Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কাবিল কোহকাফী – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল এক পাতা গল্প169 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৫. দিনের আলোয়

    ৫. দিনের আলোয়

    সকালবেলা ভয়ংকর এক চিৎকার শুনে হঠাৎ করে একসাথে টুশি আর তপু লাফিয়ে ঘুম থেকে জেগে উঠল। কয়েক সেকেন্ড লাগল বুঝতে ব্যাপারটা কী–বসার ঘর থেকে কাবিল কোহকাফী চিৎকার করছে, একই সাথে ভয়ের এবং ক্রোধের একধরনের চিৎকার। টুশি এবং তপু একজন আরেকজনের দিকে তাকাল তারপর বিছানা থেকে নেমে একছুটে বসার ঘরে গিয়ে তাদের চোখ ছানাবড়া হয়ে যায়। টেলিভিশনে একটা মারামারির দৃশ্য দেখাচ্ছে এবং মাঝে মাঝে ভয়ংকর চেহারার একজন মানুষ অস্ত্র-হাতে লাফঝাঁপ করছে, কাবিল কোহকাফী তার সামনে তরবারি নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে এবং টেলিভিশনের সেই মানুষের সাথে যুদ্ধ করার চেষ্টা করছে। কাবিল কোহকাফী লাফাচ্ছে এবং তরবারি নেড়ে তেড়ে যাচ্ছে, চিৎকার করে বলছে, “খুন করে ফেলব–একেবারে খুন করে ফেলব বেতমিজ! খামোশ! কাছে আসবি না আমার, খবরদার কাছে আসবি না। বেল্লিক-নালায়েক-বদমাইশ—“

    টুশি আর তপু বুঝতে পারল কাবিল কোহকাফী টেলিভিশনের দৃশ্যটাকে সত্যি ভাবছে আর সেটা নিয়েই এই ঝামেলা। টুশি আরেকটু এগিয়ে গিয়ে সোফার উপর থেকে রিমোট কন্ট্রোলটা হাতে নিয়ে টিভিটা অফ করে দেয়।

    কাবিল কোহকাফী বন্ধ টিভিটার দিকে তাকিয়ে বড় বড় নিশ্বাস নিতে থাকে তার চোখমুখ উত্তেজনায় লাল হয়ে আছে, দুই হাত দিয়ে তরবারিটা শক্ত করে ধরে রেখেছে, মনে হচ্ছে টেলিভিশন থেকে কেউ বের হয়ে এলেই এক কোপে তার গলা আলাদা করে ফেলবে। টুশি আর তপুর দিকে তাকিয়ে কাবিল কোহকাফী বলল, “সাবধান। খুব সাবধান–এই বাক্সের ভিতর থেকে খুন করতে আসছে।”

    টুশি বলল, “এই বাক্সের ভিতর থেকে কেউ আসছে না। এটার নাম টেলিভিশন। টেলিভিশনে অনুষ্ঠান হয়, মানুষ সেই অনুষ্ঠান দেখে।”

    কাবিল কোহকাফী অবাক হয়ে টুশির দিকে তাকিয়ে রইল, মনে হল সে তার কথা ঠিক বুঝতে পারছে না। টুশি রিমোটটা দেখিয়ে বলল, “এই যে দ্যাখো, এটা দিয়ে টেলিভিশন অন করে।”

    টুশি টেলিভিশনটা চালাতেই কাবিল কোহকাফী তরবারিটা ধরে লাফিয়ে উঠল। কিন্তু তখন সেখানে একটা সাবানের বিজ্ঞাপন হচ্ছে, সুন্দরী একটা মেয়ে নেচে নেচে গান গাইছে এবং সেটা দেখে কাবিল কোহকাফীর চোখ গোল গোল হয়ে উঠল। টুশি রিমোট টিপে আবার টেলিভিশন বন্ধ করে দিয়ে বলল, “এই দ্যাখো এইটা টিপে আবার অফ করে দেয়া যায়।”

    কাবিল হা হা করে বললে, “কই গেল? ঐ মেয়েটা কই গেল? একেবারে শাহজাদি দুনিয়ার মতো দেখতে!”

    টুশি বলল, “এইটা সত্যিকারের মেয়ে না। এইটা টেলিভিশনের ছবি। তুমি নিশ্চয়ই ভুল করে এই রিমোটটা টিপে দিয়েছিলে!”

    “হ্যাঁ।” কাবিল কোহকাফী মাথা নাড়ল, “টিপে দিতেই বাক্সের ভিতর থেকে একটা লোক আক্রমণ করল!”

    টুশি হাসি গোপন করে বলল, “তোমার চিৎকার শুনে যা ভয় পেয়েছিলাম!”

    কাবিল বলল, “আমিও ভয় পেয়েছিলাম। কথা নাই বার্তা নাই হঠাৎ বাক্সের ভিতর থেকে পাগলা মানুষ চাকু হাতে ছুটে আসছে! ওহ্!”

    “তোমার রাতে ঠিকমতো ঘুম হয়েছিল?”

    “হ্যাঁ। এক হাজার বছর পর হাত-পা ছড়িয়ে ঘুমালাম। কী আরাম! আহ্! শুধু এই দাড়ি আর চুল–কুট কুট কুট কুট করে। আজকে সব কেটে ফেলব।”

    কথা শেষ করেই কাবিল একমুঠি দাড়ি ধরে টেনে তরবারি দিয়ে কাটার চেষ্টা। করতে লাগল। টুশি বলল, “আরে কী করছ। গাল কেটে যাবে তো?”

    “দাড়ি কাটতে হলে একটু গাল কাটেই!”

    টুশি মাথা নাড়ল, বলল, “না। তরবারি দিয়ে কেউ দাড়ি কাটে না। দাড়ি কাটার জন্যে কাঁচি আছে, রেজর আছে।”

    “সেগুলো আবার কী? এই দুনিয়ায় দেখি একটার পর আরেকটা ম্যাজিক!”

    কাজেই কাবিল কোহকাফীকে বাথরুমে নিয়ে কাঁচি, রেজর, শোভিং ক্রিম সাবান টুথপেস্ট টুথব্রাশ এইসব দেখিয়ে দিল। কাবিল কোহকাফী সবচেয়ে বেশি অবাক হল পানির ট্যাপ দেখে, ট্যাপ খুললেই পানি বের হয়ে সেটা সে সে বিশ্বাসই করতে পারে না। সে হাঁ হয়ে পানির দিকে তাকিয়ে রইল, তারপর পানিতে হাত দিয়ে আনন্দে হা-হা, করে হাসতে থাকে। চোখ বড় বড় করে টুশি আর তপুর দিকে তাকিয়ে বলল, “আমি এক হাজার বছর গোসল করি নাই! এক হাজার বছর!”

    টুশি নাক কুঁচকে কাবিল কোহকাফীর দিকে তাকাল, তার শরীর থেকে যে বোটকা গন্ধ বের হচ্ছে এক হাজার বছর গোসল না করলে এরকম গন্ধ হতেই পারে! সে মুখ শক্ত করে বলল, “খুব ভালো করে গোসল করো–এক হাজার বছর গোসল না করা ভালো ব্যাপার না!”

    টুশি কাবিল কোহকাফীকে একটা শুকনো তোয়ালে, তপুর আব্দুর একটা ঢিলে পায়জামা আর পাঞ্জাবি দিয়ে বাথরুমের দরজা বন্ধ করে দিল।

    কাবিন কোহকাফী অনেক হৈচৈ করে ভেতরে চুল দাড়ি কেটে গোসল করতে লাগল। একসময় সাবান চোখে যাওয়ায় সে ভেতর থেকে ভয়ংকর চিৎকার করতে শুরু করে। তখন টুশিকে বলতে হল ভয় পাওয়ার কিছু নেই, পানি দিয়ে ধুয়ে ফেললেই সব ঠিক হয়ে যাবে। কিছুক্ষণ পরেই ভেতর থেকে কাবিল গলা ফাটিয়ে গান গাইতে লাগল। হঠাৎ করে গান থেমে গেল এবং হুটোপুটির শব্দ শোনা গেল। আবার হুটোপুটি থেমে গিয়ে গানের শব্দ বের হতে লাগল–মনে হতে লাগল ভেতরে কেউ গোসল করছে না, বুঝি কারো সাথে কুস্তি করছে।

    শেষ পর্যন্ত বাথরুম থেকে যখন কাবিল কোহকাফী বের হয়ে এল তখন তাকে দেখে টুশি এবং তপু চমৎকৃত হয়ে যায়, দাড়িগোঁফ শেভ করা, মাথার চুল কেটে ছোট করা, একটা পায়জামা আর পাঞ্জাবি পরে আছে পরিষ্কার ভদ্রলোকের মতো চেহারা। লম্বা চুল, লম্বা দাড়ি, কানে দুল গলায় মালা, হাতে তরবারি জরিদার জাব্বাজোব্বা পরা যে ভয়ংকর জিনকে দেখে রাত্রে তারা ভয় পেয়েছিল সকালবেলার এই কাবিল কোহকাফীর মাঝে তার কোনো চিহ্নই নেই। তাকে দেখে কোনোভাবেই জিন মনে হয় না, সে পুরোপুরি একজন মানুষ এবং তাকে দেখে হঠাৎ টুশির এখন অন্যরকম একটা ভয় হতে লাগল, তার মনে হতে লাগল কাবিল কোহকাফী আসলে জিন না, লে একজন মানুষ, কীভাবে কীভাবে জানি বাসায় ঢুকে গেছে। সে তপুকে ফিসফিস করে বলল, “তপু!”

    “কী-কী হয়েছে?”

    “আমার কী মনে হচ্ছে জানিস?”

    “কী?”

    “কাবিল কোহকাফী আসলে জিন না, আসলে একজন মানুষ।”

    তপু অবাক হয়ে বলল, “মা-মা-মানুষ হলে বো-বোতলের ভিতর ঢুকেছে কেমন করে?”

    “বোতলের ভিতরে কখনও ঢুকে নাই। আমাদের মিথ্যে কথা বলছে। দেখছিস না একেবারে মানুষের মতো!”

    রাত্রিবেলা কাবিল কোহকাফীকে দেখে তপু যেরকম ভয় পেয়েছিল এখন তাকে দেখে তার মোটেই সেরকম ভয় লাগছে না, টুশির কথা শুনে সে একেবারে সরাসরি কাবিলকে জিজ্ঞেস করে বসল, বলল, “তু-তুমি আসলে জিন না?”

    কাবিল কোহকাফী ভুরু কুঁচকে বলল, “এ্যা! কী বললে?”

    “বলেছি তু-তুমি জিন না। তু-তুমি মানুষ।”

    কাবিল কোহকাফীকে দেখে মনে হল তপুর কথা শুনে সে খুব অপমানিত হয়েছে। মুখ চোখ লাল করে বলল, “ছি ছি ছি, তুমি কী বলছ? আমি মানুষ কেন হব? আমি জিন?”

    এবারে টুশিও তপুর সাথে যোগ দিল, বলল, “আসলে তুমি জিন না, আসলে তুমি মানুষ। রাত্রিবেলা তুমি যখন ওরকম জামাকাপড় পরে ঢং করে লাফঝাঁপ দিয়েছ তখন আমরা ভয় পেয়ে ভেবেছিলাম তুমি জিন! এখন বুঝতে পারছি পুরোটা তোমার অ্যাকটিং। তুমি দাড়ি কেটে গোসল করে পায়জামা পাঞ্জাবি পরে ঘুরে বেড়াচ্ছ। তুমি একজন মানুষ।”

    কাবিল পা কাঁপিয়ে বলল, “আমি জিন।”

    টুশিও সমান জোরে পা কাঁপিয়ে বলল, “তুমি মানুষ! আমি আরব্য রজনীর গল্প পড়েছি। আমি জিন ভূতের কিচ্ছা পড়েছি। আমি পড়েছি জিনেরা এসেই সালাম দিয়ে বলে, আমি আপনার বান্দা, হুকুম করুন। তখন যেটাই হুকুম করা হয় সেটাই জিনেরা শোনে।” টুশি তপুর দিকে তাকিয়ে বলল, “তাই না রে তপু?”

    তপু মাথা নাড়ল, টুশি যে-কথাই বলে সে সবসময় সেটাতে মাথা নাড়ে। কিন্তু কাবিল কোহকাফী টুশির কথা মানল না, হাত নেড়ে বলল, “আরে ধুর! বাজে কথা, জিনেরা কখনও কারও হুকুম শোনে না।”

    টুশি বলল, “একশবার শোনে।”

    “তা হলে সেই আগের যুগে শুনত। আজকাল শোনে না।”

    টুশি বলল, “তা হলে তোমাকে কোনো হুকুম করা যাবে না?”

    “নাহ্।”

    টুশি রেগে গিয়ে বলল, “আমার কী মনে হয় জান?”

    “কী?”

    “তুমি আসলে জিন না–তুমি মানুষও না, তুমি হচ্ছ সন্ত্রাসী। তুমি এই বাসায় ডাকাতি করতে এসেছ। তোমার দলের আরও লোকজন আছে তারাও ডাকাতি করতে রেডি হচ্ছে। তোমার একটা অন্য নামও আছে, খচ্চর কাবিল কিংবা পিচ্চি মহিন্দর কিংবা ট্যারা কোহকাফী”

    টুশির কথা শুনে কাবিল খুব রেগে গেল, চিৎকার করে বলল, “কক্ষনো না। আমার নাম খচ্চর কাবিল না। আমি জিন। হান্ড্রেড পার্সেন্ট খাঁটি জিন।”

    টুশি বলল, “কী প্রমাণ আছ যে তুমি জিন দেখাও একটা প্রমাণ। দেখাও।”

    “কী প্রমাণ চাও?”

    “এক ঘড়া সোনার মোহর নিয়ে এসো।”

    “সোনার মোহর?” কাবিল কোহকাফী মুখ ভেংচে বলল, “আমার আর খেয়েদেয়ে কাজ নাই, এখন আমি তোমার জন্যে জঙ্গলে জঙ্গলে সোনা খুঁজে বেড়াই!”

    তপু টুশির হাত ধরে বলল, “না টু-টুশি আপু। বলে একটা ক-ক কম্পিউটার।”

    “হ্যাঁ। টুশি মাথা নাড়ল। ঠিক বলেছিস, একটা কম্পিউটার নিয়ে আসো।”

    কাবিল কোহকাফী বুকে থাবা দিয়ে বলল, “আমি একটা জিন, আমি চোর না। তোমার জন্যে আমি চুরিচামারি করে জিনিস আনব? আমার আর কাজ নাই?”

    “ঠিক আছে, ঠিক আছে, ঠিক আছে।” টুশি বিচিত্র সেই বোতলটা নিয়ে এসে বলল, “তুমি তা হলে আবার এই বোতলের ভিতর ঢোকো।”

    কাবিল কোহকাফী হা হা করে হেসে বলল, “তুমি আমাকে বেকুব পেয়েছ? শাহজাদি দুনিয়া এই ট্রিক্স করে আমাকে বোতলের ভিতরে ঢুকিয়েছিল। জিনেরা এত বোকা না, তারা এক ভুল দুইবার করে না!”

    “তার মানে তুমি কোনো প্রমাণ দিতে পারবে না যে তুমি জিন। জিনেরা কত রকম অদ্ভুত অদ্ভুত কাজ করে, তুমি তার কিছুই করতে পার না। তুমি সত্যিকারের জিন হলে সেগুলি করতে পারতে।” কথা শেষ করে টুশি তপুর দিকে তাকিয়ে বলল, “তাই না রে তপু?”।

    তপু আবার বাধ্য ছেলের মতো মাথা নাড়ল। কাবিল কোহকাফী এবার হেঁটে ডাইনিং টেবিলের কাছে গিয়ে সেটার উপর প্রচণ্ড থাবা দিয়ে বলল, “অবশ্যই আমি অদ্ভুত অদ্ভুত কাজ করতে পারি।”

    টুশিও কাবিল কোহকাফীর পিছনে পিছনে গিয়ে টেবিলে সমান জোরে থাবা দিয়ে বলল, “কী করতে পার?”

    “আমি বাতাসে উড়তে পারি। জাদু দিয়ে মানুষকে টিকটিকে বানাতে পারি। মন্ত্র পড়ে লোহাকে সোনা বানাতে পারি।”

    “ঠিক আছে, ঠিক আছে পরীক্ষা হয়ে যাক!” টুশি তপুর দিকে তাকিয়ে বললো, “তপু যা তো লোহার কিছু-একটা নিয়ে আয়।”

    তপু প্রায় ছুটে গিয়ে তার আব্দুর টুল-বক্স থেকে বড় একটা হাতুড়ি নিয়ে এল। সেটাকে ডাইনিং টেবিলের উপর রেখে বলল, “এ-এ-এটাকে সোনা বানাও।”

    কাবিল কোহকাফী তার পাঞ্জাবির হাত গুটিয়ে খুব গম্ভীর মুখ করে এগিয়ে এল। হাতুড়িটার দিকে তাকিয়ে হাত-পা নেড়ে মাথা ঝাঁকিয়ে শরীর দুলিয়ে সে মন্ত্র পড়তে শুরু করে,

    “অজটং ভজটং লোহাটং সোনা
    সোনাটং সোনাটং লোহাটং মোনা
    টুকুল টুকুলি মুকুলি ঘাস
    ঝুককুর মুককুর পেটাটুং ফাস”

    হঠাৎ মনে হল সে মন্ত্রটা ভুলে গেছে। কয়েকবার চেষ্টা করে মাথা চুলকে। বলল, “ফাসটুলি মাসটুলি এ্যা–ইয়ে মানে ভোম্বাটুলি লাশ।” তারপর চোখ বন্ধ করে হাতুড়িতে ফুঁ দিয়ে বলল, “হয়েছে?”

    টুশি বলল, “না, হয় নাই।”

    “হয় নাই?” কাবিল কোহকাফী খুব অবাক হওয়ার ভান করে বলল, “কী আশ্চর্য!”

    “এর মাঝে আশ্চর্যের কিছু নাই। তুমি একটা ভড়ং করেছ আর কিছু না।”

    “আমি মোটেও ভড়ং করি না।”

    টুশি রেগে বলল, “তা হলে?”

    “আসলে মন্ত্রের শেষ লাইনটা ভুলে গেছি। অনেকদিন প্র্যাকটিস করি নাই তো সেজন্যে মনে নাই। শেষ লাইনটা হবে মাসটুলি ফাঁসটুলি–”।

    টুশি বাধা দিয়ে বলল, “থাক থাক । অনেক হয়েছে। তোমার আর মন্ত্র পড়তে হবে না। তার চাইতে আমি একটা কথা বলি তুমি সেটা মন দিয়ে শোনো।”

    “কী কথা?”

    “আমরা এখন হানড্রেড পার্সেন্ট শিওর যে তুমি একটা ফালতু মানুষ। চোর কিংবা ডাকাত, কোনো একটা বদ মতলব নিয়ে এসেছ। বাসার ভিতরে তুমি কীভাবে এসেছ সেটা আমরা এখনও বুঝতে পারি নাই–কিন্তু সেটা অন্য ব্যাপার। তাই আমি কী ঠিক করেছি জান?”

    “কী ঠিক করেছ?”

    “আমি এক্ষুনি দারোয়ানকে ডাকব। সে এসে তোমাকে বেঁধে নিয়ে যাবে। আর সেটা যদি না চাও তুমি নিজে নিজে বের হয়ে যাও।”

    কাবিল কোহকাফী এত অবাক হল যে সেটা আর বলার মতো নয়। চোখ কপালে তুলে বলল, “তুমি এরকম একটা পুঁচকে মেয়ে আমাকে বের হয়ে যেতে বলছ?”

    টুশি মাথা নাড়ল, বলল, “বলছি।” তারপর তপুর দিকে তাকিয়ে বলল,” তপু তুই দরজাটা খুলে দে তো।”

    কাবিল কোহকাফী মাথা নেড়ে বলল, “আমাকে তুমি বের করে দিচ্ছ? আমি একজন সম্মানী জিন। তোমাদের একজন মেহমান।”

    “যাদেরকে দাওয়াত দিয়ে আনে তারা হচ্ছে মেহমান। তোমাকে এখানে কে দাওয়াত দিয়েছে?”

    কাবিল কোহকাফী এবারে সত্যিই একটু কাহিল হয়ে গেল। মুখ কাঁচুমাচু করে বলল, “তা হলে তুমি বিশ্বাস করছ না যে আমি জিন?”

    “না।”

    “আমি যদি উড়ে দেখাই তা হলে বিশ্বাস করবে?”

    “আগে দেখাও।”

    কাবিল কোহকাফী ঘরের এক কোনায় দাঁড়িয়ে ওড়ার জন্যে প্রস্তুত হল। বড় একটা নিশ্বাস নিয়ে দুই পাশে দুইটা হাত নিয়ে হঠাৎ করে পাখির মতো করে হাত ঝাঁপটাতে শুরু করল। হাত ঝাঁপটাতে ঝাঁপটাতে সে ঘরের মাঝে দৌড়াতে থাকে, ঘরের দেওয়ালে ধাক্কা খেয়ে সে টেবিল-ল্যাম্পের ওপর আছাড় খেয়ে পড়ল। সেখান থেকে উঠে হাত ঝাঁপটাতে ঝাঁপটাতে সে শেলফে ধাক্কা খেল, শেলফ থেকে কয়েকটা বই নিচে পড়ে গেল, তার উপর দিয়ে কাবিল কোহকাফী দৌড়ে গেল, মুখে চিৎকার করতে লাগল, “আমি উড়ছি! আমি উড়ছি। এই দ্যাখো আমি উড়ছি।”

    তপু মাথা নেড়ে বলল, “না। তু-তুমি ওড়ো নি।”

    টুশি কঠিন মুখে বলল, “মাটি থেকে তুমি এক ইঞ্চিও উপরে উঠ নি।”

    কাবিল কোহকাফী হাত নেড়ে নেড়ে দৌড়ানো বন্ধ করে বলল, “উপরে উঠি নি? কী আশ্চর্য!”

    “হ্যাঁ। তুমিআবার একটা ভড়ং করছ।”

    “আসলে অনেকদিন উড়ি নাই তো সেইজন্যে প্র্যাকটিস নাই। শাহজাদি দুনিয়াকে নিয়ে যখন বাগদাদ থেকে কোহকাফ নগরে উড়ে গেলাম”।

    টুশি মুখ শক্ত করে দরজার দিকে আঙুল দিয়ে বলল, “আউট। এক্ষুনি আউট। যদি আউট না হও তা হলে আমি আর তপু ধাক্কা দিয়ে তোমাকে আউট করে দেব। তাই না রে তপু?”

    তপু বাধ্য ছেলের মতো মাথা নাড়ল।

    তবে ধাক্কা দিয়ে বের করে দেয়ার দরকার হল না। কারণ ঠিক সেই সময় বাসার বেল বাজল। বাইরে তপুর আব্ব আর আম্মুর গলায় স্বর শোনা গেল।

    টুশি কাবিল কোহকাফীর দিকে তাকিয়ে মুখ ভেংচে বলল, “এখন হয়েছে তো? চাচা-চাচি এসেছেন। তাদের সামনে তোমার জিনগিরি দেখাও। আমি তো ভালো মানুষের মতো তোমাকে খালি বাসা থেকে বের করে দিচ্ছিলাম, তারা তোমাকে নিশ্চয়ই পুলিশে দেবেন!”

    কাবিল কোহকাফী ভয়-পাওয়া মুখে কিছু-একটা বলতে চাচ্ছিল কিন্তু তার আগেই টুশি দরজা খুলে দিয়েছে এবং সেই খোলা দরজা দিয়ে প্রথমে চাচা এবং তার পিছুপিছু চাচি এসে ঢুকলেন।

    কাবিল কোহকাফী পাংশু মুখে দাঁড়িয়ে আছে, চাচা এবং চাচি সোজা তার দিকে এগিয়ে এলেন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআমার সাইন্টিস মামা – মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    Next Article রূপ-রূপালী – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    Related Articles

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    ছোটগল্প – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সাদাসিধে কথা – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মেকু কাহিনী – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    আমার বন্ধু রাশেদ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সায়েন্স ফিকশান সমগ্র ১ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    টুনটুনি ও ছোটাচ্চু – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }