Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কাঙাল মালসাট – নবারুণ ভট্টাচার্য

    নবারুণ ভট্টাচার্য এক পাতা গল্প276 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কাঙাল মালসাট – ৩

    ৩

    আজকাল কোনো শিশুই ‘লাল-কালো’ পড়ে না। অতএব কে অন্ধকারে হাঁ করতে পারে, এই ভয় কেন বিকট-দর্শন ডেয়ে জল্লাদকে ঘর্মাক্ত করে তোলে প্রভৃতি প্রশ্নাবলী ওঠে না। গিরীন্দ্রশেখর স্বপ্নের জগৎ থেকে সুষুপ্তির জগতে নির্বাসিত। যেমন নির্বাসিত দক্ষিণারঞ্জন, ধনগোপাল, হেমেন্দ্রকুমার, সুনির্মল, খগেন্দ্রনাথ, সুখলতা ও খ্যাত-অখ্যাত শত শত সাহিত্যিক যাঁরা শিশুদের জন্য লিখতেন। এখন সাহিত্যিক শিশুদের যুগ। ছোটরা কেবলই ফেলুদা বা টিনটিন পড়ে। বাপ-মা’গুলোও অগা। ছোটবেলা থেকে হাই প্রোটিন, ব্রেনোলিয়া, সুলভ ব্রয়লার, কেলগ ইত্যাদি গিলে অকালেই কেঁদো কেঁদো হয়ে ওঠে। তারপরই দেখা যায় হয় কমপিউটার শিখছে বা লুচ্চামি। বিগ বং-এর বাচ্চারা হাঁদা-ভোঁদা, নন্টে-ফন্টে, বাঁটুল দি গ্রেট এমনকি চেঙা-বেঙা সম্বন্ধে সম্পূর্ণ অনবহিত। ছোটবেলা থেকেই এত স্বার্থপর ও খচ্চর অন্য কোনো দেশের শিশুরা হয় না। যেমন পাশেই বিহার দেশের কথা ধরা যায়। অথবা নেপাল। সেখানে সরলমতি শিশুদের দেখা পাওয়া যায়। হামেশাই। আপাতত বড়িলাল।

    ফলের বাক্সের কাঠের গায়ে বিস্কুট টিন কেটে পেরেক মারা বেঁকাতেড়া দরজাটায় ফুটো ছিল বলে বড়িলাল দেখতে পাচ্ছিল ভেতরে অর্থাৎ ভদির উঠোনে কী হচ্ছে। ভদি ভুঁড়িতে হাত বোলাতে বোলাতে বেরিয়ে এল।

    -এই তিনটে বানচোৎকে আবার নিয়ে এলি কেন?

    – খুব দেখি বোলচাল দিচ্ছে। ভাবলুম ধরে নিয়ে যাই। পরে সাইজ করা যাবেখনি।

    – দাঁড়া, দাঁড়া। অত সোজা কেস নয়। ভাবচি, এই দিনে হঠাৎ ফাঁদে পা দিল কেন?

    -জলছিটে দিয়ে দিন। মাথাগুলো কেটে ফেলি। বলিও হল, ধড়, মুণ্ডু সব সাধনার কাজেও লেগে গেল। কিছুই ফেলা গেল না।

    -মন্দ বলিসনি। কী গো, মালে ঝালে একেবারে কন্দর্পকান্তি। খুঁড়ছিল কেঁচো …

    -বেরিয়ে পড়ল ঘুরঘুরে। এবারে রা কাড়ছে না যে! ওফ, সে খিস্তির একেবারে খই ফুটোচ্চে।

    প্রথম ডি. এস. এবং তার দেখাদেখি পুরন্দর ও মদনও ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদতে শুরু করল। বড়িলাল শুনতে পেল আশপাশে কেউ মন্তর পড়ছে। ন্যাকড়াপোড়া গন্ধ। নলেন এর মধ্যেই গিয়ে ল্যাগব্যাগে একটা টিনের খাঁড়া নিয়ে এসেছে যা দিয়ে কিছুই কাটা সম্ভব নয়। এটা দেখেও ওদের কান্না থামছে না। ভদি তিনজনের সামনে পায়চারি করছে আর থেকে থেকে চেঁচাচ্ছে,

    – এসপার ওসপার হবে যখন হয়েই যাক। নিন্দে যখন শালা একবার রটেচে তখন বিয়েই করব। মুণ্ডু নেচেচে। মুণ্ডু নাচবে। উফ, ইয়া বড় চাকতি মাপের মুণ্ডু গাঁথা মালা। এসপার ওসপার। মুণ্ডু নির্বিকার। ধড় শুধু ধড়ফড় করছে। হাত খিঁচোচ্ছে। পায় টান মারছে।

    ফ্যাতাড়ুরা এবার সমস্বরে একেবারে রোলারুলি কান্না জুড়ে দিল। এতক্ষণ বড়িলাল ভাবছিল বাজারে মুরগির মুণ্ডুকাটা দেখলেই তার গলায় কেমন শিরশির করে আর তিন-তিনটে জলজ্যান্ত মানুষের মুণ্ডু … এরা কি কাপালিক-টাপালিক… নরবলির দু-একটা খবর তো এখনো কাগজে বেরোয়… নাকি এখনই গিয়ে থানায় খবর দেবে…

    বেচামণি একেই বেজায় মোটা তায় পাটভাঙা লাল-সোনালি বেনারসি পরেছে বলে খোলতাই আরো বেড়েছে, স্যাম্পু করা চুল,

    -ফের … ফের সেই অশৈল?

    ভদির গর্জন।

    -ব্যাটাছেলের ব্যাপারে নাক গলাবে না কতবার বলেছি!

    নলেনের আবেদন।

    -গিন্নি মা, খাঁড়া চুলকোচ্ছে, রক্ত ছেটাছেটি হবে, আপনি থাকবেন না …

    বেচামণির মুখে সেই মহামায়াসুলভ হাসি

    -পুজোগণ্ডার দিন। ফেতুড়ে অতিথি এয়েচে। তা সে ভয়ডর দেখিয়েচ ভালো করেচ। শান্ত হয়ে বসো তো বাছা তোমরা। কেউ মুণ্ডু কাটবে না। ওসব হল গদির বটকেরা। নলেন, ওদের জলবাতাসা দিয়ে বসা।

    -তাহলে বলি দেব না বলচ?

    -ফের সেই অলুক্ষুণে কতা। দেখচ ভয়ে ঠকঠক করে কাঁপ ধরেচে।

    -বারণ যখন করচ এত করে, তখন … যাঃ, এ যাত্রা ছেড়ে দিলুম। তবে যেখানে সেখানে অজানা অচেনা লোক দেখলে পোঁদে লাগা মোটেও ভালো কতা নয়। এই বলে দিলুম।

    ডি. এস. ফুঁপোতে ফুঁপোতে বলে,

    -আজ্ঞেঁ গদির বটকেরা কী? ঐটে বুঝলুম না।

    বেচামণি ঘোমটা দেয়। ভদির প্রসন্ন ব্যাখ্যা

    -আমার নাম হল গে ভদি। তা বউ হয়ে তো সোয়ামির নাম মুখে নিতে পারে না। তাই বলে গদি। এবারে বুঝলে গদির বটকেরা।

    পুরন্দর ও মদন বসে। ওদের দেখাদেখি ডি. এস.-ও। তিনটে ভাঁড় আর এক বোতল বাংলা নিয়ে নলেন সামনে রাখে।

    -গদির বটকেরা তো দেখলে, এবার একটু নলেনের গুড় চেখে দেখ।

    -তখন উল্টোপাল্টা অনেক বলে ফেলেছি। কিছু মনে রেখ না ভাই।

    – দ্যাখো ভায়া, তোমরা হলে ফ্যাতাড়ু। ফ্যাতাড়ুর কাজ ফ্যাতাড়ু করেছে … আর …

    ভদি নলেনকে হাত নেড়ে থামায়।

    – এবারে আমাকে বলতে দে। আজ এক মহাযোগের দিন বুঝলি। লাস্ট এই দিনটা এসেছিল কমবেশি দেড়শো বছর আগে। চাকতির খেলা যখন শুরু হয় তখন চোক্তারের সঙ্গে ফ্যাতাড়ুরা এক পার্টি হয়ে যায়।

    – আজ্ঞে, চোক্তার কী? মোক্তার, ডাক্তার হয় বলে জানি …

    – আরে উকিল, ডাক্তার, মোক্তার, পেশকার ঐসবের যেমন ফ্যাতাড়ু মেলে না তেমন চোক্তারও মেলে না। আমরা ঠিক বলিয়ে কইয়েদের দলে পড়ি না। তাই কেউ টেরও পায় না যে আমরা আছি। এই যেমন ধর তোরা-তোরা যে ফ্যাতাড়ু সেটা কটা লোক জানে? খবরের কাগজে নেই, খাসখবরে নেই, কোথাও নেই। সেইরকম চোক্তারদের বেলায়। কোথাও নেই। লোকে জানেই না। নে মাল ঢাল। ও নলেন ছিপি খুলেই দিয়েচে। চেতলার মাল। রসা ডিস্টিলারির বলে একটু গন্দ লাগবে। এদিকে আবার ফারিনি-র ছাপটা দেয় না। সব হল গওরমেন্টের হারামিপনা। তা বাবা মদন, মুখের কুলুপটা এবারে একটু খোল।

    – আমি অবাক হয়ে ভাবচি আপনাকে কোথায় যেন দেখেচি দেখেচি।

    – ওরে চোক্তারের ওপরে ফ্যাতাড়ুর জন্মের টান। এতে অবাক হওয়ার কি আচে। একি এক-দুদিনের সম্পক্ক। নাও, ভাটকবি, এক্ষুণি যে পদ্যটি ভাবলে বলে ফেল তো-

    -বলব?

    -বলবি না তো কি গিলে বসে থাকবি! বল,

    পুরন্দর গলা খাঁকারি দেয়।

    – আমার এই কবিতাটির নাম ‘যার যা কাজ’।

    ডি. এস. অমনি বলে ওঠে,

    -ওরকম নাম কবিতায় চলে না। ‘যার যা কাজ’। দেখলেই লোকে পাতা উল্টে চলে যাবে।

    -কেন?

    -এই কারণে যে নাম থেকেই বোঝা যাচ্ছে যে এটা জ্ঞানের কবিতা। লোকে কবিতা পড়বে আনন্দ পেতে, ওসব জ্ঞানমারানি ঢপ লোকে শুনতে চায় না।

    মদন বলে

    -ডি. এস. তুমি থামবে? না শুনেই আগে ঝগড়া!

    -বাগড়া দিও না ভাই। আনন্দ তো অনেক পেয়েছ। এবারে ভাবার আগে শুনে নাও, আমার কবিতা হল, ‘যার যা কাজ’

    শশধর ধরেছে শশক

    মহীতোষ মেরেছে মশক

    উভয়েই স্ব স্ব কাজে পটু

    পেট থেকে পড়া ইস্তক।

    বনমালী করে বন খালি

    ডালে বসে গোড়া কাটে কালি

    ডাকে তারা যাহা থাকে ঝাড়ে

    যমদূত দেয় করতালি।

    ভদির মুখে হাসির ময়ান।

    -বাঃ বাঃ বেড়ে হয়েচে। এই, এই হল কবিতা। রস আচে, অলঙ্কার আচে, গভীর অর্থ আচে, চনমনে ছন্দ আচে। এই না হলে পদ্য। আজকাল কী যে সব বালের ছাল লেখে। কোনো কাক-কাঁকুড় বালাই নেই। কেমন লাগল, ডি. এস.!

    -ভাবতে হবে। জ্ঞানমারানি পদ্য তো, ঝপ করে কিছু বলব না। তবে, মনে হচ্ছে পুরন্দর এর মানেটা বুঝে লেখেনি। পেয়ে গেছে, ছেড়ে দিয়েছে। কী, ঠিক বলিনি!

    -নেহাৎ ভদিদা, বৌদি, মদনদা সব সামনে বলে কিছু বললাম না। অবশ্য পুরন্দর ভাটের জীবনে এটা নতুন কিছুই নয়। যুদ্ধ যারা করে তারা মশার কামড় নিয়ে মাথা ঘামায় না।

    -তার মানে আমি মশা?

    – হ্যাঁ, অ্যানোফিলিস।

    -আঃ, তোরা থামবি? বেকার ঝগড়া করে কোনো লাভ নেই। পরে আমি ওকে পদ্যটা না হয় বুঝিয়ে দেব।

    টিনের দরজার ফুটোর সঙ্গে চোখ সাঁটানো বড়িলাল হঠাৎ বোধ করল তার পা বেয়ে কী একটা উঠছে। চোখ সরিয়ে দেখল একটা ডেঁও পিঁপড়ে। তাকে সরাতে গিয়ে টিনের দরজায় হাঁটু ঠুকে ডুম করে একটা আওয়াজ হল। অন্য কেউ না খেয়াল করলেও শব্দটা নলেনের কান এড়ায়নি। সে উঠতে যাবে কিন্তু ভদি তাকে থামাল।

    -ও কিছু নয়। সাক্ষী। সবকিছুর সাক্ষী থাকে। থাকতে হয়। পাত্তা দেবার দরকার নেই। এবারে তোরা কী জানতে চাস কম কথায় বল।

    – আঁজ্ঞে, চোক্তার তাহলে ঠিক কী?

    -এ কথার কোনো মানে নেই। ফ্যাতাড়ু কী? তেমনই চোক্তার কী? চোক্তার হল চোক্তার। তবে এটুকু বলতে পারি হুজ্জত লাগাতে চোক্তারের কোনো জুড়ি নেই। তবে ঠিক টাইম না হলে কিচ্ছুটি হবার উপায় নেই।

    -খোলসা হল না।

    -হবে কী করে! আজকে তো সিরিয়ালের পয়লা এপিসোড। তিনশো পেরিয়ে গেল, ‘জন্মভূমি’-তে ঠিক কি হচ্চে লোকে শালা বুঝতে পারছে না। আর এক নম্বরেই তোরা এত বড় কাণ্ডটা সাইজ করবি সে কী করে হয়? আর আমিই বা গান্ডুর মতো অত বড় ঘোমটা দিতে যাব কেন যাতে পোঁদ বেরিয়ে পড়ে!

    বেচামণি লজ্জা পায়।

    -গদির মুখটাই ওরকম। খুব অশৈল।

    -থামো তো। অশৈল! ভেতরে ভেতরে রাবড়ির জাল দেবার থেকে পেট খুলে দুটো খিস্তি করা সাধুসন্তের লক্ষণ। ঝটপট বলে যা আর কি বলবি।

    এবারে পুরন্দর ভাট।

    – আচ্ছা ভদিদা, তোমার দরজায় সাইনবোর্ড লেখা ‘অশুভ অনুষ্ঠানে ঘর ভাড়া দেওয়া হয়’। এর মানে?

    -দ্যাখ, রোজ, নিত্য, অন্তহীন অশুভ অনুষ্ঠান চলচে! আজকের জীবনে পার হেড দশ-বিশটা করে শত্তুর। লোক চেনা দায়। মামলা, জালি কারবার, বৌ ভাঙানো, ভোট মারানো, অর্ডার ধরা, খুচরো দুষমনি, চিটিং কেস, টাকা গাপ, চোরকাঁটা দিয়ে ডাকাতকাঁটা তোলা, মাগি চালান, পলিটিক্যাল চুদুড়বুদুড়, নমিনেশন — এই সব কন্মোকাণ্ড নিয়ে মারণ, উচাটন, বশীকরণ, ব্ল্যাক ম্যাজিক নিত্য চলছে। সেই কারণে, স্রেফ এইসব যারা করে তাদের আমি ঘর ভাড়া দিই। বিয়ে, অন্নপ্রাশন তারপর গিয়ে শ্রাদ্ধফাদ্দ-তে আমি নেই। এখনই তো একটা ঘরে চলচে তাকিয়þাচালান, অন্যটায় কী কেস রে নলেন?

    -আঁজ্ঞে কিছু বলেনি। দাড়িওলা একটা লোক মাঝবয়সী একটা মেয়েমানুষ নিয়ে দরজা বন্ধ করে রেখেছে। ঠিক কী করছে জানি না। তবে ন্যাকড়া পুড়িয়েচে।

    -গাঁড় মেরেচে। দরজা ধাক্কে বের কর। টাকা বুঝে নিয়ে লাথ মেরে পেছনের দরজা দিয়ে তাড়া।

    নলেন উঠে গেল। তারপর ধুপধাপ, কাঁইমাঁই।

    -ও নিত্যকার ব্যাপার। ধাওয়া খেয়ে চলে যাবে। এই শালাদের জন্যেই তো পুলিশ খচড়ামির চান্স পেয়ে যায়।

    -তাকিয়াচালানটা কী কেস ভদিদা?

    -ভেরি ইন্টারেস্টিং। কংগ্রেস, তারপর গিয়ে কংগ্রেস ভেঙে অনেক দল যেসব হয়েছে ওরা তো ফরাস আর তাকিয়া নিয়ে বসে। ভালো তাকিয়াচালান হলে পিঠ হেলাতে গেল কি তাকিয়াও গড়িয়ে সরে যাবে। ঠেসই দিতে পারবে না। চিৎ হয়ে পড়বে। মানেই হ্যাটা। মানেই কেরিয়ারের পুঁটকিজাম। এরকমই কত কী — শ্মশানবন্দ, ভূত লাগানো, পেটপোড়া, ক্ষুর চালা, চুরির তুক, কলেরা বা প্লেগের তদবির, নিশির ডাক কাটানো, হাগা বাণ, রাঁড়-ঢ্যামনা কাটার মন্তর — এইজন্যে ঘর ভাড়া। দিচ্ছে কে? চোক্তার ভদি। মাথায় কিছু ঢুকছে?

    -না ঢুকে পারে? একেবারে চাম্পি বিজনেস!

    -তবে হ্যাঁ। সব বড় বড় খদ্দের। মিনিস্টার, সিনেমা স্টার, ক্রিকেট প্লেয়ার, ডাক্তার, ব্যারিস্টার — কেউ বাদ নেই। খুব আবডাল রাখতে হয়। লোক জানাজানি হলে রক্ষে নেই।

    -কিন্তু সাইনবোর্ড দেখেই তো জানবে।

    -ঐখানেই তো চোক্তারের ফন্দি। হেঁজি-পেঁজি এল তো এল। পেছনে অন্য দরজা আছে। দরকার হলে বোরখা, ছাতার কাপড়ের আলখাল্লা, ফলস দাড়ি, পরচুলা — সব ব্যবস্থা আছে।

    -পুলিশ ঝামেলা করে না?

    -করবে না কেন? নতুন ও.সি. ফোসি হলে গোড়ার দিকে একটু লপচপানি মারে তারপর সাইজ হয়ে যায় — যেখানকার যা নিয়ম। হাত মে মাল্লু, ঘর যা কাল্লু। ব্যাস, কোনো ঝুটঝামালা নেই। গ্যাঁট হয়ে বসে থাকো। আর মোলায়েম করে মেরে যাও। চোক্তারের কারবারের এই হল ধম্মো। তবে সি.পি.এম.-এর গওরমেন্ট তো, যে কোনো টাইমে খচড়ামি করতে পারে। করলেই লাইন উপড়ে সাইনবোর্ড পাল্টে দেব।

    -কী করবে অমন হলে?

    -নার্সিং হোম খুলে দেব। নামও ঠিক করা আছে। ‘মৃত্যুদূত নার্সিং হোম’।

    -উরিঃ সাঁটি। ঐ নাম শুনলে কেউ আসবে!

    -আসবে মানে? পিলপিল করে আসবে। সকলেই জানে যে রোগী কোথাও বাঁচে না। অতএব মরুঞ্চে মাল হলেই এখানে চালান করে দেবে। নার্সিং হোমেও দেওয়া হল, দাঁত কেলিয়ে পটলেও গেল। নো প্রবলেম। দুটো ডাক্তারও আমি ফিট করে রেখেচি। ওদের হাতে আজ অবদি একটা রোগীও বাঁচেনি। ঐ দুটোকে রাখব। তারপর বেচামণি আচে, নলেন আচে…

    -আমরাও আছি, ভদিদা।

    -সে তো বটেই। এই রে! বাবা এসে গেচে। এবারে ঝটপট কাজ না এগোলে খচে যাবে।

    -বাবা মানে? কোথাও কেউ তো নেই!

    নলেন ফিক ও বেচামণি খিলখিল করে হাসি জুড়ে দেওয়ার ফলে আতঙ্কময় মুহূর্তটি অচিরেই প্রার্থিত মাত্রা পেয়ে যায়। বড়িলালও খটকায় দুলছে। ভদিরই কোনো বিশিষ্টার্থক হেলদোল নেই। ন্যাড়া ছাদের আলশের দিকে হাতজোড় করতে ফ্যাতাড়ুর ছটি ও বড়িলালের দুটি চোখ সেইদিকে ধায় — আলশের ধারে একটি সুবৃহৎ, প্রাচীন ও প্রাজ্ঞ দাঁড়কাক বসে চোখ পাকিয়ে সব দেখছে।

    -চাকতির ঘর খুলবে। মন্তরে মন্তর, যন্তরে যন্তর — সব মিলে গেল। জানতুম বাবা না এসে পারবে না।

    যে বাংলা ভাষা আর কখনোই হাসিল হবে না সেই বাংলায় এই পাখিটিরই নাম দণ্ডকাক। দণ্ডকারণ্যে হয়তো এই ধরনের কাক দেদারে দেখা দেয় এমন হতে পারে। না হলেও কোনো খিঁট নেই। এই টাইপের কাক কলকাতায় বেশি দেখা যায় না। তবে বেগম জনসনের আমলে কলকাতায় দাঁড়কাকের ছড়াছড়ি ছিল বলেই শোনা যায়। বেগম জনসন (১৭২৮-১৮১২) প্রসঙ্গে আমাদের পরে যখন না এসে উপায় নেই তাই একটু আগেই গাওনা গেয়ে রাখা ভালো। এই কলকাতাতেই তিনি সেন্ট জনস চার্চ গোরস্থানে জব চারনক ও অ্যাডমিরাল ওয়াটসনের কাছেই কবরস্থ অবস্থায় আছেন। ভূমিকম্প জাতীয় কিছু না হলে ওভাবেই থাকবেন এ আশা দুরাশা নয়। আপাতত ভদির পিতৃরূপী গাঢ় একটি কর্কশ আরাব নিক্ষেপ করল যা আর যাই হোক ‘কা … আ …’ কখনোই নয়।

    — কী চাইছ বাবা? আনন্দলাড়ু খাবে?

    এইবার দাঁড়কাক নির্ভেজাল মনুষ্যকন্ঠে বলল বা বলিল,

    — অতীব আনন্দঘন কাল। মন্তর ও যন্তর সব মিলে গেছে, আনন্দবাজারে আনন্দ, চোক্তারের ঘরে ফ্যাতাড়ু , চারদিন পরে কাটা মুণ্ডুর ভোজবাজি, সবই যখন ডগোমগো তখন আর কালক্ষয় কেন?

    -এঁজ্ঞে, আপনি না এলে …

    -চোপরাও। ফের কতা বললে মুকে আঁশবঁটি ভরে দেব। খোল, শালা চাকতির ঘর।

    ভদি আর কালবিলম্ব না করে বেচামণির কাছ থেকে চাবির গোছাটি নেয়। চাকতির ঘরের তালাটি কোম্পানির গোড়ার দিকের দাসলক। চাবিটিও তেমনই আখাম্বা। দরজার ওপারে বোঁ-বোঁ শব্দ যেন হাজার খানেক ভিমরুল পাখসাট মারছে। ঘর খুলতেই ছোট সাইজের কয়েকটি চাকতি বা উড়ন্ত চাকি সাইরেনের মতো শব্দ করে তেড়ে বেরিয়ে ঘোলাটে আকাশে উধাও হয়ে গেল। বড় চাকতিগুলো বনবন করে ঘুরছে কিন্তু বেরোচ্ছে না।

    -দরোয়াজা খোলাই থাক। ওরা ইচ্ছেমতো বেরোবে, ঢুকবে। তোরা তোদের কাজ করে চল। ঠিক টাইমে আমি ফের এসে পড়ব।

    দণ্ডকাক হুস করিয়া উড়িয়া গেল।

    বড়িলাল দেখল এবারে কেটে পড়াই ভালো কারণ খিদে পেয়ে গেছে। পরে না হয় এসে দেখা যাবে জল কতটা গড়াল। ঠাণ্ডার দাঁত না থাকলেও মাড়ি রয়েছে। আবার গরমও লাগছে। ফেরার রাস্তায় বড়িলালের চোখ পড়ল দেওয়ালের গায় বিরাট এক দাড়িওয়ালা মুণ্ডু এবং তারই পাশে কামান দাগার মতো জাঁদরেল লেখা ‘মার্কসবাদ সর্বশক্তিমান কারণ ইহা বিজ্ঞান’। এই লিখন যে নোনাধরা দেওয়ালের গায় সরব তার নীচে নর্দমা। তাতে জমা জলে কালচে তন্বী শ্যাওলা কোমর দোলায় ও হাজার হাজার মশার লার্ভা নাচানাচি করে।

    ‘সকলি ধ্বংসের পথে! সকলি ধ্বংসের পথে!
    কেহ অশ্বে কেহ গজে,
    কেহ যায় পদব্রজে,
    কেহ স্বর্ণ-চতুর্দোলে, কেহ যায় পুষ্পরথে ;
    সকলি ধ্বংসের পথে! সকলি ধ্বংসের পথে!’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleলুব্ধক – নবারুণ ভট্টাচার্য
    Next Article মরণজয়ী – নসীম হিজাযী

    Related Articles

    নবারুণ ভট্টাচার্য

    জার্নালিস্টের জার্নাল – নিমাই ভট্টাচার্য

    September 4, 2025
    নবারুণ ভট্টাচার্য

    লুব্ধক – নবারুণ ভট্টাচার্য

    September 1, 2025
    নবারুণ ভট্টাচার্য

    হারবার্ট – নবারুণ ভট্টাচার্য

    September 1, 2025
    নবারুণ ভট্টাচার্য

    এই মৃত্যু উপত্যকা আমার দেশ না – নবারুণ ভট্টাচার্য

    September 1, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }