Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কাঙাল মালসাট – নবারুণ ভট্টাচার্য

    নবারুণ ভট্টাচার্য এক পাতা গল্প276 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কাঙাল মালসাট – ২

    ২

    প্রথম পর্বের মিলেনিয়াম অন্তে চারটি প্রশ্ন উঠেছিল। নেমে গেছে। অথবা সাফ সাফ জানিয়ে দেওয়াই হল মুরুব্বির কাজ- ওসব জবাব-ফবাব এখন হবে না। এখানে কেউ ইস্কুলের পরীক্ষা দিচ্ছে না যেখানে পরীক্ষার খাতার ওপরে টুকলিবাজদের জন্যে লেখাই থাকত, ‘মনে রাখিবে যে নিজে চেষ্টা করে ঈশ্বর তাহার সহায় হন’। তবে পাঠান ও মোগল সম্বন্ধে যাদের অনুসন্ধিৎসা প্রবল তাদের শ্রী বিমলাচরণ দেব সেই কবেই জানিয়ে রেখেছেন, ‘হুজ্জুত-এ-বাঙ্গালা, হিকমৎ-এ-চীন’ এর অর্থ- … ‘যদি হাঙ্গাম হুজ্জুতের কথা বল, তাহা হইলে বাংলাকে হারানো শক্ত, যদি শিল্পীর শিল্পচাতুর্যের কথা বল, তাহা হইলে চীনে কারিগরকে হারানো শক্ত’। আজ যে রাজ্য বনাম কেন্দ্রের লড়াই আমরা স্বচক্ষে দেখি তা সি.পি.এম. শুরু করেছে বলে অনেকেই মান্য করে। বাংলার রাজারা বরাবরই ডাকাবুকো টাইপের ছিল। মোগল-পাঠানদের হুকুমদারি মানত না। ‘একটা হাঙ্গাম ভালো করিয়া থামিতে না থামিতে আবার একটা হাঙ্গাম আরম্ভ হইত,’ বাংলার এ এক মহান ঐতিহ্য। ১৯৯৯-এর শেষ দিকটায় সেই একই কেলো। ম্যালিগন্যান্ট ম্যালেরিয়া ও চলচ্চিত্র উৎসবের রণবাদ্য শেষ হতে না হতে বাস চাপা ও বাস জ্বালানোর দামামা বেজে উঠল। ফাঁকফোকরে কিছু কিডন্যাপ, কবিতা উৎসব, মার্ডার আর তহবিল তছরুপের টুকটাক প্রোগ্রাম। এইসব থিতোতে না থিতোতে বিশ্ব বঙ্গ সম্মেলনের বিউগল ও ব্যাগপাইপ। বাজারে কানাঘুষো নতুন ইংরেজি বছর অবিরাম কেক-ভক্ষণ প্রতিযোগিতা দিয়ে শুরু হলেও আচমকা নাকি অন্যদিকে মোড় নেবে। তাই বুঝি কেমন একটা গা-ছমছমে, কী হয়- কী হয় ভাব। এই স্টেজে খোঁচাখুঁচি না করাই বুদ্ধির কাজ।

    বড়িলাল বরাবরই ছোট সাইজের কিন্তু তাকে ঠিক বেঁটে মানুষ বলা যাবে না। হালদারপাড়ায় তার ছোট একটা দোকান আছে যেখানে রঙিন চক, নানা রঙের মার্বেল কাগজ, রাংতা, উপহারের প্যাকেট বাঁধার জরিদার ফিতে, পেন্সিল, নানা আকৃতির গন্ধওয়ালা ইরেজার, স্কেল, খুবই হালকা ও নানা রঙের প্লাস্টিকের বল, প্লাস্টিকের শাটল কক, কাগজের বাক্সে জালি বার্বি পুতুল, খোঁচা-ওঠা টিনের এরোপ্লেন, সেলফোন-সদৃশ পেন্সিল বাক্স, ক্রিকেট প্লেয়ারদের স্টিকার, মিনি ক্রিকেট ব্যাট, লুডো, প্লাস্টিকের ডাইনোসর সেট ‘জুরাসিক পার্ক’, সাবমেশিন গান, পিস্তল, পিচকিরি, একই বাক্সে রান্নাবাড়ি সেট, ঐ ডাক্তারি, টিকটিকি, তেঁতুল বিছে- এইসব ও আরো কত কী পাওয়া যায়। পুরো ঝাড় না হলেও দোকান খুব ভালো চলে না। বড়িলাল যা হয় তাতেই খুশি থাকে। ‘বর্তমান’ কেনে ও আদ্যোপান্ত পড়ে। বড়িলাল জানে যে লজেন্স, বাদাম-বিস্কুট, টফি, চকোলেট রাখলে বিক্রি বাড়বে। এ-বুদ্ধিটা অনেকেই তাকে দিয়েছে।

    – রক্ষে করো বাবা! তারপর যকোন পিমড়ে-আঁশোলায় ছেঁকে ধরবে তকোন! এমনিতে তো গ্যাদাখানেক টিকটিকি চারদিকে হেগে ছয়লাপ করচে।

    – তা সবাই যা করে তেমন মুখ বন্ধ বয়ামে রাখবে। মালকে মালও থাকল পোকামাকড়ও ঢুকলো না।

    – ও তুমি চেনো না। ঠিক ফিকির করবে। শালারা খুব হারামি। আমার খুব ভালো আইডিয়া আছে।

    – তোমার যত ফালতু ভয়! লোকে যেন করচে না।

    – করবে না কেন? করচে। তেমন মরচে। ডাঁস, আঁশোলা, তারপর তোমার গিয়ে মাকড়সা, উইপোকা। এদের চেনো না। কেউ আড়ালে-আবডালে বই, কাপড় সব খাচ্ছে, টুঁ শব্দটা হচ্ছে না। কেউ-বা আবার চেটে দিল তো হয় ঘা নয় চুল উঠবে না।

    মোটের ওপর বড়িলাল যে থিওরিতে দোকান চালায় তাকে স্মল ইজ বিউটিফুল হয়তো বা বলাই যায়। বড়িলাল বিয়ে করেনি। চেতলায় বাপের ভাগের একঘরে থাকে। হোটেলে খায়। কোনো ঝক্কি নেই। তবে ঘরে বজরংবলি হনুমানের ফটো আছে। সেখানে নকুলদানা, জল দেয়। ছোটবেলায় থানায় কনস্টেবলদের কুস্তি দেখে ঠিক করেছিল, কুস্তিগির হবে। তারকদার আখড়াতেও গিয়েছিল কয়েকদিন। আখড়ার দেওয়ালে গোবর গুহ, বড় গামা, ছোট গামা, জিবিস্কো ও স্যান্ডোর ছবি ছিল। দড়িতে সার দিয়ে মরা বাদুড়ের মতো ল্যাঙট ঝুলছে। হুপ-হাপ শব্দ। তারকদার রোগা প্যাঁটকা এক চেলার মিডিয়াম একটা রদ্দা খেয়ে বড়িলালের ঘাড় বেঁকে গিয়েছিল। কুস্তিগির না হয়ে শেষে দোকানদার। তবে হনুমানজীকে ছাড়েনি। তার অন্য কারণও আছে। হনুমানজী বাদে অন্য কোনো ঠাকুরের ভূত তাড়াবার ক্ষমতা নেই। বরং ভূতেরা এমনই খচ্চর যে যার যে ঠাকুর হয়তো সেই চেহারা নিয়েই হাজির হল। তুমি তো আহ্লাদের কাঁকুইদানা হয়ে ভাবছ যে, এমন ডাকা ডেকেছি যে ইষ্টদেবতা বাধ্য হয়েছেন দর্শন দিতে। ভূতেরা এইসব রগড় করে। উল্টোপড়িয়ে সব লন্ডভন্ড করে পালায়। তাছাড়া কিছু ঢ্যামনা লোকও আছে যারা ভূত পোষে। যার ওপর রাগ তাকে ভূত দিয়ে সাইজ করায়। অবশ্য এসবই বড়িলালের শোনা কথা। শোনা কথা যে সহসা সত্যি হয়ে যেতে পারে সেটা বড়িলাল জানত না। আমরাও। অজানাকে জেনে জেনেই আমাদের এগোতে হবে। পাঠক্ষেত্রটিও আখড়াবিশেষ। সেখানে নিয়তই পাছড়াপাছড়ি চলেছে। গাপ হয়ে রয়েছে বলে সবসময় বোধগম্য হয় না। যাই হোক, পোকামাকড় ও ভূত সম্বন্ধে সদাসতর্ক বড়িলালের মধ্যে কিন্তু কোনো মজ্জাগত গর্ভচেটবৃত্তি ছিল না। এই প্রথমে নির্বাক ও পরে সবাক শতকের হাফটাইমের বেশ কিছু আগে জন্মালেও বড়িলাল চাকর, খানসামা বা খিদমদগারের মনোভাব নিয়ে কোথা মনিব, কোথা মনিব বলে কেঁদে বেড়াত না। বরং হয়তো বড় পালোয়ান হয়ে একমনি লোহার মাদুলি পরে গঙ্গাতীরে প্রাতঃভ্রমণ করত বা পাড়ার গবা-ঘন্টে-পল্ট নদের একজোট করে শক্তিমন্ত্রে দীক্ষিত করত। জন্মের টাইমের হেরফেরে নানা হেরাফেরি হয়। এই কথা যে কত অকাট্য সত্য তা পরে জানা যাবে।

    ২৪ অক্টোবর, রবিবার, ১৯৯৯ সকালে বড়িলাল দেখল তার সামনে তিনটি সম্ভাবনা। সে সিনেমা দেখতে যেতে পারে। বেলঘরিয়াতে তার একমাত্র বোন করবী-র শ্বশুরবাড়িতে যেতে পারে। অথবা কিছুটা আত্মনির্ভর হওয়ার জন্য ক্যাওড়াতলায় গিয়ে মানবাকৃতির জারিজুরি ফাঁক স্টাডি করতে পারে। কোনো গোপন কারণে বড়িলাল দেখল, ক্যাওড়াতলাই তাকে টানছে। বড়িলাল সেই টানে বডি ছেড়ে দিল।

    ক্যাওড়াতলা শ্মশানে কোনো গাইডেড ট্যুরের ব্যবস্থা নেই। ‘এবারে পুজোয় ক্যাওড়াতলায় চলুন’ বা ‘চলুন, সবান্ধবে ক্যাওড়াতলা ঘুরে আসি’ বলে কোনো ট্রাভেল এজেন্সি বিজ্ঞাপনও দেয় বলে জানা নেই। কিন্তু বড়িলাল দেখেছে যে, অদৃশ্য কোনো গাইড জীবন্ত দর্শকদের প্রথমেই অবধারিত ভাবে শ্মশানের সেই অংশে নিয়ে যায় যেখানে বিদ্যুৎচুল্লি বডির সাইজ ও ওজন অনুযায়ী হাঁ ও কপাৎ, হাঁ ও কপাৎ করে চলেছে। অবশ্য বিগড়ে না গেলে। এবং কখনোই সব চুল্লি একসঙ্গে চালু এরকম অলৌকিক দৃশ্য কেউ দেখেনি। অন্যদিকে মড়ার কোনো কমতি নেই। এক এক সময় এমন লাইন পড়ে যায় যে, ক্যাওড়াতলায় হাউসফুল দেখে মড়ারা শিরিটি বা গড়িয়ায় বোড়ালে গিয়ে অবয়বমুক্ত হয়। দর্শকরা বিদ্যুৎচুল্লি দেখেই শ্মশান দেখার তৃপ্তি ও মানব-জীবনের অকিঞ্চিৎকর তাৎপর্য সম্বন্ধে অবহিত হয়ে দৃপ্ত পদক্ষেপে খাবারদাবারের দোকানের দিকে এগিয়ে যায়। অথচ আগে লোকে মরলে কাঠেই পুড়ত। বিদ্যুৎচুল্লি তো সেদিনের ব্যাপার। এখন অবশ্য মাইক্রোওয়েভ ওভেন নামে ঐ চুল্লিরই একটি মিনি সংস্করণ সম্পন্ন গৃহে গৃহে জায়গা করে নিয়েছে। অবশ্য এই চুল্লি ছাইভস্ম তৈরি করে না, রোস্ট, তন্দুর, গ্রিল, বেক ইত্যাদি করে। এবং সচরাচর মানুষকে নয়। বড়িলাল কখনোই ঐ অদৃশ্য গাইডের ইঙ্গিতে সম্মোহিত হয়ে পড়ে না। সে চেতলা ব্রিজ দিয়ে নেমে রাস্তা পার হয় এবং উল্টোদিকের পানের দোকান থেকে বিড়ি কিনে দড়ি থেকে ধরায় ও ফের রাস্তা পেরিয়ে কাঠের চুল্লির অঙ্গনের দিকে অগ্রসর হয়।

    আজ সে অঙ্গনে নজর করে দেখল, ভোররাতে কেউ কাঠে পুড়িয়েছে কারণ ব্যাপক ভস্মের মধ্যে কয়েকটি পোড়া কাঠ থেকে ধোঁয়া বেরিয়ে সেই প্রসিদ্ধ ভারতীয় দড়ির খেলা দেখাচ্ছে এবং পাশেই এত পুরনো, কালো ও অংশত ভেজা একটি ফাটা তোষক পড়ে যে কেউ আর নিয়ে ঝামেলা বাড়ায়নি। সাইড দিয়ে অঙ্গনটি অতিক্রম করে বড়িলাল শ্মশানপ্রান্তের গেট দিয়ে ঢুকে ঘাটের আগেই বাঁদিকে ঢুকল। ইতস্তত জল জমে আছে। গুমোট গন্ধ। দুটি কুকুর আপসে কামড়াকামড়ি করছে। ডানদিকে তাকাতেই,

    স্মরণীয়

    স্যার আশুতোষ মুখোপাধ্যায়

    জন্ম মৃত্যু

    ১৭ই আষাঢ় ১০ই জ্যৈষ্ঠ

    ১২৭১ সন ১৩৩১ সন।

    হায়, রয়াল বেঙ্গল টাইগার। হায়, কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয়। হায়, কলকাতা কর্পোরেশন। কী হাল সমাধিমন্দিরের। নোংরা, রংচটা, ফাটল-ধরা, পক্ষীপুরীষে চিত্রিত। ওপরে একটি ধেড়ে বটগাছ। তারই একটি ছানা তলায় গজিয়েছে এবং লোকচক্ষুর অন্তরালে বট কোম্পানির অমোঘ বিধ্বংসী শেকড় গুঁড়ি মেরে মেরে এগোচ্ছে। হায় বাংলার বাঘ যিনি সন্দেশের মাংস খেতে বড়ই ভালোবাসতেন। হালুম!

    অবশ্য আশুতোষকে আর বাংলার বাঘ বলা ঠিক নয়। কারণ নিত্যযাত্রীরা অবশ্যই অবহিত যে, ল্যান্সডাউন-পদ্মপুকুর সংযোগস্থলে দুটি বাম্বুতে লাগানো বোর্ডে দীর্ঘ, দীর্ঘ দিন লেখা ছিল,

    বাংলার বাঘ

    সোমেন মিত্র

    জিন্দাবাদ।

    এখন লিখন অন্যরূপ-

    সোনার বাংলার

    সোনার ছেলে

    সোমেন মিত্র জিন্দাবাদ।

    এরই নাম ম্যাজিক। এই ছিল বাঘ। সাট করে সোনার ছেলে হয়ে গেল। আজ যিনি শার্দূল কাল তিনিই গৌরাঙ্গ। বোঝাই যায় যে, কংগ্রেসিদের মাথার জায়গায় যে লক্ষ্মীর ভাঁড় ছিল সেখানে মা ভবানী গেঁড়ে বসেছেন।

    মরুক গে যাক। স্যার আশুতোষের উল্টোদিকে মুখোমুখি রাজেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়। এনার কেসও গোলমেলে। পাতাখোর ভ্যান্ডালরা বেদি ফাটিয়ে শেকল ঝেড়ে দিয়েছে। খুব যদি ভুল না হয় তা হলে এঁর সম্বন্ধেই শ্রী সুবলচন্দ্র মিত্র লিখেছিলেন, ‘শ্বেতাঙ্গ বণিক সম্প্রদায়ের মধ্যে ইঁহার ন্যায় মর্যাদা ও প্রতিপত্তি কোনো বাঙালীরই নাই।’। শ্বেতাঙ্গ তো দূরের কথা, লর্ড লেডিদের বাদ দেওয়াই ভালো, কৃষ্ণাঙ্গ নেটিভ লুম্পেনরা অবধি এখন তাঁকে পাত্তা দেয় না। এঁর মাথায় একটি ঘোড়ানিম।

    বড়িলালের আরো বাঁদিকে ঘোরার পরিকল্পনা বাতিল করতে হল কারণ বমি, শ্যাওলা, গু ইত্যাদির সংগ্রহ পেরোতে হবে। উপচে পড়া ঐ সমাহারের দিক থেকেই একটা বাতাসের ঝলক আসাতে বড়িলাল ওখান থেকে কেটে পড়াই যুক্তিসঙ্গত মনে করল। বড়িলাল জানে, এখন কী করতে হবে। ডানদিকে গেট তালাবন্ধ। তারা মার মন্দিরে চাবি থাকত। ডুপ্লিকেট শ্মশানের অফিসে। কিন্তু ক্যাওড়াদের ভয়ে এখানে আর চাবিই রাখা হয় না। অতএব ঘাটের পাশ দিয়ে ওপরে উঠে বড়িলালকে ব্যাঁকাত্যাড়া রেলিং টপকাতে হবে। পথের দাবি মেটানো বড়ই দুরূহ।

    ঘাটের দুধারে বসার রোয়াক। বাঁ-দিকটাতে তিনজন বসেছিল। একজন ঢ্যাঙা, একজন বেঁটে-মোটা আর তিননম্বরকে দেখলেই বোঝা যায় পাগলাখ্যাঁচা। উল্টোদিকে লুঙ্গি আর হলদে স্যান্ডো গেঞ্জি পরা একটা তাগড়াই মাল চোখ বন্ধ করে বিড়ি টানছিল। বোঝাই যায় যে, লোকটা এলিতেলি নয়। ‘আমাকে ঘাঁটিও না, আমিও ঘাঁটাব না’ ধাঁচের। বড়িলাল ডানদিকে ওপরে উঠে গেল। গঙ্গায় জল বাড়ছে। এবারে টপকাতে হবে। কুঁচকিতে খিঁচ না লেগে গেলেই হল।

    এই ফাঁকে বলে নেওয়া যাক যে, বাঁ-দিকের তিনজন হল ফ্যাতাড়ু যারা গোপন একটি মন্ত্রের বলে উড়তে পারে এবং নানা ধরনের অনুষ্ঠান বা সুখের সংসারে ব্যাগড়া দিয়ে থাকে। ফ্যাতাড়ু আরো অনেক আছে। কিন্তু আপাতত এই তিনজনকে চিনলেই কাফি। ঢ্যাঙা মালটা হল মদন। ওর ফলস দাঁত পকেটে থাকে। বেঁটে-কালো-মোটাটা হল ডি. এস। ঐ নামে একটি হুইস্কি আছে – ডিরেক্টরস স্পেশাল। ওর তোবড়ানো-মচকানো ব্রিফকেসের দু-পাশে নাম ও পদবীর আদ্যাক্ষর সাঁটা আছে যদিও পড়া কঠিন। তিন নম্বর স্যাম্পেলটা হল কবি পুরন্দর ভাট। এরা মোটের ওপরে আমোদগেঁড়ে। পুরন্দর বলে উঠল,

    কত না ফুলের তোড়া
    কত ফটো তোলাতুলি
    ভাঙিলে লাগে না জোড়া
    কত বৃথা কোলাকুলি।
    জয় গঙ্গা, জয় রাম
    কবি পুরন্দর দ্যাখে
    মড়া আসে অবিরাম।
    টুটিছে কত না জোড়া
    ফুটিছে কত না শাঁখা
    বড়বাবু ও বেয়ারা
    দেখি পাশাপাশি রাখা।
    মড়া আসে অবিরাম
    কবি পুরন্দর বলে
    জয় গঙ্গা, জয় রাম।

    এই এলিজি গোছের কবিতাটি শুনে ডি. এস ঘাবড়ে গিয়ে খিঁচিয়ে উঠল,

    -একটু ঝিমুনি ধরব-ধরব করছিল! কিছুর মধ্যে কিছু নেই — মড়ার কেত্তন শুরু করল।

    – তা শ্মশানে মড়ার কেত্তন হবে না তো কি বিয়ের পদ্য লেখা হবে? যেমন তুমি তেমন তোমার আক্কেল।

    মদনের ঝাড় খেয়ে ডি. এস. একটু চুপসে গেল।

    – না, সে কারণে বলিনি।

    – তো কী কারণে বলেছ?

    – পুরন্দরের কবিতায় একটা বি. জে. পি. লাইন চলে আসছে, তাই বললাম।

    এতক্ষণ পুরন্দর কিছু বলেনি। সে ‘যাঃ বাঁড়া’, বলে স্বগতোক্তি করে একটা বিড়ি ধরাল। বিড়ির প্যাকেটের খচর-মচর শুনে ডি. এস. বলল,

    – বেঙ্গল বিড়ি! দেখি একটা ছাড়ো তো!

    উল্টোদিকে হলদে স্যান্ডো গেঞ্জি একধারে হেলে প্রবল নাদে এক বাতকর্ম করে উঠে চলে গেল।

    – বুড়ীমা-র চকোলেট বোম!

    মদন ফের খ্যাঁক করে উঠল,

    – সবকিছু নিয়ে কিছু বলতেই হবে।

    পুরন্দর এই তালে ঝাল মিটিয়ে নিল।

    – মদনদা, ডি. এস.-এর কিন্তু কোনো দোষ নেই। ওরকম হবেই।

    – মানে?

    – হাফছুটির বারবেলায় পয়দা হলে ওরকম হয়।

    বড়িলাল শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের সমাধি-মন্দিরের সামনে দাঁড়াল। বাঙালি জাত ও বাংলা সাহিত্যের দশা এমনই। ধুলোমাখা শরৎচন্দ্রের মাথাটির সামনে গ্রিল না থাকলে গলা কেটে উঠিয়ে নিয়ে যেত। কারো কারো যেমন নিয়ে গেছে। অবজ্ঞা, অপমান ও উপেক্ষার অন্ত নেই। ডানদিকে চোখ রেখে সবই দেখছেন। গলায় একটি শুকনো গাঁদাফুলের মালা। সেই মালা থেকে মাকড়সার জাল ছড়িয়েছে। ভেতরটা ঝুল নোংরায় ভর্তি। সৌধের সামনের দিকটা ভাঙাচোরা। ভেতরটি একটি সংগ্রহশালা বিশেষ। ভাঙা বাঁখারির টুকরো, মরা পায়রার সাদা পালক, শুকনো পাঁচটা মালা, পাতা, কাগজ, পানপরাগের প্যাকেট এবং হাজার হাজার কালো পিঁপড়ের আনাগোনা। এদিকটায় বন্ধ থাকলেও অনেকগুলো কুকুর। এদের সকলেরই নাম ‘ভেলু’ দেওয়া হল।

    শরৎচন্দ্রের পাশেই শ্রীশ্রীমৎ বিশুদ্ধানন্দ পরমহংসদেব-এর শ্মশানসৌধ। মহামহোপাধ্যায় গোপীনাথ কবিরাজের গুরুদেবের ভাগ্য অপেক্ষাকৃত ভালো। গন্ধবাবার ভক্তজন আছেন কারণ গ্রিলটি রুপোলি রং করা। তারপর আবার সেই উপেক্ষিতের স্মৃতি। পরপর। হেমেন্দ্রনাথ দাশগুপ্ত। পরেরটি কার, বোঝার উপায় নেই। চারুচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। দেশপ্রেমিক কৃষ্ণকুমার চট্টোপাধ্যায়। অজিতেশ্বর ভট্টাচার্য। সুরেন্দ্রনাথ মল্লিক। সুরবালা ঘোষ। চারদিকে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে সোনালি জরি, গাঁজার কলকে, মিষ্টির বাক্স, ডাবের খোলা, প্লাস্টিকের জলের বোতল ও গ্লাস ও অসংখ্য নোংরা পলিব্যাগ। এবং সর্বত্রই সেই বিচিত্র গন্ধ।

    বড়িলাল ঘাটে এসে দেখল, ভুঁড়ো একটা লোক নানা সাইজের বিলিতি মালের বোতলে গঙ্গাজল ডুগবুগ-ডুগবুগ করে ভরে একটা বিগশপার ব্যাগে ভরছে ও বাঁ-দিকের রোয়াক থেকে বেঁটে-মোটাটা দেদারে আওয়াজ দিচ্ছে।

    – ঐ, ঐ পলকাটা বোতলটা হল স্কচ-হুইস্কির। এক বোতল কিনতে গেলে গাঁড় ফেটে যাবে। শালা, কত আর দেখব। মালের গন্ধ যায়নি, ওর মধ্যেই গঙ্গাজল ভরছে। এই, এইটা হল হারকিউলিস রামের। ডিফেন্সের ঝাড়া মাল।

    মদন কিন্তু এবারে আপত্তি করেনি। বরং মুচকি-মুচকি হাসছিল।

    – ওরে, তোর মনিবটা তো জব্বর মাল। কোনো পাঁইট, নিপ এসবের কারবার নেই। সব বোতল। এত জল দিয়ে কী করবি? হেভি চোদনা টাইপের লোক তো! এত বলছি, কিন্তু রা কাড়ার নাম নেই। ভালো-মন্দ কিছু একটা বল। না হয় দুটো খিস্তিই কর। তিনজনে আছি বলে ভাবছিস, ক্যালাব? শালা, বোধহয় জন্মবোবা। নয়তো হাড়হারামি।

    ভুঁড়োর শেষ বোতলটি ভরা হয়ে গেল। বোতলটা বিগ শপারে ভরে সে উঠে দাঁড়াল। অতগুলো জল-ভরা বোতল কিন্তু কোনো ক্যাঁ-কোঁ নেই। যেন তাকিয়া বগলে আসরে চলেছে। লোকটা ব্যাগ হাতে ঘাট থেকে সিঁড়ি ভেঙে ওপরে উঠতেই অদ্ভুত কাণ্ডটা হল। ঠিক দড়ি-বাঁধা কুকুর যেমন হ্যাঁচকা মেরে মনিবমুখো হয় তেমনই তিনজন ঝাঁকুনি খেয়ে রোয়াক থেকে নীচে নামল। তারপর লোকটার পেছনে সুড়সুড় করে রওনা দিল। মুখে কোনো শব্দ নেই। উল্টোদিকে একটা মেয়ে এসে পড়েছিল বলে ভুঁড়ো ডানদিকে হেলল। ঐ তিনটেও ডাঁয়া ভাঁজ মারল। বড়িলাল ওদের ফলো করতে শুরু করল। মড়া নিয়ে একটা কাচের গাড়ি এল। পেছনে দুটো টেম্পো-ভরা লোক। নলেন নমস্কার করল। ওরাও নমস্কার করল। নলেন বাঁদিকের দাবনা চুলকোতে চুলকোতে রাস্তা পেরোল। মদন, ডি. এস. ও পুরন্দর ভাটও নিজের নিজের বাঁদিকের দাবনা চুলকোতে চুলকোতে রাস্তা পার হল। তারপর এ-গলি, সে-গলি পেরিয়ে একটা বড় উঠোনের মতো জায়গা ফেলে, নর্দমা টপকে, হরিণঘাটার দুধ দেওয়ার ভাঙা খাঁচা বাঁ-দিকে রেখে ফের একটা গলিতে ঢুকে যে বাড়িটার দিকে নলেন চলল সেটা যে ভদির একতলা ন্যাড়াছাদ-ওলা বাড়ি তা আমরা জানি। বাড়ির ওপরে একটি লজঝড়ে অস্পষ্ট সাইনবোর্ড কেতরে ঝুলছে। একটু ঘাড় কেলিয়ে পড়তে হয়। বড়িলাল দেখল, লেখা আছে এবড়ো-খেবড়ো অক্ষরে, ‘বিবিধ অশুভ অনুষ্ঠানে ঘর ভাড়া দেওয়া হয়’।

    ‘ঐ বুঝি করে হাঁ নাহি যার নাম’।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleলুব্ধক – নবারুণ ভট্টাচার্য
    Next Article মরণজয়ী – নসীম হিজাযী

    Related Articles

    নবারুণ ভট্টাচার্য

    জার্নালিস্টের জার্নাল – নিমাই ভট্টাচার্য

    September 4, 2025
    নবারুণ ভট্টাচার্য

    লুব্ধক – নবারুণ ভট্টাচার্য

    September 1, 2025
    নবারুণ ভট্টাচার্য

    হারবার্ট – নবারুণ ভট্টাচার্য

    September 1, 2025
    নবারুণ ভট্টাচার্য

    এই মৃত্যু উপত্যকা আমার দেশ না – নবারুণ ভট্টাচার্য

    September 1, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }