Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কলকাতা শহরের ইতিবৃত্ত ১ – বিনয় ঘোষ

    বিনয় ঘোষ এক পাতা গল্প603 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৩. শিল্পীশহর কলকাতা

    শিল্পীশহর কলকাতা

    বড়িশার সাবর্ণ চৌধুরীদের জমিদারির অন্তর্গত একটি নগণ্য গ্রাম ছিল ‘ডিহি কলিকাতা’। উত্তর—দক্ষিণ—পুবে আরও কয়েকটি গ্রাম নিয়ে ছিল ‘পরগনা কলিকাতা’। উত্তরাংশের কয়েকটি গ্রাম ছিল নদিয়ায় (কৃষ্ণনগর) রাজাদের অধীনে। দক্ষিণে বেহালা—বড়িশা পর্যন্ত ছিল সাবর্ণ চৌধুরীদের জমিদারির মধ্যে। সাধারণ বাংলার গ্রামের মতন ছিল ‘ডিহি কলিকাতা’। রাজস্বাদি আদায়ের কেন্দ্রীয় গ্রাম বলে ‘ডিহি’ বলা হত। তার সীমানাও ছিল তখন খুব সংকীর্ণ। উত্তরে বর্তমান মহাত্মা গান্ধী রোড, দক্ষিণে ধর্মতলা স্ট্রিট, গঙ্গার তীর পর্যন্ত—এই ছিল তার আনুমানিক সীমানা। এই সীমানা ক্রমে উত্তর—দক্ষিণ—পুবে বিস্তৃত হয়ে বিশাল মহানগরের রূপ ধারণ করেছে, মাত্র দু’শো বছরে। ‘ডিহি কলিকাতা’ হয়েছে মহানগরী।

    কলকাতা শহরের বয়স দু’শো বছরের বেশি বলা সমীচীন নয়। এ কথা ঠিক যে ১৬৯০ সালে জোব চার্নক যদি সুতানুটিতে তৃতীয়বার ‘হল্ট’ করে বাণিজ্যকুঠি স্থাপনের সিদ্ধান্ত না করতেন, যদি নবাবের অনুমতি নিয়ে তার সঙ্গে দুর্গ প্রতিষ্ঠা না করা হত, তাহলে গ্রাম থেকে ধীরে ধীরে কলকাতা ইংরেজদের রাজধানী ও প্রধান বাণিজ্যকেন্দ্রে পরিণত হত না, এবং তা না হলে বর্তমান মহানগরের আকার ও মর্যাদা লাভ করাও তার পক্ষে সম্ভব হত না। সেইজন্যই ঐতিহাসিকরা ১৬৯০ সালটিকে শহরের প্রতিষ্ঠা—বৎসর বলেন। কিন্তু জোব চার্নক কলকাতার প্রথম বিদেশি বণিক নন, তাঁর স্বজাতি ইংরেজরাও নন। বাণিজ্যস্থান হিসেবে সুতানুটি—কলকাতা নির্বাচনের কৃতিত্বও সবটুকু তাঁদের প্রাপ্য নয়। তার অনেক আগে, সপ্তদশ শতাব্দীর গোড়া থেকেই মনে হয়, ভাগীরথীর পশ্চিম তীরের হুগলি, সপ্তগ্রাম প্রভৃতি অঞ্চল থেকে বাঙালি শেঠ—বসাক তন্তুবণিক ও অন্যান্য বণিকরা, পূর্ব তীরস্থ সুতানুটি অঞ্চলে এসে বাণিজ্যকেন্দ্র গড়ে তোলেন। বিদেশি বণিকদের মধ্যেও, ইংরেজদের অনেক আগে আর্মেনিয়ানরা আসেন। এতদিন আমরা জানতাম, সেন্ট জন গির্জার সীমানার মধ্যে চার্নকের সমাধিমন্দিরটিই কলকাতার মধ্যে সবচেয়ে প্রাচীন সমাধি। কয়েক বছর আগে, কলকাতার আর্মেনিয়ান নাজারেথ গির্জার প্রাঙ্গণে, রেজাবিবে নামে জনৈকা আর্মেনিয়ান মহিলার একটি সমাধি আবিষ্কৃত হয়েছে। সমাধির গায়ে যে লিপিটি আছে, তার আর্মেনিয়ান সন ১৫, ইংরেজি সন হবে ১৬৩০ (১৬১৫ + ১৫)। রেজাবিবে ছিলেন দানবীর সুকিয়ার পত্নী। আর্মেনিয়ান সুকিয়াদের নামেই কলকাতার সুকিয়া স্ট্রিট। চার্নকের আগমনের অর্ধশতাব্দীরও আগে আর্মেনিয়ান বণিকরা যে কলকাতা অঞ্চলে বাণিজ্যের জন্য বসতি স্থাপন করেছিলেন, তাতে কোনো সন্দেহ নেই। এ দেশি ও বিদেশি বণিকদের বাণিজ্যকেন্দ্র হাট—বাজার—বন্দর থেকে সুতানুটি—কলকাতা ইংরেজ বণিকদের প্রধান বাণিজ্যস্থান ও রাজধানী হয়ে মহানগরে পরিণত হয়েছে। এই হিসেবে, কলকাতার নাগরিক রূপায়ণের কাল আরও একশো—দেড়শো বছর বিস্তৃত করে, তিনশো থেকে সাড়ে—তিনশো বছর হয়।

     

    আরও দেখুন
    বইয়ের
    বাংলা সাহিত্য
    ডিকশনারি
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    অনলাইন বুকস্টোর
    বাংলা সাহিত্যের কোর্স
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    অনলাইনে বই
    বাংলা বইয়ের আলোচনা ফোরাম
    লাইব্রেরি

     

    কিন্তু ১৭৫৬ সালেও নবাব সিরাজউদ্দৌলা কলকাতা থেকে ইংরেজদের বিতাড়িত করেছিলেন এবং কলকাতার নাম দিয়েছিলেন ‘আলিনগর’। তার এক বছর পরে, ১৭৫৭ সালে, পলাশির রণাঙ্গনে জয়ী হয়ে ইংরেজরা এ দেশের রাজসিংহাসন দখল করেন। পলাশির যুদ্ধের পর বণিকের মানদণ্ড রাজদণ্ডরূপে দেখা দেয়। তারপর থেকে আজ পর্যন্ত ঠিক দু’শো তিরিশ বছরই হল কলকাতার প্রকৃত ইতিহাস।

    অষ্টাদশ শতাব্দীর প্রথম থেকেই ইংরেজ ও ইয়োরোপীয় বণিকরা অনেকে বাংলাদেশের কলকাতা শহরে আসতে আরম্ভ করেন। সামান্য বেতনের রাইটার ও কর্মচারী হয়ে এসে, ইন্টারলোপিং ও অন্যান্য উপায়ে প্রচুর অর্থ উপার্জন করে, ‘নবাবের’ মতন তাঁরা স্বদেশে ফিরে যেতেন। ইংলন্ডেও তাঁরা ‘নবাব’ বলে পরিচিত ছিলেন। প্রথম যুগের এই ইংরেজ নবাবরা এ দেশি বাঙালি নবাব ও রাজা—মহারাজাদের বিলাসী জীবনযাত্রা অনুকরণ করে চলতেন। বাড়িতে তাঁদের চার—পাঁচ ডজন করে চাকরবাকর থাকত। হুঁকো—গড়গড়ায় তাঁরা তামাক খেতেন, ঘোড়ায় চড়ে বা ফিটন—বগি—পালকি গাড়িতে করে ঘুরে বেড়াতেন, এ দেশি তুকতাকে বিশ্বাস করতেন, দেবালয়ে পূজা দিতেন, উৎসব—পার্বণে ভোজসভায় বাইজিনাচ দেখতে যেতেন, কৃষ্ণাঙ্গিনীদের নিয়ে সুসজ্জিত বজরায় করে নৌকাবিহার করতেও আদৌ কুণ্ঠিত হতেন না। উৎসবের সময় বাজি পোড়ানো হত, নানা রকমের তামাশা দেখানো হত, যেমন ঘোড়ার খেলা, বেলুন ওড়ানো ইত্যাদি। মধ্যে মধ্যে বড় বড় সাহেবরা সামান্য কারণে ডুয়েল লড়তেন এবং তাতে প্রাণও দিতেন। সামান্য চুরির অপরাধে তখন কলকাতার প্রকাশ্য রাস্তায় ঢেঁড়া পিটিয়ে লোক জড়ো করে অপরাধীকে ফাঁসি দেওয়া হত। এই ছিল ন্যায়বিচার। এ দেশে তান্ত্রিক দেবদেবীর স্থানে নরবলি দেবার প্রথা তখনও লুপ্ত হয়নি। মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত অপরাধীদের, অনেক সময়, ইংরেজরা দেবস্থানে নিয়ে গিয়ে নরবলিও দিতেন। একসঙ্গে দুই কাজই হত, পূজা দেওয়া হত, দণ্ডও দেওয়া হত।

     

    আরও দেখুন
    গ্রন্থাগার
    স্বাস্থ্য টিপস
    বাংলা ডিকশনারি অ্যাপ
    লাইব্রেরি
    ডিজিটাল বই
    বইয়ের
    Books
    বাংলা সাহিত্যের ওয়ার্কশপ
    বুক শেল্ফ
    বাংলা বইয়ের উপহার কার্ড

     

    ইংরেজরা যখন এ দেশে এইরকম অর্ধবর্বর জীবনযাপন করতেন, তখন জ্ঞানবিদ্যা বা শিল্পকলাচর্চার দিকে তাঁদের কোনো নজর ছিল না। এইসব ইংরেজ রাইটার—ফ্যাক্টর, বণিক—সৈনিকদের মধ্যে জ্ঞানীগুণী ব্যক্তি কেউ এ দেশে আসতেনও না। বাজিকর ও সার্কাসওয়ালা ইংরেজরা আসতেন, পয়সা রোজগার করবার জন্য। শৌখিন কারিগরদের মধ্যে ‘হেয়ারড্রেসারদের’ মতন কেউ কেউ আসতেন এবং তাঁরা কাগজে বিজ্ঞাপন দিয়ে এ দেশি লোকদেরও ‘হেয়ারড্রেসিং’ শিক্ষা দিতেন। কাপড় ধোলাই করার জন্য ইংরেজ রজকরাও আসতেন। আর আসতেন কফি হাউস ও ট্যাভার্ন—কিপাররা।

    অষ্টাদশ শতাব্দীর ইংরেজ সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রের ও স্তরের প্রতিনিধিরা সকলেই কলকাতায় আসেন একে—একে। প্রথমে সমাজের তলার দিকের প্রতিনিধিরাই আসেন, উপরের মনীষী, জ্ঞানীগুণী, বিদ্যোৎসাহী ও কলানুরাগীরা আসেন অনেক পরে। পলাশির যুদ্ধের পর, অষ্টাদশ শতাব্দীর শেষার্ধ থেকে তাঁরা আসতে আরম্ভ করেন। ইংলন্ডের ও ইয়োরোপের অন্যান্য স্থানের বিদ্যোৎসাহী শিল্পীরাও দুই—একজন করে আসেন কলকাতা শহরে। তাঁদের আগমনের পর, কলকাতা শহর ধীরে ধীরে আধুনিক সংস্কৃতিকেন্দ্রে পরিণত হয়। পাশ্চাত্য ভাবধারার আমদানিও এই সময় থেকে হতে থাকে। ইয়োরোপীয় পণ্ডিতরা আসেন, শিক্ষাবিদরা আসেন এবং তাঁদের সঙ্গে দু’চারজন করে চিত্রশিল্পী ও খোদাই—শিল্পীরাও আসেন। জ্ঞানবিদ্যার তীর্থ কলকাতা এইসব শিল্পীদের আনাগোনায় শিল্পীতীর্থে পরিণত হয়।

     

    আরও দেখুন
    বই ডাউনলোড
    বুক শেল্ফ
    বইয়ের
    রেসিপি বই
    Library
    গ্রন্থাগার
    লেখকের বই
    বাংলা অডিওবুক
    কৌতুক সংগ্রহ
    গল্প, কবিতা

     

    অষ্টাদশ শতাব্দীর শেষ থেকে ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষ পর্যন্ত যেসব চিত্রশিল্পী কলকাতা শহরে আসেন, তাঁদের কোনো ধারাবাহিক ইতিবৃত্ত কেউ রচনা করেননি। জরাজীর্ণ—প্রাচীন পত্রিকার পৃষ্ঠার মধ্যেই তাঁদের সেই ইতিবৃত্ত সমাধিস্থ হয়ে আছে। তাকে পুনরুদ্ধার করে কাহিনির ধারাবাহিকতা অক্ষুণ্ণ রেখে, কলকাতার শিল্পীকথা রচনা করা খুবই কঠিন। তবু আমরা যথাসম্ভব চেষ্টা করব সেই প্রায়লুপ্ত ইতিবৃত্ত পুনরুদ্ধার করতে।

    অষ্টাদশ শতাব্দীর শেষার্ধ থেকে, ইয়োরোপের যেসব চিত্রশিল্পী ও অন্যান্য শিল্পী কলকাতা শহরে এসেছিলেন, তাঁরা কী করেছিলেন, কী এঁকেছিলেন, কীভাবে এ দেশে তাঁদের চিত্রকলাপদ্ধতি শিক্ষা দিয়েছিলেন, তার ভাব ও ভঙ্গিমা প্রচার করেছিলেন, প্রধানত তা—ই হল আমাদের আলোচ্য বিষয়। আলোচনা স্বভাবতই ইতিবৃত্তপ্রধান হবে। কিন্তু তা হলেও, এ দেশের শিল্পী ও শিল্পবণিকরা এই ইতিবৃত্তের ভিতর থেকে এ দেশি চিত্রকলার নতুন পরিবর্তনের ধারা সম্বন্ধে অনেক চিন্তনীয় উপাদানের সন্ধান পাবেন। পাশ্চাত্য চিত্রশিল্পীদের সংস্পর্শে এসে, পাশ্চাত্য চিত্রকলার ভাবধারা ও ভঙ্গিমার প্রভাবে, কীভাবে এ দেশে শিল্পীরা শিল্পকলার বিভিন্ন ক্ষেত্রে নতুন করে যাত্রা শুরু করেন, তারও সুস্পষ্ট আভাস এই কাহিনির ভিতর থেকে পাওয়া যাবে। সংস্কৃতিক্ষেত্রের আরও অন্যান্য বিষয়ের মতন, শিল্পকলারও আদানপ্রদানের প্রধান তীর্থ ছিল কলকাতা শহর। কাহিনিও তাই কলকাতাকেন্দ্রিক।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা ই-বুক রিডার
    কৌতুক সংগ্রহ
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    স্বাস্থ্য টিপস
    লাইব্রেরি
    গল্প, কবিতা
    বই ডাউনলোড
    বইয়ের
    বাংলা ডিকশনারি অ্যাপ

     

    পঞ্চদশ—ষোড়শ শতাব্দীতে ইয়োরোপীয় ‘রিনেস্যান্সের’ প্রভাবে চিত্রকলারও নবজাগরণ হয়েছিল। সেই সময় বোত্তিচেল্লি (১৪৪৪—১৫১০), লেওনার্দো (১৪৫২—১৫১৯), মিকেলঞ্জেলো (১৪৭৫—১৫৬৪), গ্রনওয়াল্ড (১৪৭৫—১৫২৮), টিশিয়ান (১৪৭৭—১৫৭৬), র‍্যাফেল (১৪৮৩—১৫২০) প্রভৃতি প্রসিদ্ধ চিত্রশিল্পীদের আবির্ভাব হয়েছিল ইয়োরোপে। সপ্তদশ শতাব্দীতে রূবেনস (১৫৭৭—১৬৪০), রেমব্রান্ডট (১৬০৬—১৬৬৯), ভ্যান ডাইক (১৫৯৯—১৬৪১) প্রভৃতি নতুন কলাকীর্তির পরিচয় দেন। অষ্টাদশ শতাব্দীতে হগার্থ (১৬৯৭—১৭৬৪), রেনল্ডস (১৭২৩—১৭৯২), গেইনসব্যুরো (১৭২৭—১৭৮৮), গয়া (১৭৪৪—১৮২৬), ডেভিড (১৭৪৮—১৮২৫), ব্লেক (১৭৫৭—১৮২৭), টার্নার (১৭৭৫—১৮৫১), কনস্টেবল (১৭৭৭—১৮৩৭) প্রভৃতি শিল্পীরা চিত্রকলার উৎকর্ষসাধনে ব্রতী হন। কেবল চিত্রকরদের নামের তালিকা হলেও, এই নামের ভিতর থেকেই পাশ্চাত্য চিত্রকলার তদানীন্তন পরিবেশ পরিস্ফুট হয়ে ওঠে। অষ্টাদশ শতাব্দীর শেষার্ধ থেকে কলকাতা শহরে যেসব শিল্পী আসতে আরম্ভ করেন, তাঁদের কাহিনি পড়বার আগে এই পরিবেশটির কথা মনে রাখা দরকার। চিত্রকলার দিক থেকে কেবল এইটুকু বলা যেতে পারে যে ‘পোর্ট্রেট’ বা প্রতিকৃতি ও ‘ল্যান্ডস্কেপ’ বা প্রাকৃতিক দৃশ্য চিত্রণে পাশ্চাত্য শিল্পীরা তখন বিশেষ উৎকৃষ্টতা অর্জন করেছেন। কলকাতা শহরে কেবল ইয়োরোপের চিত্রশিল্পীরা যে এসেছিলেন তা নয়, বিখ্যাত শিল্পীদের আঁকা চিত্রেরও আমদানি হয়েছিল। চিত্রশিল্পী ও চিত্র, দুয়ের আগমনে কলকাতা শহরের চিত্রকলার ইতিহাসে ধীরে ধীরে নবযুগের সূচনা হয়েছিল।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা লেখকদের সাক্ষাৎকার
    বাইশে শ্রাবণ
    লেখকের বই
    গ্রন্থাগার
    ই-বই সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা সাহিত্যের ওয়ার্কশপ
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কালি
    বইয়ের তালিকা
    বাংলা বইয়ের আলোচনা ফোরাম

     

    কলকাতা শহরে বিদেশি চিত্রশিল্পীদের আনাগোনার এই কাহিনির উপকরণের উৎস হল প্রাচীন পত্রিকার ‘নোটিশ’ বা বিজ্ঞপ্তি। শিল্পীরা আসতেন, এবং তখনকার পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি ছেপে তাদের আগমনবার্তা শহরের ‘ভদ্রলোক’ ও ‘ভদ্রমহিলাদের’ কাছে ঘোষণা করতেন। অষ্টাদশ শতাব্দীর শেষদিকের এরকম দু’একটি বিজ্ঞপ্তির নমুনা উদ্ধৃত করছি। ১৭৮৪ সালের ৪ মার্চের ‘ক্যালকাটা গেজেট’ পত্রিকায়, ‘To the Lovers of Arts in India’ শিরোনামে একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়। বিজ্ঞপ্তিটি এই—

    Captain Francis Swain Ward, of the Madras Establishment, whose paintings and drawings of Gentoo Architecture etc. are well known, and esteemed in Europe and India, having been solicited by many of his well-wishers to publish his works, which are of too expensive a nature for him to effect without support, makes known by the channel of this paper, his intention of publishing by subscription twelve views of curious buildings, etc. all taken on the sport by himself. They are proposed to be on a large scale, and will be engraved by the first masters in England.

     

    আরও দেখুন
    স্বাস্থ্য টিপস
    বইয়ের
    বই
    বই ডাউনলোড
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    বইয়ের
    বাংলা সাহিত্যের ওয়ার্কশপ
    গ্রন্থাগার
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    নতুন বই

     

    The price will be twentyfive pagodas, or one hundred rupees, for each set. Subscriptions will be received by Mr. J. M. Clary, or at the shop of Messrs. Williams and Rankin, in Calcutta.

    ক্যাপ্টেন ফ্রান্সিস সোয়েন ওয়ার্ড ‘জেন্টু’ বা হিন্দু স্থাপত্যের চিত্রাঙ্কনে দক্ষ শিল্পী এবং তাঁর দক্ষতার কথা ইয়োরোপ ও ভারতের গুণীমহলে সুবিদিত। তাঁর গুণগ্রাহীদের একান্ত ইচ্ছা যে তিনি একটি চিত্রসংকলন প্রকাশ করেন। কিন্তু এই ধরনের চিত্রসংকলন প্রকাশ করা অত্যন্ত ব্যয়সাপেক্ষ ব্যাপার বলে, তিনি অগ্রিম সাবস্ক্রিপশন তুলে সংকলনটি প্রকাশ করতে চান। ইংলন্ডের মাস্টার—এনগ্রেভাররা তাঁর চিত্রগুলি করবেন বলে তিনি জানিয়েছেন এবং প্রতি সেটের একশো টাকা মূল্যও ঘোষণা করেছেন। মেসার্স উইলিয়ামস অ্যান্ড র‍্যানকিনের দোকানে অগ্রিম দক্ষিণা গ্রহণ করা হবে বলে বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছে। ক্যাপ্টেন ওয়ার্ডের আঁকা অষ্টাদশ শতাব্দীর ‘ওল্ড হাউস’—এর একটি চিত্র উল্লেখযোগ্য। ১৭৯২ সালে এই পুরাতন আদালতগৃহটি ভেঙে ফেলা হয়।

    ১৭৮৪ সালের ৯ ডিসেম্বর ‘ক্যালকাটা গেজেট’—এ জনৈক মিস্টার কুয়েইরস এই মর্মে একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেন—

     

    আরও দেখুন
    রেসিপি বই
    বাংলা ফন্ট সাবস্ক্রিপশন
    গ্রন্থাগার
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    অনলাইনে বই
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বইয়ের
    ডিজিটাল বই
    বইয়ের
    বুক শেল্ফ

     

    Mr. Queiros having purchased a large and valuable collection of pictures, amongst which are undoubted originals, by the most able masters, proposes to dispose of them by Raffle, and begs leave to submit the following scheme to his friends and the public—

    সাহেব কতকগুলি ছবি কিনেছেন, তার মধ্যে ইয়োরোপীয় মাস্টার শিল্পীদের ‘অরিজিন্যাল’ ছবিও অনেক আছে। ছবিগুলি বিক্রি করার কৌশলটিও তাঁর অভিনব। লটারি করে তিনি বিক্রি করতে চান। যে স্কিমটি তিনি উক্ত গেজেটে প্রকাশ করেন, তাতে দেখা যায় শেয়ারপ্রতি ২০০ সিক্কা টাকা করে, ৭৫টি শেয়ার বিক্রি করে তিনি ১৫,০০০ টাকা সংগ্রহ করতে চান। ইয়োরোপীয় চিত্রশিল্পীদের ছবি কীভাবে কলকাতা শহরে আসত ও বিক্রি হত, এটি তার একটি দৃষ্টান্ত মাত্র।

    এ ছাড়া পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দিয়ে বড় বড় সাহেবদের জিনিসপত্তর নিলামে বিক্রি হত। তার মধ্যে ছবিও থাকত যথেষ্ট। ওয়ারেন হেস্টিংসের নিজের জিনিসপত্তর বিক্রির একটি বিজ্ঞপ্তি, ১৭৮৫ সালের ৩ মার্চ তারিখের ‘ক্যালকাটা গেজেট’ পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। তাতে দেখা যায় ‘Paintings and Prints’—ও আছে। বিজ্ঞপ্তিটি এই—

     

    আরও দেখুন
    গ্রন্থাগার
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি টিউটোরিয়াল
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    রেসিপি বই
    PDF
    বাংলা বইয়ের উপহার কার্ড
    অনলাইনে বই
    বাংলা বই
    বাংলা ই-বুক রিডার

     

    To be sold by Public Auction

    by Mr. Bondfield

    On Monday, the 7th of March, and the following days, until the whole is disposed of, at the Old Court House. The valuable effects of Warren Hastings, Esquire, consisting of Plate, Paintings and Prints; a large organ rich Sadlery, embroidered Howdah for an elephant: several rich fly Palanquins.

    নগদ সিক্কা টাকা দিয়ে জিনিস কিনতে হবে বলে নিলামকার বন্ডফিল্ড বিজ্ঞপ্তি দিয়েছেন। হাতির জমকালো হাওদা, রূপসজ্জা, বড় অর্গ্যান, দামি প্লেট ফার্নিচার, বহু রকমের কারুকার্যশোভিত পালকি, ছবি ও প্রিন্ট ইত্যাদি নগদ মূল্য দিয়ে কলকাতা শহরে কারা কিনতেন? শীল লাহা মল্লিকরা কিনতেন, শোভাবাজারের নবকৃষ্ণ, পাথুরিয়াঘাটার সুখময় রায় প্রভৃতি বাঙালি রাজা—মহারাজারা কিনতেন, ঠাকুর পরিবারের কর্তারা কিনতেন এবং অক্রুর দত্ত, হিদারাম ব্যানার্জি, বারাণসী ঘোষ প্রভৃতি অষ্টাদশ শতাব্দীর শেষদিকের প্রতিপত্তিশালী ধনিক বাঙালি বেনিয়ানরা কিনতেন। তাঁদেরই গৃহ থেকে বাইরের সমাজে এইসব জিনিসের শিল্পরূপের প্রভাব বিকীর্ণ হত।

     

    আরও দেখুন
    কৌতুক সংগ্রহ
    PDF
    বইয়ের
    অনলাইনে বই
    বাংলা হস্তলিপি কুইল
    বাইশে শ্রাবণ
    বুক শেল্ফ
    গ্রন্থাগার
    নতুন বই
    Books

     

    ছবি বা ছবির বই বিক্রির বিজ্ঞপ্তি ছাড়াও, শিল্পীরা নিজেরা চিত্রাঙ্কন শিক্ষা দিতেন। আজকালকার মতন সংবাদপত্রের মারফত নাম জাহির করার বিচিত্র সব কলাকৌশল তখন জানা ছিল না। সুতরাং ছোটবড় সর্বস্তরের শিল্পী, যাঁরা কলকাতা শহরে আসতেন, তাঁদের পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দিয়ে বক্তব্য জানাতে হত। আগেই বলেছি, প্রাকৃতিক দৃশ্য ও প্রতিকৃতি চিত্রণ, এনগ্রেভিং ইত্যাদির বিশেষ বিকাশ হয়েছিল অষ্টাদশ শতাব্দীতে। ইয়োরোপীয় শিল্পী যাঁরা কলকাতায় আসতেন তাঁরা পোর্ট্রেট আঁকতেন খুব বেশি এবং সাধারণত তা—ই করেই জীবিকা অর্জন করতেন। কলকাতার ইংরেজ রাজপুরুষরা, ধনিক বাঙালি রাজা—মহারাজা বেনিয়ান বণিকরা তাঁদের ডেকে পোর্ট্রেট আঁকাতেন, অথবা তাঁদের স্টুডিওতে গিয়েও এইজন্য হাজরে দিতেন। এ ছাড়া, শিল্পীরা দক্ষিণা নিয়ে ছবি আঁকা শিক্ষাও দিতেন। সেইজন্য তাঁদের বাধ্য হয়ে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দিতে হত। যেমন, ১৭৮৫ সালের ২১ এপ্রিল জনৈক মিস্টার হোন ‘ক্যালকাটা গেজেট’—এ এই মর্মে একটি বিজ্ঞপ্তি দেন—

    Mr. Hone presents his compliments to the Ladies and Gentlemen of this Settlement, and proposes to lay apart three days in the week for the purpose of teaching Drawing or Painting. Those Ladies or Gentlemen who wish to be taught that polite Art by Mr. Hone, may know his terms by sending a chit, or waiting on him at his house in the Rada Bazar.

     

    আরও দেখুন
    বইয়ের তালিকা
    স্বাস্থ্য টিপস
    গ্রন্থাগার
    ডিকশনারি
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কালি
    বাংলা অডিওবুক
    বই
    বাংলা ফন্ট সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা ডিকশনারি অ্যাপ
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কাগজ

     

    রাধাবাজারের মিস্টার হোনের মতন আরও অনেক শিল্পী কলকাতা শহরে এসে, স্থানীয় ‘ভদ্রলোক ও মহিলাদের’ কলাবিদ্যা শিক্ষা দিয়েছেন। তাঁদের অনেকের নাম সেকালের কলকাতার রাজকীয় জীবনযাত্রার হল্লার মধ্যে হারিয়ে গেছে। তখনকার কলকাতার সমাজের ইংরেজ ও বাঙালি প্রধানদের প্রত্যক্ষ পোষকতায় তাঁরা জীবনধারণ করেছেন। আজকের উন্নত দৃষ্টিতে দেখলে, তাঁদের কলাচর্চার মধ্যে কৃতিত্বের পরিচয় হয়তো বিশেষ পাওয়া যাবে না। তখনকার মানদণ্ড দিয়ে তাঁদের বিচার করতে হবে। তা করলে, রাধাবাজার বা জানবাজারবাসী এইসব ইয়োরোপীয় শিল্পীদের কাজকর্ম খুব নগণ্য বলে মনে হবে না। ড্যানিয়েল, জোফানি, ডয়েলি, বেইলি, হজেস, ইমহফ, বেলনস, সলভিনস প্রমুখ শিল্পীরা তাঁদের কলাকীর্তির নিদর্শন রেখে গিয়েছেন। তাঁদের আঁকা তদানীন্তন কলকাতা শহরের নানা বিষয়ের চিত্র বাংলাদেশের আচার—ব্যবহার, পোশাক—পরিচ্ছদ, উৎসব—পার্বণের ছবি, কেবল চিত্রকলার নমুনা হিসেবে নয়, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক উপাদান হিসেবেও মূল্যবান। এ দেশের শিল্পকলার নতুন অগ্রগতির ইতিহাসে তার কিছুটা প্রভাব আছে বলে আমরা মনে করি। প্রাচীন কলকাতার ও বাংলার সমাজ—সংস্কৃতির নানা দিকের চিত্রও এই শিল্পকাহিনির মধ্যে পরিস্ফুট হয়ে ওঠে।

     

    আরও দেখুন
    PDF বই
    বাংলা বইয়ের আলোচনা ফোরাম
    ই-বই পড়ুন
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    Library
    বাংলা ডিকশনারি অ্যাপ
    বাংলা হস্তলিপি কুইল
    অনলাইনে বই
    বাংলা বই
    বইয়ের তালিকা

     

    সুন্দরম্

    শ্রাবণ ১৩৫৩

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবাদশাহী আমল – বিনয় ঘোষ
    Next Article বাংলার সামাজিক ইতিহাসের ধারা – বিনয় ঘোষ

    Related Articles

    বিনয় ঘোষ

    কলকাতা শহরের ইতিবৃত্ত ২ – বিনয় ঘোষ

    November 4, 2025
    বিনয় ঘোষ

    জনসভার সাহিত্য – বিনয় ঘোষ

    November 4, 2025
    বিনয় ঘোষ

    বাংলার বিদ্বৎসমাজ – বিনয় ঘোষ

    November 4, 2025
    বিনয় ঘোষ

    বাংলার সামাজিক ইতিহাসের ধারা – বিনয় ঘোষ

    November 4, 2025
    বিনয় ঘোষ

    বাদশাহী আমল – বিনয় ঘোষ

    November 4, 2025
    বিনয় ঘোষ

    শিল্প সংস্কৃতি ও সমাজ – বিনয় ঘোষ

    November 4, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }