Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কাঙাল মালসাট – নবারুণ ভট্টাচার্য

    নবারুণ ভট্টাচার্য এক পাতা গল্প276 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কাঙাল মালসাট – ১০

    ১০

    দশ ও দেশের মুখোজ্জ্বল করার অভিসন্ধি নিয়েই ‘কাঙাল মালসাট’ শুরু হয়েছিল কিন্তু গত অধ্যায় বা কিস্তিটা ছাপার সময় ভূতের খপ্পর কাকে বলে তা বোধগম্য হল। গোটা ব্যাপারটার মধ্যে মানুষের কোনো হাত নেই। প্রথম প্রুফ যেই এল তখনই নজরে পড়ল যে শেষে যেখানে (চলবে) বলা থাকে সেখানে বেরিয়েছে (চলবে না)। সংশোধনের পরেও সেই আশাভঙ্গকারী ‘না’। কম্পিউটারের মাউস বা ক্যাট কেউই বাঁদরামি করছে না, তারা শুদ্ধ, ভাইরাস মুক্ত এবং যে পত্রিকায় এক এক পক্কড় করে ধরাশায়ী হচ্ছে সেখানেও কুচোকাচা কেউ ঢ্যামনামি করেনি। (চলবে না) — এর চেয়ে বরং ঢলবে না, টলবে না হলেও মুখরক্ষে হত কিন্তু (চলবে না) অবশ্যই অপমানজনক। লেখকের মধ্যে তখন খুবই প্রাকৃতিক ডাকের মতো যে উপলব্ধি পাওনা হল তা হল এ নিশ্চয়ই সম্পাদকের হারামিপনা। হয়তো তা প্রমাণিতও হত। এই নিয়ে বাদানুবাদের সময় সম্পাদক বরং শেষমেশ অপারগ হয়েই লেখকের দিকে পাণ্ডুলিপির জেরক্স ছুঁড়ে দিয়ে বলল — এটা কি আমার বাপের হাতের লেখা? লেখকের নিজেরই লেখা। অবিকল সেই হস্তাক্ষরে, নির্ভুল বানানে লেখা — (চলবে না)। সম্পাদকের কবুলতি হল চলুক বা না চলুক — কিছুতেই তার এক গাছাও ছেঁড়া যায় না। একই মত লেখকেরও। একইরকম গোঁ সব শালারই। রহস্য সায়ার মতোই রহস্যময়ী। আসল কারণ কেউই জানে না। প্রেতলোক অনেক সময়ই অটোমেটিক রাইটিং বা ওই জাতীয় কোনো ছলের আশ্রয় নিয়ে অপরিবর্তনীয় ভবিষ্যতের দিকে অঙ্গুলি নির্দেশ করে। কিন্তু মানুষের ধাতে ভূতের নির্দেশ মানার কোনো সদিচ্ছা নেই। অবধারিত নিয়তি এভাবেই নির্জন জলার কাছে, আলেয়ার হাপসু গ্যাসালো আলোর নিকটস্থ নীরবে অপেক্ষারত দক্ষ ঠ্যাঙাড়ের সান্নিধ্যে ভ্রাম্যমাণ পথিকবরকে নিয়ে যায়। অতএব বোঝা যাক যে এবারেও তার অন্যথা হবে না কিন্তু যতক্ষণ হাতেনাতে না হচ্ছে …

    দুই খিলানের ওপরে নির্মিত বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম ঝুলন সেতুটির টঙে বসে দাঁড়কাক কলকাতার এক একটি বিশিষ্ট এলাকা যেমন খিদিরপুর, ওয়াটগঞ্জ, গঙ্গা নদীর গায়ে ডক চত্বর, একগাছা লোমের মত মিলেনিয়াম পার্ক, ইডেন গার্ডেন, ময়দান, আখাম্বা মনুমেন্ট, চৌরঙ্গী এলাকার হিজিবিজি, ফ্রি স্কুল ষ্ট্রীটের ভার্জিন কলেজ-গার্লদের নগদা বাজার, ভবানীপুর, বিকট ধোঁয়াটে কুহকে ঢাকা উত্তর কলকাতা, বালীগজ্ঞের সেইসব এলাকা যেখান থেকে জীবনানন্দের গল্পের হেমেন প্রমুখ চরিত্ররা মোটা বউ নিয়ে বাসে উঠত বা ট্যাক্সি হাঁকাত তারপর ফারপোতে গিয়ে চপ-কাটলেট প্যাঁদাত, অথবা আরেকটু ঘাড় ঘুরিয়ে বাইপাস, সল্টলেক, কসবা কানেকটর ইত্যকার বিবিধ হুলিয়া ঘাড় ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে দেখছিল আর খিস্তি করছিল।

    ভদি বানচোৎকে ধরে আড়ং ধোলাই দিতে হবে। এরকম একটা জালি, খুপরি খুপরি শহরে কোথায় গেরিলা হুজ্জুতি ধান্দা করবে, তা না, গাণ্ডুটা একেবারে আর্মির ঢঙে পজিশনাল ওয়ারের ছক কষছে। নুনুকামান দিয়ে পজিশনাল ওয়ার। এঁড়ে চোদা। বললুম লড়ালড়ি পরে করবি আগে লেখাপড়া কর। হদিশও দিলুম। মাও, গিয়াপ, চে, মারিঘেল্লা, টিটো — এগুলো একবার চোখ বুলিয়ে নে তারপর কাগজ কলম নিয়ে মাদুরের ওপরে পোঁদ উল্টে নিজের মত ছক কর। যুদ্ধ করা সোজা ব্যাপার! হাওদা, হাতি, মাহুত — সব নখদর্পণে থাকতে হবে। তা না ল্যাওড়া কেবল তড়পাবে। দেদারে তড়পাবে। আমার কি! উল্টোপাল্টা দেখলে বাংলা কথা — আমি নেই। এত যদি তোর আম্বা বেগম জনসনের কাছে আরলি যুদ্ধের স্টোরি শোন — টিপু কি করেছিল, হায়দার আলি কি খুঁচিয়েছিল, সিরাজ ফোর্ট উইলিয়ামের পুঁটকি মেরে দিল কিন্তু সাহেবদের সঙ্গে এঁটে উঠবে কি করে? তখন তারা জাহাজে করে মাঝ গঙ্গায় নোঙর মেরে ঘাপটি মেরে আছে। কেটে পড়, ছিপে যাও, তারপর যেই দেখবে এনিমি মাল মাগির ফোয়ারা খুলেছে ওমনি ‘শোলে’-র স্টাইলে ঝাড়, লোহে গরম হ্যায়, লাগা দো হাতোড়া। তা না বাঁড়া কেবল লম্ভ ঝম্ভ। টঙে বেশ ঠাণ্ডা তো। ডানা ঝাপটাবো? হাই অলটিচুড তো, ইংলিশ হাওয়া লাগছে। ওফ এই একটা জাত, কবে হাওয়া ছেড়ে কেটে পড়েছে, এখনও যেমন ফুরফুরে তেমন গন্ধ।

    দাঁড়কাক ডানা ঝাপটাল। একটি পালক খসে উড়তে থাকল। পালকটিকে সাধারণ ক্রো ফেদার ভাবাটা বোধহয় ঠিক হবে না কারণ পালকটি পাক খেতে খেতে গঙ্গায় পড়ল এবং শুভ্র ধাবমান সিলভার জেটের গায়ে জলছবির মত আটকে বিনা পয়সায় হলদিয়া চলে গেল। হলদিয়া পেট্রোকেমিকেল কেন লাটে উঠছে তা বুঝতে হলে এই ঘটনাটিকে ধরেই এগোতে হবে। এখানেই রয়েছে ভাইট্যাল ক্লু। এর বেশি বলা বারণ আছে। কারণ আলিমুদ্দিনে খবরটা গেলেই গেঁতো গভরমেন্ট নড়ে চড়ে বসতে পারে। সে হ্যাপা সামলানো ‘কাঙাল মালসাট’-এর ধকে কুলোবে না। অবশ্য এতক্ষণে নিশ্চয়ই রটে গেছে যে আমরা আনন্দবাজার বা সি. পি. এম. অথবা তৃণমূল কিংবা ঘাড়ভাঙ্গা কংগ্রেস কোনো মালকেই খচাতে চাই না। কিন্তু নিজে নিজে, আপন গরজে কেউ যদি খচিয়ান হয়ে ওঠে আমাদের কিছুই করার নেই। এরা তো এলিতেলি — বিশ্বজোড়া যার রোয়াব ছিল সেই ব্রিটিশদেরও জীবনে এই আনন্দের পুড়কি তো পরক্ষণেই নেমে আসত বেদনা বিধূর মূর্ছনা। ভান্ডিভাস Wandi wash, আরকট, পলাশী, বক্সার বা সেরিঙ্গাপত্তনামে যুদ্ধ জয়ের সে কি উল্লাস! কিন্তু যেই ব্ল্যাক হোল (মহাবিশ্বের খতরনাক কৃষ্ণ গহ্বরের সঙ্গে গুলিয়ে না ফেলাই ভালো) বা পাটনা ম্যাসাকার, অমনি ত্রুদ্ধ ক্রন্দন ও পাঙ্খাওয়ালাকে খিস্তি। ইতিহাস সম্বন্ধে এই ট্র্যাজিকমিক বোধ জাগ্রত করার জন্য আমাদের ইভর এডওয়ার্ডস স্টুয়ার্ট নামধারী এক অতীব খচ্চর সাহেবের হাত ধরে বারংবার বেগম জনসনের গলতায় যেতে হবে কারণ বেগম জনসনই সেই দুর্বার মহিলা যিনি চারটি বিয়ে করার ফাঁক ফোকরে স্বচক্ষে সিরাজৌদ্দল্লাকে দেখেছিলেন, ক্লাইভ ও ওয়াটসনের মত প্রতিভাধরদের সঙ্গে গালগল্প চালিয়েছিলেন এবং গভীর আনন্দের সঙ্গে লক্ষ করেছিলেন যে হোলকার, সিন্ধিয়া ও এমনকি ভীতিপ্রদ মারাঠাও কিভাবে জন কোম্পানির সামনে সেঁতিয়ে গিয়ে ‘জো হুকুম জো হুকুম’ করছে। এই জন্য বেগম জনসনের কাছে আমাদের চিরকাল নতজানু হয়ে থাকতে হবে। অন্যটি হবার উপায় নেই।

    ‘জয় মা গ্যাঞ্জেস’ বলে বিশাল দাঁড়কাক দ্বিতীয় সেতুর টঙ থেকে উড্ডয়ন করল এবং তখনই তার নজরে এল কয়েকটি উড়ন্ত চাকতি ঝাঁক বেঁধে খেলা করতে করতে হাওড়ার দিকে যাচ্ছে। বা খেলার ছলে হাওড়ায় চলেছে বললেও অতিকথন হয় না। উড়ন্ত চাকতির খেলা অনেকটা বাজারের আমিষ অংশের আকাশে মাছিদের ওড়াউড়িরই সামিল। কিন্তু কিছুক্ষণ এমত ক্রীড়ায় মাতোয়ারা হওয়ার পর মাছিরা কী করবে সেটা বলে দেওয়া যায় কিন্তু উড়ন্ত চাকতিদের যে কি মতলব তা বোঝা শিবের বাপেরও অসাধ্যি। হঠাৎ হয়ত ভাটিয়ালি গানে মুহ্যমান মাঝির দিকে তেড়ে গেল বা গঙ্গাতীরে স্নানরতা যুবতীদের দেখে মাঝ আকাশে দাঁড়িয়ে গেল। এর কোনটি যে হবে তা কেউ বলতে পারে না। শুধু কোয়ান্টাম জগত নয়, অন্যত্র এইভাবে ওয়ারনার হাইজেনবার্গ-এর আনসারটেনিটি প্রিন্সিপাল প্রয়োগ করে দেখা যেতে পারে। দাঁড়কাক উড়ন্ত অবস্থাতেই স্ট্যাটেজিক দক্ষতায় কিছুটা পূরিষ ত্যাগ করিল যা হাওয়ায় ডানা মেলে দিলেও মাধ্যাকর্ষণের অমোঘ টানে নেমে আসতে বাধ্য হয় এবং পড়বি তো পড় দুঁদে ট্র্যাফিক সার্জেন্টের গগলস-এর ওপরে। দুঁদে সার্জেন্ট ‘শিট’ বলিয়া আক্ষেপ করে ও মোটর সাইকেলটি সাইডে ভেড়ায়। কিছুটা মোটা ভুরুতে বাকিটা রেব্যান-এর গা গিয়ে গড়াচ্ছে। সার্জেন্ট-এর পরবর্তী ডায়লগ হল ‘ভালো রুমালটার গাঁড় মারা গেল।’ দীর্ঘ কালো চঞ্চুতে কৌতুকের ঝিলিক খেলিয়ে দাঁড়কাক উড়তে থাকে এবং আরও বেশ কিছুক্ষণ ফ্লাইটের পর ভিক্টোরিয়ার মাথায় পরীর পাশে নিখুত ল্যান্ডিং করে। সেই সময়েই ঝটকা বাতাস এলো এবং দীর্ঘদিন পরে কাছে আসার অভিমানে পরী মুখ ঘুরিয়ে নিল। বাংলা সাহিত্যের পাঠকের কাছে জায়গাটি অচেনা হবার কথা নয়। অবশ্য ত্রৈলোক্যনাথ আজকাল খুব বেশি পিস পড়ে না। গম্বুজের ওপরে পরী ও দাঁড়কাক। কিন্তু দাঁড়কাকের চোখে পড়ল এক কাণ্ড। এক তরফা গোলকায়নের সুলভ শৌচের পরিবেশে একদঙ্গল ব্রিটিশ টুরিস্ট নানরকম ক্যামেরা ও ভিডিওক্যাম সহ ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল দেখে বেড়াচ্ছে এবং বাইরে যাবার নুড়ি মারানো পথে দাঁড়িয়ে ভিক্টোরিয়ায় কিউরেটর তাদের ড্যানিয়েল, জোফানি ও ভেরিশ্চেগিনের আঁকা ছবির মহিমা বর্ণনা করছে। ইনি শুধু ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়ালের কিউরেটর তথা ডিরেক্টরই নন, কলকাতার স্বল্প দৈর্ঘ্যের ইতিহাসের ওপরে যারা ঘ্যাম তাদের মধ্যমণি বলা চলে। নিজের জীবনের উত্তরোত্তর উন্নতির বাঁকে বাঁকে তিনি জায়গা বুঝে একটিই কথা কখনো অস্ফুটে, কখনো সজোরে বলে এসেছেন — ‘সবই চার্নকের দয়া!’ আজও অন্যথা হল না। মূর্খ সাহেবদের দলটি হাহা হিহি করিয়া বিদায় গ্রহণের পর কিউরেটর মহাশয় এই ভাবিতে ভাবিতে নিজ কক্ষে ফিরিয়া আসিলেন যে প্রাচীন কলকাতায় মাগিবাড়ি সম্বন্ধে নানা তথ্য ইতস্তত ছত্রাকার হইয়া রহিয়াছে — সে গুলিকে একত্র করিয়া একটি পূর্ণাঙ্গ আকর গ্রন্থ সম্পাদনা করিতে বাধা কোথায় — এই গ্রন্থটি বাংলায় হইলে ভাল না যুগপৎ ভাবে ইংরেজি হওয়াও আবশ্যক — মালটাকে ডাগোর করে তুলতে হলে কত কাঠখড় পোড়াতে হবে — এই সাতপাঁচ ভাবনার শেষে চেয়ারে গা এলাইয়া দিয়া তিনি বলিলেন, ‘সবই চার্নকের দয়া’!

    প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই জানলার দিক থেকে জবাব এল, ‘কেন, তোর বাপ কী দোষ করল?’

    এ এক রূপকথার দৃশ্য। ঘরের মধ্যে মহাপন্ডিত ও জানালার বাইরের অপ্রশস্ত অংশটির ওপরে কলকাতার ওলডেস্ট দাঁড়কাক ওরফে ভদির বাবা। মুখর মন্তব্যটি ছুঁড়ে দিয়েই দাঁড়কাকটি ঠোঁট চুলকোয়।

    তবে কি দাঁড়কাকই কথা বলিল? না ভূত? কিউরেটর সাহেব লহমাভর এই চিন্তা করিলেন যে তিনি হয়তো বা অজান্তেই মৃত। কিয়ৎক্ষণ পূর্বেই জীবিত ছিলেন কিন্তু মৃত্যুর পর তাঁহার ভৌতিক জগতে প্রবেশাধিকার ঘটিয়াছে। প্রেতপুরীতে দাঁড়কাক কেন, মশা, ব্যাঙ, গোসাপ সকলেই অবলীলায় বোধগম্য বাক্য চালনা করে। এমত চিন্তা করিয়াই ধুরন্ধর মাথায় অন্য মতলব খেলিল। এমনও তো হইতে পারে যে আমি জীবিত দন্ডবায়সের মুখে হয়তো নিজেই কল্পিত উক্তি ভাবিয়া তামাশা ফাঁদিয়াছি। অতএব কেঁচে গন্ডুষ করে দেখাই যায়। তাই কিউরেটর ফের বলিলেন — ‘সবই চার্নকের দয়া!’

    দাঁড়কাক চোখ পাল্টায়।

    — একটা ঠোক্কর খেলেই বুঝবি কার দয়ায় করে খাচ্চিস। হারামির হাঁড়ি কোথাকার। যা, অভিশাপ দিলুম তুই পরের জন্মে গুয়ের পোকা হয়ে জন্মাবি। তাও, এখেনে নয়। ধর বর্ধমান বা মানকুণ্ডুতে। গুয়ের ডাব্বায় গুয়ের পোকা। গু খাবি, গু মাখবি তারপর একদিন গুয়ে ডুবেই পটলে যাবি।

    কিউরেটর ভাবিয়াছিল সজোরে একটা পেপারওয়েট ছুঁড়িবে কিন্তু সাহসে কুলায় নাই।

    — বুঝেছি আপনি বুলি কপচাতে শিখেচেন। কিন্তু জন্ম-জন্মান্তরে মানুষ যে সুপারম্যানের দিকে এগিয়ে চলেছে সে বিষয়ে কিছুই আপনি জানেন না। অবশ্য কাক-ফাকের এসব জানারও কথা নয়।

    — বটে! কাক-ফাক! তাহলে শুনে রাখ, এই শালা কাকই তোর ঐ গণ্ডাকয়েক অরবিন্দ আর নীটশেকে ট্যাঁকে রাখতে পারে। সুপারম্যান মারাচ্চে। সুপার গুয়ের পোকা আগে হ, তারপর সুপার বাল, তারপর সুপারম্যান হবি। তোর মত ছকবাজ যত কম জন্মায় ততই মঙ্গল। সবই চার্নকের দয়া! এক ঝাপড়া মারব ফের ঐ নাম মুখে আনলে! চার্নক! ফাক চার্নক!

    — চার্নক ওয়াজ আ গ্রেট ম্যান। উনি না এলে কলকতা হত? কলকাতার তিনশো বছরে ঘোড়ার টানা ট্রাম চলত? অত পত্র-পত্রিকার স্পেশাল ইস্যু বেরোত? অত সেমিনার হত? এবং সব জায়গাতেই আমি আমার অগাস্ট প্রেজেন্স নিয়ে হাজির থাকতাম? কোথাও সভাপতি, কোথাও প্রধান কোথাও বিশেষ, ভেরিয়াস টাইপের অতিথি — বলুন এসব হত? সব ইমপরট্যান্ট মিনিস্টারদের সঙ্গে।

    -চার্নক ওয়াজ এ গ্রেট বাল। ঐ বোকাচোদা এল আর গঙ্গার পাড়ে হেগে কলকাতার পত্তন করল — তোর মতো হারামি না হলে ঐ লুটেরা মাগিবাজটাকে আদিপিতা বলে চালানো যেত? ছাগলের দেশে রামছাগল যা বলে সেটাই অকাট্য যুক্তি। আর তোদের গভরমেন্টেরও বলিহারি যাই। কলকাতার জন্মদিন মারাচ্চে। তেমন তোদের সব মিনিস্টার। তেমন তুই। পাঁঠার সভার সভাপণ্ডিত ! রামপাঁঠা!

    — সে আপনি যা বলেন বলুন, তাতে চার্নকের গ্রেটনেসে এতটুকুও আঁচড় লাগে না। যা ট্রুথ আমি তাই তুলে ধরেছি।

    — চোপ! ট্রুথ তুলে ধরতে হয় না। ট্রুথ ঝুলঝাড়ু নয়। ট্রুথ শেখাচ্ছে। জোসেফ টাউনসেন্ডের নাম জানিস?

    — আজ্ঞে, শোনা শোনা মনে হচ্ছে …

    — ঢপ দিস না। টাউনসেন্ড ছিল রেণ্ডিবাজ এক গ্যাঞ্জেস পাইলট। চার্নকের সাগরেদ। মাগিবাজিতে এ বলে আমায় দেখ, ও বলে আমায়।

    — আই প্রোটেস্ট। এ কথাটা আপনি আগেও বলেছেন। চার্নক সতীদাহ থেকে একজন বিধবাকে উদ্ধার করে তাকে বিয়ে করেছিলেন! আর তার নামে…

    — বেশি প্যাঁক প্যাঁক করিসনাতো। পোঁদে নেই ইন্দি, ভজরে গোবিন্দি। বিধবা উদ্ধার! তবে শুনবি? ভাইটাল একটা হিস্টোরিকাল ডকুমেন্ট। কবিতার ফর্মে। নে, লিখে নে। অ্যাঁঃ টেপ করবি? তো ক্যাসেট লাগা। ডবকা ফিমেল, ঢলো ঢলো ভাব ঐ মাল চার্নক জিন্দা থাকতে পুড়িয়ে নষ্ট করবে? মাগি কি যুঁইতুবড়ি না নসরিন?

    — বলুন, কী হিস্টোরিকাল ডকুমেন্ট?

    — বলচি, এটা পড়বি, ভাববি। বলে আমি চলে যাব। তিনদিন পরে আসব। তখন বলবি। নে বোতাম টেপ! জোসেফ টাউনসেন্ডের কবরের ওপরে লেখা — আটটি লাইন, ইংরাজিটা একটু আর্কেইক তবে তোর মত খচড়া ঠিক ধরতে পারবি — নে…

    “Shoulder to shoulder, joe my boy,

    Into the crowd like a wedge!

    Out with the hangers, messmates,

    But do not strike with the edge!

    Cries Charnock scatter the faggots,

    Double that Brahmin in two.

    The tall pale widow is mine joe,

    The little brown girls for you,”

    দাঁড়কাক ঝটিতি উড়িয়া গেল। কিউরেটর টেপ বন্ধ করিলেন। ক্যাসেট রিওয়াইন্ড করিলেন। প্লে লেখা বোতাম টিপিলেন, দাঁড়কাকের গলায় জোসেফ টাউনসেন্ডের এপিটাফ ধ্বনিত হইল। কিউরেটর ঢোঁক গিলিলেন। জলপান করিলেন।

    — অ্যাসটাউন্ডিং!

    পরক্ষণেই তাঁহার মনে ঝিলিক দিল যে, পরজন্মে তাঁকে গুয়ের ডাব্বায় গুয়ের পোকা হইয়া জন্মাইতে হইবে।

    নলেনের কাছে দুঃখজনক সংবাদটি শুনে ভদি বমকে গেল। চারটে ঘরের মধ্যে মাত্র একটা ভাড়া হয়েছে। তাও এসেছে পাগলাখ্যাঁচা টাইপের একটা পাবলিক এবং তার সঙ্গে নাকি মালসা-ফালসা ছিল।

    — এঃ চুলপোড়ার গন্ধ ছড়াচ্ছে। বানচোৎ করচেটা কী?

    — হবে তুকতাক। পোড়াচুলের ধোঁয়া শিশিতে ধরচে বোধহয়। ফুটো দিয়ে দেকব?

    — দেকে আয়। চুল পোড়ালে ভালো। তবে গায় না আগুন দেয়।

    নলেন প্রতিটি ঘরের দরজাতেই সংলগ্ন গোপন ছিদ্রের একটিতে উবু হয়ে বসে চোখ লাগায়। এবং বিশেষ ঐ অবস্থান গ্রহণ করার জন্যই সম্ভবত একটি সহিংস বাতকর্ম ঘটে যায়। অমনি ভেতর থেকে সেই পাগলাখ্যাঁচা খেঁকিয়ে ওঠে,

    — দরজায় আড়ি পেতে পাদা হচ্ছে! এরপরে ভাড়া চাওয়ার সময় বুঝিয়ে দেব। চুতিয়া কোথাকার।

    নলেন চলে এসেছে ছিটকে। এবং মুখ দেখে বোঝা যায় যে চমকেছে। ভদি মিষ্টি হাসে,

    — পয়মন্ত খদ্দের। টনক আচে। দেকলি কিছু?

    — ঐ যা ভেবেছিলুম। হোমোপাথির ছোট ছোট শিশিতে চুলপোড়া ধোঁয়া ধরচে আর ছিপি দিয়ে দিয়ে বন্ধ করচে

    — ঐ ধোঁয়া দিয়ে কী হয় জানিস?

    — কী আবার? তুকতাক!

    — কিন্তু স্পেশাল। ঐ ধোঁয়া কোনো বেধবা মাগির ঘরে ছাড়লে তেরাত্তিরের মধ্যে চুম্বকের টানে আলপিনের মতো চলে আসবে। এক এক শিশি হেভি দামে ঝাড়বে। আর খদ্দেরের অভাব নেই। হাজার হাজার লোক বেওয়া মাগি তাক করচে।

    — কিন্তু টেনে আনা এক জিনিস আর জব্দ করা, সে তো খুবই ঝামালা। কতায়ই তো বলেচে, গলায় দড়ির গিঁট আর বিধবা মাগের হিট।

    — সে যার চিন্তা তার চিন্তা। আগে মদনানন্দ মোদক খেত, ইয়াকুতি হালুয়া খেত, হাকিম বাড়ি যেত। এখন শুনচি আমেরিকা থেকে কী একটা ট্যাবলেট আনচে। এক বাক্স কিনতেই ফতুর। তবে হ্যাঁ, একটা টপ করে গিলে ফেললেই হল। কলকাতার যেমন মনুমেন্ট তেমন তোরও হয়ে যাবে। যেই যে দাঁড়াবে আর শোওয়া বসা নেই।

    বিস্ময়ে নলেনের মুখ হাঁ হয়ে যায়,

    — সেও তো বিপদ।

    — বিপদ বলে বিপদ। ঘোর বিপদ। যা হোক ঐ মালটাকে আর ঘাঁটাসনি। এরপরে বেইমানির ওজর তুলে ভাড়া দিতে গাঁইগুঁই করবে।

    — ও আমি ঠিক সাইজ করে নেবখন।

    — নিস। আমি এট্টু বেরুচ্চি। জয় বাবা দন্ডবায়সের জয়! জয়, ঘুরঘুরে চাকতির জয়।

    ভদি বেরিয়েই যাচ্ছিল কিন্তু বেচামণি ডাকল,

    — এই নলেন, এট্টু ডাক তো!

    — সেই পিছু ডাকলে। যা ভয় করেছিলুম তাই।

    — বৌ পিছু ডাকলে কিছু হয় না। কী বল নলেন।

    নলেন গাণ্ডুর মতো মাথা নাড়ে।

    – এসব নকড়া ছাড়ো তো। কী বলবে বলো, ঝটপট বলো দিকি।

    — বলচিলুম ঠাণ্ডা পড়েচে। চামড়ায় টান ধরচে। গাল চড়চড় করচে। একটা গ্লিসারিন সাবান আনবে তো মনে করে!

    — কেন? তেল মেকে হচ্চে না? কী আমার কাননবালা রে, গ্লিসারিন সাবান না হলে চলচে না। একেই মাগগির বাজার। ওসব সায়েবসুবোরা মাখে। কত দাম জানো? মাত্র এক ঘর ভাড়া হয়েচে।

    — তোমার ক-ঘরে লোক বসল আমার জেনে দরকার নেই। ও আমি ঢের দেকেচি। এরপর কিন্তু কিস খাবার সময়ে বলবে না যে — বেচু, তোর গালটা অমন খসখসে কেন রে?

    নলেন ফিকফিকিয়ে হাসে। চুলপোড়া ধোঁয়ায় সকলেরই নাক জ্বালা করছে। ভদির মুখটা দেখে মনে হচ্ছে হিট উইকেট হয়েছে।

    — মুখের একটা আব্রু নেই। ঘরের বৌ কেউ বলবে?

    — তো কী বলবে? বলো! লোককে জিগ্যেস করেই দেখো না। কী বলবেটা কী? বাজারখোলার খানকি? একটা গ্লিসারিন সাবান চেইচি, তাই কত চোপা!

    বেচামণি যে ভ্যাঁ করে ককিয়ে উঠবে সেটা ভদি ঠিক আন্দাজ করেনি। উপরন্তু ধারে-কাছে দাঁড়কাক বাবা আছে কিনা সে ভয়ও আছে। খচে গিয়ে হয়তো মাথার মাঝখানে ঠুকরে দেবে বা জোড়া ডানার ঝাপড়া।

    — আঃ, য্যাতো দিন যাচ্চে তত খুকিপনা বাড়চে। আমি কি বলেচি যে গ্লিসারিন সাবান আনব না? ঠাট্টা বটকেরা কিচুই বুজবে না।

    বেচামণি ফোঁপায়।

    — থাক। আর সোহাগ দেখিয়ে অ্যাদিক্যেতা করতে হবে না। নলেন, আমি গেলুম। খুকিকে চোকে চোকে রাকিস। চুলপোড়াও না পালায়। কোতায় একটা দরকারি কাজে বেরোব না হাঁউমাউ করে সব ঘেঁটে দিল। গ্লিসারিন সাবান! কত বাঁড়া গ্লিসারিন সাবান দেখলুম।

    ভদি চলে যেতে নলেন বেচামণিকে মক বকাঝকা করে।

    — আর তুমিও পারো বাবা বৌদিদিমণি। জানো তো, লোকটার মুকই ঐরকম। কিন্তু অন্তরটা। জানবে যে লোকের মুখে মধু তার অন্তরের বিষ কেউ টের পায় না। দাদাবাবুর হল উল্টোটা। ছোবলাবে কিন্তু মধু ঢেলে দেবে।

    — সে না হলে কবেই বাপের বাড়ি চলে যেতুম।

    — বালাই ষাট! অমন কথা বলতে আচে?

    এই ইন্টিমেট, ট্রাসপারেন্ট ও টাচিং কথোপকথনের মধ্যে ঘটাস ঘটাস করে ঘর খুলে, গলা খাঁকারি দিয়ে, কাঁধে ঝোলা, পাগলাখ্যাঁচা টাইপটা বেরিয়ে আসে। ঝোপজাড়ওয়ালা পরপুরুষকে দেখে বেচামণি বড় করে ঘোমটা দিয়ে অন্যদিকে চলে যায় এবং তার পায়ে পরা রুপোর গয়না থেকে ঘুঙুরমার্কা ছমছমা শব্দ হয়। পাগলাখ্যাঁচা আড়চোড়ে বেচামণির ব্যাকটি সার্ভে করে নেয়। এরকম অবশ্য যারা পাগলাখ্যাঁচা নয় তারাও করে থাকে।

    পাগলাখ্যাঁচা তেলচিটে বুকপকেট থেকে টাকা বের করে। দুটো কুড়ি টাকা আর ছটা দশ টাকার নোট গুণে গুণে নলেনকে দেয়। ওর ঝোলার মধ্যে শিশিতে ঘষা খেয়ে মিহি কিঁচমিচে শব্দ হয়। নলেন একটা কুড়ি টাকার নোট ফিরিয়ে দেয়।

    – কী হল?

    – ও জোড়া টাকা চলবে না।

    – কোথায় জোড়া?

    – মাঝখানে এটা কী? কাগজ সাঁটা জ্বলজ্বল করচে।

    — ও ওরকম থাকে। সব চলে।

    — চলুক। এখানে চলে না।

    — নাও বাবা, পাল্টে দিচ্ছি। মালিক আর মালকিনে খিঁট চলছে বলে ঠাহর হচ্ছে। কী ঠিক বলিনি? এই নাও। ধরো। ভালো টাকা। কী, ঠিক বলিনি?

    — টগরগাছতলায় ঐ খেঁটোটা দেখতে পাচ্ছ? ঐটা যখন গাঁড়ে ঢুকিয়ে দেব তখন টের পাবে কী চলছে?

    — যাঃ বাঁড়া। কী বললুম আর কী বুঝল?

    — ঠিকই বুঝেছি। বাল পুড়োনো ধোঁয়াতে কী হয় জানো?

    — আমার আর জেনে দরকার নেই বাবা। পাগলাখ্যাঁচা আর কালবিলম্ব না করে কেটে পড়ে। নলেন এগিয়ে দরজার হুড়কোটা লাগিয়ে দেয়। অন্তরীক্ষে একই সঙ্গে বোয়িং এরোপ্লেন ও চাকতির শব্দ। বোয়িং সেভেন ফোর সেভেনের পাইলট উড়ন্ত চাকতির উন্মত্ত ও স্বচ্ছল খেলা দেখে বিস্মিত হয়। গ্রাউন্ড কন্ট্রোলের সঙ্গে যোগাযোগ করে!

    এই যে অত্যন্ত ভূতুড়ে মহাকাশ আমাদের প্রায়ই অনন্ত নশ্বরতার বোধে আকুল করে তোলে এবং হালকা হাতছানি দিয়ে ‘আয়! আয়!’ বলে ডাকে তাতে ওড়াউড়ি করার অধিকার যেমন বোয়িং-এর আছে তেমন ভদির ঘরের উড়ন্ত চাকতিদেরও আছে। ঠিক এই কথা বলার জন্যে না হলেও বাংলার এক কবি লিখেছিলেন,

    ক্ষিত্যপতেজব্যোম ও মরুৎ

    সকলেরই তরে এই পঞ্চভূত।

    এই বলেই তিনি ক্ষান্ত হননি, বরং কয়েক ফার্লং এগিয়ে গিয়ে, – সাম্যের আদর্শে বলীয়ান হয়ে, অপারেশন বর্গার কত আগেই বলেছিলেন,

    আকাশ – আলো – জল – বায়ু — চার

    — এ সকলে যদি থাকে অধিকার

    সব মানুষের, ভূমিতে কেবল

    দু-চারজনের রহিবে দখল?

    লড়াকু মনোভাবে ভরপুর এই মহান কবিতাটির শিরোনাম — ‘সবৈ ভুমি গোপাল কী’। কিন্তু সেই কবির নাম কী? মালটাকে কেউ আইডেনটিফাই করতে পারবে?

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleলুব্ধক – নবারুণ ভট্টাচার্য
    Next Article মরণজয়ী – নসীম হিজাযী

    Related Articles

    নবারুণ ভট্টাচার্য

    জার্নালিস্টের জার্নাল – নিমাই ভট্টাচার্য

    September 4, 2025
    নবারুণ ভট্টাচার্য

    লুব্ধক – নবারুণ ভট্টাচার্য

    September 1, 2025
    নবারুণ ভট্টাচার্য

    হারবার্ট – নবারুণ ভট্টাচার্য

    September 1, 2025
    নবারুণ ভট্টাচার্য

    এই মৃত্যু উপত্যকা আমার দেশ না – নবারুণ ভট্টাচার্য

    September 1, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }