Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কাঙাল মালসাট – নবারুণ ভট্টাচার্য

    নবারুণ ভট্টাচার্য এক পাতা গল্প276 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কাঙাল মালসাট – ১৫

    ১৫

    ‘বিদ্রোহে বাঙালী’ পড়তে যাবে কেন? পড়লে যে জেনে যাবে যে, মহাবিদ্রোহে বাঙালি কী যত্নসহযোগে সাহেবদের চামচাগিরি করত। তার চেয়ে সে পড়বে ফুকো যিনি, ভালো বাংলায়, শিঙে ফুঁকে আমাদের বাঁচিয়েছেন। অর্থাৎ পাঠকদের শৃঙ্খলা শেখানো ও শাস্তিপ্রদানের মহান দায়িত্বটি অতীব ক্ষমতাধারী ‘কাঙাল মালসাট’-এর ঘাড়েই বর্তেছে। ‘কাঙাল মালসাট’ কোনো বিদ্রোহী মোষ নয় যে, রক্তচক্ষু করে জোয়াল ফেলে দেবে ও বিপ্লবী গাড়োয়ানদের সঙ্গে প্রাক-পুঁজিবাদী অঘোর নৃত্যে মেতে উঠবে। তাই আমাদের (মানে কাঙাল মালসাট, লেখক ও পাঠকদের) মমজমার রহস্য জানিলেই চলিবে, ৩১৮ পৃষ্ঠার মালটি যেমন অজ্ঞাত রহিয়াছে তেমনই থাকুক। ব্রিটিশদের গুপ্তচরের কাজ। ১৮৫৭ তে ‘পাছে পথিমধ্যে যুবক গুপ্তচর বলিয়া ধৃত হয়, এই জন্য সেই পত্রখানি, দেহের অভ্যন্তরে লুকাইয়া রাখিয়াছে। দেহ উলঙ্গ করিয়া, কাপড়-ঝাড়া হইলেও সে পত্র বাহির হইত না। পত্র অবশ্যই মুখের মধ্যে ছিল না। পত্রখানিকে মমজমায় মুড়িয়া, মলত্যাগের দ্বারের ভিতর সুরক্ষিত করা হইয়াছিল। আবশ্যক হইলে, যুবক পত্রখানি খুলিয়া লইত এবং শৌচাদির পর পুনরায় তৎস্থানে রাখিয়া দিত। রস বীভৎস বটে, কিন্তু সিপাহী বিদ্রোহের সময়, বীর-বীভৎসরসেরই বিশেষ বাড়াবাড়ি হইয়াছিল।’ এক হিসেবে ভদির কারবারও বিদ্রোহ বিশেষ। অতএব রসতাত্বিকরা রসমিল লক্ষ করিতেই পারেন। বাধা দেওয়ার কেহই নাই। দুর্গাদাস বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর মহাকাহিনীর শেষে লিখিয়াছেন, ‘আবার বেরিলিতে ইংরেজের রাজত্ব বসিল। মনে অপূর্বভাবের উদয় হইল। অদ্য এইখানেই আমার জীবন-চরিত শেষ করিলাম। অবশিষ্ট জীবনী আর লিখিবার উপযুক্ত নহে।’ মহান উপলদ্ধি ও তৎসহ কী অকপট স্বীকারোক্তি। কী কন্ট্রোল ! আলফাল অনেক গান্ডুরই নিজের জীবনী রচনা করিবার একটি গুপ্ত বাসনা রহিয়াছে। কোনো কোনো পাঁচু তো লিখেই ফেলেছে। ছাপাও হচ্ছে খোলতাই করে। কিছু বলার নেই। মহাজনেরা যে পথে যেতে যেতে হায়দারি হাঁক ছাড়েন অ্যাং ব্যাং-ও সেই রাস্তায় হাওদায় বসে জাঁকাতে চায়। এদিকে হাতির সাপ্লাই নেই বহুদিন। আজ যদি নেতাজী থাকত!

    রাধাবাজারে ডি.এস যে ট্যাঁকঘড়িটা সারাতে নিয়ে গিয়েছিল সেটা দেখে দুঁদে দুঁদে ঘড়িয়ালরা অবধি চুপসে গেল। কারও কাছেই এই বিদঘুটে ঘড়ির স্প্রিং তো দুরের কথা, কোনো পার্টসই নেই।

    — তাহলে দাদু বলচেন হবে না।

    — হওয়া না হওয়া ভাই আমার নয়, ওপরওয়ালার ব্যাপার। তবে চান্স কম। এসব মালের আর পার্টস-ফার্টস হয় না।

    — ঠাকুরদার একটা জিনিস। ফেলে দেব?

    — না না, ফেলতে যাবেন কেন? বাক্সপ্যাঁটরায় তুলে রাখুন যত্ন করে। মান্ধাতার মাল। এখন এ সবের মর্ম কেউ বুঝবে?

    — কিন্তু মাল তো অচল। কিছু একটা রাস্তা বাতলান?

    — কোনো রাস্তা নেই ভাই। তবে হ্যাঁ, অনেক সময় আধবুড়ো পাগলা সাহেবরা এই সব অ্যান্টিক মাল কিনতে আসে। দেখবেন, কাগজে দেয়। পুরনো খেলনা, কলের গান, ঘড়ি তারপর গিয়ে কলম — এইসব।…. ভালো হলে হেভি দাঁও মারতে পারবেন।

    — বাংলা কাগজে দেয়?

    দোকানে থেকে বেরিয়ে ডি.এস ঘড়িটা পকেটে ঢুকোল। পুরন্দর বলল,

    — বেচবে না জানো, সারানো গেলেও সারাবে না। করতেও পারো ভ্যাড়রভ্যাড়র।

    — কটা বাজে?

    — দোকানে তো আড়াইটে দেখলুম।

    — তো! গোলাপ আসবে সোয়া তিনটেতে। টাইম পাস করতে হবে তো! এখনও কড়কড়ে পঁয়তাল্লিশ মিনিট।

    — হেঁটে হেঁটে বেল্লিক বনে লাভ আছে? পায়ের নড়াদুটো টনটন করচে। চলো, একটা চায়ের দোকানে বসি।

    — পালকি যার বউ তার। চায়ের খরচ তাহলে তোমার!

    — বেশ, তাই হবে। যা ছ্যাঁচড়া হয়ে উঠচ দিন কে দিন।

    — আরে, তা নয়। হেভি ক্যাশ সর্ট। বালবাচ্চা নিয়ে তো ঘর করলে না। কবিতা লিখেই লাইফটা কাটিয়ে দিলে।

    — আমি আর কবিতা লিখি না। জানো?

    — মানে?

    — মানে, আবার কী? কবিতা লিখবো না। ছেড়ে দিয়েচি।

    — বলো কী?

    — দূর। কোনো বাঞ্চোৎ পড়ে না। কেউ ছাপেও না। ও ল্যাওড়া লিখলেই কী আর না লিখলেই কী।

    — তবে কী করবে?

    — গান লিখব। গান এখন হেভি পপুলার। কাঁড়ি কাঁড়ি ক্যাসেট দেকচ না। হেগো পেদো সব্বাই পুঁক পাঁক করে ক্যাসেট ছাড়চে বাজারে। তাই গান লিখব। রেডি মার্কেট আচে। একটা লিখেচি। শুনবে? চা খেতে খেতে।

    — গাইবে?

    — না, না। পড়ব। এর ওপর টিউনিং হবে। তারপর আগে পরের বাজনা জুড়বে। মাল রেডি হলে আর্টিস্ট গানটা তুলবে।

    পুরন্দর আর ডি.এস যে চায়ের দোকানটায় বসল সেখানে বিরাট ছবি সন্তোষীমার। এফ এম রেডিওতে তালাত মেহমুদের ঢেউখেলানো গলার সুর বাজছে। লোকেরা নোংরা গেলাসে গরম চা ও ঠাণ্ডা নিমকি খাচ্ছে। ড্রাইভারেরা বিড়ি ধরিয়ে মালিকদের মা বাপ তুলে খিস্তি করছে। চোখে ছানি কাটানোর পর কালো ঠুলি পরা একটা বুড়ো উবু হয়ে ফুটপাথে বসে চা খাচ্ছে। তার বুকপকেটে আনেক ময়লা কাগজ ভাঁজ করা এবং সেই কাগজের ফাঁকে একটি ডটপেনের ন্যাড়া রিফিল। দুটো চা অর্ডার দিয়ে ওরা বুড়োটার থেকে একটু দুরে দাঁড়ালো এববং পুরন্দর পকেট থেকে গান লেখা কাগজটা বের করল।

    — কী টাইপের গান এটা?

    — ফোক। শোনো না। কথাতেই ভাবটা ধরতে পারবে। আচ্ছা না হয় একটু বলেই নিই-এটা হল মাছমারানীদের গান। রাতের বেলায় পাল বেঁধে মেছোমাগিরা মাছ ধরতে যাচ্ছে।

    — হেভি তো!

    — হ্যাঁ। এবার পড়চি,

    গজাল মাছের ভুড়ভুড়িতে কাতলা মারে ঘাই

    মাছ মারিতে যাই গো মোরা মাছ মারিতে যাই

    ঘোমটা ফেলে, আদুল বুকে

    গিরগিটি তেল মাখ লো মুখে

    আড়ের ভুঁড়ি, শোলের মুড়ি, কুমীরপানা ঢাঁই

    মাছ মারিতে যাই গো মোরা মাছ মারিতে যাই

    আবছায়াতে পেত্নি মোরা

    পায়ের পাতা পিছনমোড়া

    মাছের তেলে মাছটি ভেজে সোহাগ করে খাই

    মাছ মারিতে যাই গো মোরা মাছ মারিতে যাই

    – পুরো ঝাক্কাস কেস হয়েচে গুরু কিন্তু লাস্টের দিকটায় তো মনে হচ্ছে ওরা ভূত!

    — ভূত নয়। ওটা হল মনের ভাব। আঁশটে ভাবনাটা যাতে বেরোয় তাই তো ওরা নিজেদের মেছোপেত্নি বলচে। বুঝলে?

    — সে না হয় হল কিন্তু গাইবে কে? আশার গলায় মালটা যা খুলতো না! সঙ্গে খিলখিলে হাসি!

    — ওসব ভেবে লাভ নেই। আমার গান তো, ফিউচার ইজ ডার্ক। হেঁজি পেঁজি কোনো ছুঁড়িফুঁড়ি গাইবে। আবার কী হবে? এই বাজারে সি.পি.এম, তৃণমূল, নয়তো কোনো দরাজদিল… কেউ পেছনে লগা না ধরে উঁচু করলে নো চান্স।

    — তবে কিছু হয়নি বলে আমি মানি না।

    — যেমন?

    — আরে বাবা, ফ্যাতাড়ু তো হয়েছ। চোক্তারদের সঙ্গে দোস্তি তো হয়েছে। তারপর গিয়ে কথা বলা দাঁড়কাক, চাকতির চক্কর, এবেলা বেঙ্গল ও বেলা ইংলিশ – এরকমই বা কজনের হয়?

    — এদিকটা নিয়ে এত ভাবিনি।

    — না চাইতেই তো পাচ্চ। তাই ভাবচ না। এইজন্যেই আমার বউ বলে মিনিমাগনাকে কেউ ইজ্জত দেয় না।

    — ঠিকই বলে। ভালোই হল। এই কতা দিলুম এসব নিয়ে আর ভাবব না। ওফ চিড়িক করে একটা সং মাথায় এল।

    — এটাও কি জেলেমাগিদের …?

    — না, না। এটা হল গিয়ে তোমার শহরের, কলেজে পড়া মেয়েদের গান। মুখড়াটাই পেলুম। শুনবে?

    — বলো!

    — হব না ননদ, হব না জায়া

    হব সরকারি হোমের আয়া …

    — হিটিয়াল দাঁড়াবে গুরু। এরপর মিল দেওয়ার জন্যে তোমার হাতে সায়া, মায়া, ছায়া, পায়া – সব আচে।

    — পায়া-টা কাজে লাগবে না। অবশ্য খাট বা তক্তপোষ যদি সিনে ঢুকে পড়ে তাহলে আলাদা ব্যাপার।

    ডি. এস বলল,

    — সামনে দেখো,

    — কী?

    –ঐ যে, রাস্তাপারের পানের দোকানে।

    গোলাপ পান কিনে খেল। তারপর পানের বোঁটার থেকে চুন দাঁতে কেটে বোঁটাটা যখন ছুঁড়ে ফেলল তখন হাতের তেলোতে লুকোনো একটা কাগজের দলাও সেইদিকে পড়ে গড়িয়ে গেল।

    — গোলাপটা এখন লালবাজারে ব্যাক করবে। আমি পা চুলকোবার ছকে মালটা ক্যাচ করব। তুমি গার্ড দেবে।

    — আমিও পা চুলকোব?

    — পাগলা নাকি? দুজনে পা চুলকোচ্চে দেখলেই সব স্পাই অ্যালার্ট হয়ে যাবে। চারদিকে কিলবিল করচে। চলো! কোনো বাঞ্চোৎ হয়তো এক কিকে নর্দমায় নিয়ে গিয়ে ফেলবে। কাগজের দলা দেখলেই অনেকে ভাবে বল।

    গুপ্তচরদের একটি জমজমাট জগৎ রয়েছে। সেখানে নানা দেশের গুপ্তচর সংস্থাই খেলায় মেতে রয়েছে। সি. আই. এ, কে. জি. বি. (বর্তমানে এফ. এস. বি), এম. আই . ফাইভ, মোসাদ, অধুনা বিলুপ্ত স্টাসি, আই. এস. আই — কত শিশুই যে নিকারবোকার পরে এই রহস্যাবৃত ক্রীড়াঙ্গনে আঁকুপাঁকু খেলা করেছে তার ইয়ত্তা নেই। সেই নিষ্পাপ খেলায় যে চোক্তার-ফ্যাতাড়ুরাও পেছিয়ে নেই তা আশা করা যায় পাঠকের মগজ এড়াবে না। ভদি দলা পাকানো কাগজটি খুলল। একটি হ্যান্ডবিলের উল্টোপিঠ। সেখানে লেখা,

    ALL M AND CT UNDER I

    — হুঁ হুঁ বাবা। আমার নাম হল ভদি। আমার সঙ্গে টিগড়মবাজি! নলেন কোতায়? নে… লো…!

    নলেন দুদ্দাড় করে ছাদ থেকে নেমে এল।

    — এই কাগজটাকে উনুনে দিয়ে দে। ভাল করে পুরোটা জ্বলে যেতে দেখবি। তারপর বড় করে একটা বাংলা রাম পাতিয়ালা পাঞ্চ বানা। জানতাম, খেলা জমবে। জমে দই হয়ে যাবে।

    সেদিন রাতেই ভদি, দাঁড়কাক ও সরখেল স্পেশাল কোর মিটিং-এ বসে গেল। লালবাজারের গোয়েন্দারা কলকাতার মাগি ও চোলাই-এর ঠেকে হেভি নজর রাখা শুরু করেছে। সরখেল দেখা গেল ব্যাপারটার গ্র্যাভিটি ঠিক ঠিক বুঝে উঠতে পারেনি।

    — আমরা মাগিবাড়ি যাই না, চোলাইও খাই না। ও উকুন আমাদের কারো নেই। তবে কেন আমরা উত্যক্ত হতে যাব?

    — গোড়াতেই এমন চোদনার মতো কথা বলে বসো যে মটকা গরম হয়ে যায়। তোমার মতো মেজর জেনারেল নিয়ে লড়তে হয়েছিল বলেই হিটলারের খুপড়ি উড়ে গিয়েছিল। ভাবা যায় না। বোকাচোদামির একটা লিমিট থাকে।

    — দাঁড়কাক এই স্ট্র্যাটেজিক আলোচনায় এতক্ষণ এক পায়ে দাঁড়িয়ে অন্য পা দিয়ে বাতাসে ইকড়িমিকড়ি আঁকছিল। ভদির মেজাজ টং দেখে সরখেল কথা ঘুরিয়ে দাঁড়কাককে বলে,

    — আপনি কী লিখছেন প্রভু?

    — ও কিছু নয়।, ডুডলস। যুদ্ধ লেগে যাব লেগে যাব হলেই আমি ডুডলস আঁকি। স্ট্যালিনও আঁকত – শেয়াল।

    — আর আপনি?

    — কোনো ধরাবাঁধা সাবজেক্ট নেই। কখনো ভূত, কখনো কচ্ছপ, কখনো ঝাড়াঝাড়ি।ভদির সব ভালো কিন্তু বড় অল্পতে ক্রোধান্বিত হয়ে পড়ে। ওর ঠাকুর্দাও এরকম ছিল। থার্ড জেনারেশন বলে রিপিট করছে। গ্রেগর মেন্ডেলের নাম শুনেছিস।

    — আজ্ঞে না।

    — ১৮৬৫ সালে কেসটা ধরেছিল। মিউটিনির আট বছর পর। একদিন বলবখন। এই মেন্ডেলকে আবার আংলি করতে গিয়েছিল লাইসেনকো বলে একটা বোকাচোদা। স্ট্যালিনও পুড়কি খেয়ে নিকোলাই ভাভিলভকে ঝেড়ে দিল। ব্যাস — পুঁটকিজাম। কিছুই জানিস না। আর কী করেই বা জানবি! গাণ্ডুর দেশের যত উদগাণ্ডুরা হচ্ছে লিডার। তোর লিডার যেমন ভদি। মগরার বালি দিয়ে চারবেলা পোঁদ মারালে যদি বুদ্ধি খোলে।

    — না, না, বাবা। অমন কঠোর দণ্ড দেবেন না।

    — ঠিক আচে, দেব না। এবার যা বলবি বল। তবে চোপা দেখলেই এবার কিন্তু হেভি খচে যাব।

    — নাক মলচি, কান মলচি, আর হবে না।

    — বেশ, এবার বলে যা।

    এই সময়েই দরজার বাইরে একটা বিস্ফোরণের শব্দ শুনে সকলে চমকে গেল।

    — কে? হু ইজ দেয়ার?

    — আমি। নলেন।

    — হোয়াই? কী চাই?

    – বৌদিমণি বলল কি যে সেনাপতিরা ফন্দি আঁটচে, যা রে নলেন, এক বোতল মাল দিয়ে আয়, তাই এলুম।

    – কাম। গুড।

    দরজা খুলে নলেন ঢুকল। থালার ওপরে এক বোতল বাংলা। তিনটে ছোট গেলাশ। এক মগ জল। কুচো চিংড়ির বড়া।

    — রাখ। বাইরে কী ফাটল? পাদলি?

    — আঁজ্ঞে না। পায়ের তলায় পড়ে আরশোলা ফাটল।

    — তাই বল। আমি ভাবলুম ক্যাপ ফাটল। যা, দরজাটা টেনে দিয়ে যেমন এসেচিস তেমনি পা টিপে টিপে চলে যা।

    নলেন পা টিপে টিপে চলে গেল।

    — বাবা, শুনুন। সরখেল, ধ্যানসে শুনো। মিউটিনির প্রথম দিকটায় আমরা পুরো ক্যান্টার করে দিয়েছি। এমন দিয়েচি যে বাঞ্চোৎদের পোঁদে যমের ভয় ধরে মাথা গুগলি হয়ে গেচে।

    — খোলসা করে বল।

    — এক নম্বর হচ্ছে যে চাকতিফাকতি উড়ে ওদের তো পিলে চমকে গেচে। বুঝতেও পারচে যে সরখেলের চরমপত্র ফ্যালনা নয়। এ. কে. ফর্টি সেভেনের কারখানা, ভিক্টোরিয়ার চোদখোর কিউরেটর — সব মিলিয়ে কেস গুবলেটিং। কিছু একটা আসচে অথচ কী করবে জানে না। মোটা মাথা তো … হেডপিসে হরতাল … ভাবচে কমন ক্রিমিনালরা গ্যাং আপ করেচে তো … তাই এম অ্যান্ড সি টি মানে মাগি আর চোলাই-এর ঠেকে খোঁচর বসানো … এগুলো হচ্চে পাতি রেসপন্স .. এই দিয়ে যদি মিউটিনি ঠেকানো যেত তাহলে আর কতা ছিল না। একদম চোদু। পিওর চোদু। তবে হ্যাটস অফ টু গোলাপ। একে বলে স্পাই।

    — ওফ এইবার বুঝলুম। না, প্রভু, আমরা ঠিক নেতাই বেছেছি। আপনি কী বলেন?

    – বাপ হয়ে ছেলের প্রশংসা আমি কখনও করিনি। ওসব ঢ্যামনামি আমাদের বংশের ধাতে নেই। তবে আমি চাই যে ওরা যখন একটা স্টেপ নিয়েচে তখন আমাদের একটা কাউন্টার স্টেপ নিয়ে দেখিয়ে দেওয়া দরকার যে আমরা বাল কেয়ার করি। ভদিই সেটা ঠিক করবে। চুক করে একটা কড়া ডোজ মেরে আমাকে কাটতে হবে।

    — কেন প্রভু?

    — বলা বারণ কিন্তু তোরা হলি কোলের গ্যাঁদা। তোদের বলা যায়। আজ ওল্ড পার্ক স্ট্রিট কবরখানায় মি. স্লিম্যান ও মি. শেরউডের মধ্যে ডুয়েল হবে। আমাকে রেফারি থাকতে হবে।

    — আঁজ্ঞে, রাজার জাতের মধ্যে কী নিয়ে বিবাদ যে ডুয়েল লড়তে হবে?

    — সেই, এজ ওল্ড ফ্যাড, মিস এমা র্যাংহামকে নিয়ে কামড়াকামড়ি। ইতিহাসের পাতায় পাতায় যার ছড়াছড়ি। রাস্তাতেও তাই। মাদি কুত্তা নিয়ে মদ্দাগুলোর ঘ্যাঁক ঘ্যাঁক। বাই চান্স হয়তো কোনো ওল্ড কুত্তা সেখান দিয়ে যাচ্ছিল। ব্যাস সেও সোলডা বের করে ভিড়ে পড়ল। ফিউচারেও এরকম চলবে। কিছু করার নেই।

    — আচ্ছা প্রভু, ঐ আপনার গিয়ে স্লিম্যান, তারপর কী যেন, হ্যাঁ শেরউড — এরাতো কবে পটলিফায়েড হয়ে গেচে। এখনও এদের ভূত লড়ে যাচ্ছে?

    — নো, নো, সাহেবদের ভূত বলা বারণ। গোস্ট বলতে হবে। কী বাবা, ঠিক বলিনি?

    — ঠিকই তবে গোরাভূত বললে দেখেচি আজকাল ওরা মাইন্ড করে না। কতায় কতায় রাত গড়াচ্চে। ওদিকে পিস্তল-ফিস্তল রেডি। মিস এমা র্যাংহাম বার বার মূর্ছা যাচ্ছে। বেগম জনসন একা কতদিন সামলাবে। চলি।

    খোলা জানালা দিয়ে ভৌতিক অন্ধকারের মধ্যে ডানা মেলিয়া দণ্ডবায়স ডুয়েল-এ রেফারিং করিতে উড়িয়া গেল। পাঠক, নিপাতনে সিদ্ধ গবাক্ষের বাহিরে মোহিনী মন লইয়া তাকাও। তুমিও দেখিবে পিয়ানোর টুং টুাং শব্দে সেই শিশিরই পড়িতেছে যা তখনও পড়িত। ঘাসে ঘাসফুল ফুটিয়াছে। তখনও ফুটিত। এই দৃশ্যে মগ্ন থাকো। ঐ দ্যাখো মেম-বালিকারা খিলখিল করিয়া মাঠে নামিতেছে। স্নো- মোশানে স্কিপিং করিতেছে। কী সুন্দর সোনলি চুল। কী দুধেল গলা। কী ফুলেল বুক। আরো নামো। যেন লিফটে চড়িয়া তুমি বালিকা মেমের পেট বাহিয়া নামিতেছ। এ লিফট থামিবে না। স্বপ্নদোষ অবধি এই চটকা থাকিবেক। হায় নবোকভ, পৃথিবীর সবকটি রান্নাঘরের ঝুল একত্র করিলেও আপনার ন্যায় একটি ঝুল লেখক মিলিবে না।

    — সরখেল, আমিও তাহলে উঠি।

    — সে কি? প্রভু যে কাউন্টার স্টেপের কথা বলে গেলেন, তার কিছু করবে না।

    — সেই কারণেই তো যাচ্ছি। কাল একটা ঘটনা ঘটবে জানো?

    — কী?

    — ওয়েস্টবেঙ্গলের টপ সব ক্যাপিটালিস্টরা সি. এম-কে মিট করবে।

    — তাতে আমাদের কি ছেঁড়া গেল?

    — দেখবে। দেখবে মানে কাগজে পড়বে। টিভিতে দেখালেও দেখাতে পারে।

    — একটু আঁচ দাও। এত সাসপেন্স।

    — অনেকটা মাল আচে। একাকী চার্জ করে যাও। আমি চাকতির ঘরে ঢুকব। ঘন্টা দুয়েক দরজা বন্ধ থাকবে। আর বলব না। চলি।

    ভদি যখন উঠে দাঁড়াল তখন সরখেল দেখল হারিকেনের আলোয় ভদির যে ছায়া পড়েছে তা ফসফোরাসের ঝিকিমিকিতে দ্যুতিময়। কেঁচোর তেল থেকেও এরকম অপার্থিব আলো বের হয়। ভালটের বেঞ্জামিন ইহাকেই বলিয়াছিলেন ‘অরা’। আমরা ‘আভা’ বলতে পারি। এই আভা-কে পাঠক যেন আভাদিদির সঙ্গে গুলিয়ে না ফেলেন। ফেললেই কেলো।

    সেই রাতেই মদনের বাড়িতে বসে পুরন্দর ভাট তার লেখা দ্বিতীয় গানটি কমপ্লিট করল।

    হব না ননদ, হব না জায়া

    হব সরকারি হোমের আয়া

    সুপারের সনে

    যাব কচুবনে

    রচিতে নধর মিলনমায়া

    না রবে পিত্তি, না রবে হায়া

    হয় এসপার

    নয় ওসপার

    দেখিবে জগৎ যুগলছায়া

    হব না ননদ, হব না জায়া।

    মদন গানের কথাগুলো শুনে বলল,

    — তোমার দুটো গানেই দেখচি মেয়েদের হ্যাটা করার একটা ধান্দা। আমার মতো তোমারও বউ পালিয়েছে নাকি?

    — বিয়েই করলুম না। বউ পালাচ্চে!

    — ও তাহলে হাফসোল কেস। বুঝেচি । নাও, রাত হয়েছে। লেটে যাও।

    — সেই ভালো। লেটে একবার গেলে কোনো ঝুটঝামেলা নেই।

    রাত ফুরোতে বেশ খানিকটা বাকি তখনও। কালী ও বড়িলাল পাশাপাশি কালীর ঘরে মাদুরের ওপর অন্ধকারে উদোম হয়ে শুয়েছিল। বড়িলাল কাশল।

    — ঘুম আসচে না?

    — এসে গিয়েছিল কিন্তু চালের ওপর সড় সড় একটা শব্দ।

    — ও কিছু না। বাস্তু সাপ।

    — অ্যাঁ

    — আরে বাবু ক্যাঁওম্যাঁও করার মতো কিচু ঘটেনি। ওকেনেই থাকেন। মাঝেমাঝে রাতে বেরোন। ব্যাঙ, ইঁদুর – যা খেলেন খেলেন, এসে আবার শুয়ে থাকেন। ভালো। এবারে ঘুমোও।

    — যা শোনালি তাতে ঘুমের বাপও আর ধারেবাড়ে ভিড়বে না।

    — এই নাকি তিনি কুস্তি নড়তেন। কুস্তিগির।

    — কুস্তি তো মানুষে মানুষে হয়। সাপখোপ, পোকামাকড়, পিমড়ে – এসব আমার ধাতে সয় না।

    — থামো তো। ওরা কেউ কিছু করবে না। যে করবে সে জানান দিয়ে গচে।

    — কে?

    — পুলিশের লোক। ঘরে ঘরে বলে গেচে।

    — কী?

    — বলেচে, দ্যাখ মাগেরা, কার ঘরে কোন খদ্দের আসচে, কী বলচে, কী আনচে সব রিপোর্ট দিতে । বড়বাবুর অর্ডার। কিছু গোপন করবিনি। তাহলে মেয়ে-পুলিশ এনে, চাবকে পোঁদের চামড়া গুইটে দেবে। বড়বাবুর হুকোম। যে সে লোক নয়।

    — তুই আমার নাম বলবি?

    — বলব।

    — বলবি?

    — থামো তো। রাত বলে ভোর হতে চলল আর ওনার বটকেরা থামে না। কেন বলব? বড়বাবু আমার ভাতার না কে? পুলিশ দেখাচ্ছে। বলি ফি মাসে গুনে গুনে টাকা নিয়ে যাস না? এমনিতেই আমাদের লজ্জাশরম কম। এমন কথা শুনিয়ে দেব যে ধন গুইটে পালাবে।

    — ধর আমাকে দেখে ফেলল।

    — তো কী হবে?

    — বলবে, এই কালী, ডেমনী খানকি, তোর ঘরে খেলনার দোকানের বড়িলাল মৌজ মারতে আসে, শালী, বলিসনি কেন?

    — আমিও চুপ করে থাকার লোক না। বলব, বড়িবাবুর ঠেঙে আমি একবেলা নগদ ধার নিয়েছিলাম। সেই টাকা শোধ কোত্থেকে করব? তো গায়ে গায়ে শোধ করে দিচ্চি। তাতে তোর তবিলে জ্বালা ধরচে কেন রে বোকাচোদা! আসুক না।

    — বেশ বলিচিস কিন্তু। গায়ে গায়ে শোধ! আয় কাচে চলে আয়।

    — কেন, তোমার আসতে বারণ আচে?

    — থাকলেই বা মানচে কে?

    পাঠক, তুমি কালীঘাটের খানকি কালীর প্রেমে পড়িতে চাও? পাঠিকা যদি হও তো কালীর সম্মানে মাথা নত করো। বরং আইস, আমরা খানকি কালীর বন্দনাতে সমস্বরে গাই, চরাচর শুনুক, দেবতা, মানুষ সকলে জানুক,

    কসিয়া কোমর বান্ধে অতি মনোহর ছন্দে

    অস্ত্র বান্ধে বহু যত্ন করি।

    জড়ির পটুয়া আনি কাঁকলে বান্ধিল রাণী

    পটি টাঙ্গি বান্ধে তারোপরি।।

    পীঠেতে বান্ধিল তূণ কৈল তায় বাণে পূর্ণ

    শেলশূল মুষল মুদগর।

    ঝাটি ঝকড়া আনি বান্ধিলা প্রমীলা রাণী

    সাজ করি হইল তৎপর।।

    শ্রী চন্দনদাস মণ্ডল বিরচিত ‘মহাভারত’ হইতে সমস্বরে যখন কালীর বন্দনা ধ্বনিত হইতেছিল সেই সময়েই, রজনী তখনও আছে, ভদির চাকতির ঘরের দরজা সশব্দে খুলিয়া গেল এবং পূর্বে যেমনটি আমরা দেখিযাছিলাম তেমন নয়, অজস্র অতি সূক্ষ্ম ও প্রায় স্বচ্ছ চাকতি বোঁ বোঁ শব্দ করিতে করিতে বাহির হইয়া আকাশে উড়িয়া গেল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleলুব্ধক – নবারুণ ভট্টাচার্য
    Next Article মরণজয়ী – নসীম হিজাযী

    Related Articles

    নবারুণ ভট্টাচার্য

    জার্নালিস্টের জার্নাল – নিমাই ভট্টাচার্য

    September 4, 2025
    নবারুণ ভট্টাচার্য

    লুব্ধক – নবারুণ ভট্টাচার্য

    September 1, 2025
    নবারুণ ভট্টাচার্য

    হারবার্ট – নবারুণ ভট্টাচার্য

    September 1, 2025
    নবারুণ ভট্টাচার্য

    এই মৃত্যু উপত্যকা আমার দেশ না – নবারুণ ভট্টাচার্য

    September 1, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }