Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কাবিল কোহকাফী – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল এক পাতা গল্প169 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১১. ষড়যন্ত্র

    ১১. ষড়যন্ত্র

    বাসায় ঢুকে চাচা এবং চাচি যখন দেখলেন মন্তাজ ওস্তাদ এবং তার দুই সাগরেদকে পিছমোড়া করে বেঁধে রাখা আছে, ওস্তাদের উপরের পাটির সামনের একটা দাঁত নেই, দবির মিয়ার কপালটা উঁচু হয়ে ফুলে আছে এবং কালাচানের নাকে রক্ত শুকিয়ে আছে তখন তাদের চোয়াল ঝুলে পড়ল। চাচা এবং চাচি দুজনেই কথা বলতে চেষ্টা করলেন কিন্তু কেউই কথা বলতে পারলেন না। চাচার মুখ বেশ কয়েকবার নড়ল এবং শেষ পর্যন্ত রিকশার টায়ার থেকে বাতাস ছেড়ে দেয়ার মতো একটা শব্দ বের হল।

    তপু রিভলবারটা নাচিয়ে বলল, “আব্ব সব কয়টাকে ধরে ফেলেছি।”

    তার কথায় তোতলামোর চিহ্ন নেই কিন্তু সেটা চাচা এবং চাচি খেয়ালও। করলেন না, চাচা জিজ্ঞেস করলেন, “কেমন করে ধরেছিস?”

    “নানি ঘুসি মেরে সবগুলোকে ফেলে দিয়েছে।”

    তপুর উত্তর শুনে চাচি একটা চেয়ার ধরে নিজেকে সামলে নেন–চাচা সাবধানে একটা চেয়ারে বসলেন। খানিকক্ষণ চেষ্টা করে বললেন, “ঘুসি মেরে?”

    “জি।”

    “তোর নানি?”

    “জি।”

    চাচা মেঝেতে বসে থাকা মানুষগুলোর দিকে তাকিয়ে জিজ্ঞেস করলেন, “সত্যি?”

    মন্তাজ ওস্তাদ এবং অন্য দুইজন পুতুলের মতো মাথা নেড়ে ব্যাপারটা স্বীকার করল। চাচা আবার রিকশার চাকা থেকে বাতাস বের করে দেয়ার মতো শব্দ করলেন। চাচি ভয়ে ভয়ে নানির দিকে তাকালেন, নানি হাত ঝেড়ে বললেন, “এইবার ছেড়ে দিয়েছি। পরের বার কিন্তু ছাড়ব না–একেবারে খুন করে ফেলব।”

    টুশি বলল, “চাচা, এরা কী-একটা কাগজে সাইন করাতে এসেছিল–”

    কাগজে সাইন করানোর কথা শুনে চাচা হঠাৎ কথা ঘুরানোর জন্যে খুব ব্যস্ত হয়ে পড়লেন, “ও, আচ্ছা ঠিক আছে-”তোমরা কেউ কোনো ব্যথা পাও নাই তো?”

    টুশি বলল, “না, চাচা। কিন্তু এই যে কাগজটা দেখেন”।

    চাচা ছোঁ মেরে কাগজটা নিয়ে দেখার ভান করে তাড়াতাড়ি ভাঁজ করে পকেটে রেখে বললেন, “ইয়ে তার মানে মনে হয় ঠিকই কিন্তু যা বলছিলাম”।

    কথাটার কী মানে টুশি কিছুই বুঝতে পারল না, সে আবার বলল, “নানির কী একটা বাড়ি নিয়ে সমস্যা–”

    এবারে চাচি কথা ঘোরানোর চেষ্টা করলেন, নানির দিকে তাকিয়ে বললেন, “মা, তোমার ব্লাডপ্রেশার বাড়ে নাই তো?”

    নানি বললেন, “আর ব্লাডপ্রেশার! এই বয়সে মারপিট করতে হলে ব্লাডপ্রেশার ঠিক থাকে কেমন করে?”

    টুশি বলল, “এদেরকে পুলিশে দিতে হবে না?”

    চাচা আবার মাছের মতো খাবি খেলেন, বললেন, “পু-পুলিশ?”

    “হ্যাঁ।”

    “আমি ফোন করব?”

    চাচা এবারে লাফ দিয়ে উঠে একেবারে হা হা করে উঠলেন, “না-না–তোমার করতে হবে না। তোমার করতে হবে না। আমি করব। আমি করব।”

    “ঠিক করে বাঁধতে পারি নাই। যদি পালিয়ে যায়?”

    “কী দিয়ে বেঁধেছ?”

    “চাচির একটা শাড়ি দিয়ে।”

    চাচি এবারে প্রথমবার তাঁর শাড়িটা দেখে আঁতকে উঠে কাঁদোকাঁদো গলায় বললেন, “আমার সবচেয়ে ফেবারিট সিল্কের শাড়ি!”

    নানি মুখ ভেংচে বললেন, “রাখ তোর শাড়ি! বাঁধা যে হয়েছে এই বেশি!”

    পুলিশের কথাটা আসার পর থেকে চাচা কেমন ছটফট করতে শুরু করলেন। চাচির দিকে ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়ে বললেন, “এদেরকে পুলিশে দিতে হবে, তা ই না?”

    চাচিকেও কেমন যেন বিভ্রান্ত দেখা গেল, বললেন, “মনে হয়।”

    চাচা বললেন, “আমি নিয়ে যাই পুলিশের কাছে। কী বল?”

    চাচি বললেন, “হা হা, সেটাই ভালো। পুলিশ বাসায় আসলে আবার হাজার ঝামেলা।”

    টুশি ঠিক বুঝতে পারল না, তার কাছে মনে হল পুলিশকে ফোন করে বলে দেওয়াটাই সবচেয়ে সহজ, কিন্তু কোনো এক অজ্ঞাত কারণে চাচা-চাচি সেটা করতে চাচ্ছেন না। পুরো ব্যাপারটার মাঝেই কেমন জানি একটা রহস্যের গন্ধ, কিন্তু রহস্যটা কোথায় টুশি ঠিক বুঝতে পারল না।

    পুরো সময়টুকু কাবিল কোহকাফী সোফায় গম্ভীর হয়ে বসে আলাপ শুনছিল এবং মাঝে মাঝে গম্ভীর হয়ে মাথা নাড়ছিল। শেষ পর্যন্ত যখন তিন মূর্তিকে লাইন ধরিয়ে বের করে নিয়ে যাওয়া হল কাবিল কোহকাফী বলল, “বুঝেছ সোনার চাঁদেরা–এইবারে তো ডাইনি বুড়ির হয়ে একটু কেচে দিয়েছি। পরের বার নিজের হয়ে হালুয়া করে ছেড়ে দেব।”

    তার কথা টুশি এবং তপু ছাড়া আর কেউ শুনতে পেল না।

    .

    মাইক্রোবাসটা ছাড়তেই চাচা দাঁত কিড়মিড় করে বললেন, “মন্তাজ, এরকম সহজ একটা কাজ করতে গিয়ে একদম গুবলেট করলে?”

    মন্তাজ ওস্তাদ শীতল গলায় বলল, “আগে হাতের বাঁধনটা খুলেন। ব্লাড সার্কুলেশন বন্ধ হয়ে যাচ্ছে।”

    দবির মিয়া বলল, “এইটুকু মেয়ের জোর কম না–এমন করে বেঁধেছে যে হাত কেটে বসে যাচ্ছে।”

    দেখা গেল বাঁধনটা খোলা সহজ না, টুশি এমন করে গিঁট মেরেছে, যে ভোলার কোনো উপায়ই নেই। চাচির সবচেয়ে ফেবারিট সিল্কের শাড়ি জানার পরও চাচা। সেটা কেটে ওস্তাদ এবং তার দুই সাগরেদের হাতগুলো মুক্ত করলেন।

    মন্তাজ ওস্তাদ তার হাতের কবজিতে হাত বুলাতে বুলাতে বলল, “ইমতিয়াজ সাহেব, আমি আজ বারো বছর এই লাইনে, আমি কাঁচা কাজ করি না। কিন্তু আজকের ব্যাপার অন্যরকম–”

    চাচা রেগে উঠে বললেন, “মন্তাজ, তুমি আমাকে বিশ্বাস করতে বল, সত্ত্বর বছরের থুরথুরে বুড়ি তোমাদের মতো এইরকম তিনজন প্রফেশনাল মানুষকে পিটিয়ে ফ্ল্যাট করে দিয়েছে?”

    কালাচান তার মিহি গলায় কিছু-একটা বলতে যাচ্ছিল, ওস্তাদ বাধা দিয়ে বলল, “ইমতিয়াজ সাহেব, আপনি কী বিশ্বাস করতে চান আর কী চান না সেইটা আপনার ইচ্ছা। আমি বলছি আমি যেটা দেখেছি। নিজের চোখে দেখেছি”

    “কী দেখেছ?”

    ওস্তাদ দাঁতের পাটি বের করে তার ফোকলা দাঁত দেখিয়ে বলল, “একটা দাঁত নাই। গত বারো বছরে দাঁত দূরে থাকুক একটা নখ কেউ ধরতে পারে নাই।”

    “তুমি এই সামান্য কাজটা করতে পার না?” চাচা রেগেমেগে বললেন, “আমি এত টাকা দিয়ে বায়না করলাম”

    “আপনার বায়নার টাকা আমি ফিরিয়ে দেব।” ওস্তাদ গম্ভীর গলায় বলল, “আমি এই কেস নিতে পারব না।”

    কালাচান এবং দবির মিয়া ওস্তাদের সাথে তাল মিলিয়ে মাথা নেড়ে বলল, “অসম্ভব।”

    চাচা বিশাল একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলল, “এ কী বিপদে পড়লাম? প্রথমে বুড়ি ছিল শুধু একগুঁয়ে। এখন বুড়ি হয়ে গেছে বক্সার মোহাম্মদ আলি! এখন কী দশা হবে?”

    ওস্তাদ তার ফোকলা দাঁতটায় হাত বুলিয়ে গভীর দুঃখের একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলল, “আপনাকে একটা উপদেশ দেই ইমতিয়াজ সাহেব?”

    “কী উপদেশ?”

    “এই বুড়ির বাড়িতে আপনি হাত দিবেন না। বুড়ি যেটা করতে চায় সেটা করতে দেন।”

    চাচা চোখ কপালে তুলে বললেন, “সেটা করতে দেব?”

    “হ্যাঁ।”

    “কেন?”

    “কারণ এই বুড়ি খুব ডেঞ্জারাস। তার সাথে তেড়িবেড়ি করলে সে আপনারেও ফিনিশ করে দেবে।”

    চাচা কোনো কথা না বলে অবাক হয়ে ফোকলা দাঁতের ওস্তাদের দিকে তাকিয়ে রইলেন।

    .

    মন্তাজ ওস্তাদ বলল, “কালাচান দরজা বন্ধ কর।”

    কালাচান দরজা বন্ধ করে ওস্তাদের কাছে ফিরে এল। ওস্তাদ তার নিজের এপার্টমেন্টে একটা চেয়ারে বসে আছে, হাতে একটা ছোট আয়না, সে এই আয়নায় ঘুরিয়ে ফিরিয়ে নিজেকে দেখছে। তার উপরের পাটির একটি দাঁত উধাও হয়ে যাওয়ার পর চেহারার কী পরিমাণ পরিবর্তন হয়েছে সেটাই খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে লক্ষ্য করছে।

    দবির মিয়া তার কপালের ফোলা অংশে হাত বুলিয়ে ফোঁস করে একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলল, “আজকে কী-একটা ঘটনা ঘটল! তিনজন কী-একটা মার খেলাম!”

    কালাচান মিহি গলায় বলল, “সতুর বছরের এক বুড়ির কাছ থেকে এইরকম ধোলাই খেয়েছি–খবরটা ছড়িয়ে গেলে কি আমাদের বিজনেস থাকবে?”

    দবির মিয়া বলল, “যদি ইমতিয়াজ সাহেব সময়মতো না আসতেন তা হলে সেই ডেঞ্জারাস মেয়েটা নিশ্চয়ই পুলিশকে খবর দিত!”

    কালাচান মাথা নাড়ল, “হ্যাঁ, পুলিশ একবার ধরলে আর উপায় আছে?” দবির মিয়া শিউরে উঠে বলল, “এইরকম কুফা আমাদের জীবনে আর লাগে নাই!”

    কালাচান মিহি গলায় বলল, “জীবনের সবচেয়ে খারাপ দিন। সবচেয়ে দুর্ভাগ্যের দিন।”

    মন্তাজ ওস্তাদ এতক্ষণ কোনো কথা না বলে গভীর মনোযোগ দিয়ে দুইজনের কথা শুনছিল, এইবারে সে মুখ খুলল, বলল, “আসলে বলা যায় আজকের দিনটা হচ্ছে আমাদের জীবনের সবচেয়ে সৌভাগ্যের দিন।”

    কালাচান এবং দবির মিয়া একসাথে চমকে উঠল, মন্তাজ ওস্তাদ কী বলছে বুঝতে না পেরে দুজনেই অবাক হয়ে তার দিকে তাকাল। ওস্তাদ পড়ে-যাওয়া দাঁতের ফাঁক দিয়ে পিচকি করে থুতু ফেলে বলল, “বলা যায় আজকের দিনটা আমাদের সবচেয়ে আনন্দের দিন।”

    কালাচান কয়েকবার চেষ্টা করে বলল, “কী বলছেন মন্তাজ ওস্তাদ? আনন্দের দিন? একটা বাচ্চা ছেলে আর মেয়ের সামনে একটা বুড়ি এইভাবে পিটিয়ে আমাদের বেইজ্জতি করল আর সেইটা আমাদের আনন্দের দিন?”

    মন্তাজ ওস্তাদ মাথা নাড়ল, বলল, “হ্যাঁ।”

    দবির মিয়া ঢোক গিলে বলল, “সহজ একটা অপারেশন করতে গিয়ে মাখিয়ে ফেললাম–বায়নার টাকা পর্যন্ত ফিরিয়ে দিতে হবে। সেইটা আনন্দের দিন?”

    “হ্যাঁ।” মন্তাজ ওস্তাদ চোখ ছোট ছোট করে বলল, “হ্যাঁ–সেইটা আনন্দের দিন। সেইটা সৌভাগ্যের দিন।”

    কালাচান বলল, “আপনি কী বলছেন আমি তো তার কিছুই বুঝতে পারছি না মন্তাজ ওস্তাদ।”

    মন্তাজ ওস্তাদ আয়নায় শেষবার তার দাঁতের গর্তটা লক্ষ করে আয়নাটা সরিয়ে বলল, “তোরা যদি সব জিনিস বুঝতে পারতিস তা হলে তোরা একদিন আমার মতো ওস্তাদ হতে পারতি। কিন্তু তোরা বুঝিস না। তোরা সারাজীবন কালাচান আর দবির মিয়া থেকেয়াবি। চোখ থেকেও তোরা অন্ধ। কান থেকেও তোরা কালা।”

    কালাচান এবং দবির মিয়া, তাদের মাথা নেড়ে উৎসুক হয়ে মন্তাজ ওস্তাদের দিকে তাকিয়ে রইল। মন্তাজ ওস্তাদ দুই পাটি দাঁত বের করে দুইজনকে দেখিয়ে বলল, “আমার কোন দাঁতটা পড়েছে?”

    কালাচান কিছু না বুঝে বলল, “উপরের পাটির মাঝখানের দাঁতটা।”

    “ভেরি গুড। এখন বল বুড়ি ঘুসি মেরেছে কোনখানে?”

    কালাচান এবং দবির মিয়া দুজনেই মাথা চুলকাল। দবির মিয়া বলল, “তা তো খেয়াল নাই।”

    “সে আমার কোন দিকে ছিল?”

    “ডানদিকে।”

    “ডানদিক থেকে একজন থুরথুরে বুড়ি একটা ঘুসি মারল আর সামনের একটা দাঁত পড়ে গেল–ব্যাপারটা কী?”

    কালাচান আর দবির মিয়া একজন আরেকজনের দিকে তাকায়, কিছু বলতে পারে না। মন্তাজ ওস্তাদ এবারে কালাচানের দিকে তাকিয়ে বলল, “এইবারে কালাচান তুই বল। বুড়ি তোর কোনখানে ঘুসি মেরেছে?”

    “ইয়ে মনে হয়–পেটে।”

    “আর তুই ব্যথা পেয়েছিস কোনখানে?”

    কালাচান কপালে হাত দিয়ে বলল, “মাথায়।

    “ভেরি গুড।” মন্তাজ ওস্তাদ এবারে দবির মিয়ার দিকে তাকিয়ে বলল, “এইবারে দবির মিয়া তুই বল। তোর নাকের এই অবস্থা কেন?”

    দবির মিয়া ইতস্তত করে বলল, “পড়ে গিয়েছিলাম।”

    “কেমন করে পড়লি?”

    “ইয়ে–তা তো জানি না। কোথায় জানি পা বেঁধে পড়ে গেলাম।”

    “তার অর্থ খালি ময়দানে তুই পা বেঁধে পড়ে গেলি।” মন্তাজ ওস্তাদ তার দাঁতের ফাঁক দিয়ে আবার পিচিক করে থুতু ফেলে বলল, “এখন আমাকে শেষ প্রশ্নটার উত্তর দে। ভেবেচিন্তে উত্তর দিবি–বেকুবের মতো উত্তর দিবি না।”

    “জে ওস্তাদ। বলেন–”

    “থুরথুরে একটা বুড়ি–যেই বুড়ি ঠিক করে হাঁটতে পারে না, থাবা দিয়ে একটা মশা পর্যন্ত মারতে পারে না, সেই বুড়ি ঘুসি মেরে আমার একটা দাঁত ফেলে দিল সেইটা কেমন করে সম্ভব?”

    কালাচান বলল, “সেইটা তো আমারও প্রশ্ন। কী তেলেসমাতি কাণ্ড! কী আচানক ব্যাপার!”

    মন্তাজ ওস্তাদ ধমক দিয়ে বলল, “আচানক ব্যাপার বলে শেষ? ব্যাপারটা কী বলবি না?”

    দবির মিয়া মাথা চুলকে বলল, “কীভাবে বলব? নিজের চোখে দেখলাম অবিশ্বাস করি কেমন করে?”

    মন্তাজ ওস্তাদ একটা রহস্যের ভান করে বলল, “নিজের চোখে দেখলেও অবিশ্বাস করতে হয়। এই চারটা অবিশ্বাসের জিনিস ঘটেছে তার কারণটা কী জানিস?”

    “কী ওস্তাদ?”

    “তার কারণ হচ্ছে সেই বাসায় আরও একজন ছিল!”

    কালাচান আর দবির মিয়া একসাথে চিৎকার করে বলল, “আরও একজন ছিল?”

    “হ্যাঁ।”

    “কোথায়? আমরা তো দেখলাম না!”

    “দেখলে না তার কারণ হচ্ছে তারে চোখে দেখা যায় না।”

    দবির মিয়া বুকে হাত দিয়ে বলল, “ইয়া মাবুদ! কী বলেন আপনি ওস্তাদ?”

    “আমি ভুল বলি না। আমি ঠিক কথা বলি।”

    “একজন মানুষ–তারে চোখে দেখা যায় না–সেইটা কি ভূত? নাকি জিন?”

    “সেটা আমি জানি না।” মন্তাজ ওস্তাদ গম্ভীর গলায় বলল, “কিন্তু আমি জানি সেই ছেলে আর মেয়েটা তারে চিনে। তাদের সাথে খাতিরও আছে। তারা মনে হয় দেখতেও পায়”

    কালাচান জিজ্ঞেস করল, “দেখতে পায়?”

    “হ্যাঁ। মনে নাই মাঝখানে হঠাৎ কে দরজা ধাক্কা দিল–”

    “জে ওস্তাদ মনে আছে।”

    “দরজা খুলে দেখা গেল কেউ নাই?”

    “জে ওস্তাদ।”

    “আসলে তখন সেই অদৃশ্য মানুষ এসেছিল। সে এসে ঢোকার পরেই সেই ছেমড়ির সাহস বেড়ে গেল! মনে আছে?

    কালাচান এবং দবির মিয়া একসাথে মাথা নাড়ল, “মনে আছে।”

    “এখন বুঝতে পেরেছ কেন আজকে আমাদের সৌভাগ্যের দিন? আনন্দের দিন?”

    কালাচান মাথা চুলকে বলল, “জে না ওস্তাদ।”

    মন্তাজ ওস্তাদ রেগে বলল, “আরে বেকুব, এই সহজ জিনিসটাও বুঝিস না! এই অদৃশ্য মানুষের কথা জানে খালি সেই ছেমড়া আর ছেমড়ি! তাদের দুইজনরে ধোকা দিয়ে আমরা অদৃশ্য মানুষরে ধরে আনব!”

    “কী বলেন ওস্তাদ?”

    “হ্যাঁ। তারপরে বিজনেস। একটা অদৃশ্য মানুষ কত টাকায় বিক্রি হবে জানিস? বিক্রি করার আগে শো করা হবে। সার্কাসে সার্কাসে দেখানো হবে। দশ লাখ মানুষ দুইশ টাকা টিকিট দিয়ে দেখতে আসবে–”

    দবির মিয়া মাথা চুলকে বলল, “যারে দেখা যায় না তারে কেমন করে দেখবে?”

    “আরে গাধা যেটা দেখা যায় সেইটা কি পয়সা দিয়ে কেউ দেখতে আসে? যেটা দেখা যায় না মানুষ সেইটাই পয়সা দিয়ে দেখে।” মন্তাজ ওস্তাদ তার দাঁতের ব্যথা ভুলে গিয়ে দুলে দুলে হাসতে লাগল।

    কালাচান জিজ্ঞেস করল, “অদৃশ্য মানুষরে কেমন করে ধরবে ওস্তাদ?”

    মন্তাজ ওস্তাদ মাথায় টোকা দিয়ে বলল, “চিন্তাভাবনা করে। এইবারে কোনো ভুল যেন না হয়।”

    “হবে না ওস্তাদ।”

    “কাজ শুরু করার আগে দরকার খোঁজখবর। একটা মাইক্রোবাস ভাড়া করে বাসার সামনে রেখে সেখান থেকে এই বাসার উপরে খোঁজখবর রাখতে হবে। বাসার ভিতরে গোপন মাইক্রোফোন রেখে কথাবার্তা শুনতে হবে”।

    দবির মিয়া দাঁত বের করে হেসে বলল, “একেবারে হলিউডের সিনেমার মতন!” মন্তাজ ওস্তাদ দাঁতের ফাঁক দিয়ে পিচিক করে থুতু ফেলে বলল, “হলিউডের সিনেমাও এইবারে ফেইল মারবে। আমরা হব হলিউডের সিনেমার বাপ!”

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসায়েন্স ফিকশন সমগ্র ৪ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    Next Article এক ডজন একজন – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    Related Articles

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    ছোটগল্প – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সাদাসিধে কথা – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মেকু কাহিনী – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    আমার বন্ধু রাশেদ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সায়েন্স ফিকশান সমগ্র ১ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    টুনটুনি ও ছোটাচ্চু – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }