Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কাঁটায়-কাঁটায় ৪ – নারায়ণ সান্যাল

    নারায়ণ সান্যাল এক পাতা গল্প520 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    দ্বি-বৈবাহিক কাঁটা – ১২

    ১২

    ফিরে এসে যে গপ্পোটা শোনালেন তার চুম্বকসার : চাঁদু রায় মিছে কথা বলেনি। পরেশ পালকে হত্যা করলে তার সমস্যার সমাধান হত না। দেড়-দু’বছর আগে যখন পরেশ, তার ব্ল্যাকমানির প্রথম ইনস্টলমেন্ট নিতে আসে তখন ইন্দ্রনারায়ণের উপস্থিতিতে সে চন্দ্রনারায়ণকে বলেছিল, ‘দেখুন, আপনি আমার বাবার বন্ধু। বাবা আপনার কীর্তিকাহিনী শোনাবার সময় বারবার ‘চাঁদুদা-চাঁদুদা’ বলছিলেন। ফলে আপনি আমার ‘জেঠু’! তাই আপনাকে বিপদে ফেলা আমার অধর্ম হবে। এজন্য একটা কথা গোড়াতেই জানিয়ে রাখছি : বাবা যা-যা বলেছিলেন তা একটা রিপোর্টের আকারে লিখে আমার ব্যাঙ্ক ভল্টে রেখে দিয়েছি। আর তার উপসংহারে লিখেছি যে, আমার যদি সন্দেহজনক দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যু হয়, বা আমি খুন হয়ে যাই, তাহলে ইন্দ্রনারায়ণের বাগানের মালি শ্রীসুবল সাঁইয়ের অ্যালেবাইটা যেন ভাল করে যাচাই করা হয়।’

    ব্যস! এক কিস্তিতেই মাৎ! পরেশ পাল বাপকা বেটা! এটা না করলে চাঁদু রায়ের মতো দক্ষ আর্চ ক্রিমিনালের কল্যাণে অনেক আগেই সে ফৌত হয়ে যেত। তার নাম পর্যন্ত খুঁজে পাওয়া যেত না। ঠিক যেভাবে উবে গেছে পরেশ পালের গাড়িটা।

    সে যা হোক, জানুয়ারির নয় তারিখ সকালে পরেশ যখন দুই ভাইয়ের দরবারে পাসপোর্ট- ভিসার আর্জিটা পেশ করে তখন ইন্দ্রনারায়ণ জানতে চেয়েছিলেন, পরেশের সমস্যাটা কী। পরেশ বলেনি। ন্যাচারালি। সে বলতে যাবে কেন? কিন্তু সে যখন বেরিয়ে আসে তখন চন্দ্রনারায়ণ তাকে জনান্তিকে পাকড়াও করে। নির্জনে নিয়ে এসে বলে, বাবা পরেশ! তুমি জগদীশের ছেলে, আমারও পুত্রস্থানীয়। তোমার জ্যেঠা… এই আমি… তিন-তিনটে খুন করেও ফলস পাসপোর্টে বিদেশ যাবার চেষ্টা করিনি। তুমি কী এমন হরধনু ভঙ্গ করলে বলতো, যার জন্যে দেশান্তরী হতে চাইছ?

    —আপনাকে তা জানিয়ে আমার কী লাভ?

    —তুমি আমাকে চেন। যদি দাদাকে ব্ল্যাকমেলিং থেকে সত্যিই চিরতরে মুক্তি দিতে রাজি থাক, তাহলে আমিই তোমার মুশকিল আসান করে দিতে পারি।

    —কী ভাবে?

    —কী ভাবে’, তা কী করে বলব? মুশকিলটা কী জাতের তাই তো তুমি বলনি এখনো। আন্দাজ করছি, দু-একটা খুন করলে হয়তো তোমার মুশকিলটা আসান হতে পারে? তাই কি?

    —আপনি আমার হয়ে সেটা করে দেবেন? দু-একটা নয়— মাত্র একটি খুন? সন্দেহটা বর্তাবে আমার উপর, তাই আমি খুব পাক্কা একটা অ্যালেবাই রাখব।

    —আমি রাজি আছি। তবে কয়েকটা শর্ত আছে বাবা। প্রথম শর্ত : তোমার ব্যাঙ্ক ভল্টের কাগজখানা আমাকে দিয়ে যেতে হবে। দ্বিতীয় শর্ত : তোমার অপরাধটা কী তা আমার কাছে স্বীকার করতে হবে। আমি তো প্রথমেই যাচাই করে দেখে নেব। আমি জানব তোমার সিক্রেট, তুমি জানই আমারটা। কেউ কাউকে তঞ্চকতা করতে পারব না। কেউ কাউকে ব্ল্যাকমেল করতে পারব না।

    পরেশ একটু চিন্তা করে রাজি হয়ে যায়। চাঁদুর কাছে স্বীকার করে তার দুই বিয়ের কথা। চাঁদ নির্মলা রায়ের কথা জানত না। এবার ক্যামাক স্ট্রিটের এক ব্যাপারী সেজে টেলিফোন করে যাচাই করে জেনে নিল, নির্মলা রায় সুশোভন রায়ের স্ত্রী এবং সুশোভনই হচ্ছে পরেশ পাল। পরেশ এবার বলে, এই গোপন কথাটা জেনে ফেলেছে ওর স্ত্রী মানে নির্মলার এক বান্ধবী : বছর পঁচিশ বয়স। অবিবাহিতা। তার নাম…

    চাঁদু বেঁকে বসে। বলে, এতক্ষণ বলনি কেন যে, যাকে খুন করতে হবে সে একটা পঁচিশ বছরের মেয়ে, যার বিয়ে পর্যন্ত হয়নি। একেবারে অরক্ষিতা!

    —কেন? তাতে কী হল?

    —সে তুমি বুঝবে না, পরেশ! আমাদের জমানা ছিল অন্যরকম! তিন-তিনটে খুন আমি করেছি। সবাই জোয়ান পুরুষ, তাদের প্রত্যেকের হাতেই মারণাস্ত্র ছিল। -একজন আবার তার মধ্যে পুলিশ অফিসার। আয়াম সরি- স্ত্রীলোককে খুন করতে পারব না! বিশেষ, যার বদলা নেবার মতো মরদ পর্যন্ত নেই!

    পরেশ তিক্ত কণ্ঠে বলেছিল, আপনি আমার গোপন কথা জেনে নিয়ে ‘জেন্টলম্যান্স এগ্রিমেন্ট’ ভাঙছেন!

    শুনে অট্টহাস্যে ফেটে পড়েছিল চাঁদু রায়। বলেছিল, হ্যাঁগো! এর মধ্যে জেন্টেলম্যান আবার কোনটা? তুমি না আমি? তুমি কায়দা করে ব্ল্যাকমেল করছিলে, আমি কায়দা করে সেটা বন্ধ করে দিলাম। না, না, ‘জেন্টলম্যান’ বলে নয়, তুমি জগদীশের ছেলে এজন্যই একটা কথা বলি। তুমি বিপদে পড়েছ। জগদীশ নেই, আমি যদ্দূর সম্ভব তোমাকে সাহায্য করব। যদি চাও তোমাকে একটা রিভলভার যোগাড় করে দিতে পারি আজ, এখনি। কাজ হাসিল হলে ওটা আবার আমাকে ফেরত দিয়ে যাবে। তুমি কাকে মারছ, কেন মারছ তা আমি জানতে চাইব না।

    চাঁদু রায়ই দারোয়ানের ঘর থেকে রিভলভারটা সরিয়েছিল। দারোয়ান জানে না কিন্তু ইন্দ্রনারায়ণের জ্ঞাতসারেই। তাই সে সত্যটা স্বীকার করেনি, অস্বীকারও করেনি। দাদাকে সে নতুন কোন বিপদে জড়িয়ে ফেলতে চায়নি।

    গল্পের মাঝপথে বাধা দিয়ে কৌশিক বলে, তার মানে আপনার মতে, ইন্দ্রনারায়ণের রিভলভারটাই নানান হাতফেরতা হয়ে পৌঁছেছিল রজত গুপ্তের হাতে; দারোয়ান — চাঁদু রায়, পরেশ পালের হাতফেরতা হয়ে! সেক্ষেত্রে হত্যাকারী রজত গুপ্ত ছাড়া আর কেউ হতে পারে না।

    —আমি কি সেটা অস্বীকার করেছি? আর হত্যাকারী না হলে রজত আদালতে বেহুদ্দো কনফেসই বা করবে কেন?

    —কিন্তু তাহলে সে খুন করার পর অপরাজিতার জন্য অপেক্ষা করেছিল কেন?

    —তুমিও যে মাইতির মতো শুরু করলে হে! সাক্ষীর এজাহার নেওয়া শেষ হওয়ার আগেই আর্গুমেন্ট! বলি গল্পটা আগে আমাকে শেষ করতে দাও! সেই ‘শ্রাবণী-গল্পটা’। সেই গল্পে রজতের কথা তো এখনো বলাই হয়নি।

    রজত সাত তারিখ দুপুরে নির্মলার অ্যালবামে সুশোভনের ছবিটা দেখার পর থেকে নিশপিশ করছে! পরেশ পালকে কীভাবে ব্ল্যাকমেলিং করবে এটাই ওর তখন একমুখী চিন্তা। এই সময় রজত একটা চান্স নেয়। ইন্দ্রনারায়ণের প্রাইভেট সেক্রেটারিকে ফোন করে বড়কর্তার সঙ্গে একটা অ্যাপয়েন্টমেন্ট চায়। ওঁর একান্ত সচিব জানতে চান : ‘কী বিষয়ে আলোচনা করতে চান?’ রজত জবাবে বলেছিল : ‘পরেশ পাল’।

    বিস্মিত একান্ত সচিব জানতে চায়, ‘তার মানে?’

    —মানেটা আপনি না বুঝলেও চলবে, স্যার! হয়তো উনি বুঝবেন। তাঁকে একবার জিজ্ঞেস করেই দেখুন না, কাইন্ডলি।

    বেশ দু-তিন মিনিট টেলিফোনটা নীরব রইল। তারপর ও প্রান্ত থেকে রাশভারী কণ্ঠে ইংরেজিতে প্রশ্ন হল : ইন্দ্রনারায়ণ চৌধুরী বলছি, কী চান আপনি?

    —একটা অ্যাপয়েন্টমেন্ট, স্যার। দশ মিনিটের জন্য। অত্যন্ত জরুরি। ঐ পরেশ পালের বিষয়ে।

    —কে পরেশ পাল? তার বিষয়ে কী কথা?

    —সেটা স্যার, টেলিফোনে বলা যাবে না। তবে খবরটাতে আপনার ব্যবসায়ে প্রচণ্ড আর্থিক লাভ হবার সম্ভাবনা।

    —অল রাইট। আপনি আজ সন্ধ্যা সাতটা পনেরয় আসবেন। সাতটা পনের থেকে পঁচিশ।

    তৎক্ষণাৎ লাইনটা কেটে গেল। রজত গুপ্ত আহ্লাদে আটখানা। নিশ্চয় জ্যাকপট হিট করেছে। নাহলে ইন্দ্রনারায়ণের মতো ব্যস্ত মানুষ ওর মতো অজ্ঞাতকুলশীলকে দশ মিনিট সময় দিতেন না। আগামী সপ্তাহে নয়, একেবারে সেই দিনই সন্ধ্যায়! ঠিকই আন্দাজ করেছে সে : চাঁদু রায় ইজুক্যালটু ইন্দ্রনারায়ণ চৌধুরী।

    কাঁটায় কাঁটায় সন্ধ্যা সাতটা পাঁচে সে রায়চৌধুরী ভিলায় উপস্থিত হল। ভ্যালে ওকে অপেক্ষাগারে নিয়ে গিয়ে বসালো। একা-সচিব জানতে চাইলেন, আপনার নাম? অ্যাপয়েন্টমেন্ট আছে?

    রজত প্রথম প্রশ্নটা এড়িয়ে দ্বিতীয় প্রশ্নটার জবাব দিল, আছে, সাতটা পনের থেকে দশ মিনিট।

    একাত্ত-সচিব একটা রেজিস্টার খাতা বাড়িয়ে ধরে বলেন, এখানে আপনার নাম, ধাম, টেলিফোন নাম্বার সব এন্ট্রি করুন।

    রজত জবাবে বললে, সরি! ওসব বোধহয় আপনার ‘বস’ পছন্দ করবেন না। ওঁকে ইন্টারকমে শুধু বলুন : পরেশ পাল!

    ‘চিচিং ফাঁক’ মন্ত্রটায় কাজ হল। রজত এখনি নিঃসন্দেহ। ছপ্পড়-ফোঁড় সৌভাগ্য লাভ করেছে সে। ঘরে ঢুকল। প্রকাণ্ড বড় একটা সেক্রেটারিয়েট টেবিলের ও প্রান্তে বসে আছেন ইন্দ্রনারায়ণ। কাকে যেন ফোন করছিলেন। বাক্যটা শেষ করলেন : ‘আপাতত এটুকুই… দ্যাটস অল!’

    যন্ত্রটা নামিয়ে রজতের দিকে দৃকপাত করে বললেন, ইয়েস! সিট ডাউন। আমার সেক্রেটারি ইন্টারকমে জানালেন যে, আপনি নাকি ভিজিটার্স-রেকর্ডে স্বাক্ষর দেননি?

    —ইয়েস স্যার! অহেতুক কোন রেকর্ড রাখার কী দরকার?

    ইন্দ্রনারায়ণ ওকে আপাদমস্তক আর একবার দেখে নিয়ে বলেন, প্রথমে বলুন তো, আপনি ব্যক্তিটি কে?

    রজত তার ভিজিটিং কার্ড একখানা বাড়িয়ে ধরে। সেটা উল্টেপাল্টে দেখে ইন্দ্রনারায়ণ বললেন, রজত গুপ্ত, প্রাইভেট ইনভেস্টিগেটর! সখের গোয়েন্দা নাকি?

    —আজ্ঞে না। সখের নয়। প্রফেশনাল।

    —ও। তা আপনার আইডেন্টিটিটা প্রমাণ করতে পারেন?

    রজত বিনা বাক্যব্যয়ে তার হিপপকেট থেকে ড্রাইভিং লাইসেন্সটা বার করে দেখালো। সেটা দেখে ফেরত দিয়ে ইন্দ্রনারায়ণ বললেন, এবার বলুন, কী বলতে এসেছেন?

    —ঐ পরেশ পালের বিষয়ে। ঘটনাচক্রে পরেশ পাল সংক্রান্ত একটা বিচিত্র তথ্য অতি সম্প্রতি আমি আবিষ্কার করেছি। পরেশ পাল একটা মারাত্মক অপরাধ করেছে— যার অকাট্য প্রমাণ আমার দখলে— সেটা পুলিশে রিপোর্ট করলে ওর নির্ঘাৎ জেল হয়ে যাবে…

    ইন্দ্রনারায়ণের মুখের দিকে তাকিয়ে মাঝপথেই ও থেমে পড়ে। ইন্দ্রনারায়ণ বললেন, আর য়ু স্পিকিং গ্রিক, মিস্টার গুপ্ত? কে পরেশ পাল? আমার সঙ্গে তার কী সম্পর্ক? আমাকে এসব কথা বলতে এসেছেন কেন?

    রজত বুঝতে পারে না— এটা অভিনয়, না/সত্যি! পরেশ পালকে যদি না-ই চিনবেন তাহলে অ্যাপয়েন্টমেন্ট দিলেন কেন? রেজিস্টারে সই না দিয়েও সে কেমন করে ওঁর ঘরে ঢুকল। তবে কি উনি নামটা মনে করতে পারছেন না? রজত বললে, পরেশ পাল, মানে বারাসাতের পরেশ। যে তিন-চার বছর আগে কী একটা কারখানায় মজদুরি করত। এই তিন-চার বছরে গাড়ি-বাড়ি করেছে। ফুলে-ফেঁপে উঠেছে। নিশ্চয় ব্ল্যাকমেলিং-এ।

    ইন্দ্রনারায়ণ বলেন, তার সম্বন্ধে কী জাতীয় খবর সংগ্রহ করেছেন আপনি?

    —সে প্রশ্নটা স্যার, তখনি উঠবে, যদি পরেশ পালকে আপনি আদৌ লোকেট করতে পারেন।

    —আয়াম সরি। তাকে আমি চিনতে পারছি না।

    —আপনি কি সুশোভন রায়ের নামটা শুনেছেন?

    ইন্দ্রনারায়ণ চটে ওঠেন। বলেন, লুক হিয়ার, ইয়ং ম্যান! আপনি এই ফিশিং এক্সপিডিশনে কেন বার হয়েছেন, তা আপনিই জানেন। আমি সুশোভন রায় কিংবা ঐ যে কী সাম পালের নাম বললেন, ওদের কাউকে চিনি না। আপনি যদি এঁদের কোন অপরাধের নিশ্চিত প্ৰমাণ সংগ্ৰহ করে থাকেন, তাহলে আমি পরামর্শ দেব সোজা থানায় চলে যান। এফ. আই. আর. লজ করে প্রমাণ করুন, আপনাকে প্রাইভেট ইনভেস্টিগেটার হিসাবে লাইসেন্স দেওয়া ভুল হয়নি। য়ু মে কাইন্ডলি লিভ মি অ্যালোন!

    —আপনি খবরটায় ইন্টারেস্টেড নন?

    উনি বেল বাজালেন। আদালি প্রবেশ করল ঘরে। উনি বললেন, কী ভাষায় বললে আপনি বুঝবেন মিস্টার রজত গুপ্ত, প্রাইভেট ইনভেস্টিগেটার?

    রজত উঠে দাঁড়ায়। উনি আদালিকে প্রশ্ন করেন, আর কেউ দেখা করার আছে?

    সে কী জবাব দিল শুনবার মতো মনের অবস্থা ছিল না রজত গুপ্তের। সে মাথা নিচু করে বেরিয়ে যায় ঘর থেকে।

    রজত মনে মনে সন্দেহাতীতভাবে বিশ্বাস করেছিল, ইন্দ্রনারায়ণ হচ্ছেন চাঁদু রায়! পরেশকে সে বহুবার ও বাড়িতে লুকিয়ে লুকিয়ে আসতে দেখেছে। পরেশকে চোখের সামনে কারখানার মজদুর থেকে লাখপতি হতেও দেখেছে। ‘পরেশ পাল’-কে ইন্দ্রনারায়ণ চিনতে পারবেন না- এটা হতে পারে না। রজত মনে মনে প্রতিজ্ঞা করে, ঐ দাম্ভিক আর্চ ক্রিমিনালের দম্ভ সে ভাঙবে! যেমন করেই হোক, পরেশ পালের কাছ থেকে তথ্যটা সে আদায় করবেই।

    *****

    তার মানে আমার কাহিনী অনুসারে রজত জানত পরেশ পাল বেমক্কা খুন হয়ে গেলে ইন্দ্রনারায়ণের মাধ্যমে তথ্যটা পুলিশ জানতে পারবে। কারণ ইন্দ্রনারায়ণ চাইবেন রজতের জেল বা ফাঁসি হয়ে যাক। উনি জানেন যে, রজত জানে চাঁদু রায়ের কথা! ওর ‘ভিজিটিং কার্ড রয়ে গেছে ইন্দ্রনারায়ণের কাছে। সেটা ফেরত নেওয়া হয়নি। পরেশ দু’দুবার তার অফিসে এসেছে, এই জানুয়ারি মাসেই, তার সাক্ষী যোগাড় করা কঠিন হবে না পুলিশের পক্ষে। তাই মাইতির নাকের ডগায় একটা রাঙামূলো ঝোলানোর প্রয়োজন হল। আমার বিশ্বাস, যে মুহূর্তে পরেশ স্বীকার করেছে— মিথ্যা করেই যে, ইন্দ্রনারায়ণই হচ্ছে চাঁদু রায়— সেই মুহূর্তেই রজত তাকে হত্যা করে! স্থির করে, এখন থেকেই সে নিজেই ইন্দ্রনারায়ণকে ব্ল্যাকমেল করবে। পরেশ পালকে উনি চেনেন না বলেছিলেন, এবার রজতও দেখে নেবে ‘চাঁদু রায়’ ব্যক্তিটিকে উনি চিনতে পারেন কি না। এবারও যদি তিনি বলতে চান যে, ভাজা-মাছের একটা পিঠই উনি চেনেন, ওপিঠকে দেখতে কেমন তা জানা নেই, তখন রজত ওঁর নাকের ডগায় মেলে ধরবে চাঁদু রায়ের দশটা আঙুলের টিপছাপের জেরক্স কপি। ন্যাকা সেজে বলবে, ‘কী যে বলেন স্যার? চাঁদু রায়কে চেনেন না? এই আপনারই মতো দেখতে। বিশ বছর ধরে পুলিশে তাকে খুঁজছে ফাঁসিকাঠ থেকে লটকাবে বলে! এবার কী পরামর্শ দেন স্যার? লালবাজারেই যাব, না কি পরেশ পালের সঙ্গে যে বন্দোবস্তটা ছিল আপনার — তাকে চিনুন বা না চিনুন..’

    বেচারি রজত! অত কায়দা করে রিভলভারটা অপরাজিতাকে গছিয়ে দিল, পাছে সেটার কথা শেষ সময় মনে পড়ে যায় তাই রোমান্টিক রবিঠাকুরের কবিতা আউড়ে কুমারী মেয়েটির মনটা ঘুরিয়ে দিল, কিন্তু শেষ রক্ষা হল না। ও ভেবেছিল চাঁদু রায়’ প্রসঙ্গ এ মামলাতে আদৌ উঠবে না। কে ওঠাবে? হ্যাঁ, জানে ইন্দ্রনারায়ণ, কিন্তু সে তো ভাজা মাছের এক পিঠই চেনে। সে খুশিই হবে পরেশ বেমক্কা খুন হয়ে যাওয়ায়। এ মামলা মিটে গেলে তখন শুরু হবে রজত গুপ্তের নতুন খেল!

    কৌশিক বলে, আপনি কখন বুঝতে পারলেন যে, ইন্দ্রনারায়ণ নয়, তাঁর বাগানের মালিটাই চাঁদু রায়?

    —ঠিক যখন তোমাদের বুঝতে পারা উচিত ছিল। ইন্দ্রনারায়ণ চৌধুরীর একান্ত সচিব অপরাজিতাকে দেখেনি, অথচ সে পুলিশের কাছে যে বিবরণ দিয়েছে তা অভিজ্ঞ চোখের দৃষ্টিতে দেখা ডেসক্রিপশন! তথ্যগুলো সে সংগ্রহ করেছে বাগান মালির কাছে। কী করে হয়? গ্রাম্য ভাষায় যে কথা বলে সে আন্দাজ করতে পারবে মেয়েটির হাইট, ওয়েট? মনে রাখতে পারবে তার পোশাক, গাড়ির নম্বর? তখনি আমার মনে হয়েছিল, সুবল সাঁই একটি ছিপে রুস্তম! সাক্ষীর মঞ্চে তাকে দেখার পরেও কেন যে তোমরা চিনতে পারলে না তা আমি জানি না। রানু ওকে দেখেনি, কিন্তু সুকৌশলীর দুজনই দেখেছে। অবশ্য বিজনেস ওয়ার্ল্ডে ইন্দ্রনারায়ণের মালির মুখে দাড়ি-গোঁফ ছিল, চোখে ছিল সস্তা নিকেলের চশমা, মাথায় বারি। সুবল সাঁইয়ের সেসব কিছুই ছিল না। মাথায় ছিল কদম ছাঁট চুল। বিজনেস ওয়ার্ল্ডে ওর ছবি অসতর্কভাবে ছাপা হওয়াতেই চাঁদু রায় ভোল পাল্টে ফেলে বারাসাত চলে আসার আগে। তা হোক; চিনতে আমার অসুবিধা হয়নি।

    কৌশিক বলল, আয়াম সরি, আমি কিন্তু চিনতে পারিনি।

    সুজাতা বললে, আপনি তাহলে বুঝতে পেরেছিলেন যে, আত্মরক্ষার্থে নয়, ব্ল্যাকমেলিং-এর অসপত্ন-অধিকার লাভের জন্য রজতই ডেলিবারেট মার্ডার করেছিল?

    —না বুঝতে পারার কোন হেতু আছে কি?

    —তাহলে সেটা প্রমাণ করার চেষ্টা করলেন না কেন?

    —আমার কী গরজ? সে সব কথা তো নতুন করে উঠবেই যখন রজতের বিরুদ্ধে পুলিশ কেস তুলবে। আমি আদালতে গিয়েছিলাম আইনের লক্ষ্যভেদ করতে! আমার দৃষ্টি স্থির ছিল সেই মীনাক্ষীর দিকে! যেই আমার সওয়ালে রজত সেলফ ডিফেন্স ও গুলি চালানোর কথা কবুল করল অমনি মাইতি সুড়সুড় করে এগিয়ে এল বলতে, ওরা কেস তুলে নিচ্ছে। আর তখনি জাজ এককথায় বেকসুর মুক্তি দিয়ে দিলেন মিঠুকে।

    কৌশিক ঝুঁকে পড়ে বললে : কাকে? মিঠু! মিঠু কে?

    সুজাতা নিঃশব্দে দৃঢ়ভাবে স্বামীর বাহুমূল চেপে ধরে।

    বাসু হঠাৎ অপ্রস্তুত হয়ে যান। তাকিয়ে দেখেন রানী দেবীর দিকে। চোখাচোখি হয় না। রানী নতনেত্রে কী যেন ভাবছেন।

    বাসু উঠে দাঁড়ালেন। চারিদিকে তাকিয়ে স্বগতোক্তি করলেন, আয়াম সরি! এঃ! ছি ছি! নামধাম সব গুলিয়ে যাচ্ছে। আমি বোধহয় আজ একটু টিপসি হয়ে পড়েছি!

    কেউ কোন জবাব দেয় না। একটা অস্বোয়াস্তিকর নীরবতা।

    গ্লাসটা হাতে নিয়ে বাসু এগিয়ে গেলেন ওয়াশ বেসিনটার দিকে। পা টলছে না কিন্তু। গ্লাসের অবশিষ্ট বাসন্তী রঙের পানীয়টুকু ঢেলে দিলেন ওয়াশ-বেসিনে। তারপর রানীর দিকে ফিরে বললেন, চল, শোবে চল। আজ বোধহয় একটু বেশিই খেয়ে ফেলেছি।

    সেই খণ্ডমুহূর্তে বাসুসাহেবের মনে পড়ল না ভুল ক্রিয়াপদটার কথা। মদ জিনিসটা সমুদ্রমন্থনে ওঠা হলাহলের মতো। অপরকে অমৃত খাওয়ানোর জন্য তা কণ্ঠনালিতে শুধু ঢেলেই দেওয়া যায়। খাওয়া যায় না।

    ‘খানা’ নেহী হায় জী, সিরেফ ‘পীনা’!

    ***

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসমগ্র কিশোর সাহিত্য – নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    Next Article কাঁটায়-কাঁটায় ৫ – নারায়ণ সান্যাল

    Related Articles

    নারায়ণ সান্যাল

    অলকনন্দা – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    আবার যদি ইচ্ছা কর – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    আম্রপালী – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    বিশ্বাসঘাতক – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    সোনার কাঁটা – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    মাছের কাঁটা – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }