Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কাঁটায়-কাঁটায় ৪ – নারায়ণ সান্যাল

    নারায়ণ সান্যাল এক পাতা গল্প520 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ন্যায়নিষ্ঠ ন্যাসনাশীর কাঁটা – ৯

    ৯

    তারের জালতির দু’ধারে দু’জন।

    বাসুসাহেব জানতে চান, ওদের কতটা বলেছ?

    অনির্বাণ বলে, রামগঙ্গা কিছুই নয়। পুলিশকে বলেছি, আমি আমার সলিসিটারের অনুপস্থিতিতে কোনও কথা বলব না। তাতেই ওরা আপনাকে খবর দিয়ে আনিয়েছে।

    —ঠিক আছে। তোমার বিরুদ্ধে পুলিসের হাতে বেশ কিছু এভিডেন্স আছে। কী কী, তা আমি জানি। কিন্তু সেসব কথা তোমাকে বলার আগে আমি শুনতে চাই, তোমার এজাহারটা। পর পর কী ঘটনা ঘটেছিল, কেন তুমি তাতে অংশগ্রহণ করেছিলে, বলে যাও প্রথমে।

    —বলার কিছু নেই স্যার। বলুন, কী জানতে চাইছেন?

    — গলফ ক্লাবে যে লোকটা খুন হয়েছে তাকে তুমি চিনতে?

    —লোকটা যদি কালিপদ কুণ্ডু হয় তবে হ্যাঁ, তার পরিচয় জানতাম, চিনতামই, যদিও কখনো সাক্ষাৎ হয়নি। বার কয়েক তাঁর সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছি। এই মাত্র। আর হ্যাঁ, ওর নাম কাকাবাবুর কাছে শুনেছিলাম। প্রথমে সে কাকুর গাড়ির ড্রাইভার ছিল। পরে নাকি ‘কুতুব-টী’ কোম্পানির ক্যাশিয়ার পর্যন্ত হয়েছিল। তহবিল তছরুপের অপরাধে চাকরি যায়; অথচ টাকাটা আদায় হয় না। কাকুর ধারণা ছিল, কালিপদবাবু সম্পূর্ণ নির্দোষ। অন্য কেউ টাকাটা সরিয়ে ওকে ফাঁসিয়েছে। তখন আমার বিশ্বাস হয়নি; কিন্তু এখন মনে হয়, কাকু ঠিক কথাই বলেছিলেন। বিশ হাজার টাকা তহবিল তছরুপ করলে লোকটা বাকি জীবন এমন ভিখারির মতো কাটাতো না।

    —ও ঠিক কী করত? মানে গ্রাসাচ্ছাদনের কী ব্যবস্থা ছিল? চাকরি যাবার পর?

    —এতদিন কী করেছে জানি না। তবে ইদানীং সে মহেন্দ্রবাবুর এমপ্লয়মেন্টে ছিল। মাস- মাহিনা অথবা কমিশন-বেসিস ঠিক জানি না। মহেন্দ্রনাথ পাল কুতুব টীর ম্যানেজমেন্ট কব্জা করতে উঠেপড়ে লেগেছেন। মাসতিনেক পরে ওঁদের জেনারেল ইলেকশান। মহেন্দ্রবাবু অনেকগুলি এজেন্টকে কমিশন-বেসিসে কাজে লাগিয়েছেন। কালিপদ তাদেরই একজন। কুতুব টীর শেয়ার হোল্ডারদের নাম-ঠিকানার একটি বিরাট লিস্ট তার কাছে ছিল। সে জনে জনে সাক্ষাত করে প্রক্সি ফর্ম যোগাড় করত। কালিবাবু জানত যে, রঘুবীর সেনের কাছে কুতুব টী-র একটা বড় চাংক শেয়ার ছিল। তাই রঘুবীরের একমাত্র কন্যা খুকুর কাছে ও যায়। খুকু বলে, শেয়ার তার কাছে নেই; আছে আমার কাছে ট্রাস্টি হিসাবে প্রক্সিতে আমারই সই নিতে হবে। কালিপদবাবু তারপর আমাকে ফোন করে। সেই প্রথমবার।

    —তুমি বোধহয় তার আগেই কুতুব টী-র সব শেয়ার বেচে দিয়েছ? যখন ওর দাম হু হু করে পড়ে যাচ্ছিল? তাই নয়?

    —আজ্ঞে হ্যাঁ। কিন্তু সেকথা তো কালিবাবুর কাছে স্বীকার করতে পারি না। কারণ খুকু তা জানে না। আমি ক্রমাগত কালিবাবুকে এড়িয়ে এড়িয়ে চলছিলাম।

    —তারপর?

    —লোকটা অত্যন্ত ধূর্ত। ইতিমধ্যে সে আমার নাড়ি-নক্ষত্রের সন্ধান নেয়। রঘুবীরের উইল, ট্রাস্ট, আমার সঙ্গে খুকুর সম্পর্ক এবং খুকুর সঙ্গে কিংশুকের ঘনিষ্ঠতা সম্বন্ধেও সে কী জানি কোন সূত্রে সংবাদ সংগ্রহ করে। ও শুধু টের পায়নি যে, কুতুব-টী’র সব শেয়ার আমি বেচে দিয়েছি। দিনসাতেক আগে ও আমাকে টেলিফোনে জানায়, আমি যদি কুতুব টী-র শেয়ার প্রক্সি ফর্মে ব্ল্যাঙ্ক স্বাক্ষর করে ওকে দিই তাহলে ও এমন ব্যবস্থা করবে যাতে কিংশুক আর ভদ্রসমাজে মুখ দেখাতে পারবে না। আমি এ কথার ব্যাখ্যা চাই। তখন ও বলে যে, কিংশুক হালদার একটা মারাত্মক অপরাধ করেছে, যেকথা পুলিস জানে না; কিন্তু যার অকাট্য প্রমাণ ওর হাতে আছে। আমি জানতে চাই, অপরাধটা কী জাতের এবং প্রমাণটাই বা কী? ও বলে, অপরাধটা কী তা ও এখন বলবে না, তবে প্রমাণটা হচ্ছে ‘একটা ডেড-ম্যানস ডায়েরি’! আমার বিশ্বাস হয় ওর কথায়। ও আরও জানায় যে, অর্থাভাবে ওকে প্রায় অনাহারে থাকতে হচ্ছে। প্রক্সি ফৰ্ম মহেন্দ্ৰ পালকে পৌঁছে দিলে ও পেমেন্ট পাবে। তাই ‘ডেড-ম্যানস’ ডায়েরিটার বদলে প্রক্সি ফর্ম ছাড়া ও পাঁচ হাজার নগদও দাবি করে। আমি রাজি হয়ে যাই। কিন্তু আমি কয়েকদিন সময় চাই…

    বাসুসাহেব জানতে চান, কেন? সময় চাইলে কেন?

    —আমি মরিয়া হয়ে পড়েছিলাম ঐ খুকু-কিংশুকের ঘনিষ্ঠতার ব্যাপারটায়। কয়েকদিনের সময় চেয়ে নিয়ে নিজের নামে বিশ হাজার কুতুব টীর শেয়ার কিনে ফেলি। তখন দর খুব পড়ে গেছে। যেদিন আমি আপনার সঙ্গে দেখা করি তার পরের দিন কালিবাবু ফোন করে। বলে, ও অসুস্থ হয়ে পড়েছিল। সর্দি-কাশিতে। বস্তুত ওর গলার স্বর শুনে আমি বুঝতেই পারিনি যে, কালিবাবু ফোন করছে। কথার মধ্যে ও বারে বারে কাশছিল। ও আমাকে একটা টেলিফোন নম্বর দেয়। বলে, পরদিন সন্ধ্যা সাতটায় ঐ নম্বরে ফোন করতে। তখন ও বলবে, কবে-কখন দেখা হবে।

    বাসু বলেন, তুমি সন্ধ্যা সাতটায় ফোন করেছিলে?

    —হ্যাঁ।

    —কোথা থেকে?

    —হাজরা মোড়ে একটা টেলিফোন বুথ থেকে

    —তারপর কী হল, বলে যাও?

    —টেলিফোন যে ধরল, আমার ধারণা সে কালিবাবুর বাড়ির ঝি। সে আমার নাম জানতে চাইল। আমি বললাম, ‘আমার নামের কী দরকার? আমি তো ঠিক সাতটার সময়েই ফোন করেছি। তাই তো কথা ছিল?’ ও তখন জানতে চাইল, কুতুব টীর ব্যাপারে? আমি ‘হ্যাঁ’ বলায় ও একটা নতুন টেলিফোন নাম্বারে ফোন করতে বলল। যা হোক, আমি দ্বিতীয় নম্বরে ফোন করা মাত্র কালিবাবু ধরল। আমি পাঁচ হাজার নগদে নিয়ে যাচ্ছি কি না জেনে নিয়ে বলল, ‘রয়্যাল ক্যালকাটা গলফ ক্লাব চেনেন নিশ্চয়? তারই ‘ফার্স্ট-টী’-তে। রাত দশটার সময়।’

    —তোমার সন্দেহ হল না? রয়্যাল ক্যালকাটা গলফ ক্লাবের এক নম্বর টীর অবস্থান ও লোকটা কেমন করে চিনল?

    —আজ্ঞে না, সে বিষয়ে সন্দেহ হয়নি। আমি বিস্মিত হয়েছিলাম স্থান নির্বাচনে নয়, সময় নির্বাচনে। আমি ঐ ক্লাব-মাঠের প্রতিটি গাছ, প্রতি ‘হোল’ চিনি। এককালে রঘুবীর কাকার পিছন পিছন স্টিক ঘাড়ে করে আমাকে ঘুরতে হয়েছে : ‘ফার্স্ট-টী’ থেকে ‘এইটিছ-হোল’ পর্যন্ত। ইদানীং সময় পেলে আমি নিজে গিয়েও খেলি। আমি আরও জানতাম, ঐ কালিপদ কুণ্ডু এককালে রঘুকাকার গাড়ি চালাতেন। ফলে, তাঁকেও একই ভাবে ক্লাব-মাঠের এ প্রান্ত থেকে ও প্রান্তে হাঁটতে হয়েছে। বস্তুত স্থান নির্বাচনে আমি মনে মনে নিশ্চিন্তই হলাম। লোকটার কণ্ঠস্বর বিকৃত শোনালেও সেটা সর্দি লাগায়। ও লোকটা নির্ঘাৎ কালিপদ কুণ্ডু। আমার সন্দেহ ছিল, সময়টা নিয়ে। অত গভীর রাত্রে কেন? কিন্তু কালিপদ কুণ্ডু আমার শত্রু নয়, যে বেমক্কা অমন নির্জন স্থানে আমাকে হত্যা করে বসবে…

    বাসুসাহেব বাধা দিয়ে বলেন, কিন্তু তোমার সঙ্গে নগদ পাঁচ হাজার টাকা ছিল। লোকটা সেই টাকার লোভেও তোমাকে হত্যা করতে পারত। তাই কি তুমি তোমার রিভলভারটা পকেটে নিয়ে গেলে?

    —রিভলভার! না স্যার, কোন রিভলভার তো আমি নিয়ে যাইনি।

    —কিন্তু কালিপদ যদি হঠাৎ পকেট থেকে একটা রিভলভার বার করত, তখন তুমি কী করতে?

    —আমি ক্যারাটে ‘ব্ল্যাক বেল্ট’। মানে ক্যারাটে বিদ্যায় পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ডিগ্রিধারী। একাধিক ক্লাবে আমি ক্যারাটে শেখাই। কালিবাবুর মতো একজন বৃদ্ধ যদি পকেট থেকে একটা রিভলভার বার করে আমার দিকে তাক করবার সুযোগ পেত, আর তার আগে ওকে আমি মাটিতে শুইয়ে দিতে না পারতাম তাহলে বাড়ি ফিরে এসে আমি গলায় দড়ি দিতাম।

    —ও আচ্ছা। তারপর কী হল বলে যাও।

    —যে কথা বলছিলাম স্যার, আমার সন্দেহ হয়নি। তবু জানতে চাইলাম, ‘কিন্তু অমন অদ্ভুত জায়গায় কেন?’ ও প্রান্তের লোকটা বললে, ‘দত্তবাবু, আর. সি. জি. সি.’র ফার্স্ট টী এক কথায় চিনে নেবে এমন মানুষ গোটা কলকাতা শহরে হাতের পাঁচটা আঙুলে গোনা যায়। এতে প্রমাণ হল : টেলিফোনের এ প্রান্তেই বা কে, ও প্রান্তেই বা কে।’ আমি জবাবে বললাম, ‘অলরাইট’। বলে, টেলিফোন রেখে দিলাম।

    —তারপর?

    —রাত পৌনে দশটায় আমি ক্লাবে পৌঁছাই। গাড়ি পার্ক করে ভিতরে যাই। ক্লাব ঘরে তখন দশ-পনের জন ছিলেন। আমার পরিচিত কেউ ছিলেন না।

    —তুমি ঐ গলফ ক্লাবের মেম্বার?

    —আজ্ঞে হ্যাঁ। কাকাবাবু আমাকে হাতে ধরে খেলাটা শিখিয়েছিলেন। স্টিক নিয়ে ওঁর পিছন পিছন হাঁটতে হাঁটতে খেলাটা আমি অবশ্য নিজে থেকেই শিখে গেছিলাম। কাকু আমাকে স্ট্রোক মারা শেখান, গ্রিপ, স্টান্স, ড্রাইভ, ডাউনওয়ার্ড স্যুইং, বাঙ্কার টপকানো ইত্যাদি সবকিছুই শেখান। সে যাই হোক, সেদিন রাত দশটায় যাঁরা ক্লাবে ছিলেন তাঁদের কাউকে আমি চিনতে পারিনি। ঐ রাতের মেম্বাররা খেলতে আসেন না বোধহয়, মদ্যপান করতে আসেন। আমি পিছনের দিকের দরজা দিয়ে মাঠে নেমে যাই। ফার্স্ট টীতে পৌঁছাই। ক্লাবঘর থেকে একশ গজও হবে না। সেখানে মিনিট পাঁচেক বোকার মতো অপেক্ষা করি। জায়গাটা আলো-আঁধারি। এতটা অন্ধকার নয় যে, একজন মানুষ এগিয়ে এলে দেখতে পাব না। আমার ঘড়িতে রেডিয়াম-ডায়াল। দশটা পাঁচ হবার পর আমি অস্থির হয়ে উঠি। পায়চারি শুরু করি। আর তখনই কিসে যেন ঠোক্কর খাই!

    —কিসে যেন ঠোক্কর খাও! কী সে?

    —একটা নিথর মৃতদেহে! …বোধহয় মিনিট দুই আমি স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে থাকি। তারপর নিচু হয়ে লোকটিকে ‘ফীল’ করি। পুরুষ মানুষ। বৃদ্ধ। রক্ত! আন্দাজ করি : কালিপদ কুণ্ডু! … আমি ঘাসে হাতটা মুছে নিয়ে উঠে দাঁড়াই। নিঃশব্দে ক্লাবের বাইরে বেরিয়ে আসি। আমার আশঙ্কা হয়, কেউ একটা মার্ডার করেছে। কালিপদকেই কেন জানি না, কিন্তু আমাকে ফ্রেম-আপ করতে চায়!

    —তারপর?

    —তারপর আমি ওখান থেকে সোজা বাই-রোড আসানসোলের দিকে রওনা দিই। প্ৰায় সারারাত ড্রাইভ করে…

    —জাস্ট এ মিনিট। ড্রাইভ করার সময় তুমি গায়ের কোটটা খুলে রেখেছিলে, নয়? কেন? —কোটটা খুলে রেখেছিলাম! মানে?

    —বাঃ! ডাস্টবিনের ভিতর হাত ঢোকানোতে হাতে তো প্রচুর ময়লা লেগে যাবার কথা নয়? হাতটা ধুলে কোথায়?

    অনির্বাণ এবার প্রশ্ন করতেও ভুলে যায়।

    বাসু বলেন, একটা শর্ট-ব্যারেল জার্মান রিভলভার, যার নম্বর KB 173498 : তুমি কলকাতা ত্যাগ করার আগে একটা অন্ধকার গলিতে ডাস্টবিনের ভিতর ফেলে দিয়ে যাওনি?

    অনির্বাণ বজ্রাহতের মতো মিনিটখানেক তাকিয়ে থাকল। তারপর বলল, আপনাকে কে বলল?

    —রিভলভারটা আনলাইসেন্সড তা বোঝা যায়। তোমার হেপাজতে এল কখন? কীভাবে?

    অনিবার্ণ কোনক্রমে বললে, জানি না আপনি কোন সূত্রে জেনেছেন। হ্যাঁ, স্বীকার করছি ওটা আমি একটা ডাস্টবিনের ভিতর ফেলে যাই। তবে আপনার ঐ আন্দাজটা ভুল। ওটা আনলাইসেন্সড নয়, আমারই নামে লাইসেন্স। আমার রিভলভার।

    —তুমি রিভলভারের লাইসেন্স নিয়েছিলে? কেন? কবে?

    ‘না। ওটা ছিল কাকুর। ফিয়াট গাড়ির সঙ্গে ঐ রিভলভারটাও আমাকে উনি দান করে যান। আমি নিজের নামে লাইসেন্স করিয়ে নিই। খুকু বাড়িতে একলা থাকে বলে তার আঠারো ‘ বছর বয়সে ওটা তাকে দিতে চাই, কিন্তু পুলিশ কমিশনার রাজি হন না। বলেন, নিজের বাবাই যাকে বাইশ বছরের আগে সাবালিকা ভাবতে পারেননি তাকে আমি কোন আক্কেলে ওটার লাইসেন্স দিই? আমাকে বলেন, বছর চার-পাঁচ পরে নতুন করে আবেদন করতে।

    —রিভলভারটা থাকত কোথায়? মেসে?

    —আজ্ঞে হ্যাঁ। মেসের তিনতলায় আমার ঘরে একটা মজবুত কাঠের গা-আলমারি আছে। তার একটা সিক্রেট ড্রয়ার আমি নিজ-ব্যয়ে বানিয়ে নিয়েছিলাম।

    —তাহলে ঘটনার রাত্রে ওটা তুমি পকেটে করে নিয়ে যাও!

    —না, স্যার। আমি খালি হাতেই গিয়েছিলাম। গলফ্ ক্লাব মাঠের প্রতিটি বর্গইঞ্চি আমার পরিচিত। আমি স্বপ্নেও ভাবতে পারিনি ওখানে খুনোখুনি হতে পারে।

    —তাহলে রিভলভারটা তোমার হাতে এল কেমন করে?

    —নিচু হয়ে যখন মৃতদেহ পরীক্ষা করছি তখনই আমার হাতে ওটা ঠেকে যায়। হাত বুলিয়ে বুঝতে পারি ওটা আমারই। কারণ ওরকম শর্ট-ব্যারেল জার্মান রিভলভার বাজারে সহজে পাওয়া যায় না। আমার আশঙ্কা হয়, কেউ আমাকে ‘ফ্রেম-আপ’ করতে চাইছে। আমি তৎক্ষণাৎ ওটা রুমালে জড়িয়ে তুলে নিই। পকেটে ফেলি।

    —শুঁকে দেখনি?

    —দেখেছিলাম। ব্যারেলে বারুদের গন্ধ ছিল।

    —তোমার কাছে পকেট-টর্চ ছিল না?

    —না! আমি জানতাম, কম্পাউন্ড-ওয়াল ভেঙে রিফিউজিরা ইট চুরি শুরু করার পর রাতে ওখানে টহলদারি দারোয়ানের ব্যবস্থা হয়েছে। মাঠে কোথাও টর্চের আলো জ্বললে দারোয়ান ছুটে আসত।

    —মেসের ঐ দেওয়াল আলমারি থেকে কীভাবে বা কতদিন আগে রিভলভারটা চুরি গেছে তা তোমার আন্দাজ নেই?

    —বিন্দুমাত্র না।

    —রিভলভারটা নিয়ে তুমি আমার কাছে এলে না কেন?

    —আমার আশঙ্কা হল, আপনি আমার এজাহারটা বিশ্বাস করবেন না।

    —সে তো এখনো করছি না। কিন্তু রাতারাতি কলকাতা ছেড়ে পালিয়ে যাওয়াটা খুবই বিশ্রী দেখাচ্ছে না? তার চেয়ে অনেক ভাল হত মৃতদেহ আবিষ্কারের কথা তৎক্ষণাৎ পুলিশে রিপোর্ট করে নিজে থেকেই রিভলভারটা সারেন্ডার করা।

    —এখন আপনি আমাকে কী করতে বলেন? গিলটি প্লীড করে আদালতের মার্জনা ভিক্ষা করব?

    —তুমিই কালিপদবাবুকে হত্যা করেছ?

    —সার্টেনলি নট!

    —তাহলে তুমি অহেতুক ‘গিলটি প্লাড’ করতে যাবে কেন?

    —আপনি নিজেই যে আমাকে বিশ্বাস করতে পারছেন না।

    —না পারছি না, অনিবার্ণ। আমার দৃঢ় বিশ্বাস, তুমি কাউকে আড়াল করবার চেষ্টা করছ। মিছে কথা বলে দোষটা নিজের ঘাড়ে টেনে নিচ্ছ।… তুমি আদ্যন্ত সত্যি কথাটা এবার বলবে?

    —এটাই আদ্যস্ত সত্যি কথা!

    —অল রাইট! কেউ নিজেই নিজের পায়ে কুড়ুল মারে। কেউ কুড়ুলটা খাড়া করে পেতে তাতে সবলে পদাঘাত করে। এক্ষেত্রে তোমার যেটা অভিরুচি। তবে ফল একই।

    —আপনি আমাকে কী করতে বলেন?

    —তোমার ঐ আষাঢ়ে গল্পটা বদলে তোমার কাউন্সেলের কাছে আদ্যন্ত সত্যি কথা বলা।

    অনির্বাণ কাঁধ ঝাঁকালো নিরুপায় ভঙ্গিতে। বলল, আপনি স্যার একটা উদ্দেশ্য দেখাতে পারেন? একটা ক্ষীণতম মোটিভ, যাতে আমার মতো মানুষ ঐ কালিপদ কুণ্ডুর মতো অদ্যভক্ষ্যধনুর্গুণ একটা মানুষকে খুন করতে চাইবে?

    —আমি পারি কি পারি না সেকথা থাক। পুলিশ অসংখ্য মোটিভ খাড়া করতে পারে। করবেও। তার একটা এখনি শোন। তোমার এজাহার শেষ হলে পাবলিক প্রসিকিউটার মাইতি- সাহেব আদালতে দাঁড়িয়ে উঠে বলবেন, ‘ধর্মাবতার! ঐ কালিপদ কুণ্ডু ছিল স্বর্গত রঘুবীর সেনের একজন বিশ্বস্ত কর্মচারী। তাকে ডেকে রঘুবীর শেষাবস্থায় বলেছিলেন : এখন আমি উত্থানশক্তিরহিত। আমার মেয়ে নাবালিকা। আমি উইলটা বদলাতে চাই। কিন্তু অনিবার্ণ আমাকে সে সুযোগ দিচ্ছে না। তুমি এককালে আমার গাড়ি চলাতে। তুমি আমাকে সাহায্য করবে?’ তাতে হুজুর ঐ মৃত কালিপদ কুণ্ডু জানতে চায়, ‘কেন স্যার? অনিবার্ণকে আপনি ট্রাস্টি রাখতে চান না কেন?’ রঘুবীর তখন ওকে একটা ডায়েরি দিয়ে বলেছিলেন, ‘এইটা পড়ে দেখ। তাহলেই বুঝতে পারবে। দু’দিন পরে ডায়েরিটা ফেরত দিয়ে যেও। হুজুর, কালিপদ কুণ্ডু সেই ডায়েরিটা ফেরত দিয়ে যেতে পারেনি। তার আগেই রঘুবীরের বাকরোধ হয়ে যায়। পরদিন তিনি মারা যান। এ সব কথাই আমরা সাকামস্ট্যানশিয়াল এভিডেন্স থেকে প্রমাণ করব। সেই মারাত্মক ‘ডেড ম্যানস ডায়েরি’র জোরে কালিপদবাবু বিগত কয়েক বছর ধরে ব্ল্যাকমেলিং করে আসছিলেন। ঘটনার রাত্রেও আসামীর কাছে খুচরো নোটে পাঁচ হাজার টাকা ছিল এটা আমরা প্রমাণ করব বলে আশা রাখি। ঐ রকম একটা অন্ধকার নির্জন স্থানে আসামী কালিপদকে টাকার লোভ দেখিয়ে টেনে আনে।’ ….এর পর স্বচক্ষে দেখতে পাবে, প্রত্যক্ষদর্শী সাক্ষীরা হলফ নিয়ে কী দারুণ আজগুবি গল্প শুনিয়ে যাবে। সব শেষে অটোন্সি-সার্জেন যদি প্রমাণ করতে পারেন যে, ফেটাল বুলেটটা KB 173498 থেকে নিক্ষিপ্ত, এবং প্রমাণ হয় সেটা তোমার, তুমি সেটা ডাস্টবিনের ভিতর ফেলে রাতারাতি কলকাতা ছেড়ে পালাবার চেষ্টা করেছিলে, তাহলে আমি তো ছাড়, আমার গুরু এ. কে. রে বার-অ্যাট-ল’ও তোমাকে ফাঁসির দড়ি থেকে বাঁচাতে পারবেন না।’

    অনির্বাণ দুই হাতে নিজের মুখ ঢাকল।

    —তুমি কি তোমার আষাঢ়ে গল্পটা এবার বদল করবে, অনিবার্ণ?

    মুখ থেকে হাত সরল না। অনির্বাণ দু’দিকে মাথা নাড়ল।

    —অল রাইট! অ্যাজ য়ু প্লীজ!

    হঠাৎ মুখ তুলে তাকালো অনিবার্ণ, আপনি কি আমাকে ত্যাগ করে যাচ্ছেন স্যার?

    —সার্টেনলি নট! না হয় একটা কেসে হারব। তাতে কী?

    —আমাকে গিলটি প্লীড করতেও বলছেন না?

    —নিশ্চয় না। যদি তুমি স্বহস্তে খুনটা না করে থাক।

    —থ্যাঙ্কু, স্যার।

    দু’জনেই কিছুক্ষণ চুপচাপ।

    তারপর বাসুসাহেব হঠাৎ বলে ওঠেন, কাম অন! লেটস স্টার্ট অ্যাফ্রেশ! এস, নতুন করে খেলাটা শুরু করা যাক। তুমি এ পর্যন্ত একটাও অনার্স-কার্ড আমার হাতে দাওনি। সবই দুরি- তিরি, পাঞ্জা-ছক্কা। তা বলে তো খেলার টেবিল ছেড়ে উঠে যাওয়া যায় না। এধবে দু-একটা প্রশ্নের জবাব দাও। প্রথম প্রশ্ন : ‘ডেড ম্যানস ডায়েরি টা কার, তা ও. বলেনি? সেটা তুমি ওর পকেট থেকে উদ্ধার করতে পারনি?

    —আজ্ঞে না। আপনার দুটো প্রশ্নের জবাবই : না।

    —কিংশুকের বিষয়ে ওর সঙ্গে তোমার যেসব কথাবার্তা হয়েছিল, সে বিষয়ে কালিপদ কুণ্ডুর কোনও হাতচিঠি, বা কোনও এভিডেন্স কি তোমার কাছে নেই?

    —আজ্ঞে না।

    —থার্ডলি : হাজরা রোডের মোড়ের পাবলিক টেলিফোন বুথ থেকে তুমি দু-দু’বার ফোন করেছিলে। প্রথমবার একটা কাগজ দেখে-দেখে; দ্বিতীয়বার ও’পক্ষের কথা শুনে একটা কাগজে লিখে নিয়েছিলে। সেই কাগজের টুকরো দুটো কোথায়?

    —আমি নষ্ট করে ফেলেছি, যাতে পুলিশ আমার সঙ্গে কালিপদ কুণ্ডুকে ‘কানেক্ট’ করতে না পারে।

    —বুঝলাম! নম্বর দুটোর একটাও মনে নেই? অন্তত এক্সচেঞ্জ নাম্বারগুলো?

    অনিবার্ণ নতনেত্রে একটু ভেবে নিয়ে বলল, দ্বিতীয় নম্বরটার কথা কিছুই মনে নেই। তবে প্রথমটার কিছুটা মনে আছে। এক্সচেঞ্জ নাম্বারটা দুই-সংখ্যা না তিন-সংখ্যার, তা মনে নেই, কিন্তু শেষ চারটে অঙ্ক ছিল ওয়ান-এইট-থ্রি-সিক্স!

    —আশ্চর্য! অ্যাদ্দিন পরেও তা তোমার মনে আছে?

    —হ্যাঁ, স্যার। আছে। চেষ্টা করে মনে রাখিনি। তবু ভুলতেও পারিনি।

    —চেষ্টা করে মনে রাখনি? তাহলে? তুমি কি হাফ-শ্রুতিধর?

    অনিবার্ণ ম্লান হাসল। বলল, আসলে কী জানেন? কালিবাবুর মুখে শুনে তখনই আমার মনে পড়ে গিয়েছিল, ওটা ঠাকুরের জন্মসাল! 1836 সালটা তো ভোলা যায় না!

    মুখফোঁড় বাসুসাহেব মূক হয়ে গেলেন!

    অনির্বাণের একটা দীর্ঘশ্বাস পড়ে। বলে, আপনি কি কোনই আশার আলো দেখতে পাচ্ছেন না, স্যার?

    বাসু ম্লান হেসে বললেন, এক মিনিট আগেও পাচ্ছিলাম না। আমার হাতে যে শুধুই দুরি- তিরি! কিন্তু শেষ পাতে যে আমার পার্টনার রঙের টেক্কাখানা নামিয়ে দিল, অনিবার্ণ! ঠাকুরের নাম নিয়েছ তুমি! একটা পিঠ তো নির্ঘাৎ আমাদের!

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসমগ্র কিশোর সাহিত্য – নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    Next Article কাঁটায়-কাঁটায় ৫ – নারায়ণ সান্যাল

    Related Articles

    নারায়ণ সান্যাল

    অলকনন্দা – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    আবার যদি ইচ্ছা কর – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    আম্রপালী – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    বিশ্বাসঘাতক – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    সোনার কাঁটা – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    মাছের কাঁটা – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }