Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কাঁটায়-কাঁটায় ৪ – নারায়ণ সান্যাল

    নারায়ণ সান্যাল এক পাতা গল্প520 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    দ্বি-বৈবাহিক কাঁটা – ৫

    ৫

    বলেছিলেন বটে যে, ধাবায় বসে গোস্ত-রুটি চিবাতে হবে সুজাতাকে, বাস্তবে অতটা নিষ্ঠুর হলেন না। গাড়িটা নিয়ে এসে উঠলেন এয়ারপোর্ট হোটেলের ডাইনিং রুমে। হেড-স্টুয়ার্ড এগিয়ে আসতেই বাসু বললেন, এই দেখ বালটিমোর, কতদূর থেকে তোমাদের টানে আবার এসে পড়েছি।

    অ্যাংলো ইন্ডিয়ান স্টুয়ার্ড ওঁদের যত্ন করে বসালো। খাবারের অর্ডার নিয়ে গেল। খাবার সার্ভ করতে যেটুকু সময় লাগল তার মধ্যে উঠে গিয়ে বাসু বাড়িতে একটা ফোন করলেন। না, কোনও ডেভেলপমেন্ট হয়নি তারপর। থানা কেন অপরাজিতার খোঁজ করছে কৌশিক জানে না। সুজাতা মনে করিয়ে দিল। মামু, আপনার পকেটে সেই চিঠিখানা আছে কিন্তু যা আপনি খুলে পড়েননি।

    বাসু বললেন, মনে আছে আমার। নতুন কোন পার্টি।

    সুজাতা বললে, অনেকদিন পরে আপনার ভুল ধরেছি, মামু। আপনি চিঠির প্রেরককে চিনতে পারেননি। মিনতি দাসী মানে মেরীনগরের সেই মিন্টিদি, যাকে সমস্ত সম্পত্তি উইল করে দিয়ে গিয়েছিলেন পামেলা জনসন। আপনার মনে নেই! মরকতকুঞ্জের মিন্টিদি?

    বাসু বললেন, তাই তো! সেই ‘সারমেয় গেণ্ডুকের’ মিণ্টি। রস, চিঠিখানা এই মওকায় পড়ে নিই।

    ইতিমধ্যে সুজাতার জন্য একটা সিট্রা আর বাসুসাহেবের জন্য বিয়ার এসে গেছে। সঙ্গে ফিঙ্গার চিপস।

    বাসু খামটা খুলে ওর গর্ভ থেকে বার করলেন একটা ফটোগ্রাফ আর মিনতির চিঠি। ফটোটা দেখেই আপন মনে বলে ওঠেন, গুড গড।

    সুজাতার ঝুঁকে পড়ে বলে, কী? কার ফটো?

    বাসু সেটা বাড়িয়ে ধরেন। সুজাতাও বলে, আশ্চর্য কোয়েন্সিডেন্স! আধঘণ্টার মধ্যে দুটি ভিন্ন ভিন্ন সূত্র থেকে একই লোকের ছবি হাতে এল।

    বাসু প্রশ্ন করেন, তুমিও তাহলে চিনতে পারছ?

    —নিশ্চয়ই। সুশোভন রায়ের। যদি না তার যমজ ভাইয়ের হয়।

    —অথবা পরেশ পালের। দাঁড়াও, মিন্টির চিঠিখানা পড়ি।

    যাঁরা মেরীনগরের মিনতি দাসীকে চেনেন না, তাঁদের জানিয়ে রাখা ভাল যে, মিনতি ছিল মিস পামেলা জনসনের শেষ জীবনের সঙ্গিনী, যাঁকে ঐ ভদ্রমহিলা তাঁর সমস্ত সম্পত্তি দিয়ে গিয়েছিলেন। মিনতির লেখাপড়া বিশেষ হয়নি, কিন্তু মনটা সরল। মেরীনগরের সবাই তাকে ভালবাসে। চিঠিখানা মিনতি নিজে লেখেনি। কাউকে দিয়ে লিখিয়েছে। তলায় গোটা গোটা হরফে মিনতির স্বাক্ষরটা আছে। কাগজ সেই মরকতকুঞ্জের মনোগ্রাফ-করা দামী বন্ড পেপার। মিনতি এত কম চিঠি লেখে যে, পামেলা জনসনের সেই সখের কাগজ এখনো শেষ হয়নি।

    মিনতি অশেষ প্রণাম জানিয়ে লিখেছে যে, বাসুসাহেবের পক্ষে কোন কাজই নাকি অসম্ভব নয়। তাই সে একটি ব্যাপারে ওঁর সাহায্যপ্রার্থী। মেরীনগরে মিনতির এক প্রতিবেশী খ্রীস্টান বৃদ্ধ দুদিন আগে মারা গেছেন। তাঁর মৃতদেহ স্থানীয় চার্চের ডেথ-চেম্বারে এমবাম করে রেখে দেওয়া হয়েছে। কারণ এই দুনিয়ায় বৃদ্ধের একটি মাত্র নিকট আত্মীয় আছে। তাঁর পুত্র। সে প্রতিমাসে বৃদ্ধের খোরপোশের টাকা পাঠাতো। বৃদ্ধের নাম জগদীশ পাল। তাঁর পুত্রের নাম কেউ জানে না। তবে মিনতি তাকে দেখলে চিনতে পারবে। মৃত বৃদ্ধের বাক্স ঘেঁটে পুত্রের একটি ফটোগ্রাফ পাওয়া গেছে। ফটোখানা মিনতি চিঠির সঙ্গে পাঠিয়ে দিচ্ছে। মিনতি জানে, কলকাতা বিরাট শহর। সেখানে লক্ষ লক্ষ মানুষের বাস। যার নামটা পর্যন্ত জানা নেই, ফটো দেখে তাকে খুঁজে বার করা অসম্ভব। কিন্তু মিনতি একথাও জানে যে, পি. কে. বাসুর অসাধ্য কাজ কিছুই নেই। একটা মানুষ— ওরই প্রতিবেশী— ডেথ চেম্বারে পচছে, তাকে কবর দেওয়া যাচ্ছে না। খ্রীস্টান না হয়েও এটা মিনতির সহ্য হচ্ছে না। বাসুসাহেব যেন যথাকর্তব্য করেন। অন্তত ওর প্রতিবেশী জগদীশ পালের গোর দেওয়ার ব্যবস্থাটা যাতে ত্বরান্বিত হয়।

    বাসু বলেন, ব্যস, উঠে পড় সুজাতা। এখনি মেরীনগর যাব।

    সুজাতা বলে, ও মা সেকি! আপনি আইসক্রিমের অর্ডার দিয়েছেন যে, বিল এখনো আসেনি—

    বাসু বলেন, আইসক্রিমটা ক্যানসেল করে দিই, বিল দিতে বলি, কি বল?

    —না। আপনি একা মেরীনগর যান। তবে যাবার আগে বিল মিটিয়ে যাবেন। আমি মিনিবাসে বাড়ি ফিরে যাব।

    —এ তো তোমার রাগের কথা।

    —রাগের কথা তো বটেই। মুখের সামনে থেকে কেউ আইসক্রিম কেড়ে নিলে কি অনুরাগের কথা বার হয় মুখ দিয়ে?

    অগত্যা আরও আধঘণ্টা দেরি হল। মেরীনগর এ পথেই যেতে হয়। জাগুলিয়ার মোড় থেকে বাঁক মেরে। কল্যাণীর কাছাকাছি। মেরীনগরে মিস পামেলা জনসনের মৃত্যুরহস্যের কিনারা করতে এসেছিলেন সত্তরের দশকে। পুরানো আমলের অনেকেই অবশ্য নেই— ডাক্তার পিটার দত্ত, মিস ঊষা বিশ্বাস ইত্যাদি। কিন্তু মিনতি আছে। তার চিঠি পেয়েছেন। হয়তো ডক্টর প্রীতম ঠাকুরও আছে। সে বলেছিল মেরীনগরেই ডাক্তারি প্র্যাকটিসে বসবে।

    মরকতকুঞ্জে যখন গিয়ে পৌঁছলেন তখন বেলা সাড়ে তিনটে। এবার কিন্তু সারমেয় গর্জন শুনতে পেলেন না। মিনতি বাসুসাহেবকে দেখে দারুণ উচ্ছ্বসিত। ওঁদের দুজনকে যত্ন করে বৈঠকখানায় নিয়ে গিয়ে বসালো। প্রথম প্রশ্নই জিজ্ঞেস করল : কী খাবেন বলুন? আজ রাতে এখানেই খেয়ে যেতে হবে কিন্তু!

    বাসু বললেন, তা হয় না, মিনতি। আমি বরং বিকালবেলা তোমার কাছে চা পান করে যাব। তোমার চিঠিখানা আজই পেয়েছি, তৎক্ষণাৎ আমি ছুটে এসেছি; কারণ আমার মনে হচ্ছে, এ আমার কাজিন-ব্রাদার জগদীশদা, দেখলে চিনতে পারব। তোমার সঙ্গে চার্চের ফাদারের আলাপ আছে?

    —থাকবে না? চার্চটা গড়ে দিয়েছিলেন তো এই মরকতকুঞ্জেরই মিস জনসনের বাবা, আমি সেই মরকতকুঞ্জেই থাকি। যদিও আমি খ্রীষ্টান নই, তবু উনি আমাকে খুব ভালভাবেই চেনেন, স্নেহ করেন, চলুন, আমিই নিয়ে যাব।

    —বস, তার আগে জগদীশ পাল সম্বন্ধে তুমি কতটুকু কী জান বল দিকিন। আমি বুঝে নিতে চাই এই আমাদের সেই জগদীশদা কি না।

    মিনতি বললে, আমি বাজি রেখে বলতে পারি তা নয়। কারণ জগদীশ পাল নিতান্ত গরিব ঘরের ছেলে। যৌবনে এই মরকতকুঞ্জেই বাগানের মালির কাজ করেছে। এখানকারই মানুষ। বিয়ে করে। একটি ছেলেও হয়। তারপর বউ-ছেলেকে ফেলে ও পালিয়ে যায়! ও আপনার দূরসম্পর্কের ভাই হতেই পারে না।

    —এ সব কথা তোমাকে কে বলেছে?

    —ঐ জগদীশ বুড়োই বলেছে। যখন মদের ঝোঁকে পুরানো দিনের গল্প করতে বসত।

    শোনা গেল স্ত্রী ও শিশুপুত্রকে ফেলে জগদীশ পালিয়ে যায়। মিস জনসন স্বামীত্যক্তাকে মালির ঘরেই থাকতে দেন। দীর্ঘ পঁচিশ বছর পর জগদীশ যখন ফিরে আসে তখন তার স্ত্রীও মারা গেছে, মিস জনসনেরও দেহান্ত হয়েছে। ছেলেটা কোথায় গেছে কেউ জানে না।

    সব কথা শুনে মিনতির দয়া হয়। জগদীশ বলেছিল, অর্থাভাবে জর্জরিত হয়ে কাউকে কিছু না বলে সে টাকা রোজগার করতে বোম্বাই চলে যায়। সেখান থেকে খালাসি হয়ে জাহাজ চেপে বিদেশে। বিভিন্ন দেশে সে ঘুরেছে। এখন ষাট বছর বয়সে সে চাকরি থেকে অবসর পেয়ে দেশে ফিরে এসেছে। মিনতির দয়ার শরীর। আউট-হাউসের সাবেক পোড়ো ঘরেই বৃদ্ধকে থাকতে দেয়। লোকটা কুকুর ভালবাসতো। সে একটা কুকুর পুষতে শুরু করে। রোজ সকাল-সন্ধ্যায় কুকুরকে চেন দিয়ে বেঁধে বুড়ো বেড়াতে নিয়ে যেত। একাই থাকত। তামাক খেত। মাঝে মধ্যে

    মদ্যপানও করত।

    বাসু বলেন, একটা কথা, ওর বাড়ি ভাড়া লাগত না। ইলেকট্রিক বিলও দিতে হত না; কিন্তু ও দুবেলা খেত কী করে? উপার্জন করত কিছু?

    —আজ্ঞে না। জাহাজ কোম্পানি থেকে ওর নামে মাঝে মাঝে মানি অর্ডারে পেনশন আসত। দু-চারমাস অন্তর। কখনো দুশো, কখনো পাঁচশো।

    বাসু বললেন, তার মানে তুমি কিছুই জান না। জাহাজ কোম্পানি মানি অর্ডারে কাউকে পেনশন পাঠায় না। অবসরপ্রাপ্তকে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খুলতে বলে এবং অ্যাকাউন্ট-পেরি চেক বা ড্রাফটে পেনশন দেয়। তাতে খরচ পড়ে কম। দ্বিতীয়ত, পেনশন মাসে মাসে আসে। দু-চার মাস অন্তর নয়। তৃতীয় কথা, পেনশনের পরিমাণ দুশো পাঁচশ হয় না। হতে পারে প্রতিমাসে দুশো তের টাকা, অথবা পাঁচশ সাতটাকা। তুমি বরং দেখ, প্রীতম সিং ঠাকুর তার বাড়িতে আছে কি না।

    খবর পেয়ে ডক্টর প্রীতম সিং ঠাকুর দেখা করতে এলেন। জানা গেল, ডক্টর ঠাকুর এই মরকতকুঞ্জের একান্তে একটা তিন কামরা বাড়ি তৈরি করে এখানেই প্র্যাকটিসে বসেছেন। ওর ছেলে রাকেশ আছে আমেরিকায়। সেখানেই বিয়ে-থা করেছে। কিন্তু ওর ছোট মেয়ে আজও অবিবাহিতা। এম. এ., বি. এড. করে স্থানীয় স্কুলে পড়ায়। ও ডক্টর ঠাকুরের দেখভাল করে। কিছুটা পুরানো দিনের স্মৃতিচারণের পর বাসুসাহেব জানতে চাইলেন, ডক্টর প্রীতম ঠাকুর জগদীশ পাল সম্বন্ধে কী জানেন।

    প্রীতম বলে, শেষ থেকে শুরু করি। লোকটা ছিল হার্ট-পেশেন্ট। আমার চিকিৎসাতেই ছিল। মারা গেছে দিন-তিনেক আগে। শুনেছি, যৌবনে সে এই মরকতকুঞ্জের মালি ছিল। বিয়ে করেছিল। তারপর বৌ আর শিশুপুত্রকে ফেলে পালায়। বোম্বাই ডকে গিয়ে খালাসির চাকরি নেয়। দেশ-বিদেশ ঘুরে বছর পাঁচেক আগে লোকটা ফিরে আসে। এসবের সত্যি-মিথ্যা জানি না, পালবুড়োর কাছেই শোনা কথা। মেরীনগরের অনেক প্রাচীন ব্যক্তিই ওকে সেই জগদীশ মালী বলে চিনতে পারেন। মিনতি ওকে ঐ আউট-হাউসে বিনা ভাড়ায় থাকতে দেয়।

    বাসু বলেন, বুঝলাম। ওর বাড়ি ভাড়া লাগত না, ইলেকট্রিক বিল মেটাতে হত না। কিন্তু ও খেত কী? ওর উপার্জন কী ছিল?

    প্রীতম মিনতির দিকে ফিরে বললে, তুমি কী জান?

    মিনতি বলে, জগদীশ তো বলত, জাহাজ কোম্পানি ওকে পেনশন পাঠাতো!

    প্রীতম বাসুসাহেবের দিকে ফিরে বললে, লোকটা ছিল ধূর্ত। ঐ রকম একটা খবরই সে রটিয়েছিল। মাঝে মাঝে ওর কাছে মানি-অর্ডারে টাকা আসত ঠিকই; কিন্তু পেনশন নয়!

    —তুমি কেমন করে জানলে?

    —নিতান্ত ঘটনাচক্রে। বছরখানেক আগে একবার ওর নামে যখন একটা মানি অর্ডার আসে তখন ও জ্বরে বেহুঁশ। মানি-অর্ডার পিয়নও আমার পেশেন্ট। টাকাটা আমাকে দিয়ে গেল। শ- চারেক টাকা। কোন জাহাজ কোম্পানি ওকে পেনশন দিচ্ছে না। পাঠাচ্ছে ব্যক্তিবিশেষ। মনে হল, প্রেরকের ঠিকানাটায় গোঁজামিল আছে। কুপনটা বাংলায় লেখা। প্রেরক বুড়োকে কোনও সম্বোধন করেনি। জানিয়েছিল যে, তার সে সময় টানাটানি যাচ্ছে, মাস তিনেক আর টাকা পাঠাতে পারবে না। বুড়ো যেন ঐ চারশ টাকায় তিন মাস চালিয়ে নেয়। নাম সই করেছিল ‘প’!

    —আই সি! তোমার সন্দেহ হল নিশ্চয়।

    —তা তো হলই। জগু আমার চিকিৎসাতেই ছিল। ভাল হয়ে ওঠার পর টাকা আর কুপন ওকে দিই। বলি, জগু! এই ‘প’-টি কে? সে কি তোমাকে ব্ল্যাকমেলিংয়ের খেসারতি টাকা পাঠাচ্ছে?

    ও একেবারে লাফিয়ে ওঠে। বলে, ‘না ডাক্তারবাবু। ‘প’ আমার ছেলে— পরেশ ছোট্টবেলায় তাকে মায়ের কোলে ফেলে চলে গেছিলাম তো? তাই সবার কাছে স্বীকার করতে লজ্জা করে। ও বুড়ো বাপকে ক্ষমা করেছে। যখন যা পারে পাঠায়।’ জগু আমাকে অনুরোধ করেছিল ব্যাপারটা গোপন রাখতে। তাই আমি কাউকে কিছু জানাইনি। এখন ওর দেহান্ত হয়েছে। তাই সব কথা খুলে আপনাকে বললাম।

    বাসু মিনতিকে প্রশ্ন করেন, জগদীশের মৃত্যুর পর ওর ঘরে কি কেউ ঢুকেছে? পরেশ তো আসেইনি। এলে বাপের সমাধি হয়ে যেত।

    মিনতি জানাল, ঘরটা তালাবন্ধ পড়ে আছে। চাবি তার কাছে।

    —চাবি নিয়ে এস। আমি ঘরটা একবার দেখব। তারপর চার্চে যাব। কেমন? আর শোন তোমার মালিকে বল, আমাকে একটা ছোট্ট ফুলের ‘ব্যুকে বানিয়ে দিতে। চার্চে গিয়ে জগুদার বুকপকেটে গুঁজে দিয়ে আসব।

    প্রীতম বলে, ও লোকটা আপনার কাজিন ব্রাদার না হতেও পারে। ইন ফ্যাক্ট, না হবার সম্ভাবনাই বেশি।

    —নাই বা হল। তাই বলে যে লোকটা দুনিয়ার মায়া কাটিয়ে চলেই গেছে তাকে কি একটা গোলাপ উপহার দেওয়া যায় না? জাস্ট আউট অব পিটি?

    প্রীতম বলল, য়ু আর পার্ফেক্টলি কারেক্ট, স্যার। আমি তাহলে চলি। মীনার স্কুল থেকে ফেরার সময় হয়ে এল।

    প্রীতম ঠাকুর নিজের বাড়ির দিকে রওনা হল। মিনতি গেল ভিতরবাড়িতে আউট-হাউসের চাবির খোঁজে। সুজাতা এতক্ষণ চুপচাপ বসে ছিল। এবার বলে, আপনি এবার কি মর্গে যাবেন?

    বাসু বলেন, যাব। ‘মর্গে’ নয়, ওটা চার্চের ‘ডেথ-চেম্বার’। গৌরবে ‘ক্যাটাকুম্ব’ও বলতে পার।

    সুজাতা বলল, সে যাই হোক, আমি বাপু ঐ মৃত্যুপুরীতে যেতে পারব না।

    বাসু বললেন, এই জন্যেই বলেছিলাম তুমি তোমার মামিমার কাছে থাক, আমি কৌশিককে নিয়ে আসি। সে যা হোক, তোমার ভ্যানিটি ব্যাগে যে পিংক রঙের লিপস্টিকটা আছে, ওটা বার করে আমাকে দাও দেখি?

    সুজাতা আঁৎকে ওঠে, লিপস্টিক! আপনি কী করবেন?

    বাসু ধমকে ওঠেন, আরে এ তো মহা জ্বালা! সব কিছুরই কৈফিয়ৎ চায়। লিপস্টিক নিয়ে আবার কী করব? সবাই যা করে, তাই। ঠোঁটে মাখব! দাও, দাও, ক্যুইক! এখনি মিনতি এসে যাবে।

    একটু পরেই মিনতি চাবিটা নিয়ে ফিরে এল। তার হাতে দুটো ফুলের ব্যুকে

    বাসু বলেন, দুটো কেন? তুমিও একটা ফুলের ব্যুকে জগদীশকে দেবে নাকি?

    —আজ্ঞে না। ঐ চার্চেই তো ম্যাডামের সমাধি আছে। চার্চে গেলেই আমি তাঁর জন্য কিছু ফুল নিয়ে যাই।

    ওঁরা তিনজনে প্রথমে গেলেন আউট-হাউসে, জগদীশ পালের তালাবন্ধ ঘরে। কুকুরটা এখন নেই। তাই কোনও সারমেয় প্রতিবাদ শুনতে হল না। ছোট্ট এক কামরা ঘর। সংলগ্ন বারান্দাতে রান্নার আয়োজন। ঘরে একটা নেয়ারের খাটিয়া। ময়লা তোষক, চাদর, বালিশ। একটা প্যাকিং বাক্স। সেটা ছিল ওর টেবিল। লেখাপড়ার জন্য নয়, জিনিসপত্র রাখার। নস্যির ডিবে, গ্লাস, মাটির ভাঁড় অর্থাৎ অ্যাশট্রে। ঘরের বিপরীত অংশে একটা দেওয়াল আলমারি। পাল্লা নেই। তিন সারি কাঠের তাক। তাতে জগদীশের কিছু জামাকাপড়, কিছু বাসনপত্র— অধিকাংশ‍ই অ্যালুমিনিয়ামের বা হিন্ডেলিয়াম। নিচের তাকে কিছু খবরের কাগজ। বাসু মিনতির কাছে জানতে চাইলেন, জগদীশ কি খবরের কাগজ পড়ত?

    —আজ্ঞে না। এগুলো ডাক্তারবাবুর বাড়ি থেকে ও চেয়ে আনত। পুরানো কাগজ। আমার বামুনদির কাছ থেকে ময়দার আঠা বানিয়ে আনত। ঠোঙা বানাতো। দোকানে বেচে আসত। যা দুপয়সা বাড়তি রোজগার হয় আর কি।

    সুজাতা ঘরে ঢোকেনি। বাইরেই অপেক্ষা করছিল। বাসু খুঁটিয়ে দেখছিলেন ঘরের সবকিছু। হঠাৎ মিনতির দিকে ফিরে বললেন, তুমি ওর ছেলের একটা ফটো পেয়েছিলে। সেটা কোথায় পেয়েছিলে?

    —ওর খাটিয়ার নিচে ঐ দেখুন একটা টিনের স্যুটকেস আছে। ঐটা থেকে।

    বাসু নিচু হয়ে দেখলেন। হ্যাঁ, সেখানে একটা স্যুটকেস আছে বটে। টেনে আনলেন সেটাকে। তার ভিতরে জগদীশের কিছু জামাকাপড়, একটা পেনসিল, একটা বাতিল চশমা, দেশলাই, কিছু বিড়ি, দুটো শাদা পোস্টকার্ড, আর এক কপি ইংরেজি পত্রিকা : ‘বিজনেস ওয়ার্ল্ড’। প্রায় চার বছরের পুরানো। বাসু মিনতিকে জিজ্ঞেস করলেন, জগদীশ কি ইংরেজি জানত?

    মাথা নেড়ে মিনতি বলল, না, নিশ্চয় না!

    —দেন দিস ইজ মোস্ট ইনকম্প্যাটিবল অ্যান্ড মিস্টিরিয়াস!

    —আজ্ঞে?

    সুজাতা দ্বারের কাছ থেকেই কথোপকথন শুনছিল। বললে, হয়তো ডাক্তারসাহেবের বাড়ি থেকে ছবি দেখতে পত্রিকাটি এনেছিল। তারপর আর ফেরত দেওয়া হয়নি।

    বাসু বললেন, এটা যদি স্টার ডাস্ট, ডেবনেয়ার, ইলাসট্রেটেড উইকলি বা স্পোর্টস-ওয়ার্ল্ড হত তাহলে হয়তো মেনে নিতাম। তাছাড়া ডক্টর ঠাকুরই বা বিজনেস ওয়ার্ল্ড কিনবে কেন? এটা তো ওর লাইনের নয়।

    —হয়তো শেয়ার কেনাবেচার ঝোঁক আছে।

    —নাঃ। খুঁটিয়ে দেখতে হচ্ছে পত্রিকা।

    মিনতি বললে, কী দরকার? ওটা আপনি সঙ্গে করে নিয়েই যান না হয়। এমনিতে আমিও তো সব কিছু ঝেঁটিয়ে আঁস্তাকুড়েই ফেলে দেব।

    বাসু পাতা উল্টাচ্ছিলেন। হঠাৎ একটা পাতায় দৃষ্টি আটকে গেল ওঁর। তৎক্ষণাৎ বললেন, সেই ভাল। এটা নিয়েই যাই।

    চার্চটা মরকতকুঞ্জের থেকে দূরে নয়। চার্চ গেটের বাইরে সড়কের ওপর গাড়িটা রেখে ওঁরা তিনজনে পদব্রজে এগিয়ে গেলেন। মিনতি একটি ফুলের তোড়া বাসুসাহেবের দিকে বাড়িয়ে ধরে বললে, নিন ধরুন। ম্যাডামের কবরে আপনিই এটা দেবেন।

    বাসু বলেন, বাঃ! আমি কেন? তুমিই তো বরাবর দাও।

    —আমি তো প্রায়ই আসি। ওঁর কবরে ফুল দিই। আপনি অনেক-অনেক দিন পর আজ এসেছেন আমার ইচ্ছাপূরণের জন্য। কিন্তু মেরীনগরে প্রথম এসেছিলেন ম্যাডামের ইচ্ছাপূরণের জন্য। তাই নয়?

    ‘ইচ্ছাপূরণ।’ বাসুসাহেবের মনে পড়ে গেল সব কথা। ততক্ষণে ওঁরা এসে উপস্থিত হয়েছেন সেই বিশেষ সমাধির কাছে। সমাধি ফলকে লেখা আছে : ‘SACRED TO THE MEMORY OF/…PAMELA HARRIET JOHNSON/ …DIED MAY 1, 1970/…’THY WILL BE DONE’.

    ‘দাই উইল বি ডান’– ‘তোমারই ইচ্ছা হউক পূর্ণ করুণাময় স্বামী। ‘

    বাসুসাহেব মাথা থেকে টুপিটা আগেই খুলেছিলেন। এবার ফুলের ব্যুকেটা নামিয়ে দিলেন সমাধির পাদমূলে।

    ফাদার মার্লো মিনতির কাছে সব কিছু শুনে খুব অবাক হয়ে গেলেন। ইংরেজিতে বললেন, আমি নিশ্চিত, আপনি ভ্রান্ত ধারণার বশবর্তী হয়ে এতদূর এসেছেন ব্যারিস্টার সাহেব। জগদীশ পাল ভিন্ন শ্রেণীর মানুষ, যাকে বলে নির্ভেজাল ‘হ্যাভ নট’! ও কোন ব্যারিস্টারের কাজিন-ব্রাদার হতেই পারে না।

    বাসু হেসে বলেন, এতটা পেট্রল পুড়িয়ে এসেছি। দেখে যাব না? আপনি যদি অনুমতি করেন…

    —ও শ্যিওর! আসুন আপনি আমার সঙ্গে। তা এঁরা দুজন…?

    —না, ওরা এখানেই অপেক্ষা করুক। আমরা দুজনেই শুধু যাব। কিন্তু তার আগে আমি কিছু বড় ক্যান্ডল স্টিক কিনতে চাই। মা মেরীর মূর্তির সামনে দেব বলে।

    —নিশ্চয়, নিশ্চয়! আসুন ভিতরে।

    মা মেরীর মূর্তির পাদদেশে মোমবাতি জ্বেলে দিয়ে বৃদ্ধ ফাদারের পিছু পিছু বাসুসাহেব এগিয়ে গেলেন চার্চের নিচে ভূগর্ভস্থ ‘ডেথ-চেম্বারে। কবরস্থ করার আগে মৃতদেহ এখানে রাখা থাকে। আপাতত মৃতদেহ মাত্র একটিই ছিল। সেটি আপাদমস্তক একটা শাদা চাদরে ঢাকা। ফাদার মোমবাতিটি বাড়িয়ে ধরলেন। তারপর ধীরে ধীরে মৃতের মুখের আবরণটি সরিয়ে দিলেন। বাসু ঝুঁকে পড়ে বেশ কিছুক্ষণ খুঁটিয়ে দেখলেন। তারপর বললেন : থ্যাংকস, ফাদার, আমার দেখা হয়েছে।

    —আপনার কাজিন-ব্রাদার নয় তো?

    —না ‘কাজিন’ নয়। নেভারদিলেস্ হি ইজ মাই ব্রাদার। এঁকে কবরস্থ করার যাবতীয় ব্যয়ভার আমি বহন করব। মোটামুটি ভদ্র ব্যবস্থায় ক্রিশ্চিয়ান সমাধিতে যা খরচ পড়ে!

    ফাদারের ভ্রূকুঞ্চন হল। বলেন, আপনি কি ক্রিশ্চিয়ান নন?

    —নো ফাদার! আয়াম এ হিন্দু!

    —আশ্চর্য! তাহলে কেন এ খরচ দিচ্ছেন? বিশেষ এ লোকটা যখন আপনার কাজিন ব্রাদার নয়?

    বাসু মোমবাতির মৃদু আলোয় হাসলেন। বললেন, কাজিন না হওয়ার অপরাধে ঐ মৃত ভ্রাতাটিকে প্রত্যাখ্যান করে যাওয়া বিশ্বভ্রাতৃত্বকে অবমাননা করা হত না কি?

    ফাদার মার্লো বুকে ক্রুশচিহ্ন এঁকে অস্ফুটে বললেন, গড ব্লেস য়ু, মাই চাইল্ড।

    বাসু বললেন, ও হো! একটা ভুল হয়ে গেছে। কাজিন জগদীশের জন্য একটা ছোট্ট ফুলের ‘ব্যুকে এনেছিলাম। সেটা আমার ভাগ্নীর কাছে রয়ে গেছে।

    মার্লো বললেন, এই মাত্র বিশ্বভ্রাতৃত্ব নিয়ে আপনি যে কথাটা বলেছেন তাতে আমি আপনার ইচ্ছাপূরণ করব। একটু অপেক্ষা করুন। আমি ব্যুকেটা নিয়ে আসছি। এখানে একা একা….

    —সার্টেনলি নট! এ কক্ষটা তো স্বর্গতোরণের সম্মুখে ওয়েটিং রুম মাত্র। আমি অপেক্ষা করব। কোন অসুবিধা হবে না আমার।

    আর একটি মোমবাতি জ্বেলে বাসুসাহেবের হাতে ধরিয়ে দিয়ে আলখাল্লাধারী ধীর পদক্ষেপে ফিরে চললেন।

    ফাদার মার্লো দৃষ্টিপথের বাইরে যাওয়া মাত্র বাসুসাহেব পকেট হাতড়ে বার করলেন তাঁর নোটবই আর সুজাতার লিপস্টিক। ক্ষিপ্রহস্তে মৃত জগদীশ পালের মৃত্যুশীতল দশটি আঙুলের ছাপ একে একে উঠে এল ওঁর নোটবইতে। আঙুল থেকে লিপস্টিকের দাগ মুছে দিয়ে আবার হাত দুটি শাদা চাদরের তলায় চালান করে দিলেন। আপাদমস্তক ঢাকা দেওয়া থাকল মৃতদেহ

    ফাদার মার্লো ফুলের ‘ব্যুকে’ টা নিয়ে একটু পরেই ফিরে এলেন। বাসু জগদীশের চাদরটা সরিয়ে ওর হাফশার্টের বুক পকেটে ফুলটা লাগিয়ে দিলেন। তারপর দুজনে ফিরে এলেন অফিসে। গরিব ঘরের একটি খ্রীস্টানের মরদেহ ভদ্রভাবে সমাধিস্থ করতে যা খরচ হয় সে অর্থ বাসুসাহেব একটি চেক কেটে ফাদার মালোকে দিলেন। ফাদার বিদায়কালে বললেন, আমি শুনেছি, এই জগদীশ পালের একটি পুত্রসন্তান আছে, তাকে খবর দেওয়া যায়?

    বাসু বললেন, না ফাদার। যায় না। আমি জানি, কাজিন জগদীশের সেই ছেলেটি সম্প্রতি মারা গেছে। ও আমার কাজিন নয় বটে, কিন্তু সম্পূর্ণ অপরিচিতও নয়।

    প্রত্যাবর্তন পথে মিনতির বাড়িতে চা-পান করতেই হল।

    * * *

    ফেরার পথে বাসু একটা পেট্রল পাম্পে দাঁড়িয়ে গাড়িতে আবার কিছু পেট্রল ভরে নিলেন। ঐ সুযোগে পর পর দুটো ফোন করলেন কলকাতায়। রানী দেবী জানালেন ইতিমধ্যে বলবার মতো কোনও খবর জমেনি। কৌশিক বাড়ি নেই। কোথায় কোথায় ঘুরছে। বিরাটিতে নির্মলার বাড়িতে ফোন করলেন। নির্মলাই ধরল। জানালো, ইতিমধ্যে থানা থেকে পুলিশ এসেছিল। অপরাজিতার বিষয়ে অনেক খোঁজ-খবর নিয়ে গেছে তারা। –না, জিতা দুপুরে লাঞ্চ করতে আসেনি। নির্মলার স্বামী সুশোভনও কোন ফোন-টোন করেনি। তা সেটা ওর স্বভাবও নয়। কোনকালেই ট্যুরে গেলে বাড়িতে ফোন করে না।

    বাসু সুজাতাকে বললেন, হয় পুলিশ মৃতদেহটা শনাক্ত করতে পারেনি, অথবা ইচ্ছে করেই খবরটা নির্মলাকে জানায়নি। কিন্তু অপরাজিতার পাত্তা পুলিশ পেল কী করে?

    সুজাতা এ প্রশ্নের কোনও উত্তর দিল না। বাসু যতক্ষণ টেলিফোন করছিলেন ততক্ষণ সে ঐ ‘বিজনেস ওয়ার্ল্ড’ পত্রিকাটি উল্টেপাল্টে দেখছিল। এখন প্রশ্ন করে, মামু : আপনি এ পত্রিকার মধ্যে কী একটা দেখেছেন, যা আমার নজরে পড়ছে না। কী বলুন তো?

    —কিছু একটা যে দেখেছি তাই বা তুমি ধরে নিচ্ছ কেন?

    —প্রথম কথা, পাতা ওল্টাতে ওল্টাতে আপনাকে চমকে উঠতে স্বচক্ষে দেখেছি। দ্বিতীয় কথা, কিছু একটা সূত্র না পেলে আপনি এ পত্রিকাটি সঙ্গে নিয়ে আসতেন না। বলুন ঠিক কি না?

    বাসু গাড়ি চালাতে চালাতেই বললেন, বলছি। তার আগে বলতো, সুশোভন রায় ওরফে পরেশ পালের মৃতদেহটা কোথায় পাওয়া গেছে?

    —বিরাটি পার হয়ে বারাসতের দিকে যেতে এক ধনকুবেরের বাগানবাড়ির গেটের কাছে জঙ্গলের ভিতর।

    —হুঁ। সেই ধনকুবেরের নামটা কী?

    —গুড গড! তাইতো! নামটা মনে ছিল না বলেই এতক্ষণ ধরতে পারিনি। এই ইস্যুর ‘বিজনেস ওয়ার্ল্ড’-এর কাভার স্টোরিটাই তো ঐ ইন্দ্রনারায়ণ চৌধুরীর উপর।

    বাসু বললেন, অদ্ভূত কোয়েন্সিডেন্স, নয়? বাপ আর বেটা মারা গেল আটচল্লিশ ঘণ্টার এদিক-ওদিক। ছেলের মৃতদেহ পাওয়া গেল যে ধনকুবেরের প্রমোদভবনের দ্বারপ্রান্তে সেই লোকের কাভার স্টোরি-সুশোভিত ইংরেজি ম্যাগাজিন পাওয়া গেল তার বাপের স্যুটকেসে যে বাপ ইংরেজি জানে না।

    ‘কিউরিঅসার অ্যান্ড কিউরিঅসার।’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসমগ্র কিশোর সাহিত্য – নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    Next Article কাঁটায়-কাঁটায় ৫ – নারায়ণ সান্যাল

    Related Articles

    নারায়ণ সান্যাল

    অলকনন্দা – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    আবার যদি ইচ্ছা কর – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    আম্রপালী – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    বিশ্বাসঘাতক – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    সোনার কাঁটা – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    মাছের কাঁটা – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }