Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কাবিল কোহকাফী – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল এক পাতা গল্প169 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১০. তিন মূর্তি

    ১০. তিন মূর্তি

    চাচি ঘড়ি দেখে চিৎকার করে বললেন, “সর্বনাশ! তিনটা বেজে গেছে!”

    টুশি বুঝতে পারল না তিনটা বেজে গেলে সর্বনাশ হবে কেন। তারা স্কুল থেকে আসার পর খাওয়াদাওয়া শেষ করতে করতে মাঝে মাঝেই তিনটা বেজে যায়। চাচি আজকে কেন জানি দেরি করলেন না, বাসা থেকে বের হওয়ার আগে সবসময় যেরকম ড্রেসিং-টেবিলের সামনে দাঁড়িয়ে মুখে একটু কমপ্যাক্ট, চোখে আইলাইনারের ছোঁয়া এবং ঠোঁটে লিপস্টিক দেন, আজকে তাও করলেন না, চুলের মাঝে চিরুনি চালাতে চালাতে বাসা থেকে একরকম দৌড়ে বের হয়ে গেলেন। কী নিয়ে তাঁর এত তাড়াহুড়ো টুশি কিংবা তপু বুঝতে পারল না, তারা সেটা নিয়ে মাথাও ঘামাল না।

    নানি ছোট বাচ্চাদের মতো দুই পা সোফায় তুলে গুটিসুটি মেরে বসেছিলেন। টুশি এবং তপু যতক্ষণ স্কুলে থাকে তার সময়টা কাটতে চায় না, বাচ্চা দুটো চলে এলে আর কোনো সমস্যা থাকে না। তার কাছ থেকে গল্প শোনার জন্যে পাগল হয়ে থাকে, তাদের সাথে গল্প করে সময়টা বেশ কেটে যায়। আজকেও তা-ই হচ্ছে, টুশি একটা বাটিতে খানিকটা সরষের তেল এনে নানির পায়ে ডলে ডলে মাখিয়ে দিচ্ছে, তপু মহা উৎসাহে হামানদিস্তায় পান-সুপুরি ঘেঁচে দিচ্ছে। নানির দাঁত নেই বলে একেবারে মিহি হতে হবে সেজন্যে সে একটু পরে পরে আঙুল দিয়ে পরীক্ষা করে দেখছে।

    নানি তাঁর ছেলেবেলার গল্প করছেন, বিয়ের পর শ্বশুরবাড়ি গিয়ে তার কী অবস্থা তার একটা ভয়ংকর বর্ণনা দিচ্ছেন, কিন্তু সেই ভয়ংকর অবস্থার গল্প শুনে দুজনেই হি হি করে হাসতে হাসতে গড়িয়ে পড়ছে। নানি কপট রাগে চোখ বড় বড় করে বলছেন, “এইটা হাসির কথা হল? আমি মরি দুঃখে আর তোরা সেই গল্প শুনে হাসিস”

    এরকম সময়ে দরজায় কলিংবেলের শব্দ হল। থেমে থেমে দুইবার। টুশি এবং তপু একজন আরেকজনের দিকে তাকায়–কাবিল কোহকাফী কি এসেছে? সে ঢাকা শহরে ঘুরে ঘুরে বিচিত্র সব কর্মকাণ্ড করে বেড়াচ্ছে, তার বর্ণনা খবরের কাগজে উঠে আসছে–কখন কী বিপদ হবে কে জানে! টুশি উঠে দরজা খুলতে গেল। কিন্তু দরজা খোলার আগেই সে দেখতে পেল, বাইরে থেকে চাবি দিয়ে দরজা খুলে। ভিতরে তিনজন মানুষ ঢুকে গেছে।

    তিনজন মানুষ দেখতে তিন রকম। একজন ছোট এবং শুকনো, চেহারার মাঝে একটা নেংটি ইঁদুরের ভাব। মুখটা ইঁদুরের মতো ছুঁচালো, চোখ দুটো কুতকুতে। তার পিছনে দুইজন মানুষের আকার বিশাল। একজনের মুখটা গোল, গায়ের রং ফরসা, সারা শরীরে মাংস, টাইট একটা টিশার্টের নিচে সেগুলো কিলবিল কিলবিল করছে, মানুষটাকে দেখলেই গণ্ডারের কথা মনে পড়ে। অন্য মানুষটির মাথাটা সরাসরি শরীরের উপর বসিয়ে দেয়া হয়েছে–কোনো গলা নেই। হাত দুটি লম্বা। এবং কেমন জানি সামনের দিকে ঝুঁকে আছে। গায়ের রং কুচকুচে কালো–সব মিলিয়ে একটা গরিলা-গরিলা ভাব। টুশি কয়েক সেকেন্ড অবাক হয়ে হাঁ করে এই বিচিত্র তিন মূর্তির দিকে তাকিয়ে রইল। সে একেবারে একশত ভাগ নিশ্চিত ছিল যে এরা ভুল করে এখানে চলে এসেছে, তার পরেও জিজ্ঞেস করল, “আপনারা। ভিতরে কেমন করে ঢুকেছেন? কাকে চান?”

    ইঁদুরের মতো মানুষটা জিজ্ঞেস করল, “এইটা ইমতিয়াজ সাহেবের বাসা না?” মানুষটার গলা ফাটা বাঁশের মতো কর্কশ।

    টুশি মাথা নেড়ে বলল, “জি। কিন্তু চাচা বাসায় নাই।”

    ইঁদুরের মতো মানুষটা কর্কশ গলায় বলল, “তাতে কোনো অসুবিধা নাই। আমাদের দরকার তার শাশুড়ির সাথে!” এই বলে টুশিকে কোনো কথা বলার সুযোগ না দিয়ে তিনজন ভিতরের দিকে রওনা দিল। টুশি এত অবাক হল যে ভয় পাওয়ারও সময় পেল না, গলা উঁচিয়ে জিজ্ঞেস করল, “আপনারা কে? এখানে কী চান?”

    ইঁদুরের মতো মানুষটা টুশিকে পুরোপুরি উপেক্ষা করে বলল, “কালাচান দরজাটা বন্ধ কর। দবির মিয়া বুড়িরে খুঁজে বের কর।”

    টুশি দেখল কুচকুচে কালো গরিলার মতো মানুষটার নাম দবির মিয়া, সে ঘরের ভিতরে ঢুকে গেল। ফরসা এবং গণ্ডারের মতো মানুষটার নাম নিশ্চয়ই কালাচান, সে দরজা বন্ধ করে বলল, “জে মন্তাজ ওস্তাদ।” তার গলার স্বর মিহি মনে হয় পয়লা বৈশাখে পাঞ্জাবি পরে রমনার বটমূলে রবীন্দ্রসংগীত গাইতে যায়।

    টুশি এবার এত রেগে গেল যে অবাক হবার সময় পেল না, চিৎকার করে বলল, “আপনারা কেন এখানে এসেছেন? কেমন করে বাসার ভিতরে ঢুকেছেন? এক্ষুনি বাইরে যান–”

    তখন টুশি আবিষ্কার করল, ইঁদুরের মতো মানুষটি যাকে কালাচান মন্তাজ ওস্তাদ বলে ডাকছে, তার হাতের ব্যাগ খুলে সেখান থেকে একটা বেঁটে রিভলবার বের করছে। টুশি তখন প্রথমবার বুঝতে পারল, এখানে খুব বড় গোলমাল আছে। এবং সে এই প্রথমবার ভয় পেল।

    ওস্তাদ রিভলবারটা পরীক্ষা করে হাতে নিয়ে বলল, “এই মেয়ে, তুমি যদি আর একটা বাজে কথা বলো তা হলে গুলি করে তোমার খুলি ফুটো করে দেব। বুঝেছ?”

    টুশি মাথা নাড়ল, ওস্তাদকে জানাল যে সে বুঝেছে। এরকম সময় বাইরের ঘর থেকে খুব ভারী এবং মোটা গলায় দবির মিয়া বলল,”ওস্তাদ, বুড়িরে পাইছি।”

    ওস্তাদ তখন টুশিকে বাইরের ঘরের দিকে ধাক্কা দিয়ে নিয়ে পিছনে পিছনে হেঁটে ঘরে ঢুকল। তপু এবং নানি অবাক হয়ে এই বিচিত্র দলটার দিকে তাকাল। নানি অবাক হয়ে বললেন, “কী গো বোনডি! এরা কারা?”

    টুশি চিঁ চিঁ করে বলল, “আমি চিনি না নানি।”

    “কার কাছে আসছে?”

    “আপনার কাছে।”

    “আমার কাছে?” নানি অবাক হয়ে ভুরু কুঁচকে ভালো করে দেখার চেষ্টা করলেন, জিজ্ঞেস করলেন, “কে বাবা? বাড়ি থেকে আসছ নাকি? তুমি জলিলের ভাই না?”

    ইঁদুরের মতো মানুষটি, যে নিশ্চয়ই এই দলের নেতা এবং যাকে অন্য দুইজন মন্তাজ ওস্তাদ বলে ডাকছে এবারে নানির কাছে এগিয়ে বলল, “না খালা, আমি জলিলের ভাই না।”

    “তা হলে তুমি কে?”

    “আপনি আমারে চিনবেন না। আমরা আপনার কাছে বিশেষ কাজে এসেছি।”

    “কী কাজ?”

    “খিলগাঁয়ে আপনার একটা বাড়ি আছে না–”

    নানি লোকটাকে কথা শেষ করতে দিলেন না, হঠাৎ করে চিলের মতো তীক্ষ্ণ গলায় বললেন, “ও আমার নেউলের বাচ্চা নেউল, খাটাশের বাচ্চা খাটাশ–আমার সাথে রং-তামাশা করতে আসছ–ঝাড় দিয়ে পিটিয়ে তোমার পিঠের ছাল যদি আমি না তুলি”

    টুশি একটু কেশে বলল, “নানি।”

    নানি তেরিয়া হয়ে বললেন, “কী হয়েছে?”

    “এদের কাছে পিস্তল।”

    তপু বলল, “পি-পি-পি-পি–” সে কথা শেষ করতে পারল না, টুশি ধরে নিল পিস্তল বলতে গিয়ে ভয়ের চোটে কথা আটকে গেছে।

    নানি জিজ্ঞেস করলেন, “পিস্তলটা আবার কী?”

    “বন্দুকের মতো। সাইজে ছোট।”

    তপু বলল, “ব-ব-ব-ব-ব” টুশি ধরে নিল বন্দুক বলতে গিয়ে কথা শেষ করতে পারছে না।

    মন্তাজ ওস্তাদ এইবারে পিস্তলটা হাতবদল করে বলল, “খালার চোখ মনে হয়। ভালো না। ছানি পড়েছে। ভালো দেখতে পান না। এই যে এইটারে পিস্তল বলে, ট্রিগার টানলে গুলি বের হয়।”

    “খাটাশের বাচ্চা খাটাশ, তুই আমারে কী পেয়েছিস? আমি কি তোর পিস্তলরে ভয় পাই?” নানি আবার মুখে তুবড়ি ছোটালেন, “খ্যাংড়া কাঠির ঝাড় দিয়ে তোর ভূত আমি নামাব। খড়ম দিয়ে পিটিয়ে সিধা করব”।

    মন্তাজ ওস্তাদের কালো মুখে অপমানের বেগুনি ছোপ ছোপ রং দেখা গেল। গণ্ডারের মতো চেহারার কালাচান তার মিহি রবীন্দ্রসংগীতের গলায় বলল, “ওস্তাদ এই মহিলার মুখ তো দেখি খুব খারাপ। একটা গুলি দিব নাকি চাঁদির মাঝে? মুখ বন্ধ করে দিব?”

    মন্তাজ ওস্তাদ কালাচানকে ধমক দিয়ে বলল, “চুপ কর বেকুব। মুখ বন্ধ করে দিলে কাজ শেষ করব কেমন করে?” তারপর পিস্তলটা নাচাতে নাচাতে নানির একেবারে কাছে গিয়ে বলল, “খালা আপনার তো দুই পাই কবরে পিস্তলরে তো আপনার ভয় পাওয়ার কথা না। তবে–” ওস্তাদ খুব অর্থপূর্ণভাবে হেসে বলল, “আপনার দুই নাতি-নাতনির কিন্তু একেবারে কাঁচা বয়স। তারা মনে হয় পিস্তলরে ভয় পায়!”

    “তুই কী বলতে চাস ছাগলের বাচ্চা ছাগল?”

    “এই যে দেখছেন আমার দুই অ্যাসিস্টেন্ট তাদের নাম হচ্ছে কালাচান আর দবির মিয়া। এরা খালি হাতে টিপি দিয়ে ছোট বাচ্চার কচি মাথা মুরগির ডিমের মতো পটাশ করে ফাটিয়ে দিতে পারে। আমি অনেক চিন্তাভাবনা করে তাদেরকে নিয়ে এসেছি। কেন এনেছি জানেন?”

    “কেন?”

    “এই দবির মিয়া ধরবে মেয়েটারে, কালাচান ধরবে ছেলেটারে–আর আপনি যদি আমার কথা না শোনেন তা হলে দবির মিয়া পুটুস করে মেয়েটার মাথাটা টিপে গুঁড়ো করে দেবে, নাক দিয়ে তখন তার ঘিলু বের হয়ে আসবে। তাই না রে দবির?”

    দবির মিয়া বাধ্য ছেলের মতো বলল, “জি ওস্তাদ।”

    নানি কয়েকবার কিছু-একটা কথা বলার চেষ্টা করলেন, কিন্তু এবারে তার গলা দিয়ে কোনো আওয়াজ বের হল না।

    মন্তাজ ওস্তাদ তার দুই সঙ্গীর দিকে তাকিয়ে বলল, “এই দবির আর কালাচান–সময় নষ্ট করে লাভ নাই। দুইজন দুইটারে ধর। আগেই পুটুস করে মাথাটা গুঁড়া করিস না”

    কালাচান তার মিহি গলায় বলল, “জি ওস্তাদ।” তারপর দুই পা হেঁটে তপুর ঘাড় ধরে তাকে প্রায় শূন্যে ঝুলিয়ে সরিয়ে নিয়ে গেল। তপু বলল, “আ-আ-আ আ-_”

    সে কী বলার চেষ্টা করছে টুশি এইবারে আন্দাজ করতে পারল না। দবির মিয়া। টুশির দিকে এগিয়ে এসে তার ঘাড় ধরে একপাশে টেনে নেয়। মানুষটার কালো লোমশ হাত দেখে টুশির কেমন জানি শরীর শিরশির করতে থাকে।

    মন্তাজ ওস্তাদ এবারে গলার স্বর নরম করে নানিকে বলল, “খালা। আমি দশ পর্যন্ত গুনব। তার মাঝে আপনি এই কাগজটা সাইন করবেন। যদি না করেন তা হলে প্রথমে পুটুস করে মেয়েটার তার পরে ছেলেটার মাথাটা টিকটিকির ডিমের মতো গুঁড়ো করে দেয়া হবে। বুঝেছেন?”

    নানি মুখ হাঁ করে ওস্তাদের দিকে তাকিয়ে থাকেন। তাঁর মুখ নড়ছে, দেখে

    মন্তাজ ওস্তাদ হাতের পিস্তলটা নাচিয়ে বলল, “খালা আমাদের হাতে সাময় নাই। আমি দশ পর্যন্ত গুনব, তার মাঝে আপনার কাগজে সাইন করতে হবে। যদি না করেন, তা হলে–” কথা শেষ না করে ওস্তাদ হাত দিয়ে একজনের মাথা পিষে ফেলার ভঙ্গি করল।

    তপু এবারে ভয় পেয়ে ফাসাস করে কাঁদতে শুরু করে। কালাচান মিহি গলায় বলল, “কাঁদছ কেন খোকা? মাথার হাড্ডি গুঁড়া করলে কিছু টের পাওয়া যায় না, তার আগেই শেষ!”

    মন্তাজ ওস্তাদ গুনল, “এক।”

    লাল মিয়া টুশির মাথায় হাত বুলিয়ে ঠিক কোন জায়গায় ধরে চাপ দেবে সেই জায়গাটা একবার দেখে নিল। হাতটা যে শুধু কালো আর লোমশ তা-ই নয় হাতের মাঝে সিগারেটের বোটকা গন্ধ।

    মন্তাজ ওস্তাদ গুনল, “দুই।”

    তপু কাঁদতে কাঁদতে বলল, “বাবা-বা-বা-বা–” শব্দটা কী হতে পারে টুশি চিন্তা করে বের করতে পারল না।

    মন্তাজ ওস্তাদ বলল, “তিন।”

    টুশির গলা শুকিয়ে যায়। এরা কারা কে জানে, কিন্তু মনে হচ্ছে একেবারে দয়ামায়াহীন দানব। সত্যি সত্যি যদি তার মাথা গুঁড়ো করে দেয়? মানুষটার হাত থেকে কি ছুটে যাবার চেষ্টা করবে? টুশি বুঝতে পারল তার কোনো উপায় নেই। মানুষটা একেবারে লোহার মতো শক্ত হাতে তার গলা এবং ঘাড় ধরে রেখেছে। নড়ার কোনো উপায়ই নেই।

    মন্তাজ ওস্তাদ গুনল, “চার।”

    নানি এবারে হাত বাড়িয়ে বললেন, “দে কাগজ হারামজাদা।”

    মন্তাজ ওস্তাদ একগাল হেসে বলল, “খালা, আপনার মুখটা খুব খারাপ। কোনোদিন এর জন্যে আপনি কিন্তু বিপদে পড়বেন।” ওস্তাদ কাগজটা নানির হাতে দিয়ে বলল, “নেন খালা।”

    “কলম কই?”

    মন্তাজ ওস্তাদ তার পকেট থেকে কলমটা বের করে নানির হাতে দিচ্ছিল, ঠিক তখন দরজায় কলিংবেল বেজে উঠল। সাথে সাথে ঘরে সবাই একেবারে পাথরের মতো স্থির হয়ে গেল। শুধু নানি খিক খিক করে মাঢ়ি বের করে হেসে বললেন, “এই তো লোকজন এসে গেছে, এখন বোঝো মজা!”

    কালাচান তার মিহি গলায় ফিসফিস করে বলল, “এটা কে হতে পারে। ওস্তাদ?”

    মন্তাজ ওস্তাদের মুখে চিন্তার একটা ছায়া পড়ল, সে মাথা চুলকে বলল, “এখন তো কারও আসার কথা না।”

    মনে হয় ওস্তাদের কথাটা ভুল প্রমাণ করার জন্যেই আবার দুইবার কলিংবেল বেজে উঠল। ওস্তাদ ফিসফিস করে নিচু গলায় বলল, “দবির তুই এই মেয়েটারে নিয়ে দরজার কাছে যা। মেয়েটা দরজা খুলে যে আসছে তারে বিদায় করবে।” তারপর টুশির দিকে তাকিয়ে রিভলবারটা নাচিয়ে বলল, “ছেমড়ি যদি তুমি কোনো তেড়িবেড়ি কর তা হলে কিন্তু এই ছেমড়ার জান শেষ। একেবারে মগজের মাঝে, গুল্লি। ঠিক আছে?”

    টুশি মাথা নেড়ে বলল, “ঠিক আছে।”

    দরজায় আবার দুইবার কলিংবেলের শব্দ হল, যে-ই এসে থাকুক মানুষটার শরীরে ধৈর্য নামক পদার্থটি একেবারে নেই।

    মন্তাজ ওস্তাদ রিভলবারটা নাচিয়ে বলল, “যা কালাচান। নিয়ে যা।”

    টুশিকে প্রায় গলাধাক্কা দিয়ে দরজার কাছে নিয়ে গেল দবির মিয়া। দরজার কাছে নিয়ে তাকে ছেড়ে দিয়ে ফিসফিস করে বলল, “দরজা খোলো।”

    টুশি দরজা খুলল এবং সাথে সাথে তার মুখ একশ ওয়াট বাল্বের মতো জ্বলে উঠল। দরজার সামনে কাবিল কোহকাফী দাঁড়িয়ে আছে। আজকে তার চেহারা আরও খোলতাই হয়েছে। চোখে কালো চশমা আর গলা থেকে একটা লাল গামছা ঝুলছে। টুশিকে দেখে মুখ খিঁচিয়ে বলল, “এতক্ষণ লাগে দরজা খুলতে?”

    টুশি কোনো কথা না বলে কাবিল কোহকাফীর চোখের দিকে তাকিয়ে খুব সূক্ষ্মভাবে তাকে একটা সংকেত দেবার চেষ্টা করল, কিন্তু কাবিলের ভিতর কোনো সূক্ষ্ম ব্যাপার নেই, সে কিছুই বুঝতে পারল না। দবির মিয়া ফিসফিস করে জিজ্ঞেস করল, “কে? বিদায় করে দাও তাড়াতাড়ি।”

    টুশি বেশ কষ্ট করে মুখে একটা আশাভঙ্গের ছাপ ফুটিয়ে দরজা খুলে বলল, “কেউ না।”

    “কেউ না?” দবির মিয়া নিজেও এবারে এগিয়ে আসে–সে কাবিল কোহকাফীকে দেখতে পায় না কিন্তু কাবিল কোহকাফী তাকে দেখতে পেয়ে আঁতকে উঠে বলল, “ইয়া মাবুদ! এই কালা বিরিশ কোথা থেকে এসেছে?”

    টুশি কোনো কথা বলল না, দরজাটা আরেকটু খুলে দিল, কাবিল কোহকাফী সাবধানে ভিতরে ঢুকে যায়। দবির মিয়া দরজা দিয়ে মাথা বের করে দুই দিকে দেখে পুরোপুরি নিঃসন্দেহ হয়ে নিল আসলেই কেউ নেই। তখন সে বেশ নিশ্চিন্ত হয়ে দরজাটা বন্ধ করে টুশির ঘাড়ে একটা ধাক্কা দিয়ে ভিতরের দিকে যেতে শুরু করে। কাবিল চিৎকার করে বলল, “এই ব্যাটা কালা বিরিশ, তুই এই মেয়েটার ঘাড়ে ধাক্কা দিচ্ছিস যে?”

    তার কথা টুশি আর তপু ছাড়া কেউ শুনতে পেল না। টুশি কিছু বলল না, কিন্তু তপু সবকিছু ভুলে আনন্দে চিৎকার করে উঠল–”কা-কাকা-কা–”

    ভাগ্যিস সে কথা শেষ করতে পারল না। ওস্তাদ তপুর দিকে তাকিয়ে বলল,– “কী হল, তুমি কাকের মতো কা কা করছ কেন?”

    কাবিল বসার ঘরে এসে ঢুকে চারিদিকে তাকিয়ে বলল, “কী হচ্ছে এখানে? এই বদমাইশগুলো কী করতে চায়?”

    তপু আবার বলার চেষ্টা করল, “কা-কাকা-কা” কিন্তু এবারেও বেশিদূর এগুতে পারল না। টুশি অনুমান করল শব্দটা নিশ্চয়ই কাবিল হবে।

    মন্তাজ ওস্তাদ কলমটা এবারে নানির দিকে এগিয়ে দিয়ে বলল, “খালা কেউ আসে নাই। আমরা অনেক হিসাব করে এসেছি। এখন এখানে কেউ আসবে না। কাজেই দেরি না করে এইখানে একটা সাইন করেন খালা।”

    ব্যাপারটি কী হচ্ছে বোঝার জন্যে কাবিল ওস্তাদের খুব কাছাকাছি এগিয়ে গেল। তার চোখেমুখে চরম বিরক্তি, ওস্তাদকে একটা মজা বোঝানোর জন্যে সে হাত দুটি মুষ্টিবদ্ধ করে প্রস্তুত হতে শুরু করে।

    নানি একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে সাইন করতে যাচ্ছিলেন, ঠিক তখন টুশি বলল, “নানি।”

    নানি অবাক হয়ে টুশির দিকে তাকিয়ে বলল, “কী হল বোনডি?”

    “তোমার যদি ইচ্ছা না করে তা হলে তুমি সাইন কোরো না।”

    মন্তাজ ওস্তাদ হুঙ্কার দিয়ে বলল, “কী বলিস পুঁচকে মেয়ে? তোর সাহস তো দেখি কম না!”

    টুশি ওস্তাদকে একেবারে কোনো পাত্তা না দিয়ে বলল, “নানি, তুমি এক কাজ করো–ইঁদুরের মতো দেখতে লোকটার পেটে একটা ঘুসি মারো।”

    নানি চোখ কপালে তুলে বলল, “ঘুসি মারব?”

    “হ্যাঁ নানি।”

    নানি আবার জিজ্ঞেস করলেন, “ঘুসি?”

    “হ্যাঁ–দেখবে ব্যাটার কী অবস্থা হয়।”

    “সত্যি বলছিস বোনডি?”

    “সত্যি বলছি।”

    ঘুসি কীভাবে মারতে হয় নানির জানা নেই। তবুও তিনি হাতটা ঘুরিয়ে অত্যন্ত হাস্যকর একটা ভঙ্গিতে ওস্তাদের পেটে একটা ঘুসি মারলেন। কিন্তু সেই ঘুসির ফল হল ভয়ানক–ওস্তাদ একেবারে ছিটকে প্রায় উড়ে গিয়ে ঘরের অন্যপাশে আছাড় খেয়ে পড়ল, দেয়ালে মাথা ঠুকে তার চোখ একেবারে অন্ধকার হয়ে গেল। আসল ব্যাপারটি দেখল শুধু টুশি আর তপু। নানির ঘুসির সাথে তাল মিলিয়ে কাবিল তার সমস্ত শক্তি দিয়ে মন্তাজ ওস্তাদের পেটে একটা ঘুসি মেরেছে!

    কালাচান এবং দবির মিয়া একেবারে হতবাক হয়ে নানির দিকে তাকিয়ে রইল। তাদের দুইজন থেকেও বেশি অবাক হল ওস্তাদ এবং ওস্তাদ থেকেও বেশি অবাক হলেন নানি। তিনি অবাক হয়ে যেই হাত দিয়ে ঘুসি মেরেছেন সেই হাতের দিকে তাকিয়ে রইলেন।

    টুশি বলল, “নানি ছেড়ে দিও না। গিয়ে আর কয়টা কিল-ঘুসি মারো।”

    নানি উৎসাহ পেয়ে সোফা থেকে নেমে গুটি গুটি হেঁটে গিয়ে মন্তাজ ওস্তাদের মুখে আরেকটা ঘুসি মারলেন, কাবিল সেই ঘুসিতে সাহায্য করল এবং ওস্তাদ বিকট আর্তনাদ করে একেবার ধরাশায়ী হয়ে গেল। টুশি দেখল মানুষটারে উপরের পাটির একটা দাঁত খুলে এসেছে এবং থুঃ করতেই দাঁতটা বের হয়ে এল।

    টুশি বলল, “নানি এখন আমাদেরকে রক্ষা করো।”

    নানি এবারে গুটি গুটি তাদের দিকে এগুতে লাগলেন। টুশি টের পেল দবির মিয়া এবং কালাচান এবারে কেমন যেন নার্ভাস হয়ে গেছে। তারা একজন আরেকজনের দিকে তাকাল-দবির মিয়া ভয়ে ভয়ে বলল, “খবরদার, ভালো হবে না কিন্তু কালাচান তার মিহি গলায় বলল, “শেষ করে দিব আমরা–”

    নানির এখন তার নতুন শক্তিতে পুরোপুরি বিশ্বাস–একটুও না ঘাবড়ে বললেন, “বলদের বাচ্চা বলদ, ছারপোকার ডিম, ইঁদুরের লেজ, তোদের চেহারা যেরকম খারাপ খাসলত সেরকম খারাপ, আজকে যদি আমি তোদের পিটিয়ে সিধে

    করি, ঘুসি মেরে যদি ভুড়ি ফাঁসিয়ে না দিই, জিহ্বা টেনে ছিঁড়ে যদি কুকুরকে না খাওয়াই”

    নানি তাঁর শুকনো পাতলা দুর্বল শরীর নিয়ে কাঁপতে কাঁপতে এগিয়ে আসতে লাগলেন। তাঁর সুদীর্ঘ জীবনে তিনি আগে কখনও কাউকে ঘুসি মারেন নি আজকে প্রথম দুটি ঘুসিতে যেভাবে ওস্তাদকে কাবু করেছেন তার বিশ্বাস এই দুজনকেও সেভাবে কাবু করতে পারবেন। টুশি চোখের কোনা দিয়ে দেখল কাবিল কোহকাফীও প্রস্তুত হয়ে আছে। ওস্তাদ শুকনো পাতলা মানুষ ছিল, সে ঘুসি মেরে কাবু করে দিয়েছে, কিন্তু এই দুজন প্রায় ছোটখাটো পাহাড়ের মতো, কাবিল ঘুসি মেরে কাবু করতে পারবে সে ব্যাপারে এতটা নিঃসন্দেহ নয়। তাই সে একটা চেয়ার হাতে ধরে রেখেছে, নানি ঘুসি মারার সাথে সাথে সে পিছন থেকে এটা দিয়ে মাথায় মারবে।

    নানি মূর্তিমান যমের মতো এগিয়ে আসতে লাগলেন, টুশি বলল, “নানি বেশি কাছে আসার দরকার নাই। দূর থেকেই ঘুসি মারো–”

    নানি একটু দূর থেকেই মারলেন–ঘুসিটা কালাচানের গায়ে লাগল কী না বোঝা গেল না কিন্তু সাথে সাথে বিকট আর্তনাদ করে ধড়াম করে সে নিচে পড়ে গেল। নানি দাঁত-মুখ খিঁচিয়ে বললেন, “কত বড় সাহস, আমার সাথে লাগতে আসে!”

    দবির মিয়ার বুকের ভেতর যেটুকু সাহস ছিল কালাচানের অবস্থা দেখে সেটুকুও উবে গেছে। সে টুশিকে ছেড়ে দিয়ে এবারে পালানোর চেষ্টা করে কিন্তু নানি এত সহজে তাদের ছেড়ে দেবার পাত্র নন, বললেন, “ধর–ধর বেটা বদমাইশকে”

    ঘুসির মতো কথাতেও কাজ হল, দবির মিয়ার বিশাল দেহ কলাগাছের মতো পড়ে গেল, নানি দেখতে পেলেন না যে কাবিল তাকে পা বাধিয়ে ফেলে দিয়েছে।

    তিনজনকেই ধরাশায়ী করে নানি হাত ঝাড়া দিয়ে কোমরে হাত রেখে অনেকটা বিজয়ী জেনারেলের মতো বললেন, “কেমন শিক্ষা হয়েছে এই ইন্দুরের বাচ্চাগুলোর?”

    তপু বলল, “ভা-ভা-ভা “।

    টুশি তপুর অসমাপ্ত কথা শেষ করে বলল, “ভালো শিক্ষা হয়েছে!”

    নানি জিজ্ঞেস করলেন, “আর কোনোদিন তেড়িবেড়ি করবে?”

    টুশি মাথা নাড়ল, “না নানি। আর সাহস পাবে না।”

    নানি বললেন, “আয় দড়ি দিয়ে বেঁধে ফেলি।”

    বাসায় দড়ি খুঁজে পেল না তাই টুশি বুদ্ধি করে চাচির একটা শাড়ি বের করে সেটা দিয়ে তিনজনের হাত বেঁধে ফেলল। মানুষগুলো কোনো প্রতিবাদ করল না দুই কারণে, প্রথমত, নানি ক্যারাটের ভঙ্গিতে ঘুসি উঁচিয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন, দ্বিতীয়ত, তপু ওস্তাদের পিস্তলটা হাতে দাঁড়িয়ে হুঙ্কার দিয়ে বলছিল, “একটু নড়লেই খু-খু খুন করে ফেলব।”

    “খুন করে ফেলব” কথাটাই খুব ভয়ংকর সেটাকে যখন “খু-খু-খুন করে ফেলব” বলা হয় তখন সেটাকে আরও একশ গুণ বেশি ভয়ংকর শোনায়।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআমার সাইন্টিস মামা – মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    Next Article রূপ-রূপালী – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    Related Articles

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    ছোটগল্প – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সাদাসিধে কথা – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মেকু কাহিনী – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    আমার বন্ধু রাশেদ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সায়েন্স ফিকশান সমগ্র ১ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    টুনটুনি ও ছোটাচ্চু – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }