র উত্তর কলকাতা। শখের থিয়েটার থেকে সাধারণ রঙ্গালয় পর্যন্ত থিয়েটারের অগ্রগতি উত্তর কলকাতাতেই হয়। সেই থেকে আজ পর্যন্ত উত্তর কলকাতাতেই শহরের প্রধান রঙ্গালয়কেন্দ্র হয়ে আছে। দক্ষিণ কলকাতার থিয়েটার শুধু যে ভাল চলে না তা নয়, যেন ভাল মানায়ও না। উত্তর কলকাতার কালচার প্রথম ইংরেজ যুগের ও শেষ নবাবি আমলের বড়লোক বাঙালির কালচার; দক্ষিণ কলকাতার কালচার তার পরবর্তী যুগের ইংরেজি—শিক্ষিত চাকুরিজীবী বাঙালি মধ্যবিত্তের কালচার। তাই দক্ষিণ কলকাতায় ‘থিয়েট্রিক্যাল পার্টি’ ও ‘ড্রামাটিক ক্লাব’ পর্যন্ত বিকাশ সম্ভব হয়েছে, উত্তর কলকাতার মতন শখের নাট্যশালা থেকে সাধারণ রঙ্গালয় পর্যন্ত থিয়েটারের বিকাশ বা পরিণতি সম্ভব হয়নি।

     

    আরও দেখুন
    Library
    গ্রন্থাগার
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বাংলা বইয়ের উপহার কার্ড
    ডিজিটাল বই
    বইয়ের তালিকা
    বাংলা কৌতুক বই
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কাগজ
    বাংলা সাহিত্যের কোর্স

     

    বাঙালির নতুন থিয়েটার ক্রমে সেই বটতলাভিমুখী হল। একতলা বেলতলা থেকে সেই বটতলা। ছাত্ররাও ইংরেজি অভিনয় আরম্ভ করল, শেক্সপিয়রের নাটক। ১৮৫১ সালে বটতলার ‘ডেভিড হেয়ার অ্যাকাডেমি’ প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ১৮৫৩ সালে তার ছাত্ররা শেক্সপিয়রের ‘মার্চেন্ট অফ ভেনিস’ অভিনয় করে। দেখাদেখি ‘ওরিয়েন্টাল সেমিনারির’ ছাত্ররাও অভিনয় করতে আরম্ভ করে—ওই শেক্সপিয়রের নাটক এবং ওই বটতলায়। বাঁধা বটতলার পাশে এক বৃহৎ বাড়িতে ওরিয়েন্টাল সেমিনারি ছিল এবং সেই বাড়িতে ছাত্ররা ‘ওথেলো’ অভিনয় করল। কলকাতা মাদ্রাসার ইংরেজি বিভাগের প্রধান শিক্ষক, সাঁ সোচি থিয়েটারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট মিঃ ক্লিঙ্গার ছাত্রদের অভিনয়শিক্ষা দেন। স্কুলের ছাত্রদের এই নাট্যশালা পরে পূর্ণাঙ্গ নাট্যশালায় পরিণত হয়—নাম হয় ‘ওরিয়েন্টাল থিয়েটার’। মিঃ ক্লিঙ্গার ছাড়াও এলিস নামে এক ইংরেজ মহিলা এখানে অভিনয়শিক্ষা দেন। গড়ের মাঠের কাছে কোথাও এলিসের একটি রঙ্গালয় ছিল বলে মনে হয়, কারণ ‘সংবাদ প্রভাকর’ থেকে জানা যায় যে, ‘মিস ইলিসের গড়ের মাঠের নৃত্যাগার পবনঠাকুরের কৃপায় পতিত হইয়াছে। (১৮৫১, ২৬ এপ্রিল)। চৌরঙ্গি ও চীনাবাজারের ইংরেজ অধিকারীরা কীভাবে বটতলায় এসে বাঙালি থিয়েটারের অধিকারী ও অভিনেতাদের তালিম দিয়েছিলেন, তা এইসব বিবরণ থেকে পরিষ্কার বোঝা যায়। ইংরেজি অভিনয়ে বাঙালিরা যেন প্রথমে খানিকটা রিহার্সাল দিয়ে নিলেন, তারপর বাংলা অভিনয় আরম্ভ হল। প্রথমে ইংরেজি শিখে পরে বাংলা শেখা, অথবা প্রথমে ইংলন্ডের ইতিহাস মুখস্থ করে পরে বাংলার ইতিহাস পড়ার মতন যেন থিয়েটারের ব্যাপারটাও অনেকটা হল। শেক্সপিয়রের নাটক অভিনয় করে এবং সংস্কৃত নাটক ইংরেজিতে তর্জমা করে বাঙালির নবযুগের থিয়েটারের সূত্রপাত হল। অভিনয়ের দীক্ষাগুরু হলেন ইংরেজরা। যাত্রার যুগের গোপাল উড়ে বা বদন অধিকারীর বদলে থিয়েটারের যুগে ক্লিঙ্গার, এলিস, রবার্টল, পার্কার প্রমুখ ইংরেজরাই অধিকারী হলেন। বাঁধা বটতলার আশপাশে ইংরেজ অধিকারী ও অভিনয়ের সযত্ন তালিমে বাঙালির থিয়েটার আরম্ভ হল, অবশ্য প্রধানত ইংরেজি থিয়েটার।

     

    আরও দেখুন
    Books
    বুক শেল্ফ
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কালি
    নতুন বই
    স্বাস্থ্য টিপস
    বাইশে শ্রাবণ
    বাংলা অডিওবুক
    বই পড়ুন
    Library
    বাংলা সাহিত্য

     

    তারপর এল বাংলা নাট্যাভিনয়ের যুগ। সেই বটতলারই আশপাশে তার মহড়া চলতে লাগল। লেবেডেফ অবশ্য ১৭৯৫ সালে প্রথম বাংলা নাট্যশালা প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করেন কিন্তু পণ্ডিত গোলোকনাথ দাসের সাহায্য নিয়ে বা স্ত্রীলোক অভিনেত্রী জুটিয়েও তাঁর চেষ্টা সার্থক হয়নি। তার কারণ বাংলা ‘বিদ্যাসুন্দর’—এর ইংরেজি সুর রচনা, এসব ইংরেজি ‘ডিজগাইজ’—এর বাংলা তর্জমা, কোনোটাই আসল বাংলা অভিনয় নয়। সংস্কৃত নাটক বাংলায় রূপান্তরিত করে বাংলা নাটকের অভিনয় শুরু হয় ১৮৫৭ সালে—সিমলায় সাতুবাবুদের বাড়িতে। তার অল্পদিন পরে ১৮৫৮ সালেই চড়কডাঙায় রামজয় বসাকের বাড়িতে প্রথম বাংলা সামাজিক নাটক ‘কুলীনকুলসর্বস্ব’র অভিনয় হয়। এই অভিনয়ে মহেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায় কুলাচার্য সেজেছিলেন। চড়কাডাঙা রোডে (বর্তমানে টেগোর কাসল রোড) রামজয় বসাকের বাড়ির উঠানে স্টেজ বাঁধা হয়। ইস্ট ইন্ডিয়া রেল কোম্পানির এজেন্টের অফিসের বড়বাবু রাজেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় রঙ্গমঞ্চ প্রস্তুত করেন। রাজেনবাবু ও জগৎ দুর্লভবাবু দিব্যি ভুঁড়ি নিয়ে মাথায় লম্বা টিকি ঝুলিয়ে ব্রাহ্মণ পণ্ডিত সাজেন। রাজেনবাবুর হাতে একটি শামুকের নস্যাধারও ছিল। তাঁরা দু’জনে যখন তর্কাতর্কি করতেন তখন শ্রোতারা হেসে গড়াগড়ি যেত। পরে বড়বাজারের গদাধর শেঠের বাড়ি এই নাটকের আরও অভিনয় হয়। অভিনয় দেখে উৎফুল্ল হয়ে একজন ‘সভ্যতা—পথের পথিক’, ‘সংবাদ প্রভাবকর’ পত্রিকায় লেখেন (১৮৫৮, ২৫ মার্চ) :

     

    আরও দেখুন
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বাংলা লেখকদের সাক্ষাৎকার
    বাংলা বই
    বাংলা সাহিত্যের ওয়ার্কশপ
    বাংলা ই-বুক রিডার
    ই-বই পড়ুন
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    রেসিপি বই
    বাংলা বইয়ের প্রিন্ট কপি

     

    বঙ্গদেশে আজকাল বড় ধূমধাম

    যেথা সেথা শুনা যায় অভিনয় নাম।।

    বঙ্গদেশে রঙ্গবিদ্যা হোতেছে প্রকাশ।

    সকলে উৎসাহ করে এই মম আশ।

    নাটক লইয়া সবে রঙ্গরসে থাক।

    কালিদাস হোয়ে সবে কালীনাম ডাক।।

    ক্রমে বেলগাছিয়া নাট্যশালা, বিদ্যোৎসাহিনী রঙ্গমঞ্চ, পাথুরিয়াঘাটা বঙ্গ নাট্যালয়, শোভাবাজার প্রাইভেট থিয়েট্রিক্যাল সোসাইটি, জোড়াসাঁকো নাট্যশালা প্রভৃতি প্রতিষ্ঠিত হয় এবং নাটুকে রামনারায়ণের পর মাইকেল মধুসূদন ও দীনবন্ধু মিত্রর মতন নাট্য—প্রতিভার আবির্ভাব হয়। বাংলা নাটক, বাংলা অভিনয় ও বাংলা থিয়েটারের দ্রুত বিকাশ হতে থাকে। এর মধ্যে অবশ্য নতুন রুচিসম্পন্ন শিক্ষিত বাঙালি দর্শকগোষ্ঠীও তৈরি হয়েছে এবং রঙ্গালয়ের প্রয়োজনীয়তাও তাঁরা বোধ করেছেন। কিন্তু প্রাইভেট রঙ্গালয়ে সেই প্রয়োজন মিটছে না। বাংলায় সাধারণ রঙ্গালয় প্রতিষ্ঠার সময় হয়েছে। ১৮৬০ সালে আহিরিটোলার রাধামাধব হালদার ও যোগীন্দ্রনাথ ‘দ্য ক্যালকাটা পাবলিক থিয়েটার’ নাম দিয়ে সাধারণ রঙ্গালয় প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করে ব্যর্থ হন। ব্যর্থ হলেও সেটা সাময়িক, কারণ ক্ষেত্র তৈরি, অর্থাৎ বাংলা নাটক ও নাট্যকার তৈরি, বাঙালি অভিনেতা তৈরি এবং বাঙালি দর্শকরাও তৈরি। বাগবাজার অ্যামেচার থিয়েটার দীনবন্ধুর নাটক অভিনয় শুরু করেন—’সধবার একাদশী’, ‘লীলাবতী’। অভিনয়ের আশাতীত সাফল্যে উৎসাহিত হয়ে সাধারণ রঙ্গালয় প্রতিষ্ঠা পরিকল্পনা চলতে থাকে। ‘নীলদর্পণ’ নাটকের মহড়া আরম্ভ হয়। ১৮৭২ সালের কথা।

     

    আরও দেখুন
    অনলাইনে বই
    বাংলা ডিকশনারি অ্যাপ
    কৌতুক সংগ্রহ
    লেখকের বই
    বইয়ের তালিকা
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    গ্রন্থাগার
    বাংলা বইয়ের উপহার কার্ড
    PDF বই
    বাংলা বইয়ের আলোচনা ফোরাম

     

    সেই বটতলা। ১৮৭২ সালের ৭ ডিসেম্বর। ‘কলিকাতা ন্যাশনাল থিয়েট্রিক্যাল সোসাইটি’ নাম দিয়ে চিৎপুরে মধুসূদন সান্যালের বাড়ির বাইরের উঠানে মঞ্চ বেঁধে ‘নীলদর্পণ’ নাটকের অভিনয় হয়। এই হল বাঙালির সাধারণ রঙ্গালয়ের প্রথম অভিনয়। চৌরঙ্গি ও চীনাবাজারে ছিল ইংরেজের থিয়েটার। বটতলায় প্রথম ইংরেজের তালিমে বাঙালির শখের থিয়েটার আরম্ভ হল, শুধু শৌখিন ধনী বাবুদের নয়, স্কুল—কলেজের ছাত্রদেরও। বাঙালির থিয়েটার, কিন্তু ইংরেজি অভিনয়। তারপর তৃতীয় পর্বে বটতলায় সাধারণ রঙ্গালয়ের বিকাশ হল। সার্থক হল কলকাতার বটতলার জীবন। ‘কলকাতা কালচার’—এর একটা বিরাট অধ্যায় জুড়ে রইল বটতলা। এতদিন স্বতন্ত্র একটা ‘বটতলা কালচার’—এর যেন সার্থক পরিণতি হল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবাদশাহী আমল – বিনয় ঘোষ
    Next Article বাংলার সামাজিক ইতিহাসের ধারা – বিনয় ঘোষ

    Related Articles

    বিনয় ঘোষ

    কলকাতা শহরের ইতিবৃত্ত ২ – বিনয় ঘোষ

    November 4, 2025
    বিনয় ঘোষ

    জনসভার সাহিত্য – বিনয় ঘোষ

    November 4, 2025
    বিনয় ঘোষ

    বাংলার বিদ্বৎসমাজ – বিনয় ঘোষ

    November 4, 2025
    বিনয় ঘোষ

    বাংলার সামাজিক ইতিহাসের ধারা – বিনয় ঘোষ

    November 4, 2025
    বিনয় ঘোষ

    বাদশাহী আমল – বিনয় ঘোষ

    November 4, 2025
    বিনয় ঘোষ

    শিল্প সংস্কৃতি ও সমাজ – বিনয় ঘোষ

    November 4, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }