Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কলকাতা শহরের ইতিবৃত্ত ২ – বিনয় ঘোষ

    বিনয় ঘোষ এক পাতা গল্প394 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৬. সেদিনের ইংরেজ বিচারক

    সেদিনের ইংরেজ বিচারক

    কাজির বিচারের যুগ শেষ হয়ে গেল ইংরেজরা এদেশে আসার পরে। সাধারণ মানুষ ভাবল, অপরাধ, দণ্ড ও বিচার সম্বন্ধে তাদের পুরনো সব ধ্যান-ধারণাটি বোধহয় বদলে ফেলতে হবে। কাজির বিচারের ভয় ভাবনা থেকে হয়ত এবার তারা মুক্তি পাবে, এবং অপরাধ লঘু কি গুরু তার ন্যায্য বিচার করে নবযুগের বিচারকরা দণ্ডবিধান করবেন। কিন্তু আঠার শতকে, এবং উনিশ শতকের গোড়া পর্যন্ত, ইংরেজ শাসকরা যে-অপরাধের জন্য যে দণ্ড দিতেন তা আজকের দিনে ভাবলেও অনেকে শিউরে উঠবেন। ইংরেজ আমলের আদিপর্বের এই সব অপরাধ ও দণ্ডের কথা মনে হলে, মধ্যযুগের বর্বরতা ছাড়া আর কিছু তা মনে হয় না।

    আইন-আদালত ও দণ্ডনীতির দিক দিয়ে ইংরেজরা তখন নিজেদের দেশেও যে খুব বেশিদূর অগ্রসর হতে পেরেছিলেন তা নয়। বিচারের বিধিবিধান উদ্ভাবনের দিক থেকে তাঁরা তখনও মধ্যযুগের স্বেচ্ছাচারিতার সীমা অতিক্রম করতে পারেননি। সৈন্যসামন্তদের উপর তখনও দাস-দস্যুদের মতন নির্মমভাবে অত্যাচার করা হত এবং সাধারণ মানুষকেও দণ্ড দেবার সময় ঠিক ‘মানুষ’ বলে মনে করা হত না। দ্বিতীয় জর্জের রাজত্বকালে একজন সৈনিককে ষোল বছরের মধ্যে সংযমশিক্ষা দেবার জন্য ত্রিশ হাজার বেত্রাঘাত করা হয়েছিল, যদিও মানুষ হিসেবে সৈনিক ছিল ‘hearty and well’. দৃষ্টান্তটি ট্রেভেলিয়ান তাঁর ‘ইংলণ্ডের সামাজিক ইতিহাস’ গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন। গোটা সতের ও আঠার শতক ধরে পার্লামেণ্টে একটির পর একটি প্রাণদণ্ডের আইন পাস করা হয়েছিল, এবং শেষ পর্যন্ত প্রাণদণ্ডের অপরাধের সুদীর্ঘ তালিকা সংখ্যার দিক থেকে দুইশত পর্যন্ত পৌঁছেছিল। ট্রেভেলিয়ান লিখেছেন :

    Not only were horse and sheep-stealing and coining capital crimes, but stealing in a shop to the value of five shillings and stealing anything privily from the person, were it only a handkerchief. But such was the illogical chaos of the law, that attempted murder was still very lightly punished, though to slit a man’s nose was capital,-English Social History, ৩৪৮-৪৯

    ঘোড়া-ভেড়া চুরি ও টাকাপয়সা জাল করলে প্রাণদণ্ড তো হতই, যে-কোনো দোকান থেকে পাঁচ শিলিং দামের জিনিস, অথবা যে-কোনো ব্যক্তির কাছ থেকে সামান্য একখানি রুমাল চুরি করলেই অপরাধীকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হত। কোনো লোক খুন করার চেষ্টা করলে সামান্য শাস্তি পেত, কিন্তু কেউ কারও নাক কেটে দিলে তাকে ফাঁসিতে ঝুলতে হত। ইংলণ্ডের এই আইনের বিশৃঙ্খলাকে ট্রেভেলিয়ান ‘illogical chaos of law’ বলেছেন। তিনি একথাও উল্লেখ করেছেন যে, ইংরেজরা তখন অপরাধীদের এই সব কঠোর দণ্ড দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখতেও ভালবাসতেন। Parson Woodforde-এর ডাইরি থেকে তিনি দুটি ঘটনার কথা এই পাশবিক আচরণের দৃষ্টান্ত হিসেবে উল্লেখ করেছেন :

     

    আরও দেখুন
    রেসিপি বই
    বাংলা বইয়ের প্রিন্ট কপি
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    বই পড়ুন
    গ্রন্থাগার
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কালি
    বই ডাউনলোড
    Library
    অনলাইন বুকস্টোর
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি টিউটোরিয়াল

     

    ১৭৭২, ২২ জুলাই। রবার্ট বিগেন আলু চুরি করেছিল বলে তাকে বেত্রদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। একটি ঠেলাগাড়ির পেছনে বেঁধে তাকে চাবুক মারতে মারতে জর্জ-ইন থেকে এঞ্জেল পর্যন্ত, এবং সেখান থেকে আবার রাস্তার উপর দিয়ে রয়াল-ওকের ভিতর দিয়ে জর্জ-ইন পর্যন্ত ঘুরিয়ে নিয়ে বেড়ানো হয়েছিল।

    ১৭৮১, ৭ এপ্রিল। আমার ভৃত্য উইলকে আজ ছুটি দিতে হল। তিনজন দস্যুর ফাঁসি দেওয়া জন্য সে আজ নরউইচ পর্যন্ত দশমাইল পথ হেঁটে যাবে ঠিক করেছে। উইল ফিরে এল সন্ধ্যা সাতটার সময়, এবং বলল যে তিনজনেই ফাঁসি যাবার সময় গভীর অনুতাপ প্রকাশ করেছিল।

    আঠার শতকের ইংলণ্ডের বিচারের এই দৃশ্য ও দৃষ্টান্তের কথা মনে রাখলে, কলকাতা শহরে ও বাংলাদেশে এই সময়কার অপরাধ-বিচারের কাহিনিগুলি আদৌ আজগুবি বা অস্বাভাবিক বলে মনে হবে না। বরং এই কথাই মনে হবে যে, অপরাধ ও ন্যায়-বিচার সম্বন্ধে তাঁদের নিজেদের দেশের ধ্যান-ধারণাই তাঁরা পুরোপুরি এদেশে বহন করে এনেছিলেন, এবং বিচারবোধের দিক থেকে তাঁরা মধ্যযুগের স্বেচ্ছাচারী শাসকদের চেয়ে তখনও পর্যন্ত একটুও উন্নত হতে পারেননি। ঠিক ইংলণ্ডের মতনই একই অপরাধের জন্য একই দণ্ড তাঁরা এদেশে দিতেন, এবং নিজেদের দেশের মতন সেই দণ্ডের অমানুষিক দৃশ্য দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে উপভোগ করার দৃষ্টান্ত তুলে ধরেছিলেন এদেশের লোকের সামনে। কলকাতা শহরের রাস্তার মোড়ে মোড়ে একসময় যে ফাঁসির মঞ্চ তৈরি করে চোর ডাকাতদের প্রকাশ্যে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হত, এবং সেই ভয়াবহ দৃশ্য দেখার জন্য আগে থেকে শহরবাসীদের ঢেঁড়া পিটিয়ে জানিয়ে দেওয়া হত, সেকথা আজ কেউ কল্পনাও করতে পারবেন না। অথচ দেড়শো দুশো বছর আগেও এই নতুন কলকাতা শহরের নতুন নাগরিকরা বিচারের এই ভয়াবহ দৃশ্য প্রায় প্রাকৃতিক দৃশ্যের মতন দেখতেন। এইবার ইংরেজ আমলের এইসব অপরাধ ও তার বিচারের কয়েকটি দৃষ্টান্ত দেব।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা ফন্ট সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি টিউটোরিয়াল
    বাংলা বইয়ের প্রিন্ট কপি
    লাইব্রেরি
    স্বাস্থ্য টিপস
    বাংলা সাহিত্য
    ডিজিটাল বই
    Library
    লেখকের বই
    বাংলা গানের লিরিক্স বই

     

    ৫ এপ্রিল ১৭৫৯। কলকাতার ইংরেজ জমিদাররা আশরফ ও মানিক দাস দুই ব্যক্তির অপরাধের (?) দণ্ডবিধান করে বোর্ডের কাছে অনুমোদনের জন্য পেশ করেন। দু’জনেই প্রতি শুক্রবার ১০১ ঘা করে বেত খাবে, তিন মাসের জন্য। বোর্ড এই দণ্ড বিধান মঞ্জুর করেন।

    ২ জুন, ১৭৬০। ‘Benautrom Chattogee’-মনে হয় বেচারাম চ্যাটার্জি এইভাবে ইংরেজি অক্ষরে রূপান্তরিত হয়েছেন। অপরাধী হলেন বেচারাম। বেচারি বেচারাম, বোধহয় সাহেবদের সুনজরে পড়ার আশায়, নতুন ফোর্টউইলিয়ম কেল্লা নির্মাণের কাজে জনৈক ক্যাপ্টেন-ইঞ্জিনিয়ার কীভাবে দু’হাতে টাকা চুরি করছেন, সেই খবরটা ইংরেজ জমিদারদের জানিয়ে দেন। বিচারের আগেই ইঞ্জিনিয়ার কোনো কারণে অকস্মাৎ ‘গত’ হয়েছিল মনে হয়। সুতরাং বিচারের দিন কৌন্সিলের সভাকক্ষে বেচারামকে তো ডাকা হয়ই, তার সঙ্গে ইঞ্জিনিয়ারের পুত্র মিস্টার বার্টনকে ডাকা হয়। সভাকক্ষে যখন বিচার চলেছে, বার্টন তখন দরজার পাশে দণ্ডায়মান বেচারামের দিকে চেয়ে রাগে ফুলছেন, এবং বেচারাম বার্টনের রক্তবর্ণ চক্ষুর দিকে চেয়ে ভয়ে কাঁপছেন। বার্টনের ক্রোধের কারণ কী? বেচারাম তার পিতার বিরুদ্ধে অভিযোগ করে তাঁকে অপসারিত করেছে। তার মৃত পিতার আত্মা সেজন্য ক্ষুব্ধ এবং বার্টন তাঁর সুযোগ্য পুত্র হিসেবে তার প্রতিশোধ নেবেন। তারই আগুন ধূমায়িত হচ্ছে তাঁর চোখে। বেচারাম অতটা বুঝতে পারেননি। তিনি ভেবেছিলেন, বিচার হবে এবং অপরাধীর দণ্ড হবে। তাতে বার্টনেরই চিন্তিত হবার কথা। তিনি এমন কোনো অপরাধ করেননি, অন্যের চুরির কথা জানিয়ে, যে তার জন্য তার শাস্তি হতে পারে। বেচারাম এইসব কথা ভাবছেন এমন সময় এক অপ্রত্যাশিত কাণ্ড ঘটে গেল। ক্রুদ্ধ বার্টন এক হুঙ্কার দিয়ে বেচারামের ঘাড়ের উপর লাফিয়ে পড়লেন। সঙ্গে তাঁর দু-চারজন বেয়ারাও ছিল। বেয়ারাদের সাহায্যে তিনি বেচারামের হাত পা বেঁধে, একটা বাঁশের ডগায় তুলে, ঠিক চড়ক-গাছের মতন বনবন করে ঘোরাতে লাগলেন। বেচারামের চিৎকারে সভাকক্ষের হতভম্ব বিচারকরা ফ্যালফ্যাল করে চেয়ে রইলেন, কিছুই করতে পারলেন না। ঘূর্ণিপাকের পর বেচারামকে চ্যাংদোলা করে নামিয়ে বার্টন সাহেব নিজের হাতে ‘Chawbooked him is the most cruel manner almost to the deprivation of life.’ কেবল চাবুক মেরেই বার্টন ক্ষান্ত হননি। বেচারাম চাটুয্যের ব্রাহ্মণত্ব সম্বন্ধে সাহেবের টনটনে জ্ঞান ছিল। সুতরাং চাবুক মারার পর ইংরেজনন্দন এদেশি কুলীন ব্রাহ্মণতনয়কে চিৎ করে ফেলে, বুকের উপর হাঁটু গেড়ে বসে, জোর করে মুখে গোমাংস গুঁজে দেবার চেষ্টা করছিলেন। সভার বিবরণীতে লেখা আছে-‘And all this without giving ear to, or suffring the man to speak in his own defence, or clear up his innocence to him.’-এতদূর পর্যন্ত শাস্তি দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু বেচারামকে তার পক্ষে একটি কথাও বলবার সুযোগ দেওয়া হয়নি। হলওয়েল সাহেব নিজে ব্যাপারটা অত্যন্ত অন্যায় মনে করে বার্টনকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন। বার্টন কোনো কৈফিয়ৎ দেননি, কেবল বলেছিলেন যে বেচারাম একটি ‘profligate spy’, অতএব তাকে এইভাবে শাস্তি দেওয়াতে কোনো অন্যায় হয়নি।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা ডিকশনারি অ্যাপ
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বাইশে শ্রাবণ
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    বাংলা সাহিত্য
    পিডিএফ
    বাংলা হস্তলিপি কুইল
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি টিউটোরিয়াল
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কালি
    বাংলা গানের লিরিক্স বই

     

    ১৭ নভেম্বর, ১৭৬০। অন্যায় করলে অপরাধীদের ইংরেজ জমিদাররা চাবুকাঘাতে মেরে ফেলতেন। কিন্তু কিছুদিনের মধ্যেই তাঁদের মনে হল, অপরাধের উপযুক্ত দণ্ড দেওয়া হচ্ছে না। চাবুক মেরে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া দৃষ্টান্ত হিসেবে ‘sufficiently public’ নয়। সেইজন্য তাঁরা সভা করে সিদ্ধান্ত করেন যে, চাবুক না মেরে, কামানের মুখে বসিয়ে কামানদেগে প্রাণদণ্ড দেওয়াই যুক্তিসঙ্গত।

    ১৭৬১ সালে লক্ষ্মীপুর অঞ্চলে যখন ভীষণ চুরিডাকাতি আরম্ভ হয়, তখন কৌন্সিল বাংলার নবাবের কাছে এই মর্মে আবেদন করেন যে, স্থানীয় ফৌজদারকে হুকুম দেওয়া হোক, চোরের সর্দারকে সামনে দাঁড় করিয়ে কামান-দেগে মেরে ফেলতে। তা না হলে চুরি বন্ধ করা সম্ভব হবে না-‘To fire off the mouth of a cannon the leader of the thieves who was made prisoner that others may be deterred’ ২৭ আগস্ট ১৭৬৪ সালের Secret Department-এর বিবরণী থেকে জানা যায় যে, রংপুরের ‘black servant’-দের একবার ঢেঁড়া পিটিয়ে কোনো বিষয়ে সত্য বিবৃতি দেবার কথা জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল। সঙ্গে সঙ্গে একথাও সকলকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল যে, মিথ্যা বিবৃতি দিলে স্থানীয় ফৌজদার ‘would have their ears and noses cut off-তাদের নাসিকা ও কর্ণ দুইই ছেদন করে ফেলবেন, আস্ত রাখবেন না।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    বাংলা কৌতুক বই
    বাংলা বই
    নতুন বই
    Books
    বইয়ের
    বাংলা লেখকদের সাক্ষাৎকার
    লেখকের বই
    লাইব্রেরি
    গল্প, কবিতা

     

    ২৯ জানুয়ারী ১৭৬৬, তারিখের বিবরণীতে কলকাতা শহরের গণ্যমান্য ব্যক্তিদের একটি আবেদনপত্র উদ্ধৃত করা হয়েছে। ইতিহাসখ্যাত গোবিন্দরাম মিত্রের পৌত্র রাধাচরণ মিত্রকে প্রতারণার অপরাধে যে ফাঁসির হুকুম দিয়েছিলেন ইংরেজরা, তা মুকুব করার জন্য এই আবেদনপত্র লেখা হয়েছিল। কুমোরটুলির প্রসিদ্ধ মিত্রবংশের প্রতিষ্ঠাতা গোবিন্দরাম মিত্র কলকাতার ইংরেজ জমিদারের সহকারী ছিলন। সেইজন্য ইতিহাসে তিনি ‘ব্ল্যাক জমিদার’ বলে খ্যাতিলাভ করেন। আঠার শতকে কলকাতার দেশি ও বিদেশি উভয় সমাজেই তাঁর অখণ্ড প্রতিপত্তি ছিল। তাঁর পৌত্রকে জালিয়াতির অভিযোগে প্রাণদণ্ড দিলে শহরের সম্ভ্রান্ত সমাজে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হওয়া স্বাভাবিক। আবেদনপত্রে প্রতারণার অভিযোগ সম্বন্ধে যে সব কথা বলা হয়েছিল, তা এখানে উল্লেখ না করলেও চলে। কিন্তু বিদেশী ইংরেজদের আইনকানুন সম্বন্ধে যে কথা আবেদনকারীরা বলেছিলেন, তা প্রণিধানযোগ্য। তাঁরা বলেছিলেন :

    They find themselves subject to the pains and panalties of Laws to which they are utter strangers…many things being it seems capital by the English Laws, which are only fineable by the laws of your petitioner’s forefathers, subject to which they have hitherto been bred, lived, and been governed…

     

    আরও দেখুন
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    লাইব্রেরি
    বাংলা বইয়ের প্রিন্ট কপি
    বইয়ের
    ই-বই পড়ুন
    বই ডাউনলোড
    বাংলা অডিওবুক
    রেসিপি বই
    বাংলা লেখকদের সাক্ষাৎকার
    নতুন বই

     

    এমন অনেক অন্যায়ের জন্য ইংরেজি আইনে প্রাণদণ্ড হয়, যা তাঁরা কল্পনাও করতে পারেন না। কারণ তাঁদের পূর্বপুরুষদের আমলে এই সব অপরাধের জন্য জরিমানার বেশি কোনো শাস্তি হত না। তাঁরা বংশপরম্পরায় এই ধরনের আইনকানুন মেনে চলেছেন, তাই ইংরেজদের বিজাতীয় আইন ও বিসদৃশ বিচারনীতি অনেক সময় তাঁরা বুঝতে পারতেন না। আবেদনপত্রে হুজুরিমল, শুকদেব মল্লিক, শোভারাম বসাক, রাসবিহারী শেঠ, রাধামোহন বসাক, দয়ারাম ঠাকুর, দুর্গারাম ঠাকুর, নিমাই-চরণ শেঠ, মানিকচাঁদ, মদন দত্ত, হরেকৃষ্ণ ঠাকুর, নবকৃষ্ণ মুন্সী (মহারাজা নবকৃষ্ণ), রামনিধি ঠাকুর, গৌরচরণ শেঠ, পীতাম্বর শেঠ, কেবলরাম ঠাকুর প্রমুখ কলকাতার ৯৫ জন তদানীন্তন স্বনামধন্য ব্যক্তি স্বাক্ষর করেছিলেন। ইংরেজি আইন সম্বন্ধে তাঁরা যে বক্তব্য পেশ করেছিলেন তা বর্ণে বর্ণে সত্য। অন্তত আঠার ও উনিশ শতকের প্রথম ভাগ পর্যন্ত ইংরেজরা তাঁদের নিজেদের দেশ ইংল্যাণ্ডে যেসব রাষ্ট্রীয় আইনের দ্বারা শাসিত হতেন, আমাদের দেশে মুসলমান ও হিন্দু আমলেও সমাজ-শাসনের আইনকানুন তার অনেক বেশি উদার ও মানবিক ছিল। এদেশের লোক কল্পনাই করতে পারত না যে চুরি, প্রতারণা বা মিথ্যাকথা বলার অপরাধে তাদের নৃশংভাবে কামানের মুখে বসিয়ে, অথবা বেত্রাঘাতে হত্যা করা হবে। এই বিচিত্র দণ্ডনীতির মর্ম তাদের উপলব্ধি করতে অনেক সময় লেগেছে। তার মধ্যে অবশ্য ইংরেজদেরও বিচারবোধ অনেক উন্নত হয়েছে, এবং দেশের সমাজ-সংস্কারকদের আন্দোলনের ফলে তাঁরা ইংরেজি আইনকে ক্রমে অনেক উদার ও মানবিক করে তুলেছেন।

     

    আরও দেখুন
    PDF বই
    কৌতুক সংগ্রহ
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি টিউটোরিয়াল
    বইয়ের
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    বাংলা ফন্ট সাবস্ক্রিপশন
    PDF
    বাংলা সাহিত্য
    বাংলা বইয়ের আলোচনা ফোরাম
    বাংলা কৌতুক বই

     

    কিন্তু সেকথা আমাদের আলোচ্য নয়। সেদিন ইংরেজ বিচারকদের কথা এখনও শেষ হয়নি। দণ্ডবৈচিত্র্যের বিবরণ এখনও কিছু বাকি আছে। ক্যালকাটা গেজেট, ইণ্ডিয়া গেজেট, ক্যালকাটা মান্থলি জার্নাল প্রভৃতি প্রত্রিকা থেকে বিবরণগুলি সংকলিত। ১ আগস্ট, ১৭৯৫ কলকাতার সুপ্রিমকোর্টের বিচারে সিঁদকেটে চুরি করার অপরাধে ৬ জন ব্যক্তিকে প্রাণদণ্ড দেওয়া হয়, ১৮ আগস্ট কয়েকজন ছিঁচকে চোরকে হাত পুড়িয়ে দেওয়ার হুকুম দেওয়া হয়। লোচন নামে একজন অপরাধীকে কিছু রুপোর গহনা চুরি করার অপরাধে বড়বাজারে প্রকাশ্যে চাবুক মারার পরে তিন মাস House of correction-এ বন্দি করে রাখার আদেশ দেওয়া হয়। হিন্দুস্থান ব্যাঙ্ক থেকে একটি মোহর চুরি করার অপরাধে কানাই দে নামে কোনো ব্যক্তিকে দশ দিন জেলখানায় আটকে রাখার পর ছেড়ে দিয়ে বড়বাজারের দক্ষিণদিকে একস্থানে নিয়ে আসা হয়, এবং সেখান থেকে বড়বাজারের উত্তর প্রান্ত পর্যন্ত চাবুক মারতে মারতে নিয়ে গিয়ে ঘুরিয়ে আনা হয়। ১০ ডিসেম্বর ১৮০২ সুপ্রিমকোর্টের বিচারে ডাকাতির জন্য বিজু মশালচির মৃত্যুদণ্ড হয়; চক্রান্ত করার জন্য আনন্দীরাম ও কতুলকিসনের দু’বছর করে জেল হয়; রামসুন্দর সরকারের সাত বছর দ্বীপান্তর হয়; ইমামবক্সের হয় যাবজ্জীবন দীপান্তর। অথচ ৪ নভেম্বর, ১৮০৪, মানুষ খুনের অপরাধে সুপ্রিমকোর্টের বিচারকরা অপরাধীদের যে দণ্ড দেন, তা পূর্বের অপরাধ ও দণ্ডের সঙ্গে তুলনা করলে নিতান্ত হাস্যকর বলে মনে হয়। জন ম্যাকলকলিনের খুনের অপরাধে ১ টাকা জরিমানা ও একমাস কারাদণ্ড হয়; মহম্মদকে খুনের অপরাধে ঐ একই শাস্তি দেওয়া হয়। ম্যাথু নামে আর-এক ব্যক্তিকে খুনের অপরাধে এই দণ্ডেই দণ্ডিত করা হয়। জন, ম্যাথু ও মহম্মদ তিন জাতি ও সম্প্রদায়ের লোক। সুতরাং বিচারের দিক থেকে ইংরেজ বিচারকরা যে কোনো জাতিগত পক্ষপাতিত্ব দেখাননি, তা পরিষ্কার বোঝা যায়। উইলিয়ম কেরি এ বিষয়ে মন্তব্য করেছেন : Verily the crimes of forgery and theft were considered by the lagislators of those days more heinous than that of manslaugther.’

     

    আরও দেখুন
    Books
    বাংলা বইয়ের উপহার কার্ড
    বাংলা বই
    বই ডাউনলোড
    বাংলা কৌতুক বই
    বই
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কাগজ
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কালি
    PDF বই
    বইয়ের

     

    সেদিনের ইংরেজ বিচারকরা চুরি-জালিয়াতিকে মানুষ খুনের চেয়ে অনেক বেশি গুরু অপরাধ বলে মনে করতেন। সুপ্রিমকোর্টের রায়গুলি (উনিশ শতকের গোড়ার দিকে) অনুধাবন করলে দেখা যায় যে, সামান্য চুরির অপরাধে হাত পুড়িয়ে দেওয়া তখনকার দিনে খুব সাধারণ দণ্ড বলে গণ্য হত।

    দণ্ডদানের রীতি। লঘু অপরাধে গুরু দণ্ড, এবং গুরু অপরাধে লঘু দণ্ড দিয়েই বিচারকরা অপরাধীদের নিষ্কৃতি দিতেন না। বিচারের রায় দেবার পর অপরাধীদের দণ্ড দেওয়া হত সাধারণত প্রকাশ্যে চৌরাস্তার মোড়ে। যেমন ১০ জুন ১৮০৭, ছুরিমারার অপরাধে এক ব্যক্তিকে সুপ্রিমকোর্টে ফাঁসির হুকুম দেওয়া হয় এই ভাষায়-‘to be executed on Saturday, the 13th, at the four roads which meet at the head of Lall Bazar Street.’

    ১৩ জুন শনিবার লালবাজার স্ট্রীটের চৌরাস্তার মোড়ে প্রকাশ্যে অপরাধীকে প্রাণদণ্ড দেওয়া হবে। ১৩ ডিসেম্বর ১৮১৫, অন্য একটি জাহাজের ক্যাপ্টেনকে হত্যা করার জন্য পাঁচজন পর্তুগিজকে হুগলিনদীর উপর ফাঁসির মঞ্চ তৈরি করে অভিনব কায়দায় ফাঁসি দেওয়া হয়। জাহাজের নাবিকরা যাতে এই দৃশ্য দেখতে পায়, এবং এরকম অপরাধ আরও কখনও না করে, সেইজন্য এই ব্যবস্থা করা হয়েছিল।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কাগজ
    ই-বই সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা সাহিত্যের কোর্স
    ডিকশনারি
    পিডিএফ
    রেসিপি বই
    বাংলা হস্তলিপি কুইল
    বাংলা লেখকদের সাক্ষাৎকার
    স্বাস্থ্য টিপস
    বাংলা বই

     

    ১৮০০ সালের ক্যালকাটা মান্থলি জার্নাল থেকে আরও দুটি দৃষ্টান্ত দিচ্ছি। একজন এদেশি স্ত্রীলোককে অল্পবয়সের একটি বালিকা চাকরাণীকে হত্যা করার অপরাধে প্রাণদণ্ড দেওয়া হয়। প্রকাশ্যে কলকাতার চৌরাস্তার মোড়ে তাকে নির্দিষ্ট দিনে ফাঁসি দেবার ব্যবস্থা করা হয়। যথাসময়ে ফাঁসির মঞ্চের চারিদিকে বহুলোকের ভিড় জমে। আসামী একগ্লাস জল খেয়ে, সমবেত জনতার দিকে চেয়ে একটি নাতিদীর্ঘ বক্তৃতা দেয় এবং বক্তৃতান্তে সকলকে সেলাম জানিয়ে বিদায় নেয়-‘Having drunk a cup of water, she addressed a few words to the multitude and made a salam as a final adieu to this world.’

    ব্রজমোহন দত্ত নামে এক ব্যক্তিকে জনৈক সাহেবের বাড়ি থেকে একটি ঘড়ি চুরি করার অপরাধে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। লালবাজারে চৌরাস্তার মোড়ে তাকেও ঐ একই পদ্ধতিতে ফাঁসি দেওয়া হয়। ব্রজমোহন উপস্থিত দর্শকদের সেলাম জানিয়ে, ‘সাহেব, তৈয়ার’ বলে তার প্রস্তুতির কথা ঘোষণা করে। তারপরেই তাকে ফাঁসিকাঠে দর্শকদের সামনে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়।

    আইন ও বিচারের দিক থেকে আঠার শতকের ইংলণ্ডের যে সামাজিক অবস্থার কথা ট্রেভেলিয়ান বর্ণনা করেছেন, আমাদের সমাজে ঠিক সেই অবস্থারই উদ্ভব হয়েছিল দেখা যায়। নবযুগের নূতন মানবতা-বোধ তখন ইংরেজদের মনে আদৌ জাগেনি। উদারতার আলোকেও ইংরেজ-সমাজের সর্বত্র ছড়িয়ে পড়েনি। রূঢ় ও দুঃসাহসী ইংরেজ বণিক-শাসকদের মতনই ছিলেন সেদিনের ইংরেজ বিচারকরা। কলকাতার প্রভাবশালী ‘নেটিব’ অধিবাসীদের (আঠার শতকের দ্বিতীয়ার্ধের) আবেদনের সারকথার মধ্যে সত্য আছে অনেকখানি। সেদিনের ইংরেজ বিচারকের চেয়ে আমাদের দেশে কাজির বিচার বা দণ্ডনায়কের বিচার অনেক বেশি ‘মানবিক’ ছিল। ট্রেভেলিয়ানের ভাষায় বলা যায়, ইংরেজরা সেদিন তাঁদের আঠার-শতকের সমাজের ‘Illogical chaos of law’ আমাদের সমাজে বহন করে এনে রীতিমত এক বিপর্যয় সৃষ্টি করেছিলেন, যা নবাবি আমলের অতি মন্দ দিনেও কোনো স্বেচ্ছাচারী নবাব করতে সংকোচবোধ করতেন। বেচারাম চাটুজ্যের ঘূর্ণীপাক, উত্তম-মধ্যম প্রহার ও গোমাংস গলাধঃকরণ হয়ত সেদিনের সাহেবি ঔদ্ধত্যের বেহিসেবি প্রকাশ হতে পারে। কিন্তু কথায় কথায় সামান্য অপরাধের জন্য, মিথ্যা-প্রতারণা বা চুরি-জালিয়াতির জন্য লোকজনের নাক-কান কেটে ফেলা, হাত পুড়িয়ে দেওয়া, কামানের মুখে বসিয়ে তোপ দেগে উড়িয়ে দেওয়া, লালবাজারের মতন প্রকাশ্য স্থানে ফাঁসিকাঠে লটকে দেওয়া, অথবা বড়বাজারের মতন জনবহুল (তখনও অন্যান্য অঞ্চলের তুলনায় বড়বাজার জনবহুল ছিল) অঞ্চলে চাবুক মারতে মারতে একপ্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে নিয়ে যাওয়া-এরকম বিচারের কথা আমাদের দেশের লোক চরম অত্যাচারী রাজা-বাদশাহের কালেও কল্পনা করতে পারেনি। তাই সেদিনের ইংরেজ বিচারকের কাছে অনেক বেচারাম, কানাই, বলাই, মন্নু ও ইমামবক্স, লঘু অপরাধের জন্য অকারণে গুরুদণ্ড ভোগ করেছে, এমন কি মহারাজা নন্দকুমার বা গোবিন্দরাম মিত্রের পৌত্রের মতন সমাজের কর্ণধাররাও রেহাই পাননি।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleজনসভার সাহিত্য – বিনয় ঘোষ
    Next Article রহস্য রোমাঞ্চ : সম্পাদনা – বিশ্বরূপ মজুমদার

    Related Articles

    বিনয় ঘোষ

    জনসভার সাহিত্য – বিনয় ঘোষ

    November 4, 2025
    বিনয় ঘোষ

    বাংলার বিদ্বৎসমাজ – বিনয় ঘোষ

    November 4, 2025
    বিনয় ঘোষ

    বাংলার সামাজিক ইতিহাসের ধারা – বিনয় ঘোষ

    November 4, 2025
    বিনয় ঘোষ

    কলকাতা শহরের ইতিবৃত্ত ১ – বিনয় ঘোষ

    November 4, 2025
    বিনয় ঘোষ

    বাদশাহী আমল – বিনয় ঘোষ

    November 4, 2025
    বিনয় ঘোষ

    শিল্প সংস্কৃতি ও সমাজ – বিনয় ঘোষ

    November 4, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }