Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কাঁটায়-কাঁটায় ৪ – নারায়ণ সান্যাল

    নারায়ণ সান্যাল এক পাতা গল্প520 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ‘অভিপূর্বক নী-ধাতু অ’-এর কাঁটা – ১০

    ১০

    দুপুরবেলা। বেলা একটা। বিশে ঢং করে ঘন্টা বাজিয়ে দিল। অর্থাৎ লাঞ্চ রেডি।

    রানুদেবীর সংসারে পাকা ব্যবস্থা। দুপুরে যদি বাড়িতে লাঞ্চ খেতে চাও তবে ঠিক একটায় এসে ডাইনিং টেবিলে বসতে হবে। না যদি পার, তাহলে প্যান্টিতে খাবার ঢাকা দেওয়া থাকবে। সেলফ-হেল্প পদ্ধতিতে নিজে বেড়ে নিতে হবে। বিশুকে ডাকা চলবে না। তার তখন বিশ্রাম। বিশের ভাষায় : ‘অফ ডিউটি’।

    চারজনে ডাইনিং টেবিলে এসে বসলেন।

    বিশে পাতে পাতে গরম ভাত বাড়তে থাকে। বাসু বলেন, ‘খেতে খেতে বল, কোন কোন রাজ্য জয় করে এলে।’

    কৌশিক বলে ‘এক নম্বর ড্রাইভার রামলগন দোসাদ। বিহারী। ছাপড়ার অধিবাসী। সেখানে কেউ থাকে না। দশবছর কলকাতাবাসী। ক্রিমিনাল রেকর্ড কিছু নেই। বয়স চল্লিশ-বিয়াল্লিশ। কলকাতায় বহু জায়গায় চাকরি করেছে। ড্রাইভার হিসাবে। অতি দক্ষ ড্রাইভার। ঐ রেন্ট-আ-কার সার্ভিসের মালিক জয়কৃষ্ণবাবুর মতে দোযের মধ্যে রগচটা আর মদ্যপ। সাড়ে তিন বছর কাজ করছে ওঁর কাছে। নিদাগ সার্ভিস রেকর্ড। সাতাশে মে চুরির প্রসঙ্গে মালিকের সঙ্গে সে বচসা করে। মালিকের মতে, তার উচিত হয়নি গাড়ি ছেড়ে ম্যাটিনিতে সিনেমা দেখতে যাওয়া। রামলগন তা মানে না। তার মতে সে রীতিমতো পার্টির কাছে ছুটি নিয়ে গেছিল। তাছাড়া ডিকি চাবি যখন পার্টি ওর কাছ থেকে চেয়ে নেয়, আর তার ডুপ্লিকেট চাবি যখন স্বয়ং জয়কৃষ্ণবাবুর কী-বোর্ডে, তখন তার কোনও দায়িত্ব নেই। এই নিয়ে কথা কাটাকাটি। রামলগন এককথায় চাকরি ছেড়ে দিয়েছে। এখন সে যদুবাজারে হরদয়াল সিং-এর গ্যারেজে নাম লিখিয়েছে। হরদয়ালের আট-দশটা ট্যাক্সি খাটে। তার একটা ইদানীং রামলগন চালায়। রামলগন কিছুটা মনমরা। কন্টেসা থেকে ট্যক্সি। রীতিমতো অবনতি। তার জীবনযাত্রায় আর কোন পরিবর্তন হয়নি। সে এখন প্রমথেশ বড়ুয়া সরণিতে পাঞ্জাব ক্লাবের কাছাকাছি একটা মেসে থাকে। ড্রাইভারদের মেস।

    দ্বিতীয়ত সহদেব কর্মকার। উচ্চমানের মোটর মেকানিক। নানান জাতের গাড়ির কলকব্জা বিষয়ে ওয়াকিবহাল। দীর্ঘদিন সংযুক্ত ছিল প্রমথেশ বড়ুয়া সরণির এ. এ. ই. আই. ক্লাবের রিপেয়ার গ্যারেজের সঙ্গে। কোথাও কোন মেম্বারের গাড়ি মাঝরাস্তায় বিকল হলে টেলিফোনে দুঃসংবাদটা ক্লাবে আসে। ডাক পড়ে সহদেবের। কালিঝুলি মাখা ওভারঅলটা জড়িয়ে টুলবক্স নিয়ে সহদেব রওনা হয়ে যেত মোটর সাইকেলে। হয় গাড়ি মেরামত করিয়ে মালিককে বলত, ‘এবার স্টার্ট দিয়ে দেখুন স্যার।’ নাহলে ব্যবস্থা করত ‘হলিং’-এর। বলত, ‘হাসপাতালে না গেলে এ রোগের চিকিৎসা হবে না, স্যার।’ একদিন হেড-মেকানিকের সঙ্গে তর্ক আর ঝগড়াঝাটি করে চাকরি ছেড়ে দেয়। রামলগনের সঙ্গে দোস্তি ছিল। রামলগনই তার রেন্ট-আ-কার কোম্পানির মালিক জয়কৃষ্ণবাবুকে বলে-কয়ে ওকে নতুন চাকরিতে ঢুকিয়ে দেয়। মেকানিকের চাকরি রেন্ট-আ-কার কোম্পানির সাত-আটখানা গাড়ি। সহদেব তাদের ‘ফ্যামিলি-ফিজিশিয়ান’। ঐ কন্টেসাখানা মালিকের ‘পাটরানী।’ তাই ওটা যখন ভাড়া খাটতে যায় তখন তাঁর দক্ষতম ড্রাইভার রামলগন সেটা চালায় আর সহদেব কর্মকার হেল্পারের পরিচয়ে সঙ্গে থাকে। ফলে ঘটনার দিন, অকুস্থলে সহদেবের উপস্থিতির মধ্যে অস্বাভাবিকতা কিছু নেই। লোকটা বুদ্ধিমান। কথাবার্তায় চৌখস। ইতিপূর্বে কোনও আদালতে পুলিশ পক্ষে সাক্ষী দিয়েছে বলে প্রমাণ পাওয়া যায়নি। সহদেব ঐ দিন দুপুরে রামলগনের সঙ্গে এক পাঞ্জাবী ধাবায় আহারাদি সারে। কিন্তু একসঙ্গে ম্যাটিনি শোতে শোলে দেখতে যায়নি। বইটা তার এগারোবার দেখা। রামলগনের সঙ্গে সেও চাকরি ছেড়ে দিয়ে এখন ট্যাক্সি চালাচ্ছে।

    তৃতীয়ত মোস্তাক আহমেদ। টালিগঞ্জ টেকনিশিয়ান স্টুডিওর হ্যান্ডিম্যান। কোনও কোম্পানিতে চাকরি করে না। ফ্রি-ল্যান্সার। সবাই ওকে চেনে। যে কোন ডাইরেক্টর বা প্রডিউসার ঐ স্টুডিওতে ফ্লোর ভাড়া নিলে, অর্থাৎ ইনডোর শুটিং করতে এলে, আহমেদের খোঁজ করেন। আহমেদ সেট সাজানো থেকে নানান সেট-রিকুইজিট যোগাড় করার বিষয়ে ওস্তাদ। রেন্ট-আ- কার এর মালিক জয়কৃষ্ণবাবুর সঙ্গেও তাই তার খাতির। ফিল্ম কোম্পানির প্রয়োজনে সে মাসে তাঁকে পাঁচ-সাত হাজার টাকার বিজনেস দেয়। ঐ সূত্রে রামলগন বা সহদেবকেও হয়তো আহমেদ চেনে, তবে কোনও অন্তরঙ্গতা বা দোস্তির প্রমাণ নেই। ঘটনার দিনে, বুধবার, মোস্তাক আহমেদ সারাদিন ছিল টালিগঞ্জ টেকনিশিয়ান স্টুডিওতে। একাধিক গণ্যমান্য প্রত্যক্ষদর্শী তাকে দেখেছেন ফ্লোরে কাজ করতে, সকাল থেকে সন্ধ্যা।

    এমন সময় বাজল ডোরবেল।

    কে এল এমন অসময়ে?

    এল রুবি রায়। এসেই বলল, ‘মামিমা, আমি কিন্তু দুপুরের খাওয়া খেয়ে এসেছি। আপনাকে ব্যস্ত হতে হবে না।’

    রুবি রায় খুব খুশি। সল্ট লেকের চাকরি তার খুব ভাল লেগেছে। মল্লিকাদি একেবারে মাটির মানুষ। কর্তাটিও তাই। আর বাচ্চাটা কাঁদতে জানে না। রুবির কোলে আসতে একটুও আপত্তি করেনি। ওদের সল্টলেকের বাড়িটা এখনো শেষ হয়নি। ছোট্ট, দোতলা হবে। ওঁরা আপাতত একতলায় আছেন। চারিদিকে ভারা বাঁধা। দোতলার গাঁথনি হচ্ছে। গাড়িটা গ্যারেজেই থাকছে। কিন্তু রুবি রায়কে ওঁরা মেজানাইনে থাকতে দেননি। অন্তত আপাতত নয়। কারণ জানলায় এখনো গ্রিল বসেনি। ও একতলার বৈঠকখানাতেই রাত্রে শুচ্ছে সোফা-কাম-বেডে। দুপুরে অবশ্য মেজানাইন-ঘরে একটা চৌকিতে বিশ্রাম নেয়। মল্লিকার ছুটি নেওয়াই ছিল। কর্তা পাঁচদিনের ছুটি নিয়েছেন। তার সঙ্গে ইদল-ফেতর আর রবিবার জুড়ে সাতদিনের ছুটিতে ওঁরা বাসে দীঘা বেড়াতে গেলেন। বাড়ির চার্জে রইল রুবি। অবশ্য দোতলার একটা অংশে তার্পলিন ঝুলিয়ে বাসোপযোগী করে কয়েকজন হিন্দুস্থানী মিস্ত্রিও থাকে। ভয়ের কিছু নেই। তারা বিশ্বাসী লোক।

    রুবি ওদের এসপ্ল্যানেডে দীঘা-গামী বাসে তুলে দিয়ে ভাবল, বেলাবেলি নিউ আলিপুর ঘুরে যাবে। চাকরিটা যে ওর দারুণ পছন্দ হয়েছে একথা কৃতজ্ঞচিত্তে জানাতে।

    বাসু বললেন, ‘তুমি এসে গেছ ভালই হয়েছে। না হলে টেলিফোনে তোমাকে ডেকে পাঠাতে হত।’

    ‘কেন মামু?’

    কৌশিক আর সুজাতার দেখাদেখি সে ওঁকে মামু ডাকতে শুরু করছে। রানুকে মামিমা। একটা আত্মীয় সম্বোধন করতে না পারলে কেমন যেন পর পর মনে হয়।

    ‘প্রমীলা দেবী একটা অফার দিয়েছেন— ঐ ক্ষতিপূরণবাবদ। আদালতের বাইরে উনি কেসটি মিটিয়ে নিতে চান। আমাকে চেকটা দিয়ে গেছেন। আমি বলেছি, তোমাকে জিজ্ঞেস করে তারপর তাঁকে জানাব যে ওটা আমরা নেব কি নেব না।’

    ‘কত টাকার চেক?

    ‘পাঁচ হাজার।

    ‘পাঁ-চ-হা-জা-র।’

    বাসু বললেন, ‘টেনে টেনে উচ্চারণ করলে টাকার অঙ্কটা বেড়ে যাবে না, রুবি। সোজাসুজি বল, ‘এটা আমি নেব, না ফেরত দেব।’

    ‘ফেরত দেবেন? কী বলছেন? আমার যে এখন টাকার ভয়ানক দরকার।’

    ‘জানি। তবু আমি এটা এখনি…… অবশ্য এই মুহূর্তেই সিদ্ধান্তটা না নিলেও চলবে। সোমবার বেলা দুটো পর্যন্ত সময় আছে।’

    ‘কেন?’

    ‘সে তোমার বুঝে কাজ নেই।’

    রানু বলেন, ‘দুপুরে খেলে কোথায়?’

    ‘একটা হোটেলে। মল্লিকাদি খরচের টাকা দিয়ে গেছেন।’

    ‘এখানে চলে এলেই পারতে? হোটেলে খাওয়ার কী দরকার?’

    টেবিলের ওপর গোছা করে রাখা ছিল কৌশিকের আনা রঙিন ফটোগ্রাফগুলো।

    রুবি জানতে চায়। এগুলো কী? ফ্যামিলি ফটোগ্রাফ?’

    সুজাতা বলল, ‘না রুবি। এগুলো ছবি তোলার ছবি।’

    ‘তার মানে?’

    বাসুসাহেব পাইপ ধরিয়েছেন। বলেন, ‘অভিপূর্বক নী ধাতু অ মানে কী জানো?’

    রুবি অবাক হয়। বলে, অভিপূর্বক নী ধাতু অ? কোন সংস্কৃত কথার ডেরিভেটিভ?’

    ‘একজ্যাক্টলি। যা তোমার অ্যাম্বিশন। যার কাঁটায় বিদ্ধ হয়ে তুমি ঘর ছেড়ে পথে নেমেছ রুবি : অভিপূর্বক নি-ধাতু অ = অভিনয়। এগুলো বম্বে ইনডোর স্টুডিওর ভিতর অভিনয়ের ছবি। অন্তত একজন অভিনেত্রীকে চিনবে : পুষ্পা। দেখ না।’

    রুবি ছবির বান্ডিল তুলে নিল। দেখতে দেখতে সে তন্ময় হয়ে গেল। প্রত্যেকটি ছবি সে খুব খুঁটিয়ে দেখল। তারপর মুখ তুলে বলল, ‘প্রত্যেকটি ছবিতে একজন সুদর্শন পুরুষের মাথায় ঢেড়া চিহ্ন দেওয়া আছে দেখছি। কেন?’

    কৌশিক বললে, ‘ঐ লোকটাকে আমরা খুঁজছি।’

    ‘কী আশ্চর্য! ঐ লোকটাকে যে আমিও খুঁজছি কৌশিকদা।’

    কৌশিক সোজা হয়ে বসে। বলে, ‘মানে? তুমি মোস্তাক আহমেদকে খুঁজছ কেন?

    ‘মোস্তাক আহমেদ নয়। ওর নাম : ঝানু মল্লিক। আসানসোল সদর পুলিশ স্টেশনে ওর নামে ডায়েরি করেছি, চার-পাঁচ বছর আগে। ও আমার সর্বস্ব : হাজার ছয়েক টাকা নিয়ে বোম্বাই পালিয়ে যায়। তারপর আর ওকে খুঁজে পাইনি।

    কৌশিক ঝুঁকে পড়ে বলে, ‘তুমি নিশ্চিত? তুমি ছাড়া আর কেউ ওকে চিনবে?’

    ‘কেন চিনবে না? অন্তত দশ-পনেরো জন ছেলেমেয়ে— আসানসোল কলেজের স্যোশালে যারা নাটকে অভিনয় করেছিল তারা সবাই চিনবে। কারণ ও ছিল আমাদের ড্রামা ডাইরেক্টর। প্রফেসর জগদীশ মিত্র চিনবেন। যতীন দত্ত চিনবে। যতীন ছিল স্টুডেন্ট ইউনিয়নের সেক্রেটারি।’

    কৌশিক বললে, ‘এস দিকিন আমার সঙ্গে। আমি ফোনে যোগাযোগ করে দিচ্ছি। তুমি ওকে বল ছয় হাজার টাকা চার বছরে অন্তত সাড়ে আট হাজার হয়েছে সুদে-আসলে। রবিবার বিকালের মধ্যে টাকাটা মিটিয়ে না দিলে তুমি আইনত ব্যবস্থা নেবে। বেশ কড়া মেজাজে বলবে। বুঝেছ?

    ‘শিওর।’

    তারপর হঠাৎ কী ভেবে কৌশিক বলল, ‘না। ফোনটা তুমিই কর। এই নাও নাম্বারটা। টেকনিশিয়ান স্টুডিওর।

    ওপারে সাড়া জাগতেই রুবি বলল, ‘মিস্টার মোস্তাক আহমেদকে কাইন্ডলি একটু ডেকে দেবেন?’

    লোকটা জবাব দিল না। অস্পষ্ট শোনা গেল তার কণ্ঠস্বর। অর্থাৎ টেলিফোনের কথামুখে হাতচাপা দিয়ে সে বললে, ‘আমেদদা, তোমাকে কে খুঁজছেন। মহিলা কণ্ঠ।

    একটু পরেই বেশ ভারিকে গলায় কে যেন বলল, ‘মোস্তাক আহমেদ। কে বলছেন?’

    ‘আমার নাম রুবি রায়। আসানসোলের রুবি রায়। কলেজ স্যোশালে ‘বিজয়া’-তে বিজয়ার রোল করেছিলাম, আপনার ডাইরেকশনে। আপনি…’

    ‘কী আবোলতাবোল বকছেন ম্যাডাম! আমি আসানসোলে কখনো যাইইনি। সেখানকার কোন রুবি রায়কে আমি চিনি না।’

    ‘হ্যাঁ চেনেন। তখন আপনার নাম ছিল জগৎ মল্লিক। আপনি আমার ছয় হাজার টাকা… ‘

    ‘কাজের সময় অহেতুক আমাকে বিরক্ত করবেন না প্লীজ। আপনার নিশ্চয় কিছু ভুল হচ্ছে। আমার নাম মোস্তাক আহমেদ। জগৎ মল্লিক বা পূরবী রায়কে আমি চিনি না।’

    ‘পূরবী রায় নয়, রুবি রায়।

    ‘অল দ্য সেম টু মি।— ও-প্রান্তে টেলিফোনটা ধারক যন্ত্রে ফিরে গেল। কৌশিক এতক্ষণে এক্সটেনশনে দুপক্ষের কথাই শুনেছে। সেও এবার ফোনটা নামিয়ে রাখে। রুবিকে প্রশ্ন করে, তোমার আইডেন্টিফিকেশনে কোন ভুল হলো না তো, রুবি? তুমি টালিগঞ্জে গিয়ে স্বচক্ষে ওকে দেখলে চিনতে পারবে?

    ‘কোন প্রয়োজন নেই, কৌশিকদা। আমি হান্ড্রেড পার্সেন্ট শিওর। লোকটা সব জেনে বুঝে ন্যাকা সাজছে। ঐ লোকটাই জগৎ মল্লিক, ঐ ঝানু মল্লিক। গলার আওয়াজেও ওকে চিনেছি।’

    কৌশিক বললে, ‘অল রাইট। আমি দেখছি। অন্য জাতের ওষুধ দিতে হবে।’

    টেলিফোনটা তুলে নিয়ে ডায়াল করতে এবার মোস্তাক নিজেই ধরল। হয়তো সে টেলিফোনটা নামিয়ে রেখে ওখানে কাছাকাছিই ছিল। মোস্তাক বলল, ‘টেকনিশিয়ান স্টুডিও। কাকে খুঁজছেন?

    ‘মিস্টার মোস্তাক আহমেদ। এক্ষণি টেলিফোনে কথা বলছিলেন। ধারে-কাছেই আছেন নিশ্চয়।

    ‘আমি মোস্তাক আহমেদ। আপনি কে বলছেন?’

    ‘আমি ভবানীভবন মিসিং-স্কোয়াড ইউনিটের ইন্সপেক্টর আব্দুল কাদের বলছি।’

    ‘আমাকে খুঁজছেন কেন?

    ‘একটু আগে আপনি একটি মহিলার সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলছিলেন, তাই নয়? উনি এখান থেকেই ফোন করছিলেন। আমার পাশেই দাঁড়িয়ে আছেন। কী? বলছিলেন না?’

    একটু দেরি হল জবাবটা দিতে। তারপর বললে, ‘হ্যাঁ, সাম মিস অথবা মিসেস পূরবী দেবী…’

    ‘একজ্যাক্টলি। ঐ মিস বা মিসেস পূরবী দেবীর ছয় হাজার টাকা হাতিয়ে নিয়ে সাম মিস্টার জগৎ মল্লিক ওরফে কাপ্তেন ঝানু মল্লিক চার বছর আগে আসানসোল থেকে নিরুদ্দেশ হয়। আপনি কি ঐ মিস বা মিসেস পূরবী অথবা কাপ্তেন জগৎ বা ঝানু মল্লিককে চিনতে পারছেন? মসিয়োঁ মোস্তাক আহমেদ?

    ‘আপনি এসব কী বলছেন, স্যার? আমি ওঁদের কাউকেই…’

    ‘লুক হিয়ার মসিয়োঁ আহমেদ! আমি আপনাকে কাল বিকাল চারটে পর্যন্ত সময় দিচ্ছি। তার মধ্যে যদি আপনার অভিন্নহৃদয় বন্ধু মিস্টার জগৎ বা ঝানু ঐ মিস অথবা মিসেস পূরবী দেবীকে আট হাজার টাকা ফেরত না দেয় তাহলে…’

    মোস্তাক আহমেদ বাধা দিয়ে বলে ওঠে, ‘আপনি আমার কথাটা শুনুন, স্যার…. আমি এদের কাউকেই চিনি না… আমি…’

    ‘আমার কথাটা শেষ হয়নি মসিয়োঁ আহমেদ। কাল বিকাল চারটের মধ্যে মিস রায়কে আট হাজার টাকা ফেরত না দিলে আমি ঝানু মল্লিকের কোমরে দড়ি বেঁধে আসানসোলে নিয়ে যাব। আইডেন্টিফিকেশন প্যারেডে। প্রফেসর জগদীশ মিত্র তাকে চিনবেন, ওদের স্টুডেন্ট ইউনিয়নের যতীন দত্ত সে এখন আসানসোলে ডি. এস. অফিসের আপার-ডিভিশন ক্লার্ক, ঝানু মল্লিককে সনাক্ত করবে। সুতরাং আপনার অভিন্নহৃদয় বন্ধুকে বলুন যে, ঐ মিস রায়কে কাল বিকাল…

    ‘আপনি আমার কথাটা শুনুন স্যার, রুবি রায়ের ঠিকানাটা পর্যন্ত…’

    ‘নাউ য়ু আর টকিং মসিয়োঁ আহমেদ। কী নাম বললেন? রুবি রায়? পূরবী রায় নয়, তাহলে? একটা কাগজ পেনসিল নিন। মাদমোয়াজেল রুবি রায়ের টেলিফোন নম্বরটা লিখে নন।’

    সুনীল রায়ের সল্টলেকের নম্বরটা ওকে শুনিয়ে দিল।

    আহমেদ বললে, ‘কিন্তু কাল কী হবে, স্যার? কাল পরবের দিন। ইদল-ফেহতর।’

    আরে সে তো আপনার-আমার। সেই কাফেরের বাচ্চা ঝানু মল্লিকের কাছে আবার পরবের দিন কী?’

    ‘না, না, তা বলছি না, বলছি যে, কাল তো ব্যাঙ্ক বন্ধ। পরশু রবিবার। সোমবারের আগে…’ ‘আরে মশাই, সে আপনার অভিন্নহৃদয় বন্ধু বুঝবে। আপনি ব্যস্ত হচ্ছেন কেন? আপনি বন্ধুকে খবরটা দিয়ে দেবেন, টেলিফোন নম্বরটা জানিয়ে দেবেন। ব্যস, আপনার ডিউটি খতম। প্রয়োজনে ঝানু মল্লিকই মিস রায়ের কাছে টেলিফোনে ক্ষমা চেয়ে নেবে, সোমবার পর্যন্ত সময় চেয়ে নেবে। কিন্তু আপনাকে… আই মীন ফিল্ম-আর্টিস্ট পুষ্পা দেবীর এক্স-কম্বাইন্ড হ্যান্ড মোস্তাক আহমেদসাহেবকে আমি আর একটা কথা বলতে চাই। আপনি শুনছেন?’

    ‘ইয়েস, স্যার। বলুন।’

    ‘গোয়ালিয়রের গায়কোয়াড় ফ্যামিলির মুকুটটার দাম লাখ টাকার উপর। সেটা ঐ ঝানু মল্লিকের ছিঁচকে চুরির পেটি কেস নয়। হঠাৎ গা-ঢাকা দেবার চেষ্টা করবেন না। আপনার উপর কিন্তু চব্বিশ ঘণ্টা পুলিশে প্লেন ড্রেসে নজর রাখছে, আর আমাদের এই কথোপকথনটাও থানায় টেপরেকর্ড হয়ে থাকল কিন্তু। ফর ফিউচার এভিডেন্স।’

    মোস্তাক আহমেদ কোন জবাব দেবার সুযোগ পেল না। কারণ তার আগেই কৌশিক টেলিফোনটা ধারক অঙ্গে নামিয়ে রেখেছে।

    বাসু বললেন, ‘গুড ওয়ার্ক।’

    সেদিনই সন্ধ্যাবেলা।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসমগ্র কিশোর সাহিত্য – নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    Next Article কাঁটায়-কাঁটায় ৫ – নারায়ণ সান্যাল

    Related Articles

    নারায়ণ সান্যাল

    অলকনন্দা – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    আবার যদি ইচ্ছা কর – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    আম্রপালী – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    বিশ্বাসঘাতক – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    সোনার কাঁটা – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    মাছের কাঁটা – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }