Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কাপালিকরা এখনও আছে – বিমল কর

    বিমল কর এক পাতা গল্প170 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৮. তারাপদর চেহারা

    আট

    সকালে তারাপদর চেহারা দেখে চন্দন বেশ ঘাবড়ে গেল। মুখ কেমন থমথম করছে তারাপদর, উদাস চোখ, বার বার নিশ্বাস ফেলছে শব্দ করে, কিসের এক দুঃখ যেন তার সমস্ত মুখ ম্লান করে রেখেছে। কথাবার্তা বলতেও তার তেমন ইচ্ছে করছি না। আপন মনে কত কী যে ভাবছে তারাপদ, কে জানে!

    চন্দন বুঝিয়ে সুঝিয়ে বলল, “তুই এত মুষড়ে পড়লে চলবে কেন? কী হয়েছে তোর?”

    তারাপদ চুপচাপ, কথার জবাবই দেয় না, শেষে বলল, “কাল আমার মা এসেছিল। একবার যদি দেখতে পেতাম…।”

    চন্দন বলল, “তুই সত্যিই বিশ্বাস করিস মাসিমা এসেছিলেন?”

    “তুই করিস না?”

    চন্দন বুঝতে পারছিল না, বিশ্বাস করা উচিত কি উচিত নয়। সে বিশ্বাস করতেও চাইছে না, আবার অবিশ্বাস করারও জোর পাচ্ছে না।

    তারাপদ ধরা-ধরা গলায় বলল, “মার সঙ্গে বাবাও এসেছিল, চাঁদু। আমার বাবা। স্কুলে যখন ক্লাস এইটে পড়ি, সেই সময় বাবা মারা গেছে; এত বছর পরে বাবা এসেছিল…; ইস্ আমি যে কী করলাম!”

    তারাপদর চোখ ছলছল করে উঠল; ঠোঁট কাঁপতে লাগল । চন্দন বুঝতে পারল না কী বলবে। তার খারাপ লাগছিল। মাবাবার জন্যে বন্ধুর এই দুঃখ সে বুঝতে পারে, কিন্তু কেমন করে সান্ত্বনা দেবে জানে না। মাথা চুলকে চন্দন বলল, “তারা, এমন তো হতে পারে এ সবই মিথ্যে।”

    তারাপদর ভাল লাগল না কথাটা। বন্ধুর দিকে ক্ষোভের চোখে তাকাল। বলল, “মিথ্যে?”

    “কিকিরা তো তাই বলেছেন।”

    “কিকিরা যা বলবেন তাই সত্যি হবে? বেশ, তুই বল–এটা কেমন করে সম্ভব হল? আমি ওই মেয়েটার একটা হাত আর একটা পা ছুঁয়ে রেখেছিলাম। একবারও ছাড়িনি। তুইও ছুঁয়ে ছিলি। ঠিক কি না?”

    “হ্যাঁ।”

    “তা হলে ঘন্টাটা কেমন করে বাজল? কে বাজাল?”

    চন্দন জবাব দিতে পারল না। সে এই ব্যাপারটা নিয়ে কাল রাত থেকেই। ভেবেছে, ভেবে কোনো কূল-কিনারা পায়নি। এক যদি এমন হয় যে, ওই ঘুটঘুঁটে অন্ধকার ঘরে কেউ লুকিয়ে এসে ঘণ্টাটা বাজিয়ে দিয়ে যায়! কিন্তু তা কেমন করে সম্ভব? লোকটা আসবে, বাজাবে, চলে যাবে–আর তারা দুজনে কিছুই বুঝতে পারবে না?

    চন্দন বলল, “আমিও বুঝতে পারছি না। আচ্ছা তারা, ঘণ্টা যেটা বেজেছিল সেটা আমাদের টেবিলের তলায় ছিল সেটা ঠিক তো?”

    “নিশ্চয়। কেন, তোর সন্দেহ হচ্ছে?”

    “না, আমারও হচ্ছে না। তবু তোকে কাল যা বলছিলাম রাত্রে, কেউ যদি লুকিয়ে এসে বাজিয়ে দিয়ে যায়?”

    “বাজে কথা বলিস না। অত অন্ধকারে এসে ঘণ্টা খুঁজে বাজিয়ে দিয়ে যাবে–আর আমাদের গায়ে পায়ে কোথাও তার ছোঁয়া লাগবে না–তা কি হয়? তুই একটা জিনিস ঠিক জানবি, যতই অন্ধকার থাকুক, তোর গায়ের পাশে কেউ যদি এসে দাঁড়ায় তুই নিশ্চয় বুঝতে পারবি। বাই ইনটিংক্ট।”

    চন্দন অস্বীকার করতে পারল না।

    তারাপদ বলল, “তারপর আমরা হাত ছেড়ে দেবার সঙ্গে সঙ্গেই প্রায় বাতি জ্বলে উঠেছিল। যদি কেউ এসে থাকে–অত তাড়াতাড়ি পালাবে কোথায়?”

    স্বীকার করে নিল চন্দন। এমন সব রহস্যময় কাণ্ড পর পর দু’ দিন তারা দেখল যে, কোনো রকমেই তা ব্যাখ্যা করা যাচ্ছে না। তা হলে কি সত্যিই আত্মা আছে? মানুষ মারা যাবার পর এই জীবলোকে না-থাকলেও অন্য কোনো জায়গায় থাকে? মানে তাদের আত্মা থেকে যায়? হাজার হাজার বছর ধরে কত। মানুষ এই জগতে এসেছে, চলে গেছে। সবাই কি তা হলে অন্য কোনো জগতে–অন্য কোনো লোকে আছে? কোটি কোটি আত্মা সেখানে কেমন করে আছে?

    বিশ্বাস করতে ইচ্ছে করল না চন্দনের। সে ডাক্তার । মানুষ একটা বিচিত্র যন্ত্রের মতন, কে জানে ভগবান কেমন করে এই যন্ত্র তৈরি করেছিলেন, কিন্তু এই যে যন্ত্র, এর কোনো তুলনা নেই, চাঁদে যাওয়ার চেয়েও এ অনেক রহস্যময়। সেই যন্ত্র যখন অচল হয়ে যায় কোনো কারণে, তখনই মৃত্যু। তারপর আর কিছু থাকতে পারে না।

    থাকতে পারে না; কিন্তু এ-সব কেমন করে হচ্ছে? চন্দন অতশত আর ভাবতে পারল না। বলল, “নে ওঠ, কিকিরার সঙ্গে দেখা করার সময় হয়ে গেছে।”

    তারাপদ এতই মুষড়ে পড়েছিল যে, কিকিরার কাছে যাবার জন্যে গা করল না। বলল, “আমার আর ভাল লাগছে না। তুই যা।”

    চন্দন অবাক বন্ধুকে দেখতে লাগল। “তুই যাবি না মানে?”

    “আমার ইচ্ছে করছে না।”

    “কিন্তু কিকিরা এই ব্যাপারটা আমাদের বুঝিয়ে দিতে পারেন।”

    “মুখে অনেক কিছু বুঝিয়ে দেওয়া যায়, চাঁদু-” তারাপদ বলল, “মন তা মানতে চায় না।”

    চন্দন বন্ধুর এই ভেঙে পড়া ভাব পছন্দ করল না। বলল, “তুই এখানে বসে থেকে কী করবি একলা একলা। তার চেয়ে কিকিরার কাছে চল । কিকিরাকে সব বলি। আমার তো মনে হয় কিকিরার পরামর্শ খুব দরকার এখন।”

    তারাপদ বলল, “তুই যা। আমি একবার সাধুমামাকে ধরবার চেষ্টা করি । সাধুমামা আমার মা-বাবার কথা সবই জানে। দেখি, সাধুমামাকে দিয়ে যদি কোনো কথা বলাতে পারি ।”

    চন্দন কী ভেবে তারাপদর কথায় রাজি হয়ে গেল। তারাপদ যদি সাধুমামাকে দিয়ে দু-চারটে কথা বলাতে পারে, ভালই হবে। চন্দন বলল, “ঠিক আছে তুই এই বাড়ির দিকটায় নজর রাখ, সাধুমামাকে যদি ধরতে পারিস ধর; আমি কিকিরার সঙ্গে দেখা করে আসি। এবাড়িতে সাইকেল আছে। একটা সাইকেল বাগিয়ে এক চক্কর ঘুরে আসতে আসতে পারলে ভাল হয়। চল, দেখি কী করা যায়।”

    দুই বন্ধু বাগানের রোদে পায়চারি করতে করতে মৃত্যুঞ্জয়কে খুঁজতে লাগল।

    চন্দন একটা সাইকেল জুটিয়ে চলে গেছে অনেকক্ষণ। তারাপদ সে বাগানেই ঘুরে বেড়াতে বেড়াতে শেষ পর্যন্ত পেয়ারা গাছের ছায়ায় এসে বসে। ছিল। মৃত্যুঞ্জয় আজ তারাপদর সঙ্গ ছাড়তে চাইছিল না। গায়ে যেন লেপটে ছিল অনেকক্ষণ। বোধ হয় চন্দনকে একটা সাইকেল তাড়াতাড়ি জুটিয়ে দিয়ে সে তারাপদকে একলাই পেতে চাইছিল ।

    তারাপদ নিরীহ, সরল মানুষ। হয়ত অনেক সময় বোকামি করে ফেলে। কিন্তু মৃত্যুঞ্জয় লোকটাকে দেখা পর্যন্ত তার মন যেরকম বিগড়ে আছে, তাতে লোকটার সঙ্গে মেলামেশা করতে চাইছিল না। তা ছাড়া মানুষ যাকে সন্দেহ করে, তার কাছে মনখোলা হয় না, হতে পারে না। তারাপদ একেবারে বোক নয়, সে মৃত্যুঞ্জয়ের উদ্দেশ্য জানে না যদিও, তবু খুব সাবধানে কথাবার্তা বলতে লাগল। কথাবার্তা বলতে বলতে বুঝল, লোকটা যতই ধূর্ত শয়তান হোক, তার মনের ইচ্ছেটা একেবারে গোপন রাখতে শেখেনি। মৃত্যুঞ্জয় চায় না, তারাপদ এবাড়িতে বেশিদিন থাকে। হ্যাঁ, কথাবার্তা থেকে সেই রকমই আঁচ করল তারাপদ।

    বেলা আরও বেড়ে উঠল। শীতের রোদ মাথা-গা তাতিয়ে যখন কপালে ঘাম ফোঁটাতে লাগল, তারাপদ তখন পেয়ারাতলায় একা-একা বসে একটা সিগারেট শেষ করল। এদিক ওদিক তাকিয়েও সে সাধুমামাকে কোথাও দেখতে পেল না। বাগান ফাঁকা। একটা দেহাতী মালী কিছু কাজকর্ম করছিল বাগানের একপাশে সবজি বাগানে; সেও চলে গেছে। ডায়নামোটা আর চলছে না। শব্দ নেই। আকাশ একেবারে নীল। চিলটিল উড়ছে অনেক উঁচুতে।

    তারাপদ বারবার তার মা বাবার কথা ভাবছে। বেচারি বাবা, দুঃখী মা। মা যে কত কষ্ট করে তাকে মানুষ করেছিল, তারাপদই জানে। মা বাবা বেঁচে থাকলে আজ কি তারাপদর এমন অবস্থা হত?

    পেয়ারাতলা ছেড়ে তারাপদ উঠে পড়ল। ভাল লাগছে না। কেন সে এখানে এল? না এলে এমন করে তাকে দুঃখ পেতে হত না। মা বাবাকে তো। সে ভুলেই গিয়েছিল, ভুজঙ্গ নতুন করে সেই দুঃখ জাগিয়ে তুলল। শুধু জাগিয়ে তুলল না, তারাপদর এখন থেকে বারবার মনে পড়বে–তার বাবা, মা বোন–সকলেই যেন আকাশে বাতাসে কোথাও আছে, কোনো ছায়ালোকে, অদৃশ্য আত্মা হয়ে।

    অন্যমনস্কভাবে হাঁটতে হাঁটতে তারাপদ আস্তাবলের কাছে আসতেই হঠাৎ তার নজরে পড়ল, খানিকটা তফাতে টালির একটা ভাঙাচোরা ঘরের একপাশে আতা-ঝোঁপের দিকে সাধুমামা দাঁড়িয়ে। কী যেন করছিল সাধুমামা।

    তারাপদ একবার চারপাশে তাকাল। কাউকে দেখতে পেল না। আস্তাবলে ঘোড়া নেই। সহিস বোধ হয় ঘোড়া নিয়ে মাঠে গিয়েছে।

    প্রায় চোরের মতন তারাপদ সাধুমামার কাছাকাছি এসে দাঁড়াল। ততক্ষণে সাধুমামা তারাপদকে দেখতে পেয়ে গেছেন।

    সাধুমামা তারাপদকে দেখে ভয়ের চোখে চারপাশে তাকালেন, যেন কেউ তাঁকে দেখে ফেলবে।

    তারাপদ বলল, “সাধুমামা!”

    আতা-ঝোঁপের আড়ালে মাটিতে বসে পড়লেন সাধুমামা, চোখে ভয়, সারা মুখে উদ্বেগ । ইশারায় তারাপদকে বসে পড়তে বললেন।

    তারাপদ বসল। বসে একদৃষ্টে সাধুমামার দিকে তাকিয়ে থাকল। তারপর বলল, “সাধুমামা, তুমি বোবা সেজে বসে রয়েছ কেন?”

    সাধুমামা জবাব দিতে পারলেন না। তাঁর গলার শিরা ফুলে উঠল, মুখ কেমন কালচে হয়ে এল, জল এসে পড়ল চোখে । তারপর চাপা গলায়, ভাঙা ভাঙা স্বরে, জড়িয়ে জড়িয়ে বললেন, “প্রাণের ভয়ে।” বলতে বলতে সাধুমামা তাঁর রোগা হাত কপালে তুললেন। তাঁর হাত কাঁপছিল থরথর করে । শিরাগুলোই চোখে পড়ে, বিন্দুমাত্র মেদ-মাংস যেন হাতে নেই, হাড় ফুটে আছে। সাধুমামার গলার স্বর থেকেই বোঝা যায়, তাঁর গলা কি বিশ্রী খসখসে হয়ে গেছে, জিবের কোনো দোষ হয়েছে তাঁর, কথা জড়িয়ে যায়।

    তারাপদর কান্না পাচ্ছিল। বেচারি সাধুমামা। যেভাবে সাধুমামা বেঁচে আছেন, তা প্রায় মরে যাবারই সামিল। তারাপদ বলল, “ভুজঙ্গ তোমায় মেরে ফেলবে?”

    “মারতে চেয়েছিল। পারেনি।” টেনে-টেনে জড়িয়ে-জড়িয়ে সাধুমামা বললেন।

    “কেন?”

    “আমি ওর বাধা হয়ে পড়েছিলাম।”

    “কিন্তু তুমি আমাদের সব খবরাখবর ওকে দিয়েছ। আমাদের ছবি দিয়েছ।”

    “দিয়েছি, বাবা। তখন ওকে বুঝিনি। ও আমায় বশ করে রেখেছিল। আমি তোমাদের ভালই চেয়েছিলাম। পরে বুঝলাম, ও একটা পাপী, নরকেও ওর জায়গা নেই। পশু…পশু..একেবারে পশু।” সাধুমামা অনেক কষ্ট করে কথাগুলো বললেন। বলতে তাঁর কী পরিশ্রম যে হচ্ছিল, তারাপদ বুঝতে পারল।

    “কথা বলতে তোমার বড় কষ্ট হয়, না?”

    “হ্যাঁ। বড় কষ্ট।“

    তুমি আমায় একটা কথা বলো সাধুমামা। ভুজঙ্গ কি আত্মা নামাতে পারে?”

    সাধুমামা কিছু বলার আগেই মৃত্যুঞ্জয়কে তারাপদ দেখতে পেল। সঙ্গে সঙ্গে তার বুক ধক করে লাফিয়ে উঠল যেন। সর্বনাশ! মৃত্যুঞ্জয় যদি তাদের দেখতে পায়, সাধুমামার ভীষণ অবস্থা হবে। তারাপদ ভয়ে কাঠ হয়ে বলল, “সাধুমামা, মৃত্যুঞ্জয়।”

    মৃত্যুঞ্জয়ের নাম শোনামাত্র সাধুমামা আতা-ঝোঁপের আড়ালে শুয়ে পড়লেন। শুয়ে পড়ে হাত-পা গুটিয়ে কুণ্ডলী হয়ে গড়াতে গড়াতে আরও হাত কয়েক দূরে সরে গেলেন। জায়গাটা আরও ঝোপেঝাড়ে ভরা, বুনো তুলসীর ঝোঁপ, কাঁটা-ঝোঁপ, তারই মধ্যে এক ধরনের বুনো লতা গাছপালার গা জড়িয়ে জড়িয়ে বেড়ে উঠেছে। সাধুমামা ইশারায় তারাপদকে চলে যেতে বললেন।

    তারাপদ আড়াল থেকে মৃত্যুঞ্জয়কে লক্ষ করতে লাগল। সামান্য সময় লক্ষ করার পর দেখল, মৃত্যুঞ্জয় অন্যদিকে চলে যাচ্ছে । বাড়ির ভেতরেই যাচ্ছে।

    তারাপদ বসে বসেই বলল, “সাধুমামা, কাল ভুজঙ্গ আমার মা-র আত্মাকে এনেছিল। বাবাও এসেছিল। আমি গোলমাল করে ফেলায় সব নষ্ট হয়ে গেল ভুজঙ্গ কেন আমার মা-বাবাকে এনেছিল? সত্যিই কি তারা এসেছিল?”

    সাধুমামা হাত বেড়ে তারাপদকে চলে যেতে ইশারা করছিলেন। বললেন, “ভুজঙ্গ তোমায় এইখানে এবাড়িতে আটকে রাখতে চায়। সারা জীবনের মতন। তোমাকেও সে ভুজঙ্গ করতে চাইছে। খবরদার, তুমি থেকো না। এই সম্পত্তির জন্যে নিজের সর্বনাশ তুমি করো না, বাবা। তুমি পাপী হয়ো না। এ বড় পাপের জিনিস।..যাও, আর এখানে থেকো না। উঠে যাও। পরে কথা বলব।”

    তারাপদ কয়েক মুহূর্ত বসে থেকে সাধুমামাকে দেখল। অবশ্য সাধুমামাকে দেখা যাচ্ছে না আর, আড়ালে মাটিতে শুয়ে আছেন, এমনভাবে কুণ্ডলী পাকিয়ে শুয়ে আছেন যে, মুমূর্ষ জন্তুর মতন দেখাচ্ছে।

    দীর্ঘনিশ্বাস ফেলে তারাপদ উঠে দাঁড়াল। তারপর ধীরে ধীরে নিজের ঘরের দিকে এগিয়ে চলল।

    .

    আরও খানিকটা বেলায় চন্দন ফিরল।

    তারাপদ তার বিছানায় শুয়ে ছিল ছাদের দিকে তাকিয়ে। খোলা জানলা দিয়ে রোদ আসছে না, কিন্তু আলো আসছিল। উজ্জ্বল আলো। এক জোড়া ভোমরা ঘরের মধ্যে উড়ছে, জানলা দিয়ে বাইরে চলে যাচ্ছে, আবার কখন এসে ঘরে ঢুকে পড়ছে। শেষ পর্যন্ত তারা উড়ে গেল বাইরে। তারাপদও নিশ্চিন্ত বোধ করল ।

    চন্দন এসে বলল, “তারা, তুই না-যাওয়ায় কিকিরা খুব ঘাবড়ে গিয়েছেন।”

    “কেন?”

    “কিকিরা ভয় পাচ্ছেন, তুই না শেষ পর্যন্ত ভুজঙ্গর খপ্পরে পড়ে যাস।”

    তারাপদ তেমন খুশি হল না; বলল, “খপ্পরে পড়ে যাবার কী দেখলেন উনি?”

    চন্দন বলল, “তুই আত্মা-নামানোর ব্যাপারে বিশ্বাস করে ফেলেছিস। ভুজঙ্গ এই চাল দিয়ে তোকে বাগিয়ে ফেলবে।”

    “মানে?”

    “মানে এর পর ভুজঙ্গ যা বলবে–তুই তাই করবি।”

    তারাপদ হঠাৎ যেন কেমন রেগে উঠল। বলল, “কিকিরা যা বলবেন তাই মেনে নিতে হবে? উনি মুখেই বলছেন, কাজে কিছু দেখাতে পারছেন? বোঝাতে পারছেন? কালকের ব্যাপারটা কেমন করে হল–কিকিরা আমায় বোঝান, তারপর অন্য কথা।”

    চন্দন বলল, “কিকিরা বললেন, ঘরে কোনো আত্মাটাত্মা নামেনি। এটা ওই মেয়েটিরই কাজ।”

    তারাপদ এত অবাক হয়ে গেল যে, কিছুক্ষণ কথাই বলতে পারল না। তারপর বলল, “কী বাজে কথা বলছিস তুই? মেয়েটা কেমন করে ঘণ্টা বাজাবে! আমরা তার হাতে হাত রেখে বসে ছিলাম, আমাদের পা তার পা ছুঁয়ে ছিল। তুই কি বলতে চাস মেয়েটার আরও একটা লুকোনো হাত ছিল? বাজে বকিস না চাঁদু।”

    চন্দন বলল, “কিকিরাকে আমি সে-কথা বলেছিলাম। উনি বললেন, হাতে হাত রাখা, পায়ে পা ছোঁয়ানো সবই ঠিক কিন্তু ওরই মধ্যে একটা ভেলকি আছে।”

    “ভেলকি আছে বললেই তো চলবে না, তার প্রমাণ কী?”

    “কোনো প্রমাণ নেই, মানে আমরা কাল ধরতে পারিনি। ওইভাবে ঘুটঘুঁটে অন্ধকারে বসিয়ে আত্মা নামালে লোকে সমস্ত ব্যাপারটায় এত অবাক হয়ে যায় যে, ভেতরে ভেতরে কী হচ্ছে খেয়াল করে না। মেয়েটা যদি কোনো চালাকি করে থাকে আমরা ধরতে পারিনি।”

    “কোনো চালাকি করেনি,” তারাপদ বলল।

    চন্দন একটু চুপ করে থেকে বলল, “ঠিক আছে। আজ যদি আবার ওই মেয়েটা আসে আমিও তক্কে তক্কে থাকব।”

    “থাকিস।”

    চন্দন বেশ বুঝতে পারল, তারাপদ তার মা-বাবার আত্মা আসার ব্যাপারটা বিশ্বাস করে নিয়েছে প্রায়। না, বন্ধুর সে দোষ ধরছে না। মানুষের এই দুর্বলতায় দোষ ধরা যায় না। কিকিরাও বলেছেন, ভুজঙ্গ তারাপদর দুর্বল জায়গায় ঘা মারছে, এই ঘা দিয়েই সে তারাপদকে বশ করবে, তাকে নিজের মুঠোয় এনে ফেলবে। চন্দন যে কেমন করে বন্ধুকে ভুজঙ্গর হাত থেকে বাঁচাবে বুঝতে পারছে না। কিকিরা বলেছেন, আপনি স্যার এখন থেকে আরও সজাগ থাকবেন, আরও নজর রাখবেন সব ব্যাপারে।

    .

    চন্দন আজ খুব সতর্ক থাকবে। আজ সে দেখবার চেষ্টা করবে কেমন করে আত্মা আসে, কেমন করে ঘন্টা বাজে। কিকিরা তাকে একটা জিনিস দিয়েছেন। ছোট্ট জিনিস, লুকিয়ে রাখা যায়। চন্দন আজ যখন ওপরের ওই ভুতুড়ে ঘরে যাবে–তখন জিনিসটা লুকিয়ে নিয়ে যাবে কাপড়ের মধ্যে। চন্দনের ইচ্ছে ছিল, ইনজেকশনের উঁচটা লুকিয়ে নিয়ে যাবার। যদি সে দেখত, বা তার সন্দেহ হত, আত্মার নাম করে আশেপাশে কেউ ঘোরাঘুরি করছে, তবে একবার উঁচটা ফুটিয়ে দিত গায়ে। আত্মা হলে নিশ্চয় ছুঁচ ফুটত না, বাতাসে কি আর ছুঁচ ফোটে? কিন্তু কোনো মানুষ হলে, সে যেমনই মানুষ হোক, আচমকা উঁচ ফুটলে উঃ করে উঠত। আর তখনই ব্যাপারটা জানা যেত। বোঝা যেত, ভুজঙ্গ আত্মা নামায় না মানুষ নামায়।

    চন্দন বিছানায় শুয়ে এইসব ভাবতে লাগল, আর তারাপদ বসল দাড়ি কামাতে।

    দাড়ি কামাতে কামাতে তারাপদ বলল, “চাঁদু, সাধুমামার সঙ্গে আজ আমার কথা হয়েছে।”

    চন্দন তাকাল।

    তারাপদ বলল, “সাধুমামাকে আমি দু-চারটে কথা জিজ্ঞেস করেছি–এমন সময় মৃত্যুঞ্জয়কে দেখতে পেলাম। বেশি কথা হল না। সাধুমামা কথা বলতে পারে–কিন্তু কেমন জড়িয়ে-জড়িয়ে। খুব কষ্ট হয়। সাধুমামা আমায় বলল, ভুজঙ্গ আমায় এইখানে আটকে রাখতে চায়। কেন বল তো?”

    চন্দন বলল, “কিকিরাও তাই বললেন।”

    “কিন্তু কেন?”

    “ভুজঙ্গ মারা যাবার পর তুই আর-এক ভুজঙ্গ হয়ে থাকবি বলে।”

    “আমি কেন ভুজঙ্গ হয়ে থাকব?”

    “ভুজঙ্গই তোকে সে কথা বলবে। আমি কেমন করে জানব!”

    .

    সন্ধেবেলায় আবার সেই আত্মা-নামানোর ঘরে তারাপদরা এসে বসল। তেমনই অন্ধকার ঘর, মিটমিটে আলো জ্বলছে গুটি দুই, সেই একই ভাবে টেবিল-চেয়ার সাজানো, বাড়তির মধ্যে একটা নিচু ধরনের টেবিল ভুজঙ্গর কাছাকাছি রাখা, তার ওপর দু-একটা জিনিস; গোল বয়ামের মতন দেখতে।

    তারাপদরা বসে থাকল তো বসেই থাকল। ঘরের সেই অন্ধকারে চোখ যেন নরম হয়ে আসছিল। গন্ধও আজ চমৎকার লাগছিল, কেমন একটা আবেশ আসছিল। হঠাৎ চন্দন উঠে পড়ে তারাপদকে তার চেয়ারে আসতে বলল । তারাপদ কিছু বুঝল না। কিন্তু চেয়ার বদল করল।

    চন্দন ঘরের চারপাশ খুঁটিয়ে দেখবার চেষ্টা করতে লগল । পর পর তিন দিন এই ঘরে এল তারা। এখন খানিকটা অভ্যস্ত হয়ে উঠেছে। প্রথম দিনের মতন অতটা গা ছমছম করে না। চন্দন দেখল, এই ঘরের বাইরে মন একরকম থাকে কিন্তু ঘরটায় ঢুকলেই ধীরে ধীরে কেমন যেন অন্যরকম হয়ে যায় । সেই বেড়ালটাকেও চন্দন দেখল। চোখের মণি দুটো জ্বলছে।

    আরও খানিকটা পরে ভুজঙ্গভূষণ এলেন। তাঁর মাথার ওপরকার চোরা লাল আলো জ্বলে উঠল। ঘরের অন্য বাতি দুটো নিবে গেল সঙ্গে-সঙ্গে। ভুজঙ্গভূষণের একই বেশ : রক্তগৈরিক বসন, মুখের ওপর সেই মুখোশ, গলায় বিশাল রুদ্রাক্ষমালা। তিনি এসে বসার পর সেই কালকের মতন স্তোত্র পাঠ হল। গ্রামোফোন রেকর্ডে যে-ভাবে গান হয়, সেইভাবেই । এই ঘরের কোথাও এই গান-বাজাবার ব্যবস্থা আছে। ভেতর থেকে কেউ বাজায়, বন্ধ করে। যে বাজায় সে-ই বোধ হয় ঘরের আলো জ্বালায় । চন্দন আজ সমস্ত কিছু লক্ষ করতে লাগল।

    স্তোত্রপাঠ শেষ হবার পর একেবারে স্তব্ধ সব। সেই স্তব্ধতা ভেঙে ভুজঙ্গভূষণ গম্ভীর স্বরে সংস্কৃতে কী-যে মন্ত্রপাঠ করলেন। তারপর তারাপদকে বললেন, “তারাপদ, তুমি কি তোমার মা বাবাকে আজ আবার ডাকতে চাও?”

    তারাপদ সঙ্গে-সঙ্গে জবাব দিল, “হ্যাঁ।”

    একটু থেমে ভুজঙ্গভূষণ বললেন, “কাল তুমি–” তোমরা যা করেছ তাতে বড় ক্ষতি হয়েছে। ওই মেয়েটি–যার মধ্যে তোমার মা-বাবার আত্মা এসেছিলেন–আচমকা তোমরা তার হাত থেকে হাত উঠিয়ে নেবার পর সে এক রকম অজ্ঞান হয়ে গিয়েছিল। অনেকক্ষণ পরে তার জ্ঞান আসে। খুব দুর্বল হয়ে পড়েছিল। মিডিয়ামদের স্নায়ু হল সূক্ষ্ম তারের মতন–একটুতেই গোলমাল হয়ে যায়।”

    তারাপদ লজ্জা পেল। বলল, “আমি নিজেকে সামলাতে পারিনি।”

    “তোমার মা বাবার আত্মাও কষ্ট পেয়েছেন। তোমরা এখনকার মানুষ, তোমাদের বোঝার সাধ্য নেই এইভাবে আত্মাদের আসতে-যেতে কত কষ্ট হয়। ডাকলেই কি তাঁরা আসেন? না–না। অনেক সময় হাজার বার ডাকলেও আসেন না। আবার যখন আসেন, তখন তাঁরা নিজেরা না চলে যাওয়া পর্যন্ত বিদায় দিতে নেই, এতে তাঁদের আরও কষ্ট হয়। কাল তোমরা তাঁদের কষ্ট দিয়েছ। আজ তাঁরা আবার আসবেন কিনা আমি বলতে পারছি না।”

    “আসবেন না?” তারাপদ ব্যাকুল হয়ে বলল।

    “কেমন করে বলব?”

    “আপনি ডেকে দিতে পারেন না?”

    “চেষ্টা করি। দেখি।”

    ভুজঙ্গভূষণ ঘণ্টা বাজালেন।

    কয়েক মুহূর্ত পরেই সেই মেয়েটিকে দেখা গেল। ঘন কালো শাড়ি, কালকের মতনই, সিল্কের শাড়িই হবে; পায়ের দিকটা দেখা যাচ্ছে না, শাড়ি লুটোচ্ছে কার্পেটে। মাথায় এলো চুল, পিঠ পর্যন্ত ছড়ানো। মুখ বড় সাদা, অবশ্য লাল আলোয় কেমন লালচে দেখাল।

    মেয়েটি ঘণ্টা উঠিয়ে নিয়ে টেবিলের কাছে চলে এল। একবার শুধু তারাপদ আর চন্দনকে দেখল। ওর দুই চোখ কেমন টানা টানা ছোট দেখাল, যেন ঘুম জড়িয়ে আছে।

    কালকের মতন করেই বসল তিনজনে গোল টেবিল ঘিরে। মেয়েটির একটা ছড়ানো হাতের ওপর তারাপদর হাত, আঙুলে আঙুলে ছোঁয়ানো, অন্য হাতটি চন্দনের দিকে বাড়ানো। চন্দন তার হাত এমন করে মেয়েটির আঙুলে ছুঁইয়ে রাখল যেন একটু হাত কাঁপলেই সে বুঝতে পারে। পায়ে পা ছোঁয়ানো থাকল। চন্দন বুঝতে পারল না, মেয়েটির পায়ের আঙুল এত শক্ত কেন? হাড়-হাড় বলেই হয়ত।

    ঘর অন্ধকার হয়ে গেল। ঘুটঘুঁটে অন্ধকার।

    ভুজঙ্গ বললেন, “তারাপদ, একমনে নিবিষ্টচিত্তে ওঁদের ডাকো।”

    তারাপদ চোখ বুজে মা-বাবাকে ডাকতে লাগল। চন্দন চোখের পাতা বন্ধ করল না । তাকিয়ে থাকল। এই অন্ধকার যেন পাহাড়ের কোনো গুহার মধ্যের অন্ধকার, কিছুই দেখা যায় না, চোখের সাধ্য নেই এক বিঘত দূরের জিনিসও অনুমান করতে পারে।

    ঘর একেবারে নিস্তব্ধ। নিশ্বাসের শব্দ ছাড়া কোনো শব্দ নেই।

    সময় কেটে যেতে লাগল। চন্দনও যেন আর না-পেরে চোখের পাতা বন্ধ করে ফেলল ।

    তারাপদ অধীর হয়ে উঠছিল। মা-বাবা আজ কি আর আসবে না? কাতর হয়ে তারাপদ তার মা বাবাকে ডাকতে লাগল।

    সময় কেটে গেল আরও কতক্ষণ যেন। মনে হল, আজ আর কেউ আসবে না।

    তারাপদ প্রায় যখন হতাশ হয়ে পড়েছে, তখন ঠিক তখন ঘণ্টার মৃদু শব্দ হল।

    ভুজঙ্গ সঙ্গে সঙ্গে বললেন, “কে, বেণু?”

    ঘণ্টা বাজল না।

    “বেণু, তুমি কি আসোনি?”

    কোনো শব্দ হল না।

    ভুজঙ্গ এবার বললেন, “কে তুমি? বিষ্ণু নাকি?”

    বিষ্ণু তারাপদর বাবার নাম, বিষ্ণুপদ নাম থেকে বিষ্ণু।

    এবারও কোনো শব্দ হল না। ঘণ্টা বাজল না।

    ভুজঙ্গ নিজেই যেন বিচলিত হয়ে পড়েছেন, বললেন, “তুমি কে? তারাপদ যদি কেউ না হও, সাড়া দাও।”

    ঘণ্টা বাজল না।

    ভুজঙ্গ কয়েক মুহূর্ত অপেক্ষা করে বললেন, “তুমি কি তাহলে বেণুর মেয়ে?”

    এবার খুব আস্তে করে ঘণ্টা বাজল।

    তারাপদ কল্পনাই করেনি, তার সেই ছোট্ট বোন পরী আসবে। সেই পরী! কত ছোট্ট ছিল! কী সুন্দর ছিল! তার মাথার ঝাঁকড়া চুল আর ফুটফুটে গায়ের রঙ ছাড়া কিছুই আর মনে নেই তারাপদর। সিঁড়ি থেকে গড়িয়ে পড়ে মাথায় চোট লেগেছিল পরীর। মারা গেল। আহা রে!

    তারাপদর সেই ছোট্ট বোন পরী আজ এসেছে। কিছুতেই নিজেকে সংযত রাখতে পারল না তারাপদ, ছেলেমানুষের মতন ফুঁপিয়ে কেঁদে উঠল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleরাজবাড়ির ছোরা – বিমল কর
    Next Article কবিতার শত্রু ও মিত্র – বুদ্ধদেব বসু

    Related Articles

    বিমল কর

    রাজবাড়ির ছোরা – বিমল কর

    October 30, 2025
    বিমল কর

    ঘোড়া সাহেবের কুঠি – বিমল কর

    October 30, 2025
    বিমল কর

    সেই অদৃশ্য লোকটি – বিমল কর

    October 30, 2025
    বিমল কর

    শুদ্ধানন্দ প্রেতসিদ্ধ ও কিকিরা – বিমল কর

    October 30, 2025
    বিমল কর

    কিকিরা সমগ্র ১ – বিমল কর

    October 30, 2025
    বিমল কর

    একা একা – বিমল কর

    October 30, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }