Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কাঙাল মালসাট – নবারুণ ভট্টাচার্য

    নবারুণ ভট্টাচার্য এক পাতা গল্প276 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কাঙাল মালসাট – ৮

    ৮

    গত অধ্যায়ে একটি সাধুমার্কা কোটেশন ঝেড়ে পাঠকদের ডিরেক্ট চ্যালেঞ্জ জানানো হয়েছিল। কিন্তু জানাই ছিল যে, ঈশ্বর-বিমুখ বাঙালি পাঠকরা সে-চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা করতে পারবে না। নিদেনপক্ষে কোনো ক্ষীণ প্রচেষ্টাও আশা করা গিয়েছিল। কিন্তু সে ভেলিগুড়ে বালুকার ঢল নামিয়াছে। ঘেন্না ধরে গেছে। আজ বাঙালি কথায় কথায় সেমিনারে বাখতিন, ফুকো ঝাড়ে, ভবানীপুর এলাকায় পাঞ্জাবি ও গুজরাটিদের দাপট ও রোয়াব সম্বন্ধে গ্রামসির হেজিমনি তত্ব আওড়ায়, বিগ ব্যাং হইতে স্মল ব্যাঙাচি সকলই তার নখের ডগায় ডগোমগো হইয়া রহিয়াছে, অথচ সে শালা পরমহংস শ্রী ১০৮ স্বামী নিগমানন্দ সরস্বতীদেবের বাণী সম্বন্ধে কিছুই জানে না। এবিষয়ে আমাদের কিছু করিবার নাই। হিসাব কষিলে দেখা যায় যে, আর কোনো জাতিতে এত সংখ্যক পরমহংস জন্মান নাই। রেলাবাজের সংখ্যাও ততোধিক। কিন্তু অধঃপতনে কোনো জাতই এত পটু নয়।

    মহামতি সাহেবরা বাঙালিকে মানুষ করিবার একটি পরিকল্পনা করিয়াছিলেন যাহাকে বলা যায় — ‘বেবুন থেকে বাবু’। হল না। কিছু বেবুন থেকে গেল, কিছু মধ্যপথে বেবুনবাবু বা বাবুবেবুন এবং অবশ্যম্ভাবী কিছু বাবু। পরবর্তী ব্লু-প্রিন্ট বিবেকানন্দের। তিনি বললেন, শাস্ত্র-ফাস্ত্র গঙ্গাজলে ফেলে দিয়ে ফুটবল খেলতে। প্রথম দিকে বাঙালি তাঁর কথা শুনেওছিল। না শুনলে ১৯১১ সালে গোরা একাদশকে মোহনবাগান ক্যালাতে পারত না বা ইয়োরোপের করিন্থিয়ানরা ঢাকায় ল্যাজেগোবরে হত না। কিন্তু খচড়ামি যার রন্ধ্রে রন্ধ্রে তাকে বাঁচাবে কে? আজ বাঙালি অন্য নানা খেলার মতো ফুটবলেও কেলিয়ে পড়েছে এবং ক্রিকেট বা টেনিসে গুচ্ছের টাকা বলে বাঙালি বাপ-মায়েরা বাচ্চাগুলোকে হ্যাঁচকা টানে ঘুম থেকে তুলে মাঠে নিয়ে যাচ্ছে। সেখানে নাকি হুদো হুদো কোচ, যারা বরং কোচোয়ান হলে আরও ভালো হত। এরপর কংগ্রেস ভেবেছিল বাঙালিরা সবাই ডেকরেটারের ব্যবসা খুলবে এবং নানা কংগ্রেস সম্মেলনে তাকিয়া সাপ্লাই দিয়ে লাল হয়ে যাবে। নকশালদের কোনো পরিকল্পনা ছিল কি? থাকলেও আগেভাগেই তো তারা মরে গেল। এরপর এল সি. পি. এম.। এঁদের পরিকল্পনাটি খুবই মহতী। কারণ শিক্ষা, সাহিত্য, ব্যবসা, প্রোমোটারি ইত্যাদি বিভিন্ন মহলের কৃতী দিকপালদের পরামর্শের সঙ্গে অভ্রান্ত বিজ্ঞানের মিশ্রণ ঘটিয়ে এঁরা বাঙালির সামনে যে মডেলটি রাখলেন, তার নাম ‘বাঁদর থেকে সি. পি. এম.।’ মানেটা খুবই সহজ — প্রথমে বাঁদর, তারপর বনমানুষ। এইভাবে নিয়ানডারথাল-অস্ট্রেলোপিথেকাস-রামাপিথেকাস-পিকিং ম্যান হয়ে হোমো কোম্পানির নানা ঘাটে জল খেয়ে লাস্টে দৃপ্ত সি. পি. এম. — কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে বাঙালি পুরুষ ও নারী কোনো অজানা কিন্তু মায়াময় রক্তিম ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে চলেছে। পরিকল্পনাটি সাধু। যেমনই সরেস হল ‘বঙ্গ’ বা ‘কলকাতা’ বানানো। কিন্তু এর জন্যে সি পি এম-কে প্রথম যেটা বুঝতে হবে সেটা হল, এই বাঙালিকে দিয়ে অত খাটনির কাজ হবে না। দ্বিতীয়ত, যত ঘটা করেই ২৫ বৈশাখ আর ২২ শ্রাবণ হোক না কেন, বাঙালি মজ্জাগতভাবে ভালগার ও খিস্তিবাজ। যেখানে ভালগারিটির তিলমাত্র সুযোগ নেই, সেখানেও সে অপ্রতিরোধ্য। তা না হলে ইন্ডিয়ান স্ট্যাটিসটিক্যাল ইনস্টিটিউটের সামনে বাস দাঁড়ালে বাঙালি কন্ডাকটর ‘টেস্টিকেল! টেস্টিকেল!’ বলে চেঁচাবে কেন? কেনই বা বালিখালগামী বাসের কন্ডাকটর (অবশ্যই বাঙালি) বর্ণবিপর্যয় ঘটিয়ে ‘খালিবাল’ ‘খালিবাল’ বলে নান্দনিক পরিবেশ দূষিত করবে। কেনই বা বাঙালি রেসের বই বিক্রেতা বনেদিপাড়ায় সাইকেল নিয়ে ‘হোলরেস’ বা আরও সংক্ষেপে ‘হোল!’ ‘হোল!’ বলে গর্জন করবে? জানি না বাপু কি করে কী হবে। বাঙালি সম্বন্ধে তৃণমূলেরও নির্ঘাৎ একটি রমণীয় ছক রয়েছে, যা সম্বন্ধে সুচিন্তিত মন্তব্য করার সময় হয়নি এখনও। আর যে যাই বলুক, মুড়ি দিয়ে চা খাওয়াটা মোটেই নতুন কিছু নয়। বরং এর সঙ্গে তেলেভাজা জুড়লে প্রস্তাবটি জম্পেস আড্ডার প্রারম্ভিক পর্ব বলে ভাবাই যায়। এতই যখন হল, তখন বি. জে. পি-ই বাদ যায় কোন সুবাদে। রাধানাথ শিকদার এভারেস্ট মেপে নাম করেছিল। অপর এক সদাহাস্য শিকদারের কর্মসূচী খুবই সহজ, সরল ও অনাড়ম্বর — ‘মানুষ থেকে হনুমান।’

    ৩১ ডিসেম্বর, ১৯৯৯, যা অবধারিত তাই ঘটল। ঘটাং! ব্যাপারটি যে কী ঘনত্বের, সেটা বুঝতে গেলে এটুকু বুঝলেই হবে ইংরিজি বছরের শেষ দিনে পালে পালে, দঙ্গলে দঙ্গলে ভদির চেলার দল গুরুদেবকে নানা টাইপের মাল এবং চানাচুর, ডালমুট, মুড়ুক্কু, চিপকি ছোলা, ঝালবাদাম, কাজু ভেট দিতে এসে দেখেছিল ভদি নেই। নলেন হেভি ভলুমে এফ.এম রেডিও বাজাচ্ছে এবং ভদির উঠোনে ওল্ড স্টাইল মেমেদের পোশাক-পরা বেচামণি খুবই দক্ষতার সঙ্গে ব্যালে টাইপের কিছু নাচছে এবং তার হাত দুটির বেড় দেওয়ার ভঙ্গি থেকে বোঝা মোটেই কঠিন নয় যে, তার নাচের পার্টনারটি কোনো সাহেবের অদৃশ্য ভূত। নলেন সকলকেই বিষাদ ও হতাশায় নিমজ্জিত করে জানিয়ে দিল যে গত রাতেই জরুরি এত্তেলা পেয়ে সামরিক তৎপরতায় ভদিকে চলে যেতে হয়েছে।

    — সেবার জন্যে যে যা এনেচো রেকে মানে মানে কেটে পড়ো। হুড়ুমতাল করেচো কি মরেচো। নতুন বছরে দেখা হবে বলে গেচে। আরও বলেচে …

    — কী? কী?

    — ‘বলেচে এঁড়ে বাছুরের ছোট ঢুঁ-তে দোষ নেই। কিন্তু গুঁতোগুঁতি করলে শিং ভেঙে গুহ্যদ্বারে ঢুকিয়ে দেবে।’

    — ‘বছরের শেষ দিনটায় প্রভুর অন্তর্ধান ঘটল। জাপটে ধরে রাখতে পারলে না?’

    — ‘এইজন্যেই তো বোকাচোদা বলতে ইচ্ছে করে। যিনি কথায় কথায় সূক্ষ্মদেহ ধারণ করেন, তাঁকে কি জাপটে ধরে রাখা যায় রে পাগল!’

    বেচামণি হঠাৎ খিলখিল হাসি-সহ অদৃশ্য ভূত পার্টনারের সঙ্গে ওয়ালজ-এর ঢঙে ঘুরপাক খায়। এটি একটি আত্মারাম সরকারের আশীর্বাদপুষ্ট ম্যাজিক আইটেম (ম্যাজিক রিয়ালিজম নয়) যার নাম গিলিগিলি পাম্প। কেন এই নাম তা কোনো গবেষক কোনোদিনও হদিশ করতে পারবে না। সে না হয় না পারল, কিন্তু ‘কাঙাল মালসাট’ যে রাবড়ির জালের থিওরিতে ঘ্যাঁতাচ্ছে সেটা লুক্কায়িত কর্মসূচি বা হিডেন এজেন্ডা থাকছে না। বুদ্ধিভ্রংশ পাঠক, তুমি বাবু লুচি বা নুচি কাহাকে বলে জানো? সেই লুচির ফোসকা দিয়ে রাবড়ি প্যাঁদানোর যে নারকীয় আনন্দ তাহা কখনই উপলব্ধি করিয়াছ? এই সান্ধ্য জলখাবারের পর যা অবশ্যকরণীয়, তা হল মাগীবাড়ি যাওয়া। পরের অধ্যায়ে দেখিবে যে সাক্ষী বড়িলাল কী অবলীলায় মাগীবাড়ি যাওয়া রপ্ত করিয়াছে। আরও দেখিবে যে, এমনও মানবশিশু আছে যাহারা ধরাধামে পা রাখিয়াই অধরা মস্করায় লীলাবান হয়। কখনও ঘুণাক্ষরেও ভুলিবে না যে পাগলের হাতে সংসার। যে-কোনো মোমেন্টে হাম্পু চলে যেতে পারে। পরে, আরও পরিপক্ব টুকটুকে মাকাল হইলে বুঝিবে সাহিত্যের শব্দসাধনা এক অলৌকিক ঠগবাজি যাহার পিছনে কাতিন অরণ্যে এন.কে. ভি. ডি দ্বারা নিহত ১৩,০০০ পোলদেশীয় অফিসার গুরুগম্ভীর মুখে বার্লিওজ-সৃষ্ট ‘সিম্ভনি ফ্যানতাস্তিক’-এর ‘মার্চ টু দা স্ক্যাফল্ড’ অংশটি শুনিতেছে, আলী সরদার জাফরি উদাত্ত কন্ঠে ‘লোহু কি পুকার’ হইতে আবৃত্তি করিতেছেন এবং রক্তস্নাত পেশোয়ার এক্সপ্রেস নিরন্তর শব বহন করিতেছে। লেখক বা পাঠক বা প্রকাশক বা সমালোচক — কেহই রেহাই পাইবে না। আপাতত — ঘটাং! কিন্তু তার আগে পায়খানা ধোলাই করার অ্যাসিডের সুইমিং পুলে যে লেখকরা বারমুডা পরিয়া লাফাইতে বদ্ধপরিকর, তাহাদের জন্য রচিত পুরন্দর ভাটের কয়েকটি অমোঘ লাইন —

    আজ্ঞাবহ দাস, ওরে আজ্ঞাবহ দাস

    সারা জীবন বাঁধলি আঁটি,

    ছিঁড়লি বালের ঘাস,

    আজ্ঞাবহ দাসমহাশয়, আজ্ঞাবহ দাস!

    আজ্ঞাবহ দাসবাবাজী, আজ্ঞাবহ দাস,

    যতই তাকাস আড়ে আড়ে,

    হঠাৎ এসে ঢুকবে গাঁড়ে,

    বাম্বু-ভিলার রেকটো-কিলার,

    গাঁট-পাকানো বাঁশ,

    আজ্ঞাবহ দাস রে আমার, আজ্ঞাবহ দাস।

    ঘটাং শব্দে মাটি খোঁড়ায় বাধাপ্রাপ্ত সরখেল আরও কয়েকবার শাবল চালাল কিন্তু মোদ্দা ফল হল শাবলের ডগা ভোঁতা, সরখেলের হাতে ফোসকা এবং গুবলেট। তখনই সরখেল পূর্ববর্ণিত টেলিকম যোগাযোগ ব্যবস্থায় ভদিকে খবর দেয় এবং ভদি সরখেলকে অবিলম্বে অপারেশন বন্ধ করতে বলে।

    — ‘মাঁটি খোঁড়া বঁন্দ রাঁখো।’

    — ‘তাঁরপঁর?’

    — ‘অ্যাঁ দাঁতও বাঁদাবেঁ না। কীঁ যেঁ বাঁল বঁলো!’

    — ‘বঁলচি, তারপঁর?’

    — ‘চুঁপচাঁপ থাঁকো। আঁমি যাঁবো।’

    — ‘কঁখন?’

    — ‘ভোঁররাঁতে। যঁকন সঁব শাঁলা ঘুঁমোবে।’

    — ‘আঁচ্চা!’

    একে শীতকাল, তায় ভোররাত। আদিগঙ্গার ধারে তখন শামুক-পচা কুয়াশায় একপাল প্রায় ন্যাংটো মানুষ শুভ কাজে লিপ্ত। এরা প্রেতযোনি প্রাপ্ত নয়। ফ্যাতাড়ু নয়। চোক্তার নয়। স্রেফ মানুষ। এদের কাজ হল আদিগঙ্গার ফাঁকফোকর, নিমজ্জিত টায়ার, ইঁট, জুতো, মালসা, খুরি ইত্যাদির গা থেকে কুচো কেঁচো ধরে লাল-নীল মাছের দোকানে সাপ্লাই করা। এরা কখনো তালা, টাইমপিস ঘড়ি, মরচে-পড়া নেপালা ও চেম্বারও পায়। এরা চালু মাল। ওই জলে নামলে পা কেটে টুকরো হয়ে যেতে পারে। তাই এরা টায়ারের চটি বা শক্তপোক্ত কিছু পরে নেয়। আবার হয়তো দেখা যাবে, কারো পায়ে অ্যাডিডাস, লট্টো বা নাইকি-র স্নিকার। কীভাবে এত দামী জুতো এদের পায়ে আসে? আসলে সব সময় হিঁয়া থেকে হুঁয়া মাল লেনদেন হচ্ছে। জালি, আসলি, চোরাই, লুট — নানা মালে বাজার ছয়লাপ। এমনটিই তো হবে-হবে শোনা গিয়েছিল। হলও এবারে। ঠেলাটা বোঝো। আসলে সব রকমের ভবিষ্যদ্বাণী সম্বন্ধেই লোকের আইডিয়া হল হাতি পাদেগা, হাতি পাদেগা — ফুশ। উল্টোটা যখন হয় তখনও শালাদের চোখ খোলে না। কিন্তু তাহাতে আগচ্ছমান মহাহুলোর একগাছা লোমের ক্ষতিও হয় না।

    ভোররাতে সরখেল ভদির পোশাক দেখে অবাক। একেবারেই সামরিক পোশাক। অলিভ গ্রিন প্যান্ট। পায়ে হান্টার জুতো। গায়ে ছোপ-ছোপ দাগ-মারা কম্যান্ডো উর্দি এবং তার ওপরে যে মিলিটারি জ্যাকেট, তা সিয়াচেন গ্লেসিয়ারে বেড়াবার সময় হামেশাই চোখে পড়ে।

    — ‘নো হ্যাংকিপ্যাংকি। নো গাঁইগুঁই। প্রবলেমটা কী?’

    — ‘সে তো আমার ঘটেও ঢুকচে না। হাত পাঁচেক খোঁড়ার পরেই ঘটাং।’

    — ‘শাবল মেরে ডেপথ চার্জ-এর মতো উড়িয়ে দাও। সাবমেরিনকে যেভাবে ক্যালাতে হয়।’

    — ‘হুঁ, শাবলই বলে উড়ে যাচ্চে। এই দ্যাখো না, হাতে গেলে-যাওয়া ফোসকা। বোরোলিন লাগিয়েচি।’

    –‘ওরে, ব্যাটলফিল্ডে বোরোলিন-ফোরোলিন চলে না। যেখানে চোট লাগবে অ্যাম্পুট করো। হাত, পা, মুণ্ডু সব পড়ে থাক। শুধু এগিয়ে চলো।’

    — ‘তুমি এগোবে তো এগোও। আমার আর ধকে কুলোচ্চে না। তার ওপর ভয়ও আচে।’

    –‘কীসের ভয়? কাকে ভয়? যুদ্ধক্ষেত্রে ভয়! হাসালে তুমি আমাকে সরখেল!’

    — ‘ওসব সোনাই দীঘি-মার্কা ডায়লগ আমিও দু-চারটে ছাড়তে পারি।

    দূত এসে বলল, মহারাজ! মহারাজ! দুর্গে শত্রু-সৈন্য ঢুকে পড়েচে। মহারাজ বলল, এই রে, গাঁড় মারিয়েচে। প্রম্পটার প্রম্পট করে শোনা নাহি যায়। চলো রাণী, অন্তঃপুরে গিয়ে প্রস্রাব করি।’

    ভদি চুলবুলিয়ে হেসে ওঠে। গড়ায়।

    — ‘টপ! টপ! ওঃ সরখেল, সলিড ছেড়েচ। এইবার গা-টা গরম হয়েচে। বলো, ভয় পাচ্চো কেন গো?’

    — ‘আমি ভাবচি মোটা লোহার পাইপ। হয় শালা ভেতরে ইলেকট্রিকের তার নয়তো সায়েবদের বসানো গু-মুতের লাইন। ভাঙতে গিয়ে হয় কারেন্ট, নয়তো নফর কুন্ডু কেস!’

    — ‘শোনো, অনেক কাঠখড় পুড়িয়ে, অনেক খোঁজপত্তর করে তোমার বাড়ির এই স্পটটা বাছা হয়েছিল। এখান দিয়ে লাইন যেতে পারে না। জল না, কারেন্ট না, গু না, কিচ্ছু না।’

    — ‘তবে, ঘটাং করল কীসে?’

    দুজনকেই চমকে দিয়ে ফিকে অন্ধকারে কেউ বলে উঠল,

    — ‘কামান।’

    বিশাল দাঁড়কাক অন্ধকার মেখে এমনভাবে ঘাপটি মেরে আছে যে বোঝবার জো নেই।

    — ‘বাবা!’

    — ‘হ্যাঁগো ভদিসোনা।’

    — ‘এই ঠান্ডায়, একেবারে আদুল গায়ে…’

    –‘থাক, আর পিতৃভক্তি মারাতে হবে না। এবার যা বলচি শোন — আমার চোখে হঠাৎ নাইট-ভিশন এসে গেল — পষ্ট দেখলুম ওটা কামান।’

    — ‘তাহলে কী হবে?’

    — ‘ঘাবড়াবার কিছু নেই। কামানটা বড় নয়, ছোট। বলতে পারিস নুনুকামান।’

    — ‘আঁজ্ঞে, দুমদাম কিছু হতে পারে?’

    — ‘ভয়েতেই গেলি। ভেতরে গোলা নেই, বারুদ নেই। স্রেফ মাটি। হাত দেড়েক ছেড়ে বাঁদিকে ঝপাঝপ দুজনে মিলে খোঁড়। তাহলেই হারামিটাকে তোলা যাবে।’

    ভদি শাবল চালায়। সরখেল ভাঙা গামলায় মাটি সরায়। ভদি ঘেমে গিয়ে জ্যাকেটটা খুলে ফেলে। ঘপাঘপ শাবল চালায়। এদিকে মাটিটা ঝুরঝুরে ছিল, তাই বেশি সময় লাগে না। শাবল ঢুকিয়ে বোঝা যায় যে কামানের একটা দিক শেষ হয়েছে।

    — ‘মাথায় তোদের ভগবান বুদ্ধি বাদে সব দিয়েচে। এবার শাবলের কাজ আর নেই। শিক দিয়ে এপাশ ওপাশ আলগা কর। তারপর নেমে টেনে তোল।’

    রোগা বলে সরখেলই নামে। কিন্তু শিক চালাবার পরেও কামান নড়াতে পারে না।

    — ‘এ তো ঝকমারি হল! মাল নড়চে না।’

    — ‘নড়বেও না। তলা দিয়ে দড়ি ঢোকা। তারপর ওপরে উঠে দুজন মিলে দু-দিক দিয়ে টান। ব্যাটা না উঠলেও কেৎরে দাঁড়িয়ে যাবে। তারপর তুলবি।’

    আরো বেশ কিছুক্ষণ কসরত করার পরে হাত দুয়েক বেবি কামানটি ডাঙায় উঠে আসে। আকাশে বেশ আলো ধরেছে। রোজই ধরে।

    সরখেল চেঁচে চেঁচে মাটি সরায়। গোড়ার দিক, মানে তোপ দাগার দিকটায় ডুমো মতো। মুখটা আবার সিংহের আদলে।

    — ‘কাদের মাল এটা বুজলি?’

    — ‘ধোয়া-মোছা করলে হয়তো লেখা-ফেখা কিছু বেরুবে।’

    — ‘সে বেরুকগে। মালটা পোর্তুগীজ জলদস্যুদের। তখন তো আদিগঙ্গা ওখান দিয়ে বইত না। বিস্তর নৌকাও চলত। পোর্তুগীজ হার্মাদদের বোটে এই কামানগুলো থাকত। বজরা-ফজরা হলে এক গোলাতেই কুপোকাত। যে সে কামান নয়। খোদ লিসবনে বানানো।’

    — ‘এখনও মালটা চালানো যাবে?’

    — ‘যাবে না কেন? তবে যত্ন-মেহনত করতে হবে। বারুদ চাই। গোলা চাই।’

    — ‘তাহলে কি মালটা আমরা স্টক করব?’

    প্রশ্নটা সরখেলের। কারণ ভদি গোপনে যে অস্ত্রাগারটি বাড়িয়ে চলেছে তার দেখভাল সরখেলই করে।

    — ‘যাদুঘর বা সায়েব ধরে বেচে দিলে ভালো মাল্লু পাওয়া যাবে। সব পুরনো মালের এখন হেভি বাজার।’

    — ‘পাত্তি কিছু হবে কিন্তু এই লোহা, এই মেকদার আর হবে না। আমি বলি কি, মালটা ধোলাই-ফোলাই করে কেরোসিন দিয়ে পালিশ কর। আমাদের স্টকেই থাক। এখনও গুছিয়ে ঝাড়তে পারলে একশো হাত দুরে পুলিশভ্যানের বিচি উড়ে যাবে।’

    — ‘বাবা যখন বলচেন সরখেল তকন আর কতা বাড়িয়ে লাভ নেই, মালটাকে আমরা স্টক করব।’

    দাঁড়কাক ডানা ঝাপটাল।

    — ‘তোরা বরং কামানটাকে রেডি কর। বছরের শেষ দিনে ভাল কাজ করলে ফল পাবি।’

    — ‘আপনি থাকবেন না! তা হলে আমাদের গাইড করবে কে?’

    — ‘আরে বাবা, এখন আমাকে এলিয়ট রোড যেতে হবে। সেখানে বেকারির পোড়া কেক খেয়ে সায়েবদের গোরস্থান। সেখান থেকে নিমতলা। এখন আমার দিনভর কাজ। পরে আমি আসব। এখন তো শুধু সাফসুরৎ করা। দুমদাম সব পরে।’

    দণ্ডবায়স প্রশস্ত ডানা মেলিয়া উড়িয়া গেল। কাক, চড়াই, শালিখ ইত্যাদিরা ডাকাডাকি শুরু করিয়াছে। এই প্রভাত বড়ই মঙ্গলময়।

    ভদি ও সরখেল পোর্তুগীজ কামানটি বহন করে দ্বিতলের কক্ষে নিয়ে যায়।

    — ‘বাবা ঠিকই বলেচে। কত বছর মাটিতে পোঁতা ছিল কে জানে, কিন্তু কোনো মরচেফরচের বালাই নেই।’

    — ‘পোর্তুগীজরা ভাল কামানিয়া ছিল বলতে হবে।’

    — সে তো ছিলই। কোথায় এক একরত্তি দেশ। সাত সমুদ্দুর পেরিয়ে এসে আদি গঙ্গায় দমাদ্দম কামান দাগচে। টাকা, গয়না, মাগী — সব দুহাতে লুটচে। ভাবলেই ভয় করে।’

    — ‘আমি একজন পোর্তুগীজ রংবাজের নাম জানি।’

    — ‘কী?’

    — ‘কারভালো।’

    — ‘দুর! ও তো থিয়েটারের দেওয়া নাম। এককালে কারভালোর পার্ট বলে ভূমেন রায় হেভি নাম করেছিল।’

    — ‘তা হবে।’

    — ‘হবে না, হয়েচে। যাক আমি তো এদিকে ভেবে হাল্লাক হচ্চি যে মাটি খোঁড়া যদি ভেস্তে যায় তাহলে কীসের জোরে আমরা লড়ব?’

    — ‘চিন্তাটা আমারও হয়েছিল। এত বড় একটা যুদ্ধের ছক।’

    — ‘যাই হোক, ভগবান সহায়। বুজলে? তা না হলে শালা কিচুর মধ্যে কিচু নেই, হঠাৎ আমাদের হাতে পোর্তুগীজ কামান। ওফ, একেবারে কামাল করে দেব। লাগুক না একবার।’

    — কী কী মাল আমাদের যোগাড় হল তার একটা লিস্ট করতে হবে। তবে আমার একটা খটকা লাগছে!’

    — ‘কিসের আবার খটকা?’

    — ‘বন্দুকের লাইনে আমরা কিন্তু বেশি কিছু করতে পারিনি। একটা দোনলা গাদা তাও সেই মান্ধাতার আমলের। আর দুটো ঢপের পিস্তল।’

    — ‘কমটা কি হে? কামান, বন্দুক, পিস্তল।’ এরপর তোমার গিয়ে ছুরি, কাঁচি তারপর তোমার গিয়ে শাবল — সব এক করে ভাবো।’

    — ‘কিন্তু যে প্ল্যান আমাদের….’

    — ‘রোসো সরখেল, রোসো। কোনো মিলিটারি জানবে একদিনে তৈরি হয় না। আজ আমাদের অস্ত্রাগার দেখলে লোকে বলবে, হাসি পায় রিজিয়ার চাপদাড়ি দেখে। কিন্তু যখন দেকবে আদিগঙ্গায় ডুবোজাহাজের পেরিস্কোপ উঁকি মারচে, ঘাটে ঘাটে মাইন ভাসচে, জাহাজী সব ছ-ঘরা, দশ-ঘরা হাতে হাতে ঘুরচে তখন? ভয়তে পোঁদ শুকিয়ে যাবে। আর আর একটা জিনিস মনে রাখবে। মোক্ষম।

    — কী?

    — নিজেদের মাল তবিল নিয়ে এমন ক্যামপেন চালাবে যে শত্রুর কানে যখন পৌঁছবে তখন ব্যাটা চমকে উঠবে। কানাঘুঁষো শুরু করে দিতে হবে। তবে টাইম বুজে। যেমন, আমাদের বলতে হবে আর্মি, নেভি, এয়ারফোর্স — সব আমাদের আচে।

    — নেভি? এয়ারফোর্স!

    — ও কোনো ব্যাপারই না। একটু মাথা খাটালেই সাবমেরিন বানানো যায়। কিচুই না। নৌকো প্লাস ডুবসাঁতার ইজইকুয়ালটু সাবমেরিন।

    — কিন্তু এয়ারফোর্স?

    — কেন? চাকতি তো উড়চেই। কী ফোর্স! তারপর ফ্যাতাড়ুরা যদি হাই অল্টিচুড থেকে পেটো ড্রপ করে! বাবা আচেন।

    — তাইতো। ভুলেই গিয়েছিলাম।

    — এইতো সরখেল, নিজের তাগৎ নিজেকে জানতে হবে। এটা হল যুদ্ধের একেবারে গোড়ার কতা। অন্যটি করেচো কি মরেচো। এরপর হল প্ল্যান। শত্রু হয়তো ঢুকচে। আয় বাবা, আয় বাবা করে তুমি ঢুকতে দিচ্চো। সে বানচোৎও ভাবচে যে কেল্লা ফতে করে এনিচি। আচমকা শালা সাঁড়াশি থিওরিতে দুপাশ থেকে ধুমা কেলাও। এইরকম আর কী। আসল ব্যাপার হল ঘটে মাল থাকতে হবে। ইতিহাসে দেকবে বড় বড় সব দেশ — ইয়া আর্মি, তারপর গিয়ে উড়োজাহাজ — ছোট কোনো দেশের পোঁদে লাগতে গেল। তারপর হেগেমুতে একসা। এইসা ঝাড় যে ছোঁচানোর টাইম অব্দি দেবেনা।

    কথাবার্তার এই ধাঁচের মধ্যে ক্রমশ সত্যই কি প্রতীয়মান হয় না যে চোক্তারদের পরিকল্পনায় সম্মুখসমর বা ঐ জাতীয় কিছু ভালোভাবেই রয়েছে? তবে এখনই পাঠক কি জানতে চায় যে পোজিশনাল ওয়ারফেয়ার না গেরিলা সংঘর্ষ — কোনদিকে ‘কাঙাল মালসাট’ চলেছে? মাও, লিন পিয়াও, টিটো, গিয়াপ, ফিদেল, চে — কোন কায়দায় লড়াই হবে? দুপক্ষই কি বাঙালি হবে না বিদেশি ভাড়াটে সেনারাও আসরে নামবে? আর যদি সত্যিই একটা বেধড়ক ক্যালাকেলি শুরু হয়ে যায় তাহলে পাঠক কোন দিকে ভিড়বে? এই সব ক-টি প্রশ্নই খুবই খুবই মুল্যবান, মাল্যবান ও জরুরি। কিন্তু এই হিমভোরে সদ্য কামান বেরোবার ঘটনায় রণনীতি বা কৌশল সম্বন্ধে যার তিলমাত্র ধারণাও আছে সে-ই অনুধাবন করবে উপরোক্ত অবস্থান কতটা যুক্তিসঙ্গত। এই বোধ যদি ঘরে ঘরে জাগ্রত হত তাহলে বেঙ্গল রেজিমেন্ট, বেঙ্গল রেজিমেন্ট বলে হেদিয়ে মরতে হত না। বাপ বাপ বলে বেঙ্গল রেজিমেন্ট তৈরি হত এবং বীরত্বে সকলকে ধুড় বানিয়ে ছাড়ত।

    চন্দননগরের জনৈক বিখ্যাত বাঙালি একবার লিখেছিলেন,

    ‘হারান চক্রবর্তী মহাশয় যথেষ্ট বলশালী ছিলেন। তিনি উদয়চাঁদ নন্দীর বাগানে একটি বড় লিচু গাছ বিনা অস্ত্রসাহায্যে ফেলিয়া দিয়াছিলেন। দুই জনে সজোরে তাঁহার গলা চাপিয়া ধরিলেও তিনি একটি রম্ভা গলাধঃকরণ করিতে পারিতেন। গগনচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় দুরন্ত ঘোড়াকে ভূমি হইতে শূন্যে তুলিয়াছিলেন। প্রায় চল্লিশ বৎসর পুর্বে পালপাড়ার বীরচাঁদ বড়ালের বাটীতে পালপাড়ার দলের উদ্যোগে ফরাসী গভর্নর বাহাদুরকে দেখাইবার জন্য ব্যায়ামক্রীড়ার ব্যবস্থা হইয়াছিল। লাটসাহেব তাহা দেখিয়া বাঙালীর ছেলের বল ও সাহসের ভূয়সী প্রশংসা করিয়াছিলেন।’

    কে তিনি? তিনি কে গো? কে গা? এর একমাত্র জবাব বাঙালির নিরবচ্ছিন্ন নীরবতা। লজ্জায় আর কত অধোবদন হইতে হইবে?

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleলুব্ধক – নবারুণ ভট্টাচার্য
    Next Article মরণজয়ী – নসীম হিজাযী

    Related Articles

    নবারুণ ভট্টাচার্য

    জার্নালিস্টের জার্নাল – নিমাই ভট্টাচার্য

    September 4, 2025
    নবারুণ ভট্টাচার্য

    লুব্ধক – নবারুণ ভট্টাচার্য

    September 1, 2025
    নবারুণ ভট্টাচার্য

    হারবার্ট – নবারুণ ভট্টাচার্য

    September 1, 2025
    নবারুণ ভট্টাচার্য

    এই মৃত্যু উপত্যকা আমার দেশ না – নবারুণ ভট্টাচার্য

    September 1, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }