Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কাবিল কোহকাফী – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল এক পাতা গল্প169 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১৪. অদৃশ্য দানব

    ১৪. অদৃশ্য দানব

    অনেক মানুষ ভিড় করে দাঁড়িয়ে আছে। ভেতরে ঢোকার একটা লম্বা লাইন সেই লাইন ধরে মানুষেরা আস্তে আস্তে এগিয়ে যাচ্ছে। বাইরে বিশাল একটা পোস্টার সেখানে ভয়ংকর একটা ছবি। বিশাল একটা দানব শেকল দিয়ে শক্ত করে বাঁধা, দানবটি শেকল ভেঙে বের হওয়ার চেষ্টা করছে, পারছে না। দানবটির মুখে হিংস্র এবং পৈশাচিক হাসি। ছবিটি দেখেই আত্মা শুকিয়ে যায়।

    টুশি আর তপু লাইন ধরে এগিয়ে যাচ্ছে। তপু ফিসফিস করে বলল, “ছ ছবিটা দেখেছ আপু?”

    “দেখেছি।”

    “কা-কাবিল কোহকাফী মোটেই দে-দেখতে এরকম না।”

    “হ্যাঁ। কাবিল কোহকাফী কত সুইট!”

    তপু টুশির হাত ধরে বলল, “আপু।”

    “কী হল?”

    “আমরা কি কা-কাবিল কোহকাফীকে উদ্ধার করতে পা-পারব?”

    টুশি জোর গলায় বলল, “একশবার পারব। না পারার কী আছে?”

    টুশি মনে-মনে একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে। সে তপুকে সাহস দেবার জন্যে অনেক জোর দিয়ে বলেছে একশবার পারবে, না পারার কী আছে! কিন্তু আসলে সে ভেতরে ভেতরে খুব ভয় পাচ্ছে। তার পেটের ভেতরে কেমন যেন পাক দিচ্ছে। যতবার পুরো ব্যাপারটা চিন্তা করছে ততবার ভয়ে তার হাত-পা শরীরের ভেতর সেঁধিয়ে যাচ্ছে। মন্তাজ ওস্তাদ, কালাচান আর দবির মিয়ার মতো খারাপ খারাপ মানুষগুলো এখানে আছে। তারা টুশিকে আর তপুকে চেনে, যদি তাদের দেখে ফেলে তখন কী হবে? কাবিল কোহকাফীকে নিশ্চয়ই খুব কড়া পাহাড়ায় শেকল দিয়ে বেঁধে রেখেছে। তপুকে নিয়ে সে কেমন করে সেখানে যাবে? যদি যেতেও পারে তাকে কি সে মন্ত্রটা বলতে পারবে? যদি বলতেও পারে কাবিল কোহকাফী কি তার কথা শুনতে পাবে?

    টুশির শরীর কেমন জানি শক্ত হয়ে যায়–জোর করে সে মনের ভেতর থেকে সবকিছু দূর করে দিতে চেষ্টা করল।

    গেটে টিকিট দেখিয়ে টুশি আর তপু ভেতরে ঢুকল। হোটেলের বিশাল বলরুমে আয়োজন করা হয়েছে। সামনে বিশাল স্টেজ। স্টেজ লাল ভেলভেটের পরদা দিয়ে ঢাকা। হলঘরের ভেতরে বেশ ঠাণ্ডা, কুলকুল করে এয়ার কন্ডিশনের বাতাস বইছে। ভেতরে আবছা অন্ধকার দেখে টুশি একটু স্বস্তি পেল, মন্তাজ ওস্তাদ আর তার খারাপ খারাপ সাঙ্গোপাঙ্গগুলো তা হলে তাদের দেখতে পাবে না।

    ভেতরে সুন্দর কাপড় পরা অনেক মানুষ, তারা টিকিট পরীক্ষা করে সবাইকে তাদের সিটে বসাচ্ছে। টেলিভিশনের লোকজন ক্যামেরা নিয়ে এসেছে। তারা এখন দর্শকদের দিকে ক্যামেরা তাক করে রেখেছে। যদি হঠাৎ করে তাদের ছবি উঠে যায়, টেলিভিশনে সেটা দেখান হয়–আর চাচা-চাচি সেটা দেখে ফেলেন তা হলে সর্বনাশ হয়ে যাবে। টুশি আর তপু মিলে অনেকরকম কায়দা-কানুন করে মিথ্যে কথা বলে এখানে এসেছে। চাচা-চাচিকে বুঝিয়েছে তার বন্ধুর জন্মদিনের পার্টিতে যাচ্ছে–একা একা যেতে ইচ্ছে করছে না বলে তপুকে নিয়ে যাচ্ছে। ধরা পড়ে গেলে কী হবে কে জানে।

    টুশি আর তপুর সিট ইল সামনের দিকে। তারা দুজনে নিজের সিটে গিয়ে বসল। টুশি ফিসফিস করে তপুকে জিজ্ঞেস করল, “বোতলটা আছে তো?”

    তপু পকেটে হাত ঢুকিয়ে নিশ্চিত হয়ে বলল, “হ্যাঁ আছে।”

    ঠিক কী কারণ জানা নেই টুশি আর তপু কাবিল কোহকাফীর বোতলটা সাথে। করে নিয়ে এসেছে। বোতলের উপরে মন্ত্রটা লেখা–সেই মন্ত্র বলার সময় যদি বোতলটা কাছাকাছি থাকে তা হলে কে জানে হয়তো মন্ত্রের জোর আরও বেশি হবে।

    তপু কিছুক্ষণ উসখুস করে বলল, “আপু, আমরা ক-কখন ভেতরে যাব?”

    টুশি ঘড়ি দেখে বলল, “বেশি আগে যেয়ে কাজ নেই। মানুষের ভিড় আরেকটু বাড় ক।”

    তপু জিজ্ঞেস করল, “কো-কোনদিক দিয়ে যাব আপু?”

    স্টেজের দুইপাশে দুটি সিঁড়ি ভিতরে ঢুকে গেছে–সেদিক দিয়ে ছাড়া আর যাওয়ার জায়গা নেই। টুশি দেখাল, “ঐ যে ওদিক দিয়ে।”

    “যদি আমাদের ধ-ধরে ফেলে?”

    “ধরলে ধরবে। দুইজন দুইদিক দিয়ে যাবে। একজন কোনোভাবে ঢুকে যাব, বুঝলি? ভিতরে ঢুকে কাবিল কোহকাফীর খাঁচার কাছে গিয়ে বলব, “মাথা নিচু হাত উঁচু মাগারুফাস মাগারুফাস মাগারুফাস, মনে আছে তো?”

    “হ্যাঁ। ম-মনে আছে।”

    পরদা ওঠার পর যখন সবাই দেখবে কাবিল কোহকাফী বসে আছে–অদৃশ্য না ছাই তখন বদমাইশগুলো আচ্ছা মতন জব্দ হবে।”

    তপু মাথা নাড়ল, “জ-জ-জব্দ হবে।”

    টুশি উত্তেজিত গলায় বলল, “বুঝলি তপু এই বদমাইশগুলোর বিজনেসের। আসল ব্যাপারটাই হচ্ছে অদৃশ্য একজন মানুষ। কিন্তু যদি দেখা যায় মানুষটা অদৃশ্য না তা হলেই বিজনেসের বারোটা বেজে যাবে।”

    তপু মাথা নাড়ল, “বা-বারোটা বেজে যাবে।”

    টুশি মাথা ঘুরিয়ে তাকাল, বিশাল হলঘর মানুষে ভরে যাচ্ছে। বড় বড় মানুষেরা তাদের ছেলেমেয়েদের নিয়ে এসেছে। সবাই আগ্রহ নিয়ে বসে আছে। যারা বড় তাদের চোখেমুখে একধরনের অবিশ্বাসের হাসি, ছোটরা খুবই উত্তেজিত। যারা একটু বেশি ছোট তারা ভয় পেয়ে তাদের বাবা-মাকে ধরে রেখেছে। ঠিক এরকম সময় একটা ভয়ের মিউজিক বাজতে শুরু করল, উপস্থিত সবাই তখন নড়েচড়ে বসে।

    টুশি ঘড়ি দেখে বলল, “চল এখন।”

    তপু বলল, “আমার ভ-ভয় করছে আপু।”

    টুশি তপুর ঘাড়ে হাত রেখে নরম গলায় বলল, “ভয়ের কী আছে? কুলহু আল্লাহ্ পড়ে বুকে একটা ফুঁ দে দেখবি ভয় চলে যাবে।”

    তপু বিড়বিড় করে কুলহু আল্লাহ্ পড়ে বুকে ফুঁ দিয়ে স্টেজের দিকে এগুতে থাকে। সামনে এখনও কিছু মানুষ হাঁটাহাটি করছে। কাজেই আলাদা করে কেউ তাদের লক্ষ করল না। উইংসের সামনে একজন মানুষ পাহারা দিচ্ছে, মানুষটি দুইজন দর্শককে কী-একটা বোঝাচ্ছে, সেই ফাঁকে টুশি আর তপু চট করে ভিতরে ঢুকে গেল। বিশাল একটা উইংস তার পিছনে আবছা অন্ধকার, সেখানে নিজেদের আড়াল করে রেখে তারা একটা নিশ্বাস ফেলল।

    উইংসের আড়াল থেকে স্টেজটাকে দেখে তারা হতবাক হয়ে যায়। বিশাল স্টেজ তার মাঝামাঝি একটা বড় খাঁচা, সেটা কালো কাপড় দিয়ে ঢাকা। কাবিল কোহকাফীকে নিশ্চয়ই এর ভেতরে বেঁধে রাখা আছে। খাঁচার দুই পাশে খুব জমকালো সেট তৈরি করা হয়েছে। দেখে মনে হয় সেটা বুঝি বিশাল একটি অরণ্য। তার পিছনে প্রাসাদের মতো একটা ঘর–দেখে মনে হয় পুরোটা বুঝি একটা রূপকথার রাজ্য। পেছনে বিশাল স্ক্রিনে বড় বড় করে লেখা–

    পৃথিবীর এক এবং অদ্বিতীয়
    সবচেয়ে আশ্চর্য এবং সবচেয়ে ভয়ংকর
    অদৃশ্য দানব!

    স্টেজের দুই পাশে বিশাল কিছু স্পিকার, একেবারে ছাদ পর্যন্ত চলে গেছে। বেশ কয়েকজন মানুষ মিলে সেগুলো পরীক্ষা করছে। মাঝে মাঝেই সেগুলো গুম গুম শব্দ করছে, মনে হয় শব্দে ছাদ ধসে পড়বে। স্টেজের জন্যে নানারকম আলোর ব্যবস্থা করা হয়েছে, নানা রঙের স্পটলাইট ঝুলছে, স্টেজের দুই পাশেও অনেক মানুষ বড় বড় স্পটলাইট নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে, মাঝে মাঝে লাইট জ্বলছে এবং নিভছে। সুন্দর সুন্দর কাপড় পরা সেজেগুজে থাকা কয়েকজন পুরুষ এবং মহিলা খুব ব্যস্ত হয়ে স্টেজের উপর হাঁটাহাঁটি করছে। তারা নিশ্চয়ই অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করবে। টুশি এবং তপু অবাক হয়ে এই ব্যস্ততা এবং হইচই দেখতে থাকে, এত মানুষের ভিড়ের মাঝে কোথাও তারা মন্তাজ ওস্তাদ কালাচান কিংবা দবির মিয়াকে দেখতে পেল না। তারা হচ্ছে গুণ্ডা এবং সন্ত্রাসী, এই অনুষ্ঠানে সেজন্যে তারা নেই, হয়তো গ্রিনরুমে কোথাও বসে আছে।

    তপু জিজ্ঞেস করল, “আপু এখন কী-ক-করব?”

    টুশি স্টেজটা ভালো করে পরীক্ষা করে ফিসফিস করে বলল, “প্রথমে লুকিয়ে এক দৌড়ে ঐ সেটের পিছনে যেতে হবে। তা হলে কেউ দেখতে পাবে না। তারপর সেটের পিছন দিয়ে হামাগুড়ি দিয়ে খাঁচার কাছে যাব।”

    তপু বলল, “যদি ধ-ধ-ধরা পড়ে যাই?”

    “ধুর গাধা! ধরা পড়বি কেন?” টুশি তপুকে সাহস দিয়ে বলল, “লাইটটা যখন কমাবে তখন মাথা নিচু করে একটা দৌড় দিবি। সোজা সেটার দিকে।”

    “তু-তুমি আসবে না?”

    “আসব কিন্তু একসাথে না। দুইজন আলাদা আলাদা, যেন ধরা পড়লেও একজন ধরা পড়ি। বুঝেছিস?”

    তপু বলল, “বু-বুঝেছি।”

    দূজন কয়েক মিনিট নিঃশব্দে দাঁড়িয়ে রইল, স্টেজের লাইটিং পরীক্ষা করতে করতে একসময় আলোগুলো নিবুনিবু করেছে তখন টুশি তপুর পিঠে একটা ধাক্কা দিয়ে বলল, “যা।”

    তপু তখন নিচু হয়ে একছুটে উইংস থেকে একটা বিশাল কার্ডবোর্ডের গাছের নিচে আড়াল হয়ে গেল। টুশি কয়েক মুহূর্ত নিশ্বাস বন্ধ করে থাকে কেউ দেখতে পায় নি। টুশি যদি নাও যেতে পারে কিংবা ধরাও পড়ে যায় তা হলেও এখন ক্ষতি নেই, তপু হামাগুড়ি দিয়ে কাবিল কোহকাফীর কাছে পৌঁছে যেতে পারবে।

    টুশি আরও কয়েক মিনিট অপেক্ষা করল, আবার যখন স্পটলাইটের আলোটা ঘুরে অন্যদিকে চলে গেল টুশি মাথা নিচু করে একছুটে সেটের আড়ালে চলে গেল তাকেও কেউ দেখতে পায় নি। টুশি কিছুক্ষণ বড় বড় নিশ্বাস নেয় তারপর হামাগুড়ি দিয়ে এগুতে থাকে, ঠিক তখন একটা বিপর্যয় ঘটে গেল।

    স্টেটাকে সাজানোর জন্যে যে বড় বড় সেট তৈরি করা হয়েছে সেগুলো কাঠের ফ্রেম ব্যবহার করে ঠেস দিয়ে দাঁড় করানো হয়েছে। দেখে সেগুলোকে বিশাল বড় মনে হলেও আসলে এগুলো তৈরি হালকা কার্ডবোর্ড দিয়ে। টুশি সেটা বুঝতে পারে নি-পিছন থেকে একটার ওপর হালকাভাবে হেলান দিতেই তাকে নিয়ে পুরোটা হুড়মুড় করে স্টেজের ওপর পড়ে গেল–সাথে সাথে হইচই চেঁচামেচি চিৎকার শুরু হয়ে যায়। টুশি শুনতে পেল, একজন বলল, “বাবারে গেছিরে!”

    কয়েকজন দৌড়ে এল তার কাছে। একজন জিজ্ঞেস করল, “কী হয়েছে? কেমন করে পড়ল?”

    যার মাথার উপর পড়েছে সে কোকাতে কোকাতে বলল, “জানি না। এত করে বললাম শক্ত করে পেরেক মার–”

    “মেরেছি তো শক্ত করে।”

    অন্যজন ধমক দিয়ে বলল, “শক্ত করে মারলে এইভাবে মাথার মাঝে খুলে পড়ে?”

    আরেকজন বলল, “পিছনে গিয়ে দ্যাখ কী হয়েছে।”

    টুশি বুঝতে পারল কয়েকজন মানুষ ব্যাপারটা দেখতে আসছে। সে তাড়াতাড়ি অন্য একটা কার্ডবোর্ডের গাছের আড়ালে লুকানোর চেষ্টা করছিল কিন্তু তার আগেই একজন তাকে দেখে চিৎকার করে বলল, “আরে! আরে! এইখানে এই মেয়ে কোথা থেকে এসেছে?”

    টুশি ধরা পড়ে গেছে বুঝতে পেরে কিছুই হয় নি এরকম ভান করে তার ফ্রক ঝাড়তে ঝাড়তে উঠে এল। লিকলিকে চিকন একজন মানুষ খপ করে তার হাত ধরে বলল, “এই মেয়ে? তুমি এখানে কী করছ?”

    টুশি গলার স্বর যতটুকু সম্ভব স্বাভাবিক রেখে বলল, “আমার ইঁদুরের বাচ্চা–”

    ‘ইঁদুরের বাচ্চা?”

    “হ্যাঁ, আমার পোষা একটা ইঁদুরের বাচ্চা আছে। হঠাৎ হাত থেকে লাফ দিয়ে পালিয়ে গেল। এদিকে কোথায় জানি লুকিয়েছে।”

    মানুষগুলো একজন আরেকজনের দিকে তাকাল। একজন বলল, “তুমি তোমার ইঁদুরের বাচ্চা নিয়ে এখানে এসেছ?”

    টুশি দাঁত বের করে হেসে বলল, “আমার পোষা ইঁদুর, সবসময় আমার সাথে থাকে।”

    “সেইজন্যে তুমি এখানে এসে সব ভেঙেচুরে ফেলছ?” মানুষটা ধমক দিয়ে বলল, “তোমার বাবা-মা কোথায়?”

    টুশি অনির্দিষ্ট একটা ভঙ্গি করে বলল, “ঐ তো ওখানে।”

    একজন বলল, “যাও, ভাগো এখান থেকে।”

    আরেকজন বলল, “আজকালকার ছেলেপিলে যে কী পাজি চিন্তাও করা যায় না। সাহস কত বড়–এখানে ঢুকে গেল!”

    মানুষগুলো তার গল্প বিশ্বাস করেছে টুশি তাই আরও একটু চেষ্টা করল, “কিন্তু আমার ইঁদুর?”

    লিকলিকে মানুষটা ধমক দিয়ে বলল, “তোমার ইঁদুরের খেতা পুড়ি। ভাগে” তারপর একটা ধাক্কা দিয়ে তাকে স্টেজ থেকে বাইরে নিয়ে যেতে থাকে। টুশি একটা স্বস্তির নিশ্বাস ফেলল, এতক্ষণে তপু নিশ্চয়ই কাবিল কোহকাফীর কাছে। পৌঁছে গেছে–তাকে তার মন্ত্রটাও বলে দিয়েছে। কাবিল কোহকাফীকে যখন দেখানো হবে তখন সবাই দেখবে নাদুস-নুদুস একজন ভালো মানুষকে এরা ধরে বেঁধে রেখেছে! অদৃশ্য মানবের পুরো ব্যাপারটাই তখন একটা ঠাট্টা হয়ে যাবে এরা সবাই পাবলিকের যা একটা মার খাবে সেটা আর বলার মতো নয়।

    পোষা ইঁদুরকে ছেড়ে চলে যেতে হচ্ছে এরকম মন খারাপের ভঙ্গি করে টুশি হাঁটতে থাকে ঠিক তখন ভয়ংকর একটা ব্যাপার ঘটে গেল। টুশি তাকিয়ে দেখে স্টেজের এক পাশ থেকে মন্তাজ ওস্তাদ এবং দুই পাশে কালাচান আর দবির মিয়া তার দিকে লম্বা পা ফেলে এগিয়ে আসছে। টুশি তখন ঝটকা মেরে হাত ছাড়িয়ে এক দৌড়ে বাইরে চলে যাবার চেষ্টা করল কিন্তু ততক্ষণে দেরি হয়ে গেছে, কালাচান আর দবির মিয়া দৌড়ে এসে তাকে ধরে ফেলেছে। মন্তাজ ওস্তাদ হুংকার দিয়ে বলল, “এই মেয়ে এখানে কোথা থেকে এসেছে?”

    লিকলিকে মানুষটা হাত নেড়ে পুরো ব্যাপারটা উড়িয়ে দেবার ভঙ্গি করে বলল, “ফালতু মাইয়া-ইন্দুরের পিছনে পিছনে চলে আসছে!”

    মন্তাজ ওস্তাদ হিংস্র মুখে বলল, “ফালতু মাইয়া? তুমি জান এইটা কে?”

    লিকলিকে মানুষটা আমতা-আমতা করে বলল, “কে?”

    “এই মেয়ে তোমাকে দশবার কিনে দশবার বিক্রি করে দিতে পারবে। এর মতো ধুরন্ধর মানুষ আমি আমার জন্মে দেখি নাই”

    “কী বলছেন আপনি?”

    “হ্যাঁ।” মন্তাজ ওস্তাদ কঠিন মুখে বলল, “এই মেয়ে কেন এসেছে জান?”

    “কেন?”

    “আমাদের অদৃশ্য দানবকে ছুটিয়ে নেবার জন্যে।”

    “কীভাবে নেবে?”

    “সেইটা তোমার ব্রেনে ধরবে না–তাই বোঝার চেষ্টাও কোরো না।”

    লিকলিকে মানুষটার মনে হল একটু অপমান হল, সে কিছু-একটা বলতে চাইছিল কিন্তু মন্তাজ ওস্তাদ তাকে কোনো পাত্তা না দিয়ে তার দুই সাগরেদকে বলল, “কালাচান, দবির মিয়া”

    “জে?”

    “এই মেয়েকে যদি এখানে পাওয়া যায় তার অর্থ কী জানিস?”

    “কী?”

    “তার অর্থ এইখানে সেই তোতলা পিচ্চিটাও আছে। এক্ষুনি খুঁজে বের কর।”

    লিকলিকে মানুষটা চোখ কপালে তুলে বলল, “তোত পিচ্চি?”

    “হ্যাঁ। তাড়াতাড়ি যা খাঁচার কাছে–নিশ্চয়ই সেখানে আছে। দৌড়া-”

    একসাথে তখন অনেকে দৌড়ে গেল খাঁচার দিকে।

    .

    তপু যখন হামাগুড়ি দিয়ে কালো কাপড় দিয়ে ঢাকা খাঁচাটার কাছাকাছি পৌঁছে গেছে তখন হঠাৎ প্রচণ্ড শব্দ করে কার্ডবোর্ডের গাছটা স্টেজে ভেঙে পড়েছে। তপু ভয়ে চমকে উঠল, সাথে সাথে বুঝতে পারল টুশি এখন ধরা পড়ে যাবে কাজেই যা। করার তার নিজেরই করতে হবে। ভয় তার বুকের ভিতর একটা কাঁপুনি দিয়ে গেল। নিজেকে শান্ত করে তপু তাড়াতাড়ি আরও একবার কুলহু আল্লাহ পড়ে নিজের বুকে ফুঁ দিয়ে নেয় তারপর হামাগুড়ি দিয়ে খাঁচাটার কাছাকাছি পৌঁছে যায়। কালো কাপড় তুলে ভেতরে তাকাল, আবছা অন্ধকারে দেখতে পেল খাঁচার দেয়ালে হেলান দিয়ে কাবিল কোহকাফী বসে আছে। চোখেমুখে একধরনের ভয়ংকর মন খারাপ-করা উদাস ভঙ্গি। কাবিল কোহকাফীর দুই হাত দুই পা এবং গলা শিকল দিয়ে খাঁচার ভেতরে বাঁধা–দেখেই কেমন যেন মন খারাপ হয়ে যায়। তপু ফিসফিস করে ডাকল, “কাবিল কো-কোহকাফী–”

    কাবিল কোহকাফী চমকে তপুর দিকে তাকাল, তাকে দেখে হঠাৎ তার মুখটা আনন্দে উজ্জ্বল হয়ে ওঠে, শিকল পরা অবস্থায় তার দিকে এগিয়ে এস বলল, “আরে তপু! তুমি কোথা থেকে এসেছে?”

    তপু হড়বড় করে বলল, “তো-তোমাকে উদ্ধার করতে এসেছি!”

    “কেমন করে তুমি উদ্ধার করবে?”

    “যে জি-জিনিসটা বললে তো-তোমাকে সবাই দেখতে পাবে সে-সেটা বলতে এসেছি।”

    কাবিল কোহকাফী অবাক হয়ে বলল, “সেটা তুমি কেমন করে জান?”

    “আমরা বে-বে-বের করেছি। তুমি যে বো-বোতলটার ভেতরে ছিলে, সে সেখানে লেখা ছিল।”

    “কী তাজ্জবের ব্যাপার!”

    “হ্যাঁ। তু-তুমি সেটা বললেই স-সবাই তোমাকে দেখতে পাবে। ত-ত-তখন তোমাকে আর বেঁধে রা-রা-রাখতে পারবে না!”

    কাবিল কোহকাফী আনন্দে তার শিকল ঝাঁকিয়ে বলল, “জবরদস্ত! চমৎকার!”

    “হ্যাঁ, তুমি মা-মাথা নিচু করে দু-দু-দুই হাত দুই পাশে রাখো। তারপর বলো “

    কাবিল কোহকাফী মাথা নিচু করে দুই হাত দুই পাশে রেখে বলল, “কী বলব?”

    “বলো–মা-মা-মাগারুফাস”

    কাবিল বলল, “মা-মা-মাগারুফাস।”

    তপু বলল, “না, নামা-মা-মাগারুফাস না”

    মাগারুফাস বলতে গিয়ে আবার তপুর মুখে কথাটা আটকে গেল, সে বলল, “মা-মা-মাগারুফাস”

    কাবিল বলল, “তাই তো বললাম, মা-মা-মাগারুফাস।”

    তপু উত্তেজিত হয়ে বলল, “না মা-মা-মাগারুফাস”

    হঠাৎ করে সে নার্ভাস হয়ে যায় এবং বুঝতে পারে সে কোননাভাবেই এখন আর এই ছোট কথাটা ঠিক করে উচ্চারণ করতে পারবে না। তার পরও সে প্রাণপণে চেষ্টা করল, বলল, “তোমাকে মা-মা-মাত্র তিনবার বলতে হবে। বলবে মা-মা-মাগারুফাস-” আবার তার মুখে কথাটা আটকে গেল। রাগে-দুঃখে তপুর চোখে পানি এসে যায়, সে মেঝেতে পা দাপিয়ে বলল, “আমি ঠি-ঠি-ঠিক করে বলতে পা-পারছি না। মা-মা-মা “

    কাবিল বলল, “নার্ভাস হওয়ার কিছু নাই তপু। তুমি ঠাণ্ডা মাথায় আস্তে আস্তে বলো। কোনো তাড়াহুড়া নাই–

    তপু বড় করে একটা নিশ্বাস নিল। চোখ বন্ধ করে মনে-মনে সে শব্দটা ঠিক করে উচ্চারণ করল। তখন সে চোখ খুলে যেই বলতে শুরু করল ঠিক তখন দুই পাশ থেকে দুইজন খপ করে ধরে এক হ্যাঁচকা টানে তাকে শূন্যে তুলে ফেলে বলল, “পেয়েছি!”

    তপু চিৎকার করতে যাচ্ছিল, কিন্তু কে যেন তার মুখটা খপ করে ধরে ফেলল, সে নিজেকে ছাড়িয়ে নেবার জন্যে ছটফট করতে থাকে কিন্তু কোনো লাভ হয় না। যারা তাকে ধরেছে তাদের হাত লোহার মতো শক্ত, গায়ে মোষের মতো জোর।

    তপু তাকিয়ে দেখল, টুশিকেও মন্তাজ ওস্তাদ ধরে রেখেছে। টুশি তার মাঝেই তপুকে দেখে উত্তেজিত হয়ে বলল, “তপু–বলেছিস?”

    তপু মাথা নেড়ে বলল, “না আপু। বলতে পা-পারি নি।”

    টুশির মুখটা মুহূর্তে বিবর্ণ হয়ে গেল। বলল, “পারিস নি?”

    তপুর চোখে পানি এসে যায়। মাথা নিচু করে বলল, চে-চেষ্টা করেছিলাম। মু মুখে আটকে গেল।”

    তপু মুখ তুলে জিজ্ঞেস করল, “এখন কী হবে আপু?”

    টুশি কোনো কথা না বলে তপুর দিকে তাকিয়ে রইল। সত্যিই তো–এখন কী হবে?

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআমার সাইন্টিস মামা – মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    Next Article রূপ-রূপালী – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    Related Articles

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    ছোটগল্প – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সাদাসিধে কথা – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মেকু কাহিনী – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    আমার বন্ধু রাশেদ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সায়েন্স ফিকশান সমগ্র ১ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    টুনটুনি ও ছোটাচ্চু – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }