Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কাবিল কোহকাফী – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল এক পাতা গল্প169 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১৫. বিপত্তি

    ১৫. বিপত্তি

    মন্তাজ ওস্তাদ ছোট গ্রিনরুমটার একপাশ থেকে অন্য পাশে হাঁটতে হাঁটতে বলল, “ফিনিশ করে দিতে হবে।”

    দবির মিয়া তার ঘাড়বিহীন মাথা নাড়ল, বলল, “জে ওস্তাদ। ফিনিশ করে দিতে হবে।”

    “একেবারে ফিনিশ না করলে বিপদ। এইটুকুন দুইটা পিচ্চি কিন্তু কী ডেঞ্জারাস . দেখেছিস?”

    কালাচান মিহি গলায় বলল, “অসম্ভব ডেঞ্জারাস।”

    দবির মিয়া বলল, “কীভাবে ফিনিশ করবেন ওস্তাদ? গুল্লি?”

    “উঁহু।” মন্তাজ ওস্তাদ খুব চিন্তিত মুখে বলল, “এমনভাবে ফিনিশ করতে হবে যেন কেউ সন্দেহ না করে।”

    কালাচান বলল, “সেইটা কীরকম?”

    “দেখে যেন মনে হয় অ্যাক্সিডেন্ট।” “অ্যাক্সিডেন্ট?”

    “হ্যাঁ।” মন্তাজ ওস্তাদ বলল, “এইখানে আজকে যারা শো করছে তারা আসল জিনিস জানে না। আসল জিনিস জানি খালি আমরা কয়েকজন। আর জানে এই দুই পিচ্চি। আসল জিনিস জানাজানি হয়ে গেলে কিন্তু আমরা কোনো বিজনেস করতে পারব না।”

    কালাচান আর দবির মিয়া একসাথে মাথা নাড়ল।

    “কাজেই এমনভাবে এই দুই পিচ্চিরে মার্ডার করতে হবে যেন কেউ বুঝতে না পারে। সবাই যেন মনে করে অ্যাক্সিডেন্ট।”

    “সেইটা কীভাবে করবে ওস্তাদ?”

    “এই স্টেজে করতে হবে। সবার সামনে। আজকেই।”

    “আজকেই?”

    “হ্যাঁ। শো শুরু হলেই।”

    কালাচান আর দবির মিয়া মাথা চুলকে বলল, “কীভাবে করবে ওস্তাদ?”

    “দেখি–আমাকে একটু চিন্তা করতে দে।” মন্তাজ ওস্তাদ তার ফোকলা দাঁত দিয়ে পিচিক করে একবার থুতু ফেলে একটা সিগারেট ধরাল। কালাচান আর দবির মিয়া ধৈর্য ধরে ওস্তাদের মুখের দিকে তাকিয়ে বসে রইল।

    .

    ঠিক এই সময়ে টুশি আর তপু ছোট একটা ঘরে একটা প্যাকিংবাক্সের উপর বসে ছিল। ঘরটিতে কোনো জানালা নেই–নানারকম জঞ্জালে ভরতি। উপরে একটা উজ্জ্বল বাতি জ্বলছে, সেই আলোতে জঞ্জালভরা এই নোংরা ঘরটাকে দেখে কেমন যেন মন খারাপ হয়ে যায়। তপু বলল, “টু-টুশি আপু, এখন কী হবে?”

    টুশির নিজেরও খুব ভয় করছিল, কী হবে সে জানে না, এই মানুষগুলো এত খারাপ যে ভয়ংকর কিছু হতে পারে। টুশি অবশ্যি সেটা তপুকে বুঝতে দিল না। বলল, “কী আর হবে, আমাদেরকে কিছুক্ষণ আটকে রেখে ছেড়ে দেবে।”

    “য-যদি না দেয়?”

    প্রশ্নটা খুবই যৌক্তিক প্রশ্ন, কিন্তু টুশি হাত নেড়ে উড়িয়ে দিয়ে বলল, “না দেবে কেন? কাবিল কোহকাফীর অনুষ্ঠান শেষ হলেই আমাদেরকে ছেড়ে দেবে।”

    তপু খানিকক্ষণ চুপ করে থেকে বলল, “আর কা-কাবিল কোহকাফীর কী হবে?”

    টুশি একটা নিশ্বাস ফেলল, বলল, “দেখিস আমরা ঠিক চিন্তা করে একটা বুদ্ধি বের করে ফেলব।”

    ঠিক এই সময়ে তারা খুব জোরে জোরে একটা বাজনার শব্দ শুনতে পেল, তার সাথে প্রচণ্ড হাততালি। টুশি বলল, “নিশ্চয়ই পরদা তুলেছে।”

    .

    টুশির ধারণা সত্যি। ঠিক তখন বিশাল লাল ভেলভেটের পরদা টেনে সরিয়ে দেয়া হয়েছে, ভেতরে আলো-আঁধারের খেলা। স্টেজে গাছপালা এবং পুরনো একটা প্রাসাদের মতো একটা সেট। মাঝখানে কালো কাপড়ে ঢাকা একটা লোহার খাঁচা। ঠিক তখন দুই পাশ থেকে দুজন ছুটে স্টেজে এল, একজন পুরুষ অন্যজন মহিলা। তারা মাথা নুইয়ে অভিভাদন করে বলল, “পৃথিবীর সবচেয়ে বিস্ময়কর সবচেয়ে বিচিত্র এবং সবচেয়ে ভয়ংকর অনুষ্ঠানে আপনাদের সবাইকে আমন্ত্রণ। আপনারা এখন দেখবেন সৃষ্টিজগতের সবচেয়ে অভাবনীয় সৃষ্টি। অদৃশ্য দানব।”

    সবার প্রচণ্ড হাততালির শব্দের মাঝে দুজন কালো পরদাটা সরিয়ে নিতেই বিস্ময়করভাবে সবার হাততালি থেমে গেল কারণ খাঁচার ভিতরে কিছু নেই, শুধু কয়েকটি শিকল ঝুলছে। পুরুষমানুষটি বলল, “আপনারা ভাবছেন এখানে কি সত্যিই কেউ আছে? আমরা যদি দেখতেই না পাই তা হলে বিশ্বাস করব কেমন করে?”

    মহিলাটি বলল, “আপনাদের সেই অবিশ্বাস দূর করার জন্যে এই খাঁচার ভেতরে আমরা স্প্রে পেইন্ট করব–অদৃশ্য মানুষের শরীরে সেই ক্ষণস্থায়ী পেইন্ট থেকে আপনারা তাকে দেখবেন–সবচেয়ে ভয়ংকর সবচেয়ে আশ্চর্য এবং সবচেয়ে বিচিত্র এক অদৃশ্য দানব।”

    জোরে জোরে বাজনা বাজতে থাকে তখন সুসজ্জিত কিছু মানুষ বাজনার তালে তালে এসে প্রবেশ করে। তাদের পিঠে ব্যাকপেকে পেইন্ট, হাতে স্প্রে করার টিউব। খাঁচার কাছাকাছি এসে তারা ভেতরে উজ্জ্বল লাল রঙের স্প্রে করতে থাকে। হাজার হাজার দর্শক তখন অবাক হয়ে দেখে খাঁচার ভেতরে রক্তের মতো লাল একটি অবয়ব স্পষ্ট হয়ে উঠছে। সেই বিচিত্র অবয়ব নড়ছে, ঝাঁঝালো কটু গন্ধের স্প্রে থেকে নিজেকে রক্ষা করার চেষ্টা করছে! বাইরে থেকে শেকলে হ্যাঁচকা টান দিতেই সেই বিচিত্র অবয়বটি সোজা হয়ে দাঁড়াল–লাল রঙের পেইন্টে ঢাকা বিচিত্র ভয়ংকর একটি মূর্তি। হাজার হাজার দর্শক কয়েক মুহূর্ত চুপ করে থাকে তারপর বিস্ময়ের একটা ধ্বনি করে প্রচণ্ড হাততালিতে পুরো হলঘরটিকে কাঁপিয়ে দেয়।

    কেউ জানতেও পারল না যে-ভয়ংকর অদৃশ্য দানবকে দেখে সবাই ভয়ে আতঙ্কে শিউরে উঠেছে, শিকল-বাঁধা অবস্থায় যাকে দেখে আনন্দে আত্মহারা হয়েছে সেই দানবটি আসলে ছিল একটি অত্যন্ত দুঃখী প্রাণী–গভীর কষ্টে তখন তার বুকটি ভেঙে যাচ্ছিল। তীব্র ঝাঁঝালো গন্ধের উজ্জ্বল লাল রঙের পেইন্ট ছাপিয়ে তার চোখ থেকে ফোঁটা ফোঁটা পানি বের হয়ে আসছিল, কিন্তু কোনো মানুষ তার চোখের সেই অশ্রু দেখতে পাচ্ছিল না।

    .

    মন্তাজ ওস্তাদ সিগারেটটা পায়ে পিষে বলল, “তা হলে আমার প্ল্যানটা বুঝতে পেরেছিস তো?”

    “বুঝেছি ওস্তাদ।”

    “ব্যাক স্ক্রিনের মইটা দিয়ে দুইজনকে স্টেজের উপরে তুলে দে। স্টেজ থেকে কমপক্ষে তিরিশ ফুট। তারপর ভয় দেখিয়ে বল স্পটলাইটের র‍্যাকটা দিয়ে স্টেজের মাঝামাঝি যেতে। দরকার হলে ভয় দেখা।”

    কালাচান দাঁত বের করে মিহি গলায় বলল, “ওইটা কোনো ব্যাপারই না।”

    “তারপর আমরা ভান করব তাদের উদ্ধার করার চেষ্টা করছি। করব উলটোটা, ঝাঁকিয়ে উপর থেকে নিচে ফেলে দেব। খাঁচার ধারালো শিকে গেঁথে যাবে দুইজন। বুঝলি?”

    “একেবারে পানির মতন।”

    “যা তা হলে। দেরি করিস না।”

    কালাচান আর দবির মিয়া হেঁটে হেঁটে জঞ্জাল রাখার ছোট ঘরটার কাছে গিয়ে সাবধানে ছিটকিনি খুলে ভিতরে উঁকি দিল। টুশির শরীরে হেলান দিয়ে তপু বসে ছিল, দরজা খুলতেই দুজনেই সোজা হয়ে বসল। দবির মিয়া তার গরিলার মতো ভারী শরীরটা ঘরের ভেতরে অর্ধেক ঢুকিয়ে হাত নেড়ে বলল, “আয়।”

    টুশি দাঁড়িয়ে বলল, “কোথায়?”

    “নিজেরাই দেখবি কোথায়।”

    টুশি আর তপু তবুও অনিশ্চিতের মতো দাঁড়িয়ে রইল, তখন দবির মিয়া ভিতরে ঢুকে খপ করে দুইজনের ঘাড় ধরে টেনে বাইরে নিয়ে এসে বলল, “তোদের সাহস খুব বেশি বেড়েছে?”

    টুশি জিজ্ঞেস করল, “তোমরা আমাদের কী করবে?”

    কালাচান মিহি গলায় বলল, “ছেড়ে দেব। কিন্তু তার আগে তোদের একটু শিক্ষা দিতে চাই।”

    টুশি ভয়ে ভয়ে বলল, “কী শিক্ষা?”

    “এমন শিক্ষা যেন জীবনে আর আমাদের সাথে তেড়িবেড়ি না করিস।”

    তপু ভয়ে ভয়ে বলল, “কে-কেমন করে?”

    তপুর প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে টুশি আর তপুর ঘাড় ধরে কালাচান আর দবির মিয়া ততক্ষণে তাদেরকে স্টেজের পেছনে মইটার কাছে দাঁড় করিয়েছে। দুজনের চুলের মুঠি ধরে ঝাঁকুনি দিয়ে বলল, এই মইটা দিয়ে উপরে উঠে যাবি, তারপর ঐ যে র‍্যাকটা দেখছিস সেইটার উপর দিয়ে স্টেজের ঠিক মাঝখানে চলে যাবি।

    টুশি উপরে তাকিয়ে আঁতকে উঠে বলল, “সর্বনাশ! যদি পড়ে যাই?”

    “সেইটাই তোদের শাস্তি। পড়তে পারবি না, পড়ে গেলে নিচের শিকে গেঁথে মরে যাবি। বুঝেছিস?”

    তপু মাথা নেড়ে কাঁদোকাঁদো হয়ে বলল, “আমি পা-পারব না।”

    কালাচান কোমর থেকে একটা রিভলবার বের করে তপুর মাথায় ধরে বলল, “না পারলে এখানেই খুন করে ফেলব হারামজাদার বাচ্চা।”

    তপু কেঁদে ফেলতে গিয়ে থেমে গেল, হঠাৎ করে সে বুঝতে পারল এদের সামনে কেঁদে কোনো লাভ নেই। এরা দয়ামায়াহীন পশু।

    কালাচান টুশির ঘাড়ে ধাক্কা দিয়ে মইয়ের উপরে ফেলে দিয়ে বলল, “ওঠ।”

    দবির মিয়া বলল, “ঐ র‍্যাক থেকে সবগুলো লাইট জ্বলছে–জায়গাটা আগুনের মতো গরম। ঐ গরমে এক ঘণ্টা বসে থাকবি, সেইটা হচ্ছে তোদের শাস্তি।”

    কালাচান মিহি গলায় বলল, “এখন বল, তোরা কী চাস? এখানেই খুন হয়ে যেতে চাস নাকি ঐ র‍্যাকে বসে এক ঘণ্টা শাস্তি ভোগ করতে চাস?”

    টুশি বলল, “তারপর আমাদের ছেড়ে দেবে?”

    কালাচান মিহি গলায় বলল, “ছেড়ে না দিয়ে কী করব? তোদেরকে কি আমরা সারাজীবন পালব নাকি?”

    দবির মিয়া বলল, “লাথি মেরে বিদায় করব যেন আর কখনও আমাদের সাথে লাগতে না আসিস।”

    তপু উপরে তাকিয়ে কাঁদোকাঁদো গলায় বলল “আমার ভয় করছে আপু।”

    টুশি মুখে সাহসের একটা ভাব করে বলল, “ভয়ের কী আছে? আমি তোকে ধরে রাখব, আয়।”

    কালাচান রিভলবার দিয়ে তপুর পিঠে একটা পুঁতো দিয়ে বলল, “ওঠ।”

    তখন প্রথমে তপু তার পিছুপিছু টুশি মই দিয়ে উপরে উঠতে থাকে। প্রায় ত্রিশ ফুট উঁচুতে গিয়ে তারা র‍্যাকটার নাগাল পেল। অ্যালুমিনিয়ামের সরু একটা ব্ল্যাক, তার সাথে ব্র্যাকেট লাগানো এবং সেই ব্র্যাকেট থেকে ফ্লাডলাইটগুলো ঝুলছে। তীব্র উজ্জ্বল আলোতে চোখ ধাঁধিয়ে যায়, তার ভেতর থেকে আগুনের হলকার মতো গরম বাতাস আসছে–টুশি আর তপুর মনে হতে থাকে তারা বুঝি গরমে সেদ্ধ হয়ে যাবে।

    টুশি আর তপু উপর থেকে নিচে তাকাল, স্টেজের উপর তখন কাবিল কোহকাফীকে দিয়ে একটা নৃশংস খেলা দেখানো হচ্ছে, সে স্টেজ ভেঙে বের হয়ে আসতে চাইছে এরকম একটা কথা বলে তাকে ইলেকট্রিক শক দিয়ে খাঁচার মাঝখানে আটকে রাখার চেষ্টা করছে। তীব্র আলোয় চোখ ধাঁধিয়ে যাচ্ছে বলে টুশি আর তপু ভালো করে কাবিল কোহকাফীকে দেখতে পাচ্ছে না–কিন্তু যেটুকু দেখছে সেটা দেখেই কাবিল কোহকাফীর কষ্টে তাদের বুক ভেঙে যেতে লাগল।

    টুশি তপুকে বলল, “সামনে যা তপু।”

    তপু কোনোরকমে কান্না আটকাতে আটকাতে বলল, “আমার ভ-ভয় করছে। আপু। য-যদি পড়ে যাই?”।

    “পড়ে গেলে মরে যাবি তাই খবরদার পড়ে যাবি না। দুই হাতে শক্ত করে ধরে একটু একটু করে এগিয়ে যা। খবরদার নিচে তাকাবি না, নিচে তাকালেই কিন্তু মাথা ঘুরে পড়ে যাবি।”

    “আমি পা-পারব না আপু।”

    নিচে কালাচান রিভলবার তাক করে ধরে রেখেছে, সেদিকে একনজর তাকিয়ে টুশি বলল, “নিচে বদমাইশগুলো রিভলবার ধরে রেখেছে। পরে গুলি করে দেবে। সামনে আগাতে থাক। আমি তোকে ধরে রাখছি।”

    তপু চোখ মুছে হামাগুড়ি দিয়ে এগুতে শুরু করে। র‍্যাকটা প্রায় ত্রিশ ফুট উঁচুতে স্টেজের দুইপাশ থেকে ঝোলানো, তারা এগুতে শুরু করা মাত্র সেটা বিপজ্জনকভাবে দুলতে শুরু করল। তপু সাথে সাথে বুক লাগিয়ে শুয়ে পড়ে চাপা স্বরে আর্তনাদ করে ওঠে। টুশির বুকও ভয়ে ধকধক করতে থাকে, মনে হয় এক্ষুনি বুঝি উপর থেকে নিচে পড়ে যাবে।

    দুলুনি একটু কমে আসতেই টুশি আবার তপুর পিঠে হাত দিয়ে বলল, “ভয় পাবি না। আর একটু এগিয়ে যা।”

    তপু তখন খুব সাবধানে প্রায় বুক আর পেটে ভর দিয়ে আস্তে আস্তে এগুতে শুরু করল। টুশি পিছনে পিছনে যেতে থাকে, নিচে তাকাবে না তাকাবে না করেও হঠাৎ করে নিচে তাকিয়ে টুশির মাথা ঘুরে গেল, একটা আর্তচিৎকার করে সে থেমে যায়। তপু জিজ্ঞেস করল, “কী হয়েছে টু-টুশি আপু?”

    টুশি বড় একটা নিশ্বাস ফেলে বলল, “না, কিছু না।”

    খুব সাবধানে র‍্যাকটির উপর বুক লাগিয়ে প্রায় গড়িয়ে গড়িয়ে দুজনে মাঝামাঝি এসে হাজির হল। নিচে আগুনের মতো গরম বাতাস, মনে হয় সারা শরীর বুঝি পুড়ে যাবে, তাদের মুখ শুকিয়ে যায়, সমস্ত শরীর ঝা ঝা করতে থাকে। তপু বলল, “আপু আর পারি না।”

    টুশি বলল, “দাঁতে দাঁত চেপে বসে থাক। দেখতে দেখতে এক ঘণ্টা কেটে যাবে।”

    ঠিক তখন নিচে কাবিল কোহকাফীকে নিয়ে একটা ভয়ংকর খেলা হচ্ছে, মানুষ রুদ্ধশ্বাসে দেখছে কেমন করে একটা অদৃশ্য দানবকে আগুনের হলকা দিয়ে ভয় দেখানো যায়। পুরো ব্যাপারটি আরও ভয়ংকর করার জন্যে আলোর ঝলকানিতে চারদিক ঝলসে উঠছে, কান-ফাটানো ভয়ংকর একধরনের সংগীতে পুরো স্টেজ কেঁপে কেঁপে উঠছে।

    হঠাৎ করে সবকিছু থেমে গেল, আলোর ঝলকানিও নেই, ভয়ংকর সংগীতও নেই, চারিদিকে একধরনের সুনসান নীরবতা। সুন্দর কাপড় পরা অনুষ্ঠানের উপস্থাপক কাঁপা গলায় বলল, “উপস্থিত সুধীমণ্ডলী, একটি অত্যন্ত জরুরি কারণে আমাদের কিছুক্ষণের জন্যে অনুষ্ঠানটি বন্ধ করতে হচ্ছে। আমাদের এই অনির্ধারিত বিরতির জন্যে আমরা দুঃখিত। আপনারা ধৈর্য্য ধরে অপেক্ষা করুন, কিছুক্ষণের মাঝেই আমরা আবার অনুষ্ঠান শুরু করতে পারব।”

    কী হয়েছে অনুমান করার জন্যে হলভরতি সব মানুষ নিচু গলায় কথা বলতে শুরু করে। স্টেজের উপর নিরাপত্তা পোশাক পরা কিছু মানুষ এসে টুশি আর তপুর দিকে মাথা উঁচিয়ে তাকিয়ে কথা বলতে থাকে। উপস্থাপক এগিয়ে আসে, তাদের সাথে কথা বলে সে উপরে তাকায়, ফ্লাডলাইটের র‍্যাক ধরে বিপজ্জনকভাবে ঝুলে থাকা টুশি আর তপুকে দেখে তার চোখ বিস্ফারিত হয়ে যায়। সে আবার দর্শকদের দিকে ঘুরে তাকিয়ে কাঁপা গলায় বলল, “সুপ্রিয় দর্শকমণ্ডলী, আপনাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলছি, আমাদের স্টেজে একটি অত্যন্ত জরুরি অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। আপনারা কেউ নিজেদের আসন থেকে উঠবেন না। আমাদের নিরাপত্তাকর্মীরা এইমাত্র আমাদের জানিয়েছে একটি ছোট ছেলে এবং একটি ছোট মেয়ে এই স্টেজ থেকে ত্রিশ ফুট উঁচুতে ঝোলানো একটি র‍্যাকের উপরে উঠে পড়েছে। এই মেয়েটি কিছুক্ষণ আগে তার পোষা ইঁদুরকে হারিয়ে ফেলেছিল বলে জানিয়েছে, সম্ভবত সে তার পোষা ইঁদুরকে খুঁজতে এই বিপজ্জনক জায়গায় পৌঁছে গেছে।”

    উপস্থিত সব দর্শক আতঙ্কের একধরনের শব্দ করল। উপস্থাপক, বলল, “আপনারা ভয় পাবেন না। শিশু দুজনকে উদ্ধার করার জন্যে আমাদের নিরাপত্তাকর্মীরা উপরে উঠে যাচ্ছে। দায়িত্বজ্ঞানহীন অবুঝ এই দুটি শিশুর এই বিপজ্জনক কাজের জন্যে আমাদের অনুষ্ঠানে এই বিঘ্ন ঘটেছে বলে আমরা আন্তরিকভাবে দুঃখিত।”

    টুশি এবং তপু উপস্থাপকের কথা শুনে একেবারে হতবাক হয়ে গেল। কী বলছে এই মানুষগুলো–তারা তো এখানে নিজে থেকে ওঠেনি, তাদেরকে এখানে জোর করে তুলেছে। তপু কাঁপা গলায় বলল, “আমাদেরকে এখন কে উদ্ধার ক করবে আপু?”

    ঠিক তখন টুশির মাথায় ভয়ংকর একটা চিন্তা এসেছে–সে জোর করে সেই চিন্তাটা দূর করে দিয়ে বলল, “হ্যাঁ। শুনলি না–তা-ই তো বলছে।”

    “কি-কি-কিন্তু আপু আমরা তো নি-নিজে উঠিনি। এরা মি-মিথ্যা কথা বলছে কেন?”

    এরা কেন মিথ্যা কথা বলছে কয়েক সেকেন্ড পরেই টুশি আর তপু বুঝতে পারল। তারা দেখল র‍্যাকের দুইপাশ থেকে কালাচান আর দবির মিয়া উঠে আসছে। তাদেরকে উদ্ধার করার জন্যে এগিয়ে আসার ভান করতে করতে কালাচান আর দবির মিয়া র‍্যাকটা দোলাতে শুরু করেছে, তাদের দুজনকে উপর থেকে নিচে ফেলে দেয়াই এদের উদ্দেশ্য। প্রচণ্ড আতঙ্কে তপু আর্তনাদ করে ওঠে, র‍্যাক থেকে সে প্রায় ছিটকে পড়ে যাচ্ছিল, কোনোমতে সরু র‍্যাকটা সে আঁকড়ে ধরল, তার সমস্ত শরীর পিছনে পড়ে গেছে, কোনোমতে শুধু দুই হাত দিয়ে র‍্যাকটা ধরে ঝুলে আছে। তপুকে বাঁচাতে টুশি হাত বাড়িয়ে ধরতে গেল, সে নিজেও তখন তাল সামলিয়ে পড়ে গেল। নিচে খাঁচার ধারালো শিক, ত্রিশ ফুট উপর থেকে পড়লে তারা এফোঁড় ওফোঁড় হয়ে যাবে। টুশি শেষ মুহূর্তে র‍্যাকটা ধরে ঝুলে পড়ল। উপস্থিত দর্শকেরা রুদ্ধশ্বাসে দেখতে পেল একটা সরু র‍্যাক থেকে ছোট একটা ছেলে আর মেয়ে কোনোমতে ঝুলে আছে। নিচে একটি খাঁচা–সেই খাঁচা থেকে ধারালো শিক উদ্যত হয়ে আছে, যে-কোনো মুহূর্তে এই বাচ্চা দুটি পড়ে সেখানে গেঁথে যেতে পারে। দর্শকেরা দেখতে পেল শিশু দুটিকে উদ্ধার করার জন্যে দুই পাশ থেকে দুজন বিশাল মানুষ এগিয়ে আসছে–কিন্তু তারা কাছে আসতে পারছে না। কারণ র‍্যাকটি বিপজ্জনকভাবে দুলছে। কেউ জানতেও পারল না পাহাড়ের মতো এই দুটি মানুষ আসলে বাচ্চা দুটিকে উদ্ধার করতে আসছে না–র‍্যাকটি তালে তালে দুলিয়ে বাচ্চা দুটিকে উপর থেকে ফেলে খুন করার চেষ্টা করছে।

    টুশি আর তপু তখন আতঙ্কে চিৎকার করে উঠল–”কা-বি-লি- কো-হ-কা ফী “।

    কাবিল কোহকাফী চমকে উঠল। সে হতবুদ্ধি হয়ে এতক্ষণ উপরে তাকিয়ে ছিল, বিস্ফারিত চোখে দেখছিল কী ভয়ংকর অসহায় আর নিরুপায়ভাবে ত্রিশ ফুট উঁচুতে টুশি আর তপু ঝুলছে। সে দেখছিল মুখে কী ভয়ানক একটি জিঘাংসা নিয়ে দুইদিক থেকে কালাচান আর দবির মিয়া র‍্যাকটিকে আঁকিয়ে তাদেরকে ফেলে দিতে চেষ্টা করছে। হঠাৎ করে তপু আর টুশির চিৎকার শুনে কাবিল কোহকাফী থরথর করে কেঁপে উঠল। মনে হল তার শরীরের ভেতর যেন কী-একটা ঘটে গেছে। তার মাথার মাঝে যেন ভয়ংকর একটা বিস্ফোরণ ঘটে যায়, সমস্ত শরীরের মাঝে যেন বিদ্যুৎ খেলতে শুরু করে। প্রচণ্ড ক্রোধে তার শরীরের প্রত্যেকটা কোষ যেন ফেটে গেল, হঠাৎ সে দুই হাত উপরে তুলে ভয়ংকর জান্তব একটা ক্রোধে অমানুষিক গলায় চিৎকার দিয়ে ওঠে। হলভরতি দর্শকেরা হতবাক হয়ে দেখতে পেল খাঁচার ভেতরে আটকে-থাকা অদৃশ্য মানবটির সমস্ত শরীর হঠাৎ করে দৃশ্যমান হতে শুরু করেছে, দেখতে দেখতে তার সমস্ত শরীর ফুলে ফেঁপে উঠছে, তাকে ঘিরে ধোঁয়ার কুণ্ডলি উঠতে শুরু করেছে। সারা শরীর ঘিরে আগুনের ফুলকি ছুটছে। হাতের ঝটকা দিয়ে সেই মূর্তিটি তার শিকল ভেঙে ফেলল, তারপর লাথি দিয়ে খাঁচাটিকে ভেঙে ফেলে। হলঘরের সবাই দেখল তার সমস্ত দেহ ধোঁয়ার কুণ্ডলির মতো বড় হয়ে উপরে উঠে যাচ্ছে, গগনবিদারী চিৎকারে সমস্ত হলঘর থরথর করে কেঁপে উঠছে।

    টুশি আর তপু নিজেদেরকে আর ধরে রাখতে পারল না। হাত ফসকে তারা নিচে পড়ে গেল কিন্তু কাবিল কোহকাফীর বিশাল এক মূর্তি দুই হাতে তাদের ধরে ফেলল। তাদেরকে নিয়ে ঘুরপাক খেতে খেতে সেই বিশাল মূর্তি মঞ্চটিকে লণ্ডভণ্ড করে দেয়–স্টেজের মানুষ ভয়ে আতঙ্কে চিৎকার করে ছুটে পালাতে থাকে। টুশি আর তপুকে স্টেজে দাঁড় করিয়ে দিয়ে কাবিল কোহকাফীর এই ভয়ংকর প্রতিমূর্তি বিকট চিৎকার করতে করতে জ্বলন্ত আগুনের মতো ঘুরতে থাকে তার বিশাল দেহ। থেকে গলগল করে কালো ধোঁয়া বের হচ্ছে, ভয়ংকর ক্রোধে তার চোখ আগুনের মতো জ্বলছে, মুখ থেকে আগুনের হলকা বের হচ্ছে।

    উপস্থিত দর্শকেরা এবারে প্রচণ্ড আতঙ্কে চিৎকার করে ছুটে পালাতে শুরু করল, মানুষের চিৎকার আর হুটোপুটিতে হলঘরের মাঝে একটা নারকীয় অবস্থার সৃষ্টি হয়ে যায়। টুশি বুঝতে পারল কাবিল কোহকাফীকে না থামালে এখানে একটা ভয়ংকর অবস্থা হয়ে যাবে। মানুষের পায়ের চাপেই কয়েকশ মানুষ মারা যাবে।

    টুশি তখন চিৎকার করে বলতে লাগল, “থামো। কাবিল কোহকাফী তুমি থামো। প্লিজ!”

    তপুও চিৎকার করে বলল, “থা-থা-থামো তুমি। থামো।”

    টুশি তপুকে বলল, “বোতলটা দে, তাড়াতাড়ি।”

    তপু পকেট থেকে বোতলটা বের করে দেয়, টুশি ছিপিটা খুলে উঁচু করে ধরে বলল, “কাবিল, আসো এখানে। এই বোতলের ভেতরে। এক্ষুনি। না হলে সর্বনাশ হয়ে যাবে।”

    ছুটোছুটি করতে-থাকা দর্শকেরা অবাক হয়ে দেখল ভয়ংকর সেই প্রতিমূর্তি হঠাৎ ধোঁয়ার কুণ্ডলী হয়ে ছোট মেয়েটির হাতে ধরে রাখা বোতলের ভেতরে ঢুকে যাচ্ছে। দেখতে দেখতে সেই ভয়ংকর মূর্তি পুরোটুকু বাধ্য প্রাণীর মতো একটা ছোট মেয়ের হাতে ধরে থাকা বোতলের ভেতরে ঢুকে গেল।

    টুশি বোতলটি মুখের কাছে এনে বলল, “থ্যাংক ইউ কাবিল কোহকাফী। থ্যাংক ইউ ভেরি মাচ।”

    তারপর বোতলের ছিপিটা লাগিয়ে সামনে তাকাল। কয়েক হাজার নারী-পুরুষ দর্শক হতবাক হয়ে তাদের দিকে তাকিয়ে আছে, কারও মুখে একটা কথা নেই, নিজের চোখে দেখেও কেউ এটা বিশ্বাস করতে পারছে না। টুশি শক্ত করে বোতলটা ধরে তপুকে বলল, “আয় তপু। আমরা যাই।”

    “চ-চলো আপু।”

    তারা স্টেজ থেকে সিঁড়ি দিয়ে নেমে আসতে থাকে, সব মানুষ সরে গিয়ে তাদের জায়গা করে দেয়। টুশি তপুর হাত ধরে হাঁটতে থাকে। টেলিভিশন ক্যামেরাগুলো তাদের দুজনের দিকে মুখ করে ধরে রেখেছে কিন্তু টুশি আর তপু সেটা নিয়ে ভ্রূক্ষেপ করল না। অসংখ্য ক্যামেরার ফ্ল্যাশের আলো আর ক্লিক ক্লিক শব্দের মাঝে তারা ছুটতে লাগল। হঠাৎ সাহস করে একজন সাংবাদিক এগিয়ে এসে। জিজ্ঞেস করল, “তোমরা কারা? এখানে কেন এসেছ?”

    টুশি আর তপু সাংবাদিকের কথার উত্তর না দিয়ে এবারে ছুটতে থাকে– তাদের পিছুপিছু অসংখ্য সাংবাদিক ছুটে আসছে, তারা চিৎকার করে প্রশ্ন করছে। কিন্তু কোনো প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে তারা ছুটতে থাকে। দুই হাতে শক্ত করে ধরে রাখে বোতলটাকে যার ভেতরে নিরাপদে আশ্রয় নিয়েছে কাবিল কোহকাফী। তাকে এবারে মুক্ত করে দিতে হবে। চিরদিনের মতো।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআমার সাইন্টিস মামা – মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    Next Article রূপ-রূপালী – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    Related Articles

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    ছোটগল্প – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সাদাসিধে কথা – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মেকু কাহিনী – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    আমার বন্ধু রাশেদ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সায়েন্স ফিকশান সমগ্র ১ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    টুনটুনি ও ছোটাচ্চু – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }