Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কাদম্বরী – বানভট্ট

    বানভট্ট এক পাতা গল্প171 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ২.০৯ চন্দ্রাপীড় মণিমন্দিরে প্রবেশিয়া

    চন্দ্রাপীড় মণিমন্দিরে প্রবেশিয়া শিলাতলবিন্যস্ত শয্যায় শয়ন করিয়া মনে মনে চিন্তা করিলেন, গন্ধর্ব্বরাজদুহিতা আমার সমক্ষে যেরূপ ভাব ভঙ্গি প্রকাশ করিলেন সে সকল কি তাঁহার স্বাভাবিক বিলাস, কি মকরকেতু আমার প্রতি প্রসন্ন হইয়া প্রকাশ করাইলেন? তাঁহার তৎকালীন বিলাসচেষ্টা স্মরণ করিয়া আমার অন্তঃকরণ চঞ্চল হইতেছে। আমি যখন সেই সময়ে তাঁহার প্রতি দৃষ্টিপাত করি, তখন মুখ অবনত করিয়াছিলেন। যখন অন্যাসক্তদৃষ্টি হই তখন আমার প্রতি কটাক্ষপাত পূর্ব্বক ছলক্রমে মন্দ মন্দ হাসিয়াছিলেন। অনঙ্গ উপদেশ না দিলে এ সকল বিলাস প্রকাশ হয় না। যাহা হউক, অলীক সংকল্পে প্রতারিত হওয়া বুদ্ধিমানের কর্ম্ম নহে। অগ্রে তাঁহার মন পরীক্ষা করিয়া দেখা উচিত। এই স্থির করিয়া সমভিব্যাহারিণী বীণাবাদিনী ও গায়িকাদিগকে গান বাদ্য আরম্ভ করিতে আদেশ দিলেন। গানভঙ্গ হইলে উপবনের শোভা অবলোকন করিবার নিমিত্ত ক্রীড়াপর্ব্বতের শিখরদেশে উঠিলেন। কাদম্বরী গবাক্ষদ্বার দিয়া দেখিতে পাইয়া মহাশ্বেতার আগমন দর্শনচ্ছলে তথা হইতে প্রাসাদের উপরিভাগে আরোহণ করিয়া হৃদয়বল্লভের প্রতি অনুরাগসঞ্চারের চিহ্নস্বরূপ নানাবিধ অনঙ্গলীলা ও মনোহর বিলাস প্রকাশ করিতে লাগিলেন। তাহাতেই এরূপ অন্যমনস্ক হইলেন যে, যে ব্যপদেশে প্রাসাদের শিখরদেশে উঠিলেন তাহাতে কিছুমাত্র মনোযোগ রহিল না। মহাশ্বেতা আসিয়া প্রতিহারী দ্বারা সংবাদ দিলে সৌধশিখর হইতে অবতীর্ণ হইলেন ও স্নান ভোজন প্রভৃতি সমুদায় দিবসব্যাপার সম্পন্ন করিলেন।

    চন্দ্রাপীড় মণিমন্দিরে স্নান ভোজন সমাপন করিয়া মরকতশিলাতলে বসিয়া আছেন এমন সময়ে তমালিকা, তরলিকা ও অন্যান্য পরিজন সমভিব্যাহারে কাদম্বরীর প্রধান পরিচারিকা মদলেখা আসিতেছে দেখিলেন। কাহারও হস্তে সুগন্ধি অঙ্গরাগ, কাহারও করে মালতীমালা, কাহারও বা পাণিতলে ধবল দুকূল এবং এক জনের করে এক ছড়া মুক্তার হার। ঐ হারের এরূপ উজ্জ্বল প্রভা যে চন্দ্রোদয়ে যেরূপ দিঙ্মণ্ডল জ্যোৎস্নাময় হয়, উহার প্রভায় সেইরূপ চতুর্দ্দিক্ আলোকময় হইয়াছে। মদলেখা সমীপবর্ত্তিনী হইলে চন্দ্রাপীড় যথোচিত সমাদর করিলেন। মদলেখা স্বহস্তে রাজকুমারের অঙ্গে অঙ্গরাগ লেপন করিয়া দিল, বস্ত্রযুগল প্রদান করিল এবং গলে মালতীমালা সমর্পণ করিয়া কহিল, রাজকুমার! আপনার আগমনে অনুগৃহীত, আপনার সরল স্বভাব ও প্রকৃতিমধুর ব্যবহারে বশীভূত এবং আপনার অহঙ্কারশূন্য সৌজন্যে সন্তুষ্ট হইয়া কাদম্বরী বয়স্যভাবে প্রণয়সঞ্চারের প্রমাণস্বরূপ এই হার প্রেরণ করিয়াছেন। তিনি আপনার ঐশ্বর্য্য বা সম্পত্তি দেখাইবার আশয়ে পাঠান নাই। ইহা কেবল শুদ্ধ সরলস্বভাবতার কার্য্য বিবেচনা করিয়া অনুগ্রহ পূর্ব্বক গ্রহণ করুন। রত্নাকর এই হার বরুণকে দিয়াছিলেন। বরুণ গন্ধর্ব্বরাজকে এবং গন্ধর্ব্বরাজ, কাদম্বরীকে দেন। অমৃতমন্থনসময়ে দেবগণ ও অসুরগণ সাগরের অভ্যন্তর হইতে সমস্ত রত্ন গ্রহণ করিয়াছিলেন, কেবল ইহাই শেষ ছিল; এই নিমিত্ত এই হারের নাম শেষ। গগনমণ্ডলেই চন্দ্রের উদয় শোভাকর হয় এই বিবেচনা করিয়া রাজকুমারের কণ্ঠে পরাইয়া দিবার নিমিত্ত এই হার পাঠাইয়াছেন। এই বলিয়া চন্দ্রাপীড়ের কণ্ঠদেশে হার পরাইয়া দিল। চন্দ্রাপীড় কাদম্বরীর সৌজন্য ও দাক্ষিণ্য এবং মদলেখার মধুর বচনে চমৎকৃত ও বিস্মিত হইয়া কহিলেন, তোমাদিগের গুণে অতিশয় বশীভূত হইয়াছি। কাদম্বরীর প্রদান বলিয়া হার গ্রহণ করিলাম। অনন্তর সন্তোষজনক নানা কথা বলিয়া ও কাদম্বরীসম্বদ্ধ নানা সংবাদ শুনিয়া মদলেখাকে বিদায় করিলেন।

    আরও দেখুন
    নতুন বই
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    গল্প, কবিতা
    লাইব্রেরি
    বাংলা হস্তলিপি কুইল
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি টিউটোরিয়াল
    PDF বই
    বাংলা ডিকশনারি অ্যাপ
    বাংলা সাহিত্যের ওয়ার্কশপ
    বাংলা বইয়ের উপহার কার্ড

    কাদম্বরী চন্দ্রাপীড়ের অদর্শনে অধীর হইয়া পুনর্ব্বার প্রাসাদের শিখরদেশে আরোহণ করিলেন। দেখিলেন, তিনিও উজ্জ্বল মুক্তাময় হার কণ্ঠে ধারণ করিয়া ক্রীড়াপর্ব্বতের শিখর দেশে বিহার করিতেছেন। গন্ধর্ব্বনন্দিনী কুমুদিনীর ন্যায় চন্দ্রসদৃশ চন্দ্রাপীড়ের দর্শনে মুখবিকাস প্রভৃতি নানা বিলাস বিস্তার করিতে লাগিলেন। ক্রমে দিবাবসান হইল। সূর্য্যমণ্ডল ও দিঙ্মণ্ডল ও গগনমণ্ডল রক্তবর্ণ হইল। অন্ধকারের প্রাদুর্ভাব হওয়াতে দর্শনশক্তির হ্রাস হইয়া আসিল। কাদম্বরী সৌধশিখর হইতে ও চন্দ্রাপীড় ক্রীড়াপর্ব্বতের শিখরদেশ হইতে নামিলেন। ক্রমে সুধাংশু উদিত হইয়া সুধাময় দীধিতি দ্বারা পৃথিবীকে জ্যোৎস্নাময় করিলেন। চন্দ্রাপীড় মণিমন্দিরে শয়ন করিয়া আছেন এমন সময়ে কেয়ূরক আসিয়া কহিল, রাজকুমারী কাদম্বরী আপনার সহিত সাক্ষাৎ করিতে আসিতেছেন। তিনি সসম্ভ্রমে গাত্রোত্থান পূর্ব্বক সখীজন সমভিব্যাহারে সমাগত গন্ধর্ব্বরাজপুত্রীর যথোচিত সমাদর করিলেন। সকলে উপবিষ্ট হইলে বিনীতভাবে কহিলেন, দেবি! তোমার অনুগ্রহ ও প্রসন্নতা দর্শনে অত্যন্ত সন্তুষ্ট হইয়াছি। অনেক অনুসন্ধান করিয়াও এরূপ প্রসাদ ও অনুগ্রহের উপযুক্ত কোন গুণ আমাতে দেখিতে পাই না। ফলতঃ এরূপ অনুগ্রহ প্রকাশ করা শুদ্ধ উদার স্বভাব ও সৌজন্যের কার্য্য, সন্দেহ নাই। কাদম্বরী তাঁহার বিনয়বাক্যে অতিশয় লজ্জিত হইয়া মুখ অবনত করিয়া রহিলেন। অনন্তর, ভারতবর্ষ, উজ্জয়িনী নগরী এবং চন্দ্রাপীড়ের বন্ধু বান্ধব, জনক জননী ও রাজ্যসংক্রান্ত নানাবিধ কথাপ্রসঙ্গে অনেক রাত্রি হইল। কেয়ূরককে চন্দ্রাপীড়ের নিকটে থাকিতে আদেশ করিয়া কাদম্বরী শয়নাগারে গমন পূর্ব্বক শয্যায় শয়ন করিলেন। চন্দ্রাপীড়ও সুশীতল শিলাতলে শয়ন করিয়া কাদম্বরীর নিরভিমান ব্যবহার, মহাশ্বেতার নিষ্কারণ স্নেহ, কাদম্বরীপরিজনের অকপট সৌজন্য. গন্ধর্ব্বনগরের রমণীয়তা ও সুখসমৃদ্ধি মনে মনে চিন্তা করিতে করিতে যামিনী যাপন করিলেন।
    তারাপতি সমস্ত রাত্রি জাগরণ করিয়া প্রভাতে নিভৃত প্রদেশে নিদ্রা যাইবার নিমিত্ত যেন, অস্তাচলের নির্জ্জন প্রদেশ অন্বেষণ করিতে লাগিলেন। প্রভাতসমীরণ মালতীকুসুমের পরিমল গ্রহণ করিয়া সুপ্তোত্থিত মানবগণের মনে আহ্লাদ বিতরণ পূর্ব্বক ইতস্ততঃ বহিতে লাগিল। প্রদীপের প্রভার আর প্রভাব রহিল না। পল্লবের অগ্র হইতে নিশার শিশির মুক্তার ন্যায় ভূতলে পড়িতে লাগিল। তেজস্বীর অনুচরও অনায়াসে শত্রুবিনাশে সমর্থ হয়, যে হেতু সূর্য্যসারথি অরুণ উদিত হইয়াই সমস্ত অন্ধকার নিরস্ত করিয়া দিলেন। শত্রুবিনাশে কৃতসংকল্প লোকেরা রমণীয় বস্তুকেও অরাতিপক্ষপাতী দেখিলে তৎক্ষণাৎ বিনষ্ট করে, যে হেতু অরুণ তিমির বিনাশে উদ্যত হইয়া সুদৃশ্য তারাগণকেও অদৃশ্য করিয়া দিলেন; প্রভাতে কমল বিকসিত ও কুমুদ মুকুলিত হইতে আরম্ভ হইলে উভয় কুসুমেরই সমান শোভা হইল এবং মধুকর কলরব করিয়া উভয়তেই বসিতে লাগিল। অরুণোদয়ে তিমির নিরস্ত হইলে চক্রবাক প্রিয়তমার সন্নিধানে গমনের উদ্‌যোগ করিতেছে এমন সময়ে বিরহকাতরা চক্রবাকী প্রিয়তমের নিকটে আসিয়া উপস্থিত হইল। দিবাকরের উদয়ের সময় বোধ হইল যেন, দিগঙ্গনারা সাগরগর্ভ হইতে সুবর্ণের রজ্জু দ্বারা হেমকলস তুলিতেছে। দিবাকরের লোহিত কিরণ জলে প্রতিফলিত হওয়াতে বোধ হইল যেন, বাড়বানল সলিলের অভ্যন্তর হইতে উত্থিত হইয়া দিগ্বলয় দাহ করিবার উদ্‌যোগ করিতেছে। চিরকাল কাহারও সমান অবস্থা থাকে না প্রভাতে কুমুদবন ভ্রষ্ট, কমলবন শোভাবিশিষ্ট, শশী অস্তগত, রবি উদিত, চক্রবাক প্রীত ও পেচক বিষণ্ণ হইয়া যেন ইহাই প্রকাশ করিতে লাগিল।

    আরও দেখুন
    নতুন বই
    বাংলা হস্তলিপি কুইল
    লাইব্রেরি
    বইয়ের
    ডিকশনারি
    কৌতুক সংগ্রহ
    বাংলা সাহিত্য
    Library
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ

    চন্দ্রাপীড় গাত্রোত্থানপূর্ব্বক মুখ ধৌত করিয়া প্রাতঃকৃত্য সমাপন করিলেন। কাদম্বরী কোথায় আছেন জানিবার নিমিত্ত কেয়ূরককে পাঠাইলেন। কেয়ূরক প্রত্যাগত হইয়া কহিল, মন্দরপ্রাসাদের নিম্ন দেশে অঙ্গনসৌধবেদিকায় মহাশ্বেতা ও কাদম্বরী বসিয়া আছেন। চন্দ্রাপীড় তথায় উপস্থিত হইয়া দেখিলেন, কেহ বা রক্তপটব্রতধারিণী কেহ বা পাশুপতব্রতধারিণী তাপসী; বুদ্ধ জিন কার্ত্তিকেয় প্রভৃতি নানা দেবতার স্তুতিপাঠ করিতেছেন। মহাশ্বেতা সাদর সম্ভাষণ ও আসন দান দ্বারা দর্শনাগত গন্ধর্ব্বপুরন্ধ্রীদিগের সম্মাননা করিতেছেন। কাদম্বরী মহাভারত শুনিতেছেন। তথায় আসনে উপবিষ্ট হইয়া মহাশ্বেতার প্রতি দৃষ্টিপাত পূর্ব্বক কিঞ্চিৎ হাস্য করিলেন। মহাশ্বেতা চন্দ্রাপীড়ের অভিপ্রায় বুঝিতে পারিয়া কাদম্বরীকে কহিলেন, সখি! সঙ্গিগণ রাজকুমারের বৃত্তান্ত কিছুই জানিতে না পারিয়া অত্যন্ত উদ্বিগ্ন আছেন, ইনিও তাহাদের নিকট যাইতে নিতান্ত উৎসুক। কিন্তু তোমার গুণে ও সৌজন্যে বশীভূত হইয়া যাইবার কথা উল্লেখ করিতে পারিতেছেন না। অতএব অনুমতি কর, ইনি তথায় গমন করুন। ভিন্নদেশবর্ত্তী হইলেও কমলিনী ও কমলবান্ধবের ন্যায় এবং কুমুদিনী ও কুমুদনাথের ন্যায় তোমাদিগের পরস্পর প্রীতি অবিচলিত ও চিরস্থায়িনী হউক।

    সখি! আমি দর্শন অবধি রাজকুমারের অধীন হইয়াছি, অনুরোধের প্রয়োজন কি? রাজকুমার যাহা আদেশ করিবেন তাহাতেই সম্মত আছি। কাদম্বরী এই কথা কহিয়া গন্ধর্ব্বকুমারদিগকে ডাকাইয়া আদেশ করিলেন, তোমরা রাজকুমারকে আপন স্কন্ধাবারে রাখিয়া আইস। চন্দ্রাপীড় গাত্রোত্থানপূর্ব্বক বিনয় বাক্যে মহাশ্বেতার নিকট বিদায় লইলেন। অনন্তর কাদম্বরীকে সম্বোধন করিয়া কহিলেন, দেবি! বহুভাষী লোকের কথায় কেহ বিশ্বাস করে না। অতএব অধিক কথায় প্রয়োজন নাই। পরিজনের কথা উপস্থিত হইলে আমাকেও এক জন পরিজন বলিয়া স্মরণ করিও। এই বলিয়া অন্তঃপুরের বহির্গত হইলেন। কাদম্বরী প্রেমস্নিগ্ধ চক্ষু দ্বারা এক দৃষ্টে দেখিতে লাগিলেন। পরিজনেরা বহিস্তোরণ পর্য্যন্ত অনুগমন করিল।

    আরও দেখুন
    বাংলা ডিকশনারি অ্যাপ
    গল্প, কবিতা
    বুক শেল্ফ
    ই-বই পড়ুন
    বাংলা হস্তলিপি কুইল
    Books
    বাংলা লেখকদের সাক্ষাৎকার
    বই ডাউনলোড
    বইয়ের
    পিডিএফ

    কন্যাজনেরা বহিস্তোরণের নিকট হইতে প্রতিনিবৃত্ত হইল। চন্দ্রাপীড় কেয়ূরককর্ত্তৃক আনীত ইন্দ্রায়ুধে আরোহণ করিয়া কাদম্বরীপ্রেরিত গন্ধর্ব্বকুমারগণ সমভিব্যাহারে হেমকূটের নিকট দিয়া গমন করিতে আরম্ভ করিলেন। যাইতে যাইতে সেই পরমসুন্দরী গন্ধর্ব্বকুমারীকে কেবল অন্তঃকরণমধ্যে অবলোকন করিতেছিলেন এমন নহে, কিন্তু চতুর্দ্দিক তন্ময়ী দেখিলেন। তোমার বিরহবেদনা সহ্য করিতে পারিব না বলিয়া কাদম্বরী যেন পশ্চাৎ পশ্চাৎ আসিতেছেন দেখিতে পাইলেন। কোথায় যাও যাইতে পাইবে না বলিয়া যেন, সম্মুখে পথ রোধ করিয়া দণ্ডায়মান আছেন দেখিলেন। ফলতঃ যে দিকে দৃষ্টিপাত করেন সেই দিকেই কাদম্বরীর রূপ লাবণ্য দেখিতে পান। ক্রমে অচ্ছোদসরোবরের তীরে সন্নিবিষ্ট মহাশ্বেতার আশ্রমে উপস্থিত হইলেন। তথা হইতে ইন্দ্রায়ুধের খুরচিহ্ন অনুসারে অনেক দূর যাইয়া আপন স্কন্ধাবার দেখিতে পাইলেন। গন্ধর্ব্বকুমারদিগকে সন্তোষজনক বাক্যে বিদায় করিয়া স্কন্ধাবারে প্রবেশিলেন। রাজকুমারকে সমাগত দেখিয়া সকলে অতিশয় আহ্লাদিত হইলেন। পত্রলেখা ও বৈশম্পায়নের সাক্ষাতে গন্ধর্ব্বলোকের সমুদায় সমৃদ্ধি বর্ণন করিলেন। মহাশ্বেতা অতি মহানুভাবা, কাদম্বরী পরমসুন্দরী, গন্ধর্ব্বলোকের ঐশ্বর্য্যের পরিসীমা নাই, এইরূপ নানা কথাপ্রসঙ্গে দিবাবসান হইল। কাদম্বরীর রূপ লাবণ্য চিন্তা করিয়া যামিনী যাপন করিলেন।

    আরও দেখুন
    বইয়ের
    লেখকের বই
    অনলাইন বুকস্টোর
    বই ডাউনলোড
    বইয়ের
    পিডিএফ
    বাংলা সাহিত্যের ওয়ার্কশপ
    গল্প, কবিতা
    বাংলা হস্তলিপি কুইল
    বাংলা বইয়ের আলোচনা ফোরাম

    পর দিন প্রভাতকালে পটমণ্ডপে বসিয়া আছেন এমন সময়ে কেয়ূরক আসিয়া প্রণাম করিল। রাজকুমার প্রথমতঃ অপাঙ্গবিস্তৃত নেত্রযুগল দ্বারা তদনন্তর প্রসারিত বাহুযুগ দ্বারা কেয়ূরককে আলিঙ্গন করিয়া মহাশ্বেতা, কাদম্বরী এবং কাদম্বরীর সখীজন ও পরিজনদিগের কুশলবার্ত্তা জিজ্ঞাসিলেন। কেয়ূরক কহিল, রাজকুমার এত আদর করিয়া যাহাদিগের কথা জিজ্ঞাসা করিতেছেন তাহাদিগের কুশল, সন্দেহ কি! কাদম্বরী বদ্ধাঞ্জলি হইয়া অনুনয় পূর্ব্বক এই বিলেপন ও তাম্বূল গ্রহণ করিতে অনুরোধ করিয়াছেন। মহাশ্বেতা বলিয়া পাঠাইয়াছেন, “রাজকুমার! যাহারা আপনাকে নেত্রপথের অতিথি করে নাই তাহারাই ধন্য ও সুখে কালযাপন করিতেছে। যে গন্ধর্ব্বনগর আপনি উৎসবময় ও আনন্দময় দেখিয়া গিয়াছেন তাহা এক্ষণে আপনার বিরহে দীন বেশ ধারণ করিয়াছে! আমি সমুদায় পরিত্যাগ করিয়াছি, রাজকুমারকে বিস্মৃত হইবার চেষ্টা পাইতেছি, কিন্তু আমার মন বারণ না মানিয়া সেই মুখচন্দ্র দেখিতে সর্ব্বদা উৎসুক। কাদম্বরী দিবসবিভাবরী আপনার প্রফুল্ল মুখকমল স্মরণ করিয়া অতিশয় অসুস্থ হইয়াছেন। অতএব আর এক বার গন্ধর্ব্বনগরে পদার্পণ করিলে সকলে চরিতার্থ হই।” শেষনামক হার শয্যায় বিস্মৃত হইয়া ফেলিয়া আসিয়াছিলেন তাহাও আপনাকে দিবার নিমিত্ত এই চামরধারিণীর করে পাঠাইয়াছেন। কেয়ূরকের মুখে কাদম্বরীর ও মহাশ্বেতার সন্দেশবাক্য শ্রবণ করিয়া রাজকুমার অতিশয় আনন্দিত হইলেন। স্বহস্তে হার, বিলেপন ও তাম্বূল গ্রহণ করিলেন। অনন্তর কেয়ূরকের সহিত মন্দুরায় গমন করিলেন। যাইতে যাইতে পশ্চাতে কেহ আসিতেছে কি না মুখ ফিরাইয়া বারংবার দেখিতে লাগিলেন। প্রতীহারীরা তাঁহার অভিপ্রায় বুঝিয়া পরিজনদিগকে সঙ্গে যাইতে নিষেধ করিল। আপনারাও সঙ্গে না গিয়া দূরে দণ্ডায়মান রহিল। চন্দ্রাপীড় কেবল কেয়ূরকের সহিত মন্দুরায় প্রবেশিয়া ব্যগ্র হইয়া জিজ্ঞাসা করিলেন, কেয়ূরক! বল, আমি তথা হইতে বহির্গত হইলে গন্ধর্ব্বরাজকুমারী কিরূপে দিবস অতিবাহিত করিলেন? মহাশ্বেতা কি বলিলেন? পরিজনেরাই বা কে কি কহিল? আমার কোন কথা হইয়াছিল কি না?

    আরও দেখুন
    বইয়ের
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কাগজ
    PDF
    বাংলা ডিকশনারি অ্যাপ
    বাংলা কৌতুক বই
    বাংলা লেখকদের সাক্ষাৎকার
    বাংলা অডিওবুক
    বাংলা ফন্ট সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা সাহিত্যের কোর্স

    কেয়ূরক কহিল, রাজকুমার! শ্রবণ করুন, আপনি গন্ধর্ব্বনগরের বহির্গত হইলে কাদম্বরী পরিজন সমভিব্যাহারে প্রাসাদশিখরে আরোহণ করিয়া আপনার গমনপথ নিরীক্ষণ করিতে লাগিলেন। আপনি নেত্রপথের অগোচর হইলেও অনেকক্ষণ সেই দিকে নেত্রপাত করিয়া রহিলেন। অনন্তর তথা হইতে নামিয়া যেখানে আপনি ক্ষণকাল অবস্থান করিয়াছিলেন সেই ক্রীড়াপর্ব্বতে গমন করিলেন। তথায় যাইয়া চন্দ্রাপীড় এই শিলাতলে বসিয়াছিলেন, এই স্থানে স্নান করিয়াছিলেন, এই স্থানে ভোজন করিয়াছিলেন, এই মরকতশিলায় শয়ন করিয়াছিলেন, এই সকল দেখিতে দেখিতে দিবস অতিবাহিত হইল। দিবাবসানে মহাশ্বেতার অনেক প্রযত্নে যৎকিঞ্চিৎ আহার করিলেন। রবি অস্তগত হইলেন। ক্রমে চন্দ্রোদয় হইল। চন্দ্রোদয়ে চন্দ্রকান্তমণির ন্যায় তাঁহার দুই চক্ষু দিয়া জলধারা পড়িতে লাগিল। নেত্র মুকুলিত করিয়া কপোলে কর প্রদান পূর্ব্বক বিষণ্ণ বদনে কতপ্রকার চিন্তা করিতে লাগিলেন। ভাবিতে ভাবিতে অতিকষ্টে শয়নাগারে প্রবেশিলেন। প্রবেশমাত্রে শয়নাগার কারাগার বোধ হইল। সুশীতল কোমল শয্যাও উত্তপ্ত বালুকার ন্যায় গাত্র দাহ করিতে লাগিল। প্রভাত হইতে না হইতেই আমাকে ডাকাইয়া আপনার নিকট পাঠাইয়া দিলেন।

    গন্ধর্ব্বকুমারীর পূর্ব্বরাগজনিত বিষম দশার আবির্ভাব শ্রবণে আহ্লাদিত ও কাতর হইয়া রাজকুমার আর চঞ্চল চিত্তকে স্থির করিতে পারিলেন না। বৈশম্পায়নকে স্কন্ধাবারের রক্ষণাবেক্ষণের ভার দিয়া পত্রলেখার সহিত ইন্দ্রায়ুধে আরোহণ পূর্ব্বক গন্ধর্ব্বনগরে চলিলেন। কাদম্বরীর বাটীর দ্বারদেশে উপস্থিত হইয়া ঘোটক হইতে নামিলেন। সম্মুখাগত এক ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসিলেন, গন্ধর্ব্বরাজকুমারী কাদম্বরী কোথায়? সে প্রণতি পূর্ব্বক কহিল, ক্রীড়াপর্ব্বতের নিকটে দীর্ঘিকাতীরস্থিত হিমগৃহে অধিষ্ঠান করিতেছেন। কেয়ূরক পথ দেখাইয়া চলিল। রাজকুমার প্রমোদবনের মধ্য দিয়া কিঞ্চিৎ দূর যাইয়া দেখিলেন, কদলীদল ও তরুপল্লবের শোভায় দিঙ্মণ্ডল হরিদ্বর্ণ হইয়াছে। তরুগণ বিকশিত কুসুমে আলোকময় ও সমীরণ কুসুমসৌরভে সুগন্ধময়। চতুর্দ্দিকে সরোবর, অভ্যন্তরে হিমগৃহ। বোধ হয় যেন, বরুণ জলক্রীড়া করিবার নিমিত্ত ঐ গৃহ নির্ম্মাণ করিয়াছেন। তথায় প্রবেশ মাত্র বোধ হয় যেন তুষারে অবগাহন করিতেছি। ঐ গৃহে সুশীতলশিলাতলবিন্যস্ত শৈবাল ও নলিনীদলের শয্যায় শয়ন করিয়াও কাদম্বরীর গাত্রদাহ নিবারণ হইতেছে না, প্রবেশিয়া দেখিলেন। কাদম্বরী রাজকুমারকে দেখিবামাত্র অতিমাত্র সসম্ভ্রমে গাত্রোত্থান করিয়া যথোচিত সমাদর করিলেন। মেঘাগমে চাতকীর যেরূপ আহ্লাদ হয়, চন্দ্রাপীড়ের আগমনে কাদম্বরী সেইরূপ আহ্লাদিত হইলেন। সকলে আসনে উপবিষ্ট হইলে, ইনি রাজকুমারের তাম্বূলকরঙ্কবাহিনী ও পরমপ্রীতিপাত্র, ইঁহার নাম পত্রলেখা, এই বলিয়া কেয়ূরক পত্রলেখার পরিচয় দিল। পত্রলেখা বিনীত ভাবে মহাশ্বেতা ও কাদম্বরীকে প্রণাম করিল। তাঁহারা যথোচিত সমাদর ও সম্ভাষণ পূর্ব্বক হস্ত ধারণ করিয়া আপন সমীপদেশে বসাইলেন এবং সখীর ন্যায় জ্ঞান করিতে লাগিলেন।

    আরও দেখুন
    Library
    বই ডাউনলোড
    বইয়ের তালিকা
    বই
    গল্প, কবিতা
    বাংলা বই
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    বাংলা হস্তলিপি কুইল
    পিডিএফ
    বইয়ের

    চন্দ্রাপীড় চিত্ররথতনয়ার তদানীন্তন অবস্থা দেখিয়া মনে মনে কহিলেন, আমার হৃদয় কি দুর্ব্বিদগ্ধ! মনোরথ ফলোন্মুখ হইয়াছে তথাপি বিশ্বাস করিতেছে না। ভাল, কৌশল করিয়া দেখা যাউক এই স্থির করিয়া জিজ্ঞাসা করিলেন, দেবি! তোমার এরূপ অপরূপ ব্যাধি কোথা হইতে সমুত্থিত হইল? তোমাকে আজি এরূপ দেখিতেছি কেন? মুখকমল মলিন হইয়াছে, শরীর শীর্ণ হইয়াছে, হঠাৎ দেখিলে চিনিতে পারা যায় না। যদি আমা হইতে এ রোগের প্রতিকারের কোন সম্ভাবনা থাকে, এখনই বল। আমার দেহ দান বা প্রাণ দান করিলেও যদি সুস্থ হও আমি এখনি দিতে প্রস্তুত আছি। কাদম্বরী বালা ও স্বভাবমুগ্ধা হইয়াও অনঙ্গের উপদেশপ্রভাবে রাজকুমারের বচনচাতুরীর যথার্থ ভাবার্থ বুঝিলেন। কিন্তু লজ্জাপ্রযুক্ত বাক্য দ্বারা উত্তর দিতে অসমর্থ হইয়া ঈষৎমুহাস্য করিয়া সচিত উত্তর প্রদান করিলেন। মদলেখা তাহারই ভাবার্থ ব্যক্ত করিয়া কহিল, রাজকুমার! কি বলিব আমরা এরূপ অপরূপ ব্যাধি ও অদ্ভুত সন্তাপ কখন কাহারও দেখি নাই। সন্তাপিত ব্যক্তির নলিনীকিসলয় হুতাশনের ন্যায়, জ্যোৎস্না উত্তাপের ন্যায়, সমীরণ বিষের ন্যায় বোধ হয়, ইহা আমরা কখনও শ্রবণ করি নাই। জানি না এ রোগের কি ঔষধ আছে। প্রণয়োন্মুখ যুবজনের অন্তঃকরণ কি সন্দিগ্ধ! কাদম্বরীর সেইরূপ অবস্থা দেখিয়া ও মদলেখার সেইরূপ উত্তর শুনিয়াও চন্দ্রাপীড়ের চিত্ত সন্দেহদোলা হইতে নিবৃত্ত হইল না। তিনি ভাবিলেন, যদি আমার প্রতি কাদম্বরীর যথার্থ অনুরাগ থাকিত, এ সময় স্পষ্ট করিয়া ব্যক্ত করিতেন। এই স্থির করিয়া মহাশ্বেতার সহিত মধুরালাপগর্ভ নানাবিধ কথাপ্রসঙ্গে ক্ষণ কাল ক্ষেপ করিয়া পুনর্ব্বার স্কন্ধাবারে চলিয়া গেলেন। কাদম্বরীর অনুরোধে কেবল পত্রলেখা তথায় থাকিল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleনরকের দ্বার খোলা ২ – বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    Next Article প্রবন্ধ সংগ্রহ – বিনয় ঘোষ
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }