Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কাঙাল মালসাট – নবারুণ ভট্টাচার্য

    নবারুণ ভট্টাচার্য এক পাতা গল্প276 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কাঙাল মালসাট – ১১

    ১১

    বাংলার কবিদের যদি একটি আইডেন্টিফিকেশন প্যারেড আয়োজিত হয় তাহলে উড়ন্ত চাকতির উচ্চতা থেকে দেখলে মনে হবে পিঁপড়েদের এক মহামিছিল চলছে যার সামনের দিকটি অর্থাৎ মুণ্ডু যখন মিশরের পিরামিডের ছায়া পেরোচ্ছে তখন তার ল্যাজ হয়তো ঠনঠনে কালীবাড়ির সামনে। এত কবি পৃথিবীর কোনো দেশে হয় নাই, অদূর ভবিষ্যতে কোথাও হইবে বলিয়াও মনে হয় না। সেই মিছিলে যেমন কাহ্নপাদ ও ভুষুকপাদ চলিতেছেন, তেমনই চলিতেছেন রবীন্দ্রনাথ, হেমচন্দ্র, বিষ্ণু দে ও কে নয়? এই মহামিছিলেই দেখা যাইবে ‘সবৈ ভূমি গোপালকী’-র কবিও আগুয়ান। কিন্তু কেহই সেই গাদাগাদি ভিড়ের মধ্যে বিজয়লাল চট্টোপাধ্যায়কে শনাক্ত করিতে পারিবে না। হয়তো মাইকেলকে চেনা গেল বা কাহাকেও দেখিয়া মনে হইল ইনিই তবে নজরুল কিন্তু বিজয়লালকে কে আইডেনটিফাই করিবে? সেরূপ পণ্ডিত বা কবিপ্রেমী আজ বিরল যেরূপই বিরল আর্মাডিলো বা স্নো-লেপার্ড।

    জীবনে বাড়িবে আরোও একগোছা ভুল,

    ‘চাওয়া আর পাওয়া’ আজও নয় সমতুল।

    বলো তো বাছা কার লেখা এইটি? চিনতে পার? পারিলে না তো। উনিটি হলেন গোপাললাল দে।

    … কত না নবীন সৃষ্টি — আকাশে ও সাগরের নীলে

    রজনীগন্ধার বৃন্তে একান্তে যে কবিতা লিখিলে,

    আমারে দেখাবে সেই সংখ্যাহীন কবিতা তোমার

    তুমি কবি, আমি কবি — আমার ও কামনা দুর্বার।

    কোন হ্যায় ইয়ে পোয়েট? হায়, হায় — আ. ন. ম. বজরুল রশীদ।

    খপ করে কোনো আঁতেলকে টুকরো প্রশ্ন করে দ্যাখো। ‘বাউল বাতাস হয়েছে আজ মউলবনে মাতোয়ালা’ বা ‘কুহুর গিয়াছে দিন কেকা আজ কাঁপায় অম্বর’ — বলিতে পার কার কলমের খোঁচায় এই দুটি লাইন খোদিত? শ্রী শৈলেন্দ্রকৃষ্ণ লাহা বলিয়াছেন, ইঁহার ‘কাব্যে সুরার তীব্রতা নাই, শীতল পানীয়ের স্নিগ্ধতা আছে’। কে তিনি? যাঁর কবিতায় বাংলার কিক নাই, পেপসির মোলায়েমতা রয়েছে। কালিদাস রায় জানিয়া যান নাই যে ‘কবিশেখর’ উপাধি তাঁহাকে চিরকাল পাঠক-মুকুরে ধরিয়া রাখিতে পারিবে না।

    বাংলা কবিদের মহামিছিল মহাকালের ফলস দাঁত পরা মুখগহ্বরের দিকে ধাবমান থাকুক। আমাদের অন্য গলতায় ডিউটি পড়েছে। আমরা বরং সেইদিকে ভাঁজ মারি …

    সন ২০০০-এর বইমেলাতে অন্যান্য সববারের মতোই (অবশ্য আগুন লাগার বছরটি বাদে) আনন্দ ও বাজার, আনন্দ ও বাণিজ্য, আনন্দ ও আইসক্রিম ইত্যাদি কোনোটিই গরহাজির ছিল না। একদিকে ধর্মের ধ্বজা উড়িতেছে তো এই নাও জিরাফের অন্তরঙ্গ জীবনী। তবে বড়ই দুঃখের বাত এই যে, এই মেলায় ‘লন্ডন রহস্য’ পাওয়া যায় না। এবং সারি দিয়া দণ্ডায়মান পুলিশকে কেহ এক সেট এনসাইক্লোপিডিয়া বলিয়া ভুলও করিতে পারে। মধ্যে এই মেলা বুক ফেয়ার না হইয়া কুক ফেয়ারে পরিণত হইয়াছিল। যারই ফল-পরিণামে সেই লেলিহান সার্কাস যাহাতে আগুন ও ধোঁয়া যথাক্রমে ক্লাউন ও ট্রাপিজের খেলা দেখাইয়াছিল। এবং এইসব সম্ভব করিয়াছিল মজুত একখানি ফায়ার ব্রিগেডের নল লাগানো বিকল পাম্প-সহ গাড়ি। সেই ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীদের মধ্যে দুইটি ভাগ আছে। এক দলের মতে ইহা ট্র্যাজিকমেডি। অন্য দলের মত — না, ইহা কমিট্রাজেডি। এই ডেমোরিপাব্লিকান ঢ্যামনামিতে ভাসিয়া গেলে আমাদের বাপু চলিবে না।

    ‘কাঙাল মালসাট’ যে বৎসরে তার অভিশপ্ত যাত্রা শুরু করে সেই ১৯৯৯ থেকেই কলকাতা বইমেলা লালবাজারের ডিটেকটিভ ডিপার্টমেন্টের তীক্ষ্ণ তত্বাবধানে রয়েছে। কারণ বিদেশী, স্বদেশী — নানা টাইপের হারামি আছে। এবং তারা আছে এবং ভালোভাবেই আছে এটা জেনেশুনে এত বড় মেলাটা অরক্ষিত রাখা যায় না। বলাই বাহুল্য যে, এই নেকনজরের মূলে রয়েছে জনৈক মন্ত্রীর উদ্বেগ ও আশঙ্কা। মেলায় নানা গোয়েন্দার নানা কাজ। তার মধ্যে প্রতিবারই গোলাপ মল্লিক পুং প্রস্রাবাগারের ডিউটি পায়। ছোট, বড় চোতা পোস্টার নিত্যই পড়ে। নানা মাপের ও ঢঙের। সেগুলির স্যাম্পল যোগাড় করা তার কাজ। অর্থাৎ গোলাপ মল্লিকের ডিউটি।

    ১৯৯৯তেই গোলাপ মল্লিক মেলার চতুর্থ দিনে একটি জেরক্স করা পোস্টার দেখে হতবাক হয়ে যায় — পোস্টারটির বাঁদিকে রয়েছে —

    শ্রীঘৃত সম্বন্ধে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথের বাণী

    এবং ডানদিকে

    Santiniketan, Bengal

    বাংলাদেশে ঘৃতের বিকারের সঙ্গে সঙ্গে যকৃতের বিকার দুর্নিবার হয়ে উঠেছে। শ্রীঘৃত এই দুঃখ দূর করে দিয়ে বাঙালিকে জীবনধারণে সহায়তা করুক — এই কামনা করি।

    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

    ১ বৈশাখ, ১৩৪৪

    পোস্টারটি সযত্নে জল দিয়ে ভিজিয়ে ভিজিয়ে খুলে গোলাপ মল্লিক লালবাজারে নিয়ে যায়। সেখানে বড়বাবু দাঁ মালটি স্টাডি করে গোয়েন্দা তারকলাল সাধু-র কাছে পাঠালেন। তিনি গোলাপকে বল্লেন —

    — দ্যাখো মিঃ রোজ, এই যে কলকাতা শহরটা দেখছ না এর মধ্যে অন্তত লাখ দশেক পাগলা রয়েছে। তারা নিজেরাও জানে না যে তারা পাগল। যারা তাদের সঙ্গে থাকে তারাও বুঝতে পারে না। ডেইলি ওঠাবসা করছে, কিন্তু বুঝতে পারছে না। এমনই গাণ্ডু। বুঝলে?

    — হ্যাঁ স্যার। আমি ভাবছিলুম গাণ্ডুর নাম্বার তাহলে লাখ পঞ্চাশেক হবেই।

    — সে তো হবেই। এছাড়াও উদগাণ্ডু, তেঢ্যামনা, হাড়হারামি রয়েছে পালে পালে। তার মধ্যে কে ক্ষতিকর বা ফরেন সোর্সের এজেন্ট সেটা স্মেল করাই আমাদের কাজ। তোমার এই পোস্টারটা ইন্টারেস্টিং। রচনাবলীতে নেই। তবে এটা কেন জেরক্স করে মারতে গেল — এ, নির্ঘাৎ পাগলা কেস।

    — কিন্তু স্যার, আমি ভাবছিলুম যদি কোনো কোডেড মেসেজ হয়? কোনো গোপন নির্দেশ বা কিছু। হতেই পারে সার।

    — এই অ্যাঙ্গেলটা তো ভেবে দেখিনি। জব্বর ধরেছ গোলাপ। ফ্যাকড়াতে ফেলে দিলে।

    -না, মানে হঠাৎ মনে হল সেয়ানা পাগল বা ট্যাটনও তো হয়।

    — সে তো হয়ই। আমি ফালতু রিসক নেব না। কী বলো? একটা নোট দিয়ে ওপরে পাঠিয়ে দিই —

    — হ্যাঁ, সেই ভালো স্যার। পরে যদি কোনো ঝুটঝামেলা হয়ে যায়।

    তারকলাল নোট-সহ ওপরে পাঠিয়ে দিলেন।। একটি ফাইলে। ফাইল একদিন পরে ফেরত এল — ওপরে স্কেচ পেনে লেখা — ‘বাল’।

    এই ঘটনার থেকে গোলাপ এই সিদ্ধান্তে আসে যে ওপরতলাতেই যখন সম্ভাব্য চক্রান্ত বা অন্তর্ঘাত সম্বন্ধে মাথাব্যথা নেই তখন সেই-বা কোন দুঃখে সাপের সন্ধানে কেঁচো খুঁড়ে খুঁড়ে হাল্লাক হবে? তারকলাল সাধুর মতো পোড়খাওয়া ঘোড়েল গোয়েন্দা অব্দি ব্যাপারটার গ্রাভিটি বুঝেছিল। কিন্তু তার ওপরে?

    — আমার কী ল্যাওড়া! এরপর যা দেখব চুপচাপ দিয়ে দেব। তারপর বাঞ্চোতরা যা করবি করগে যা। এইসব ছোল দিয়ে দেশ চলবে! পড়ত বাঁড়া ব্রিটিশ সায়েবদের হাতে। গাঁড়ে রুল দিয়ে নাচাত।

    এই উপলব্ধি গোলাপকে বড়ই উদাস ও বিবাগি করে তোলে। ২০০০-এর বইমেলাতে এই ধরণেরই একটা হু-হু মনোভাব নিয়ে গোলাপ পেচ্ছাপখানা টু পেচ্ছাপখানা খুবই আলগা পা ফেলে ফেলে ঘুরে বেড়াচ্ছিল। বড়ই শ্লথ সে পদচারণা। সন্ধের মুখে গোলাপ ভাঁড়ের চা খেয়ে চা-ওলাকে পাস দেখাল। তারপর ছোট সাইজের একটা ক্যাপস্টেন সিগারেট ধরাল। প্রায় তার ধোঁয়ার ধরতাই ধরে ফোকলা লোকটা গোলাপকে বলল,

    — ধরে ফেলিচি। না বললে চলবে না।

    — অ্যাঁ!

    — গোপাল। টালিগঞ্জ থানার সামনে। সিমেন্টের বেঞ্চিতে। নকশাল টাইম। নিয়ারলি থার্টি ইয়ার্স বাট নো চেঞ্জ।

    — সরখেল!

    — তবে!

    — একটা ভুল করেছ। গোপাল নয়, গোলাপ।

    — কুড়ি বছরের গ্যাপ। মাইনর ভুল। হতেই পারে।

    — রিটায়ার করেছ?

    — কবে?

    — হাতে এত কাটাকুটি, কড়া …

    — ওই, মাটি খুঁড়তে … খুঁড়তে

    সরখেল নিজেকে সামলে নেয়।

    — কেন? মাটি খুঁড়ছ কেন?

    — আরে, বাগান করচি। চুটিয়ে বাগান করচি। এক-একটা গ্যাঁদা দেকলে ভাববে বাঘের মুণ্ডু।

    — তাই বলো। বৌদি?

    — সে তো এইট্টি সিক্সেই …

    — ও!

    দুজনে ফের এক ভাঁড় করে চা খেল। সরখেলই খাওয়াল। তারপর কাঁধে ঝোলানো সাইডব্যাগ থেকে একটা ভাঁজ করা চোতা গোলাপকে ধরাল।

    — এটা রাকো। বেশি ছাপিনি তো। লোক বুজে বুজে দিচ্চি। ফ্রি। পরে পড়ে নিও এক ফাঁকে। তবে হালকা ব্যাপার নয়।

    — তারপর, মেলায় কিছু কিনলে-টিনলে?

    — কী কিনব? কেনার মতো কিচু আচে? সবই আলবাল। তবে কিনিনি তা নয়। ভূত সিরিজের তিনটে আমার ছিল না। এই তালে হয়ে গেল।

    — দেখি?

    তিনটি বই। চল্লিশ-পঞ্চাশ পাতার বেশি নয়। ‘মানুষখেকো ভূত’, ‘মস্তান ভূত’ ও ‘রেলগাড়িতে ভূত’।

    – এই বুড়ো বয়সে তোমাকে ভূতে ধরল?

    – তা বলতে পার। ওই সাবজেক্টটাই স্টাডি করচি একন। তোমার নির্ঘাৎ ডিউটি চলচে।

    – বুঝতেই পারছ।

    – আমি তাহলে এগোই। আর গোটা দশেক আচে। বিলি হয়ে গেলে কেটে পড়ব। যা ধুলো উড়চে। লেখাটা পড়বে কিন্তু!

    – সে তো পড়ব। কিন্তু ফের দেখাটা হবে কবে?

    – সে হবেখন। এই মেলাতেই হবে। পড়বে কিন্তু ভায়া। বড় খেটেখুটে লিখেচি।

    সরখেল চলে যাওয়ার পর গোলাপ মল্লিক ভাঁজ করা ফর্দের মতো কাগজটা খুলল।

    পিঁপিড়ার ডানা ওঠে …

    কে. জি. সরখেল

    অবসরপ্রাপ্ত করণিক, জিওলজিক্যাল সার্ভে অব ইন্ডিয়া

    ‘পিঁপিড়ার কেন ডানা ওঠে তা সকলেই জ্ঞাত হয়। উড়িবার তরে। কবে হইতে এই ডানা গজানো শুরু হইল তা আমার সঠিক জানা নাই। কিন্তু বিভিন্ন প্যালিয়েন্টোলজিস্ট নির্মিত ক্ল্যাডোগ্রাম হইতে এই সুনির্দিষ্ট সিদ্ধান্তে বিজ্ঞানীরা উপনীত হইয়াছেন যে ডাইনোসরদের নানা প্রজাতির মধ্যে থেরোপড ডাইনোসর হইতেই পক্ষীকুল গজাইয়াছে। জন অসট্রম বলেন যে, অরনিথোলেসটেস, ডেইনোনিকাস ও অরনিথোসুকাস ইত্যাদি থেরোপড ডাইনোসরদের সঙ্গে প্রাচীন পাখি আর্কিওপটেরিক্স-এর বড়ই মিল। ডাইনোসরবিদ গ্রেগ পল বলেন, যে কম্পসগন্যাথাস নামক ডাইনোসরটি আর্কিওপটেরিক্স-কে ধরিয়া ভক্ষণ করিবার জন্য ধাওয়া করিয়াছিল, সেই ধাওয়া সামলাইতেই আর্কিওপটেরিক্স উড়িতে বাধ্য হয়। অবশ্য আমি এ-বিষয়ে ঠিক একমত পোষণ করি না। তাহার কারণ এই যে, ৬৫ মিলিয়ন বছর পূর্বে প্রাচীন পাখিরা অর্থাৎ আর্কিওপটেরিক্স (উৎপত্তি ১৫০ মিলিয়ন বৎসর পূর্বে) ইত্যাদি লুপ্ত হয়। তাহারা কী করিত না-করিত কেহই জানিতে পারে না। এই ধ্বংসরেখার নাম কে-টি দুর্ঘটনা অর্থাৎ ক্রিটেসিয়াস ও টার্সিয়ারি যুগের সন্ধিক্ষনে এই প্রলয় ঘটিয়াছিল। পাঠকভায়া, তুমি নিশ্চয়ই অবগত আছ যে তুমি সেনোজয়িক যুগের প্রথমাংশে জীবনযাপন করিতেছ। সেনোজয়িক যুগের হিংস্র ও উড্ডিয়ান আর্কিওপটেরিক্স, অ্যাপাটরনিস, প্যালিওকারসনিস, হেসপেররনিস, সিনোসরোপটেরিক্স প্রাইমা ও বহুশ্রুত টেরোড্যাকটিল দাঁড়ের ময়না বা কাকাতুয়া ছিল না। চিল-শকুনও নয়। সেসব অচিন পাখি খাঁচায় আসা-যাওয়া করিত না।

    ‘প্রথম অনুচ্ছেদে আমি যাহা কিছু বলিলাম তা একই সঙ্গে প্রাসঙ্গিক ও অবান্তর। প্রাসঙ্গিক এই কারণে যে ইহা হইতে ওড়াউড়ি যে মান্ধাতার আমলের ব্যাপার তাহা তুমি বুঝিতে পারিবে। অবান্তর এই কারণে যে আমরা বিহঙ্গের পাখা বন্ধ হইল কি হইল না তা ভাবিয়া কেন মরিতে যাই? আমরা প্রমাণ করিতে চাহি যে, মানুষ কোনো বিশদ বিবর্তন ছাড়াই উড়িতে সক্ষম। উড়ন্ত মানুষের ফসিল পাওয়া যায় না। যাবেও না। কিন্তু জীবন্ত উড়ুক্কু মানুষ আছে। শুধু আছে নয়, ধারে-কাছেই আছে। শুনিয়া তাজ্জব বনিলে তো! এই রচনায় আমি পুরা কেচ্ছা ফাঁস করিব না। কেবল ইঙ্গিত দিব। তাহার কারণ আমি চাই না যে উড়ুক্কু মানুষরা ধরা পড়ুক। অথবা তাহারা বিব্রত হোক। আমি কেবল চাই যে দেশ ও মান্যবর সরকার (রাজ্য ও কেন্দ্র) জানুক যে মানুষ উড়িতেছে। তাহাদের একটি বিশেষ নামও আছে। আমি কয়েকজনকে চিনিও। কিন্তু এই রচনায় সব কিছু প্রকাশ হইয়া যাক — এরূপ ইচ্ছা আমার নাই। কিন্তু আমি, কে. জি. সরখেল, এই প্রথম তাহাদের কথা বলিলাম। আর মাত্র কয়েকটি কথা বলিয়া দায়িত্ব হইতে খালাস পাইব। কিন্তু পাঠক, তোমার ঘাড়ে উড্ডয়নের নেশা ভূতের মতোই চাপিয়া বসিবে। বারংবার তুমি গগনের দিকে তাকাইবে। দেখিবে মেঘ উড়িতেছে। তোমারও উড়িতে ইচ্ছা যাইবে। উটপাখি, মুরগি ইত্যাদি হতভাগ্য কয়েকটি পাখ-পাখালির কথা না ধরিলে দেখিবে কত না পতঙ্গ ও পাখি ওড়াউড়িতে মাতিয়াছে। উড়িতেছে বিমান। কৃত্রিম উপগ্রহ। রকেট। বেলুন এমনকি শ্মশানের ধোঁয়াও উড়িতেছে। আর তুমি ভূ-পৃষ্ঠে দাঁড়াইয়া হাত কামড়াইতেছ। কোমোডো দ্বীপের ড্রাগন-সদৃশ ভয়াবহ গিরগিটি ও তোমার মধ্যে কেমন মিল! সে চারি পায়ে ও তুমি দুপায়ে চরিতেছ। এই জন্যই কবি পুরন্দর ভাট লিখিয়াছেন —

    উড়িতেছে ডাঁস, উড়িছে বোলতা, উড়িতেছে ভীমরুল,

    নিতম্বদেশ আঢাকা দেখিলে ফুটাইবে তারা হুল।

    মহাকাশ হতে গু-খেকো শকুন হাগিতেছে তব গায়,

    বাঙালি শুধুই খচ্চর নয়, তদুপরি অসহায়।

    এমন কবি ও কবিতা যে দেশে অনাদৃত থাকে, এই চারিটি লাইন ব্যাখ্যা করিবার জন্য যখন বাংলা এম. এ.-এর প্রশ্নপত্রে দেওয়া হয় না তখন অধিকাংশ বাঙালি ভূ-চর হইয়াই থাকিবে। খ-পোত বন্দরে ক-জনই বা যাইতে পারে বা চড়িতে পারে? উপরন্তু খ-পোত মোটেই নিরাপদ নয়। বিশেষত খ-পোত ছিনতাই-এর বিপদ যখন মড়ার ওপর খাঁড়া হইয়া ঝুলিতেছে। যাই হউক, আমরা আবেগের বশে বেপথু হইতে বসিয়াছি। ফের আমরা বিষয়ের সদর দপ্তরে কামান দাগা বরং শুরু করি।

    ‘আমি জানি যে একদল পণ্ডিত হাঁ-হাঁ করিয়া উঠিবে। মানুষ উড়িতে পারে না। আমার কাছে ওই আপত্তি শেয়াল-পণ্ডিতদের হুক্কা-হুয়া ব্যতিরেকে আর কিছুই না। কারণ প্রমাণ হাতে না লইয়া কে. জি. সরখেল আখড়ায় আসে নাই। তাঁহার সহিত মহড়া নেওয়া অত সহজ নয়।

    ‘শিবসংহিতায় আছে, ‘যিনি সর্বভূত জয় করত আশাহীন ও জনসঙ্গশূন্য হইয়া পদ্মাসনে উপবেশন পূর্বক নাসাগ্রে দৃষ্টিস্থাপন করেন, তাঁহার মনোনাশ হয় এবং তিনি ব্যোম পথে গমনাগমন করিতে সমর্থ হন।’ ঘেরণ্ড-সংহিতায় বায়বীধারণামুদ্রা আছে। এই মুদ্রাও শূন্যদেশে ভ্রমণশক্তি প্রদান করে। অত কথার কী প্রয়োজন? কারাগারে যোগসাধনাকালে শ্রী অরবিন্দ একদিন ভূপৃষ্ঠ হইতে উপরে উঠিয়াছিলেন।

    সাহেবদের দেশেও এমনটি ঘটিয়াছে। ‘ফিওরেত্তি’ হইতে জানা যায় লা ভের্না পর্বতে উপাসনাকালে সন্ত ফ্রান্সিস জমি ত্যাগ করিয়া উপরে উঠিয়াছিলেন। সন্ত থেরেসা-র (মূর্খ পাঠক, ইনি কিন্তু মাদার টেরেসা নন) জীবনেও এমন ঘটনা ঘটিয়াছিল এবং সর্বসমক্ষে। নানদের তিনি নির্দেশ দিয়াছিলেন ঘটনাটি যেন তাহারা বলিয়া না বেড়ায়। কুপেরতিনো-র সন্ত জোসেফ শুধু নিজে উড়িতেন এমন নয়, ভারী লৌহ নির্মিত ত্রুস-ও সঙ্গে রাখিতেন। সন্ত আলফোনসাস লিগুয়োরি এবং ব্লেসেড টমাস অব কোরাই সম্বন্ধেও একই কথা শোনা যায়।

    ‘কিন্তু আমার পরিচিত যে মানুষগুলি উড়িতে পারঙ্গম তাহারা সাধক বা সন্ত কিছুই নহে। বরং উল্টাটি বলিলে খুব একটা ভুল হয় না। আমি তাহাদের কথা এই কারণে বলাবলি করিলাম কারণ আমার উপর তেমনই নির্দেশ আছে যাহা অমান্য করিয়া আমি ইহলোকে আমার বরাদ্দ মেয়াদটুকু আনন্দে কাটাইতে পারিব না। আমার এই বিনামূল্যে বিতরিত রচনাটির লক্ষ্য সরকার ও প্রশাসনকে আগাম হুঁশিয়ারি দেওয়া। কারণ এক প্রলয়াত্মক সংঘাত ক্রমেই নিকটবর্তী হইতেছে। কাহারও ক্ষমতা নাই এই লড়াই হইতে আমার পরিচিতদের মালসাট মারিয়া লাফাইয়া পড়া হইতে ঠেকায়। এই পক্ষে উড়িতে সক্ষম ও অক্ষম — দুই ধরনের পালোয়ানই আছে। আছে যাদুটোনা। কুহকছাতা। ও নানা সাইজের হনুর ছানা যাহারা নানা মাপের রন্ধ্রে ঢুকিতে সক্ষম। সরকার ও প্রশাসন যদি মোকাবিলার পথ বাছিয়া নেয় তাহা হইলে রচনাটির শিরোনাম স্মরণ করিতে বলিব। সেই পাখা যদি গজায় তবে তাহা উড়িবার তরে গজাইবে না। মরিবার জন্য গজাইবে।’

    (সমাপ্ত)

    এই ‘সমাপ্ত’ যে কে. জি. সরখেলের রচনার, ‘কাঙাল মালসাট’-এর নয়, তা খোলসা করে বলার কোনো প্রয়োজন আছে কী? অবশ্য কোনো পাঠক ওই ‘সমাপ্ত’-কে অন্তিম বা খতম জাতীয় কিছু ভেবে গোটাটাই পড়া বন্ধ করে দিতে পারে। এমন হুমকিও দিতে পারে। অধুনা যেমত সব খাজামার্কা আখ্যান লেখা ফ্যাশন হয়ে দাঁড়িয়েছে তার একটি আবশ্যিক অঙ্গ হল যে কোনো পরিস্থিতির সঙ্গে টক্কর দেবার মুরোদ রাখা। ‘কাঙাল মালসাট’-এর সে মুরোদ আছে কি নেই তা অচিরেই প্রমাণিত হবে। কুস্তিপ্রিয় বড়িলালের লাল ল্যাঙট দড়িতে ঝুলছে। নুনুকামানও রেডি। তার ভালোর জন্যই পাঠককে সাবধান করা খুবই সাধু প্রস্তাব। পরে ক্যাঁক-ম্যাঁক করে কোনো লাভ হবে না।

    গোলাপ রচনাটি পড়ে প্রথমে ভেবেছিল যথারীতি কালই বড়বাবুকে দেবে কিন্তু পরে ভেবে দেখল সরখেল বন্ধুলোক, কী লিখতে কী ছাতা-মাথা লিখেছে! দাঁতফাঁত পড়ে গেছে। ওকে আর ফাঁসানো ঠিক হবে না। বইমেলা থেকে বেরোতে বেরোতে এই সিদ্ধান্তেই গেড়ে বসার দিকে যাচ্ছিল গোলাপ কিন্তু উল্টোদিকের অন্ধকার মাঠে আনকা ছুকরিফুকরি হয়তো বাজারে নতুন এসে নেমেছে এরকম একটা উটকো সম্ভাবনা তাকে ফুঁসলে মাঠের দিকেই টানল।

    মাঠের মধ্যে কিছুটা এসে গোলাপের মনে হল, খাম কাজ হয়ে গেছে। সালোয়ার-কামিজ বা শাড়ি – কিছুই দেখা যাচ্ছে না। বরং মাঠে ঢুকতেই ঠাণ্ডাটা বেড়ে গেছে আর ভয়-ভয় করছে। গোলাপ একটা সিগারেট ধরাল আর মাঠ ছাড়ার মতলব করল। মাঠ ছাড়ছিলই গোলাপ কিন্তু গাছের ওপর থেকে ডায়লগটি তাকে স্ট্যাচু করে দিল।

    – সরখেলের চোতাটা কালই দপ্তরে জমা দিবি। বুঝলি?

    গোলাপ ফাঁকা ঢোঁক গিলে ‘রাম, রাম’ বলতে শুরু করেছিল কিন্তু তাতে খুব একটা ফয়দা উঠল না।

    – আমায় কি শালা ভূত পেয়েচ যে রাম-রাম করচ! ওসব রাম-ফাম আদবানিকে গিয়ে দেখিও। আমরা অনেক হার্ডনাট টু ক্র্যাক।

    – আঁজ্ঞে, কিন্তু কে আপনি! ভূত না হলে গাছের ওপরে কেন?

    হুম করে যা নেমে এল তা খতরনাক হলেও অন্তত মনুষ্যরূপী ভূত নয়। বিশাল দাঁড়কাক।

    -গাছে যদি শুধু ভূতই থাকবে তাহলে পাখি-বাদুড়রা সব কী করবে? লালবাজারে ঘর ভাড়া নেবে?

    গোলাপ ভয়েতে কাঠ। মুখে নাহি কথা সরে। কপালে বিন্দু বিন্দু কালঘাম ফোটে।

    – স্পিকটি নট দেখচি যে! ওদিকে তো খুব রোয়াব। চা খেয়ে পয়সা দেবার নাম নেই। কাল কী করবি মনে আছে?

    – সরখেলের লেখা জমা করে দেব।

    – হ্যাঁ, জমা করে দিবি শুধু তাই না, সাধু মালটাকে বলবি যে জম্পেস নোট দিয়ে যেন চোতাটা ওপরে পাঠায়।

    – তাই বলব স্যার।

    – আবার স্যারফ্যার কেন? এটাও কী লালবাজার নাকি? অনেক বয়েস তো হল। এবার মাগির ধান্দাটা ছাড়। অনেক তো হল। ওদিকে নাতিপুতি হয়ে গেল।

    – আর করব না স্যার।

    – ফের স্যার! আমাদের টাইমের ক্যালকাটা হলে এতক্ষণ তোর দফা গয়া হয়ে যেত। কেন বল তো?

    – আপনার টাইম মানে?

    – অত তোকে জানতে হবে না। বর্মা থেকে এক দঙ্গল ফাঁসুড়ে এসেছিল। অন্ধকার মাঠে ঘাপটি কেস। অসহায় পথিক বা তীর্থমারানী হলেই ঘ্যাঁক। ফাঁসে টান আর গ্যাঁজলা তুলে মাল ফিনিশ। পয়াকড়ি যা পাও হাতিয়ে হাওয়া। এরকম রাতে বেশ কিছু মার্ডার করে ব্যাক টু রেঙ্গুন। প্যাগোডা। সাদা হাতি। চুপচাপ মাঠ পেরিয়ে চলে যা।

    – সে যাচ্ছি কিন্তু আপনার পরিচয়টা পেলাম না।

    – দেখতেই তো পাচ্ছিস দাঁড়কাক। বয়সের কোনো গাছপাথর নেই। আর ঘাঁটাসনি। তেড়ে ফুটে যা। তোরও মঙ্গল। আমিও ঠাণ্ডায় গাঁড় মারানো থেকে বাঁচি।

    – যেমনটি বলেছেন তেমনটি করছি। একটু কৃপা করবেন। বুঝেছি আপনি এলি-তেলি নন।

    – ঠিকই ধরেচিস। যা, সরখেলের বন্ধু আমাদেরও বন্ধু। কোনো বাঞ্চোৎ তোর একটা বালও যদি ছেঁড়ে আমাকে জানাবি।

    – আজ্ঞে, ক্রাইসিসের সময় আপনাকে পাব কী করে?

    – ভেরি ইজি। পর পর দুরাত তোর ঐ ছুঁচো কিচকিচে ধচা ছাদে উঠে খুব প্রেমসে আমার কতা ভাববি। এই চেহারাটা মনে করবি। ক্ষ্যাপাটে চোখ, খ্যাজাব্যাজা পালক, চোখ খুবলে নেবে এমন নখ-চোখ বুজে ভাবলেই আমি চলে আসব। প্রথম রাতে সিগন্যালটা পেয়ে যাব। এ তোমার মোবাইল নয়। মোবাইলের বাবা। তবে হয়তো তখন দূরে থাকব। ধর, ব্যাণ্ডেল চার্চের টঙে। তেমন হলে সিগন্যাল রিসিভ করে ডাউনলোড করে রেখে দেব। সেক্ষেত্রে পরদিন। আর ধারেবাড়ে হলে এসে পড়ব। একডাকেই …।

    – আমি আসি তাহলে।

    – আয়।

    এবারেও বড়বাবু দাঁ গোলাপ মল্লিকের হাত থেকে সরখেলের ‘পিঁপিড়ার ডানা ওঠে…’ পড়ে শঙ্কিত হয়ে উঠলেন।

    – কী মাল জোগাড় করেচ গোলাপ! এ তো রীতিমতো ডিক্লারেশন অফ ওয়ার। এক কাজ করো। দলিলটা নিয়ে তুমি মিঃ সাধুর কাছে চলে যাও। আমি বলে দিচ্ছি। আমার ব্যাপারটা ভালো ঠেকচে না। সাফ বলে দিলুম।

    অতএব মালটি নিয়ে গোলাপ পৌঁছে গেল তারকলাল সাধুর কাছে। শ্রী সাধু তখন খুনের ব্যবহৃত বুলেট এবং খুনের কাছে পাওয়া কানট্রিমেড পিস্তলে টেস্ট ফায়ার করা বুলেট মিলিয়ে দেখছিলেন।

    – আরে, রোজ ফুটেচে আজ। কী ব্যাপার!

    – আর রোজ ফোটাতে হবে না। কী ফোটে এবার দেখুন। মালটায় একবার চোখ বুলিয়ে নিন।

    পড়তে পড়তে সাধুর নিচের ঠোঁটটা ঝুলে পড়ে।

    – ইন্টারেস্টিং! আমার তো বাবা দৌড় ঐ টিভিতে জুরাসিক পার্ক দেখা অব্দি। এ সব ঘ্যাঁটম্যাট আমার মাথায় ঢুকবে না।

    – আপনি বরং শেষ প্যারাটা পড়ুন।

    একটু সময় গেল। সাধুর ভুরু কুঁচকোনো। কপালে ভাঁজ পড়ল। চক্ষু হইল চড়কগাছ।

    – তার মানে? ফের প্যাঁদাপেঁদি। ফের ব্লাড বাথ। এই সরখেল বাঞ্চোৎ কি নকশাল নাকি? যাক গে বাবা, সে যা হবার হোক। সরকার ও প্রশাসনকে চ্যালেঞ্জ জানানো হয়েছে। আমি রিসক না নিয়ে নোট দিয়ে ওপরে পাঠিয়ে দিচ্ছি।

    দুদিন পরে ফাইল ফেরত এল। ওপরে স্কেচ পেন দিয়ে লেখা — ‘পাগলাচোদা’।

    বেগম জনসন দণ্ডবায়সের নিকট সব শুনিলেন। নিকটে দন্ডায়মান একটি স্লেভ গার্লের পিঠে আপনমনে ঘামাচি মারিতে মারিতে বলিলেন, ‘বাট মিস্টার ম্যাজিশিয়ান, এই যে পশ্চিমবঙ্গ সরকার, ইহার কোনো ম্যাচিউরিটি নাই। শালারা এত বড় একটি দলিল হাতে পাইল কিন্তু মর্ম বুঝিল না। আই অ্যাম রিয়্যালি স্যরি। বাংলার ভাগ্যাকাশে এখন সাইক্লোনিক ডিপ্রেশন। আপনি মন খারাপ করিয়া কী করিবেন? ড্যাম ইট। বাই জোভ, এরূপ আহাম্মক কেউ দেখিয়াছে যে পশ্চাতে ধাবমান শূল দেখিয়াও রেকটাম সরাইয়া নেয় না? আমি একাধারে বিউইলডার্ড ও অ্যামিউজড বোধ করিতেছি।’

    এরূপ বলিয়া বেগম জনসন স্লেভ গার্লটিকে আদর করিয়া একটি লাথি মারিলেন। এবং সেও এই বটকেরার জবাবে খিল্লি দিয়ে হাসি করিয়া দিল। একেই কী য্যায়সা কী ত্যায়সা বলে? কেউ জানে?

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleলুব্ধক – নবারুণ ভট্টাচার্য
    Next Article মরণজয়ী – নসীম হিজাযী

    Related Articles

    নবারুণ ভট্টাচার্য

    জার্নালিস্টের জার্নাল – নিমাই ভট্টাচার্য

    September 4, 2025
    নবারুণ ভট্টাচার্য

    লুব্ধক – নবারুণ ভট্টাচার্য

    September 1, 2025
    নবারুণ ভট্টাচার্য

    হারবার্ট – নবারুণ ভট্টাচার্য

    September 1, 2025
    নবারুণ ভট্টাচার্য

    এই মৃত্যু উপত্যকা আমার দেশ না – নবারুণ ভট্টাচার্য

    September 1, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }