Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কাঁটায়-কাঁটায় ৪ – নারায়ণ সান্যাল

    নারায়ণ সান্যাল এক পাতা গল্প520 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ‘অভিপূর্বক নী-ধাতু অ’-এর কাঁটা – ১৬

    ১৬

    চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বিনয় বসাকের আদালতে সেদিন দর্শক সমাগম অপ্রত্যাশিত। সচরাচর আদালতে এত লোক সমাগম হয় না। এক্ষেত্রে হয়েছে একটি বিশেষ হেতুতে।

    ‘সংবাদপত্রে ঐ হত্যামামলা নিয়ে দুজাতের ‘রিপোর্টাজ’ হয়েছে। একজন সাংবাদিকের মতে জনশ্রুতি এই যে— আসামী ছিল মৃত ব্যক্তির ‘পহেলি পেয়ার’। তখন লোকটার নাম ছিল ঝানু মল্লিক। আসামীর সর্বস্ব অপহরণ করে ঝানু আত্মগোপন করে। দীর্ঘদিন পরে বঞ্চিতা মেয়েটি এভাবে প্রতিশোধ নিতে সমর্থ হয়েছে। অপর সাংবাদিকের মতে, অপরাধের মূল হেতু আরও গভীর। মৃতব্যক্তি জনৈকা বিখ্যাত বোম্বাইমাকা চিত্রতারকার প্রথমপক্ষের স্বামী। চিত্রতারকা এখন এক ধনকুবেরকে বিবাহ করতে চলেছেন— তাই প্রফেশনাল খুনীকে দিয়ে পথের কাঁটা সরানো হয়েছে মাত্র। নামোল্লেখ না করেও সাংবাদিক চাতুর্যের সঙ্গে বোম্বাইমার্কা চিত্রতারকাকে চিহ্নিত করেছেন।

    এই কারণেই আদালতে এত লোকসমাগম

    এটাই দিনের প্রথম মামলা। ম্যাজিস্ট্রেট তাঁর সম্মুখে রাখা ফাইলটি দেখে পড়লেন : স্টেট ভার্সেস মিস রুবি রায়। বাদীপক্ষে আছেন পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট নিরঞ্জন মাইতি এবং তাঁর সহকারী অ্যাডভোকেট অতুল দাশ, আর প্রতিবাদীর পক্ষে পি. কে. বাসু বার-অ্যাট-ল এবং তাঁর জুনিয়র, অ্যাডভোকেট প্রসেনজিৎ দত্তগুপ্ত।

    নিরঞ্জন মাইতি উঠে দাঁড়িয়ে বললেন, ‘রেডি ফর দ্য প্রসিকিউশন।’

    বাসুও সঙ্গে সঙ্গে বললেন, ‘রেডি ফর দ্য ডিফেন্স।’

    ম্যাজিস্ট্রেট বললেন, ‘বাদীপক্ষ তাঁর প্রথম সাক্ষীকে ডাকতে পারেন।’

    মাইতি পুনরায় গাত্রোখান করে বললেন : ইক দ্য কোর্ট প্লিজ, প্রথম সাক্ষীকে আহ্বানের আগে আমি একটি প্রারম্ভিক ভাষণ দিতে চাই। কেসটি জটিল : অপরাধ যে সংঘটিত হয়েছে এটা হয়তো প্রমাণের অপেক্ষা রাখে না; কিন্তু আসামীকে কেন সেই অপরাধের সঙ্গে জড়িত করা হচ্ছে সেই যুক্তির চুম্বকসার আগেভাগে দাখিল করলে মামলাটা সহজবোধ্য হবে, য়োর অনার।’

    ম্যাজিস্ট্রেট বললেন, ‘ প্রাথমিক শুনানীতে এ জাতের প্রারম্ভিক ভাষণের রেওয়াজ নেই। যা হোক, আপনি একটি অতিসংক্ষিপ্ত ভাষণ দিতে পারেন।’

    ‘থ্যাঙ্কস, য়োর অনার। বাদীপক্ষ আশা রাখেন যে, প্রমাণ করবেন, মৃত মোস্তাক আহমেদকে গুলিবিদ্ধ করে হত্যা করা হয়েছে মাত্র এক বিঘত দূরত্ব থেকে। মোস্তাক নিষ্কলঙ্ক চরিত্রের লোক ছিল এ দাবি কেউই করছে না, কিন্তু তাই বলে এভাবে মর্মান্তিক মৃত্যুও তার পাওনা নয়। আমরা আশা রাখি প্রমাণ করব, পূর্বপ্রতিশ্রুতিমতো মোস্তাক আসামীর সল্ট লেকের বাসায় আসে। রবিবার, একত্রিশে মে, বিকাল চারটায়। সে এসেছিল আসামীর পাওনা মতো আট হাজার টাকা তাকে মিটিয়ে দিতে। ঘটনাচক্রে আসামী বাড়িতে সম্পূর্ণ একা ছিল এবং তার একটা অস্টিন গাড়ি আছে। আহমেদ যখন ব্যাগ খুলে আসামীকে তার পাওনা আট হাজার টাকা গুনে দেয়, তখন আসামী দেখতে পায় ব্যাগে আরও দশ-বারো হাজার টাকা আছে। তখনি সে হত্যার সিদ্ধান্ত নেয়। কী উদ্দেশ্যে জানা যায় না, ঠিক কোথায় যাচ্ছিল তাও না, কিন্তু আমরা আশা রাখি প্রমাণ করব, ওরা দুজন ইস্টার্ন বাইপাস ধরে দক্ষিণ দিকে আসতে থাকে। ওরা আসছিল আহমেদের মারুতি সুজুকি গাড়িতে। তখন বৃষ্টি পড়ছিল, রাস্তায় যানবাহন ছিল না। একটি বড় কালভার্টের কাছে আহমেদ গাড়ি থামাতে বাধ্য হয়, ডাইভারশনের রাস্তাটা ঠিকমতো চিনে নিতে। ঠিক তখনই আসামী রুবি রায় তার ভ্যানিটি ব্যাগ খুলে বার করে একটি চোরাই কোস্ট-কোবরা রিভলভার। মাত্র এক বিঘৎ দূরত্ব থেকে আহমেদকে গুলি করে হত্যা করে। ওর ব্যাগ থেকে বাকি টাকা বার করে গাড়িটাকে কালভার্টের খাদের দিকে ঠেলে দেয়। ডাইভারশন- রোডের বিপরীত দিকে থাকায় তা নজরের বাইরে পড়ে থাকে। এরপর সল্ট লেকের দিকে আসা কোনও গাড়িতে চেপে— কিছুটা হেঁটে, কিছুটা হিচ-হাইক করে সে সল্ট লেকে ফিরে আসে। টাকাটা লুকিয়ে ফেলতে। তখন আন্দাজ সাড়ে পাঁচটা। আসামী এইসময় সহযোগী বিবাদীপক্ষের অ্যাটর্নি পি. কে. বাসুকে একটি টেলিফোন করে। জানায় যে, সে একটা রিভলভার কুড়িয়ে পেয়েছে। বাসুসাহেব তাকে তৎক্ষণাৎ নিউ আলিপুরে চলে আসতে বলেন, ঐ তথাকথিত কুড়িয়ে পাওয়া রিভলভারটি সহ। আসামী মিস রায় সে আদেশ যথারীতি পালন করে। কিন্তু টাকাটা গোপন করতে তার যথেষ্ট সময় লেগে যায়। সে নির্ভয়ে তার অস্টিন গাড়িতে ঐ জনমানবহীন ইস্টার্ন বাইপাস ধরেই যায়। কারণ তার হেপাজতে ছিল একটা লোডেড রিভলভার। কোনও নির্জন স্থানে সে দ্বিতীয় একটি গুলি ছোড়ে এবং টেলিফোন করার দু-তিন ঘণ্টা পরে নিউ আলিপুরে এসে পৌঁছায়। আমাদের অনুরোধ, মাননীয় বিচারপতি এই জঘন্য অপরাধের জন্য আসামীকে কঠিনতম শাস্তি প্রদান করবেন। দ্যাটস অল, য়োর অনার।’

    ম্যাজিস্ট্রেটসাহেব প্রতিবাদীপক্ষকে প্রশ্ন করেন, ‘আপনারা কোনও প্রারম্ভিক ভাষণ দিতে চান?’

    বাসু বললেন, ‘নো। থ্যাঙ্ক য়ু, য়োর অনার। বাদীপক্ষ তাঁদের প্রথম সাক্ষীকে ডাকতে পারেন।’

    প্রসিকিউশনের তরফে প্রথম সাক্ষী সার্জেন ডক্টর অতুলকৃষ্ণ সান্যাল। তিনি তাঁর সাক্ষ্যে জানালেন যে, মোস্তাক আহমেদের মৃত্যু হয়েছে রবিবার, একত্রিশে মে, বিকাল তিনটা থেকে সন্ধ্যা ছটার মধ্যে। মৃত্যুর হেতু একটি পয়েন্ট থ্রি এইট বুলেট। যা তার মাথার অকসিপিটাল অস্থির বাম অংশ দিয়ে করোটিতে প্রবেশ করে এবং পেরিটাল অস্থির ডানদিকে গিয়ে আঘাত করে। ডাক্তার সান্যাল একটি মনুষ্য-করোটির বড় ছবি টাঙিয়ে ব্যাপারটা বুঝিয়ে দিলেন। অনুমান করা শক্ত হয় না যে, মৃত ব্যক্তির অগোচরে কেউ রিভলভারটা তার মাথার পিছন দিকে এনে গুলি করে। হত্যাকারী ড্রাইভারের বাঁদিকে বসেছিল এবং সে ডান-হাতে রিভলভারটা চালকের মাথার পিছনে নিয়ে এসে ট্রিগার টেনে দেয়। যে গাড়িতে মৃতদেহ পাওয়া গেছে তা রাইট হ্যান্ড ড্রাইভ বলেই সাক্ষী এই জাতীয় অনুমান করেছেন। মৃত্যু তৎক্ষণাৎ হয়েছিল। রিভলভারটি, সাক্ষীর মতে, মৃত ব্যক্তির মাথার মাত্র ছয় ইঞ্চি দূরে ছিল। প্রবেশ পথে পোড়া বারুদের চিহ্ন থেকে কেমিক্যাল পরীক্ষায় বিশেষজ্ঞ হিসাবে ব্যালিসটিক এক্সপার্টের সঙ্গে যৌথভাবে এই তাঁর সিদ্ধান্ত।

    মাইতির প্রশ্নের উত্তরে সাক্ষী আরও জানালেন যে, ‘ফেটাল বুলেট’, অর্থাৎ সীসার গোলকটি তিনি মৃতের খুলিতে পেয়েছেন। সেটা বার করে ব্যালিসটিক এক্টপার্টকে দিয়েছেন।’

    প্রত্যাশিতভাবে এরপর ব্যালিসটিক এক্সপার্টের সাক্ষ্য দেবার কথা। কিন্তু মাইতি তাঁকে না ডেকে বিভিন্ন সাক্ষীর মাধ্যমে তাঁর থিয়োরি প্রতিষ্ঠা করতে থাকেন। ও. সি. সে রাত্রের অভিজ্ঞতা সবিস্তারে বর্ণনা করলেন। তিনি স্বীকার করলেন বাসুসাহেবের সঙ্গে কথোপকথনের সময় তাঁর ভ্রান্ত ধারণা হয়েছিল যে, অস্ত্রটা বাসুসাহেবের। তাই তার নম্বরটা টুকে রাখেননি। আরও বললেন, থানায় ফিরে গিয়ে তিনি ডি. সি. ট্রাফিকের অফিসে ফোন করে ঘটনাটা জানিয়ে দেন। ট্রাফিকের এক ইন্সপেক্টর জানালেন রাত দশটায় তিনি মারুতি গাড়ি এবং মৃতদেহটি আবিষ্কার করেন। তৎক্ষণাৎ তিনি হোমিসাইডকে সংবাদ দেন। হোমিসাইডের ইন্সপেক্টর সতীশ বর্মন মৃতদেহ দেখতে আসেন। ফোটো তোলা, মৃতদেহ এবং ভাঙা গাড়ি অপসারণ করতে করতে রাত ভোর হয়ে আসে।

    কৌশিক লক্ষ্য করে দেখে এদের কাউকেই বাসুসাহেব জেরা করলেন না। প্রসেনজিৎকে বললেন জেরা করতে। কারণটাও বুঝতে পারে। বাসুসাহেবের আস্তিনের তলায় লুকানো আছে রঙের টেক্কাখানা : ব্যালিসটিক এক্সপার্টের সাক্ষ্য। তাকে জেরা করে উনি প্রমাণ করবেন যে, মৃতদেহের ভিতর যে সীসার গোলকটি পাওয়া গেছে তা 17475 L. W. পিস্তল থেকে নিক্ষিপ্ত নয়।

    ফলে রুবি নির্দোষ।

    মাইতির পরবর্তী সাক্ষী জনার্দন গায়কোয়াড়। মাইতি প্রশ্নোত্তরের মাধ্যমে তাঁর পরিচয় প্রতিষ্ঠা করলেন। তারপর পিপলস এক্সিবিট নং A অর্থাৎ 17475 L. W. নম্বরের কোল্ট- রিভলভারটি দেখিয়ে জানতে চাইলেন সেটির লাইসেন্স হোল্ডার তিনি কিনা। জনার্দন স্বীকার করলেন। জানালেন যে তাঁর গাড়ির সামনের দিকে গ্লাভ-কম্পার্টমেন্ট থেকে সেটা চুরি হয়ে যায়। ঠিক কবে তা বলতে পারছেন না। তবে মে মাসের সাতাশ তারিখের আগে নয়। প্রতিবাদী পক্ষের অ্যাটর্নি যখন তাঁর বাড়িতে গিয়ে ওই রিভলভারটি দেখান, তখন তাঁর সন্দেহ হয় যে, তাঁর গাড়ির ড্যাশ-বোর্ড থেকে তাঁর রিভলভারটি হয়তো চুরি গেছে। তিনি বাড়ির বাইরে এসে নিজের গাড়ির ড্যাশ বোর্ডে খুঁজে দেখেন। অবহিত হন যে, তাঁর রিভলভারটি চুরি গেছে। তিনি তৎক্ষণাৎ থানার সে খবর জানান।

    মাইতি বাসুসাহবের দিকে ফিরে বললেন, ‘য়োর উইটনেস।’

    অর্থাৎ ‘জেরা করুন।

    বাসু এবারও প্রসেনজিৎকে ইঙ্গিত করলেন।

    প্রসেনজিতের জেরায় গায়কোয়াড় স্বীকার করলেন যে, তিনি পূর্ববৎসর এক জোড়া কোল্ট- কোবরা রিভলভার কিনেছিলেন। একটি থাকত তাঁর শয়নকক্ষে, একটি গাড়ির ওই গ্লাভস কম্পার্টমেন্টে; অপর রিভলভারটির নম্বর 17474 L. W. 1 সেটা তাঁর বাড়িতেই আছে।

    প্রসেনজিৎ বাসুসাহেবের কাছে থেকে ঘটনার পরম্পরা ইতিপূর্বেই শুনেছে। সে প্রশ্ন করে ‘আপনি ডাইরেক্ট এভিডেন্সে বললেন যে, মিস্টার বাসু যখন আপনাকে ওই 17475 L. W. নম্বর রিভলভারটা দেখালেন তখনই আপনার সন্দেহ জাগল যে, আপনার গাড়ি থেকে অপর রিভলভারটা চুরি গেছে। তাই আপনি ছুটে বেরিয়ে গেলেন গাড়িতে খুঁজে দেখতে। তাই নয়?’

    ‘হ্যাঁ। তাই বলেছি আমি।’

    ‘কিন্তু যাবার সময় আপনি মিস্টার বাসুর হাত থেকে রিভলভারটা ছিনিয়ে নিয়ে ছুটে বেরিয়ে গিয়েছিলেন। তাই নয়?

    ‘ছিনিয়ে নিইনি। তবে হ্যাঁ, ওটা ওঁর হাত থেকে তুলে নিয়ে গেছিলাম। ‘

    ‘কেন? আপনার গাড়ির ড্যাশবোর্ড থেকে অন্য একটি রিভলভার চুরি গেছে কি না দেখবার জন্য বাসুসাহেবের হাতের রিভলভারটা ওভাবে নিয়ে গেলেন কেন?

    মাইতি আপত্তি জানান; ‘অবজেকশন, য়োর অনার। আর্গুমেন্টেটিভ।’

    বিচারক রুলিং দেবার আগে প্রসেনজিৎকে প্রশ্ন করেন, ‘আপনি কেন ও প্রশ্নটা করছেন তা একটু বুঝিয়ে বলবেন?

    ‘ও, সার্টেনলি, যোর অনার! বাদীপক্ষ যে কোন কারণেই হোক ব্যালিসটিক এক্সপার্টকে সাক্ষী দিতে ডাকছেন না। আদালত জানেন যে, মিস্টার গায়কোয়াড়ের একজোড়া কোল্ট-কোবরা ছিল, তার একটি চুরি যায়। অথচ আদালত জানেন না, পিপলস্ একজিবিট নম্বর A অর্থাৎ ওই 17475 L. W. রিভলভারটি মার্ডার ওয়েপন কি না। আমরা জানি যে, ওই রিভলভারটা মিস্টার বাসুর জিম্বায় পুরো বারো ঘণ্টা ছিল- শুধু ওই দু-তিন মিনিট সেটা ছিল অন্যের দৃষ্টির আড়ালে বর্তমান সাক্ষীর একান্তে। প্রশ্নটা আদৌ আর্গুমেন্টেটিভ নয়, য়োর অনার, আমরা সাক্ষীকে নিজ স্বীকৃতিমতে তাঁর একটি আচরণের ব্যাখ্যা দিতে বলেছি মাত্র। ‘

    ম্যাজিস্ট্রেট বললেন, ‘দ্য অবজেকশন ইজ ওভাররুলড। প্লিজ আনসার দ্যাট কোশ্চেন।

    জনার্দন বলেন, ‘সে সময়ে আমি উত্তেজিত ছিলাম। হ্যাঁ, স্বীকার করছি, আমার গাড়ি থেকে রিভলভারটি চুরি গেছে কি না জানবার জন্য এটা হাতে করে নিয়ে যাওয়ার কোন যুক্তি ছিল না।

    প্রসেনজিৎ একটা বাও করে বললে, ‘এ ক্ষেত্রে আমরা আবেদন রাখছি, আদালতের নির্দেশে মিস্টার গায়কোয়াড়ের অপর রিভলভারটি সংগ্রহ করা হোক এবং প্রতিবাদীপক্ষের একজিবিট হিসাবে চিহ্নিত হোক।

    এবারও আপত্তি জানালেন মাইতি।

    বিচারক বললেন, ‘বাদীপক্ষ কীভাবে তাঁদের কেস সাজাবেন, অর্থাৎ পরপর তাঁদের সাক্ষীদের আহ্বান করবেন সে বিষয়ে আদালতের কোনও বক্তব্য নেই, কিন্তু এই পর্যায়ে আমি মিস্টার পি পি-র কাছে জানতে চাইছি যে, তাঁর সাক্ষীর তালিকায় কি সেই ব্যালিসটিক এক্সপার্টটি আছেন, যাঁর হাতে ডাক্তার সান্যাল ফেটাল বুলেটটা হস্তান্তরিত করেন?’

    মাইতি উঠে দাঁড়ান, ইয়েস, য়োর অনার। তিনিই আমার পরবর্তী সাক্ষী।’

    ‘সে ক্ষেত্রে বর্তমান সাক্ষীকে সাময়িকভাবে অপসারিত করে আদালত ওই ব্যালিসটিক এক্সপার্টকে দু-একটি প্রশ্ন করতে ইচ্ছুক।’

    তাই ব্যবস্থা করা হল। ব্যালিসটিক এক্সপার্টের নাম ইন্সপেক্টর জিতেন বসাক। বিচারকের প্রশ্নের জবাবে তিনি জানালেন যে, অটপ্সি সার্জেন তাঁকে যে ফেটাল বুলেটটি দিয়েছেন তার সাহায্যে কোনক্রমেই বলা যাবে না যে, সেটি কোন রিভলভার থেকে নিক্ষিপ্ত। খুলির ভিতর দিক থেকে সীসার গোলকটি করোটি ভেদ করতে পারেনি; কিন্তু মসৃণ হয়ে গেছে এবং তার আকৃতি বদলে গেছে। কম্পারেটিভ মাইক্রোস্কোপে তার গায়ে পিস্তল-ব্যারেলের কোন দাগই এখন দেখা যাচ্ছে না। শুধু এটুকুই বলা যায় যে, সেটি 38 ক্যালিবারের রিভলভার থেকে নিক্ষিপ্ত হয়েছিল।

    কৌশিক একবার আড়চোখে তাকিয়ে দেখল বাসুসাহেবের দিকে। দেখে বোঝা গেল না যে, তাঁর আস্তিনের তলা থেকে রঙের টেক্কাখানা কখন বেমালুম খোয়া গেছে। এবং তাতে তিনি কতটা বিচলিত।

    বিচারক প্রসেনজিতের আবেদন নাকচ করে দিলেন।

    পরবর্তী সাক্ষী : সহদেব কর্মকার।

    প্রশ্নোত্তরের মাধ্যমে মাইতি তার নাম, ধাম, বয়স ইত্যাদি প্রতিষ্ঠা করলেন। সহদেব স্বীকার করল যে, সে দীর্ঘদিন ধরে মোস্তাক আহমেদকে চিনত। আহমেদ যখন বোম্বাইয়ে থাকত, প্রথমে পুষ্পাদেবীর কম্বাইন্ড হ্যান্ড হিসাবে, পরে মিসেস প্রমীলা পাণ্ডের ড্রাইভার হিসাবে। সহদেব নিজেও তখন বোম্বাইয়ে থাকত। একজন ফিল্ম আর্টিস্টের গাড়ি চালাত। পুষ্পাদেবীর বাড়িতে প্রায়ই তাকে আসতে হত। এই সূত্রে মোস্তাকের সঙ্গে পরিচয়। পরে সে কলকাতায় চলে আসে। আহমেদের সঙ্গে তার বন্ধুত্ব কোনদিনই ক্ষুণ্ণ হয়নি। ঘটনার দিন সকালে আহমেদ ওকে জানিয়েছিল তাকে বিকালে চারটে নাগাদ সল্ট লেকে যেতে হবে। এক পাওনাদারকে কিছু টাকা মেটাতে। সহদেবকে সে অনুরোধ করেছিল তার গাড়িতে নিয়ে যেতে… কে পাওনাদার, কত টাকা তা সহদেব জানে না।

    মাইতি প্রশ্ন করেন, ‘তোমার গাড়ি মানে? কী গাড়ি?’

    ‘না হুজুর। আমার আবার গাড়ি কোথায়? আমি মেকানিক। এখন ট্যাক্সি চালাই। লেকটাউনের এক সর্দারজীর ট্যাক্সি।’

    মাইতি জানতে চান, ‘মোস্তাক আহমেদ কি তোমার ট্যাক্সি নিয়ে সল্ট লেকে যায়?’

    —আজ্ঞে না হুজুর। আমি শ্রীরামপুরের এক পার্টি পেয়ে ট্যাক্সি নিয়ে দুপুরের দিকে কলকাতার বাইরে চলে যাই। ফিরে আসি, রাত দশটা নাগাদ। যতদূর জানি, আহমেদ টেকনিশিয়ান স্টুডিওর একখানা মারুতি সুজুকি গাড়ি নিয়ে সল্ট লেকে গেছিল। তবে সে কথা হলপ নিয়ে বলতে পারব না।’

    মাইতি প্রসেনজিতের দিকে ফিরে বললেন, ‘জেরা করতে পারেন।

    হঠাৎ প্রসেনজিৎকে বাধা দিয়ে বাসু জেরা করতে উঠলেন। সকাল থেকে এই প্রথম। সহদেবকে প্রশ্ন করেন, ‘তুমি এখনি বললে, আহমেদকে তুমি অনেকদিন ধরে চেন, তাই না? তা কত বছর?’

    সহদেব তার স্বভাবসিদ্ধ হাসিমুখে বললে, ‘বছরের ঠিক হিসাব দিতে পারব না, হুজুর। ডায়েরি লেখার অভ্যাস তো নেই। তা পাঁচ-সাত বছর হবে…

    ‘সে যখন আসানসোলে থাকত— হিন্দু পরিচয়ে ঝানু মল্লিক নামে, তখন তাকে চিনতে?’

    ‘আজ্ঞে না, হুজুর। ওর সঙ্গে আমার প্রথম আলাপ বোম্বাইতে। ও তখন পুষ্পাদেবীর কম্বাইন্ড-হ্যান্ড ছিল। গাড়ি চালাতো। রান্নাও করত।’

    তার মানে, মিসেস পাণ্ডের গাড়ির ড্রাইভারি চাকরিটা নেবার আগে?’

    ‘আজ্ঞে, হ্যাঁ হুজুর।’

    ‘মিসেস প্রমীলা পাণ্ডের কাছে আহমেদ আন্দাজ কতদিন চাকরি করে আর কবে সে চাকরি ছেড়ে কলকাতায় আসে?’

    সহদেব একটু ইতস্তত করে বললে, ‘সাল-তারিখ আমার মুখস্ত নেই হুজুর। মিসেস পাণ্ডের বাড়িতে মাত্র মাস ছয়েক চাকরি করেছিল আহমেদ। তারপর চলে আসে কলকাতায়। টালিগঞ্জে ওই সিনেমার স্টুডিওতে কাজ নেয়। ঠিক কবে তা বলতে পারব না হুজুর।’

    ‘তুমি এখন ট্যাক্সি চালাও বললে, তাই না?’

    ‘আজ্ঞে হ্যাঁ।’

    ‘তোমার ট্যাক্সির নম্বরটা কত?’

    সহদেব নড়ে চড়ে বসল। মাইতি ম্যাজিস্ট্রেট সাহেবের দিকে ফিরে বললে, ‘এ সব নেহাত অবান্তর খেজুরে কথা নয়, হুজুর?’

    মাইতির হঠাৎ খেয়াল হয়। আপত্তি দাখিল করেন।

    বিচারক সে আপত্তি মেনে নেন। ঘড়ির দিকে তাকিয়ে বলেন, ‘মধ্যাহ্ন বিরতির সময় হয়ে গেছে। ওবেলা অন্য একটা জরুরী কেস আছে। ফলে এই মুলতুবি মামলা পুনরায় কাল সকাল দশটায় শুরু হবে। আসামী পুলিশ প্রহরায় থাকবে।

    বিচারক উঠে তাঁর চেম্বারে চলে গেলেন। আদালত খালি হতে শুরু করল। বাসুসাহেবও খাতাপত্র গুছিয়ে তুলছিলেন, হঠাৎ নজর হল, ইন্সপেক্টর রবি বসু এগিয়ে আসছে। রবি বাসুসাহেবের ফ্যান তথা অনুগ্রহভাজন (‘ঘড়ির কাঁটা’ দ্রষ্টব্য)। হোমিসাইডেই আছে, তবে বর্মনের চেয়ে জুনিয়র। রবি হাত তুলে বাসুসাহেবকে নমস্কার করে কিছু বলবার উপক্রম করতেই বাসুসাহেব বললেন, ‘তোমাকেই খুঁজছিলাম রবি। বল, কোথায় বসে কথা হতে পারে?’

    রবি বললে, ‘ব্যাপারটা জরুরী, স্যার! এবং অত্যন্ত গোপন! আসুন, আমি ব্যবস্থা করছি।’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসমগ্র কিশোর সাহিত্য – নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    Next Article কাঁটায়-কাঁটায় ৫ – নারায়ণ সান্যাল

    Related Articles

    নারায়ণ সান্যাল

    অলকনন্দা – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    আবার যদি ইচ্ছা কর – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    আম্রপালী – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    বিশ্বাসঘাতক – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    সোনার কাঁটা – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    মাছের কাঁটা – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }