Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কাঙাল মালসাট – নবারুণ ভট্টাচার্য

    নবারুণ ভট্টাচার্য এক পাতা গল্প276 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কাঙাল মালসাট – ১৬

    ১৬

    কবিতার (কোনো ফিমেলের নাম নয়) হাত ধরেই নাবালক বাংলা সাহিত্য, যে দিকেই হোক, এগিয়েছিল। এই পক্কড়টির সূত্রপাতেও তাই কবিতার আবির্ভাব। কবি কোনো প্রখ্যাত মিহিদানা নয়, নয় কোনো অভিমানী আন্দামান। বরং আমাদেরই প্রিয়জন পুরন্দর ভাট।

    সবই আছে বাংলায় — বউ, ছুঁড়ি, আয়া

    তবে কেন বিমর্ষ মুখে বসে ভায়া?

    নিশিনাথ, আব্দুল — কাঁদো কেন ভাই?

    চলো মোরা রামপাখি ধরে ধরে খাই।

    বিশিষ্ট কেউ যদি বলেও না দেন যে এই কবিতায় ‘দুন্দুভি বেজে ওঠে ডিমডিম রবে’-র মতো সাসপেন্স পাওয়া যায়নি তাহলেও আমাদের খুব একটা মুষড়ে পড়ার কারণ নেই। না হয় সেসব ফাইনার পয়েন্ট আমাদের না জানাই থেকে গেল। কিন্তু সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির পরিবেশে যেটুকু পাওয়া গেল তা কি কাফি নয়? সেলুকাস! তলা দিয়ে মারচ ফোকাস? যেমন নাটকীয়, তেমনই সাবলাইম। এভাবেই এগোতে হবে। দুদশ পা পিছিয়ে পড়লে ক্ষতি কী? সামনে অগাধ খাদ। বরং উল্টো দিকে দৌড় দিলে কেমন হয়? সবাক থেকে নির্বাক চলচ্চিত্রে?

    — স্ট্র্যাটেজিক রিট্রিট!

    কে চেচাঁল? ফুয়েরার না ইয়াহিয়া খাঁ? নাকি মার্শাল জুকভ? কেউই নয়। মিলিটারি টিউনিক পরে এই চিৎকার দিয়ে চিত্রাপির্ত হয়ে দাঁড়িয়ে রইল ভদি। চেঁচানোর পরেই চোখ বন্ধ। সামনে হাজির ভক্তের দল বাকরুদ্ধ। লন্ঠনের আলো দপদপিয়ে বেড়াচ্ছে। কোনো খুক খুক কাশি বা অন্যবিধ ট্যাঁ ফুঁ নেই। এই মুগ্ধ নীরবতা ভাঙল কে? মেজর বল্লভ বক্সি। তাঁর বাংলা মান্য নয়।

    — ঠিক ঠিক সমঝ তো হইল না। স্ট্র্যাটেজিক রিট্রিট! একটু যদি খুলেন..

    — খুলব? খুলছি। … গভরমেন্ট হাই অ্যালার্ট। মোড়ে মোড়ে স্পাই। এখানেই হয়তো বসে আচে বাগড়া মারার ধান্দায়! একটাও খোঁচড় নেই এমন কোনো গ্যারান্টি দিতে পারবে ক্যাপ্টেন?

    বল্লভ বক্সি মেজর ছিল কিন্তু ভদি তাকে সবসময় ক্যাপ্টেনই বলে। বল্লভ গোঁফ নাচিয়ে কিছু ভাট বকার আগেই ভক্তবৃন্দ সরব হইয়া উঠিল।

    — না প্রভু। না। আমরা নিজেরা নিজেদের ওপর নজর রাখছি।

    — থাকলে ঠিক আইডেন্টিফায়েড হয়ে যেত।

    — আপনি নাম বলুন। কাঁচা মুন্ডু নামিয়ে দিচ্ছি।

    ভদি গর্জে উঠল,

    — চোপ! চোপরাও! একটা কিছু বললাম তো অমনি চেল্লাতে শুরু করল। ওরে পাগলা আমার ভক্ত সেজে কোনো খানকির ছেলে টিকে থাকতে পারত? ফেস কাটিং দেখেই ধরে ফেলতুম। দত্তবাবুর লাটে অঘোর সাধনায় তাহলে শিখলুমটা কী? আর্মির হেডকে এসব বলতে হয়। একে বলে হাওয়া গরমানো। বুঝলি! হাওয়া গরমানো। এর টেকনিক যে ধরে ফেলবে তার মার নেই।

    টিনের দরজায় দাঁড়িয়ে সবই শুনছিল বড়িলাল। বড়িলালকে কেউ যেন আবার আগ বাড়িয়ে নধর স্পাই বা কিম ফিলবি গোছের কিছু ভেবে না বসে। আগেই বলা হয়েছে যে বড়িলাল হল সাক্ষী। পৃথিবীতে যা কিছু ঘটুক না কেন তার একজন না একজন সাক্ষী থাকবেই। অবশ্য তাকে যে মানুষ হতেই হবে এমন কোনো সরকারি নিয়ম নেই। সে একটা হাঁড়ি পাতিল বা বগিথালা বা পেদো গন্ধপাতার গাছ বা এক চোখকানা হুলো — যা কিছু হতে পারে। দুনিয়াদার নানা কৌশলে কার সঙ্গে কার যে ঘেঁষপোট করে রেখেছে তা বোঝার সাধ্যি কারও নেই। এনিয়ে অধিক উচ্চবাচ্য না করাই ভালো। কীভাবে বা কোনদিকে কেস টার্ন নেবে তা নিয়ে অনেকেই ফতোয়া দেয় এবং হেভি বেইজ্জৎ হয়ে শেষে হয় ঘাপটি মেরে দিন কাটায় বা পাড়ার লোকের কাছে গুপিবাজ বলে নাম কেনে। গুপি দেওয়া অবশ্য অন্য মেকদারের ব্যাপার। হাওড়া জেলার আমতা বলে একটা থানা আছে। এবং এই থানার আন্ডারে খিলা বরুইপুর নামে একটি ভিলেজ এখন আছে কিনা বলা যাচ্ছে না। যাই হোক, সেই গ্রামেই গোপী মোহন ও বিরাজময়ীর একটি ছেলে হয়। তখন গাম্বাট টাইপের নাম রাখার একটা কেতা চালু হয়েছিল — ছেলের নাম রাখা হল সুরেন্দ্রমোহন। এবং শিশু সুরেন্দ্রমোহন দু বছর বয়সেই মিস্টিরিয়াস কোনো অসুখে সকলকে কাঁদিয়ে টেঁসে গেল। তখন সেই শিশু মড়াটিকে নিয়ে গিয়ে প্রচলিত রিচুয়াল অনুযায়ী পুঁতে ফেলার জন্যে মাটি খোঁড়া হচ্ছে — এমন সময় শিশু মড়াটি চোখের পাতা নাড়তে থাকল এবং অচিরেই বেঁচে উঠল। গোপীমোহনের মা তখন বলেছিলেন যে এলা ছেলেকে ওষুধ না দিয়ে চরণামৃত দিতে- বাঁচলে এতেই বাঁচবে। এলা ছেলেকে এই যে ‘এলা’ (উচ্চারণ হবে অ্যালা), ‘এলা’ বলা হতে লাগল তার থেকেই শেষে সুরেন্দ্রমোহন ভায়া অ্যালামোহন লাস্টে আলামোহন হয়ে উঠলেন। ইনিই তিনি। বেঙ্গলের প্রাইড আলামোহন দাশ। এই রিয়াল লাইফ স্টোরিটি জানার পরেও ঢ্যামনা ঘুঘুর দল যদি সবজান্তার মাজাকি ত্যাগ না করে তাহলে স্পিকটি নট। প্রসিদ্ধ দাশ ব্যাঙ্কের মতো তারাও ফেল মারবে এবং বিস্তর লোককে ডোবাবে । দাশ কোম্পানী, ঘুঘু কোম্পানি, ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি — কোনো কোম্পানিই থাকবে না। অন্তত পূর্বোক্ত তিনটির মধ্যে দুটি এখনই নেই। তৃতীয়টি অর্থাৎ রক্তচক্ষু ঘুঘু কোম্পানি এখন কবে লাটে ওঠে সেটারই ওয়াস্তা।

    ভদির লেকচার একটু এখন শোনা খুবই আরামদায়ক হতে পারে।

    — গওরমেন্ট নড়ে চড়ে বসচে। বন্দুকের নলে ফুঁ দিচ্ছে। গোলাগুলি যাতে সেঁতিয়ে না যায় তার জন্য রোদ্দুরে দিচ্ছে। পাবলিককে তাতাচ্ছে। শালাদের বন্দোবস্ত আমরা ধরে ফেলেচি। অত সহজে আমাদের সাইজ করা কারও বাপের সাধ্যে কুলোবে না। তাই আমাদের এখন মতলব হয়েচে স্ট্র্যাটেজিক রিট্রিটের, গুটোতে থাকব। এইসা গুটোন গুটোব যে বারো হাত কাঁকুড় প্রায় দেখা দেয় আর কি। তারপরই শুরু হবে খোলা। পুরোদস্তুর খোলতাই। লে ধড়াদ্ধড়, লে ধড়াদ্ধড়। মাথায় ঢুকেচে?

    — হ্যাঁ প্রভু।

    — তাই সকলকেই আগড় বেঁধে থাকতে হবে। একদিকে আড়চোখে তক্কে তক্কে থাকা, অন্যদিকে গাঁড়ভোলা গোঁসাই, কদমা কাকে বলে চেনেন না। এই হল যুক্তি। বাবা পটল।

    — কর্তা!

    — গঙ্গায় যা ছাড়ার কথা ছিল ছেড়েছিস।

    — ও রোববারেই সেরে দিয়েচি। ছাড়া পেয়ে কী আনন্দ। দাঁড়া নাচাচ্ছে আর এ ওকে ধাওয়া করচে।

    — বাঃ বাঃ এই তো। অর্ডার দিলুম। কাজ ফতে। নলেন,পটলকে ভালো করে এক গেলাস টনিক বানিয়ে দে।

    টনিক খাওয়ার জন্যে পটল উঠে গেল। ভদি এমনিতে তার মিলিটারি প্ল্যানের খুঁটিনাটি বলে না কিন্তু আজ তার অন্যথা ঘটল।

    — ভেবে দেখলুম ডুবোজাহাজের খরচা অনেক। খোল বানাও। ইঞ্জিন বসাও। পেরিস্কোপ লাগাও। সব করে যে নিশ্চিত হবে সে উপায় নেই। ভাঁটায় হয়তো ছাই গাদায় সেঁটে গেল। কী করবে তুমি? কিচ্ছু করার নেই। তখনই আইডিয়াটা মাথায় খেলে গেল। অমনি বুঝলাম এ বাবা স্বয়ং বাঞ্ছারাম সরকারের মাথা ছাড়া আর কোথাও আসবে না। রেডিওর মতো। তিনি বলচেন, আমি ধরচি, তোরা শুনচিস গান কি হেঁয়ালি হচ্ছে। তা যে কথা সেই কাজ। পটলের তিন পুরুষের মাছের ব্যবসা। দেখলাম ওই পারবে। বলুলম, যা রে পটল — নেনো ভেড়িতে যে ধুমো ক্যাঁকড়া হয় তার বাচ্চা এই মণটাক এনে মা গঙ্গায় মুক্ত করে দে। এই জল তো হাই প্রোটিন — রোজ অন্তত শতখানেক মরা কুকুর বেড়াল পড়চে। বস্তা করে মানুষও ফেলে। খেয়ে দেয়ে কদিনেই ডাগর হয়ে উঠবে। ব্যাস সাবমেরিনের বাবা। যেই পুলিশ জলে পা ফেলবে অমনি ক্যাঁক!

    – আজ্ঞে প্রভু, জলে নামলে তো আমাদেরও কামড়াবে।

    – ওইখানেই তো বুদ্ধির দৌড়। ফন্দিফিকির করে ওদের জলে এনে ফেলব। কিন্তু নিজেরা বড়জোর পাড় অব্দি। তারপর সামলাও। হ্যাঁচড় প্যাঁচড় করে জল থেকে হয়তো উঠল কিন্তু বাঁচবে কী করে? বেজায়গায় হয়তো কামড়ে ঝুলচে। ধুমো ক্যাঁকোড়, অনেকটা গিয়ে কচ্ছপের টাইপের। কামড়ালো তো কামড়েই রইল। এই রকম ভাবগতিক ছিল সায়েবদের বুলডগ কুকুরের। আজকাল দেখতেই পাই না। তাছাড়া হেগো বাঙালি বুলডগ খাওয়াবার মুরোদ কোথায় পাবে। ডেলি দেড় কেজি, দুকেজি গরুর মাংস খাবে। থ্যাবড়া মুখ। দেখলেই পিলে উড়ে যাবে। বুলডগ পুষবে। তাই দেখি ভাতার, মাগ সব আজকাল শাদা শাদা শেয়ালের বাচ্চার মত কী একটা নিয়ে ঘুরছে, হাগাচ্চে। সবকটা দেখতে একরকম। বাজারের মুরগির মতো।

    বড়িলাল আড়চোখে দেখেছিল গলির থেকে ছায়াটা এগোচ্ছে। এই মোড় ঘুরল বলে। ঘুরে তো গেলই। তখনই বড়িলাল মোতা শেষ করার অ্যাক্টো করে প্যান্টের জিপ টেনে রওনা দিল। গোলাপ ও বড়িলাল ত্যারচা মুখোমুখি হল। কার কেমন ব্যাটারির জোর তা টুক করে মাপামাপিও হয়ে গেল। ছায়ায় ছায়ায় টক্করে এরকমই হয়। গোলাপ বুঝে গেল মালটা নাটা কিন্তু সাঁটিশ। বড়িলালও টের পেল যে একটু পেটের দিকে বেড়ে গেলেও খোকন একসময় ডনফন টেনেছে।

    গোলাপের ট্রেইনড চোখ। দরজার কাছে পেচ্ছাবের নদ বা হ্রদ কিছুই চোখে পড়ল না। টিনের গায়ে ধাক্কাতে নলেন দরজা খুলে দিল। ভক্ত সমাবেশে তখন অধিবেশন শেষের দোলাদুলি শুরু হয়েছে।

    — কী করচ নলেন ভায়া, দোরগোড়ায় এনিমি ওয়াটার মাইনাস করে পালাচ্ছে, কিছু করতে পারচ না?

    নলেন দৌড়ে বাইরে দেখতে গেল। অথচ দেখার মতো কিছুই নেই। একটা বেড়াল রাস্তা পেরোচ্ছে। সে নলেনকে চোখ মারল। এবং গোঁফ নাচিয়ে সেই হাসি হাসল যাকে বিশ্বকবি বলেছিলেন ‘মুচুকি’।

    — গোলাপ! আমার গোলাপবাগ, আয়রে বুকে আয়।

    ভদির সঙ্গে জড়াজড়ি করে দেখা গেল গোলাপ কানে কানে কি যেন বলছে। ভদি চেঁচিয়ে উঠল,

    — সরখেল, গোলাপ বলচে খেল জমে গেচে। জমে ক্ষীর হয়ে গেচে।

    সরখেল তড়বড় করে এগোয়।

    — বলো কী!

    এরপরই সরখেল, গোলাপ ও ভদি যারপরনাই আনন্দে টইটম্বুর হয়ে একটা ঘরে (চাকতির ঘর নয়) ঢুকে দরজা বন্ধ করে দিল এবং দরজার সামনে ক্রেমলিন গার্ডদের মতো নলেন দাঁড়িয়ে গেল। শিষ্যবর্গকে সাময়িকভাবে বিচলিত করে ঝটপটিয়ে দণ্ডবায়স এসে পড়তে নলেন দরজা একটু ফাঁক করল এবং বৃদ্ধ কাকটি ভেতরে গ্যারেজ হয়ে গেল।

    শিষ্যবর্গ তখন হাউসকোট পরা বেচামণির হাত থেকে একটি একটি করে নকুলদানা নিয়ে বিদায় নিচ্ছে। মেজর বল্লভ বক্সি নকুলদানা নেওয়ার সময়ে বেচামণিকে আগে স্যালুট করে নিল। ফাঁকা উঠোন। বেচামণির হাত থেকে নকুলদানার থালাটি পাক খেয়ে উড়ে গেল। বাতাস এসে টগরগাছে এমন বেহালার ছড় টানল যে মুহূর্তে উঠোনটি ভিয়েনার নৃত্যাঙ্গনে পাল্টাল ভোল। বেজে উঠল ব্লু দানিয়ুব। আহা কী তালে তালে ফেলে পা বেচামণি আগুপেছু করে। নলেনের চোখদুটি কাচেরই বলে ভুল হয়ে যেতে পারে। দু পা ফাঁক। হাত কোমরে। সামরিক তো বটেই, তদুপরি জালি গামছা পরা।

    গোলাপ যে টপ সিক্রেট সফল অপারেশন লোবোটমির কথা ভদি, সরখেল ও দাঁড়কাককে বলছিল তা আমরা তার মুখেও শুনতে পারি। কিন্তু রহস্যময় কোনো তৃতীয় পক্ষের বয়ানই হয়তো বা ঘটনাটির সমকক্ষ হওয়ার মতো পালোয়ান।

    সকালেই সেদিন সি. এম-এর ঘরে বঙ্গীয় বণিক সভার প্রতিনিধিবর্গের আসার কথা ছিল। বিষয় বরাবরের মতোই, হলদিয়া পেট্রোকেম এবং বিভিন্ন শিল্পে শ্রমিকদের ক্রমবর্ধমান তিতিবিরক্ত ও বেপরোয়া মনোভাব, হোসিয়ারি শিল্পে নিউ গিনি ও পাপুয়ার সঙ্গে যৌথ গবেষণা গড়ে তোলা ইত্যাদি ইত্যাদি। পাঁউরুটি ও চানাচুর শিল্পে আশ্চর্য অগ্রগতি সম্বন্ধেও আলোচনা হতে পারত কিন্তু পারল কই? আলোচনা বানচাল হয়ে গেলে কেমন এক ট্র্যাজিক সুর যেন বেজে ওঠে। আলোচনা যে কেন ভেস্তে যায় এ নিয়ে এক নিরবচ্ছিন্ন লাগাতার সেমিনার কেন যে হয় না তা নিয়ে বিলাপ করার অধিকার আছে কি?

    বঙ্গীয় বণিকসভার নেতৃবৃন্দ যে পরিকল্পনাটি করেছিলেন তা বড়ই রমণীয় বললে কমই বলা হয়। পিয়ারলেস ইন থেকে প্রাতরাশ সেরে কিছুক্ষণ আড্ডা মস্করা ও বটকেরার পর ঠিক হয় যে বিশিষ্ট শিল্পপতিরা ব্যাটারি চালিত বাসে করে রাইটার্সে যাবেন। ব্যাটারি-চালিত বাস এই বার্তাই চারদিকে রটনা করবে যে পশ্চিমবঙ্গ দূষণমুক্ত শিল্পায়নের পথে আগুয়ান — চিমনি দিয়ে বিকট কালো ধোঁয়া ছেড়ে আবহমান বাংলার শকুন, চিল ও বকবার্ডদের বারোটা বাজানো হবে না, নির্মল জলে রাসায়নিক হুলিয়া জারি করে খলসে, তেচোখা ও পুঁটিমাছদের ঝাড়েগুষ্টিতে লোপাট বন্ধ থাকবে এবং আশা করা যায় যে বিকট গন্ধময় গ্যাস ছাড়ার যে অভ্যাস বাঙালি রপ্ত করেছে তাতেও কিছুটা ভাঁটা পড়বে। ভাগ্যে ব্যাপারটা মি. বিলিমোরিয়ার মাথায় খেলেছিল এবং তিনি তা মি. সেন বরাটকে কানে কানে বলেন। মি. সেন বরাট তখন মি. ন্যাওটাকে বললেন ব্যাপারটা। ব্যাটারি-বাস রাস্তায় যে কোনো সময় কেলিয়ে পড়তে পারে। তাই নিজ নিজ মোটরযানগুলিও যেন রেডি থাকে। ধন্য মি. বিলিমোরিয়ার সন্দেহ! শিল্পপতিদের দূরদৃষ্টি যে কত জোরালো তা পুনরায় প্রমাণিত। গ্রেট ইস্টার্নের সামনে হঠাৎ ঘঁক ঘঁক শব্দ করে ব্যাটারি বাস কেলিয়ে পড়ল। প্রচুর পুলিশ মোতায়েন ছিল। পুলিশরাই দল বেঁধে রাইটার্সের দিকে মিছিল করে কাউকে ক্যালাতে চলেছে বলে কেউ ভুলও করতে পারত। অতএব মি. ন্যাওটা গিয়ে নিজস্ব কোয়ালিস, মি. বিলিমোরিয়া নিজস্ব মার্সিডিজ ও মি. সেন বরাট নিজস্ব সিয়েলোতে উঠতে বাধ্য হলেন এবং এঁদের দেখাদেখি অন্যান্য শিল্পপতিরাও নিজের নিজের টাটা সুমো, ওপেল করসা, ভলভো, মারুতি সুপ্রিম, অ্যাম্বাসাডর ইত্যাদিতে উঠে পড়লেন। গাড়ি ও পুলিশের শোভাযাত্রা এগিয়ে গেল এবং দূষণমুক্ত ব্যাটারি বাস পড়ে থাকল। দু পাশেই উৎসাহী লোকেরা এসব দেখছিল ও মুখ খারাপ করছিল।

    — কী রে, চড়বি ব্যাটারি বাসে?

    — বাল চড়বে। শালা চলেই না। ধ্বজামাল।

    — দাদা, কটা ব্যাটারি লাগে?

    — আপনার মতোই দুটো।

    — দিল তো, ট্র্যাফিকের গাঁড়টা মেরে। এমনিতেই বলে জাম্প লেগে আছে।

    — পুরো বোকচোদ কেস। পোঁদে নেই ইন্দি, ব্যাটারি মারাচ্ছে।

    — ফাকিং শিট! হোয়াট ফাকিং মেস ইয়ার!

    পাবলিক এসব বলবেই। বলুক। চলৎশক্তিহীন ব্যাটারি বাসের কাছে ক্যালানের মতো দাঁড়িয়ে এইসব অসাধু মন্তব্য শুনে গেলে আমাদের চলবে না। মড়া যাদের ঘাড়ে তারা এগিয়ে যাবেই। যেমন আমরা।

    সি. এম-এর আগেই কমরেড আচার্যকে বলেছিলেন যে আলোচনায় তিনিও যেন থাকেন। কিন্তু কমরেড আচার্য গাঁইগুঁই করছিলেন।

    — ও স্যর, ক্লাস এনিমিদের সঙ্গে কেন আমায় ডাকেন আপনি। ওই সব ন্যাওটা ফ্যাওটা … জানেনই তো। আমার অলমোস্ট অ্যালার্জিক রি-অ্যাকশন হয়।

    — থামবে? ন্যাওটা কি গলদা চিংড়ি না ডিম যে তোমার অ্যালার্জি হবে। সব ব্যাপারে তোমার ওই অর্থোডক্সি। এই করেই গেলে। কাল তুমি আলোচনায় থাকবে। আমার তোমাকে দরকার।

    — ওবেলা তো আপনার সঙ্গে দেখা হবে। তখনই ফাইনাল করা যাবে।

    — ওবেলা তোমার সঙ্গে আমি দেখা করব মানে? সে আবার কী?

    — আহা, ও বেলা তো আপনি নাট্যোৎসব ইনগুরেট করছেন।

    — হোয়াট!

    — নাট্যোৎসব। ড্রামা ফেস্টিভাল।

    — ও হ্যাঁ, কিছুই মনে থাকে না আজকাল। নাটক-ফাটক কেন যে এসব ননসেন্স ব্যাপারে আমাকে জড়াও।

    — তা বললে কী করে হয়।

    — দ্যাখো। তোমাদের ওই এখনকার ওসব দেখলে গা জ্বলে যায়। যে সব পারফরমেন্স দেখেছি … ওফ। গিলগুডের হ্যামলেট। বুঝলে? তারপর গিয়ে অলিভিয়ার। এরপর ওই স্টুপিডিটি — ইনটলারবেল। আমি যাব। ফিতে কাটব। ব্যাস …

    — আজ্ঞে ফিতে কাটা নয়, প্রদীপ জ্বালাবেন।

    — ওই হল, অল দা সেম। তারপরেই আমি আর নেই। নট পসিবল।

    দমাস করে রিসিভারটা রেখে দিলেন সি. এম। কমরেড আচার্যও বুঝলেন যে কোনোভাবেই আগামী কালের মিটিংটায় গরহাজির থাকা চলবে না। কোথায় পরিত্রাণ? কমরেড আচার্য দেওয়ালে কমরেড লেনিনের দিকে তাকালেন। লেনিনের ছবির পেছন থেকে ছোট সাইজের একটি টিকটিকি দেয়াল বেয়ে দৌড়তে থাকল এবং জায়েন্ট টিকিটিকি তাকে তাড়া করতে লাগল। কমরেড আচার্য স্বগতোক্তি করলেন,

    — ডিসকভারি চ্যানেল। একেবারে ডিসকভারি চ্যানেল? মার্ভেলাস।

    রাইটার্সের তলায় যে কনস্টেবলরা থাকে তার মধ্যে একমাত্র নক্ষত্রনাথ হাওলাদারই লক্ষ করেছিল যে , ফুলের তোড়া হাতে যে শিল্পপতিরা বিচক্ষণ ও ভারালো পদক্ষেপে এগিয়ে আসছে তাদের চোখ স্বাভাবিক নয়। প্রত্যেকেরই দুটি করে চোখ যা দেখছে তা দেখছে না, যা দেখা যায় না বা যাবে না সেদিকেই নিবদ্ধ। হাওলাদার তৎক্ষণাৎ এই সিদ্ধান্তে পোঁছে গেল যে দিনের আলো ফুটল কি না ফুটল অমনি শুরু হল চুক চুক বিজনেস। হাওলাদারের সঙ্গে অধিকাংশ ঐতিহাসিকরাই একমত নন। তাঁদের মতে সেইদিন সকালে বাংলার শীর্ষস্থানীয় শিল্পপতিরা যে যে লিকুইড খেয়েছিলেন তার মধ্যে ছিল ত্রিফলা ডোবানো জল, চা, কফি, হরলিক্স, নিম্বু-পানি ও অ্যাপল জুস। ঐতিহাসিকরা হয়তো ঠিক কিন্তু আমাদের বিকৃত সহানুভূতি বারবার হাওলাদারের দিকেই হেলে পড়ছে। বাঙালির সত্যানুসন্ধান এইভাবে ইতিহাসেও বারবার কার্ণিক খেয়ে গোঁত্তা মেরেছে। সবকিছু আমাদের হাতে নয়।

    সি. এম-এর ঘরে সি. এম তো থাকবেনই, এছাড়া ছিলেন তাঁর ব্যক্তিগত সচিব, কমরেড আচার্য, অর্থমন্ত্রী, শ্রমিক দপ্তরের মন্ত্রী এবং মৎস ও মুরগির মন্ত্রী যাঁর সঙ্গে কমরেড আচার্যের সম্পর্ক মোটে ই সাবলীল নয়। আই. জি আউট অফ স্টেশন। অ্যান্টি টেররিস্ট ব্যবস্থা স্টাডি করার জন্যে স্কটল্যান্ড ইয়ার্ডে। অতএব সি. এম আই. জি-র পরের অফিসারদের বাইপাস করে ‘নগরপাল জোয়ারদারকে ডাকা করিয়ে নিয়েছেন। জোয়ারদারের মাথায় হেলমেট কারণ তা না হলে বিচ্ছিন্ন মাথাটি বৃন্তচ্যুত বাতাবি লেবুর মতো ধপ করে পড়ে ভীতিজনক বাতাবরণের সৃষ্টি করতেই পারে।

    মি. বিলিমোরিয়া লাল গোলাপের তোড়া আলতো করে সি. এম-কে এগিয়ে দিলেন কারণ তলায় মোড়া রাংতা ফুঁড়ে কাঁটা বেরোচ্ছিল। জীবনে বহু গোলাপের তোড়া নিয়েছেন সি. এম। নিতে হবে ভাবলেই গা জ্বলে যায়, কিন্তু উপায় নেই। সেই হাসি তাঁর মুখে যা অতীতে কখনও হাসা আরম্ভ হয়েছিল এবং মাঝে মাঝে ফিরে আসে। এবারে তোড়া-দান সারলেন মি. ন্যাওটা। তারপর সেন বরাট। পরপর সবাই তোড়া ধরবেন বলেই প্ল্যান ছিল কিন্তু পেছন থেকে জুট ব্যারন মি. ঢোলোকিয়ার বাজখাঁই কন্ঠ ফেটে পড়ল,

    — ওসব ফুল খেলা করিবার দিন আজ নয়, কবুল করুন যে মিলিট্যান্ট ওয়ার্কারদের উপর দমদম বুলেট ফায়ারিং হোবে — দনাদ্দন, দনাদ্দন একটা লাশ পড়ল — ধপ — আউর ভি এক ধড়াস — লাশ — ফায়ারিং — দনাদ্দন — দনাদ্দন …

    সি. এম বিস্মিত এবং হতবাক। জোয়ারদারের মুখ ফ্যাকাশে। কমরেড আচার্য গজরে উঠলেন,

    — নো পাসারান, শান্তিপূর্ণ শ্রমিক আন্দোলনের ওপরে ফায়ারিং, এবং সেটাও দমদম বুলেট দিয়ে, আপনি কোথায় কাদের সঙ্গে কথা বলছেন জানেন মি. ঢোলেকিয়া?

    মি. ঢোলেকিয়ার মুখে স্বর্গীয় হাসি। র সিল্কের সাফারি সুটটিও যেন হাসির রঙে মাতোয়ারা।

    — প্রপার্টি কি সমঝেন? প্রপার্টি হইলো থেফট। লেবর পাওয়ার হইল একটি পণ্য। ইহা মজুরীভোগী শ্রমিক ক্যাপিটালকে বিক্রয় করে। কেন করে? বাঁচিবার জন্য। তাহাকে আপনারা কতদিন বঞ্চিত করিবেন, কতদিন দাবাইবেন? জালিমশাহী নেহি চলেগা …

    সমস্বরে অন্য পুঁজিপতিরাও হুঙ্কার ছাড়িলেন,

    — নেহি চলেগা। নেহি চলেগা।

    — তানাশাহী নেহি চলেগা!

    — নেহি চলেগা। নেহি চলেগা।

    অর্থমন্ত্রী উচ্চশিক্ষিত। মান্য ভাষা বাদে কিছুই তাঁর মুখে আসে না। সেই তিনিই বলিয়া ফেলিলেন,

    — লে হালুয়া!

    সি. এম বলেছিলেন,

    — এসব জিনিস কী হচ্ছে আমি তো কিছুই বুঝতে পারছি না।

    কমরেড আচার্য উসকোখুসকো চুল ঠিকঠাক করতে করতে বললেন,

    — ভেরি ষ্ট্রেঞ্জ! উইয়ার্ড! বিজার!

    মি. বিলিমারিয়া সোবার কন্ঠে বলিলেন,

    – অহ, মি. ঢোলোকিয়া, যা বলতে চান লজিক্যালি বলুন, শান্তভাবে বলুন, ভুলবেন না যে উই হ্যাভ গ্রেভ সোশাল রেসপনসিবিলিটি।

    মি. ঢোলোকিয়া আড়চোখে মি.বিলিমোরিয়াকে দেখতে দেখতে হিস হিস করে উঠলেন।

    – ব্লাডি ক্যাপিটালিস্ট পিগ!

    সি.এম প্রায় বাধ্য হয়ে বলে উঠেছিলেন

    — আহ, মি. বিলিমোরিয়া, আলোচনা এগোক।

    বিলিমোরিয়া ইন্ডাস্ট্রিয়াল মহলে টি-ম্যাগনেট বলে সর্বজনবিদিত।

    — দার্জিলিং অ্যান্ড সারাউন্ডিং থেকে যে রিপোর্ট আমি ডেলি পাচ্ছি স্যর তা খুবই অ্যালারমিং। ওয়ার্কাররা ইমপোর্ডেড সব মেশিন, যেমন ধরুন ড্রাইং মেশিন সব ড্যামেজ করছে। ম্যানেজারদের কোনো ভয়েস নেই। প্রোডাকশন লেভেলে এত বেশি ডিসরাপশন নিয়ে কোন সাহসে আমরা বিগ এক্সপোর্ট অর্ডারগুলো অ্যাকসেপ্ট করব বলতে পারেন?

    মৎস্য ও মুরগির দপ্তরের মন্ত্রীটির বয়স কম। ফড় ফড় করে বলে ওঠেন —

    — রাশিয়ানরা এখনও আপনাদের চা কিনছে? কাউন্টার রেভলিউশনের পর?

    — কিনছে কিছু কিছু তবে আগের মতো নয়।

    সি. এম ছোকরা মন্ত্রীটির ওস্তাদি মোটেই রেলিশ করেননি।

    — রাশিয়ানরা চা খেল কি না খেল উই কেয়ার আ ফিগ। ইরেলেভেনট কথা কেন যে বলো? মি. বিলিমোরিয়া, আপনি বলে যান…

    – বলছি স্যার, কিন্তু তার আগে আপনার ফিশ অ্যান চিকেন মিনিস্টারকে একটু এডুকেট করা দরকার। খুব তো রাশিয়ায় কাউন্টার রেভলিউশন মারাচ্ছো। রাশিয়ান রেভলিউশনারি স্ট্রাগেলের হিস্ট্রি জানো?

    — জানি বলেই তো শুনতে পাই।

    — একটি থাবড়া মারব টি-ব্যাগের মধ্যে ঢুকে যাবে। ক্যাপিটালিজমের ডেঞ্জার ইন রাশিয়া কে প্রথম বুঝেছিল বলতে পারবে?

    — লেনিন।

    — ১৮৭৪ সালে লেনিন? চার বছরের বাচ্চা ছেলে। এই ডেঞ্জারটাকে হেরজেন বা বাকুনিন তেমন আমল দেয়নি। প্রথম এটা বুঝেছিল ৎকাচেভ — নাম জানো? জানো না। তাঁর চটজলদি বিপ্লবের আহ্বান নিয়ে এঙ্গেলস-এর সঙ্গে ডিবেট পড়েছ? ওই ৎকাচেভ-এর সঙ্গে প্লেখানভকেও তর্কযুদ্ধে নামতে হয়েছিল। কিন্তু যার যা ডিউ তাকে তো সেটা দিতে হবেই। দ্যাখো ছোকরা, ইতিহাস কিন্তু একটাই এবং সেটাই সত্যি। পড়ো, পড়ো, সব পড়ো। হাবভাব দেখে তো চ্যাংড়া ফক্কড় ছাড়া আর কিছুই মনে হয় না। যাইহোক, স্যার ফরোয়ার্ড মার্কেটস কমিশন যে ফিউচার্স ট্রেডিং করবে ভাবছে সে বিষয়ে … কয়েকজন শিল্পপতি চেঁচিয়ে উঠলেন,

    — কমরেড ট্রটস্কি লাল সেলাম। লং লিভ দা রেড আর্মি।

    — মাং রহা হায় হিন্দুস্তান।

    — লাল কিল্লা পর লাল নিশান।

    মি. ন্যাওটা হঠাৎ বিকট চেঁচিয়ে গান ধরলেন,

    — কালি কালি আঁখে

    গোরে গোরে গাল …

    সি. এম চেঁচিয়ে উঠলেন,

    — রোগস! স্টপ ইট। স্টপ! ফোর্স বুলাও।

    জোয়ারদার, স্টুপিডের মতো দাঁড়িয়ে কী দেখছ? ফোর্স ডাকো। নিয়ে যাক এগুলোকে।

    তখন সেন-বরাট ভরাট গলায় চেঁচাচ্ছেন,

    — দুনিয়ার পুঁজিপতি এক হও!

    — এক হও! এক হও!

    — শিল্পে সরকারি খবরদারি চলবে না!

    — চলবে না! চলবে না!

    — পুঁজিপতিদের কালো হাত!

    — ভেঙে দাও! গুঁড়িয়ে দাও!

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleলুব্ধক – নবারুণ ভট্টাচার্য
    Next Article মরণজয়ী – নসীম হিজাযী

    Related Articles

    নবারুণ ভট্টাচার্য

    জার্নালিস্টের জার্নাল – নিমাই ভট্টাচার্য

    September 4, 2025
    নবারুণ ভট্টাচার্য

    লুব্ধক – নবারুণ ভট্টাচার্য

    September 1, 2025
    নবারুণ ভট্টাচার্য

    হারবার্ট – নবারুণ ভট্টাচার্য

    September 1, 2025
    নবারুণ ভট্টাচার্য

    এই মৃত্যু উপত্যকা আমার দেশ না – নবারুণ ভট্টাচার্য

    September 1, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }