Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কাঁটায়-কাঁটায় ৪ – নারায়ণ সান্যাল

    নারায়ণ সান্যাল এক পাতা গল্প520 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    দ্বি-বৈবাহিক কাঁটা – ৬

    ৬

    পরদিন ঘুম ভাঙতে ওঁর কিছু বেলা হল। বাইরে অকাল বর্ষণ হচ্ছে। প্রাতঃভ্রমণ আজ বাদ দিতে হয়েছে। প্রাতঃরাশ টেবিলে কৌশিককে না দেখতে পেয়ে সুজাতাকে প্রশ্ন করেন, তোমার কতাটি কোথায়?

    —কাল অনেক রাত করে ফিরেছে। আবার আজ খুব সকালেই বেরিয়ে গেছে, বলেছে লাঞ্চে আসবে, একটা নাগাদ।

    —ও কি ফিঙ্গার প্রিন্টগুলো নিয়ে গেছে?

    —হ্যাঁ, কালই যত্ন করে ওর অ্যাটাচি কেসে তুলে রাখল।

    এইসময় বেজে উঠল টেলিফোন। বাসু সাড়া দিতেই ভবানীভবন থেকে ইন্সপেক্টর বরাট বললে, সরি টু ডিসটার্ব য়ু, স্যার। আপনার মক্কেল বলছে আপনার অনুপস্থিতিতে সে কোনও প্রশ্নের জবাব দেবে না।

    —আমার মক্কেল! কে আমার মক্কেল?

    —ঐ যে সুন্দরীটির নাম গতকাল আপনি আমাকে জানাতে রাজি ছিলেন না। বললেন, আইনে তার প্রভিশন্স নেই!

    বাসু ক্ষুব্ধ কণ্ঠে বললেন, সরাসরি কথা বলুন ইন্সপেক্টর বরাট! আপনার কথা শুনে মনে হচ্ছে আপনারা একজনকে অ্যারেস্ট করেছেন, যে ক্লেম করছে যে, সে আমার ক্লায়েন্ট। তার নাম কী?

    —মিস অপরাজিতা কর।

    —কোন কেসে তাকে অ্যারেস্ট করা হয়েছে? কী চার্জ?

    —চার্জ তো ফ্রেম হবে পরে। আপাতত তাকে আমরা উঠিয়ে এনেছি কিছু জিজ্ঞাসাবাদ করতে, ঐ ইন্দ্রনারায়ণবাবুর গেটে প্রাপ্ত মৃতদেহটা সম্বন্ধে। তা উনি বলছেন, আপনার উপস্থিতি ছাড়া তিনি কিছুই বলবেন না।

    —অলরাইট। আমি এখনি আসছি!

    টেলিফোনের লাইনটা কেটে দিয়ে বাসু এদিকে ফিরে বললেন, ওরা অপরাজিতাকে স্পর্ট করল কী ভাবে? আশ্চর্য!

    বাসু ভবানীভবনে হোমিসাইড লক-আপে চলে এলেন। অপরাজিতার সঙ্গে জনান্তিকে কথা হল। কোন সূত্র থেকে পুলিশ ওকে সন্দেহ করেছে তা অপরাজিতাও আন্দাজ করতে পারল না। তাকে পুলিশ খুঁজে পায় বেলা পাঁচটা নাগাদ। যে সম্ভাব্য ক্রেতার কাছে ওর যাওয়ার কথা ছিল সেখানে পৌঁছতেই অপেক্ষমাণ পুলিশে ওকে অ্যারেস্ট করে। তবে অপরাজিতা কোন কিছুই স্বীকার করেনি। কোনও জবানবন্দিও দেয়নি।

    বাসু বললেন, দেবে না। ওরা তোমাকে কিছুতেই জামিন দেবে না। তোমাকে ক্রমাগত অনেক প্রলোভন দেখাবে। বলবে, আমরা জানি, আপনি খুন করেননি, আপনি নিরপরাধ, কিন্তু আপনি যেটুকু জানেন তা বলে দিন, এক্ষুনি আপনাকে ছেড়ে দেব। তুমি রাজি হয়ো না! ইন ফ্যাক্ট, তোমার জবানবন্দি এমনি বিচিত্র যে আমারই বিশ্বাস হচ্ছে না। তুমি কি কিছু গোপন করেছ, জিতা? অথবা কিছু মিছে কথা বলেছ?

    অপরাজিতা দৃঢ়স্বরে বললে, না! আমি যা বলেছি তা আপনার কাছে যতই অবিশ্বাস্য মনে হোক, সেটাই সত্য! আদ্যন্ত সত্য!

    —অলরাইট! আমি মেনে নিলাম। আগেও বলেছি, আবারও বলছি, সামান্যতম মিছে কথা বললেও তা তোমার কাছে ‘বুমেরাং’ হয়ে ফিরে আসতে পারে!… ঠিক আছে।

    * * *

    লাঞ্চে খেতে এল কৌশিক। বললে, অনেক খবর জমেছে। একে-একে বলি। প্ৰথম কথা, আপনি যখন হোমিসাইডকে প্রথম টেলিফোনে জানান যে, ইন্দ্রনারায়ণের গেটের কাছে একটি যুবকের মৃতদেহ পড়ে আছে, তার আগেই হোমিসাইড সেটা জেনেছে। আপনি যখন রিপোর্ট করছেন সে সময় ঘটনাস্থলে চার-পাঁচজন অফিসার সরেজমিনে তদন্ত চালাচ্ছে। সার্চ করছে। ফটো তুলছে।

    বাসু বলেন, ফার্স্ট রিপোর্ট কে করে? কটার সময়?

    —আপনি রিপোর্ট করেছিলেন প্রায় সাড়ে এগারোটার সময়, অপরাজিতা এখানে এসে আপনাকে সব কথা বলার পর। কিন্তু সকাল নটা দশ মিনিটে ইন্দ্রনারায়ণ চৌধুরীর বাড়ি থেকে হোমিসাইডকে জানানো হয় যে, ঐ বাড়ির গেটের সামনে একটা মৃতদেহ পড়ে আছে।

    —কে জানায়? ইন্দ্রনারায়ণ?

    —না! ইন্দ্রনারায়ণের একান্ত সচিব। আসলে বাগানের মালিটা দরজার ফাঁক দিয়ে লক্ষ্য করছিল, অপরাজিতার প্রস্থান। হয় যুবতী নারী দেখার লোভে কিংবা দুরন্ত কৌতূহলে। সে দেখে, অপরাজিতা গেটের কাছে গাড়ি থামায়, নেমে আসে, এদিক-ওদিক তাকিয়ে দেখে। তারপর জঙ্গলের ভিতর ঢুকে পড়ে। একটু পরেই ফিরে আসে। মেয়েটির হাতে কী একটা ভারি জিনিস ছিল, সেটা সে তেঁতুল গাছটা লক্ষ্য করে ছুড়ে ফেলে দেয়। গাড়ি চালিয়ে দ্রুত চলে যায়।

    —বুঝলাম। তারপর?

    —মালিটার কৌতূহল হয়। অপরাজিতার গাড়ি চলে যেতেই সে নিজে এগিয়ে আসে তদন্তে। মৃতদেহটাকে আবিষ্কার করে। ঐ সময়েই গাড়ি নিয়ে এসে পড়েন চৌধুরীসাহেবের প্রাইভেট সেক্রেটারি পল্লব চট্টোপাধ্যায়। মালিটা তাঁকে সব কথা জানায়। মৃতদেহটা দেখায়। একটু আগে একটি মেয়ে একটা গাড়ি নিয়ে এসে সাহেবের খোঁজ করছিল, তাও জানায়। মালিটার মনে হয়েছিল, তেঁতুলতলার দিকে মেয়েটি কী একটা জিনিস ছুড়ে ফেলে। সেটা রিভলভারও হতে পারে। মিস্টার চ্যাটার্জি বলেন, তোমরা খোঁজাখুঁজির চেষ্টা কর না, প্রথমেই চল পুলিশে ফোন করে ব্যাপারটা জানাই। যা করার ওরাই করবে।

    বাসু জানতে চান, মালিটার নাম কী?

    —তা জানা হয়নি। খোঁজ নিলেই অবশ্য জানা যাবে।

    বাসু বললেন, বুঝলাম। ফিঙ্গার প্রিন্টের কোন হদিস হল?

    —হয়েছে। গোয়েন্দা দপ্তর ভীষণ কৌতূহলী : আপনি কী করে এই টিপছাপ সংগ্রহ করলেন। হয়তো স্বয়ং আই. জি., ক্রাইম আপনার কাছে জানতে চাইবেন।

    —তার মানে, ফিঙ্গার প্রিন্ট একজন কুখ্যাত দাগী আসামীর? আর্চ ক্রিমিনাল? যাকে পুলিশে এতদিন খুঁজছে?

    —আজ্ঞে না। তাহলে খুলেই বলি। আমি ডিটেকটিভ ডিপার্টমেন্ট থেকে এ তথ্য পেয়েছি, এটুকু জানিয়ে যে, টিপছাপগুলো কার, তা আমি জানি না; কিন্তু যে জানে তাকে জানি। ওরা আন্দাজ করেছে সে ব্যক্তি আপনি। কিন্তু পুলিশের কোন জুনিয়ার স্টাফ আপনাকে অ্যাপ্রোচ করতে সাহস করছে না। আই. জি., ক্রাইম দিল্লি গেছেন। কাল ফিরবেন। হয়তো কাল আপনার সঙ্গে যোগাযোগ করবেন।

    —তুমি কতটুকু কী জানতে পেরেছ?

    কৌশিক দীর্ঘ একটি কাহিনী শোনালো :

    বিশ বছর আগে মুম্বাইয়ের ক্রুফোর্ড মার্কেটে একটা ব্যাঙ্ক ডাকাতি হয় প্রায় দশ লাখ টাকা। পুলিশ ডাকাতদের ধরে; কিন্তু টাকাটার হদিস পায় না। তিনজন মূল আসামীরই যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড হয়। আসামী তিনজনের নাম : বিশ্বনাথ যাদব, জগদীশ পাল আর চাঁদু রায়। একজন বিহারী, দুজন বাঙালি। বছর তিনেক মেয়াদ খাটার পর তিনজনই জেলের পাঁচিল টপকে পালায়। পাঁচিলের বাইরে ডাকাতদলের পার্টির লোক ছিল। জিপ নিয়ে অপেক্ষা করছিল। ঠিক তখনি পাগলা ঘণ্টি বাজে। পুলিশে তাড়া করে। ঘটনাচক্রে সে রাত্রে পুলিশের এক বড়কর্তা জেলখানা পরিদর্শনে এসেছিলেন। তিনিই দু-তিনখানি জিপ নিয়ে ওদের তাড়া করেন। তারপর কিছুটা হিন্দি সিনেমার কেরামতি। দুপক্ষই গুলি চালায়। বিশ্বনাথ যাদব এবং ডাকাতদলের জিপ ড্রাইভার ঘটনাস্থলেই মারা পড়ে। আহত জগদীশ পাল ধরা পড়ে; কিন্তু চাঁদু রায় পালিয়ে যায়। ঐ এনকাউন্টারে একজন কনস্টেবল আর ঐ পুলিশের বড়কর্তাটি মারা যান। ‘সেই থেকে বিভিন্ন স্টেটের পুলিশ এবং সি. বি. আই. আর্চ ক্রিমিনাল চাঁদু রায়কে খুঁজছে। জগদীশ পাল দীর্ঘদিন মেয়াদ খেটে ছাড়া পায়। বোম্বাইয়ের একটা বস্তিতে অতি দীনহীনভাবে বাস করতে থাকে। বছরখানেক নজর রেখে পুলিশের ধারণা হয়, জগদীশের সঙ্গে চাঁদুর কোনও যোগাযোগ বর্তমানে নেই। তাছাড়া অপহৃত ঐ টাকার পাত্তাও জগদীশ জানে না। তারপর হঠাৎ একদিন দেখা গেল, জগদীশ সেই মুম্বাই বস্তি থেকে উধাও। পুলিশের ধারণা, ইচ্ছে করেই বছরখানেক জগদীশ পাল মুম্বাইয়ের ঐ বস্তিতে কৃচ্ছ্রসাধন করেছে। পুলিশের সন্দেহভঞ্জন করতে। আমি কাল আপনার দেওয়া ফিঙ্গারপ্রিন্ট নিয়ে হাজির হবার দুঘন্টার মধ্যে ওরা ঐ ফিঙ্গারপ্রিন্ট শনাক্ত করে। নিঃসন্দেহে জগদীশ পালের। আমাকে খুব চাপাচাপি করে। এটা এভিডেন্স, আমি গোপন করতে পারি না। যেহেতু আমি লাইসেন্সড গোয়েন্দা, ইত্যাদি। আমি বাধ্য হয়ে বলেছি— আমি জানি না, আপনি কোথা থেকে কীভাবে এগুলো সংগ্রহ করেছেন। আপনার নামটা জানিয়ে দেওয়ার পর ওরা আমাকে নিষ্কৃতি দেয়। এখন বেড়ালের গলায় কে ঘণ্টাটা বাঁধবে এই নিয়ে ওরা গবেষণা করছে। সম্ভবত আই. জি., ক্রাইম দিল্লি থেকে ফিরে এসে আপনাকে ফোন করবেন। আমার ধারণা, পুলিশের কেস রেডি। ওরা দু-এক দিনের মধ্যেই আসামীর বিরুদ্ধে চার্জ ফ্রেম করবে।

    —মাইতির হিসাব মতো হত্যাকারী অপরাজিতা কর?

    —তাছাড়া কে? মালিটা স্বচক্ষে দেখেছে তাকে রিভলভারটা ছুড়ে ফেলতে। পুলিশ তেঁতুলতলা থেকে সেটা নিশ্চয় উদ্ধার করেছে। তাতে যদি অপরাজিতার আঙুলের ছাপ থাকে তাহলে তো সোনায় সোহাগা। কারণ, যতদূর মনে হয়, ব্যালিসটিক এক্সপার্ট কম্পারিজিন মাইক্রোস্কোপে প্রমাণ করবেন যে, রিভলভারের এক্সপেন্ডেড বুলেটটা…

    বাসু বাধা দিয়ে বলেন, তোমাকে ও নিয়ে পণ্ডিত্বেমি করতে হবে না। তুমি তোমার কাজ করে যাও। ইন্দ্রনারায়ণের গতিবিধির ওপর তোমার লোক নজর রাখছে তো?

    —হ্যাঁ, ডবল শিফটে।

    —না, ওটা ট্রিপল শিফট করে দাও। তিন-আষ্টা চব্বিশ। সর্বক্ষণ ইন্দ্রনারায়ণ কোথায় থাকছে, কার কার সঙ্গে দেখা করছে, আমি বিস্তারিতভাবে জানতে চাই।

    —সুজাতা বলে, আমি একটা আন্দাজে ঢিল ছুড়ব মামু? ওয়াইল্ড গেস্?

    —ছোড়!

    —আপনি ফর্মুলাটা তৈরি করে ফেলেছেন এভাবে : শ্রীমান চাঁদু রায় ইকুয়াল্ট ইন্দ্রনারায়ণ চৌধুরী!

    বাসু বললেন, উঃ! কী দারুণ গোয়েন্দা! শোন বাপু! এটা আর এখন আন্দাজে ঢিল ছোড়ার পর্যায়ে নেই। এটা এখন দুয়ে দুয়ে চার! জগদীশ জেল থেকে ছাড়া পাবার পর আর তার পুরনো বন্ধুবান্ধবদের সন্ধান পায় না। পনের-বিশ বছরে দুনিয়াটা আদ্যোপান্ত পাল্টে গেছে। পুলিশের নজর এড়াতে নয়, হয়তো সত্যিই অর্থাভাবে জগদীশ মুম্বাইয়ের বস্তিতে পড়ে থাকতে বাধ্য হয়েছিল। ও আন্দাজ করেছিল, লুণ্ঠিত টাকাটা মূলধন করে চাঁদু এতদিনে হয়তো কোটিপতি। কিন্তু চাঁদু নিজের খোল-নলচে সম্পূর্ণ বদলে ফেলেছে। তাকে চেনা যাচ্ছে না। আমার আন্দাজ, জগদীশ বইয়ের স্টলে গিয়ে ‘বিজনেস ওয়ার্ল্ড’ পত্রিকার পাতা ওল্টাতো। প্রতি সংখ্যাতেই এক- একজন বিজনেস ম্যাগনেটের ওপর ওতে তখন ছবিসহ কভার স্টোরি ছাপা হত। জগদীশ বইয়ের স্টলের একান্তে দাঁড়িয়ে প্রতিটি সংখ্যার পাতা উল্টে ছবি দেখত। হয়তো স্টলওয়ালাকে বিড়ি-টিড়ি খাইয়ে বন্ধুত্ব পাতিয়েছিল। জগদীশের অবস্থা তখন ‘ক্ষ্যাপা খুঁজে ফেরে পরশ পাথর’। তারপর একদিন — বছর চারেক আগে— ক্ষ্যাপা পরশ পাথরটা খুঁজে পেল। ফটো দেখে চাঁদুকে চিনতে পারল। মাথার ঘাম পায়ে ফেলা টাকায় ঐ সংখ্যাটা কিনে ফেলল। টিকিট কেটে বা না কেটে যেমন করেই হোক, চলে এল কলকাতায়। ওর মতো ভ্যাগাবন্ডের পক্ষে কোটিপতির সাক্ষাত পাওয়া নিতান্ত অসম্ভব। কিন্তু ‘চিচিং ফাঁক’ মন্ত্রটা জগদীশ ঘটনাচক্রে শিখে ফেলেছে। ইন্দ্রনারায়ণের লেটার বক্সে সে চিঠি ফেলে দিল। ব্ল্যাকমেলিং-এর প্রস্তাব। না হলে জগদীশ সোজা চলে যাবে লালবাজারে। চাঁদুর ফিঙ্গারপ্রিন্ট সযত্নে রাখা আছে লালবাজারে।

    রানী বললেন, তুমি যা বলছ, তার একটাই বিরুদ্ধ-যুক্তি। জগদীশ যদি চাঁদু রায়ের সন্ধান পেত এবং দেখত যে সে ইন্দ্রনারায়ণ, তাহলে সে মেরীনগরে এককামরা ঘরে ঠোঙা বানাতো না, কলকাতায় ফ্ল্যাটবাড়ি কিনত। টিভি, ফ্রিজ আর গাড়ি কিনত!

    কৌশিক বললে, আই এগ্রি!

    বাসু বললেন, তোমার যুক্তিপূর্ণ সওয়ালের জবাবটা দিই রানু : আমার আন্দাজটা পুরোপুরি সত্যি না হলেও মোটামুটি সত্য হতে পারে! ধরা যাক, ঘটনাপ্রবাহ অন্যরকম হয়েছিল। হয়তো জগদীশ মুম্বাইয়ের বিজনেস ওয়ার্ল্ড’ পত্রিকাটি দেখেনি। স্ত্রী-পুত্রের খোঁজ নিতে মেরীনগরে এসেছিল প্রথমে। মিনতির বদান্যতায় মাথাগোঁজার আশ্রয় পায়। ইতিমধ্যে হয়তো তার একটা হার্ট অ্যাটাক হয়ে গেছে। সে প্রায়-অথর্ব। যেহেতু পরেশ পালের বাল্যজীবন কেটেছে মেরীনগরে তাই পরেশের কোন বন্ধুবান্ধবের মাধ্যমে হয়তো জগদীশ তার পুত্র পরেশ পালের বারাসাতের ঠিকানাটা জোগাড় করতে পারে। ধরা যাক, কাকতালীয়ভাবে ঐ সময়েই সে ‘বিজনেস ওয়ার্ল্ড’ পত্রিকাটি হাতে পায়। ও নিজে হার্ট পেশেন্ট। তাই ছেলেকে চিঠি দেয়। পরেশ জানত, বাবা জেলখাটা আসামী — কিন্তু একথাও জানত যে, ব্যাঙ্ক-লুটের কয়েক লক্ষ টাকার হদিস পাওয়া যায়নি। হয়তো জগদীশ সেকথার ইঙ্গিত দিয়েই পুত্রকে দেখা করতে বলেছিল। এ পর্যন্ত যা বলেছি তা কি কোন কারণে অসম্ভব মনে হচ্ছে তোমাদের কারও কাছে? কী? রানু? কৌশিক?

    কেউ কোন জবাব দেয় না।

    —ধরা যাক, পরেশ এসে বাপের সঙ্গে দেখা করল। চাঁদু রায়ের বর্তমান পরিচয় জেনে গেল। ব্ল্যাকমেলিং শুরু করল জগদীশ নয়, পরেশ। বাবাকে মাঝে মাঝে দয়া করে দু-তিনশ টাকা মনি-অর্ডার করে। তাই নখদন্তহীন জগদীশ যে একদিন চলন্ত জিপ থেকে পুলিশের সঙ্গে গুলি বিনিময় করেছে— সে ডাক্তারের বাড়ি থেকে পুরানো কাগজ নিয়ে এসে ঠোঙা বানায়। পুত্রের ভিক্ষায় টিকে থাকে। আর এদিকে পরেশ পাল শুধু শর্মিষ্ঠাকে নিয়ে সন্তুষ্ট থাকতে পারে না। নতুনত্বের স্বাদে নির্মলাকে বিয়ে করে বসে। বাড়ি বানায়, গাড়ি কেনে, দু-দুটি সংসারের খরচ চালায়। আর হয়তো সেই কারণেই মাত্র আটচল্লিশ ঘণ্টার মধ্যে চাঁদু রায়ের দুই শত্রু- বাপ ও বেটা, মৃত্যুবরণ করে।

    সুজাতা বলে, আপনি কি সন্দেহ করছেন, ‘আপনার কাজিন ব্রাদার’ জগদীশ পালের স্বাভাবিক মৃত্যু হয়নি?

    —না, তা সন্দেহ করছি না। কিন্তু এটা আশঙ্কা করছি যে, চাঁদু রায়ের চর যেই সংবাদ নিয়ে আসে যে, মেরীনগরে জগদীশ পালের স্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে সেই মুহূর্তেই চাঁদু ব্যবস্থা করে পরেশ পালের অস্বাভাবিক মৃত্যুর — এমন কায়দায় যাতে হত্যাপরাধটা বর্তায় অপরাজিতার স্কন্ধে। তাহলেই সে বাকি জীবন নিশ্চিন্ত।

    কৌশিক বলে, আপনি এখন কী করতে চান?

    —ইন্দ্রনারায়ণকে নজরবন্দি রাখতে। পুলিশ শুনছি রেডি। আমার মক্কেল জামিন পায়নি। সম্ভবত দু-চারদিনের মধ্যেই দায়রা জজের আদালতে কেসটা উঠবে। নোটিস পাওয়া মাত্র আমি ইন্দ্রনারায়ণ চৌধুরীর উপর আদালতের সমন জারি করতে চাই। রানু, তুমি নোটবইটা নিয়ে এস তো— আমি এখনি ডিকটেশনটা দিয়ে তৈরি হয়ে থাকতে চাই। যাতে মুহূর্তমধ্যে তারিখ বসিয়ে সমনটা ধরানো যায়!

    কৌশিক বলে, কিন্তু ইন্দ্রনারায়ণ চৌধুরী একজন বিজনেস ম্যাগনেট, সেন্ট্রাল ক্যাবিনেটের অনেকের সঙ্গে তাঁর দহরম-মহরম।

    —সো হোয়াট? সে তো হর্ষদ মেহতারও ছিল। ইন্দ্রনারায়ণ কি ভারতীয় নাগরিক নয়?

    —কিন্তু আপাতদৃষ্টিতে মামলার সঙ্গে তাঁর যে কোনও সম্পর্ক নেই!

    —আপাতদৃষ্টিতে না থাকলে দৃষ্টিভঙ্গিটা বদলাতে হবে। সেটা আমার দায়িত্ব। তুমি চিন্তা কর না। ও- ভাল কথা! একটা তথ্য আমি জানতে চাই। ইন্দ্রনারায়ণ চৌধুরী কি ধূমপান করে? করলে কী?— পাইপ, চুরুট না সিগারেট? যদি চুরুট বা সিগারেট হয় তাহলে কী ব্র্যান্ড?

    এসব তথ্য জেনে আপনার কী লাভ?… আচ্ছা আচ্ছা… আয়াম, সরি…. আপনি রাগ করবেন না— আমি জেনে নিয়ে আপনাকে জানাব।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসমগ্র কিশোর সাহিত্য – নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    Next Article কাঁটায়-কাঁটায় ৫ – নারায়ণ সান্যাল

    Related Articles

    নারায়ণ সান্যাল

    অলকনন্দা – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    আবার যদি ইচ্ছা কর – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    আম্রপালী – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    বিশ্বাসঘাতক – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    সোনার কাঁটা – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    মাছের কাঁটা – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }