Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কাবিল কোহকাফী – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল এক পাতা গল্প169 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১২. কিডন্যাপ

    ১২. কিডন্যাপ

    কাবিল কোহকাফী খাবার টেবিলে পা ঝুলিয়ে বসে কলা খাচ্ছে। খেতে খেতে বলল, “আরেকবার পড়ো দেখি টুশি।”

    টুশি বলল, “এক জিনিস কতবার পড়ব?”

    কাবিল কোহকাফী কলায় একটা কামড় দিয়ে বলল, “আহ্! পড়ো না একবার!”

    টুশি আর তপু স্কুল থেকে এসে চাবি দিয়ে দরজা খুলে ভেতরে এসে দেখে বাসায় চাচা বা চাচি নেই। কাবিল কোহকাফী ডাইনিং-টেবিলে বসে কলা খাচ্ছে। আজকাল প্রায় প্রত্যেক দিনই তার কোথাও-না-কোথাও একটা অ্যাডভেঞ্চার হয়, পরদিন সেটা খবরের কাগজে ছাপা হয়। টুশিকে পরদিন তাকে সেটা পড়ে শোনাতে হয়।

    টুশি পড়তে শুরু করল, “দুর্ধর্ষ ব্যাংক ডাকাত ছলিম গ্রেফতার। গতকাল দুপুরবেলা মতিঝিলে ব্যাংক ডাকাতি করতে গিয়ে ছলিম নামে একজন দুর্ধর্ষ ব্যাংক ডাকাত ধরা পড়েছে। খবরে প্রকাশ অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে সে প্রায় এগারো লক্ষ টাকা নিয়ে পলায়ন করার সময় হঠাৎ করে ফুটপাথে আছাড় খেয়ে পড়ে। সে উঠে দৌড়াতে শুরু করার পর আবার আছাড় খেয়ে পড়ে। ব্যাংকের সামনে তার সহযোগীরা গাড়ি নিয়ে প্রস্তুত ছিল এবং মাত্র ত্রিশ থেকে চল্লিশ ফুট স্থান অতিক্রম করতে গিয়ে এই দুর্ধর্ষ ডাকাত ছলিম ক্রমাগত আছাড় খেয়ে পড়তে থাকে এবং তখন পুলিশ এসে তাকে গ্রেফতার করে।

    “দুর্ধষ ব্যাংক ডাকাত ছলিম পুলিশের কাছে স্বীকারোক্তি করার সময় জানায় যে তার মনে হচ্ছিল পায়ের ভেতর অন্য কেউ পা প্রবেশ করিয়ে তাকে ফেলে দিচ্ছিল। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায় কেউ সেখানে উপস্থিত ছিল না।

    “সংবাদদাতা একজন ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করার পর ডাক্তার বলেছেন এটি সম্ভবত মাংশপেশি এবং স্নায়ুর একটি দুরারোগ্য রোগ। রোগটি সংক্রামক হতে পারে সন্দেহ করে এই দুর্ধর্ষ ডাকাত ছলিমকে হাজতে আলাদা করে রাখা হয়েছে বলে জানানো হয়।

    “পুলিশ সূত্র জানায় এ ব্যাপারে জোর তদন্ত চলছে।”

    টুশি পড়া শেষ করে কাবিল কোহকাফীর দিকে তাকাল–কাবিল কোহকাফী তখন দুলে দুলে হাসছে। তৃতীয় কলাটাতে একটা কামড় দিয়ে বলল, “তোমরা যদি ছলিম ডাকাতের অবস্থাটা দেখতে তা হলে হাসতে হাসতে মারা যেতে!”

    টুশি বলল, “আচ্ছা কাবিল কোহকাফী, মানুষকে ল্যাং মেরে ফেলে দেওয়া ছাড়া তুমি আর অন্য কিছু করতে পার না?”

    “অন্য কী?”

    টুশি একটু ইতস্তত করে বলল, “আমরা আরব্য রজনীতে পড়েছি জিনেরা আরও কত কী করতে পারে! আকাশে উড়তে পারে। বড় হতে পারে ছোট হতে পারে। মানুষের ইচ্ছাপূরণ করতে পারে।”

    “কে বলেছে পারি না। আমিও পারি।”

    “তা হলে সেগুলো করে দেখাও না কেন?”

    “কী দেখতে চাও?”

    “যেমন মনে করো–” টুশি হঠাৎ ইতস্তত করে থেমে যায়।

    তপু বলল, “আমি বু-বুঝেছি আপু কী চায়!”

    কাবিল তপুর দিকে তাকাল, “কী চায়?”

    “টু-টুশি আপু মনে করে তার চেহারা বেশি ভালো না, সেইজন্যে চেহারাটা সু-সুন্দর করতে চায়!”

    কাবিল কোহকাফী হা হা করে হেসে উঠল। টুশি একটু রেগে উঠে বলল, “কী হল, তুমি হাসছ কেন? এইটা কি হাসির ব্যাপার?”

    কাবিল মাথা নাড়ল, বলল, “হ্যাঁ এইটা হাসির ব্যাপার। কারণ চেহারার মাঝে ভালো আর খারাপ নাই। মানুষ ভালো হলে চেহারাটা ভালো লাগে, মানুষ খারাপ হলে তার চেহারাটাও খারাপ লাগে।”

    টুশি কঠিন মুখ করে বলল, “যাক আর বড় বড় কথা বলতে হবে না। তুমি বলো আমার চেহারা তুমি ভালো করে দিতে পারবে কি না।”

    “চেহারার পরিবর্তন তো আমাদের জন্যে ডালভাত। আমরা জিনেরা হচ্ছি এর এক্সপার্ট। ভালো চেহারা খারাপ করে দিতে পারি। ভালো ঠ্যাং লুলা করে দিতে পারি। ভালো চোখ কানা করে দিতে পারি”।

    “এইগুলো তো সবাই পারে! তুমি উলটোটা পার কী না বলো। লুলা ঠ্যাং ঠিক করতে পার? কানা চোখ ভালো করতে পার? খারাপ চেহারা ভালো করতে পার?”

    কাবিল কোহকাফী মাথা চুলকে বলল, “পারার কথা! তোমরা তো জান জিন হচ্ছে খুব উঁচু পর্যায়ের একটা ব্যাপার। আমাদের অনেক ক্ষমতা!”

    “ওহ্!” টুশি অধৈর্য হয়ে বলল, “তুমি সোজাসুজি বলে দাও না–আমার চেহারাটা তুমি ভালো করে দিতে পারবে কি না!”

    কাবিল কোহকাফী ইতস্তত করে বলল, “মনে হয় পারব।”

    টুশি সরু চোখে তাকিয়ে বলল, “কেন? মনে হয় কেন? তুমি শিওর না কেন?”

    “কারণ এইসব কাজকর্মের জন্যে অনেক প্র্যাকটিস করতে হয়। কেউ বেশি পারে, কেউ কম পারে।”

    তপু জিজ্ঞেস করল, “তুমি বেশি পার না কম পার?”

    “আমি?” কাবিল কোহকাফী একটু ইতস্তত করে বলল, “আমি–মানে আসলে হয়েছে কি-শাহজাদি দুনিয়ার পিছনে ঘুরোঘুরি করে ইয়ে মানে”।

    টুশি মাথা নেড়ে বলল, “তার মানে তুমি পার না। তুমি হচ্ছ অপদার্থ জিন। লাফাংরা।”

    “লাফাংরা?”

    “হ্যাঁ। লাফাংরা মানে হচ্ছে ফালতু।”

    কাবিল কোহকাফী রেগে গিয়ে বলল, “আমি মোটেও লাফাংরা না। প্রত্যেক দিন পত্রিকায় আমার উপর খবর বের হয়।”

    “সেটাতে তোমার কোনো কেরানি নাই। মানুষ অদৃশ্য হলে এগুলো করতেই পারে। যে-কেউ পারবে। আমি অদৃশ্য হলে আমিও করতে পারব।” টুশি মুখ শক্ত করে বলল, “যদি পার তা হলে আমার চেহারাটা ঠিক করে দাও।”

    কাবিল কোহকাফী টেবিলে থাবা দিয়ে বলল, “ঠিক আছে! আমি যদি জিনের বাচ্চা জিন হই, কোহকাফ নগরের আগুন দিয়ে যদি আমার শরীর তৈরি হয়ে থাকে তা হলে এক সপ্তাহের মাঝে তোমার চেহারাকে আমি আগুনের খাপরার মতো সুন্দর করে দেব!”

    তপু জিজ্ঞেস করল, “আ-আগুনের খাপরা?”

    “হ্যাঁ। তোমার গায়ের রং হবে বেদানার মতো, ভুরু হবে ধনুকের মতো, চোখ। হবে ভ্রমরের মতো, দাঁত হবে মুক্তার মতো–”

    টুশি লজ্জা পেয়ে বলল, “এত কিছুর দরকার নাই। শুধু দেখে যেন কেউ নাক না সিঁটকায়, তা হলেই হবে।”

    তপু জিজ্ঞেস করল, “তু-তুমি কেমন করে করবে?”

    “একটা জিন জীবনে কমপক্ষে একটা জাদু করতে পারে। আমি সেই জাদুটা করব!”

    “কীভাবে ক-করবে?”

    “আসল সোলেমানি জাদু নামে একটা বই আছে। দুই হাজার বছর আগের বই। সেই বইটা যোগাড় করতে হবে। সেইখানে জিনদের সব জাদুর কথা লেখা আছে।”

    “কী কী জাদু আছে সেখানে?”

    “সবরকম জাদু। মানুষকে কীভাবে টিকটিকি বানাতে হয়। লোহাকে কীভাবে সোনা বানাতে হয়। আকাশে কীভাবে উড়তে হয়। অত্যাচারী রাজাকে কীভাবে শাস্তি দিতে হয়। সবকিছু আছে।”

    “কীভাবে অ-অদৃশ্য হতে হয় সে-সেটা লেখা আছে?”

    কাবিল কোহকাফী মাথা চুলকে বিমর্ষ হয়ে বলল, “সেটা মনে হয় নাই।”

    “কেন নাই?”

    “কারণ এইটা অনেক বড় জাদু। সবাই পারে না।”

    টুশি জিজ্ঞেস করল, “তা হলে তুমি অদৃশ্য হয়ে আছ কেমন করে?”

    “আমাকে অনেক বড় জাদুকর বাণ মেরে অদৃশ্য করে রেখেছে। শাহজাদি দুনিয়ার নানি ছিল আসল ডাইনি বুড়ি। শাহজাদি দুনিয়া যখন ট্রিক্স করে আমাকে বোতলের মাঝে ভরে দিল–সেই ডাইনি বুড়ি তখন বোতলের মুখ লাগিয়ে বাণ মেরে দিয়েছে!”

    “তা হলে তোমাকে কখনও কেউ দেখবে না?”

    কাবিল কোহকাফী দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলল, “কেউ যদি সেই বাণ ছুটাতে পারে তা হলে দেখবে।”

    টুশি জিজ্ঞেস করল, “সেই বাণ কেমন করে ছোটাবে?”

    “ডাইনি বুড়ি সেটা জানি কোথায় লিখে রেখেছে।”

    “কোথায়?”

    “সেটা তো জানি না। শাহজাদি দুনিয়া অনেক অনুরোধ করল তখন মন্ত্রটা লিখে দিল।”

    তপু একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলল, “তা-তা হলে তোমাকে আর কেউ কখনও দে-দেখবে না?”

    কাবিল কোহকাফী মুখ কালো করে বলল, “নাহ্।”

    টুশি জিজ্ঞেস করল, “তা হলে আমরা দুইজন কেমন করে দেখি?”

    কাবিল কোহকাফী মাথা চুলকে বলল, “সেইটা আমি জানি না। মনে হয় আমি যখন বোতল থেকে বের হই তখন সেই ধোঁয়া তোমাদের নাকে গেছে। মনে হয় সেই ধোঁয়া যাদের নাকে যায় তারা দেখতে পায়?”

    যুক্তিটা টুশির খুব বিশ্বাসযোগ্য মনে হল না, কিন্তু সে সেটা নিয়ে আপত্তিও করল না।

    তপু কথা বলতে বলতে জানালার কাছে গিয়ে বাইরে তাকিয়ে কিছু-একটা দেখে ভালো করে দেখার জন্যে পরদা তুলে তাকাল। টুশি জিজ্ঞেস করল, “কী দেখিস?”

    “একটা মা-মাইক্রোবাস।”

    “মাইক্রোবাসে দেখার কী আছে?”

    “না, কেমন জানি স-সন্দেহ হচ্ছে।”

    “কী সন্দেহ?”

    “কয়েকবার এদিক ঘু-ঘুরেছে। এখন রাস্তার পা-পা-পাশে দাঁড়িয়ে আছে! প পরদা দিয়ে ঢাকা। ভেতরে কে দে-দে-দেখা যায় না।”

    টুশি হাত দিয়ে ব্যাপারটা উড়িয়ে দিয়ে বলল, “ধুর! ঢাকা শহরে কয় হাজার মাইক্রোবাস আছে তুই জানিস?”

    টুশির কথা সত্যি। ঢাকা শহরে আসলেই কয়েক হাজার মাইক্রোবাস আছে। তবে এটি ছিল একটি বিশেষ মাইক্রোবাস। এর ভিতরে মন্তাজ ওস্তাদ, কালাচান। আর দবির মিয়া ছাড়াও আরও দুইজন মানুষ ছিল। শুধু মানুষ নয়, টুশিদের বাসাটাকে চোখে-চোখে রাখার জন্যে এই মাইক্রোবাসটা যন্ত্রপাতিতে বোঝাই করা ছিল। জানালার কাছে দাঁড়িয়ে তপু জানতেও পারল না দামি ভিডিও ক্যামেরা দিয়ে ঠিক সেই মুহূর্তে তার ভিডিও করে কম্পিউটারে সেটা বিশ্লেষণ করা শুরু করে দেয়া হয়েছে!

    পরদিন যে-খবরটি কাবিল কোহকাফীকে পড়ে শোনাতে হল সেটি ছিল এরকম :

    নিশ্চিত মৃত্যুর হাত থেকে রক্ষা

    “গতকাল মতিঝিলের একটি ব্যস্ত সড়কে একটি শিশু নিশ্চিত মৃত্যুর হাত থেকে অলৌকিকভাবে রক্ষা পেয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের কাছে জানা যায় যে একটি শিশু হঠাৎ করে রাস্তা পার হওয়ার জন্যে দৌড় দিয়ে একটি চলন্ত ট্রাকের সামনে পড়ে যায়। ট্রাক ড্রাইভার তার চলন্ত ট্রাক থামাতে সক্ষম না হলেও শিশুটি সম্পূর্ণ অলৌকিকভাবে ট্রাকের তলা থেকে রাস্তার একপাশে চলে আসে। শিশুটি জানায় তার মনে হয়েছে যে কোনো-একজন মানুষ তাকে টেনে রাস্তা থেকে সরিয়ে এনেছে যদিও প্রত্যক্ষদর্শীরা সেখানে কোনো মানুষ দেখে নি।

    এই অলৌকিক ঘটনার পর শিশুটি “পিচ্চি পীর” নামে পরিচিত হয়েছে এবং স্থানীয় মানুষেরা তার থেকে পানি পড়া নেয়ার জন্যে ভিড় জমাচ্ছে। শিশুটির পিতা তার সন্তানের জন্যে একটি খানকায়ে শরিফ স্থাপনের জন্যে ওয়ার্ড কমিশনারের কাছে আবেদন করেছেন।”

    .

    এর পরের দিন যে-খবরটি কাবিল কোহকাফীকে পড়ে শোনাতে হল সেটি এরকম :

    পুলিশ সার্জেন্ট নাজেহাল

    “গতকাল মহাখালি এলাকায় একজন পুলিশ সার্জেন্টকে অত্যন্ত বিচিত্র উপায়ে নাজেহাল হতে দেখা গেছে। খবরে প্রকাশ এই পুলিশ সার্জেন্ট একটি চলমান ট্রাককে থামিয়ে প্রকাশ্যে ট্রাক ড্রাইভারের নিকট থেকে উৎকোচ গ্রহণ করে। ট্রাকটি চলে যাবার পর পুলিশ সার্জেন্ট সরে যাওয়ার চেষ্টা করে রাস্তার উপর পড়ে যায়। সে কিছুতেই হাঁটতে পারছিল না এবং তাকে ঘিরে একটি ভিড় জমে যায়।

    পুলিশ সার্জেন্টকে ধরাধরি করে রাস্তার পাশে নিয়ে যাবার পর দেখা যায় তার জুতোর দুটি ফিতা গিঁট দিয়ে বেঁধে রাখার কারণে সে হাঁটতে পারছিল না।

    কে কীভাবে তার জুতোর ফিতায় গিঁট দিয়েছে সেটি এখনও রহস্যাবৃত তবে ঘটনাটি এই এলাকায় কৌতুকের সৃষ্টি করেছে।”

    .

    এর পরের দিন কাবিল কোহকাফীকে যে খবরটি পড়ে শোনানো হচ্ছিল, সেটি এরকম :

    স্কুলছাত্রীর সাহসিকতা

    স্কুলছাত্রীকে উত্যক্ত করার কারণে কীভাবে সে কিছু বখাটে ছাত্রকে তুলোধুনা করেছে সেই খবরটি যখন মাত্র পড়তে শুরু করেছে ঠিক তখন টুশি শুনতে পেল কে যেন দরজা খুলে ঘরে ঢুকেছে।

    টুশি এবং তপু মাথা ঘুরিয়ে তাকিয়ে হতবাক হয়ে যায়। দরজায় মন্তাজ ওস্তাদ, কালাচান এবং দবির মিয়া। মন্তাজ ওস্তাদের হাতে একটা রিভলবার, দবির মিয়ার হাতে একটা কাটা রাইফেল এবং কালাচান একটা বড় বস্তা ধরে রেখেছে। টুশি কয়েক সেকেন্ড কোনো কথা বলতে পারল না, হাঁ করে এই তিন মূর্তির দিকে তাকিয়ে রইল। তপু বলল, “ততা-তো-তোমরা? পু-পুলিশ ছেড়ে দিয়েছে?”

    মন্তাজ ওস্তাদ বলল, “না, ছাড়ে নাই।”

    “তা হলে?”

    “তোমার বাবা খুব বুদ্ধিমান মানুষ। তাই আমাদেরকে পুলিশে দেয় নাই। পুলিশের সাথে আমাদের খুব খাতির, পুলিশ আমাদের কখনও ধরে না।”

    টুশি চোখের কোনা দিয়ে একবার কাবিলকে দেখল, কাবিল কোহকাফী যতক্ষণ ঘরে আছে তাদের কোনো ভয় নেই। সে চোখ পাকিয়ে বলল, “তোমরা কেন বাসায় এসেছ? এক্ষুনি বের হয়ে যাও।”

    মন্তাজ ওস্তাদ চোখ টিপে বলল, “না গেলে কী করবে খুকি?”

    “আগেরবার তো মাত্র একটা দাঁত ভাঙা হয়েছিল–এবার সবগুলো দাঁত ভেঙে দেয়া হবে।”

    মন্তাজ ওস্তাদ এগিয়ে এসে খপ করে টুশির ঘাড় ধরে নিজের কাছে টেনে এনে তার মাথার কাছে রিভলবারটা ধরে বলল, “বেয়াদপ মেয়ে, বড়দের সাথে কেমন করে কথা বলতে হয় কেউ শেখায় নি?”

    টুশি নিজেকে ছাড়ানোর চেষ্টা করল কিন্তু পারল না। ততক্ষণে কালাচান তার বস্তা নিয়ে চলে এসেছে। বস্তা খুলতেই টুশি দেখল তার ভেতরে মুড়ি। এক বস্তা মুড়ি নিয়ে এই মানুষটি এখানে কেন এসেছে টুশি বুঝতে পারল না। সে অবাক হয়ে। দেখল কালাচান মুড়িগুলো মেঝেতে ঢালতে শুরু করেছে এবং দেখতে দেখতে সারা মেঝে মুড়িতে ঢেকে গেল!

    টুশি অবাক হয়ে এই মানুষগুলোর কাজকর্ম দেখছিল–তার মাকে মন্তাজ ওস্তাদ তার মাথার পিছনের চুল ধরে তার মুখটি নিজের দিকে ঘুরিয়ে বলল,  “বেয়াদপ মেয়ে–তোমার এই কালা কুচ্ছিৎ চেহারা নিয়ে তো তোমার মনে খুব দুঃখ। আমি কী করব জান?”

    টুশি অবাক হয়ে মন্তাজ ওস্তাদের দিকে তাকাল–সে কেমন করে জানে যে চেহারা নিয়ে তার মনে দুঃখ? মন্তাজ ওস্তাদ তার ফোকলা দাঁত দিয়ে পিচিক করে একটু থুতু ফেলে বলল, “আমি এখন রিভলবারের বাঁট দিয়ে তোমার নাকটা ভেঙে ফেলব। তোমার কুৎসিত চেহারা তখন আরও কুৎসিত হয়ে যাবে!”

    টুশি ঝটকা মেরে নিজেকে ছাড়ানোর চেষ্টা করে বলল, “ছাড়ো আমাকে ছাড়ো বলছি।”

    মন্তাজ ওস্তাদ বলল, “এত ব্যস্ত হচ্ছ কেন? তোমাকে রেডি হওয়ার একটু সময় দিচ্ছি। আমি বলব ওয়ান টু থ্রি তারপর মারব তোমার নাকে। ঠিক আছে

    টুশি নিজেকে ছাড়িয়ে নেওয়ার প্রাণপণ চেষ্টা করতে থাকে কিন্তু মানুষটার হাত লোহার মতো শক্ত, কিছুতেই নিজেকে ছাড়াতে পারে না। মন্তাজ ওস্তাদ বলল, “ওয়ান।”

    কাবিল কোহকাফী এতক্ষণ চুপ করে নিঃশব্দে দাঁড়িয়ে ছিল, এবারে সে টুশিকে বাঁচানোর জন্যে এগিয়ে এল। ঠিক তখন হঠাৎ করে টুশি মুড়ির রহস্য বুঝতে পারল। এই মানুষগুলো কাবিলকে দেখতে পায় না কিন্তু হাঁটার সময় মুড়িতে পা দিলে তার পায়ের চাপে মুড়িগুলো গুঁড়ো হয়ে যায় তারা সেই গুঁড়ো হয়ে যাওয়া মুড়ি দেখে বুঝতে পারে কাবিল কোথায় আছে। তিনজন তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে মেঝের দিকে তাকিয়ে ছিল এবং কাবিল ঠিক কোনদিক দিয়ে টুশির কাছে এগিয়ে আসছে বুঝতে পারল। টুশি সাবধান করার জন্যে চিৎকার করে বলল, “না–কাবিল না–”

    কিন্তু ততক্ষণে দেরি হয়ে গেছে। কালাচান এবং দবির মিয়া হঠাৎ করে একসাথে কোথা থেকে দুটি রঙের ক্যান বের করে আনে, কিছু বোঝার আগে তারা নিখুঁতভাবে কাবিলের দিকে লক্ষ্য করে সেই রঙের ক্যানে চাপ দিয়ে রং স্প্রে করে দেয়। টুশি অবাক হয়ে দেখল মুহর্তে কাবিলের সারা মুখ হাত-পা স্প্রে ক্যানের রঙে। মাখামাখি হয়ে গেল। সাথে সাথে মন্তাজ ওস্তাদ টুশিকে ধাক্কা দিয়ে রিভলবারটা কাবিলের দিকে ধরে বলল, “কাবিল কোহকাফী, তুমি মানুষটা অদৃশ্য হতে পার– কিন্তু তোমার চোখে-মুখে হাতে যে রং লেগেছে সেটা আমরা দেখছি! একটু নড়লেই তোমাকে আমি গুলি করব।”

    কাবিল তার পরেও নড়ার চেষ্টা করল কিন্তু ততক্ষণে কালাচান এবং দবির মিয়া দুইপাশ থেকে তার উপর ঝাঁপিয়ে পড়েছে।

    টুশি এবং তপু গলা ফাটিয়ে চিৎকার করতে থাকে কিন্তু তার ভিতরে তিনজন মিলে কাবিল কোহকাফীকে আষ্টেপৃষ্ঠে বেঁধে ফেলল।

    টুশি খোলা দরজা দিয়ে বাইরে ছুটে যেতে চাইছিল কিন্তু দবির মিয়া তাকে ধরে ফেলল। কিছু বোঝার আগে তপু এবং টুশি এই দুজনকেও দুটি চেয়ারে বেঁধে ওদের মুখে মন্তাজ ওস্তাদ সার্জিক্যাল টেপ লাগিয়ে দিল। ঘরের হুটোপুটি শুনে বাইরে কেউ এসেছে কি না সেটা সাবধানে পরীক্ষা করে, পকেট থেকে অ্যালকোহলের বোতল বের করে তুলো দিয়ে ভিজিয়ে কাবিল কোহকাফীর চোখ মুখের সব রং মুছে নেয়। তাকে পুরোপুরি অদৃশ্য করে মানুষ তিনজন যেভাবে এসেছিল সেভাবে এবারে নিঃশব্দে ঘর থেকে বের হয়ে গেল।

    .

    সন্ধেবেলা চাচা-চাচি বাসায় এসে আবিষ্কার করলেন ঘর-বোঝাই মুড়ি এবং তার মাঝে টুশি এবং তপু চেয়ারে বাঁধা। তারা ছুটে এসে তাদের খুলে দিয়ে অবাক হয়ে জিজ্ঞেস জিজ্ঞেস করলেন, “কী হয়েছে?”

    টুশি কিছু বলল না। তপু কঠিন মুখে তার বাবার মুখের দিকে তাকিয়ে বলল, “তোমার বন্ধুরা এসেছিল আব্দু।”

    চাচা অবাক হয়ে বললেন, “আমার বন্ধুরা?”

    “হ্যাঁ। সেদিন যে তিনজনকে আমরা ধরেছিলাম তারা আজকে আবার এসেছে। বলেছে তারা তোমার বন্ধু।”

    চাচার মুখ হাঁ হয়ে গেল, তোতলাতে তোতলাতে বললেন, “ম-ম-মন্তাজ ওস্তাদ?”

    তপু এতটুকু তোতলাল না, বলল, “হ্যাঁ। তারা বলেছে তুমি তাদেরকে পুলিশে দেও নাই।”

    চাচা তোতলাতে তোতলাতে বললেন, “কে-কে-কেন এসেছিল?”

    তপু বলল, “আমাকে কেন জিজ্ঞেস করছ? তোমার বন্ধুদের তুমি কেন জিজ্ঞেস কর না?”

    টুশি অবাক হয়ে তপুর দিকে তাকিয়ে রইল, তার কথায় তোতলামির কোনো চিহ্ন নেই।

    চাচা কিছু-একটা বলার চেষ্টা করছেন–কিন্তু ঠিক বলতে পারছেন না, টুশি সেটা শোনার চেষ্টাও করছে না।

    তার শুধু কাবিল কোহকাফীর কথা মনে পড়ছে। কোথায় আছে কাবিল কোহকাফী? কেমন আছে কাবিল কোহকাফী?

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসায়েন্স ফিকশন সমগ্র ৪ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    Next Article এক ডজন একজন – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    Related Articles

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    ছোটগল্প – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সাদাসিধে কথা – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মেকু কাহিনী – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    আমার বন্ধু রাশেদ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সায়েন্স ফিকশান সমগ্র ১ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    টুনটুনি ও ছোটাচ্চু – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }