Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কাঁটায়-কাঁটায় ৪ – নারায়ণ সান্যাল

    নারায়ণ সান্যাল এক পাতা গল্প520 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    দ্বি-বৈবাহিক কাঁটা – ৭

    ৭

    অপরাজিতা যে জামিন পাবে না এতটা আশঙ্কা করেননি বাসু। আজকাল দাগী মাস্তানেরাও ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে জামিন পেয়ে যায়— এক্ষেত্রে একটি মহিলা, যাঁর নামে কোন পুলিশ রেকর্ডই নেই, তাঁকে ম্যাজিস্ট্রেট জামিন দেবেন না— এটা সত্যিই অপ্রত্যাশিত। বোধহয় তার হেতু আসামী কোন জবানবন্দি দিতে অস্বীকার করেছে। অবশ্য আসামী জামিন না পাওয়ায় বাসুসাহেবের আবেদনক্রমে বিচারক, পুলিসকে নোটিস দিয়েছিলেন সাতদিনের মধ্যে চার্জ ফ্রেম করে কেসে ফাইল করতে হবে। মোট কথা, বুধবার ঊনিশে জানুয়ারি মামলার প্রথম শুনানীর দিন পড়েছে। পুলিশ চার্জ ফ্রেম করে ফাইল করেছে— ফার্স্ট ডিগ্রি মার্ডার : পূর্ব পরিকল্পিত হত্যা।

    মামলার নোটিস পাওয়ামাত্র বাসুসাহেব ধনকুবের ইন্দ্রনারায়ণ চৌধুরীর উপর আদালতের সমন জারি করলেন। বারাসাতে দায়রা জজের আদালতে প্রতিবাদী পক্ষের সাক্ষী হিসাবে ইন্দ্রনারায়ণকে বুধবার, উনিশে জানুয়ারি উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে।

    ইতিমধ্যে কৌশিক আরও নানান তথ্য সংগ্রহ করেছে। প্রথম কথা, রিভলভারটা খুঁজে পাওয়া গেছে। তাতে একটিমাত্র ডিসচার্জড বুলেট। ব্যালিসটিক এক্সপার্টের কী রিপোর্ট তা জানা যায়নি। সেটা গোপন রাখা হয়েছে। এমনকি রিভলভারের গায়ে অপরাজিতার ফিঙ্গারপ্রিন্ট পাওয়া গেছে কি না, তাও জানা যায়নি। তবে এটুকু জানা গেছে যে, রিভলভারটা ক্রয় করেছিলেন স্বয়ং ইন্দ্রনারায়ণ চৌধুরী, প্রায় মাস ছয়েক আগে। ওঁর বাড়িতে সে সময় একটা চোর আসে। চুরি কিছু করতে পারেনি। দারোয়ানের তাড়া খেয়ে পালায়। সে সময় ইন্দ্রনারায়ণ পশ্চিম ভারতে ছিলেন। ফিরে এসেই ঐ লাইসেন্সটি করান। রিভলভার কেনেন, নিজের নামেই লাইসেন্স কিন্তু দারোয়ানের নামে কেরিয়ার লাইসেন্স করানো হয়।

    বাসু সব শুনে বলেন, চমৎকার! সে রিভলভার অপরাজিতার কাছে গেল কী করে?

    কৌশিক বলে, সে কৈফিয়ৎ তো আসামী দেবে!

    —না! লাইসেন্স-হোল্ডার দেবে। কখন কী ভাবে সে রিভলভারটা হারায়। সে কি তৎক্ষণাৎ পুলিশে রিপোর্ট করেছিল? না করে থাকলে, কেন করেনি?

    কৌশিক বলে, ইন ফ্যাক্ট, করেনি। দারোয়ান সেটা হারায়। ভয়ে স্বীকার করেনি। যতদূর মনে হয়, খরচপত্র করে চৌধুরীসাহেব একটা ব্যাকডেটেড রিপোর্ট লিখিয়ে এসেছেন। লোকাল থানায় এবং লালবাজারে আমর্স অ্যাক্ট সেকশনে। সত্যি-মিথ্যে জানি না। আর একটি দুঃসংবাদ আছে, মামু। আসামী ভেঙে পড়েছে। সে একটা জবানবন্দি দিয়েছে। যা আপনাকে বলেছে হুবহু তাই।

    —পুলিশ কি সেই 1757 নম্বর গাড়িটা ট্রেস করতে পেরেছে?

    কৌশিক বলে, সম্ভবত না। পুলিশের মতে আসামী যদি সত্যি কথা বলে থাকে তাহলে ঐ 1757 নম্বর প্লেটটা ফেক — জাল। আর আসামী যদি গল্পটা বানিয়ে বলে থাকে তাহলে 1757 নম্বর গাড়িটার মালিক কে, তা খোঁজার মানেই হয় না। তাছাড়া ঐ নম্বরের আগে WBA থেকে WBM পর্যন্ত কী আছে তা তো অপরাজিতাও বলতে পারছে না।

    বাসু বললেন, বুঝলাম। কিন্তু পরেশ পালের মারুতি সুজুকি গাড়িখানা? সেটার কত নম্বর তা তো নির্মলাও জানে, শর্মিষ্ঠাও জানে। সেই গাড়িটা কোথায়?

    কৌশিক বলে, সেটাও একটা চরম রহস্য। সে গাড়িটা হাওয়ায় উবে গেছে। পরেশ পাল ওরফে সুশোভন রায় ইন্দ্রনারায়ণের বাড়ির গেট পর্যন্ত নিশ্চয় নিজের গাড়ি চেপে যায়নি। কারণ, তাহলে গাড়িটা কাছে-পিঠে কোথাও না কোথাও থাকত। তা নেই।

    বাসু বললেন, নট নেসেসারিলি। হয়তো কোনও গাড়ি-চোর সুযোগ বুঝে সেটা নিয়ে কেটে পড়েছে। এতদিনে নেপাল বর্ডার পার হয়েছে বা বাংলাদেশে ঢুকে পড়েছে।

    কৌশিক বলে, তাও হতে পারে।

    বাসু প্রশ্ন করেন, বাই-দ্য-ওয়ে! সিগারেট কেস দুটো এনেছ? আর লাইটার?

    কৌশিক বলে, আজ্ঞে হ্যাঁ। একটা মামিমার টেবিলে রেখে এসেছি। এই নিন আপনারটা।

    পকেট থেকে একটা ঝকমকে জার্মান সিলভারের মসৃণ সিগারেট কেস আর লাইটার বার করে দেয়। বাসু সিগারেট কেসটা খুলে দেখে বললেন, ইন্ডিয়া কিং? এই ব্র্যান্ডই খায় ও?

    —আজ্ঞে হ্যাঁ। তাই তো খবর।

    বাসু রুমাল দিয়ে সিগারেট কেসটা ভাল করে মুছে ওঁর টেবিলের একান্তে রাখলেন। কৌশিক বলে, এটা একটু বাড়াবাড়ি হয়ে যাচ্ছে না, মামু? এ যেন সেই গোষ্ঠমামার ফাঁদ পাতার কায়দা : ‘দ্যাখ বাবাজি দেখবি নাকি … ধরা যাক, ইন্দ্রনারায়ণ আপনার সঙ্গে দেখা করতে এল— মানে ঐ ‘সমন’ ধরানোর জন্য প্রতিবাদ জানাতে কিন্তু সে কি নিজের দুর্বলতা সম্বন্ধে সতর্কভাবে সচেতন নয়? সিগারেট কেস সে ছোঁবে?

    বাসু বললেন, ও আমার সঙ্গে দেখা করতে আসবে এ একেবারে নির্ঘাৎ। কারণ আঠারোই জানুয়ারি ওর টোকিও ফ্লাইট বুক করা আছে। একটা বিজনেস কনফারেন্সে যাচ্ছে ও। উনিশ তারিখ কলকাতায় থাকলে তার সমূহ লোকসান। সে একবার আমার সঙ্গে দরবার করতে আসবেই। আমি তাকে সিগারেট অফার করব। সে খুবই উত্তেজিত থাকবে। যদি ভুলে সিগারেট কেসটা ছোঁয় তাহলে তার আঙুলের ছাপ ওতে পড়বেই। লাইটারটাতেও পড়বে। যদি অতি সুকৌশলে সে ওটা এড়িয়ে যায় বা যদি হাতে গ্লাভস পরে দেখা করতে আসে তাতেও আমার সিদ্ধান্ত প্রতিষ্ঠিত হবে।

    ওঁরা দুজনে কথা বলছিলেন বাসুসাহেবের চেম্বারে। এই সময় টেলিফোন যন্ত্রটা সজীব হয়ে উঠল। পাশের ঘর থেকে রানী দেবী টেলিফোনে জানালেন, বারাসাত থেকে মিস্টার ইন্দ্রনারায়ণ চৌধুরী এসেছেন। তাঁর অ্যাপয়েন্টমেন্ট নেই। জানতে চাইলেন, বাসু কি পাঁচ মিনিটের জন্য সময় দিতে পারবেন?

    বাসু কৌশিকের দিকে তাকিয়ে একটা চোখ বন্ধ করে বললেন, ‘পড়-পড়-পড়, পড়বি পাখি, ধপ!’ তারপর টেলিফোনে জানালেন, ওঁকে বসতে বল। আমি যে ক্লায়েন্টের সঙ্গে কথা বলছি তাঁকে বিদায় করেই ওঁকে ডাকব। পাঁচ মিনিটের মধ্যে। জিজ্ঞেস কর, চা-কফি খাবেন কি না। নিশ্চয় বলবে, না। তখন বল, হ্যাভ আ স্মোক!

    রানী বললেন, সে তো জানাই আছে। অলরাইট।

    লাইন কেটে দিলেন। বাসু ঘড়ি দেখলেন। কৌশিক রুমাল দিয়ে ঝকঝকে সিগারেট কেসটা আবার মুছে দিয়ে ধীরপদে পিছনের দরজা দিয়ে নিঃশব্দে কেটে পড়ল।

    বাসু মিনিট পাঁচেক চোখ বুজে যেন ধ্যান করলেন। তারপর টেলিফোনটা তুলে নিয়ে পাশের ঘরে জানতে চাইলেন, ও কী করছে? বসে আছে? না পায়চারি করছে?

    —দ্বিতীয়টা।

    —সিগারেট কেসটা ছুঁয়েছে?

    —না!

    —ওকে ভিতরে পাঠিয়ে দাও।

    পরমুহূর্তে দড়াম করে খুলে গেল রিসেপশনের দিকের দরজাটা। ঝড়ের বেগে প্রবেশ করলেন ধনকুবের ইন্দ্রনারায়ণ চৌধুরী। বাসুসাহেবের প্রায় সমবয়সী, কিছু ছোট হতে পারেন। থ্রি পিস দামী স্যুটে আপাদমস্তক টিপটপ। ডোর ক্লোজারের অমোঘ আকর্ষণে ওঁর পিছনে দরজাটা আবার বন্ধ হয়ে গেল। ঘরে একজস্ট-ফ্যানটা চালু আছে।

    আগন্তুক উচ্চকণ্ঠে বললেন, বাসু! আমার নাম ইন্দ্রনারায়ণ চৌধুরী। এর মানেটা কী? হিপপকেট থেকে এক গোছা কাগজ বার করে উনি টেবিলে প্রায় ছুড়ে ফেলে দিলেন। সেটা আদালতের সমন

    বাসু চেয়ার ছেড়ে উঠে দাঁড়ালেন। হাসলেন। বললেন, আমার রিসেপশনিস্ট ইতিমধ্যে নামটা জানিয়েছেন। অল রাইট চৌধুরী, আমার নাম পি. কে. বাসু! এভাবে ঝড়ের বেগে আমার ঘরে প্রবেশ করার কী অর্থ?

    —কারণ তোমার আচরণে আমি উন্মাদ হয়ে গেছি।

    বাসু বললেন, অল রাইট! এখনো যদি নিজেকে উন্মাদ বলে মনে কর, তাহলে একই রকম ঝড়ের বেগে ঐ দরজা দিয়েই উল্টোপথে বেরিয়ে যেতে পার। প্রবেশ আর প্রস্থান একই রকম ড্রামাটিক টেম্পোয় হবে! আর যদি আলোচনা করার ইচ্ছে থাকে তবে ঐ চেয়ারটায় বস। লেটস টক ইট ওভার।

    —কথা বলতেই তো এসেছি সেই বারাসাত থেকে।

    —তাহলে বস। ধীরে সুস্থে আলোচনা করা যাক!

    —বসার কোন প্রয়োজন নেই। আমার বক্তব্য সামান্য। আমার যা বলার দাঁড়িয়ে বলতে পারব!

    —অ্যাজ য়ু প্লিজ। তবে আপনি মাননীয় অতিথি। অযাচিত আমার বাড়িতে এসেছেন। আপনি না বসলে আমার বসাটা ভাল দেখায় না। ঠিক আছে, বলুন, আপনার বক্তব্য। না হয় দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়েই শুনব।

    ইন্দ্রনারায়ণ সামনের সোফাটায় বসলেন। বললেন, লুক হিয়ার, মিস্টার বাসু। আপনি অহেতুক আমাকে এ কেসে জড়াচ্ছেন। আমি কেসটার বিন্দুবিসর্গও জানি না। তাছাড়া টোকিয়োতে আমার একটা অত্যন্ত জরুরি অ্যাপয়েন্টমেন্ট আছে। আমার প্লেনের টিকিট পর্যন্ত কাটা আছে!

    বাসু বললেন, আয়াম সরি! বুঝতে পারছি, আপনার কিছুটা অসুবিধা হবে। হয়তো কিছুটা আর্থিক লোকসানও। কিন্তু বিবেচনা করে দেখুন, মিস্টার চৌধুরী! – এটা একটা ফার্স্ট ডিগ্রি মার্ডার কেস। মেয়েটি তরুণী! তার ফাঁসিও হয়ে যেতে পারে।

    —আমি তার কী করতে পারি? আমি তো এ কেসের বিন্দুবিসর্গও জানি না!

    —সো কলড মার্ডার ওয়েপনটার লাইসেন্স আপনার নামে।

    —তাতে কী? সেটা কিনেই আমি আমার দারোয়ানকে দিয়েছি। দায়দায়িত্ব সমস্ত সেই দারোয়ানের। সেটা সে কী ভাবে খোয়ালো…

    —এগুলোই তো আদালতে প্রতিষ্ঠা করতে চাই! আপনার সাক্ষ্যটা অত্যন্ত প্রয়োজন!

    —কী ভাবে? কী কারণে?

    —বলছি! আপনি উত্তেজিত হয়ে থাকলে চলবে না। আমার বক্তব্যটা শুনুন। আর পরেও যদি মনে করেন যে আপনার সাক্ষ্যটাতে আসামীর কোন উপকার হবে না, তাহলে আমি আপনাকে অব্যাহতি দেব। প্লিজ সোবার ডাউন অ্যান্ড জাজ মাই আর্গুমেন্টস…

    চৌধুরী বললেন, অল রাইট, বলুন?

    —হ্যাভ আ সিগার…

    ড্রয়ার টেনে একটা সিগারের প্যাকেট বার করেন।

    চৌধুরী বলেন থ্যাংস, নো, আমি সিগার খাই না। সিগারেট খাই।— কোটের পকেটে হাত চালান।

    বাসু তৎক্ষণাৎ বলেন, ইন্ডিয়া কিং চলবে?

    —ওটাই আমার ব্র্যান্ড।

    চৌধুরী এ পকেট সে পকেট হাতড়াতে থাকেন।

    বাসু বলেন, ঐ সিগারেট কেসটাতে ইন্ডিয়া কিং আছে। আমার ভিজিটার্নদের জন্য। আমি নিজে পাইপ খাই। প্লিজ হেলপ য়োরসেলফ।

    ইন্দ্রনারায়ণ অম্লানবদনে জার্মান সিলভারের সিগারেট কেস থেকে একটি ইন্ডিয়া কিং নিয়ে ধরালেন। বললেন, এবার বলুন?

    —লোকটা খুন হয়েছে আপনার জমিতে। তার গাড়িটা চুরি গেছে আপনার বাড়ির সামনে থেকে। ফার্স্ট ইনফরমেশন দেওয়া হয়েছে আপনার বাড়ির টেলিফোন ব্যবহার করে। সো-কলড মার্ডার ওয়েপনের লাইসেন্স আপনার নামে। সেটা পাওয়া গেছে আপনার জমিতে। প্রতিবাদীর তরফে আপনার সাক্ষ্য অপরিহার্য!

    ইন্দ্রনারায়ণ একমুখ ধোঁয়া ছেড়ে বলেন, আই বেগ টু ডিফার! আমি নই; আমার বাড়ির অনেকে— মালি, দারোয়ান, এফ. আই. আর. যে করেছে সেই চ্যাটার্জি, এদের আপনি কাঠগড়ায় তুলতে পারেন। নিশ্চয় পারেন। আমাকে নয়। আয়াম সরি- আমি ব্যক্তিগতভাবে এ কেসের বিন্দুবিসর্গ জানি না। যে লোকটা খুন হয়েছে তাকে আমি চিনি না, জীবনে কখনো দেখিনি। যে মেয়েটিকে পুলিশে আসামী খাড়া করেছে তাকেও আমি চিনি না, জীবনে কখনো দেখিনি। আমার মালি যখন আসামীর সঙ্গে কথা বলে তখন আমি ঘুমোচ্ছি। আমি তাই প্রতিবাদী পক্ষে সাক্ষী দিতে পারব না। ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোর করে আমাকে কাঠগড়ায় তুললে আপনার মক্কেলের ক্ষতিই হবে। এই আমার শেষ কথা। আমাকে আপনি অব্যাহতি দিন — বিনিময়ে আমি বাইরে…… থেকে প্রভাব খাটিয়ে যেটুকু সম্ভব আপনার উপকার করতে পারি করব, আই মীন, আপনার মক্কেলের।

    বাসু বললেন, এই যদি আপনার শেষ কথা হয় তাহলে আমারও শেষ কথা : আয়াম সরি মিস্টার চৌধুরী। আদালতে আপনাকে হাজিরা দিতেই হবে। আমি সমনটা প্রত্যাহার করতে পারব না।

    আধ-খাওয়া সিগারেটটা অ্যাশট্রেতে গুঁজে দিয়ে উঠে দাঁড়ালেন ইন্দ্রনারায়ণ। বললেন, আমি জানতাম। সত্যি কথা বলতে কি, আমি স্বেচ্ছায় আসিনি। আমার কোম্পানির আইন বিশারদেরা আমাকে বাধ্য করেছে এভাবে আপনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করে প্রত্যাখ্যাত হতে। এর কী মর্মান্তিক ফলাফল হবে আপনি কি তা বুঝতে পারছেন?

    —আয়াম সরি! না, মিস্টার চৌধুরী। একটু বুঝিয়ে বলুন না।

    —আপনি আদালতের ক্ষমতার অপব্যবহার করছেন। ইন্ডিয়ান ইন্ডাস্ট্রির একটি অপূরণীয় ক্ষতি করছেন। কারণ টোকিয়োতে যে বাণিজ্যিক সম্মেলনে আমার আমন্ত্রণ হয়েছে তাতে আমি উপস্থিত থাকলে ভারতের বাণিজ্য লাভবান হবে। আমি আপনাকে সাবধান করে যেতে চাই, মিস্টার বাসু। আমি কিন্তু আপনার বিরুদ্ধে কম্পেনসেশন ক্লেম করব।

    বাসু সহাস্যে বললেন, ইটস য়োর প্রিভিলেজ অ্যান্ড উইদিন য়োর লিগাল রাইটস।

    ইন্দ্রনারায়ণ আর কথা বাড়ালেন না। ঝড়ের বেগে চলে গেলেন।

    ইন্দ্রনারায়ণের লিমুজিন দৃষ্টিপথের বাইরে যেতেই বাসুসাহেবের চেম্বারে হুড়মুড়িয়ে ঢুকলেন রানী, সুজাতা আর’কৌশিক।

    কৌশিক বলে, শেষ পর্যন্ত কী হল গোষ্ঠমামা? ‘এই যাঃ! গেল ফসকে ঘেঁষে?’ সিগারেট কেসটা ছুঁলো না তো?

    বাসু ধমকে ওঠেন, জ্যাঠামো কর না। ঐ সিগারেট কেস আর লাইটারটা সাবধানে উঠিয়ে নাও। দুটোতেই ইন্দ্রনারায়ণের আঙুলের ছাপ আছে। চাঁদুর ফিঙ্গারপ্রিন্ট তো তুমি সংগ্রহ করেই রেখেছ। কতক্ষণের মধ্যে রিপোর্ট পাব?

    কৌশিক বলে, স্ট্রেঞ্জ। আপনি সাকসেসফুল? ধরুন ঘণ্টা দেড়েক। আমি আপনার গাড়িটা নিয়ে বের হচ্ছি। ফিঙ্গারপ্রিন্ট এক্সপার্টকে খবর দেওয়াই আছে। আঙুলের ছাপ বিষয়ে উনি কলকাতায় একজন অথরিটি। ফরেনসিক ইন্সটিটিউটে অধ্যাপনা করেন ঐ আঙুলের ছাপ বিষয়ে।

    রানী বললেন, লোকটা এত সহজে তোমার ফাঁদে ধরা দেবে এটা আমার বিশ্বাস হচ্ছে না বাপু। চাঁদু রায় পনের-বিশ বছর পুলিশের চোখে ধুলো দিয়ে লুকিয়ে আছে, সে জানে তার ফিঙ্গারপ্রিন্ট পুলিশ-রেকর্ডে সযত্নে রাখা আছে। সে জানে, তার গুলিতে পুলিসের একজন বড়কর্তা মারা গেছিল— পুলিস তাকে প্রতিহিংসা নিয়ে খুঁজছে, শুধু কর্তব্যবোধে নয়।

    বাসু বললেন, দেখা যাক।

    একটু পরেই বাইরের ঘরে বেল বাজল। সুজাতা দেখে এসে বলল, আদালতের প্রসেস- সার্ভার। আপনাকে কিছু কাগজপত্র দিতে চায়।

    —আসতে বল।

    প্রসেস-সার্ভার ভিতরে এসে নমস্কার করে বলল, আমার কোন অপরাধ নেবেন না, স্যার। আমি আদালতের নির্দেশে কাজ করি।

    —জানি। কী কাগজ আছে? দাও!

    —বারাসতের শ্রী ইন্দ্রনারায়ণ চৌধুরী আদালতের কাছে আবেদন করেছেন আপনার সমনটা নাকচ করতে, এছাড়া উনি আপনার বিরুদ্ধে এক কোটি টাকার একটা ড্যামেজ সিভিল স্যুটও এনেছেন— এই দাবি করে যে, আপনি ইচ্ছাকৃতভাবে, বিশেষ ব্যক্তিগত উদ্দেশে তাঁর বাণিজ্যিক ক্ষতি করতে আদালত প্রদত্ত ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন।

    বাসু বললেন, কী আনন্দ! দাও, কাগজগুলো সই করে দিই।

    লোকটা কাগজপত্র সই করিয়ে নিয়ে চলে গেল। সুজাতা বলল, একটু কফি-ব্রেক করলে কেমন হয়?

    বাসু বললেন, হোক!

    কফি পান শেষ হতে হতেই টেলিফোনটা বাজল।

    বাসুই হাত বাড়িয়ে তুললেন। আত্মপরিচয় দিতেই ও প্রান্ত থেকে কৌশিক বলল, মামু, দুঃসংবাদ আছে…

    —বলো! সুসংবাদ আবার কবে দিতে পারবে তুমি?

    —আমি ডাক্তার গোস্বামীর বাড়ি থেকেই ফোন করছি, মানে সেই ফিঙ্গারপ্রিন্ট এক্সপার্ট…

    —বুঝেছি। এত শীঘ্র ফটো তুলে ডেভেলপমেন্ট হয়ে গেল?

    —না মামু। উনি পাউডার-ডাস্টিং করেই বললেন, ফটো তুলে এনলার্জ করার দরকারই হবে না। ম্যাগনিফাইং গ্লাসেই বোঝা যাচ্ছে— এ দুটো ফিঙ্গারপ্রিন্টে কোন মিলই নেই। চোরে- চোরে মাস্তুতো ভাইয়ের সম্পর্ক আছে কি না জানি না — কিন্তু দুটো প্রিন্ট সম্পূর্ণ ভিন্ন গ্রুপের! ভিন্ন মানুষের!

    বাসু জবাব দিলেন না।

    কৌশিক বলে, কী বললাম বুঝতে পেরেছেন?

    বাসু ক্র্যাডেলে টেলিফোনটা নামিয়ে রাখলেন। নীরবে।

    রানী জিজ্ঞেস করলেন, ইন্দ্রনারায়ণ তাহলে চাঁদু রায় নয়?

    —তাই তো দেখছি এখন! আশ্চর্য!

    —এদিকে ইন্দ্রনারায়ণ তো তোমার বিরুদ্ধে এক কোটি টাকার খেসারত দাবি করে মামলা ঠুকেছেন। কী করবে?

    বাসু পাইপে তামাক ঠেশতে ঠেশতে বললেন, মুম্বাই-এর বস্তিতে জগদীশের ছেড়ে আসা সেই ঝুপড়িটা খালি আছে কি না খোঁজ নিতে কৌশিককে মুম্বাই পাঠাব ভাবছি।

    —মানে? কী হবে সে খোঁজে? -রানী দেবী হালে পানি পান না।

    —মানে, বলছিলাম কি নিউ আলিপুরের বাড়িটা বেচলেও তো এক কোটি টাকা হবে না। ঐ বস্তিতে ঝুপড়ি ভাড়া নিতে হবে আর কি। তুমি আমি দুজনে বাকি জীবন না হলে থাকব কোথায়?

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসমগ্র কিশোর সাহিত্য – নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    Next Article কাঁটায়-কাঁটায় ৫ – নারায়ণ সান্যাল

    Related Articles

    নারায়ণ সান্যাল

    অলকনন্দা – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    আবার যদি ইচ্ছা কর – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    আম্রপালী – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    বিশ্বাসঘাতক – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    সোনার কাঁটা – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    মাছের কাঁটা – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }