Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কাঁটায়-কাঁটায় ৪ – নারায়ণ সান্যাল

    নারায়ণ সান্যাল এক পাতা গল্প520 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ন্যায়নিষ্ঠ ন্যাসনাশীর কাঁটা – ১

    ১

    —’কী চায় লোকটা?

    —তা কেমন করে জানব? সবাই যা চায় ও-ও তাই চাইছে। তোমার সাক্ষাৎ। কারণটা আমাকে জানাতে রাজি নয়।

    —কী নাম? কী করে?

    —নাম অনির্বাণ দত্ত, বয়স আন্দাজ উনত্রিশ। সুদর্শন, স্বাস্থ্যবান, পোশাক-পরিচ্ছদ ভদ্র, কিছু উগ্রও। পেশা কী জানতে চাওয়ায় বলল—’Investment Counsellor’। সেটার বাংলা কী হবে? ‘বিনিয়োগ হিতৈষী?’

    —বাংলায় অনুবাদ নাই করলে। অনেক সময় অনুবাদ করতে গিয়েই গোল বাধে। কিন্তু ব্যাপারটা বোঝা যাচ্ছে। আমি তো কোথাও কোন অর্থ লগ্নি করতে চাই না, মানে বর্তমানে সক্ষম নই, এ কথাটা ওকে বলেছ?

    —না, না, ও এসেছে নিজের ধান্দায়। তোমাকে শেয়ার বেচতে নয়।

    —ঠিক আছে, পাঠিয়ে দাও।

    রানু তাঁর ইনভ্যালিড চেয়ারে একটা পাক মেরে কক্ষান্তরে চলে গেলেন। অর্থাৎ রিসেপশন কাউন্টারে।

    ধরে নেওয়া হচ্ছে : বাসুসাহেব এবং রানুদেবী আপনাদের পরিচিত। অর্থাৎ ইতিপূর্বেই কিছু কণ্টকাকীর্ণ পথে পরিভ্রমণ করার দুর্ভাগ্য আপনাদের হয়েছে। উা না হয়ে থাকলে সংক্ষেপে বলে রাখা দরকার-

    পি. কে. বাসু হচ্ছেন কলকাতা বারের একজন সুপ্রসিদ্ধ ক্রিমিনাল-সাইড ব্যারিস্টার। জনশ্রুতি – তিনি নাকি ইতিপূর্বে কোনও কেসে হারেননি। এটা বিশ্বাসযোগ্য নয়। বাসুসাহেবকে প্রশ্ন করলে উনি জবাব দেন না, হাসেন।

    মিসেস রানু বাসু ওঁর সহধর্মিণী – একাধিক অর্থে। কারণ তিনি ওঁর স্ত্রী, কনফিডেনশিয়াল সেক্রেটারী, স্টেনো এবং ওঁদের জীবনের এক মর্মান্তিক দুর্ঘটনার ভাগীদার। মিসেস বাসু চলৎশক্তিহীনা সেই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায়। একটা হুইলচেয়ারে তিনি সারা বাড়ি ঘোরেন। বাড়ির বাইরে যান কদাচিৎ।

    ওঁদের বাড়িটা নিউ আলিপুরে। ইংরেজি ‘U’ অক্ষরের আকার। দ্বিতল বাড়ি। দোতলায় থাকে কৌশিক আর সুজাতা মিত্র। তারা একটা প্রাইভেট গোয়েন্দা সংস্থার যৌথ মালিক : ‘সুকৌশলী’। নামকরণটা বাসুসাহেবই করেছিলেন : লেডিজ ফার্স্ট আইনের ধারা মোতাবেক প্রথমে সুজাতার আদ্য অক্ষর ‘সু’, পরে কৌশিকের ‘কৌ’। আর শলী’টা হচ্ছে ‘খলু’, পাদপূরণের প্রয়োজনে।

    সংসারে এছাড়া আছে বিশ্বনাথ — বিশু। ওঁদের কম্বাইন্ড হ্যান্ড। তুখোড় মেদনিপুরিয়া।

    রানু তাঁর ইনভ্যালিড চেয়ারে পাক মেরে চলে যাবার একটু পরেই দরজাটা আবার খুলে গেল। দ্বারপ্রান্তে একটি সুসজ্জিত যুবকের আবির্ভাব। সিলভার গ্রে রঙের স্যুট, নীল-সাদা এড়াএড়ি স্ট্রাইপ-কাটা টাইয়ে অক্সফোর্ড-নট। দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে পড়েছে। চোখাচোখি হতে যুক্ত করে বললে, মাপ করবেন স্যার, বিনা অ্যাপয়েন্টমেন্টে আসতে হয়েছে। নিতান্ত বিপদে পড়ে। ব্যাপারটা ভীষণ জরুরী। আপনি যে দেখা করতে রাজি হয়েছেন এতে….

    বাসু বলেন, নিতান্ত বিপদে না পড়লে কেউ আমার সঙ্গে সৌজন্যসাক্ষাতে আসে না। আসুন, ভিতরে এসে বসুন।

    —আমাকে তুমি-ই বলবেন, স্যার। আমার নাম …

    —জানি। অনির্বাণ দত্ত। তুমি নিশ্চয় জান অনির্বাণ যে, দেওয়ানী মামলার পরামর্শ আমি দিই না। তোমার প্রফেশনের সঙ্গে আমার কর্মপদ্ধতির যোগাযোগ হওয়ার সম্ভাবনা অত্যন্ত কম। আশঙ্কা হচ্ছে, আমারা দুজনেই নিজের-নিজের সময় নষ্ট করছি।

    অনির্বাণ গুছিয়ে বসেছে। বললে, ফৌজদারী মামলার আসামীকে আপনি পরামর্শ দেন নিশ্চয়! তাহলেই হল…

    —ফৌজদারী মামলা? আসামীটি কে?

    অনির্বাণ জবাব দিল না। বামহস্তের তর্জনী দিয়ে নিজের বক্ষস্থল চিহ্নিত করল।

    বাসু তীক্ষ্ণদৃষ্টিতে সাক্ষাৎপ্রার্থীকে আপাদমস্তক আর একবার দেখে নিয়ে বললেন, তোমাকে অ্যারেস্ট করেছিল কবে? জামিনই বা কবে পেলে?

    —আজ্ঞে না। আমাকে পুলিশে অ্যারেস্ট করেনি এখনো। যাতে না করতে পারে তাই তো আপনার পরামর্শ নিতে এসেছি।

    —বুঝলাম। কিন্তু কীর্তিটা কী জাতের? এম্বেমেন্ট? তহবিল তছরুপ?

    —আজ্ঞে হ্যাঁ। ঠিকই ধরেছেন।

    —কোন হতভাগ্যের তহবিল?

    —হতভাগ্য নয় স্যার, হতভাগিনীর। একটি তরুণীর : করবী সেন।

    —টাকার অঙ্কটা কত?

    —একদিক থেকে হিসেব করলে প্রায় আড়াই লক্ষ টাকা।

    বাসু ধীরে ধীরে মাথা নেড়ে পাইপ ধরালেন। বললেন, লুক হিয়ার, ইয়ং ম্যান, প্রতিটি মানুষের অধিকার আছে আদালত থেকে সুবিচার পাওয়ার। সেজন্য সে যে কোনও আইনজীবীর দ্বারস্থ হতে পারে। তার আশঙ্কা, কৃতকর্ম অথবা অপরাধের কথা সবিস্তারে জানাতে পারে। আইনজীবী কেসটা নিতে পারেন। নিন বা না নিন প্রফেশনাল এথিক্সে তিনি মক্কেলকে সেজন্য পুলিসে ধরিয়ে দিতে পারেন না। অপরপক্ষে প্রতিটি আইনজীবী প্রতিটি অপরাধীকে রক্ষা করতে বাধ্য নয়। তুমি এ পর্যন্ত যেটুকু বলেছ তাতেই আমি বুঝতে পেরেছি তোমার কেসটা আমি নিতে পারব না। এক্ষেত্রে তুমি ঐ করবী সেন নাম্নী হতভাগিনীর অর্থ কীভাবে আত্মসাৎ করেছ তা বিস্তারিত শুনবার আগ্রহ আমার নেই। তোমার এ স্বীকৃতি গোপন থাকবে। তুমি আর কোনও আইনজীবীর দ্বারস্থ হও। আর তুমি যদি ও ঘরে কিছু রিটেইনার দিয়ে এসে থাক তাহলে তা ফেরত নিয়ে যাও। আমি ইন্টারকমে বলে দিচ্ছি…

    —কিন্তু আপনি তো, স্যার, আমার সমস্যার কথাটা এখনো শোনেনইনি…

    —আর শোনার কী দরকার? তুমি তো নিজেই স্বীকার করছ যে, একটি তরুণীর তহবিল তছরুপ করে তুমি অপরাধী।

    —আজ্ঞে না। তা তো আমি বলিনি। তহবিল তছরুপ করেছি আইন মোতাবেক। কিন্তু আমি সম্পূর্ণ নিরপরাধী। আইনের কাছে কি না জানি না, বিবেকের কাছে আমি সম্পূর্ণ নির্দোষ।

    বাসুসাহেব ঘড়ির দিকে তাকিয়ে বললেন, পাঁচ মিনিট সময় আমি দেব তোমাকে। তার ভিতর তোমার গল্পটা বলতে হবে। যদি আমি ইন্টারেস্টেড হই তাহলে তোমার কেসটা নেব; যদি না হই তাহলে ঐ রিটেইনারটা গচ্চা যাবে- কনসালটেশন ফী বাবদ — আমার পাঁচ মিনিট সময়ের দাম। নাউ স্টার্ট…

    অনিবার্ণ তৎক্ষণাৎ শুরু করল তার কাহিনী :

    করবী সেনের পিতা স্বর্গত রঘুবীর সেন পিতৃমাতৃহীন অনির্বাণকে মানুষ করেন। তিনি প্রথম জীবনে ছিলেন মিলিটারির ঠিকাদার। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে আসাম আর বর্মা অঞ্চলে ঠিকাদারী করে বেশ কিছু অর্থ সঞ্চয় করেন। যুদ্ধান্তে তিনি কলকাতার ভবানীপুর অঞ্চলে একটি দ্বিতল গৃহ নির্মাণ করে সেখানেই বসবাস শুরু করেন। ঐ সময় তিনি বিবাহ করেন কিন্তু প্রথম সন্তান প্রসব করতে গিয়েই তাঁর স্ত্রী মারা যান। প্রায় কিশোর বয়স থেকে অনিবার্ণ রঘুবীরের আছে। অনির্বাণের ‘বাবা ছিলেন রঘুবীরের ঘনিষ্ঠ বন্ধু। বাবার মৃত্যুর পর অনির্বাণ মানুষ হতে থাকে। রঘুবীরকে সে কাকাবাবু ডাকত। পিতৃপ্রতিম শ্রদ্ধাও করত। বিপত্নীক রঘুবীরের সংসার দেখত ঠাকুর চাকর আর বিধবা পিসিমা। পিসিমা কিছুতেই রঘুবীরকে দ্বিতীয়বার দারপরিগ্রহে সম্মত করাতে পারেননি। স্ত্রীবিয়োগের পর রঘুবীর সংসারে বেশ উদাসীন হয়ে পড়েন। উপার্জন বন্ধ। সঞ্চিত অর্থের সুদেই সংসার চলত। গৃহিণীহীন সংসারে মানুষ হতে থাকে রঘুবীরের একমাত্র সন্তান : মাতৃহীনা খুকু। পোশাকী নাম : মিস করবী সেন। ঐ সংসারে থেকেই অনির্বাণ হায়ার সেকেন্ডারি পাস করে। কলেজে ভর্তি হয়। ক্রমে বি. কম. পাস করে। তারপর আর পড়াশুনা করতে চায় না। রঘুবীরের ইচ্ছা ছিল ও এম. কম -এ ভর্তি হোক। অনিবার্ণ রাজি হয় না। সে বুঝতে পারে রঘুবীরের সঞ্চয় তিলতিল করে নিঃশেষ হয়ে আসছে। বসে খেলে স্বয়ং কুবেরও ভিখারি হয়ে পড়েন। ইতিমধ্যে রঘুবীর তাঁর বসত বাড়িটি বিক্রয় করতে বাধ্য হয়েছেন। শেষ জীবনে সে বাড়িতেই ভাড়াটে হিসাবে বাস করছেন। অনিবার্ণ ‘রিয়্যাল এস্টেট-এর ব্যবসা শুরু করল। ইতিমধ্যে সে হয়ে উঠেছে অপুত্রক রঘুবীর সেনের দক্ষিণ হস্ত। সবচেয়ে বিশ্বস্ত।

    একই বাড়িতে থাকে। ফলে ভাইবোনের মতো বড় হয়ে ওঠাই স্বাভাবিক। খুকু অনির্বাণের চেয়ে আট বছরের ছোট। মাতৃহীন আদুরে মেয়েটির অনেক-অনেক হোমটাস্কের অঙ্ক কষে দিতে হয়েছে অনিবার্ণদাকে। তবে খুকু সেজন্য কোনও কৃতজ্ঞতা বোধ করত না। বাল্যে আর কৈশোরে তার ধারণা ছিল আশেপাশে যারা আছে তাদের একমাত্র কাজ ওকে খুশি রাখা।

    বছর চারেক আগে দুরারোগ্য রোগে আক্রান্ত হলেন রঘুবীর। পিসিমা তার আগেই সাধনোচিত ধামে পাড়ি দিয়েছেন। খুকুর তখন সবে ষোলোকলা পূর্ণ হয়েছে : সে ষোড়শী। অনির্বাণের বয়স চব্বিশ।

    রঘুবীরের মৃত্যুর পর উদ্ধারপ্রাপ্ত হল একটি বিচিত্র উইল। ফিয়াট গাড়িটি বাদে সমস্ত সম্পত্তি তিনি দিয়ে গেছেন একটি ট্রাস্টকে। অনির্বাণ এককভাবে সেই ট্রাস্টি : সম্পত্তির অছি। সে ইচ্ছা মতো সম্পত্তির কেনাবেচা করতে পারবে। পাক্কা ছয় বছরের জন্য অনিবার্ণ খুকুর প্রয়োজন মতো তাকে মাসোহারা জোগাবে। সংসারের যাবতীয় খরচ-খরচা মেটাবে। করবীর বয়স যখন বাইশ বছর হবে তখন সম্পত্তির অধিকার বর্তাবে তার উপর। তার পূর্বে করবীকে ঐ ‘উটকো অছি’ অনির্বাণের কাছে মাসে মাসে হাত পাততে হবে। শুধু তাঁর গাড়িখানা দিয়ে গেছেন পুত্রপ্রতিম অনিবার্ণকে। কেন এমন ব্যবস্থা করে গেলেন সেকথা উইলে সবিস্তারে জানিয়ে গেছেন প্রয়াত রঘুবীর সেন। তার চুম্বকসার দুটি পংক্তিতে বিবৃত করা যায়। এক : তিনি লক্ষ্য করেছিলেন, মাতৃহীন করবী বয়সের তুলনায় পরিণতবুদ্ধির তরুণী হয়ে ওঠেনি, সে বিশ্বাসপ্রবণ, তাকে সহজেই লোকে ঠকিয়ে নেবে। দুই : অনির্বাণ দত্ত রঘুবীরের মূল্যায়নে খাঁটি মানুষ। তাই তাকেই এককভাবে করে গেলেন ন্যায়নিষ্ঠ ন্যাসরক্ষী।

    বাসু বলেন, বুঝলাম। মৃত্যুসময়ে কত টাকা উনি রেখে গেছেন?

    —ভাড়াটে বাড়ি, ভূসম্পত্তি নেই, গাড়িটা তো দিয়েছেন আমাকে। তাছাড়া— পেপার ভ্যালু প্রায় এক লক্ষ টাকা মানে ব্যাঙ্ক ব্যালেন্স, শেয়ার, ইউনিট ট্রাস্ট, এন.এস. সি. ইত্যাদি।

    বাসু বললেন, কিন্তু তুমি যে তখন বললে, ‘তহবিলের তছরুপের পরিমাণটা আড়াই লাখ টাকা?’ —এবার সেই দিকদর্শন যন্ত্রটা তোমার আস্তিনের তলা থেকে বার কর। হিসাবটা কোন দিক থেকে করলে…

    অনির্বাণ বাধা দিয়ে বললে, খুকুর বাবা আমাকে শুধু ‘ন্যাসরক্ষক’ বা ট্রাস্টিই করে যাননি, শেয়ার কেনাবেচার নিরঙ্কুশ অধিকারও দিয়ে গিয়েছিলেন। আমি নিজের বুদ্ধিমতো বেচেছি এবং কিনেছি। এখন সেটা বাড়তে বাড়তে প্রায় আড়াই লক্ষ টাকা হয়ে গেছে।

    —এ তো আনন্দের কথা। করবী সেনের বাইশ বছর বয়স হতে আর কত দেরি?

    —মাসখানেক। ইন ফ্যাক্ট, জুলাইয়ের দশ তারিখ।

    —তাহলে সেই সময় টাকাটা ওকে বুঝিয়ে দিও। এক লক্ষ বৃদ্ধি পেয়ে ছয় বছরে আড়াই লক্ষ হওয়াতে সে নিশ্চয় আপত্তি করবে না।

    অনির্বাণ সোজা হয়ে বসল। বলল, মুশকিল কি জানেন, স্যার? হিসাব দেখলে খুকু খেপে যাবে। বলবে, কেন আড়াই লক্ষ? কেন নয় দশ লক্ষ?

    —আই সী! তাহলে আরও একটু বুঝিয়ে বল। তুমি ‘অছি’ হিসাবে কোন্ ‘ফিনান্সিয়াল ইয়ার’ পর্যন্ত হিসাব ঐ মেয়েটিকে বুঝিয়ে দিয়েছ?

    —আমি আজ পর্যন্ত কোনও হিসাবই দিইনি। দেওয়ার উপায় ছিল না। ও প্রথম থেকেই আমাকে শত্রুপক্ষ হিসাবে দেখে এসেছে। ওকে খুব দোষও দেওয়া যায় না। বাপের সম্পত্তিতে তার কোনও অধিকার নেই। প্রতিটি ব্যাপারে আমার কাছে তাকে হাত পাততে হয়। কার ভাল লাগে বলুন?

    —তা ঠিক। কিন্তু এমন অদ্ভুত উইল উনি কেন করেছিলেন বলতো, অনিবার্ণ?

    —নিঃসন্দেহে কন্যাকে রক্ষা করতে!

    —কার কাছ থেকে?

    —তাঁর কন্যার অপরিণত বুদ্ধির হাত থেকে।

    —আর তোমার হাত থেকে তাকে বাঁচাতে কী ব্যবস্থা করে গিয়েছিলেন সেই ধুরন্ধর ব্যবসায়ী?

    —কিছুই নয়। আমাকে তিনি সম্পূর্ণ বিশ্বাস করতেন। মুশকিল কী হল জানেন, স্যার, খুকুর বয়স যখন আঠারো, অর্থাৎ আইনত সে যখন সাবালিকা হল, তখন সে আমার বিরুদ্ধে একটা কেস ফাইল করে বসে। যেহেতু সে আইনত সাবালিকা, তাই আমি ঐ উইলের বলে তার উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্য টাকা আটকে রাখতে পারি না। এ মামলা সে স্ব-ইচ্ছায় করেনি আমি জানি, কিন্তু যার পরামর্শেই করে থাকুক, আইনের চোখে সে ছিল বাদী। আমি প্রতিবাদী। মামলায় খুকুর নিরঙ্কুশ হার হল। কাকাবাবু, মানে স্বর্গত রঘুবীর সেন যে উইল করে গিয়েছিলেন তাতে কোনও ফাঁক ছিল না। বিচারক তাঁর রায়ে বললেন, বাইশ বছর বয়স হবার আগে করবী ঐ সম্পত্তিতে হাত দিতে পারবে না। তবে ‘রায়’-এ প্রতিবাদীকেও ‘অ্যাডমনিশ’ করলেন, হিসাব দাখিল না করার জন্য। অবিলম্বে বার্ষিক হিসাব দাখিল করতে বললেন। আমি খুকুকে ডেকে পাঠালাম হিসাব বুঝে নিতে। সে এল না। রাগ করে বসে থাকল।

    —আমি কিন্তু এখনও বুঝতে পারছি না, তোমার সমস্যাটা ঠিক কী?

    —শুনুন স্যার, বুঝিয়ে বলি। কাকাবাবুর মৃত্যুর পর আমি ভবানীপুরের বাড়ি ছেড়ে কলেজ স্ট্রিট অঞ্চলে একটা মেসে এসে আশ্রয় নিই। খুকু আমাকে বরদাস্ত করতে পারত না। ও সে বছর মাধ্যমিক দেবে। আমি আড়ালে থেকে ছয় বছর ধরে ওর যাবতীয় খরচ জুগিয়ে গেছি। ও যখন আমার বিরুদ্ধে মামলা করল তখন ও হায়ার সেকেন্ডারি পাস করেছে। শুনতে অদ্ভুত লাগবে, কিন্তু ওর সেই মামলা করার যাবতীয় খরচও আমিই দিয়েছি। মামলায় হেরে যাবার পর ও পড়াশোনা ছেড়ে দিল। একদল ছেলের সঙ্গে তখন ওর প্রগাঢ় বন্ধুত্ব। তাদের কেউ গ্রুপ থিয়েটার করে। কেউ লিটল ম্যাগাজিন। কেউ বোহিমিয়ান আর্টিস্ট, কেউ কট্টর রাজনৈতিক পার্টির মস্তান। ও তাদের মধ্যে টম-বয়’। বয়েজ-কাট চুল কেটে, প্যান্ট-শার্ট পরে ও সেই দলের সঙ্গে ঘোরাফেরা করে। সবাই ওর প্রেমিক। সবাই ওকে বিয়ে করতে চায়! কারণ বেকারের দল জানে, দু-চার বছরের ভিতরেই খুকুর হাতে আসবে অন্তত এক লক্ষ টাকা। আমি তাই খুকুকে জানাতে পারলাম না যে, ওর পৈত্রিক উত্তরাধিকারের অর্থমূল্য এক লাখ থেকে বৃদ্ধি পেয়ে আড়াই লাখ হয়ে গেছে। বরং ওকে মিথ্যা করে এমন ভাব দেখাতাম যে, মেয়াদ উত্তীর্ণ হলে ওর ভাগে দেড়-দু হাজার টাকা হয়-কি-না হয়! তাছাড়া খুকুর বাবার নামে যত শেয়ার ছিল সব আমি আমার নিজের নামে ট্রান্সফার করিয়ে নিতে বাধ্য হয়েছিলাম। নাহলে শেয়ার মার্কেটে সকাল-বিকাল কেনাবেচা করা মুশকিল হয়ে পড়ে। খাতা-কলমে খুকুর প্রাপ্য সত্যিই দেড়-দু হাজার টাকা। কারণ বাকি অংশটা আমার নামে রয়েছে। এটা তহবিল তছরুপ নয়?

    —আলবাৎ তহবিল তছরুপ। ট্রাস্টি বা অছি হিসাবে তুমি এভাবে ন্যাসবদ্ধ অর্থ নিজের নামে পরিবর্তন করতে পার না। তা আইনত যাই হোক, টাকাটা যখন তুমি ওকে ফিরিয়ে দিতে রাজি…

    —মুশকিল কি জানেন, স্যার, টাকাটা আমি ওকে ওর বাইশতম জন্মদিনে ফিরিয়ে দিতে রাজি নই!

    —সে কি! কেন? তুমি সত্যই তহবিলটা তছরুপ করতে চাও? আর সে বিষয়ে আমার পরামর্শ চাইছ!

    —কী মুশকিল! আপনি সমস্যাটা বুঝতে পারছেন না। খুকুর চারপাশে এক ঝাঁক হাঙর! তারা প্রতীক্ষা করে আছে ওর বাইশতম জন্মদিনের জন্য! দেখুন স্যার, কাকাবাবু যা চেয়েছিলেন তা আমি অক্ষরে-অক্ষরে পালন করেছি। ওকে অমিতব্যয়ী হতে দিইনি। হাতে যথেষ্ট টাকা থাকলে ও যে শুধু মদে থামতো, না হেরোইন, এল. এস. ডি.-তে তা খোদায় মালুম। আমি নিশ্চিতভাবে জানি, ওর দু-একটা বন্ধু ড্রাগ অ্যাডিক্ট! তাই ওকে না জানিয়ে আমি ওর বাবার আশীর্বাদটাকে আড়াই গুণ বৃদ্ধি করেছি। ওকে বাঁচিয়েছি ওর নিজের কাছ থেকে। এখন আমি কীভাবে দু-কূল রক্ষা করতে পারি আপনি একটা বুদ্ধি বাংলান।

    —ঠিক কার আক্রমণ থেকে ওকে রক্ষা করতে চাও?

    —শুধু ওর তথাকথিত প্রেমিক বন্ধুদের আক্রমণ থেকে নয়, ওর নিজের অপরিণত বুদ্ধির হাত থেকে।

    —একবার মামলা করে হেরেছে। সে নিশ্চয় খেপে আগুন হয়ে আছে। এবার মামলা করলে সে তোমাকে জেল খাটাতে পারে। তা জান?

    —কী মুশকিল! তাই জানি বলেই তো কলকাতা-বারের সবসেরা ব্যারিস্টারের শরণ নিয়েছি। আপনি স্যার, এমন একটা বুদ্ধি বাৎলান যাতে লাঠিটাও না ভাঙে আর সাপগুলো না মরলেও যেন ভেগে যায়।

    —তোমার নামে যে আড়াই লক্ষ টাকার শেয়ার আছে, তা বাস্তবে করবী সেনের প্রাপ্য, এ- কথা কেউ জানে না?

    —এই তো আপনি জানলেন।

    —ধর যদি তোমার মৃত্যু হত? গত বছর, গত মাসে?

    —আমার বয়স ত্রিশ, স্বাস্থ্য ভাল। কলেজে ক্যারাটে চ্যাম্পিয়ন ছিলাম। মরবার কোনও লক্ষণ তো ছিল না স্যার?

    —কলকাতা শহরে মোটর অ্যাকসিডেন্টে ত্রিশ বছরের যুবক কোনদিন মরেনি? সেক্ষেত্রে টাকাটা তোমার ওয়ারিশ পেত। করবী সেন জানতেও পারত না যে, তুমি তাকে কীভাবে বঞ্চিত করেছ।

    —না, স্যার, তা হত না। প্রথমত, আমার তিনকুলে কেউ নেই। আপনি বলবেন, ‘আড়াই লাখ টাকার সম্পত্তি রেখে যদি কেউ মারা যায় তাহলে লতায়-পাতায় সম্পর্ক ধরে ওয়ারিশ ঠিকই হাজির হয়।’ তা হয়, অস্বীকার করব না। কিন্তু সে ক্ষেত্রেও সে কিছু পেত না। কারণ আমি একটি উইল করে রেখেছি। তার কপি আমার সলিসিটারের কাছে আছে। যে ব্যাঙ্কভন্টে অরিজিনাল শেয়ারগুলো আছে, সেই ভল্টেও এক কপি রাখা আছে। আমার স্থাবর-অস্থাবর সমস্ত সম্পত্তি আমি ওকেই দিয়ে গেছি সেই উইলে।

    বাসুসাহেবের পাইপে আর তামাক ছিল না। পোড়া ছাইটা অ্যাশট্রেতে ঝেড়ে ফেলে উনি বললেন, লুক হিয়ার ইয়ং ম্যান, তুমি অত্যন্ত বুদ্ধিমান, বিজনেস ভাল বোঝ, এক্ষেত্রে তুমি এতবড় রিস্ক নিতে পার একটিমাত্র হেতুতে। সেটা এবার নিজমুখে স্বীকার কর। আমি মনস্থির করি কেসটা নেব, না নেব না।

    অনির্বাণ পুরো দশ সেকেন্ড নির্বাক তাকিয়ে রইল বাসু-সাহেবের দিকে। তারপর বললে, অল রাইট স্যার, আই কনফেস। আপনি যা আন্দাজ করেছেন তাই!

    —কথাটা ওকে জানিয়েছ কখনো?

    —জানিয়েছিলাম। কাকাবাবু বেঁচে থাকতে। কিন্তু তখন ও প্রায় কিশোরী! আমার সঙ্গে বয়সের ফারাকটা তখন খুবই প্রকট। ও বলেছিল, ‘তা হয় না অনিদা! তোমাকে চিরকাল নিজের দাদার মতো দেখে এসেছি। ওকথা যদি আর কোনদিন বল, তাহলে এই বন্ধুত্বের সম্পর্কটাও থাকবে না। আমি কথাই বলব না তোমার সঙ্গে।… তারপর ওর বাবার মৃত্যুর পর সম্পর্কটা তিক্ত হয়ে পড়ে। ও বুনো ঘোড়ার মতো সর্বদা আমাকে চাট মারবার জন্য উদগ্রীব হয়ে থাকত। যে কারণে আমি ওদের বাড়ি ছেড়ে মেসবাড়িতে উঠে আসি। আর মামলার হেরে যাবার পর তো সে আমার সঙ্গে সরাসরি কথাই বলে না। যেটুকু কথাবার্তা হয়— টাকাপয়সা নিয়ে — তা টেলিফোনে।

    —তোমার মেসে টেলিফোন আছে?

    —না নেই, অফিসে আছে।

    বাসু বললেন, অলরাইট! আমি তোমার কেসটা নিলাম। তুমি কি ওঘরে কোনও রিটেইনার’ দিয়ে এসেছ?

    — আজ্ঞে না। উনি বললেন, আপনি যদি কেসটা নেন তাহলেই অগ্রিম দেওয়ার প্রশ্ন উঠবে। বাসুসাহেব মনে মনে হাসলেন। নেড়া তাহলে একবারের বেশি বেলতলায় যায় না। বাসুসাহেব সাক্ষাৎপ্রার্থীকে ক্লায়েন্ট হিসাবে মেনে নেওয়ার আগে রানু আর কিছুতেই রিটেইনার গ্রহণ করেননি।* [* ব্যাখ্যা : কৌতূহলী কনের কাঁটায়] বললেন, শোন অনির্বাণ, তোমাকে তিনটি কাজ করতে হবে। এক নম্বর : আমাকে একটা অ্যাকাউন্ট-পেয়ী চেকে ‘রিটেইনার’ মানি দিয়ে যাও, এক হাজার- যাতে আমি তোমাকে আইনত মক্কেল বলে স্বীকার করতে পারি। দু’নম্বর : তোমার লেটারহেডে একটা ঘোষণাপত্র লিখে ফেল টু হুম ইট মে কনসার্ন’—– জাতীয় স্বীকারোক্তি। তাতে লিস্ট করে সাজিয়ে দাও যেসব শেয়ার তোমার নামে বর্তমানে আছে, যা তুমি বিশেষ কারণে নিজের নামে রেখেছ এবং যার মালিক করবী সেন, তুমি যার ন্যাসপাল বা ট্রাস্টি! ওটা আমাকে কাল বিকালের মধ্যে পৌঁছে দিয়ে যেও।

    —আপনি, স্যার, তিনটি কাজের কথা বলেছিলেন। তৃতীয়টা?

    —তিন নম্বর কাজটা হচ্ছে করবীকে কাল টেলিফোন করে বল যে, সে যেন আমার সেক্রেটারিকে একটা ফোন করে। আমি তার সঙ্গে মুখোমুখি কথা বলতে চাই।

    —কেন স্যার?

    —বাইশতম জন্মদিনে সে কী পরিমাণ উত্তরাধিকার লাভ করবে তার ইঙ্গিত তাকে আগেভাগে জানাতে হবে। তুমি যদি তা বলতে যাও তাতে হিতে বিপরীত হতে পারে। আমি হয়তো ওকে বুঝিয়ে দিতে পারব ব্যাপারটা। ও তখন তোমার উপর রাগ করতে পারবে না।

    —কিন্তু একটা কথা। আপনি যেন কোনক্রমেই ওকে বুঝতে দেবেন না যে, আমি…… মানে….

    —পাগলামি কর না। এটা কোন ‘প্রজাপতি মার্কা অফিস নয়। তুমি কাকে ভালবাস, কাকে বিয়ে করবে, তা নিয়ে আমার কোনও মাথাব্যথা নেই। সেসব প্রসঙ্গ আদৌ উঠবে না। আমার একটিমাত্র লক্ষ্য : তুমি যে ‘ন্যাসনাশী’ নও, ‘ন্যায়নিষ্ঠ ন্যাসপাল’ এটা প্রমাণ করা। যাতে করবী তার বাপের সম্পত্তিটা সুদে-আসলে পায়। যাতে তোমার হাতে হাতকড়া না পড়ে। তারপর সে কাকে বিয়ে করল তা জানতে আমার কোনও গরজ নেই।

    অনিবার্ণ স্থির হয়ে বসে রইল দশ সেকেন্ড। তারপর বললে, অলরাইট! এছাড়া আর কোন পথ নেই যখন…

    পকেট থেকে চেকবুকটা বার করল সে।

    বাসুও বললেন, অলরাইট! এছাড়া যখন তুমি খুশি মনে বিদায় নেবে না, তখন আরও বলি : সে যাতে হাঙরের পেটে না যায় সে-চেষ্টাও করব আমি।

    একগাল হেসে অনির্বাণ চেকটা লিখতে থাকে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসমগ্র কিশোর সাহিত্য – নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    Next Article কাঁটায়-কাঁটায় ৫ – নারায়ণ সান্যাল

    Related Articles

    নারায়ণ সান্যাল

    অলকনন্দা – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    আবার যদি ইচ্ছা কর – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    আম্রপালী – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    বিশ্বাসঘাতক – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    সোনার কাঁটা – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    মাছের কাঁটা – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }