Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কলিযুগ – নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী এক পাতা গল্প438 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০২. বেদপাঠে মেয়েদের বেদদত্ত অধিকার

    ঠিক যেভাবে সবার সামনে আমার শ্রদ্ধেয় মাস্টারমশাই আমাকে বকেছিলেন, এমনি হলে এখনও ঠিক সেইভাবেই বকতেন। সেই একটি বর্ণকে কটু অনুনাসিকতায় দীর্ঘায়িত করে বলতেন–অ্যাঁ! খুব বুলি ছুটেছে দেখছি! দু-পাতা বেদ পড়েই খুব যে বড়ো বড়ো কথা বলছ? অবশ্য এইই হয়, পরিপাক না হলে ক’খানা বেদ-মন্ত্র মুখস্থ করেই লোকে বড়ো বাগ্মী হয়ে যায়–বেদমধীত্য ত্বরিতো বক্তারো ভবন্তি। মাস্টারমশাই বেঁচে থাকলে বলা যেত–শুধু আমি কেন স্যার, এখন যে সবাই বড়ো বড়ো কথা বলছে। কেউ ধর্মের জন্য, কেউ অধর্মের জন্য, কেউ রাজনীতির জন্য, কেউ স্বার্থের জন্য, কেউ বা শুধুই আত্ম-প্রতিষ্ঠার জন্য বেদের ব্যবহার এবং অপব্যবহার–দুই-ই করছে। বেদের শুদ্ধি-রক্ষার জন্য যাঁদের দুশ্চিন্তার অন্ত নেই, তাদের আরও একটি কারণে মাস্টারমশায়ের সুরে বকা লাগানো দরকার। কারণটা বলি।

    যারা হঠাৎ বেদ-পাঠে অথবা বেদ-গানে স্ত্রীলোকের কোনো অধিকার নেই বলে ফতোয়া জারি করলেন, তাদের একবার জিজ্ঞাসা করি–যে পুরুষ-পুঙ্গবেরা বেদ মন্ত্র উচ্চারণ করে অহরহ বেদের উচ্চতা স্থাপন করছেন, তাদের কি বেদ-পাঠে খুব অধিকার আছে? স্বর এবং বর্ণের উচ্চারণে যদি বিকার আসে, তো যজ্ঞকালে নানা বিপত্তি ঘটে বলে বৈদিকেরা ভয় পান। বৈয়াকরণেরাও নাকি সেই কারণে ভালো করে ব্যাকরণ পড়েন–যাতে মন্ত্রের উচ্চারণে ত্রুটি না হয়–মম্রো হীনঃ স্বরতো বর্ণতো বা। আহা, যে ব্রাহ্মণ বেদমন্ত্র উচ্চারণ করে বিয়ে দেন, যিনি বেদমন্ত্র উচ্চারণ করে শ্রাদ্ধ করেন, যিনি বিশ্ববিদ্যালয়ে বেদের স্পেশাল পেপার পড়ান এবং ভারতবর্ষের শতশত মহাবিদ্যালয়ে যারা সাম্মানিক বিষয়-সূচিতে সংস্কৃত-ক্লাসে বেদ পড়ান (মহাশয়! আমিও তাদের একজন)–তাঁদের মধ্যে ক’জন আছেন, যাঁদের উদাত্ত-অনুদাত্ত-স্বরিত স্বরে সঠিক মন্ত্র উচ্চারণের ক্ষমতা আছে! দু-চার জন ছাড়া কারও নেই। বেদের নিয়মমতো তোতাহলে সবার এখন চাকরি যাওয়া উচিত। আরও কথা হল–বিশ্ববিদ্যালয়ে নারী-পুরুষ নির্বিশেষে তথাকথিত ব্রাহ্মণ-শূদ্র-অন্ত্যজ নির্বিশেষে আমরা যারা এতকাল একসঙ্গে বেদ পড়ে এসেছি এবং পড়িয়ে এসেছি–শাস্ত্রের নিয়মে এখন তাদের নিশ্চয় ঘোর নরকে গরম তেলে ভাজা-ভাজা হবার কথা–অথবা বিশ্ববিদ্যালয়-মহাবিদ্যালয়ের বৃহৎ-কাষ্ঠে দোষ নাই।

    নরকের কথা থাক। আপাতত শাস্ত্রং–অভয় দিয়ে বলি, অনুস্বর ধনুঃশর নহে মহারাজ! অধিকারের নিয়ম এক রকম, অধিকার হরণের নিয়ম আরেক রকম। মূলে যাঁরা শাস্ত্র রচনা করেছিলেন তারা উদার ছিলেন। পরে যাঁরা নিজের প্রয়োজনে শাস্ত্রকে ব্যবহার করেছেন, তারা অধিকার হরণ করেছেন নিজেরই স্বার্থে, তপস্বীর করুণায় নয়। প্রথমে জেনে নেওয়া ভালোবেদের দুটো অংশ আছে। প্রথম অংশ মন্ত্রভাগ, দ্বিতীয় ব্রাহ্মণভাগ। মন্ত্রভাগের মধ্যে যেখানে শুধুই দেবতার স্তুতি, আহ্বান অথবা প্রার্থনা–সেখানে কে বেদপাঠে অধিকারী বা অনধিকারী, সেসব কথা কিছুই নেই। তবে হ্যাঁ, নানা মন্ত্রের অর্থ এবং বক্তব্য থেকে যদি এমন প্রমাণ হয় যে, পুরুষেরা বেদমন্ত্রের অধিকারী, তাহলে খোদ ঋগবেদের মন্ত্র থেকে স্পষ্ট বলে দেওয়া যাবে–স্ত্রীলোকেরাও মন্ত্রে সমান অধিকারী। বৈদিক মতে বেদের মন্ত্র কেউ লেখেনি, ঋষিরা মন্ত্রবর্ণ দর্শন করেছেন। এই মন্ত্রদ্রষ্টা ঋষিদের মধ্যে পুরুষেরা যেমন আছেন, তেমনই মেয়েরাও আছেন। বিশ্ববারা, অপালা, কি ঘোষা-রোমশার কথা থাক, ঋগবেদের যে মন্ত্রগুলি নিয়ে আমরা দুর্গাপূজার সময় প্রতিবার মোহিত হই, সেই দেবীসূক্তটির দ্রষ্টা বা রচয়িত্রী কিন্তু একজন মহিলা। তিনি অভৃণ ঋষির কন্যা অ্যুণী। বেদান্ত-দর্শনের প্রথম আভাস যে দেবীসূক্তের মধ্যে সেই মন্ত্রবর্ণ যদি একজন আত্মজ্ঞানী মহিলা কবি চোখে দেখে থাকেন, তবে তো উত্তরাধিকারের নিয়মে সেই মন্ত্রের উচ্চারণে তাঁদেরই প্রথম অধিকার। সুখের বিষয়বহু বছর আগেই মহালয়ার প্রভাতী অনুষ্ঠানে এই দেবীসূক্তের–অহং রুদ্রেভিসুভিশ্চরামি অহম্‌….এই মন্ত্রগুলি সুরে-তালে একজন মহিলা গায়িকার কণ্ঠগত করে আকাশবাণীর কর্তারা বাংলাদেশের বেদ-বোধে চিরন্তনী সচেতনতার পরিচয় দিয়েছেন।

    এই প্রসঙ্গে স্মরণ করুন বিশ্ববারা নাম্নী রমণী-ঋষির কথা। তিনি ঋক্‌মন্ত্রের মধ্যে সোচ্চারে নিজের নাম ঘোষণা করে বলছেন–বিশ্ববারা পূর্বাভিমুখী হয়ে দেবতাদের স্তব উচ্চারণ করার পর যজ্ঞীয় হব্যপাত্র নিয়ে অগ্নির অভিমুখে যাচ্ছে। এখানে বিশ্ববারা শুধু অন্তত ছটি মন্ত্রের দর্শনকত্রী ঋষিই নন, এখানে তিনি ঋত্বিক অর্থাৎ ঋগবেদের পুরোহিতও বটে। একাকিনী এই সব মহিলার স্বচ্ছন্দ অধিকারের কথা বাদ দিলেও খোদ ঋগবেদের মন্ত্রভাগে স্বামী-স্ত্রীর একসঙ্গে বৈদিক মন্ত্র উচ্চারণ করার উদাহরণ ভূরিভূরি আছে। এমনকী প্রিয়যজ্ঞবিশিষ্ট দম্পতির মন্ত্রস্তুতি যে দেবতারা বেশি পছন্দ করেন তারও উল্লেখ আছে মন্ত্রের মধ্যেই। তাছাড়া স্বামী-স্ত্রীর একসঙ্গে যজ্ঞের কাজ আরম্ভ করা, সোম-রস প্রস্তুত করা এবং সবার শেষে মন্ত্রোচ্চারণে দেবতার স্তব করার মন্ত্রগুলি যথাক্রমে–রিত্ব ততস্রে মিথুনা (১.১৩১.৩), যা দম্পতি স মনসা সুনুত আচ ধাবতঃ (৮.৩১.৫-৬) এবং রীতিহোত্রা কৃতদ্বসু দশস্যান্তামৃতায় কম্ (৮.৩১.৯)। এর পরেও কি রমণীয় বেদপাঠে সন্দেহ।

    এরপরেও কি মেয়েদের বেদ-মন্ত্র উচ্চারণ করার অধিকার নিয়ে অর্বাচীন ধর্মধ্বজীদের বাগাড়ম্বর শোনার প্রয়োজন আছে? বেদের মন্ত্রভাগ ছেড়ে দিয়ে ব্রাহ্মণভাগে এলেও স্ত্রীলোকের এই অধিকার অব্যাহত আছে। অবশ্য এখান থেকেই মেয়েদের জ্ঞান-গম্যি এবং বিবাহের যজ্ঞীয় সংস্কারটা ধর্তব্যের মধ্যে এসে গেছে। অবশ্য অধিকার এখানে সামান্য খর্ব করা হলেও স্ত্রীলোকের সহায়তায় এগিয়ে এসেছে আরণ্যক গ্রন্থগুলি। তৈত্তিরীয় আরণ্যক শুধু স্পষ্ট করে ব্রাহ্মণপত্নীদের মন্ত্র উচ্চারণ করতেই বলেনি–অনুবাকং পত্নীং বাচয়তি তাদের সমস্ত আহবনীয় হোমে উপস্থিত থাকতে বলেছে। উপরন্তু বৈষ্ণবরা যেমন কীর্তনের ধুয়ো ধরেন অথবা সম্মিলিত কণ্ঠে আমরা যেমন স্ত্রী-পুংনির্বিশেষে গান করি, ঠিক তেমনি করেই ব্রাহ্মণ-বধূদের সামগানের উচ্চারণ এবং সুর করতে বলা হয়েছে–পত্নীসহিতানাং সর্বেষাং প্রস্তোতৃনিধন ভাগোচ্চারণং বিধত্তে। হায়, এত সুর করেও রমণীর কণ্ঠে যদি সেই সুর এখন স্তব্ধ করে দেওয়া হয়, তবে বেদ-বিরোধী কথা বলার দায়ে ধর্ম-প্রবক্তাদের সিংহাসনটাই কেড়ে নেওয়া উচিত।

    বেদের ধর্ম, যাগ-যজ্ঞ, হোম, মন্ত্রোচ্চারণ, দেবতা এবং ব্রাহ্মণদের আচরণীয় কর্তব্যগুলি নিয়ে যে দর্শনের সৃষ্টি হয়েছে, তার নাম পূর্বমীমাংসা দর্শন। জৈমিনীর সূত্র এবং তার ওপরে টীকা-টিপ্পনীগুলি বিস্তারিতভাবে আলোচনা করে আমরা স্ত্রী-পুরুষের যজ্ঞে সমানাধিকার এবং মন্ত্রোচ্চারণের সমান অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে পারতাম, কিন্তু জায়গার অভাবে তা এখানে করা গেল না। মনে রাখা দরকার–বৈদিক ক্রিয়াকর্মে এবং মন্ত্রোচ্চারণে মেয়েদের অধিকার খর্ব করা আরম্ভ হয়েছে স্মৃতিশাস্ত্রগুলি রচনার পর থেকে, বিশেষত মনু মহারাজের তাড়নায়। স্মৃতি গ্রন্থগুলি বেদমূলক হলেও, তার মধ্যে আচার-আচরণের গোঁড়ামিটাই বেশি। বস্তুত স্মৃতিশাস্ত্র যে বেদ নয়, সে কথা বহুভাবে প্রমাণ করা যায়। এর ওপরেও সেই প্রবাদ-বাক্যের মতো কথাটি আছে যে, শ্রুতি অর্থাৎ বেদ-উপনিষদের বক্তব্যের সঙ্গে স্মৃতিশাস্ত্রের বিরোধ হলে শ্রুতিকেই মানতে হবে শ্রুতি-স্মৃতি-বিরোধে তু শ্রুতিরেব গরীয়সী। অতএব স্মৃতিশাস্ত্র যতই মেয়েদের অধিকার হরণ করুক, স্বয়ং শ্রুতিই যেখানে আমাদের সহায়, সেখানে স্মার্ত পণ্ডিতের কায়দায় কে কী বিধান দিলেন তাতে কিছু আসে যায় না। স্মৃতিশাস্ত্রের মধ্যেও যেগুলি প্রাচীন স্মৃতি বা নিবন্ধ, সেগুলির কোনো কোনোটি পড়লে কিন্তু বোঝা যায় যে, মা কী ছিলেন এবং মা কী হইয়াছেন। যম-সংহিতার মতো প্রাচীন স্মৃতি মেয়েদের বেদে অধিকার-নির্ণয়ের সময় তার পূর্বর্তন সময়ের কথা স্মরণ করে বলেছে–পুরাকল্পে ছেলেদের যেমন উপনয়ন হত, কুমারী মেয়েদেরও তেমনই উপনয়ন হত, পৈতে পরতে হত। বেদ-মন্ত্র উচ্চারণ করা তো অতি সাধারণ কথা, নারীরা বেদ পড়াতেন এবং গায়ত্রী জপ করতেন–অধ্যাপনঞ্চ বেদানাং সাবিত্রীবচনং তথা। তবে হা কুমারী মেয়ে বলে কথা, গুরুকুলে পড়তে যাওয়ার তার বিপদ ছিল অনেক। ফলে স্ত্রীলোকের বেদ-অধ্যয়ন অথবা অধ্যাপনার ব্যাপারে কিছু কনসেশনও ছিল। যম-সংহিতা সেই প্রাচীন বৈদিক সমাজের সংস্কারটুকু স্মরণ করেছেন সগর্বে।

    যাঁরা ভাবেন–হ্যাঁ, স্ত্রীলোকের বেদ-পাঠ-টাটের মতো একটা কিছু ছিল বটে, তবে আদুড় গায়ে কৌপীন পরে তাঁদের বেদ-পাঠ করতে হত, তাই ও সব বর্বর রীতি বন্ধ হয়ে গেছে। সবিনয়ে বলি–বৈদিক সমাজ যত খোলামেলাই হোক, তাঁদেরও কামাদি পীড়া ছিল। যম-সংহিতা বলেছে–সেকালে মেয়েরা পৈতেও পরতেন, বেদও পড়তেন–কিন্তু তাদের বেলায় অনেক রেহাই ছিল। মেয়েরা আদুড় গায়ে মৃগচর্ম অথবা কৌপীন পরে নিজের বেদাচার বজায় রাখতে চাইলে অন্যদের যে হৃৎ-কম্প সৃষ্টি হবে, সে কথা বৈদিক পুরুষেরা বিলক্ষণ জানতেন। আর জানতেন বলেই তারা বলছেন–মেয়েরা ব্রহ্মচারিণী হয়ে বেদ অধ্যয়ন করলেও, পৈতে পরলেও তারা যেন মৃগচর্ম ধারণ না করেন, কৌপীন না পরেন অথবা মাথায় যেন জটাজাল সৃষ্টি না করেন–বর্জয়ে অজিনং চীরং জটাধারণমেব চ। মেয়েদের অধ্যাপক হতেন বাবা কিংবা কাকা। ব্রহ্মচারী কুমারকে যেমন বাইরে ভিক্ষাচরণ করতে হত, মেয়েদের ভিক্ষার ব্যাপারটা সীমিত থাকত ঘরেই। অর্থাৎ বেদ-পাঠের তাগিদ থাকলেও পিতা-মাতার স্নেহচ্ছায়ার মধ্যেই তাদের লালন করা হত। কারণটা খুব স্পষ্ট এবং জৈবিক এবং বৈদিকও বটে।

    অবশ্য বেদ পড়ব কি পড়ব না–সে ব্যাপারে মেয়েদের একটা স্বতন্ত্রতা ছিল। এখনকার দিনেও যেমন অনেক মেয়ের মুখে শুনি-ধূৎ! আবার কষ্ট করে অনার্স পড়া! এম.এ. পড়া! রিসার্চ করা! তার চেয়ে বিয়ে হয়ে গেলেই বেশ ভালো–গয়না পরব, শাড়ি পরব, নিত্য নতুন সাজব। বৈদিক সমাজেও যাঁদের এইরকম বিয়ে-বিয়ে মন হত, তাঁরা বেদ-পাঠ, উপনয়ন অথবা ভিক্ষাচর্যার পথে না গিয়ে বিয়েই করে বসতেন। তাদের বেদে অধিকার থাকত না, কেননা তারা জ্ঞানের পথ স্বেচ্ছায় পরিহার করেছেন। কিন্তু জ্ঞানের দিকেই যাঁদের মানসিক ঝোঁকটা ছিল, সেই সব ব্রহ্মবাদিনী মহিলাদের পৈতে নেওয়া, বেদ পড়া এবং নিজের ঘরে ভিক্ষা-চর‍্যা সবই ছিল প্রায় পুরুষদের মতোই-তত্র ব্রহ্মবাদিনীনা উপনয়ন অগ্নি-সমিন্ধনং বেদাধ্যয়নং স্বগৃহে ভিক্ষাচর‍্যা (হারীত-সংহিতা)। তার মানে, ব্রহ্মবাদিনীরা শিক্ষিতা রমণীদের একটি শ্রেণী।

    বেদ কিংবা বেদ-কল্প গ্রন্থগুলির মধ্যে স্ত্রীলোকের মন্ত্রোচ্চারণ নিয়ে কোনো সংশয়ের অবকাশই নেই। আলায়ন তার শ্রৌতসূত্রে পরিষ্কার এবং ক্যাটিগোরিকালি’ বলেছেন যে–এই মন্ত্র পত্নী পাঠ করবে, আর অমুক মন্ত্র পত্নীর হাতে বেদ দিয়ে তারপর তাকে দিয়ে বলাবে–ইমং মন্ত্রং পত্নী পঠেৎ/আবার/বেদং পত্নৈ প্রদায় বাচয়েৎ। বেদ-মন্ত্রের উচ্চারণে বা বৈদিক ক্রিয়াকলাপে মেয়েদের অধিকার ছিল কিনা তার প্রমাণ ধরে রেখেছে আদিকবির রামায়ণ। রামায়ণে দশরথের পত্নী কৌশল্যা অশ্বমেধ যজ্ঞে অংশ নিয়ে নিজে খঙ্গাঘাতে যজ্ঞীয় অশ্ব বলি দিয়েছেন। আর রামচন্দ্র যখন বনবাসের খবর দিতে এসেছেন মায়ের কাছে, তখন তিনি রীতিমতো মন্ত্রোচ্চারণ করে অগ্নিহোত্র হবন করছিলেন–অগ্নিং জুহোতি স্ম তদা মন্ত্রবৎ কৃতমঙ্গলা।

    উদাহরণ দিতে পারি ভূরিভূরি। ব্রাহ্মণ, সূত্র, ব্যাকরণ এবং দর্শনের নানা উদাহরণ দিয়ে বেদে রমণীর অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হলে প্রবন্ধ বেড়ে যাবে। তাই বিরত থাকলাম। বস্তুত মেয়েদের বেদপাঠের বা গানের অধিকার হরণ করা হয় পুরাণ এবং স্মৃতির যুগ থেকে। পুরাণ-কাহিনি সর্বসাধারণ্যে প্রচার করার কারণেই বেদের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি হতে থাকে, এবং একই সঙ্গে আচার ব্রত উপবাসের কড়াকড়িও বাড়তে থাকে। ব্রহ্মবাদিনীর জ্ঞান আস্তে আস্তে স্ত্রী-আচারে পর্যবসিত হয়। এর জন্য দায়ী কারা জানেন? মহাভারতে যুধিষ্ঠির তাদের চিনিয়ে দিয়েছেন অন্যতর এক প্রসঙ্গে। বৈদিক যজ্ঞে আগে নাকি সুরা মৎস্য অথবা পশুমাংসের প্রচলন ছিল না, এগুলো নাকি নিজের কারণে ধূর্ত লোকেরা প্রচলন করেছে–ধূর্তৈঃ প্রবর্তিতং হ্যেতন্নৈত বেদেষু কল্পিত। অন্তত যুধিষ্ঠিরের তাই মত। বেদে, বেদপাঠে, মন্ত্রে বা গানে নারীর অধিকারের প্রসঙ্গে আমার মতটাও যুধিষ্ঠিরের অনুরূপ। বেদ বা বেদপ্রায় গ্রন্থগুলি স্ত্রীলোককে কখনও বলেনি–বেদে তোমার অধিকার নেই। অধিকার নেই বলে যারা চালিয়েছেন বা এখনও চালাচ্ছেন, তাঁদের আমি যুধিষ্ঠিরের পরিভাষাতে ধূর্ত বলি। স্বার্থান্বেষী ধূর্তরাই বলেছে–বেদে নারীর অধিকার নেই। বেদে, অন্তত বেদে, এমন কথা নেই–ধূর্তৈঃ প্রবর্তিতং হ্যেত নৈত বেদেষু কল্পিতম্।

    অবশ্য এ বাবদে আমার দুঃখটা আরও একটু গভীরে। আধ্যাত্মিক প্রবক্তা, যাঁরা নিশ্চল সমাজে বিশ্বাসী, তারাও বলেন বেদে নারীর অধিকার ছিল না, আবার নব্য গবেষক, যাঁরা আধুনিকতার অভিসন্ধিতে নারীমুক্তিতে বিশ্বাসী, তারাও নানা গ্রন্থের গ্রন্থিমোচন করে দেখাতে চান–দেখ প্রাচীন সমাজ কীরকম স্ত্রী-বিদ্বেষী, বেদে নারীকে অধিকার দেয়নি। বস্তুত আধ্যাত্মিক প্রবক্তাদের থেকে নব্য গবেষকদের আমি আরও বেশি বিপজ্জনক মনে করি। কেননা আধ্যাত্মিক প্রবক্তারা অহংসর্বস্ব, তারা যা ভাবেন, তাতেই নিশ্চল। কিন্তু যারা গবেষণার বৈজ্ঞানিক যুক্তিতে সমাজ ধারণ করবেন, তারা যদি শুধু ইষ্টসিদ্ধির জন্য গোরুর পুরো শরীরটি না দেখিয়ে শুধু শিং দেখিয়েই বলেন–ওটা গোরুই, তাহলে বিপদ বাড়ে। আমার ধারণা–প্রাচীন সমাজে নারীর অধিকার কেমন ছিল, সে বিষয়ে সমস্ত নেতিবাচক দিকগুলির সঙ্গে ইতিবাচক দিকগুলিও সমানভাবে দেখানো দরকার। তাতে আমাদের পূর্বপুরুষদের প্রতি ন্যায়বিচার যেমন সম্ভব হবে, তেমনই সম্ভব হবে সম-আলোচনা। আমরা সম-আলোচনা চাই, শুধুই সমালোচনা নয়।

    অবশ্য এর ওপরেও আরও একটা কথা আছে। আমরা মুক্তির নিশ্বাস-লিঙ্গু এক আধুনিক সমাজে বাস করি। এটা বেদের সমাজ নয়, কোনো স্মার্ত পণ্ডিতের সমাজও নয়। এই সমাজে দাঁড়িয়ে স্থান এবং কালের সঙ্গে খাপ-খাইয়ে যেখানে যে মন্ত্র পাঠ করা দরকার তাই করব; যেখানে যে গান করা দরকার, তাই করব। কোনো একজন আধ্যাত্মিক প্রবক্তার নিজস্ব ধর্মীয় শুচি-বাতিকের জন্য আমরা কেউ পূর্বপুরুষের সম্পত্তির অধিকার এক কণাও ছেড়ে দেব না। এবং এই নিরিখে, বেদ-মন্ত্র পড়ায় বা বেদ-গানে স্ত্রীলোকের অধিকার আছে কিনা, সেই আলোচনায় গিয়ে এক অকিঞ্চিৎকর ধর্মীয় নেতার ব্যক্তিমূল্য একটুও বাড়াতে চাই না। কারণ আমাদের সমাজে রমণীরা অর্ধেক আকাশ, তাদের অধিকার আকাশের মতোই স্বতঃসিদ্ধ।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমহাভারতের অষ্টাদশী – নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    Next Article মহাভারতের ভারতযুদ্ধ এবং কৃষ্ণ – নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    Related Articles

    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    কথা অমৃতসমান – নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    September 9, 2025
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    মহাভারতের ভারতযুদ্ধ এবং কৃষ্ণ – নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    September 9, 2025
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    মহাভারতের অষ্টাদশী – নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    September 9, 2025
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    চৈতন্যদেব – নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    September 9, 2025
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    দেবতার মানবায়ন : শাস্ত্রে সাহিত্যে ও কৌতুকে – নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    September 9, 2025
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    মহাভারতের প্রতিনায়ক – নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    September 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }