Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কাঁটায়-কাঁটায় ৪ – নারায়ণ সান্যাল

    নারায়ণ সান্যাল এক পাতা গল্প520 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    যম-দুয়ারে পড়ল কাঁটা – ৪

    ৪

    চৈতালীর বাবা মহেন্দ্র বোস ছিলেন গয়াবাড়ি টী-এস্টেটের কাছাকাছি একটি চা-বাগানের ম্যানেজার। শহর থেকে দূরে’ একাই থাকতেন তিনি, খিদমৎগার পরিবৃত হয়ে। ওরা দুই যমজ ভাই-বোন থাকত শিলিগুড়িতে। এক বিধবা মাসির জিম্মায় দুজনে একই স্কুলে একই ক্লাসে পড়াশুনা করত। মাতৃহীন ওরা শৈশবেই যমজ সন্তানকে জন্ম দিতে গিয়ে ওদের মা মারা যান। জন্ম থেকেই ওরা মাসির কাছে মানুষ। মাত্র বছর পাঁচেক আগে পাঙ্খাবাড়ি রোডে একটা জিপ দুর্ঘটনায় প্রয়াত হলেন মহেন্দ্রবাবু। ওরা দুজনে তখন ক্লাস নাইনে পড়ে। মহেন্দ্রবাবুর অবশ্য মোটা ইন্সিওরেন্স ছিল। ভাই-বোনের পড়াশুনা বন্ধ হল না। কিন্তু দুর্ভাগ্য যখন আসে তখন সার দেওয়া গোগাড়ির মতো আসতে থাকে। বছর না ঘুরতেই দেহ রাখলেন মাতৃপ্রতিম মাসিমা।

    জৈন কোম্পানির বড় তরফ বিজয়রাজ ছিলেন মহেন্দ্রবাবুর বন্ধুস্থানীয়। ওরা দুই অনাথ ভাইবোন ওঁর এক্সপোর্ট-ইমপোর্ট বিজনেসে চাকরি পেল। চৈতালী প্রথমে ছিল কেরানি। ক্রমে কিছু সোপান অতিক্রম করে ক্যাশিয়ার। প্রচণ্ড দায়িত্ব তার। দুই বিজনেস পার্টনার ব্যতিরেকে একমাত্র তারই বটুয়ার খাঁজে থাকত ক্যাশের চাবি, আর মগজের খাঁজে আয়রন সেফের কম্বিনেশন কোড নম্বর

    হরিমোহনের কাজ ছিল বাইরে বাইরে। তাকে প্রায়ই ট্যুরে যেতে হত পাঁচ-দশ হাজার নগদ নিয়ে কিছু কিনতে বা বেচতে। নেপাল, ভুটান, মায় তিব্বত পর্যন্ত ঘুরে এসেছে সে, মাধবরাজের সঙ্গে। সেদিক থেকে হরিমোহন হয়ে ওঠে মাধবরাজের ডানহাত। অপর পক্ষে চৈতালী ক্রমে প্রিয়পাত্রী হয়ে ওঠে সিনিয়ার জৈনের।

    বাসু বাধা দিয়ে বলে ওঠেন, জৈন কোম্পানির দুই বড়কর্তার একটু পরিচয় দাও দেখি : বাবা-ছেলে?

    — আজ্ঞে না। খুড়ো-ভাইপো। বিজয়রাজ বিপত্নীক ও নিঃসন্তান। প্রায় পঞ্চাশের কাছাকাছি বয়স। খুড়ো-ভাইপো একই বাড়িতে থাকেন। গৃহকর্ত্রী জুনিয়ার পার্টনার মাধবরাজের ধর্মপত্নী। তিনি নেপালি। বস্তুত নেপাল রাজপরিবারের সঙ্গে কী একটা রক্তের সম্পর্কও আছে। বাপের একমাত্র আদুরে মেয়ে। অগাধ সম্পত্তির নাকি একমাত্র ওয়ারিশ।

    —প্রেম করে বিয়ে?

    —না, না। সম্বন্ধ করে। মিসেস জৈনের বাবা আবার জৈন নন, বৌদ্ধ। তবু বিবাহ আটকায়নি। বোধকরি অর্থকৌলিন্যে।

    —মাধবরাজের বয়স কত? সন্তানাদি কী?

    —মাধবরাজ চল্লিশের কাছাকাছি। বিয়ে হয়েছে বছর সাতেক। কিন্তু সত্তানাদি আজও কিছু হয়নি।

    —মাধবরাজের স্ত্রীর সঙ্গে তোমার আলাপ আছে?

    —না, আলাপ নেই। তবে দূর থেকে দেখেছি। অফিসের কোন কোন অনুষ্ঠানে। বছর ত্রিশ- বত্রিশ বয়স। সুন্দরী নন, কিছুটা পৃথুলা। তবে গায়ের রঙ খুব ফর্সা। শুনেছি শুচিবায়ুগ্রস্তা। স্বভাবেও সন্দেহবাতিক এবং দজ্জাল-টাইপ

    —সেক্ষেত্রে জানতে হয় : তোমাদের অফিসে কতজন মহিলা কর্মী আছে?

    —আমাকে নিয়ে পাঁচজন। কিন্তু এ কথা কেন?

    —কেন, তা জানতে চেও না। বাকি চারজনের নাম আর পরিচয় দাও দিকি। কত বয়স, বিবাহিত কি না, কী কাজ করতে হয়। সবাই বাঙালি?

    আজ্ঞে না। আমি ছাড়া সবাই অবাঙালি আর বিবাহিতা। সুমিত্রা গর্গ আর ঝরনা তামাং দুজনেই বিবাহিতা, ত্রিশের কোঠায়, সন্তানাদি আছে। এছাড়া আছেন মিসেস্ অ্যাগনেস, প্রৌঢ়া। আর আছেন রঞ্জনাদি রঞ্জনা থাপা বয়স ত্রিশের কাছাকাছি, কিন্তু দেখলে মনে হয় পঁচিশের কম। সুন্দরী সুতনুকা, বিধবা এবং নিঃসন্তানা। তিনি অবশ্য মাস কয়েক আগে ছুটি নিয়ে দেশে চলে গেছেন গল ব্লাডার অপারেশন করাতে। সুমিত্রা ক্লার্ক, আর ঝরনাদি সেলস্ গার্ল। আমাদের অফিস কাউন্টারে নানান কিউরিও সাজানো আছে। ঝণাদি তার কাউন্টার সেলে আছে। সুমিত্রাদিও তাই তবে তাকে মাধবরাজ অথবা বিজয়রাজজীর স্টেনোর কাজও করতে হয়।

    —সুমিত্রার বয়স কত? দেখতে কেমন? কটি সন্তান?

    —বছর সাতাশ। দেখতে সুশ্রী। ওঁর দুটি সন্তান।

    —অফিস ছুটির পরেও তাকে মাঝে মাঝে অফিসে বসে কাজ করতে হয় নিশ্চয়? ডিকটেশন নিতে?

    —তা তো হয়ই।

    —সে সময় খুড়ো-ভাইপোর কেউ কিছু অন্যায় সুযোগ নেবার চেষ্টা করে না? যাকে বলে Pawing?

    —তা আমি কেমন করে জানব?

    —ন্যাকামি কর না চৈতালী। কী করে জানবে তা তুমি ভাল রকমই জানো। তোমার দিকে ওদের কেউ হাত বাড়ায়নি?

    চৈতালী ইতস্ততভাব ঝেড়ে ফেলে বলে, অনেক পুরুষমানুষ অমন করে বলে শুনেছি। আমার অবশ্য ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা নেই। খুড়ো বিজয়রাজজী একটু টিজ করেন, লেগ পুলিং জাতীয়। কিন্তু ভাইপো মাধবরাজ এ বিষয়ে খুব স্ট্রিক্ট। তাঁর কোনও বেচাল কোনদিন কেউ দেখেনি।

    —আর প্রৌঢ় বিজয়রাজজী কী জাতীয় লেগ পুলিং করেন?

    —উনি স্বভাবতই ফূর্তিবাজ। মেয়েদের নিয়ে ঠাট্টা-মশকরা করা ওঁর স্বভাব। মেয়েদের সাজপোশাকের প্রশংসা করা ওঁর এক চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য। মনেও রাখেন অদ্ভুত— কে কবে কী রঙের শাড়ি পরে এসেছে। নতুন শাড়ি পরে এলে নিউ পিঞ্চ দিতে ভুল হয় না। এই বৃদ্ধ বয়সেও।

    —বাহুমূলে?

    —গালেও! এমন কি বৃদ্ধা অ্যাগনেসকেও।

    —আর মাধবরাজ?

    — মেয়েদের সম্বন্ধ তিনি খুব সতর্ক। যথেষ্ট দূরত্ব বজায় রেখে চলেন। সুমিত্রাদিকে যদি অফিস ছুটির পরে ডিকটেশন নেবার জন্য থেকে যেতে হয়, তাহলে আমাদের মধ্যে অন্য কোনও মহিলা কর্মীকে ছুতোনাতায় ওভার-টাইম নিতে বাধ্য করেন।

    —কেন বল তো? ভয়টা কাকে?

    —ঠিক বলতে পারব না। হয়তো নিজেকেই। অথবা ওঁর সন্দেহবাতিকগ্রস্তা দজ্জাল স্ত্রীকে। কিন্তু একটা কথা, স্যার, এসব কথা এত খুঁটিয়ে জানতে চাইছেন কেন?

    বাসু ওর প্রশ্নের প্রতি ভ্রুক্ষেপ না করে বলেন, ঐ যে বিধবা মেয়েটি, রঞ্জনা থাপা, যে ছুটিতে আছে, ও কী কাজ করত? ওর দেশ কোথায়?

    —নেপাল। কাঠমাণ্ডুর কাছাকাছি পোখরা নামে একটা গ্রামে। সেও বড়লোকের মেয়ে। রঞ্জনাদি ঠিক আমাদের স্টাফ ছিল না। সে ছিল কমিশন এজেন্ট। হীরালাল ঘিসিংজীর ডান হাত। হীরালালজী থাকেন কাঠমাণ্ডুতে।

    —তোমাদের কোম্পানির কাজটা কী?

    —নামেতেই তার পরিচয়। দেশ-বিদেশের আর্ট-গুডস্‌, কিউরিয়ো সংগ্রহ করা এবং দেশ- বিদেশে বিক্রি করা। এজন্য অফিসের বাইরে অনেক স্টাফ আছেন। বিজয়রাজজীর শালা আছেন নিউইয়র্কে। তাঁকে আমি কোনদিন চোখেই দেখিনি। লন্ডনে একজন আছেন, সিঙ্গাপুরে আছে রাঘবন পিল্লাই, নেপালে আছেন, আগেই বলেছি, হীরালাল ঘিসিং, টোকিওতে মিস্টার . নোনাগাকি। এঁরা কেউই এমপ্লয়ি নন: কমিশন এজেন্ট। কিউরিও ডিলার।

    বাসু বলেন, তোমাদের ক্যাশে সচরাচর দিনান্তে কত ব্যালেন্স থাকে? জেনারালি?

    —তার কোনও স্থিরতা নেই। দু-পাঁচ লাখও থাকে।

    —বল কী! অত টাকা ক্যাশে নগদ থাকে?

    —হ্যাঁ, কারণ প্রায়ই খুব দামী কিউরিও — ছবি, টেরাকোটা মূর্তি, সিল্ক-স্ক্রোল বা অন্যান্য আর্ট গুড্‌ড নগদে কিনতে হয়। চেকে লেনদেন হয় না।

    —কেন? চোরাই মাল? স্মাগল্ড?

    —তা আমি জানি না। যা দেখেছি তাই বলেছি। এসব দুর্লভ কিউরিও নগদ টাকায় কেনা- বেচা হয়। তাই ক্যাশে সব সময়ই দেড়-দুলাখ কারেন্সি নোটে থাকে। আমাকে মাসে দুবার ক্যাশ মিলিয়ে টাকা গুনতি করতে হয়। কারণ দুজন পার্টনারই স্লিপ রেখে নগদে বিশ-পঞ্চাশ হাজার টাকা নিয়ে যান। যখন-তখন। আমাকে না বলেও হয়তো।

    —তুমি শেষ কবে ক্যাশ মিলিয়েছ?

    —দিন দশেক আগে। ক্যাশ ঠিক ছিল।

    —এই টাকা ভর্তি কালো অ্যাটাচি তুমি কোথায় পেলে?

    চৈতালী বিস্তারিত জানায়। ঘটনার দিন, হঠাৎ যেদিন সন্ধ্যায় হরিমোহনকে গাড়িতে ধাক্কা মারে সেদিন, বেলা তিনটা নাগাদ হরিমোহন চৈতালীর সঙ্গে অফিসে দেখা করে। জানায়, হঠাৎ একটা জরুরি প্রয়োজনে দিন পাঁচেকের জন্য অফিসের কাজে তাকে শিলিগুড়ির বাইরে যেতে হবে। প্লেনে করে। সচরাচর সে কাঠমাণ্ডুতে যায় হীরালালজী অথবা রঞ্জনাদির কাছ থেকে নেপালি কিউরিও সংগ্রহ করতে। তাই চৈতালী জানতে চেয়েছিল, ‘নেপাল যাচ্ছিস’? হরিমোহন বলেছিল, ‘না, ফিরে এসে সব কথা তোকে বলব।’ আর কিছু হরিমোহন বলে যায়নি। অফিস ছুটির পর ডুপ্লিকেট চাবি দিয়ে সদর দরজা খুলতে যাবার সময় ও খবর পায়, হরিমোহন হাসপাতালে। রাত এগারোটা পর্যন্ত সে হাসপাতালে ছিল। এমার্জেন্সি-ওয়ার্ড থেকে ইনটেসি কেয়ার য়ুনিটে রোগীকে অপরাসণ করার পর ও বাড়ি ফিরে আসে। তালা খুলে ঘরে ঢোকে। ওরা পাশাপাশি ঘরে শোয়। চৈতালী হরিমোহনের ঘরটা তালাবদ্ধ করতে এসে দেখে মেঝেতে মালপত্র সাজানো আছে। হরির স্যুটকেস, বিগ্‌পার ব্যাগ আর জলের বোতল। ঐ সঙ্গে একটা অচেনা কালো অ্যাটাচি। এটাকে ও আগে কখনো দেখেনি। চৈতালী কৌতূহলী হয়ে পড়ে। ও জানত, হরিমোহন কখনো কখনো অনেক টাকা নগদে নিয়ে ট্যুরে যায়, অফিসের কাজেই। দামী কিউরিও কিনতে। তাই তার আত্মরক্ষার কথা ভেবে অফিস ওর জন্য একটা রিভলভারের লাইসেন্স করিয়ে দিয়েছে। হরিমোহন সচরাচর সেটা মাজায় বেঁধে ট্রেনে যাতায়াত করে। ফার্স্ট ক্লাসে। কিন্তু আহত রোগীর যে সব জিনিসপত্র হাসপাতালে জমা আছে তার মধ্যে ঐ রিভলভারটা ছিল না। তাই চৈতালী অ্যাটাচিটা খুলবার চেষ্টা করে। অনেকক্ষণ চেষ্টা করার পর অ্যাটাচির স্প্রিং-লকটা খুলে যায়। চৈতালী স্তম্ভিত হয়ে যায়। স্যুটকেসে শুধু টাকা আর টাকা! সব পঞ্চাশ টাকার। গুতি করে দেখে মোটমাট পঞ্চাশ হাজার টাকা আছে। এত টাকা ও পেল কোথা থেকে? দুই মালিকের কেউই আজ অফিসে আসেননি। না মাধবরাজ, না বিজয়রাজ। চৈতালী নিজেও ভল্ট খোলেনি। পেটি ক্যাশবাক্সতে যে দেড় দু হাজার টাকা আছে তা নাড়ানাড়ি করেই সেদিনের কাজ চলে গেছে। তাহলে?

    দ্বিতীয়ত, হরিমোহনের রিভলভারটা কোথায় গেল?

    তখনই ওর নজর হল, স্যুটকেসের ওপরের খাপে একটি টাইপ করা ইংরেজি চিঠি। তাতে যা লেখা আছে অনুবাদ করলে তা দাঁড়ায় : ‘ওহে ছিপে রুস্তম! আমার ধৈর্যের একটা সীমা আছে! এই শেষ সুযোগ দিচ্ছি। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ছয়টার মধ্যে প্রতিশ্রুত পঞ্চাশ হাজার নগদে না পৌঁছে দিলে সংবাদটা আর গোপন থাকবে না। দৈনিক সঞ্জয় উবাচ কাগজের পার্সোনাল কলমে জানিও, কখন, কোথায় খেসারতটা দিচ্ছ। ফাঁদ পাতার চেষ্টা করলে তুমি নিজেই ফাঁদে পড়বে কিন্তু।

    ইতি 36-24-36।

    বাসু বললেন, কই, দেখি সেই চিঠিটা?

    চৈতালী চিঠিখানা ওঁর হাতে দিল।

    কাগজটা খুলে দেখলেন। মোটা বড় পেপার, ইলেকট্রিক টাইপরাইটারে ছাপা। তারিখহীন। বাসু বললেন, এ কাগজখানা থাক আমার কাছে। হরিমোহনের রিভলভারটার সন্ধান আর তারপর পাওনি?

    —আজ্ঞে না।

    —তোমার কী ধারণা?—এত টাকা নিয়ে হরিমোহন কোথায় যাচ্ছিল? তোমার অজ্ঞাতসারে দুই পার্টনারের কেউ কি ক্যাশ থেকে টাকাটা বার করে হরিমোহনকে দিয়েছিলেন? কাউকে পেমেন্ট করে আসতে?

    চৈতালী বলল, আমার তা বিশ্বাস হয় না। প্রথম কথা, তাহলে ওঁদের দুজনের মধ্যে কেউ না কেউ আমাকে বলতেন, ‘খুঁজে দেখ, তোমার পদার ঘরে নগদ পঞ্চাশ হাজার টাকা আছে। তা কেউ বলেননি। অথচ অ্যাকসিডেন্টের পর দুজনের সঙ্গেই আমার কথা হয়েছে। রিভলভারের কথাও কেউ আমার কাছে জানতে চাননি।

    —হরিমোহনের কি কোনও বদ নেশা আছে? স্মাগলার দলের সঙ্গে জানাশোনা আছে?

    —আমি তো কোনদিন তা সন্দেহ করিনি। নেশা বলতে ‘ড্রাগ অ্যাডিক্ট’ নিশ্চয় নয়। সিগারেট খায়, মদও খায় কখনো-সখনো। জুয়ার নেশা আছে। তিন-চার তাসাডু বন্ধুর সঙ্গে তে- তাশ খেলে। বোর্ড মানি পঞ্চাশ টাকা উঠতে দেওয়া হয় না। তাতে মাসে বিশ পঞ্চাশ টাকা হারে অথবা জেতে। তবে দার্জিলিঙে গিয়ে সিজনে দু-একবার রেস খেলেছে। কাঠমাণ্ডুতে একবার রোলে-বোর্ডে সাতশ টাকা হেরে এসেছিল। সব কিছুই ও আমাকে খুলে বলে। কিছু গোপন করে না।

    —কোনও মেয়ের সঙ্গে কি ওর সম্প্রতি ঘনিষ্ঠতা হয়েছিল? প্ৰেম-ট্রেম?

    চৈতালী একটু চুপ করে ভাবল। তারপর বলল, আমার তাই সন্দেহ হয়েছে, কিন্তু ও স্বীকার করেনি। ইদানীং ও মনমরা হয়ে পড়েছিল।

    — মেয়েটি ‘কে’ আন্দাজ করতে পারনি? তোমাদের অফিসের কেউ কি?

    —আমাদের অফিসে তো দুজন বিবাহিতা, একজন বৃদ্ধা, একজন বিধবা। — সবাই ওর চেয়ে বয়সে বড়। হয়তো অন্য কোনও মেয়ে, যাকে আমি চিনি না।

    —আর কিছু বলবে? কোনও গুরুত্বপূর্ণ খবর দিতে ভুলেছ কি?

    —না, সব কিছুই তো বলেছি।

    —না, বলনি। ব্ল্যাকমেলারের নির্দেশ মতো তুমি ‘দৈনিক সঞ্জয় উবাচ’ পত্রিকার পার্সোনাল কলমে একটা বিজ্ঞাপন দিয়েছিলে! তাই নয়? সেও একটা বিজ্ঞপ্তি দিয়েছিল। ট্যাক্সিতে অপেক্ষা করবে!

    —ও হ্যাঁ। সেকথা আপনাকে বলা হয়নি বটে।

    —ব্ল্যাকমেলার লোকটা ট্যাক্সি নিয়ে দাঁড়িয়ে রইল তোমার দোরগোড়ায়, তবু তুমি তার সঙ্গে দেখা করলে না কেন?

    —আপনি কেমন করে ও, আয়াম সরি…ও সব প্রশ্ন তো আমার করার অধিকার ।নেই। কী জানেন, স্যার, গগল্স পরা, টুপিমাথায় লোকটাকে দেখে আমার সন্দেহ হল আসল লোক নয়। আসল লোক যদি হয় তাহলে হোটেল রিসেপশনে এসে আমাকে চাইছে না কেন?

    —তোমার নাম সে জানে?

    —না, জানে না। সম্ভবত হরিমোহনের নাম জানে। অন্তত পক্ষে সে কোড়-নাম্বারটা তো জানে—আপনি যে ভাবে এলেন।

    —তার মানে তুমিও তাকে চেন না?

    —নিশ্চয় না!

    বাসু বললেন, তোমার বলা যখন শেষ হয়েছে তখন আমি বলতে শুরু করি এবার। মন দিয়ে শোন : তুমি বর্তমানে একটা প্রচণ্ড বিপদের মধ্যে রয়েছ। শিলিগুড়ির অফিসে অডিটার যদি বলে, ক্যাশে পঞ্চাশ হাজার টাকার ঘাটতি আর হরিমোহনের জ্ঞান যদি আদৌ না ফেরে, তাহলে তোমার অবস্থা বুঝে দেখ। তোমাকে অফিস থেকে ছুটি দিয়েছে হরিমোহনের দেখভাল করার জন্য; অথচ তুমি ছদ্মনামে কলকাতার একটা হোটেলে লুকিয়ে বসে আছ। আর তোমার হেপাজতে নগদ পঞ্চাশ হাজার টাকার ব্ল্যাকমানি! ঠিক যে পরিমাণ ঘাটতির কথা বলেছে অডিটার!

    চৈতালী মাথা নিচু করে শুনছিল। বলল, আপনি আমাকে কী করতে বলেন?

    বাসু টেলিফোনটা তুলে নিয়ে অপারেটারকে ওঁর বাড়ির নম্বর দিতে বললেন। ফোন ধরল কৌশিক। বাসু তাকে বললেন, সুজাতাকে ফোনটা দিতে।

    সুজাতা ফোনের ও প্রান্তে এলে বাসু বলেন, তুমি হোটেল পান্নায় চলে এস। শুধু একটা ভ্যানিটি ব্যাগ নিয়ে। তোমার কি কোবাল্ট-ব্লু রঙের ব্লাউজ আছে? … দ্যাটস্ অল রাইট। সেটা নিয়ে এস। দু-একদিন তোমাকে হোটেলে থাকতে হতে পারে। কিন্তু আপাতত কোনও ওভার নাইট ব্যাগ নিয়ে এস না। সোজা এসে 315 নম্বর ঘরে নক্ কর!

    টেলিফোনের রিসিভার নামিয়ে রেখে এবার চৈতালীকে বললেন, আমি হোটেলের বাইরে যাচ্ছি। একটা স্যুটকেস কিনে নিয়ে এখনি ফিরে আসব। তিন তলাতেই একটা ঘর ভাড়া নেব। তুমি এখানে অপেক্ষা কর, যতক্ষণ না আমি ফিরে আসি। ইতিমধ্যে যদি টেলিফোন বাজে তুলবে না। যদি কেউ দরজায় নক করে, খুলবে না। অর্থাৎ তুমি ঘরে নেই। আমি এসে দরজায় এই ভাবে নক্ করব টক্ টক্ … একটু থেমে তিনবার টক্-টক্-টক্! তখন দরজা খুলবে। ও. কে.?

    চৈতালী মাথা নেড়ে সায় দিল।

    বাসু প্রশ্ন করেন, তুমি বুঝতে পারছ, আমি কী করতে চাইছি?

    চৈতালী মাথা নেড়ে জানায় : না!

    —তোমাকে ইভাপোরেট করে দিতে। কর্পূরের মতো উবে যাওয়া। জাস্ট ফলো মাই ইনস্ট্রাকশনস্

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসমগ্র কিশোর সাহিত্য – নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    Next Article কাঁটায়-কাঁটায় ৫ – নারায়ণ সান্যাল

    Related Articles

    নারায়ণ সান্যাল

    অলকনন্দা – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    আবার যদি ইচ্ছা কর – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    আম্রপালী – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    বিশ্বাসঘাতক – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    সোনার কাঁটা – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    মাছের কাঁটা – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }