Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কাঙাল মালসাট – নবারুণ ভট্টাচার্য

    নবারুণ ভট্টাচার্য এক পাতা গল্প276 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কাঙাল মালসাট – ১৪

    ১৪

    মার্কসবাদের বহুল প্রচার ও প্রসারের ফলে বেশির ভাগ পাঠকই আজকাল নাস্তিক। ধর্মচর্চা দেশ থেকে লোপাট হওয়ার যোগাড়। তাই নাস্তিকদের নাস্তানাবুদ না করে বরং ঝেড়ে কাশাই ভালো যে মান্যবর লোচন গোস্বামী হলেন মতুয়া ধর্মের মহাপথিক। তাঁর যে কত লীলা তার লেখাজোখা নেই। সন্দেহের নিরসন এভাবেই ঘটে। শিষ্যরা গুরুদের বাজিয়ে নেয়। গুরুরাও বেজে ওঠেন। এরপর হল কবিদের ডকুমেন্টেশন-এর কাজ। যেটি করে শ্রী হরিবর সরকার আমাদের অশেষ ঋণে আবদ্ধ করেছেন। কেন যে করতে গেলেন সে প্রশ্ন অবশ্য ওঠে। এই অকৃতজ্ঞ ও গোলোকায়িত জাত অর্থাৎ বাঙালির জন্য কিছুই করা উচিৎ নয়। ‘কাঙাল মালসাট’ এর কথাই ধরা যাক। এটি যদি পুস্তু বা কপটিক ভাষায় লেখা হত তাহলে এতক্ষণে ঢি ঢি পড়ে যেত। পালি বা মাগধী অপপ্রাকৃতে লেখা হলেও অন্যরকম কিছু ঘটত বলে মনে হয় না। অবশ্য লেখক এক ভেবে লেখে। হয় আর এক। যেমন ‘কমিউনিস্ট ম্যানিফেস্টো’। এ প্রসঙ্গে উপযুক্ত সময়ে বরং ফেরা যাবে। ভদি ও সরখেলের মধ্যে টেলিফোনে যে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা চলছে সে দিকে মনোনিবেশ করা যাক —

    — দুঁদুঁ বার ফোঁন কঁরলুঁম। ভাঁবলুম কীঁ হঁল?

    — হঁবে আঁবার কী। পাঁইখানায় গেঁছলুম।

    — তাঁই বঁলো। কোঁনো খঁবর আঁচে?

    — আঁচে। মঁরচে পঁড়া এঁকটা সোঁর্ড আঁর দুঁটো ভোজালি বেঁরিয়েচে।

    — ভেঁরি গুঁড। বাঁট নোঁ আঁসলি মাল।

    — নোঁ।

    — নুঁনুকাঁমান, সোঁর্ড, ভোঁজালি! পোঁদ মেঁরে দেঁব।

    — কাঁর?

    — যেঁ লাঁগতে আঁসবে। কেঁরোসিনে ভিঁজিয়েচ?

    — কীঁ?

    — ওই সোঁর্ড। তাঁরপর গিঁয়ে ভোঁজালি?

    — কেঁন?

    — মঁরচে ছেঁড়ে যাঁবে।

    — কেঁরোসিন নেঁই।

    — আঁজ রাঁতে আঁমি নিঁয়ে যাঁব।

    — ঠিঁক আঁচে।

    — কোঁনো চিঁন্তা নেঁই। এঁকটা এঁকটা কঁরে ধঁরে পোঁদ মেঁরে দেঁব।

    — রাঁখলুম।

    — তাঁহলে রাঁতে।

    — অঁ।

    প্রায় এক সরখেল মাটি খোঁড়া হয়ে গেছে। অথচ কত সরখেল খুঁড়লে যে আসলি মাল পাওয়া যাবে তা কে বলতে পারে? আবার এমনও তো হতে পারে যে খোঁড়াকে খোঁড়াই সার হল, হতে রইল খন্তা। ভদির কপালে টেনশনের ঘাম ফুটতে না ফুটতে বেচামণি আঁচল দিয়ে মুছে দেয়।

    — কী নিয়ে এত দুশ্চিন্তা করচ গো?

    — সে তুমি বুঝবে না।

    — জানিনে বাপু। বললেই ওই অ্যাক কতা। তুমি বুজবে না। তুমি বুজবে না।

    — আহাহা এ হল গে মদ্দাদের ব্যাপার। বলি আর তুমি সাতকাহন করে বেড়াও।

    –তোমার সব কাণ্ড বাণ্ড আমি বুঝি সাতকাহন করে বেড়াই।

    — করনি। করতে কতক্ষণ? মেয়েজাত পেটে কতা রাখতে পারে না। এই জানবে।

    — ওরে আমার ব্যাটাছেলেরে। তুমি যে শিশি বোতলে ভূত পোষো আমি কারুকে বলতে গেচি?

    ভদি দেখল কেস বেগড়বাঁই হয়ে যেতে পারে। এক হল বেচামণি হাঁউ মাঁউ জুড়ে দিতে পারে। এবং তখন না থাকলেও বাবা সব জেনে যাবে এবং উস্তমপুস্তম করে ছাড়বে। বাপ হয়ে ছেলের বৌ-এর দিকে অত টাঁক কেন? এরকম কথাও যে ভদি কখনও ভাবেনি তা নয়। ভদি কথা ঘুরিয়ে দিল।

    — আমি কি তাই বলেচি? এই যে তোমার দিদির বাড়ি ঘুরে এলে দমদমায় — মনে খিঁচ থাকলে কি তোমাকে যেতে দিতুম? বিশ্বাস আচে বলেই না ছেড়েচি।

    বেচামণি টোপটা গিলে নিল।

    — জামাইবাবু আমাকে কী বলেছিল জানো তো?

    — কী?

    — এই বেচু, তোর ওই গদি না ভদি রোজ রোজ সায়েবদের কোম্পানীর মাল খায় – কী করে রে? শুনেচি তো অকম্মে কুকম্মে ঘর ভাড়া দেয়।

    — খানকির ছেলে। তা তুমি কী বললে?

    — আমিও বললুম, দ্যাখো জামাইবাবু, আমরা হলাম ঘরকুনো বউ। পুরুষমানুষ কী মদ খাচ্চে, কী কারবার করচে ওসব নিয়ে ভাবি না। তবে অযত্ন করলে কি অবিশ্বাসের কাজ করলে টের পেতুম। দিদি বলল, দেখলে তো, শালীর মুখের পোঁচড়াটা খেতে হল। এমনিই কি লোকে গুয়ো হাড়কেল বলে।

    –ভাল বলেচে তো।

    — মায়ের পেটের বড় বোন। ও কি বোজে না দুবেলা ওকে ঠকাচ্চে? তোর গিয়ে বলে ছেলের বিয়ে হয়ে গেচে, নাতিপুতি হবার যোগাড়, আর তুই কিনা…

    — আহাহা, ওসব কতা আর তুলো না। সববো দোষের ওপরে জানবে মাগির দোষ। ও ছোঁকছোÒকানি ধরেচে কি মরেচ। তবিল-তক্তপোষ সব নিলেম করিয়ে ছাড়বে। পেটটা ফাঁপচে। একটু তেলজল পুলটিস করে দেবে?

    – ব্যতা নেইতো? অতগুলো পুঁই-চিংড়ি গবগব করে খেলে … তখনই জানি…

    — ঘেঁচু জানো। বুজলে, এই সরখেল আর আমি একটা জবর বিসনেস খুলতে চলেচি। সেই চিন্তাতেই পেট ফাঁপছে। একবার যদি লেগে যায়…

    – কী হবে গো লাগলে?

    – লাগলে? এই ধরো তো বালী বা পুরী যাওয়ার বাই উঠলো বা বিন্দাবন-মথুরা। হাওড়ায় গিয়ে আর ভিড়ভাট্টায় রেলগাড়ি চড়তে হবে না।

    — তবে?

    — বাড়ির ছাদ থেকে যাবে। সেজেগুজে ছাদে উঠবে। দেখবে বড় ফড়িং-এর মতো দাঁড়িয়ে। হেলিকপটার। মন্ত্রী-ফন্ত্রী সব চড়ে। চড়ে ফড়ফড় করে উড়ে বেড়ায়।

    — অ্যাঁ

    — এই জানবে। ভদি সরকার যকন খেলতে শুরু করবেনা তখন দেখবে সব শালা পোঁদ সামলাতে ব্যস্ত। সামনে পড়লেই মেরে দেব।

    — ও আবার কী কতা।

    — এই হল হকের কতা। গাঁড় মারা যাওয়ার ভয় তো লড়তে এসো না। তুমিও ভালো, আমিও ভালো, জয় জগতের জয়! ঘেঁটে দে মা। ভালো করে একটিবার ঘেঁটে দে।

    এই বাক্যালাপের কাছাকাছি সময়েই ক্যালকাটার বিখ্যাত জুয়েলার ভি. ডি. দত্ত একটি নক্ষত্র-সন্ধ্যার আয়োজন করে। তাকলাগানো অনুষ্ঠানটি হয় কলামন্দিরে। ওই কলামন্দিরেই বেসমেন্টে একটি ছোট কলামন্দিরও আছে। সেখানে তখন রবিঠাকুরের ভাঙা গান হচ্ছিল। আর বড়টিতে তখন স্টেজজুড়ে ফুটবল, ইতিহাস, চলচ্চিত্র, সাংবাদিকতা, রান্না, ফ্যাশন ডিজাইনিং, পেডিকিওর, দর্শন, রাজনীতি, কুকুরপালন ইত্যাদি বিভিন্ন ক্ষেত্রের দিকপালেরা বসে। চার-পাঁচটি কেবল চ্যানেলের ক্যামেরা চলছে। এমন সময় পাট ভাঙা সিল্কের পাঞ্জাবি ও ফাইন ধুতি হাঁকিয়ে হাসিমুখে যে মঞ্চে প্রবেশ করেছিল তার নাম হল ডি. এস। এসেই সে অনুষ্ঠানের অ্যাংকার বা নোঙর রহস্যময়ী মিস ম. -র হাত থেকে কর্ডলেস মাইক্রোফোন নিয়ে বলল,

    — এসে গেছি। মুম্বাই ফ্লাইট দেড় ঘন্টা লেট। প্লেনে বোমা ছিল। গন্ধ শুঁকে কুকুর বোমা বের করল। সে বহুৎ হরকৎ। কিন্তু স্টেজে চেয়ার কই যে ঠেকাব? চেয়ার! চেয়ার লাও শালা! চেয়া…র!

    চেয়ার এসে গেল হুড়মুড় করে। সকলেই ঘাবড়ে গেছে। মিস ম. রসা ডিস্টিলারির বাংলার গন্ধ পেয়েছিল। ঘঁক করে আঁতে লাগে।

    — একেনে সব হেক্কড় টাইপের মাল বসে আচে। অন্তত আপনাদের তাই ধারণা। কিন্তু সবই আলফাল। গিদধড়। ওই যে ইতিহাস মারাতে যে মালটা এসেচে ও হল ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়ালের কিউরেটর। ওর মুখটা দেকুন। চোনাঢেকুর গিলচে। কেন বলুন তো? ভাবচে আমি ফাঁস করে দেব যে বাঞ্চোতের পোঁদে গু। কী রে? দেব? কাল দুপুরে কী করছিলি?

    কিউরেটরকে নিজের সিটে এলিয়ে যেতে দেখে পাশের বিশিষ্টরা ঘাবড়ে গেল। হলেও গুঁইগাঁই। পুলিশ এগোয়। পার্ক স্ট্রিটের ওসি চেঁচায়,

    – আপনি কে? আপনি কি ইনভাইটেড ?

    – আমার নাম ডি. এস । কোক শাস্ত্রর ওপরে অথরিটি। ইনভিটেশনের গাঁড় মারি। আর কিছু?

    হলে তুমুল হট্টগোল। কেবল চ্যানেলরা ডি. এস-এর ছবি তুলছে। এইসময় হলে আলো নিভে গেল। হেভি গুমুঙ্গুলি। কোনো মহিলার চিৎকার। মারপিট লেগে গেছে। ঢিপ ঢাপ টিক দেওয়ার সাউন্ড। চেয়ার ভাঙছে। পুলিশ ও হলের সিট দেখানোর আশারদের টর্চ। সেই আলোয় দেখা যায় ডি .এস তিন চার মানুষ হাইটে উড়ে বেড়াচ্চে। হাতে কর্ডলেস। সব ছাপিয়ে ডি. এস এর স্টিরিও ভয়েস-

    — এবারে বাঁড়া বুঝেচতো আমি কে? ম্যায় হুঁ ডি. এস। সবাই এক কপি করে ‘কোক-শাস্ত্র’ কিনে ফেলুন। জানতে পারবেন কাশ্মিরের রাজাকে কোকা পণ্ডিত মেল-ফিমেল নিয়ে কী বলেছিল। জানলে আপনারাও বর্তে যাবেন। ফোর টাইপস অব কামিনী রয়েচে। সব মাগিই একটা না একটা টাইপে পড়বে। টাইপ বুঝে বন্দোবস্ত – এই চোদনা ও. সি টর্চ মেরে কী করবি — আমাকে ধরবি –

    এইসময় ঝপ করে চার পাঁচ সেকেন্ডের জন্যে আলো ফিরে এল। দেখা গেল কোক-শাস্ত্রের ওপরে অথরিটিই শুধু নয়, ওপরে আরও দুটি মানুষ অর্থাৎ মদন ও পুরন্দর ভাটও উড়ছে। এবং বিশাল দাঁড়কাক। আলো নিভে গেল। এবং ওপর থেকে, অজানা অন্ধকারের অ্যামবিয়েন্সের মধ্যে জলীয় কিছু তরল তিনটি রেখায়, ঘুরিয়ে ফিরিয়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে ঝিরঝিরি হতে পারে, ছনছন করেও হবে না কেন ফের লাইট অন ও অফ

    … কলকাতার হাতবদল এইবার আর সল্টলেকের অদৃশ্য দৈনিকের পাতায় উড়োখবর হয়ে আটকে থাকল না। স্বয়ং সি. এম কেও নড়েচড়ে বসতে হল। নগরপাল ও মহানির্দেশকের শিরচ্ছেদ ও খণ্ড খণ্ড সেক্স-ভকিলের করুণ ঘটনা তাঁর কাছে অজানা ছিল না। কিন্তু এটা ঠিক যে এইসব ঘটনাকে যতটা আমল দেওয়া উচিত ছিল তা তিনি দেননি। তাঁর আমলের নানা বিশিষ্টতার মধ্যে এটাও হয়তো একটি বলে ভবিষ্যতের ইতিহাসবিদেরা মন্তব্য করবেন। কেউ হয়তো বলবেন এই পর্বের নানা ঘটনাবলীকে মার্কসবাদের অমোঘ আওতায় এনে ফেলার কোনো সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা ছিল না। এনে ফেলতে পারলে বোধহয় ইতিহাস মই ছেড়ে সিঁড়ি বেয়ে ওপরে উঠতে পারত। মই নিয়ে পালানো হয়তো সম্ভব কিন্তু সিঁড়ি সরানো অত সহজ নয়। কেউ হয়তো বাঙালির কোনো জেনেটিক গোলমালই এর জন্য দায়ী বলে মনে করবেন। ঘটনা একটিই — কিন্তু ব্যাখ্যা অসংখ্য। বিশ্লেষণ ও ইঙ্গিতের এই বহুত্ব হতে বাঁচার একটি উপায় হল ক্লোনিং। সব ইতিহাসবিদকে কোতল করে যদি একটিকে ক্লোন করা যায় তাহলে ঝামেলা চুকে যায়। কিন্তু রাজ্য বা কেন্দ্র কারো হাতেই অত অঢেল ক্ষমতা নেই। এটা আত্মস্থ করেই গোয়েবেলস বলেছিলেন যে নিজের আইন ভাঙার ক্ষমতা রাষ্ট্রের থাকা উচিত। সংস্কৃতি — এই শব্দটা শুনলেই নাকি ভদ্রলোকের হাত রিভলবারের দিকে যাওয়ার জন্যে নিশপিশ করত। লোকটা চুতিয়া টাইপের ছিল। এবং এরকম মাল ফুরিয়ে গেছে বলে যেন কোনো নির্বোধ পাঠক বগলে পাউডার দিতে না শুরু করে। খেল এখনও বাকি হ্যায়। পহেলা ঝাঁকির পর আসবে কাশী মথুরা। আসবে ট্রেবলিংকা, বুখেনভান্ড মৃত্যু শিবির। আসবে সাইবেরিয়ায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা গুলাগ। জামাই ষষ্ঠী আর আইবুড়ো ভাত, মোনামুনির খেলা, সাধ-এর ফাটা পায়েস — কী ভেবেছিলে পাঁচু? এভাবেই চলবে পানসি? ডেস্টিনেশন ইনু মিত্তিরের বেলঘরিয়া? সে গুড়ে মগরাহাটের ফাইন স্যান্ড।

    রাইটার্স-এর খুচরো ঘটনাটায় একবার চোখ বুলিয়ে নিয়ে এবার আমরা স্থায়ী আমানতের দিকে ঠ্যাং বাড়াব। যে কোনো মেজর বা মেজর জেনারেল নভেলের নভেলটি হল তার বিভাগ-চলন। হালের উদাহরণ মানে যা হাতেনাতে ঘোরে তেমনই একটি হল মিলান কুন্দেরার ‘জোক’। এখানেও মজা আছে। ভূমিকায় যাঁকে কুন্দেরা মহান ঔপন্যাসিক বলেছেন সেই প্রখ্যাত কবি লুই আরাগঁর উপন্যাস খুব কমসংখ্যক পাঁচুই পড়েছে। লে হুলিয়া।

    মহাকরণ থেকে একটি বুলেট-প্রুফ সাদা অ্যাম্বি বেরোচ্ছিল। তাতে ছিলেন সি. এম, গৃহমন্ত্রী (এঁকে আমরা স্তালিনের খপ্পরে নাস্তানবুদ হতে দেখেছি) এবং সি. এম-এর একান্ত সচিব রাখেকেষ্ট যার একমাত্র কাজ হল সি. এম-এর সর্বাবস্থার ভিডিও একটি হ্যান্ডিক্যামে সঞ্চয় করা। অ্যাম্বি দুলকি গড়ানে এগোচ্ছিল কিন্তু রে-ব্যান সানগ্লাস পরা স্লিম একটি সার্জেন্ট হাত দেখিয়ে গাড়ি থামিয়ে দিল। সকলেই হতবাক। অতীব বিরক্ত হয়ে কাচ নামিয়ে কমরেড আচার্য গর্জে উঠলেন।

    – ব্যাপারটা কী কমরেড সার্জেন্ট?

    কমরেড সার্জেন্ট ঘুরে তাকাল। কচি সাহেবটি। মুখে তখনও ডার্বিশায়ারের কাঁচা গরুর দুধের গন্ধ। গোঁফটিও দুধেল যেমন শিশুদের হয়। সাহেব যা বলল তা এই,

    – নেটিভ, টুমি চোপ মারিয়া বসিয়া ঠাকো। পহলে গোরা, উসকা বাদ গরু-ঘোড়া-বুঝিলে? নটি করিবে টো এক ব্যাটন খাইবে হারামখোরের বাচ্চা। ক্যাঁচকোঁচক্যাঁচক্যাঁচক্যাঁ

    উত্তেজক এই দৃশ্যে শব্দ উঠিল, ক্রমশই উপরে, ঝুনঝুনঝুনঝুন টগবগটগবগ সাঁই সপাশ সাঁই সপাশ ও ক্যাঁচকোঁচক্যাঁচক্যোঁচ। ঘোড়ার টানা হাওদাই বা যেন। বেগম জনসন। মিস স্যান্ডারসন। মিস এমা র্যং হাম। মিস্টার স্লিম্যান। সেই পাঙ্খাবরদারের গাঁড়ে কিক। সেই মিসিবাবার কুকুরদের মেটিং-সিজন। সেই হুমদো সাহেবদের মারাত্বক ডুয়েল ও গুলি মিস। মতিলাল শীলের বোতল ও কর্কের ব্যবসা। ছোবদার, মশালচি, ঘেসুড়ে, খানসামা, খিদমৎগার, হুঁকাবরদার, মালি, ভিস্তি, ধোবি ও আয়াদের প্যাঁকপ্যাঁকানি। ভুটানি ও রোহিল্লা আফগানদের হুমকি। কিন্তু অন্তে একটি সাদা অ্যাম্বাসাডর। বুলেট-গ্রুপ।

    রাষ্ট্রের টনক যখন নড়ে তখন যা নড়ে না চড়ে না তেমনদেরও নড়ে বসতে হয়। রাজ্যের টনক নড়াও অন্যরকম নয়। কেন্দ্র যখন নাড়বেই না তখন রাজ্য তো আর চুপ করে বসে থাকতে পারে না। তাই গোলাপ মল্লিকের কাছে তলব এল যে কিছুদিন ও বছরখানেক আগে যে দুটি ফাইল সে পাঠিয়েছিল এবং যে দুটি ফাইলের ওপরে ‘বাল’ ও ‘পাগলাচোদা’ লিখে ফেরত পাঠানো হয়েছিল সেই দুটি ফাইল যেন অবিলম্বে পুনরুদ্ধার করে, উপরের মন্তব্যদুটি নির্ভুলভাবে মুছে বা কালি দিয়ে ধেবড়ে ঢাকাচাপা দিয়ে, ওপর মহলে পাঠানো হয় এবং এই তলবটি অতিশয় আর্জেন্ট। তলবটি হাতে পেয়ে গোলাপ তৎক্ষণাৎ সাধুর কাছে চলে গেল ও উভয়ের মধ্যে এই রকম বাক্যালাপ হল,

    – দেখচেন স্যার, পুরো গাঁড়ক্যাচাল বোস। সেই দুটো ফাইল, তখন বানচোৎগুলো পাত্তা দিল না। এখন বলচে ফের চাই।

    তারকনাথ তখন মন দিয়ে ‘বিষপ্রয়োগে হত্যা-সেকাল আর একাল’ বলে একটি বই পড়ছিলেন। যিনি মুচকি হেসে গোলাপকে বল্লেন,

    – পটাসিয়াম সায়ানাইড নয়, ফাইটোটক্সিনও নয়, স্রেফ ওভারডোজ অব জাফরান দিয়েই লোক সাবড়ে দেওয়া যায়। কী বুঝলে?

    – জাফরান তো বিরিয়ানিতে দেয়।

    – কারেক্ট! চান্স পেলেই তো প্যাঁদাও। ফিউচারে আর খেও না। হয়তো ভুল করেই বেশি পড়ে গেল। কোনো মার্ডারের মোটিভই ছিল না। মধ্যে থেকে তুমি অক্কা পেয়ে গেলে।

    – সে না হয় আর খেলাম না। কিন্তু ফাইলদুটোর ব্যাপারে কী করি বলুন তো।

    – কোন ফাইল?

    – ওই যে সেই রবিঠাকুরের বিজ্ঞাপন আর …

    – সরকার নামে পাগলাটার সেই হিজিবিজি, তাই তো?

    গোলাপ দেখল যে তারকনাথের মতো দুঁদে গোয়েন্দাও সরখেলকে ভুলে সরকার বলে দিয়েছে। এবং এই ভুলের ল্যাজ ধরেই তার বুকের মধ্যে গোলাপেরই একটি করুণ কাঁটা যেন ফুটে গেল — বেচারা সরখেল। বৌ-মরা দাঁত-পড়া সরখেল। বাঘের মুণ্ডুর মতো গাঁদার চাষ করে। এখন পুলিশ ওকে বেঘোরে ক্যালাবে।

    – হ্যাঁ, সার।

    – এইটা বলতে যা টাইম নিলে তাতে করে ইনফার করচি তুমি রিয়ালি ওরিড। ঘাবড়িও না। টাইম নিয়ে খোঁজো। চাঁইরা যখন চাইছে তখন তো দিতেই হবে। কিন্তু এটাও ঠিক যে ফাইল হাতের মোয়া নয়। ধুলোপড়া অত দিস্তে দিস্তে ফাইল — খুঁজেপেতে বের করতেও তো টাইম লাগবে। বলেছে যখন লেগে পড়ো।

    – সে না হয় লাগলাম। কিন্তু বলুন। তখন ওইভাবে ফেরৎ পাঠাল। গ্যারান্টি দিতে পারি ওরা খুলেও দেখেনি। বলুন, এটা অন্যায় নয়?

    – যত পড়ছি বুঝলে তত ন্যায়-অন্যায় গুলিয়ে যাচ্ছে। সব তালগোল পাকিয়ে যাচ্ছে। বিরিয়ানির জাফরান। তাকেও বিশ্বাস নেই। তোমার ক-বছর?

    – কিসের স্যার?

    – কিসের আবার। রিটায়ারমেন্টের।

    – আরো বছর পাঁচেক আছে।

    – ভুগবে। আমি তো নেক্সট ইয়ারেই ভাগলবা। যাই হোক লেগে পড়ো। টাইম লাগুক। আমি সামলাবো।

    সাধু পুনরায় ‘বিষপ্রয়োগে হত্যা-সেকাল আর একাল’-এ মন দিলেন। গোলাপ ঠিক করল যে ছাদে উঠে দন্ডবায়সবাবাকে ডাকতে হবে। আচ্ছা, কালিঘাটে গিয়ে একবার সরখেলকে সাবধান করে দিলে কেমন হয়?

    এর পরদিন গোলাপ দুটো ফাইলই পেয়েছিল। ওপরে লেখা মন্তব্যদুটির ওপরে কালো কালি বুলিয়ে দিয়েছিল। সাধু ফাইলদুটি ওপরে পাঠিয়েছিল। কিন্তু খুলতেই ক্যাচাল।

    একটিতে ছিল শ্রীঘৃত সম্বন্ধে রবীন্দ্রনাথের বাণী। বলাই বাহুল্য যে সেটি নেই। বরং একটি মুদ্রিত কবিতা বা কবিতার অংশ …

    … বাকি আছে আর

    দোদুল কদম্ব বনে

    লোলুপ, লোমশ মনে

    নিতম্ব প্রহার

    এবং দ্বিতীয় ফাইল, যাতে সরখেলের প্রবন্ধটি ছিল, সেখানে, জেরক্স কপি একটি – (৫ই মার্চ ১৮৩৪। ২৩ ফাল্গুন ১২৪০)

    দিল্লী। – অবগত হওয়া গেল যে রাজা রামমোহন রায়ের মৃত্যু সম্বাদ যখন দিল্লীর বাদশাহের দরবারে পঁহুছিল তখন দরবারস্থ তাবল্লোক একেবারে হতাশ হইলেন। বিশেষতঃ শ্রীযুক্ত মির্জ্জা সিলিং ও তাঁহার পক্ষীয় লোকেরা কহিলেন যে ইঁহার উদ্যোগক্রমে আমাদের বার্ষিক যে তিন লক্ষ টাকা বৃদ্ধি সম্ভাবনা ছিল এইক্ষণে সে ভরসা গেল। কিন্তু তদ্বিসয়ে কিঞ্চিতমাত্র ভয় নাই যদ্যপি গবর্নমেন্ট উক্ত সংখ্যক টাকা দিতে অঙ্গীকার করিয়া থাকেন তবে যে ব্যক্তির উদ্যোগে অঙ্গীকৃত হইয়াছিলেনএইক্ষণে তাঁহার মৃত্যু হইয়াছে বলিয়া কখনও অপহ্নব করিবেন না।

    সমূহ বিচলিত গোয়েন্দা কর্তারা শুধু যে নার্ভাস হয়ে পড়েন তাই নয়, তারকনাথ সাধুকে এমনও প্রস্তাব তাঁরা দিয়েছিলেন যে তাঁদের সন্দেহের তীর যেহেতু গোলাপকেই বিদ্ধ করছে অতএব গোলাপ মল্লিককে তাঁরা সদলবলে ‘গ্রিল’ করতে চান। এর জবাবে তারকনাথ গেয়ে উঠেছিল, ‘তবে কেন পায়না বিচার নিহত গোলাপ’ … এবং বলেছিল,

    – পোঁদে নেই ইন্দি, ভজোরে গোবিন্দি। কার ঝাঁটে কটা লোম দেখে নেব। গোলাপকে টাচ করে দেখুক না একবার। ওই তো সব যোগাড় করেছিল — রবিঠাকুরের ঘি-এর কোম্পানি, তারপর গিয়ে সরকারের হুমকি। তখন ঢ্যামনাচোদার মতো ফাইলের ওপরে ‘বাল’ আর ‘পাগলাচোদা’ কে লিকেছিল? আপনারা। গ্রিল করচে। গ্রিল করবে। মার্ডার আর মড়া ঘেঁটে ঘেঁটে পুরো জীবনটা গেল, এখন কোত্থেকে ঝাঁটুয়া এসে বলছে রোজ-কে গ্রিল করবে। তুলকালাম লাগিয়ে দেব। লালবাজার, মিনিস্ট্রি, লর্ড সিনহা সব জায়গায় হুড়কালাম লাগিয়ে দেব। দেখবেন? অ্যাসোসিয়েশনের কানে কথাটা তুলব?

    – আহ মি. সাধু। অযথা আপনি এক্সাইটেড হয়ে পড়েছেন। অ্যাকচুয়ালি আমরা ঠিক ওটা মিন করিনি।

    – দেখুন। সাফসুৎরো বলে দিলুম। আই অ্যাম তারকনাথ সাধু। আপনারা যখন ল্যাক্টোজেন খাচছেন তখন থ্রি-নট-থ্রি দিয়ে বগল চুলকোচ্ছি-বি কেয়ারফুল। গোলাপের একগাছাতেও যদি কারো হাত লাগে তাহলে আগুন লেগে যাবে।

    – সে না হয় হল। গোলাপ যেমন আছে তেমনই থাকবে। কেউ ওকে ট্যাম্পার করবে না। কিন্তু ফাইলদুটোর মধ্যে থেকে মাল হাওয়া নিউ মাল ইন – এ ব্যাপারে আপনি কী বলেন?

    – আমি বলব ম্যাজিক অ্যান্ড মিষ্ট্রি। যতক্ষণ না অন্য প্রমাণ পাচ্ছি। ততক্ষণ আমি চুপ। তবে গোলাপ এর কিছুই জানে না। বেচারা। সব ফাইল আমার ঘরে। ধরলে আমাকে ধরুন। করুন, গ্রিল না কী করবেন।

    – ঘাড়ে আমাদের কটা মাথা, মি. সাধু?

    – একটা করেই তো জানতাম। এখন মনে হচ্ছে এক্সট্রাও গজাচ্ছে।

    তারকনাথ দমাস করে দরজা বন্ধ করে বেরিয়ে এল এবং একতরফা ঝাপড়া খেলে যেমন হয় তেমনই থুম্বোমারা হুলোর মতো মুখ করে গোয়েন্দা দপ্তরের চাঁইরা বসে থাকল। দমদম বুলেটের সামনে পড়েও বেঁচে গেলে ফেসকাটিং ওই রকম হয়ে যায়।

    ছায়া ঘনিয়েছে। ঝোপে ঝোপে সড়সড় করছে কলিকালের বাতাস। হাফখাওয়া বাতাসার মতো মুন। এবং কালিপড়া, ঝুলে যাওয়া মুনলাইট। ট্রপিকাল অরণ্যের ইনসেক্টদের ঘুনঘুনে শব্দ। এরই মধ্যে, গোলাপ মল্লিক সরখেলের বাড়ির দোরগোড়ায় হাজির। কোথাও একটা, কেমন একটা ‘খপ খপ’ শব্দ হচ্ছে। অভিজ্ঞ কান বলে দিল শব্দটা লৌকিক। অলৌকিক নয়। গোলাপ চাপা গলায় ডাকল,

    – ‘সরখেল? সরখে…ল!

    অমনি ‘খপ, খপ’ স্টপ। গোলাপ দু পা এগোল। এবং ওখানেই নির্বিরোধী, সাকার স্ট্যাচু। কারণ তার পিঠে একটি খোঁচা। লেগেছে এবং ঠেকে আছে। এবং একটি হুঁশিয়ারি।

    – নড়বি না। নড়লেই খতম। হাত ওঠা … ওঠা।

    গোলাপ দুহাত তুলে দাঁড়াল। সামনে থেকে টর্চের আলো। আলোর পেছনে অস্পষ্ট একটি আদল।

    – আরে! গোলাপভায়া! অ্যাই, সোর্ড সরিয়ে নাও। দেখচ নাম ধরে ডাকচে। ও আমার ফ্রেন্ড। খুঁচিয়ে ফুঁচিয়ে দাওনিতো?

    ভদি বলল,

    — এখনও দিইনি। আরেকটু লেট করলে, হাত পা কাঁপছিল, হয়তো খোঁচাই লেগে যেত।

    গোলাপ এতক্ষণে কথা বলল,

    – হাত কাঁপবে কেন? সোর্ড ফোর্ড ধরে অভ্যেস নেই বুঝি?

    – অভ্যেস থাকবেনা কেন? সবই চলে। তবে মোগলাই আমলের মালতো। ওরা হত ছয়, সাড়ে ছয়, সাত – ওজনও নব্বই থেকে শুরু। আমাদের হাতে ঠিক খেলে না।

    সরখেল গোলাপকে ঘরে নিয়ে গেল। সরখেল আন্ডারওয়্যার পরা। চিমড়ে। সারা গায়ে ঘাম আর মাটি। গোলাপ বলল,

    – বাগান করছিলে?

    – মনে রেখেচ তাহলে। বাগানও করছি, সেইসঙ্গে মিউটিনিরও ব্যবস্থা করচি। লেখাটা পড়েছিলে?

    – পড়িনি? খুব ক্লিয়ারকাট। তাহলে বলচ যে যুদ্ধ একটা লাগবেই?

    ভদি বলল,

    – কী মনে হয়? এইসব সোর্ড ফোর্ড, তারপর গিয়ে নুনুকামান, গাদা বন্দুক – এমনি এমনি?

    – অ্যাঁজ্ঞে, নুনুকামান মানে?

    – ও হল আপনার পোর্তুগীজদের ক্যানন। ছোট সাইজের পোনাকামানও বলা যায়। বজরা টু বজরা হেভি এফেকটিভ।

    – থামো তো। বলো গোলাপ ভায়া, কী মনে করে?

    – এলাম। তবে উদ্দেশ্য ছিল। সাবধান করা। তোমার সেই লেখাটা বুঝলে …

    – বুঝেছি। ওপরওয়ালাদের হাতে পড়ার জন্যেই তোমাকে দিয়েছিলুম। কী বলচে শালারা। পড়ে নিশ্চই পোঁদে ভয় ধরেচে।

    – প্রথমে পড়েইনি। বুঝলে? এখন তলব করেছিল। ফাইল দিলুম। সে মাল নেই। কী সব রামমোহন রায় কোথায় মরেচে ফরেচে এইসব …

    – থাকবে কী করে। এখন ওই ফাইল খুললে দ্যাখা যাবে রামমোহনফোহনও নেই। ফের নতুন মাল। ফের বন্ধ করে ফের খুললে আবার নতুন লেখা। বানচোৎদের এমন গুলিয়ে দেব যে হেগে ছুঁচোতে ভুলে যাবে।

    কন্ঠস্বরটি দন্ডবায়সের। তিনি ভাঙা জানলায় বসে একবার ডানা ঝাপটালেন।

    – প্রভু? আপনি?

    গোলাপ উঠে গিয়ে দুই ঠ্যাঙের নখে হাত দিয়ে প্রণাম করে।

    – কি রে? আমার সাধের গোলাপকে কেমন শুকনো লাগচে।

    – এ কিছু নয় প্রভু। দপ্তরে সব ওপরওয়ালা হারামিপনা করছিল। এখন রসে গেচে।

    – যাবেই। তুই আমার আশ্রিত। তোর পোঁদে যে লাগবে উল্টে তারটাই খোলতাই করে মেরে দেব। বল।

    – আঁজ্ঞে প্রভু, এসেছিলুম সরখেলকে সাবধান করতে। আর যদি আঁজ্ঞা করেন তো মনের বাসনাটা খুলে পেতে বলি।

    – বল। ভদি, ভালো করে শোন। তুই যা আনমনা।

    – না, বাবা। মন দিয়ে শুনচি। কিচু মনে করোনিতো ভাই গোলাপ।

    – না ভাই মিউটিনিতে এমনটা তো হবেই। মনে করাকরির কী আচে? আঁজ্ঞে বাবা, আমিও আপনাদের দলে ভিড়ব।

    – ভিড়বি কিরে? তুই তো ভিড়েই আচিস। তুই আপনার লোক না হলে সরখেল তোকে চোতাটা দিত?

    – আঁজ্ঞে লালবাজারে কী চুদুড়বুদুড় চলছে, কে কী ছক করচে সব এসে বলব। শালাদের ওপরে আমার হেভি খার।

    – সে তো বলবিই। এই না হলে গোলাপ। ভদি, গোলাপ মিউটিনিতে নাম লেকাল। ওকে একটু আপ্যায়ন করবি না?

    – ছি ছি বাবা, তাও কি বলতে হয়? গোলাপ ভাই, কী খাবে বলো, বাংলু না বিলিতি?

    সরখেল বলে ওঠে,

    – কোনো নজ্জা নেই। সব খোলামেলা। আমি একটু হাতমুখ ধুয়ে আসি। সারাদিন ওই বাগান … কম হ্যাপা?

    গোলাপ ঝাঁকে ভিড়ে পড়ে।

    – বিলিতিই বলো তবে।

    – সরখেল, ফোনে নলেনকে বলে দাও তো।

    – দিচ্চি!

    – একদিন দিনমানে এসে সরখেলের ফুলবাগানের ফুল দেখতে হবে।

    দাঁড়কাক খুক খুক করে হাসল। ভদি বিশেষ উচ্চবাচ্চ করল না। হাতমুখ ধুয়ে সরখেল এসে গেল। নলেন রামের বোতল, গেলাস আর ছোলাভাজা দিয়ে গেল। বড়ই আন্তরিক এই পরিবেশ।

    ১৮৫৭-র মহাবিদ্রোহের আগে দেশের পরিবেশ কি এমনটিই ছিল? অর্থাৎ ভারতের প্রথম মুক্তিযুদ্ধের আগে। হে মার্কসবিদ পাঠক, তুমি ‘বিদ্রোহে বাঙালী’ পড়িয়াছ? বলো না গো!

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleলুব্ধক – নবারুণ ভট্টাচার্য
    Next Article মরণজয়ী – নসীম হিজাযী

    Related Articles

    নবারুণ ভট্টাচার্য

    জার্নালিস্টের জার্নাল – নিমাই ভট্টাচার্য

    September 4, 2025
    নবারুণ ভট্টাচার্য

    লুব্ধক – নবারুণ ভট্টাচার্য

    September 1, 2025
    নবারুণ ভট্টাচার্য

    হারবার্ট – নবারুণ ভট্টাচার্য

    September 1, 2025
    নবারুণ ভট্টাচার্য

    এই মৃত্যু উপত্যকা আমার দেশ না – নবারুণ ভট্টাচার্য

    September 1, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }