Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কলকাতা শহরের ইতিবৃত্ত ১ – বিনয় ঘোষ

    বিনয় ঘোষ এক পাতা গল্প603 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৭. ফরাসি বৈজ্ঞানিক ভিকতর জ্যাকমোঁর চিঠি ১৮২৯-৩০

    ফরাসি বৈজ্ঞানিক ভিকতর জ্যাকমোঁর চিঠি ১৮২৯-৩০

    জ্যাকমোঁর চিঠি

    [১৮২৯ সালের এপ্রিল মাসে জ্যাকমোঁ ভারতবর্ষে পন্ডিচেরিতে এসে পৌঁছল। কলকাতায় আসেন মাসখানেক পরে মে মাসের প্রথম সপ্তাহে। ১৮৩০ সালে ২৬ আগস্ট চীন—ভারত সীমান্তের শিবির থেকে তিনি তাঁর পিতাকে যে চিঠি লেখেন, তার মধ্যে প্রসঙ্গত কলকাতা শহরে প্রথম উপস্থিতির বিস্তারিত বিবরণ দেন। তা দেওয়ার কারণ হল, কলকাতা থেকে লেখা তাঁর প্রথম চিঠিখানি পিতার হাতে পৌঁছয়নি, বোধহয় সমুদ্রপথে খোয়া গিয়েছিল। কাজেই দীর্ঘদিন পরে হলেও পিতার চিঠিতে তিনি কলকাতার প্রথম অভিজ্ঞতার কথা সবিস্তারে বর্ণনা করেন। অন্যান্য বিষয় বাদ দিয়ে চিঠি থেকে কেবল কলকাতার প্রসঙ্গটুকু উল্লেখ করা হল।]

    সুদূর ভারত—চীনের সীমান্ত থেকে আবার আমাকে কলকাতা শহরে ফিরে যেতে হচ্ছে। কলকাতার বিবরণ দিয়ে যে চিঠি আগে লিখেছিলাম তা তোমার হাতে পৌঁছয়নি জেনে দুঃখিত হলাম। ৫ মে ১৮২৯ তারিখে কলকাতার ফোর্ট উইলিয়ামের ঘাটে আমাদের তরী ভিড়ল। তরীটি অবশ্য ‘হিজ মোস্ট ক্রিশ্চান ম্যাজেস্টির’ একটি ‘লগ’ (log)। তরী থেকে যথারীতি কামানের অভিনন্দন—ধ্বনি করা হল। পরদিন প্রাতঃকালে মহানগরে পদার্পণের ব্যবস্থা করলাম। পন্ডিচেরি থেকে যে পর্তুগিজ ভৃত্যটিকে সঙ্গে এনেছিলাম, তাকে বললাম একটি পাল্কি ঠিক করে আনতে। পাল্কি আসার পর আপাদমস্তক কালো পোশাকে আবৃত করে তরী থেকে বিদায় নিলাম। পাল্কির ছোট্ট খোপটির মধ্যে জড়সড় হয়ে বসে বেয়ারাদের বললাম, ‘পির্সন সাহেবকা ঘরমে।’ বাজারি হিন্দুস্থানি ভাষা বটে, কিন্তু এইটুকু রপ্ত করতে পন্ডিচেরি থেকে কলকাতা পর্যন্ত সারা পথ আমাকে তা আওড়াতে হয়েছে।

    হনহন করে পাল্কি চলল বেহারাদের কাঁধে ভর দিয়ে। দেখতে দেখতে পিয়ারসন (তদানীন্তন অ্যাডভোকেট—জেনারেল) সাহেবের বৃহৎ প্রাসাদতুল্য কুঠির কাছে পৌঁছলাম। বেশি দূরে নয়, নদীর খুব কাছেই সাহেব থাকতেন। পাল্কি থেকে নেমে দেখি, সামনে দু’দিকে সারবন্দি হয়ে ভৃত্যশ্রেণি দণ্ডায়মান, বিশাল প্রশস্ত সিঁড়ির দুইপাশে। সিঁড়ি দিয়ে সোজা উপরে উঠে, ভৃত্যদের পদাঙ্ক অনুসরণ করে বিরাট একটি হলঘরে গিয়ে পৌঁছলাম। হলঘরটি সাহেবের বৈঠকখানা। তার মধ্যে তিনজন মহিলা সেজেগুজে প্রসাধন করে বসে আছেন, আর একজন পক্বকেশ ভদ্রলোক রয়েছেন হালকা রঙের সুতির পোশাক পরে। বিচিত্র রকমের ঝলমলে সব হাতপাখা দিয়ে ভৃত্যরা তাঁদের হাওয়া করছে। তাঁদের কাছে দূত আমার নাম ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে অভিবাদনের ভঙ্গিতে ঘরে প্রবেশ করলাম। কালো পোশাকে ঢাকা আমার লম্বা চেহারা দেখে হঠাৎ তাঁরা বজ্রাহতের মতন নির্বাক হয়ে গেলেন। তাঁদের বোধহয় মনে হল, ভূতের আবির্ভাব হয়েছে। তার উপর মাত্র কয়েক মিনিটের মধ্যে এখানকার এইসব তাজ্জব দৃশ্য দেখে আমার বাকশক্তিও রহিত হয়ে গেল। মাতৃভাষা আমার ফার্সি, চর্চিত ভাষা ইংরেজি। কাজেই ইংরেজির ভিত পাকা নয়, হঠাৎ ‘শক’ পেয়ে তা একেবারে গুলিয়ে গেল। কৃষ্ণবেশ ভূতটিকে দেখে যখন তাঁরা হতভম্ব হয়ে গেলেন, তখন ভূতের মুখ দিয়েও কিছুক্ষণ কোনো কথা বেরুল না। উত্তেজক কোনো পদার্থ পান করলে যদি আমার বাকতরী পাল তুলে বয়ে যেত, তাহলে অর্থের বিনিময়ে না—হয় তা—ও এক গ্লাস পান করে নিতাম। অনেক চেষ্টা করেও কিছুতেই যখন বাকনিঃসরণ হল না তখন গৃহস্বামীর সবিনয়ে বললাম, ‘আগে একটু—আধটু ইংরেজিতে কথা বলেছি স্যর, কিন্তু এখন আমার মনে হচ্ছে যেন সব ভুলে গেছি। এই মহাসঙ্কট থেকে আপনারা আমাকে উদ্ধার করুন।’ শুভ্রকেশ ভদ্রলোকটি তা—ই করলেন, মহিলা তিনজনও উদ্ধারের জন্য অগ্রসর হলেন, তাঁদের মধ্যে দু’জন তরুণীর দেখলাম উৎসাহ সবচেয়ে বেশি। আশ্চর্য ব্যাপার। কিছুক্ষণের মধ্যেই আমার বাকশক্তি স্ফুরণ হল। নদীর স্রোতে ছোট মাছের মতন ইংরেজি ভাষায় সাঁতার দিতে লাগলাম। অনর্গল ধারায় ইংরেজির প্রবাহ আরম্ভ হল।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা সাহিত্য
    অনলাইন বুকস্টোর
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    বাংলা সাহিত্যের কোর্স
    বাংলা বইয়ের আলোচনা ফোরাম
    বই পড়ুন
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    Books
    লাইব্রেরি
    বাংলা বইয়ের উপহার কার্ড

     

    ড্রয়িং রুমে বসে ছিলেন মিস্টার পিয়ারসন, মিসেস পিয়ারসন, তাঁদের কন্যা ও তাঁর সঙ্গিনী বা গবর্নেস। আমার পরিচয়পত্রগুলি যথারীতি তাঁদের দেখালাম। দেখেশুনে তাঁরা আমাকে একজন মাননীয় অতিথি হিসেবেই গ্রহণ করেলেন। জিজ্ঞাসা করলেন, আর কোনো পত্র আমার কাছে আছে কি না। একটি বড় প্যাকেটভরা পকেট দেখিয়ে আমি বললাম, এগুলি সবই পরিচয়পত্র। তারপর সেগুলি খুলে একে—একে নাম পড়তে লাগলাম। প্রথমে মিস্টার, ডক্টর, মার্চেন্ট, ক্যাপ্টেন প্রভৃতি থেকে আরম্ভ করে, ধীরে ধীরে জজ, প্রধান জজ ও কাউন্সিলের সদস্যদের নাম করে শেষে লেডি বেন্টিঙ্ক ও গবর্নর জেনারেল উইলিয়াম বেন্টিঙ্কের নাম পাঁচবার উচ্চারণ করলাম। শ্রোতাদের উপর নামের ঐন্দ্রজালিক ক্রিয়া লক্ষ করে এই চালাকিটুকু আমাকে করতে হল। নাম যত উচ্চ থেকে উচ্চতর স্তরে আমার মুখ দিয়ে ধ্বনিত হতে থাকল, ততই আমার মাননীয় শ্রোতারা চক্ষু বিস্ফারিত করে আমার দিকে এগুতে থাকলেন। আমার ভৌতিক মূর্তি মানুষের রূপ ধারণ তো করলই, অল্পক্ষণের মধ্যেই তাঁদের চোখের সামনে বিরাট গণ্যমান্য পুরুষের আকারে পর্যবসিত হল।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কালি
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    Books
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    রেসিপি বই
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বইয়ের
    বাইশে শ্রাবণ
    বাংলা ফন্ট সাবস্ক্রিপশন

     

    বেলা এগারোটা বাজতে পিয়ারসন সাহেব আমাকে বললেন, ‘আমার সুপ্রিমকোর্টে যাবার সময় হয়েছে, আর আমি দেরি করতে পারছি না। আপনি যাঁদের সঙ্গে দেখা করতে চান তাঁদের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিতে পারলাম না বলে দুঃখিত। তবে আমার মেয়ে রইল, সে আপনাকে যত দূর সম্ভব এ ব্যাপারে সাহায্য করতে পারবে।’ এই কথা বলে তিনি আমায় করমর্দন করে চলে গেলেন। মিস পিয়ারসন বললেন যে সর্বপ্রথম আমার লাটপ্রাসাদে যাওয়া উচিত। আমাকে না জানিয়েই তিনি লেডি বেন্টিঙ্কের কাছে একখানি চিঠিও পাঠিয়ে দিলেন। ভব্যতা অনুযায়ী চিঠির উত্তর সোজা আমার কাছেই এল, ‘এ—ডি’, দিয়ে গেলেন মিনিট পনেরোর মধ্যে এবং বলে গেলেন যে লেডি বেন্টিঙ্ক আমার জন্য অপেক্ষা করছেন। আমার জন্য একটা ভাল কোচগাড়ির মোতায়েন ছিল, তার সামনে ও পিছনে পদাতিকের দল তৈরি হয়েছিল দৌড়বার জন্য। গাড়িতে চড়ে লাটপ্রাসাদে পৌঁছলাম, ‘এ—ডি’ আমাকে সঙ্গে করে নিয়ে সোজা লেডি উইলিয়ামের নিজের ড্রয়িং রুমে চলে গেলেন। দেখে মনে হল তাঁর বয়স পঞ্চাশ হবে, একটা সময় যে খুবই সুন্দরী ছিলেন তা—ও বোঝা যায়, তবে এখন আর যৌবনের কোনো জলুস নেই। লর্ড আশলে আমাকে তাঁর পরিচয়পত্র দিয়েছিলেন। প্রায় দেড় ঘণ্টা ধরে তাঁর সঙ্গে নানা বিষয়ে কথাবার্তা হল। তারপর তাঁর চিকিৎসক ও একজন অতিথি এলেন তাঁকে জলযোগের ঘরে আহ্বান করে নিয়ে যাবার জন্য। চিকিৎসক ভদ্রলোকটিকে তৎক্ষণাৎ তিনি তাঁর স্বামীর কাছে পাঠালেন, নবাগত অতিথির বার্তা জানিয়ে। কয়েক মিনিটের পরে আমি জলযোগের ঘরে প্রবেশ করে তাঁর দিকে করমর্দনের জন্য হাত বাড়িয়েছি, এমন সময় ঠিক সামনের দিক থেকে লর্ড উইলিয়াম বেন্টিঙ্ক ঘরে ঢুকলেন, সঙ্গে সচিববৃন্দ ও কাউন্সিলের দু’জন সদস্য। সেদিন কাউন্সিলের বৈঠক ছিল। লেডি উইলিয়াম সকলের সঙ্গে বন্ধুর মতন আমার পরিচয় করিয়ে দিলেন। গবর্নর—জেনারেল বেন্টিঙ্কের ডানদিকে আমি বসলাম, খাবার দেওয়ার সময়টুকুর মধ্যে তিনি আমার পাঁচখানি পরিচয়পত্রে একবার চোখ বুলিয়ে নিলেন। তারপর টেবিলের চারদিকে সকলে উঠে দাঁড়ালেন এবং উইলিয়াম তাঁদের সঙ্গে আমার পরিচয় করিয়ে দিলেন। লেডি উইলিয়ামকে আবার তাঁর কক্ষে আমি পথ দেখিয়ে নিয়ে গেলাম এবং তাঁর কাছে রাত্রি আটটায় খেতে আসার প্রতিশ্রুতি দিয়ে বিদায় নিলাম।

     

    আরও দেখুন
    বইয়ের তালিকা
    বাংলা বইয়ের আলোচনা ফোরাম
    নতুন বই
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    স্বাস্থ্য টিপস
    লেখকের বই
    বাংলা সাহিত্যের ওয়ার্কশপ
    বই পড়ুন
    বাংলা লেখকদের সাক্ষাৎকার
    গ্রন্থাগার

     

    পিয়ারসনরা এদিকে আমার এত দেরি দেখে বেশ একটু বিস্মিত হয়েছিলেন। তাঁদের গৃহে ফিরে দেখি, বাড়ির সবচেয়ে ভালো ঘর দু’খানি আমার থাকার জন্য তাঁরা ঠিকঠাক করে রেখেছেন। লর্ড ও লেডি বেন্টিঙ্কের আদর—আপ্যায়নের গল্প বলার জন্য যখন আমি ঘরে গিয়ে বসলাম, তখন একদল ভৃত্য পাখা হাতে করে হাওয়া দিয়ে আমাকে ঠান্ডা করার জন্য মক্ষিকার মতন ঘিরে ধরল। অনেক কষ্টে তাদের হাত থেকে নিস্তার পেলাম। বিকেল পাঁচটার সময় পিয়ারসন সাহেব কোর্ট থেকে ফিরে এসে আমার সঙ্গে অনেকক্ষণ গল্পগুজব করলেন এবং তাঁর পেশা ও সাংসারিক জীবনের কাহিনিও অনেক বললেন। আমিও আমার কথা বললাম, এবং শেষে সেদিন সন্ধ্যায় লেডি উইলিয়ামের ডিনারের নিমন্ত্রণের কথাও সসংকোচে জানিয়ে দিলাম। আমার মতন একজন গণ্যমান্য অতিথি পেয়ে তিনি বেশ খুশিই হয়েছেন বলে মনে হল। ছ’টা বাজতে গাড়িতে করে স্ত্রী—কন্যাসহ আমাকে নিয়ে তিনি বেড়াতে বেরুলেন। সূর্যাস্তের পর গাড়ি করে একচক্র ঘুরে আসা কলকাতার ইয়োরোপীয় বাসিন্দাদের প্রাত্যহিক কর্ম। ডিনারের সময় হলে তাঁরা বাড়িতে ফেরেন। ফিরে এসে পোশাক—পরিচ্ছদ পাল্টে গাড়ি করে আবার লাটপ্রাসাদ অভিমুখে যাত্রা করলাম।

     

    আরও দেখুন
    অনলাইন বুকস্টোর
    বই পড়ুন
    গ্রন্থাগার
    বাংলা সাহিত্যের ওয়ার্কশপ
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কাগজ
    উপন্যাস সংগ্রহ
    Library
    লাইব্রেরি
    বাংলা হস্তলিপি কুইল
    বইয়ের

     

    লেডি উইলিয়ামের ড্রয়িং রুমে নিমন্ত্রিতদের সমাবেশ হয়েছিল। আমিই অবশ্য প্রধান অতিথির সম্মান পেলাম, এবং লেডি উইলিয়ামের পাশের আসনটিতে খেতে বসলাম। চারদিকে যা আয়োজন দেখলাম তা সবই রাজকীয় ও এশিয়াটিকে, কেবল ডিনারটি ফরাসি স্টাইলের। ফ্রান্সের মতন এখানেও দেখলাম, পরিমিত মাত্রায় সুস্বাদু সুরাপানের ব্যবস্থা রয়েছে, এবং সোনালি বর্ডার দেওয়া লাল পাগড়ি মাথায়, সাদা পোশাক—পরা লম্বা দাড়িওয়ালা ভৃত্যরা সেই পানীয় পরিবেশন করছে। লর্ড উইলিয়াম আমাকে পান করতে অনুরোধ করলেন, আমিও ধন্যবাদ জানিয়ে লেডির সঙ্গে পান করার অনুমতি চেয়ে তা গ্রহণ করলাম। লেডি উইলিয়াম নানাবিধ বিষয় নিয়ে আমার সঙ্গে আলাপে প্রবৃত্ত হলেন। ডিনারের দ্বিতীয় দফা খাদ্য পরিবেশনের আগে, আগ্রহ জাগানোর জন্য একজন ইটালিয়ান পরিচালিত চমৎকার জার্মান অর্কেস্ট্রাবাদন আরম্ভ হল, মোজার্ট ও রসিনির সিম্ফনি দিয়ে। দূর থেকে সেই সিম্ফনির মধুর ঐকতান, চারদিকের ঘরের মধ্যবর্তী বড় বড় স্তম্ভের পাশ দিয়ে বিচ্ছুরিত মৃদু আলোর আভাস, ডিনার টেবিলের উপরের আলোর ঝলমলানি, তার উপর বিচিত্র রঙের ফল—ফুলের সমারোহ, ফুলের সৌরভের সঙ্গে মিশ্রিত শ্যাম্পেনের সুগন্ধ—এসব মিলে পরিবেশটিকে যে কী অপরূপ করে তুলেছিল তা বর্ণনা করা যায় না। একটা নেশার আমেজ অনুভব করতে লাগলাম। সত্যি যে আমার কোনো নেশা হয়েছিল তা নয়। লেডি উইলিয়ামের সঙ্গে একদিকে যেমন খেতে খেতে ফরাসি ভাষায় শিল্প—সাহিত্য, চিত্রকলা ও সংগীত বিষয়ে আলোচনা করেছি, অন্যদিকে তেমনি তাঁর স্বামীর সঙ্গে ইংরেজি ভাষায় ফরাসি রাজনীতি নিয়েও আলাপ করেছি। লেডি উইলিয়ামের ড্রয়িং রুমে ফিরে গিয়ে কফি পান করেছি পাঁচ—ছ’কাপ। কথায় কথায় তাঁদের তরুণ চিকিৎসক ভদ্রলোকটিকে শারীরবিদ্যার নূতন তথ্যাদি সম্বন্ধে বেশ মাতিয়ে তুলেছি। এতক্ষণ কথাবার্তার মধ্যে আমি যে একজন প্রকৃতিবিজ্ঞানী তা জানাবার কোনো সুযোগ পাইনি। এই অবকাশে, অন্তত বিদায় নেবার আগে, সেটা জানানো দরকার বলে মনে হল।

     

    আরও দেখুন
    লেখকের বই
    বাংলা ফন্ট সাবস্ক্রিপশন
    বুক শেল্ফ
    বাংলা ডিকশনারি অ্যাপ
    বইয়ের তালিকা
    ডিকশনারি
    বইয়ের
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    বাংলা লেখকদের সাক্ষাৎকার
    অনলাইনে বই

     

    পরদিন পিয়ারসনের ঘোড়া দু’টিকে সারাদিন ঘুরিয়ে বেশ হয়রান করে ফেললাম। সকলের বাড়ি—বাড়ি ঘুরতে হল দেখা করার জন্য। সেদিনে সব শেষ হল না, পরের দিনও লাগল। গবর্নর—জেনারেলের ভোজসভায় যাঁদের সঙ্গে পরিচয় হয়েছিল তাঁদের কাছেও একবার করে হাজরে দিতে হল। দিন পনেরো পর লর্ড উইলিয়াম বললেন, তাঁর সঙ্গে ব্যারাকপুরের বাগানবাড়িতে গিয়ে থাকতে। যাবার সময় লেডি উইলিয়াম অনুরোধ করলেন, তাঁর সঙ্গে হাতির পিঠে চড়ে যেতে। অনুরোধ রক্ষা করতে হল। হাতির পিঠে চড়ে যাওয়া মানে চলন্ত পাহাড়ের মাথায় চড়ে যাওয়া। আমি ও লেডি বেন্টিঙ্ক দু’জনে সেই চলন্ত পাহাড়ের মাথায় বসে গল্পে মশগুল হয়ে গেলাম। ব্যারাকপুরের লাটপ্রাসাদের পাশে সুন্দর একটি বাংলোতে আমার থাকার ব্যবস্থা হয়েছিল। সারাদিন আমি সেখানেই থাকতাম, এবং আমার নিজের কাজকর্ম করতাম। মধ্যে মধ্যে বেলা দুটোর সময় মধ্যাহ্নভোজনের পর লেডি উইলিয়ামের ড্রয়িং রুমে বসে বৃষ্টি, ব্যাং—ব্যাঙাচি ও আবহাওয়া সম্বন্ধে গল্প করতাম। সারা বিকেলটা নিঃশব্দে কেটে যেত। সন্ধ্যার পর ডিনার খেয়ে কিছুক্ষণ সঙ্গীত শোনা হত। একটি বড় সোফায় একপাশে আমি এবং আর—একপাশে লর্ড বেন্টিঙ্ক বসে নানা বিষয়ে আলোচনা করতাম। আমার আলোচ্য বিষয় ছিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, যেখানে কিছুদিন আমি কাটিয়েছি। ওঁর ছিল ভারতবর্ষ। রাত প্রায় সাড়ে দশটা পর্যন্ত কথাবার্তা বলে আমি আমার বাংলোতে ফিরে যেতাম। এইভাবে কলকাতা শহরে আমার প্রথম কয়েকটা দিন কেটেছে।

     

    আরও দেখুন
    গ্রন্থাগার
    বই পড়ুন
    ই-বই পড়ুন
    লাইব্রেরি
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    কৌতুক সংগ্রহ
    স্বাস্থ্য টিপস
    বাংলা সাহিত্য
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কালি
    বই

     

    [এই চিঠিখানির মধ্যে ভিকতর জ্যাকমোঁ তাঁর কলকাতায় আসার প্রথম কয়েকটা দিনের অভিজ্ঞতার কথা বর্ণনা করেছেন। বন্ধুবান্ধব ও আত্মীয়স্বজনদের কাছে লিখিত অন্যান্য চিঠিতে এইসব ঘটনার পুনরাবৃত্তি ছাড়াও অন্যান্য বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। সেই বিষয়গুলির যথেষ্ট ঐতিহাসিক উপাদানমূল্য আছে বলে তার কিছু এখানে সঙ্কলন করে দেওয়া হল।]

    এক বন্ধুর কাছে (Victory De Tracy) ১৮২৯, ১ সেপ্টেম্বর তারিখে কলকাতা থেকে তিনি লিখছেন :

    এখানকার হালচাল দেখে মনে হচ্ছে, লোকে এখানে ‘বাঁচার মতো বাঁচতে’ বা জীবনটাকে উপভোগ করতে আসে না। এখানকার সর্বস্তরের সমাজে এই বৈশিষ্ট্য দেখতে পাই। এখানে লোকে আসে কিছু একটা লাভ করার উদ্দেশ্য নিয়ে, তারপর তাই নিয়ে জীবনটাকে অন্য স্থানে উপভোগ করতে চায়। কলকাতা শহরে কোনো লোকের অবসর বলে কিছু নেই, সকলে সবসময় কর্মব্যস্ত। এই কর্মব্যস্ততার সর্বোচ্চ চূড়ায় রয়েছেন এখানকার গবর্নর—জেনারেল, তারপর ধাপে ধাপে রয়েছেন চিফ জাস্টিস, অ্যাডভোকেট—জেনারেল প্রভৃতি। একমাত্র এই শ্রেণির উচ্চস্তরে সমাসীন ব্যক্তিরাই কাজকর্মের ফাঁকে ফাঁকে একটু—আধটু লেখাপড়া করার অবসর পান। বাকি সকলে, বিশেষ করে যাদের বিদ্যাচর্চার কৌতূহল বা প্রতিভা বলে কিছু নেই, তাঁরা নির্বিকার আলস্যে কালাতিপাত করেন। এককথায় তাঁদের সমাজের আবর্জনা বলা যায় (জ্যাকমোঁ কলকাতার সাধারণ ইয়োরোপীয় সমাজের কথা বলছেন—বি)। অথচ কলকাতায় ইয়োরোপীয় বাসিন্দাদের তুলনায় নানা রকমের সাহিত্য—রাজনীতি বিষয়ে সাময়িকপত্র যথেষ্ট আছে বলা চলে। কিন্তু সেদিকে কারও বিশেষ আগ্রহ আছে বলে মনে হয় না।

     

     

    একজনমাত্র ব্যক্তি এশিয়াতে এসে ইয়োরোপের মানসম্ভ্রম রক্ষা করে চলেন দেখেছি, তিনি উইলিয়াম বেন্টিঙ্ক। তিনি আজ মোগল বাদশাহের সিংহাসনে বসেও যে সহজ মানুষের মতন সাধারণ পোশাক পরে রাস্তা দিয়ে সেপাই—সামন্ত না নিয়ে ঘোড়ায় চড়ে চলাফেরা করেন, এবং গ্রামাঞ্চলের ছাতি বগলে করে পথ চলেন, তার জন্য এখানকার গোঁড়া ইংরেজরা বলাবলি করেন যে কোম্পানির ভারত—সাম্রাজ্য আর রক্ষা করা সম্ভব হবে না, ধ্বংস হয়ে যাবে। জীবনে অনেক বিপর্যয়, রাষ্ট্রবিপ্লব ও রক্তপাতের সম্মুখীন হতে হয়েছে তাঁকে, কিন্তু তার মধ্যেও তিনি তাঁর মনুষ্যত্ববোধটিকে জাগ্রত রাখতে পেরেছেন। কূটনীতির পঙ্কিল আবর্তনের মধ্য দিয়েও তাঁকে জীবন কাটাতে হয়েছে, কিন্তু তার জন্য তাঁর মনের সারল্য এতটুকু নিষ্প্রভ হয়নি। প্রায় এক সপ্তাহ তাঁর পরিবারের সঙ্গে আমাকে থাকতে হয়েছে এবং সেই কয়েকদিনের মধুর স্মৃতি আমি ভুলতে পারব না কখনও। লেডি উইলিয়ামও খুবই অমায়িক ও মিষ্টভাষী মহিলা। তাঁর সঙ্গে ফরাসি ভাষায় নানা বিষয়ে আলাপ করতে পেরে আমি যে আনন্দ পেয়েছি তা বলা যায় না।

    এই হল এখানকার ইয়োরোপীয় উচ্চসমাজের পরিচয়। যা—ই হোক, আমি অবশ্য ইংরেজদের কাছ থেকে অপ্রত্যাশিত উদার ব্যবহার পেয়েছি। এবারে আমার নিজের কাজের খবর বলি। কলকাতায় এসে পৌঁছবার আগে পর্যন্ত লেখাপড়ার কাজ ভাল করে আরম্ভ করতে পারিনি। কত বিষয় যে পড়বার, অনুসন্ধান করবার ও জানবার আছে তার ঠিক নেই। যার কাছ থেকে যা সাহায্য পাবার তা পেয়েছি ও পাচ্ছি। আমার বিরাট বসবার ঘরটির দেওয়ালগুলি ভৌগোলিক ও ভূতাত্ত্বিক মানচিত্রে ঢাকা। শহর থেকে গ্রামে এবং গ্রাম থেকে শহরে প্রায়ই আমাকে যাতায়াত করতে হয়। কলকাতা, বোম্বাই ও মাদ্রাজ শহরে আমার জ্ঞাতব্য বিষয়ে যতরকম এই প্রকাশিত হয়েছে, কলম হাতে নিয়ে তা পড়া প্রায় শেষ করে ফেলেছি। অর্থাৎ নোট করে পড়েছি। এখন আমার বিশেষ গবেষণার বিষয়বস্তুর দিকে দৃষ্টি নিবদ্ধ করে কাজ করতে অসুবিধা হবে না।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা ই-বুক রিডার
    ই-বই সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি টিউটোরিয়াল
    বাংলা সাহিত্যের ওয়ার্কশপ
    বাইশে শ্রাবণ
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    বুক শেল্ফ
    বাংলা ডিকশনারি অ্যাপ
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    লেখকের বই

     

    সমস্ত কাজকর্ম ও পড়াশোনার মধ্যেও নিয়মিত প্রতিদিন কাশীর একজন পণ্ডিতের কাছে হিন্দুস্থানি ভাষা শিখতে আরম্ভ করেছি। এর আগে উইলিয়াম জোন্সের ফার্সি ব্যাকরণ আমার পড়া হয়ে গেছে। তাতে হিন্দুস্থানি শেখার সুবিধা হয়েছে আমার। ফার্সির সঙ্গে হিন্দুস্থানির সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ। মনে হয় ভাষাটা ফার্সি ও সংস্কৃতের একটা বিচিত্র সংমিশ্রণ। এই ভাষা রপ্ত করতে বেশ সময় লাগছে এবং তাতে আমার গবেষণাকাজের কিছুটা ক্ষতিও হচ্ছে। কিন্তু উপায় নেই। এ দেশের লোকের সঙ্গে কথাবার্তা বলতে এ ভাষা জানা দরকার, তা না হলে সবসময় দোভাষী নিয়ে চলাফেরা করতে হয়। কলকাতার ‘বোটানিক্যাল গার্ডেন’ একটি বিশাল মনোরম উদ্যান, গঙ্গাতীরে সুন্দর পরিবেশে প্রতিষ্ঠিত। প্রকৃতির বিচিত্র গাছপালার এরকম বৃহৎ ল্যাবরেটরি বোধহয় আর কোথাও নেই। সারা ভারতবর্ষ সুদূর হিমালয় প্রদেশ, নেপাল প্রভৃতি অঞ্চল থেকে নানা রকমের গাছপালা সংগ্রহ করে এনে এখানে লাগানো হয়েছে। একজন ড্যানিশ উদ্ভিদ বিজ্ঞানী এই বাগানের ডিরেক্টর। বিশ্বের প্রথম উদ্ভিদ বিজ্ঞানী মনে করে এ দেশের লোক তাঁকে খুব সম্মান করেন। তিনি বেশ মোটা বেতনও পান। প্রায় দু’বছরের ছুটি নিয়ে সম্প্রতি তিনি দেশে গেছেন, বাগানের দায়িত্ব এখন একজন কাউন্সিলের সদস্যের উপর রয়েছে। তিনি আমাকে বাগান থেকে গাছপালা বিষয়ে জ্ঞান সঞ্চয়ের সর্ববিধ সুযোগ দিয়েছেন। মাস দেড়েকের মধ্যে ভারতবর্ষের সব রকমের গাছপালা সম্বন্ধে একটা চলনসই জ্ঞানলাভ করতে পেরেছি বাগান থেকে। তার উপর বাগানের ডিরক্টেরের বাংলোর সঙ্গে চমৎকার একটি গাছপালা বিষয়ে বইপত্রের লাইব্রেরি থাকাতে আমার কাজকর্মের ও গবেষণারও খুব সুবিধা রয়েছে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবাদশাহী আমল – বিনয় ঘোষ
    Next Article বাংলার সামাজিক ইতিহাসের ধারা – বিনয় ঘোষ

    Related Articles

    বিনয় ঘোষ

    কলকাতা শহরের ইতিবৃত্ত ২ – বিনয় ঘোষ

    November 4, 2025
    বিনয় ঘোষ

    জনসভার সাহিত্য – বিনয় ঘোষ

    November 4, 2025
    বিনয় ঘোষ

    বাংলার বিদ্বৎসমাজ – বিনয় ঘোষ

    November 4, 2025
    বিনয় ঘোষ

    বাংলার সামাজিক ইতিহাসের ধারা – বিনয় ঘোষ

    November 4, 2025
    বিনয় ঘোষ

    বাদশাহী আমল – বিনয় ঘোষ

    November 4, 2025
    বিনয় ঘোষ

    শিল্প সংস্কৃতি ও সমাজ – বিনয় ঘোষ

    November 4, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }