Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026

    কলিকাতার কথা (আদিকাণ্ড) – প্রমথনাথ মল্লিক

    January 20, 2026

    দশরূপা – সৌমিত্র বিশ্বাস

    January 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কলিকাতার কথা (আদিকাণ্ড) – প্রমথনাথ মল্লিক

    প্রমথনাথ মল্লিক এক পাতা গল্প533 Mins Read0
    ⤶

    ১৭. বাঙ্গালায় ইষ্ট ইণ্ডিয়া কোম্পানির প্রথম ব্যবসা

    বাঙ্গালায় ইষ্ট ইণ্ডিয়া কোম্পানির প্রথম ব্যবসা

    পূর্ব্বোক্ত মালদহের ইংরাজীবাজারে ইষ্ট ইণ্ডিয়া কোম্পানি মল্লিকবংশের পূর্ব্ব পুরুষের সাহায্যে সর্ব্বপ্রথমে বাঙ্গালাদেশে কিরূপে ব্যবসা বাণিজ্য করিতে হয়, উহা শিক্ষালাভ ও উহা আরম্ভ করে। রাজা মুকুন্দদেব যে, শৈলবংশ উদ্ভুত উহার প্রধান প্রমাণ যে, তিনি বঙ্গাধিকার করিয়া ত্রিবেণীতে পাকাঘাট ও রাস্তাদি করিয়াছিলেন। মালদহের নিকট দিয়া এক সময়ে গঙ্গা প্রবাহিত হইত, সেকালে নদী-প্রধান স্থানেই বাঙ্গালায় ব্যবসা বাণিজ্যের প্রসার ছিল, কারণ তখন নৌকাদিতে ব্যবসা বাণিজ্যের পণ্য দ্রব্যাদি যাইত। পলাশী যুদ্ধের পূর্ব্ব পর্য্যন্ত মোগল ও বর্গীর আক্রমণে হতভাগ্য বাঙ্গালাদেশ বিপর্য্যস্ত হইতেছিল। কর্ণেল মালিসন লর্ড ক্লাইবের জীবন চরিতে Oudh-র নবাব উজীরের মুখ হইতে সেকালের অবস্থা ও কলিকাতার উন্নতি সম্বন্ধে যাহা বলিয়াছেন, উহা উল্লেখযোগ্য ঃ—

    “He had observed, he stated, that whenever the English established a footing in a country, even though it were only by means of a commercial factory, they never budged from it; their countrymen followed them; and in the end they became masters of the place. He then pointed out how, in nine years the small factory of Calcutta had absorbed the three provences and was now engaged in swallowing up places beyond their border. He would not, he finally declared, sub mit his dominions to the same chance. Clive wisely gave way on that one point.”

    অর্থাৎ যেখানেই ইংরাজ কোম্পানি কুঠি কারবার খুলিয়াছে সেই স্থানই তাহারা করায়াত্ত করিয়াছে। উহার উদাহরণ, কলিকাতায় তিনি নয় বৎসর কাল থাকিয়াই তিনটি দেশ উদরস্থ করিয়াছেন, উহাতেও সন্তুষ্ট হন নাই উহার আশপাশের জমি জায়গাও দখল করিয়াছেন। তিনি তাঁহার অধিকৃত স্থানে উক্ত কোম্পানির কুঠি বা কারবার করিবার সুযোগ দিবেন না। ক্লাইব বুদ্ধিমানের মতো উহাতে সম্মত হন।

    ইহাতে দেখিতে পাওয়া যায় যে, তখনকার নবাবেরা ইংরাজ ব্যবসাদারদের উদ্দেশ্য ও কার্য্যকলাপ পরিষ্কার হৃদয়ঙ্গম করিয়াছিল। তখন দেশে সকলেই স্ব স্ব রাজ্য রক্ষা করিতে বিব্রত ছিল। সকলেই ইংরাজের সহায়তায় উহা করিতে উৎসুক, সুতরাং উহাই ইংরাজ কোম্পানির সৌভাগ্যোদয়ের মূল কারণ। ভগবান যখন সহায় হন, তখন সুযোগ যেন কোথা হইতে আসিয়া উপস্থিত হয়। এই সম্বন্ধে পূর্ব্বোক্ত গ্রন্থকর্ত্তা যাহা বলিয়াছেন উহাতে ক্লাইবের দেওয়ানি প্রাপ্তির কারণোল্লেখ আছে।

    “At Chapra in Bihar, Clive met the Nawab Wazir, the representative of Shah Alam, agents from the Jat chiefs of Agra and others from the Rohilla chiefs of Rohilkhand. The avowed purpose of the meeting was to form a league against Maratha aggression, it having been recently discovered that the people had entered into communications with Shah Alam for the purpose of restoring him to his Throne. Then it was, that the question of the English frontier was discussed. It was eventually agreed that one entire brigade should occupy Allahabad to protect that place and the adjoining district of Karra; that a strong detachment of the second brigade should occupy Chunar; two battalions Benares, and one Lucknow. On his side the Emperor granted firmans bestowing the three provinces upon the East India Company ‘as a free gift, without the association of any other person subject to an annual payment to himself and successors of Twenty six lakhs of rupees and to the condition that the Company should maintain an army for their defence. On the 19th May following the Subahdar of the three provinces died. The arrangements made by Clive had deprived the position of all political importance. The individuality of the person holding that once important office was therefore of little impor tance.  In the eyes of the world of India, the three provinces were to continue a Subah, administered by a Subahdar. The control of the English was to remain a matter for arrangement with the actual ruler, their real power only to be prominently used, when occasion might require, and then, likewise in the name of the Subahdar.”

    অর্থাৎ মুর্শিদাবাদের সুবেদারকে ধোঁকারটাটি স্বরূপ বর্ত্তমান রাখিয়া দেশবাসির চক্ষে দেশের কর্ম্মকর্ত্তার কোন পরিবর্ত্তন করা যুক্তিযুক্তি নয় ঠিক করিয়াছিলেন, তবে যখন আবশ্যক হইবে, তখনই কোম্পানি আসল ক্ষমতা ব্যবহার করিতে পশ্চাৎপদ হইবে না। ইহার সার মর্ম্ম এই ছিল।

    ক্লাইব শান্তির পক্ষপাতী ছিলেন ও দেওয়ানি লব্ধ দেশগুলির রক্ষার জন্য সীমান্ত প্রদেশে সৈন্য রক্ষা ও সেই সকল দেশের নবাব বাদশার খরচায় উহা করিতে লাগিলেন। তিনি কেন তখন দিল্লীর শূন্য সিংহাসন অধিকার করেন নাই, সেকথা ক্লাইব এদেশ পরিত্যাগ করিবার পূর্ব্বেই বিলাতের কর্ত্তৃপক্ষগণকে যাহা জানাইয়াছিলেন উহা উদ্ধৃত করা হইলঃ—

    “Our possessions should be bounded by the provinces. We should studiously maintain peace; it is the groundwork of our prosperity. Never consult to act offensively against any power exception defence of our own, the Kings or the Nawab Wazir’s dominions, as stipulated by treaty, and, above all, be assured that a march to Delhi would be not only a vain and fruitless project but attended with destruction to your own army, and perhaps put a period to the very being of the Company in Bengal.”

    অর্থাৎ তখন দিল্লী অধিকার করিতে গেলে ইংরাজ কোম্পানির সৈন্য সামন্ত ত ধ্বংস হইবেই, অধিকন্তু যাহা কিছু লাভ হইয়াছিল উহা সমস্তই হারাইবার বিলক্ষণ সম্ভাবনা ছিল। ঐতিহাসিক হুইলার সাহেব বলেন যে, ইংরাজেরা বাঙ্গালা, বিহার ও উড়িষ্যার দেওয়ানি লাভ করিয়া উহার সীমান্তদেশ সৈন্যসামন্তদ্বারা বেড়া বাঁধিয়া ওত পাতিয়াছিল।

    “The English were to lie sighly ensconced in the three provinces of Bengal, Bihar and Orisa. The frontier of Oudh was to form a permanent barrier against all further progress.”

    এইখানে আর এক কৌতুকাবহ ঘটনা উল্লেখ না করিয়া থাকিতে পারা যায় না। নবাব মীরজাফর লর্ড ক্লাইবকে তাঁহার উইলে পাঁচ লক্ষ টাকা দান করিয়াছিলেন, কিন্তু উহা তিনি গ্রহণ করিতে পারেন নাই কারণ তিনিই নিয়ম করিয়াছিলেন যে, কোম্পানির কোন কর্ম্মচারী এতদ্দেশীয় কাহারও নিকট হইতে কোন উপহারাদি গ্রহণ করিতে পারিবেন না। অগত্যা ঐ টাকায় তিনি যে, আপনার নামে দাতব্য ভাণ্ডার খুলিয়াছিলেন, উহা কোম্পানির রাজত্বের অবসানের সঙ্গে সঙ্গে ব্রিটিশ অধিপতি লর্ড ক্লাইবের বংশধরকে প্রদান করিয়াছিলেন। কলিকাতার জলবায়ুতে বা লড়াইএ যে সকল কোম্পানির কর্ম্মচারিরা অকর্ম্মণ্য হইয়া পড়িবে, তাহাদের সহায়তা করিবার জন্য ঐ ভাণ্ডার খোলা হইয়াছিল। অতএব ক্লাইবকে কলিকাতার পৃষ্ঠপোষক বলিলে অত্যুক্তি হয় না। ১লা জানুয়ারির ১৭৬৬ খৃষ্টাব্দে লর্ড ক্লাইব ডবল ভাতা দেওয়া রহিত করায় তদ্বিরুদ্ধে আন্দোলন করিবার জন্য কোম্পানির কর্ম্মচারিরা এক লক্ষ চল্লিশ হাজার টাকা চাঁদা তুলিয়াছিল। যাঁহারা ক্লাইবের যশকীর্ত্তি মুখরিত করিয়াছিলেন তাঁহারাই তাঁহার শত্রু হইয়া কি বিলাতে, কি এদেশে, তুমুল আন্দোলন উপস্থিত করিয়াছিল, আর সেই সময় সীমান্ত এলাহাবাদ কোরায় মার্হাটারা ষাট হাজার সৈন্য লইয়া আক্রমণ পূর্ব্বক উহা গ্রহণ করিবে গুজব উঠিয়াছিল। সেই সময় ক্লাইব কিরূপে সেই বিদ্রোহ শান্তি করিয়াছিলেন উহার কিঞ্চিৎ উল্লেখ অতি সংক্ষেপে করা উচিত।

    মুঙ্গেরে হিন্দুস্থানের সিপাহীরা বিদ্রোহী ইংরাজ সেনাধিনায়কগণকে শিক্ষাদান করিয়াছিল। ঐ সময় কাপ্তেন স্মিথ ক্লাইবের বিলক্ষণ সহায়তা করিয়াছিল। বিদ্রোহী সেনাধিনায়কগণকে কলিকাতায় বন্দিস্বরূপ পাঠান হইয়াছিল। ক্লাইবের জীবন চরিতকার এই বিদ্রোহ শান্তির কথায় ক্লাইবকে নেপোলিয়ানের তুলনা করিয়াছেন।

    * “No sooner did Clive hear of the combination than instead of waiting to be attacked, he seized the initiative, the mutineers allowed him to strike the first blow; standing on the defensive in their insolated position, they gave the opportunity to Clive to destroy them in detail. It was the action which Napoleon employed against the Austrians in 1796, 1805 and 1809.”

    ২৯এ জানুয়ারি ১৭৬৭ খৃষ্টাব্দে ব্রিটানিয়া নামক জাহাজে ক্লাইভ কর্ম্মত্যাগ করিয়া বিলাত যাত্রা করিয়াছিলেন। ১৭ই মে ১৭৭৩ খৃষ্টাব্দে বিলাতের পালিয়ামেণ্ট লর্ড ক্লাইবের বিরুদ্ধে অভিযোগ উপস্থিত হইয়াছিল ও তিনি উহাতে নিষ্কৃতিলাভ করিয়া ১৭৭৪ খৃষ্টাব্দে নভেম্বর মাসে তাহার ইহলীলা সমাপ্ত করিয়াছিল।

    বাঙ্গালায় ইংরাজ কোম্পানির একচেটিয়া ব্যবসা লর্ড ক্লাইবের অক্ষয় কীর্ত্তি। রাজত্বের সহিত জাতীয় ব্যবসার উন্নতি সাধন করা তাঁহার প্রধান লক্ষ্য ছিল একথা বলা অত্যাবশ্যক। ক্লাইব বিলাতে চলিয়া গেলে কোম্পানির কর্ম্মচারীরা যথেচ্ছাচারী ও পূর্ব্ববৎ নিজমূর্ত্তি ধারণ করিয়াছিল। কি ভেরিলষ্ট, কি কার্টিয়ার, কোম্পানির কর্ম্মচারীদিগকে রীতিমতো শাসনে রাখিতে পারেন নাই। সেকালের অবস্থার কথা যাহা কাপ্তেন ট্রটার ওয়ারেন হেষ্টিংসের জীবন চরিতে উল্লেখ করিয়াছেন উহা উদ্ধৃত করিলেই যথেষ্ট হইবে।

    “Even since Clive’s return to England, the Company’s affairs in Bengal had been falling back into their old disorder under the weak rule of Verelst and Cartier. The rich provinces won by Clive’s sword and further secured by his deplomacy had been left in the hands of Native Administrators whose agents plea sed their own countrymen in the name of a pensioned Sovereign living in idle state at Murshidabad. An army of Faujdars, Amins, Sardars and suchlike gentry, preyed like parasities on the people and fattened on the revenues designed for the Company’s use.

    The English ‘supervisors’ appointed in 1769 to check these abuses and after the Company’s interests, were, in Hasting’s own words ‘the boys of the service’ to look who made themselves rulers, very heavy rulers of the people. Against the mischief caused by their ignorance or their greed, the Board of Revenue at Murshidabad was too weak or too dishonest, to make much headway. Within the Calcutta Council things were no better. Clive’s Reforms had fallen on barren soil. Every Councillor did that which seemed right in his own eyes-from the money-grabbing point of view. The Company’s servants traded, bargained and took bribes as freely as they had done in the days of Vansitart. The golden age which Clive had promised after his return home was realised only by the gentle-men who were making their fortunes at the Company’s expense, and by a number of native agents, officers, and landholders who throve upon the robbery and speculation that played havoc both with the trade and the revenue of Bengal. In 1770 the year the Cartier succeeded Verelst, broke out the terrible famine which slew more than a third of the people in Bengal and turned large tracts of fertile country into tigerhunted jungle. Meanwhile, the Company itself was borrowing money for immediate needs, and was paying in other ways the full penalty of its transformation into a political power. Amidst seeming riches, so great was its actual poverty that the Directors asked for a loan from the British Exchequer. The loan which saved them from impending Bankruptcy, was granted in 1772, only on condition that the Company should pay the Nation * 400000 a year for the privilege of holding a few years longer the Dominions, won by treaty from the Emperor of Delhi.”

    অর্থাৎ সংক্ষেপে বলিতে গেলে ইহাই দাঁড়ায় যে, কোম্পানির কর্ত্তব্যপরায়ণ কর্ত্তৃপক্ষ ও কম্মচারিগণের কৃপায় কোম্পানি ইংলণ্ডের রাজকোষ হইতে ঋণ প্রাপ্ত না হইলে উক্ত কোম্পানিকে তখনই দেওলিয়া গ্রহণ করিতে হইত। তজ্জন্য কোম্পানিকে বাধ্য হইয়া বার্ষিক চার লক্ষ পাউণ্ড বিলাতের রাজকোষকে করদান করিতে হইয়াছিল। বিলাতের সকলই কোম্পানির কর্ম্মকর্তা ও কর্ম্মচারিগণের উপর অত্যন্ত বিরক্ত হইয়াছিল, কারণ তাহারা এদেশ হইতে যে অর্থ লইয়া যাইত তাহাতে তাহারা বিলাতে গিয়া নবাবী করিত ও সেই নামে সকলেই অভিহিত হইত।

    ** “The tide of popular feeling ran very strong against the whole class of ‘Nabobs, who laden with the spoil of India Service, were buying their way at all costs into the House of Commons and eclipsing the ancient splendour of the highest and wealthiest country lords.”

    লর্ড ক্লাইব যে কেবল বাঙ্গালায় নির্ব্বিবাদে কর্ত্তৃত্ব করিয়াছিলেন, উহা নয় বিলাতের পার্লিয়ামেণ্টেও কোম্পানির সভায় তাঁহার যথেষ্ট ক্ষমতা ছিল। বিলাতের মন্ত্রী লর্ড পিটকে বাঙ্গালা ও ভারতবর্ষ সম্বন্ধে তিনি অনেক পরামর্শ দান ও উহা কার্য্যে পরিণত করাইয়াছিলেন এবং ১০ই ফেব্রুয়ারী ১৭৬৩ খৃষ্টাব্দে পারিসের সন্ধির বিরুদ্ধে তিনি ভোট দিয়াছিলেন। ক্লাইবই যুক্ত ইষ্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির ডিরেক্টর সভার সভাপতি মিঃ লরেন্স সলিভানকে ঐ পদ হইতে পদচ্যুত করিয়াছিলেন।

    * “He proceeded to declare that it would be impossible for him to proceed to India leaving behind him a hostile Court and a hostile Chairman, that at least the existing Chairman must be changed. He carried the proprietors with him and measures were taken for a fresh election. This election took place on the 25th April 1764. At it all the candidates proposed by Mr. Sulivan were defeated, he himself being returned by mijority of one only. The Chairman and Deputy Chairman elected were both supporters of Clive.”

    ক্লাইব শেষ বার কলিকাতায় আসিবার সময় তাঁহার পত্নীকে সঙ্গে করিায় আনেন নাই। তিনি তাঁহার সন্তান সন্ততির পাঠের তত্ত্বাবধানের নিমিত্ত তাঁহাকে বিলাতে রাখিয়াছিলেন। ক্লাইব তাহার মনোনীত ভান্সিটার্টকে বিলাতের রাজাকে উপহার দিবার জন্য হস্তী পাঠাইতে অনুরোধ করিয়াছিলেন। ভান্সিটার্ট কিন্তু উহা ক্লাইবের নামে না পাঠাইয়া আপনার নামে পাঠাইয়াছিলেন। ক্লাইব বাঙ্গলার কাহাকেও আপনার পদে প্রতিষ্ঠিত না করিয়া ভান্সিটার্টকে মান্দ্রাজ হইতে আনাইয়াছিলেন তিনি উহার প্রত্যুপকার কি সুন্দররূপে দান করিয়াছিলেন উহা পূর্ব্বোক্ত ভিন্ন অনেক ঘটনায় প্রকাশ হইয়াছিল। ভান্সিটার্ট মীরজাফরকে পদচ্যুত করিয়া মীরকাশিমকে সেই পদে প্রতিষ্ঠিত করিয়াছিলেন। ইতিহাস সেই কলঙ্ক ভান্সিটার্টের নামে কীর্ত্তন করিয়াছে। মীরকাশিমই লবণের একচেটিয়া ব্যবসা দেশের সর্ব্বনাশ করিয়াছে সর্ব্বপ্রথম অনুভব করিয়াছিলেন ও ক্লাইবই উহার প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন। উহাতেই মীরকাসিমের সহিত ইংরাজ কোম্পানির বিবাদের সূত্রপাত হয়।

    “But when he (Mirkasim) proceeded to alleviate the misery of his peopele he found that the fatal gift of the Salt Monopoly enabled the English thwart all his efforts.”

    সম্রাট হইতে সামান্য জমিদার সকলেই যখন লোভে হিংসায় অন্তর্বিবাদে জর্জ্জরিত ও দুর্ব্বল, সাধারণে বহুকাল হইতে অরাজকতায় ও ঘোর দুর্ভিক্ষে ক্ষুণ্ণ তখনই হেষ্টিংস কতকগুলি অর্থলোভী অকর্ম্মণ্য লোকের দ্বারা যে সকল কার্য্য করিয়াছিলেন উহা তাঁহার বিচারে সবিশেষ আছে। কে কেমন লোক ছিলেন যাঁহারা তাঁহাদের সহিত কার্য্য করিয়াছেন তাঁহারাই বলিতে পারেন, তবে যুক্তি বিচার ও তথ্যানুসন্ধানদ্বারা যতদূর নিরপেক্ষভাবে করা যায় উহাই করা হইল। তাঁহার প্রথম গবর্ণর জেনারেলীর কথা কিছুই বলা হয় নাই যথাস্থানে তাহা বলা হইবে।

    জর্জ্জ ফরেষ্ট সাহেব তাঁহার Selection from the Letters, Despatches, and on the State papers নামক গবর্ণমেণ্ট অনুগৃহীত সংগৃহীত গ্রন্থে ওয়ারেন হেষ্টিংস এদেশের ব্যবসা সম্বন্ধে যাহা কিছু করিয়াছিলেন উহার উল্লেখ করা যাইতেছেঃ

    “The exaggerated charges of Burke against Hastings have left a stain, not only on the character of the man who founded our Empire, but on the Nation whose minster he was. To the eloquence of Burke was first due the impressin that our Indian dominion was founded by enormous imes.”

    “Hastings recognised the economic principle which Adam Smith put forward a few years later that the first interest of the sovereign of a people is that their wealth should increase as much as possible; and he was practically impressed with the necessity for its application in a country like Bengal, where revenue is derived from the land rent. When he became Governor, the foreign and domestic trade of the province had almost perished on account of the revival of the old trade abuses which Clive had destroyed A chief part of the revenues consisted of duties imposed on the transit of goods but the servant of the Company attempted themselves from paying them. Hastings formed a new plan for collecting customs. Hastings determined therefore to establish the system of ready money purchases; and to declare the weavers free to work for whom they will and to support them in that freedom. He wrote to a friend :— “The Company and their collectors and chiefs of factories are the only merchants of the Company; they force advances of money on the weavers and compel them to give cloths, in return, at an arbitrary valuation, which is often no more than the cost of the materials, so that the poor weaver only lives by running in debt to his employers, and thus becomes their slaves for life. The collectors trade with the money which they get in the Districts, which affects the circulation as well as commerce of the country.”

    অর্থাৎ হেষ্টিংসের সময় এদেশের যাবতীয় ব্যবসা সমস্তই কোম্পানির কর্ম্মচারীরা জবরদস্তি করিয়া আপনাদের হস্তগত করিয়া রাখিয়াছিল। এদেশের কৃষক, শিল্পি খরিদ দামে জিনিষ বিক্রি করিতে বাধ্য হইত ও তাহারা আজীবন মজুরী পাইত না ঋণ গ্রহণ করায় ক্রীতদাসের মত কার্য্য করিয়া যাইত। প্রসিদ্ধ অর্থ নীতিজ্ঞ আডাম স্মিথের মতে রাজার প্রথম কর্ত্তব্য কর্ম্ম হইতেছে যে, যাহাতে প্রজার ধন সম্পত্তি আদি যতদূর বর্দ্ধিত হয়। ও ওয়ারেন হেষ্টিংস সেই জন্য নগদ টাকায় দ্রব্যাদি খরিদের ব্যবস্থা করেন ও শতকরা আড়াই টাকা হারে মাশুল আদায় করিবার হুকুম দান করেন। কলেক্টারেরা কোম্পানির খাজনার টাকা আদায় করিয়া ব্যবসায় খাটাইত। ক্লাইব যে কিছু সংস্কার এতদসম্বন্ধে করিয়াছিলেন কিন্তু তিনি চলিয়া যাইবার পর পূর্ব্বের মত যাহা যেমন ছিল তেমনই হইয়াছিল। হেষ্টিংস তাঁতিকুলকে স্বাধীনভাবে কার্য্য করিবার হুকুম জারি করিয়াছিলেন। পরিণাম যে কি হইয়াছিল উহার কোন উল্লেখ নাই। তখন এদেশে মুদ্রানীতি একেবারে ভাল ছিল না, তজ্জন্য ব্যবসার বিলক্ষণ ক্ষতি হইত। কোম্পানি সেইজন্য তাহাদের টাঁকশালে টাকা মুদ্রিত করিত ও উহা বাঙ্গালা দেশে চলিত। ওয়ারেণ হেষ্টিংসের পদোন্নতির সঙ্গে সঙ্গে তাঁহার ব্যক্তিগত ভাবে বহু আমূল পরিবর্ত্তন হইয়াছিল। সেইজন্যই হেষ্টিংসের শেষ গবর্ণরীর কার্য্যের সঙ্গে প্রথম গবর্ণর জেনারেলীর কার্য্যের সামঞ্জস্য নাই। উহাতেই উহা স্বতন্ত্র করিতে হইয়াছে। মহামতি বার্ক ওয়ারেণ হেষ্টিংসকে যে চক্ষে দেখিয়াছিলেন ও জ্বলন্ত বর্ত্তৃতায় প্রত্যেক ইংলণ্ডবাসিকে তখন লজ্জায় ঘৃণায় কম্পিত করিয়াছিলেন। পরে মিল যুক্তি ও অধ্যবসায়ে ও মেকলে ভাষার ছটায় উহার প্রতিবাদ করিয়া ওয়ারেণ হেষ্টিংসকেই ভারতবর্ষে ইংরাজ (ব্রিটিশ) রাজত্বের ভিত্তি স্থাপন কর্ত্তা বলিয়াছেন। ভারতবর্ষের উপর বিলাতী রাজা ও পার্লিয়ামেণ্ট সভার কর্ত্তৃত্ব ১৭৭৩ খৃষ্টাব্দের রেগুলিটিং আইন দ্বারা গবর্ণর জেনারেল ও তাঁহার সভার সভ্যবৃন্দের হস্তে, প্রতিনিধি স্বরূপ না হইলেও, অর্পিত হইয়াছিল। সে হিসাবে ইষ্ট ইণ্ডিয়া কোম্পানির সংসার মঞ্চের আদিকাণ্ডের যবনিকা পতন হইল।

    আদিকাণ্ড সমাপ্ত

    *  Ibid P.189.

    *  Captain Tortter’s Warren Hastings p.52

    ** Ibid p.53-54.

    * Col. Malleson’s Clive P.56.

    ⤶
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদশরূপা – সৌমিত্র বিশ্বাস
    Next Article সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026
    Our Picks

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026

    কলিকাতার কথা (আদিকাণ্ড) – প্রমথনাথ মল্লিক

    January 20, 2026

    দশরূপা – সৌমিত্র বিশ্বাস

    January 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }