Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কাবিল কোহকাফী – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল এক পাতা গল্প169 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১৩. পরিকল্পনা

    ১৩. পরিকল্পনা

    পরের দুই সপ্তাহে টুশি এবং তপু খুব বড় একটা জিনিস আবিষ্কার করল, সেটা হচ্ছে। পৃথিবীর সব মানুষকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। এক ভাগের নাম হচ্ছে ছোট মানুষ, অন্য ভাগের নাম হচ্ছে বড় মানুষ। ছোট মানুষদের বড় মানুষের সব কথা শুনতে হয় কিন্তু বড় মানুষেরা ছোট মানুষের কোনো কথাই শোনে না।

    কাবিল কোহকাফীকে ধরে নিয়ে যাবার পর কী করবে বুঝতে না পেরে টুশি আর তপু অনেক চিন্তাভাবনা করে একদিন পুলিশকে ফোন করল। মোটা গলার স্বরে একটা মানুষ বলল, “হ্যালো।”

    টুশি বলল, “এটা কি পুলিশের অফিস?”

    মোটা গলার মানুষটা বলল, “কার সাথে কথা বলতে চাও খুকি?”

    “পুলিশের সাথে।”

    মোটা গলার মানুষটি তখন একটা ঢেকুর তুলল। তুলে বলল, “কেন কথা বলতে চাও?”

    টুশি বলল, “একজন মানুষ কিডন্যাপ হয়েছে সেটা রিপোর্ট করতে চাই।”

    টুশি ভেবেছিল সেটা শুনে পুলিশ অফিসার চমকে উঠে বলবে, “কে কিডন্যাপ হয়েছে? কখন কিডন্যাপ হয়েছে? কীভাবে কিডন্যাপ হয়েছে?” কিন্তু সেরকম কিছু হল না, মানুষটা এবারে আরেকটা ঢেকুর তুলে বলল, “ও আচ্ছা। বেশ বেশ। খুকি এখন তো আমরা খুব ব্যস্ত–তুমি পরে ফোন কর।”

    টুশি অবাক হয়ে বলল, “পরে ফোন করব?”

    “হ্যাঁ। তুমি না করে তোমার আব্বাকে ফোন করতে বলো। ঠিক আছে? আর খুকি–এখন যাও, তুমি পড়াশোনা করতে যাও।”

    টুশি টেলিফোনটা রেখে কিছুক্ষণ দাঁত কিড়মিড় করে ঘরের ভেতর পা দাপদাপি করল। তপু বলল, “টুশি আপু, প-পত্রিকায় ফোন করো।

    তখন খবরের কাগজ দেখে টেলিফোন নাম্বার বের টুশি সেখানে ফোন করল। পুলিশের ওখানে ফোন ধরেছিল খুব মোটা গলার একজন পুরুষমানুষ। এখানে ফোন ধরল খুব মধুর গলার একজন মেয়ে, বলল, “হ্যালো।”

     

     

    টুশি বলল, “আমরা একটা কিডন্যাপ রিপোর্ট করতে চাই।”

    “ভেরি গুড। খুকি তুমি একটু ধরো।”

    এরপর কিছুক্ষণ বাজনা শোনা গেল তারপর একজন মানুষ নাকি গলায় বলল, “এ্যালো। ছোটদের পাতা–”

    “আমরা একটা কিডন্যাপ রিপোর্ট করতে চাই।”

    মানুষটা নাকি গলায় বলল, “বেরি গুঁড। বেঁরি গুঁড। এ ফোর কাগজে ডাবল স্পেস দিয়ে লিখে পাঠিয়ে দাও।”

    “লিখে পাঠিয়ে দেব?”

    “এ্যা। সুন্দর দেখে একটা নাম দিও। কিডন্যাপারের শাস্তি। কিংবা দুষ্ট কিডন্যাপার। ইচ্ছা করলে একটা উঁড়াও দিতে পার।”

     

     

    “ছড়া?”

    “এ্যা। বিও পাঠাতে পার। রঙিন জেঁয়োন দিয়ে আঁকবে। বেরি গুঁড।”

    টুশি আমতা-আমতা করে বলল, “আমরা ছড়া কিংবা ছবি পাঠাতে চাই না। সত্যিকারের একটা কিডন্যাপ হয়েছে সেটা রিপোর্ট করতে চাই। আপনাদের পত্রিকায় সেটা ছাপাবেন।”

    উত্তরে নাকি গলায় মানুষটা ঘোড়ার মতো শব্দ করে হাসল, “ইহ হি হি হি “

    টুশি তখন রেগেমেগে ফোনটা রেখে দিল।

    তপু বলল, “আপু অন্য পত্রিকায় ফো-ফোন করো।”

    তখন দুজনে মিলে খোঁজাখুঁজি করে আরেকটা পত্রিকা অফিসে ফোন করল। অনেকক্ষণ রিং হওয়ার পর একজন মানুষ টেলিফোন ধরে বলল, “হ্যালো।”

     

     

    টুশি এবারে গলার স্বর একটু মোটা করে বড় মানুষের মতো ভঙ্গি করে বলার চেষ্টা করল, “দেখেন আমি খুব জরুরি একটা ব্যাপার নিয়ে কথা বলতে চাই। কার সাথে কথা বলব?”

    “একটু ধরেন”

    টুশি এবারে একটু ভরসা পায়, মানুষটি তাকে আপনি করে বলছে। খানিকক্ষণ পর আরেকজন ফোন ধরে বলল, “বার্তা-সম্পাদক–

    টুশি আবার গলার স্বর একটু মোটা করে বড় মানুষদের মতো করে বলল, “আমরা আপনাদের কাছে একটা কিডন্যাপিং রিপোের্ট করতে চাই।”

    “পুলিশকে জানানো হয়েছে?”

    “পুলিশকে জানিয়েছিলাম তারা শুনতে রাজি হয় নাই।”

     

     

    “হুম।” বার্তা-সম্পাদক বলল, “কে কিডন্যাপ হয়েছে? আপনার কী হয়?”

    টুশি ইতস্তত করে বলল, “আমাদের কেউ না। মানুষটা মানে ইয়ে আসলে”।

    “কত বয়স?”

    “এ-এক হাজার”।

    “কী বললেন? এক হাজার? আমার সাথে ঠাট্টা করছেন?”

    টুশি তাড়াতাড়ি বলল, “না-না-না ঠাট্টা করছি না। আসলে হয়েছে কি ব্যাপারটা খুব অস্বাভাবিক। যাকে কিডন্যাপ করেছে সে আসলে অদৃশ্য–”

    উত্তেজনার কারণে টুশি গলার স্বর মোটা রাখতে ভুলে গেল–আর অন্য পাশের মানুষটা রেগে গিয়ে বলল, “শোনো মেয়ে, আমরা খুব ব্যস্ত মানুষ, তোমার ইয়ার্কি করার অনেক সময় থাকতে পারে, আমাদের এরকম জিনিস নিয়ে নষ্ট করার সময় নেই।”

     

     

    টুশি ব্যস্ত হয়ে বলল, “বিশ্বাস করুন, আমি সত্যি কথা বলছি। সবকিছু শোনেন তা হলে বুঝতে পারবেন।”

    বার্তা-সম্পাদক বলল, “এক হাজার বছরের অদৃশ্য মানুষের কিডন্যাপিং হওয়ার খবর ছাপানোর কিছু ট্যাবলয়েড পত্রিকা আছে। সেখানে ফোন করো, তারা তোমার ইন্টারভিউ পর্যন্ত ছাপিয়ে দেবে।”

    টুশি উত্তরে কিছু-একটা বলতে যাচ্ছিল কিন্তু তার আগেই বার্তা-সম্পাদক খটাশ করে টেলিফোন রেখে দিয়েছে। টুশির যা মেজাজ খারাপ হল সেটি আর বলার মতো নয়।

    .

    পুলিশ আর পত্রিকার সাথে বেশি সুবিধে করতে না পেরে টুশি আর তপু শেষ পর্যন্ত একদিন চাচা-চাচিকে ব্যাপারটা খুলে বলার চেষ্টা করল। সকালবেলা সবাই নাস্তা করছে, তখন টুশি বলল, “চাচা, আপনাকে একটা কথা বলতে চাই।”

    “কী কথা?”

     

     

    “আপনার মনে আছে, একরাতে আমি আর তপু বাসায় একা একা ছিলাম?”

    চাচা ভুরু কুঁচকে বললেন, “হ্যাঁ, কী হয়েছে তখন?”

    “সকালবেলা বাসায় এসে আপনি একটা অদৃশ্য জিনিসের সাথে ধাক্কা খেয়েছিলেন, মনে আছে?”

    চাচা সরু চোখে বললেন, “আমি কোনো অদৃশ্য জিনিসের সাথে ধাক্কা খাই নি। আমি ডাক্তারকে দেখিয়েছি, ডাক্তার বলেছে মাইল্ড স্ট্রোকের মতো। ব্লাডপ্রেশার খুব বেশি ছিল বলে–”

    “না, চাচা। ব্লাডপ্রেশার না, আপনি আসলে একটা অদৃশ্য মানুষের সাথে ধাক্কা খেয়েছিলেন। ঠিক মানুষ না, জিন। একটা শিশি থেকে বের হয়েছে।”

    চাচা একটা কথাও না বলে চোখ বড় বড় করে টুশির দিকে তাকিয়ে রইলেন, খানিকক্ষণ কোনো শব্দ নেই। চাচা খুব সাবধানে চাচির দিকে একবার তাকালেন তারপর আবার টুশির দিকে তাকালেন তারপর আবার চাচির দিকে তাকালেন। চাচি ভুরু দিয়ে একটা ইঙ্গিত করলেন যার অর্থ “এই-মেয়ে-পাগল-একে-ঘাঁটিও না।” চাচা তখন টুশির দিকে তাকিয়ে মুখে একটা অত্যন্ত মধুর হাসি ফুটিয়ে বললেন, “অবশ্যই শিশি থেকে বের হয়েছে। জিন যদি শিশি থেকে বের না হয় তা হলে কি মশা বের হবে?”

     

     

    টুশি একটুকু অস্থির হয়ে বলল, “চাচা আপনি বিশ্বাস করছেন না? আমি সত্যি কথা বলছি। তা-ই নারে তপু?”

    তপু মাথা নাড়ল, চাচি মাথা নাড়লেন এবং চাচাও মাথা নাড়লেন। চাচা জোরে জোরে মাথা নাড়তে নাড়তে বললেন, “কে বলেছে আমি বিশ্বাস করছি না? আমি অবশ্যই বিশ্বাস করেছি। অদৃশ্য জিন তো থাকতেই পারে। জিন যদি অদৃশ্য না হয় তা হলে কে অদৃশ্য হবে? তা হলে কি মানুষ অদৃশ্য হবে?”

    টুশি হঠাৎ করে কেমন যেন হাল ছেড়ে দেয়। চাচা-চাচি কোনোভাবেই এটা বিশ্বাস করবেন না, লাভের মাঝে লাভ হল যে চাচা-চাচি তাকে একটা পাগল ভেবে নিলেন।

    টুশি আবিষ্কার করল চাচা আর চাচি ফিসফিস করে কথা বলতে বলতে তার দিকে তাকাচ্ছেন, কে জানে এখন তাকে জোর করে একটা পাগলা-গারদে ভরতি না করে দেন। টুশি কী করবে বুঝতে পারল না, রাগে-দুঃখে তার নিজের হাত কামড়াতে ইচ্ছে করল।

    .

    এই ঘটনার দুইদিন পর খবরের কাগজ খুলে টুশি আর তপু স্তম্ভিত হয়ে পড়ে। খবরের কাগজের ভিতরে পুরো পৃষ্ঠা জুড়ে বিজ্ঞাপন, সেখানে বড় বড় করে লেখা :

     

     

    অদৃশ্য দানব! অদৃশ্য দানব!! অদৃশ্য দানব!!!

    বর্তমান বিশ্বের সবচাইতে বড় অলৌকিক ঘটনা। নিজের চোখে দেখুন, ইতিহাসের অংশ হোন। মানুষরূপী একটি ভয়ংকর রক্তপিপাসু হিংস্র প্রাণী সম্প্রতি ধরা পড়েছে। এই প্রাণীটি পুরোপুরি অদৃশ্য–তাকে প্রথমবারের মতো মঞ্চে নিয়ে আসা হচ্ছে।

    নিজের চোখে বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে বড় অলৌকিক ঘটনাটি দেখুন। এই অদৃশ্য দানবের উপর বিশেষ প্রতিবেদন আজকে রাত সাড়ে আটটায় টেলিভিশনে।

    টিকিটের জন্যে অবিলম্বে যোগাযোগ করুন।

    .

    টুশি আর তপু অনেকক্ষণ কথা বলতে পারে না। তপু শেষ পর্যন্ত বলল, “কা কাবিল কোহকাফী মোটেই ভ-ভয়ংকর না।”

     

     

    টুশি মাথা নাড়ল, “না।”

    “অনেক ভালো।”

    “হ্যাঁ। অনেক ভালো আর সুইট।”

    তপু মুখ শক্ত করে জিজ্ঞেস করল, “তা হলে কেন লি-লিখেছে অনেক ভ ভয়ংকর? অনেক হি-হিংস্র?”

    টুশি একটা নিশ্বাস ফেলে বলল, “আমার মনে হয় কী জানিস? তাকে তো বেঁধে রেখেছে সেইজন্যে লিখেছে হিংস্র, লিখেছে রক্তপিপাসু। ভালো মানুষকে কি বেঁধে রাখা যায়?”

    তপু বলল, “ঠি-ঠিক বলেছ।”

    “তা ছাড়া হিংস্র বললে, কেউ কাছে আসবে না। বদমাইশগুলো নিশ্চয়ই চায় না কেউ কাছে আসুক। নিশ্চয়ই চায় সবাই দূর থেকে দেখুক।”

     

     

    “ইশ! বেচারা কা-কাবিল কোহকাফী! এখন কী হবে?”

    টুশি খুব দুশ্চিন্তিত মুখে দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে বলল, “কিছু-একটা করতে হবে। সাহায্য করার জন্যে আমাদের যেতে হবে।”

    “ কিন্তু কে-কেমন করে যাব? ক-কত টাকা টিকেট দেখেছ?”

    “যত টাকাই হোক যেতে হবে।”

    “টা-টাকা কোথায় পাবে?”

    “আমার নানা ট্রাস্ট করে আমার জন্যে টাকা রেখে গেছে, সেখান থেকে নেব।”

    তপু মুখ শুকনো করে বলল, “কিন্তু তা-তারপর কী হবে?”

    টুশি বলল, “দেখি কী করা যায়। কিছু-একটা আমাদের করতেই হবে।”

     

     

    .

    রাত্রিবেলা টুশি আর তপু টেলিভিশনে অদৃশ্য-দানবের ওপর বিজ্ঞাপনটি দেখল। ছোট এক মিনিটের বিজ্ঞাপন। প্রথমে মন্তাজ ওস্তাদ কীভাবে সুন্দরবন অভিযানে গিয়ে সেখানে জলের ভেতর থেকে এই ভয়ংকর হিংস্র প্রাণীটা ধরেছে সেটা নিয়ে বানিয়ে বানিয়ে দুই-একটা কথা বলল। তারপর একটা খচা নিয়ে আসা হল–তার ভেতরে নাকি অদৃশ্য দানব। তখন হিংস্র জন্তুর গর্জন শোনা যেতে লাগল, ভয়ের ছবিতে যেরকম ভূত-প্রেত-দানব দেখা যায় সেরকম ভয়ংকর কিছু দাপাদাপি করল, ভয়-পাওয়া মানুষের আতঙ্ক এবং চিৎকার শোনা গেল। তারপর একজন সুন্দরী মেয়ে এসে বলল, “এই আদিম ভয়ংকর রক্তপিপাসু হিংস্র দানবটিকে আপনারা দেখতে পারবেন প্রদর্শনী শোতে। এই দেখাঁটি আপনারা ভুলতে পারবেন না– কারণ প্রাণীটি অ-দৃশ্য!”

    টুশি রিমোট চেপে টেলিভিশনটি বন্ধ করে দিয়ে বলল, “কত বড় বদমাইশ! কাবিল কোহকাফী হচ্ছে একটা সুইট জিন। আর তাকে বানিয়েছে হিংস্র দানব।”

    “কেউ তো দে-দেখতে পায় না তাই।”

    টুশি তপুর দিকে তাকিয়ে বলল, “যদি সবাই দেখতে পারত তা হলে আর কেউ বদমাইশি করতে পারত না।”

    তপু টুশির দিকে তাকিয়ে বলল, “আমরা যদি সেই ম-মন্ত্রটা খুঁজে বের করতে পারতাম!”

    “কোন মন্ত্রটা?”

    “যেটা বললে কা-কাবিলের বাণ কেটে যাবে!”

    টুশি দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলল, “সেটা আমরা কোথায় পাব! কত হাজার বছর আগের কথা!”

    তপু টুশির দিকে তাকিয়ে বলল, “আপু।”

    “কী হল?”

    “তুমি ও-ওষুধের শিশি দেখেছ?”

    “দেখেছি। কেন?”

    “ওষুধের শি-শিশির উপরে স-সবসময় লেখা থাকে ক-কখন খেতে হয়, সেরকম তার বোতলটিতে কি কা-কাবিল কোহকাফীর উপর লে-লেখা আছে?”

    টুশি বলল, “কিছু লেখা থাকলে কি চোখে পড়ত না?”

    “কিন্তু আমরা তো ভা-ভালো করে দেখি নাই।”

    টুশি উঠে দাঁড়িয়ে বলল, “আয় তা হলে ভালো করে দেখি।”

    টুশি আর তপু কাবিল কোহকাফীর শিশিটা বের করে খুব ভালো করে দেখল। শিশিটা মনে হয় পাথরের তৈরি, বেশ ভারী। ছিপিটা ভেঙে খোলা হয়েছে, সেটা মনে হয় কোনো একটা ধাতুর তৈরি। এত বছর পরেও ধাতুটিতে জং ধরে নি– কাজেই মনে হয় খুব ভালো কোনো ধাতু হবে! টুশি ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে দেখে কোনোকিছু না পেয়ে তপুর হাতে দিল। তপু টেবিল-ল্যাম্পের নিচে ধরে ভালো করে দেখে হঠাৎ একটু উত্তেজিত হয়ে বলল, “আ-আপু।”

    “কী হয়েছে?”

    “মনে হয় উপরে কিছু লেখা আছে–”।

    “কোথায়?”

    “এই দ্যাখো-খুব হালকা, বো-বোঝা যায় না এরকম।”

    টুশিও এসে দেখল, খুব ভালো করে তাকালে মনে হয় সত্যিই কিছু-একটা লেখা আছে। খুব অস্পষ্ট লেখা। টুশি বলল, “মনে হয় এক হাজার বছরের ময়লা লেগে এই অবস্থা। পরিষ্কার করে নিই।”

    “কী দিয়ে প-পরিষ্কার করবে আপু?”

    “নেল পালিশ রিমুভার।”

    ছোট একটা টিসু পেপারে চাচির নেলপালিশ রিমুভার লাগিয়ে টুশি পাথরের শিশিটা ঘষতেই বাদামি রঙের ময়লা উঠে নিচের লেখা পরিষ্কার বের হয়ে এল। তপু হাতে কিল দিয়ে বলল, “পেয়ে গেছি! লে-লেখা পেয়ে গেছি!”

    টুশি বলল, “আগেই এত খুশি হয়ে যাস নে।”

    “কেন?”

    “লেখাটা আগে দ্যাখ।”

    তপু দেখল এবং সমস্যাটা বুঝতে পারল। লেখাটি কোনো পরিচিত ভাষায় লেখা নয়। আরবির মতো–কিন্তু আরবি নয়। জিজ্ঞেস করল, “কী ভাষা এটা?”

    “জানি না।”

    “তা-তা হলে পড়ব কেমন করে?”

    টুশি মাথা নেড়ে বলল, “সেটাও জানি না।”

    দুজনে মিলে খানিকক্ষণ জল্পনা-কল্পনা করল। মসজিদের ইমাম সাহেবকে দিয়ে পড়িয়ে নেয়া যায় কি না আলোচনা করল কিন্তু তাতে কাজ হবে বলে মনে হয় না। ইউনিভার্সিটিতে অনেক জ্ঞানীগুণী থাকে তাদের কাছে নিয়ে গেলে হয়তো কেউ-একজন এটা পড়ে দিতে পারে কিন্তু সেখানে কার কাছে নিয়ে যাবে তারা। বুঝতে পারল না। মিউজিয়ামে নিয়ে যাওয়া যায়, সেখানকার কিউরেটর হয়তো বলতে পারবে। কিন্তু ছোট মানুষ বলে তাদের কোনো পাত্তা দেবে বলে মনে হয় না। লাইব্রেরিতে অনেক বইপত্র থাকে, সেখানে গিয়ে ঘাঁটাঘাঁটি করলে হয়তো এটা কোন ভাষা বের করে ফেলতে পারবে। কিন্তু সেই ভাষাটা শিখে ওপরের লেখাটা পড়তে পারবে বলে মনে হয় না। টুশি এবং তপু নূতন করে ছোট থাকার সমস্যাটা বুঝতে পারল, তারা যদি বড় মানুষ হত কিংবা কোনো একজন বড় মানুষের সাথে তাদের পরিচয় থাকত তা হলে হয়তো এই সমস্যাটার সমাধান বের করে ফেলত। যখন দুজনে প্রায় হাল ছেড়ে দিচ্ছিল তখন তপু চোখ বড় বড় করে বলল, “আপু”।

    “কী হল?”

    “ই-ই-ইন্টারনেট!”

    “ইন্টারনেট?”

    “হ্যাঁ।” তপু উত্তেজিত হয়ে বলল, “ই-ইন্টারনেটে খোঁজ করি–সে-সেখানে হয়তো খোঁজ পাওয়া যাবে।”

    টুশি হাতে কিল দিয়ে বলল, “ঠিক বলেছিস!” পরমুহূর্তে চিন্তিত হয়ে বলল, “কিন্তু ইন্টারনেট পাব কোথায়?”

    “ম-মনে নাই” তপু হড়বড় করে বলল, “স্কুলে যা-যাবার সময় রা-রাস্তায় একটা সা-সাইবার কাফে আছে?”

    টুশি আবার হাতে কিল দিয়ে বলল, “ঠিক বলেছিস।”

    পরমুহূর্তে আবার সে চিন্তিত হয়ে বলল, “কিন্তু এই শিশিটা ইন্টারনেটে কেমন করে পাঠাব?”

    “শিশিটাতো পা-পাঠানো যাবে না। শিশির উপরের লে-লেখাটা স্ক্যান করে পা-পাঠাব।”

    টুশি আবার হাতে কিল দিয়ে বলল, “ঠিক বলেছিস! আয় তা হলে কাজ শুরু করে দিই।”

    একটা ম্যাগনিফাইং গ্লাস দিয়ে খুব সাবধানে পরীক্ষা করে টুশি আর তপু শিশির উপরের লেখাটা প্রথমে একটা কাগজে লিখে নিল। তারপর দুজন ছুটলো। সাইবার কাফের দিকে।

    টুশি আর তপু এর আগে কখনও সাইবার কাফেতে আসে নি। কী করে কী করতে হয় দুজনের কেউই জানে না। সাইবার কাফের কর্মচারীটি তাদের দুজনকে একটা কম্পিউটারের আসনে বসিয়ে দিয়ে চলে গেল, দুজনে মিলে যখন কী-বোর্ড আর মাউস নিয়ে ধস্তাধস্তি করছে তখন পাশের কম্পিউটারে বসে থাকা এলোমেলো চুলের তেরো-চোদ্দ বছরের টিশার্ট পরা একটা ছেলে জিজ্ঞেস করল, “তোমরা কী করছ?”

    টুশি এবং তপু দুজনেই একটু সন্দেহের চোখে ছেলেটার দিকে তাকায়। কিন্তু ছেলেটা সেটা লক্ষ করল বলে মনে হল না, গলা নামিয়ে বলল, “এই সাইবার কাফে মহা গিরিংগিবাজ–কী করতে চাও যদি না জান হলে ছিল খেয়ে যাবে।”

    টুশি আর তপু কিছু বলল না। ছেলেটা তাদের দুজনের দিকে তাকিয়ে মেশিনের মতো কি-বোর্ডে কিছু-একটা টাইপ করতে করতে বলল, “তোমরা নূতন মক্কেল। কোন সার্চ ইঞ্জিন ব্যবহার করছ?”

    “না মানে”

    ছেলেটা বাম হাত দিয়ে মাউস ক্লিক করে কিছু-একটা ঘটিয়ে দিয়ে বলল, “কী করতে চাও?”

    টুশি তখন কাগজটা বের করে সেই বিচিত্র লেখাটা দেখিয়ে বলল, “এইখানে কী লেখা সেটা বের করতে চাই!”

    টুশি নিশ্চিত বড় কোনো মানুষকে এই কথা বললে সে হয় হা হা করে হেসে উঠত নাহয় ধমক দিয়ে বসত। কিন্তু টিশার্ট পরা এলোমেলো চুলের ছেলেটা তার কিছুই করল না, মুখটা ছুঁচালো করে বলল, “ভেরি ইন্টারেস্টিং। এনক্রিপশান প্রবলেম। তিনটা ইউজার গ্রুপ আছে তার মাঝে দুইটা সুপার।”

    টুশি আর তপু কী বলবে বুঝতে পারল না। ছেলেটা কাগজটাকে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে নানাদিক থেকে দেখে বলল, “কোথায় পেয়েছ?”

    “এটা একটা খুব পুরানো ভাষায় লেখা।”

    ছেলেটা চোখ কপালে তুলে বলল, “কসম?”

    টুশি বলল, “কসম।”

    ছেলেটা এবারে চোখ ঘুরিয়ে বলল, “মাইয়ারে মাইয়া।”

    কথাটার মানে কী টুশি কিংবা তপু কেউই বুঝতে পারল না বলে দুজনেই চুপ করে রইল। ছেলেটা কম্পিউটারে খুটখাট করতে করতে বলল, “তোমাদের ই মেইল অ্যাড্রেস আছে?”

    তপু মাথা নাড়ল, “না–নাই।”

    “এই লেখাটা স্ক্যান করেছ?”

    তপু মাথা নাড়ল, “না।”

    “যাও, আগে স্ক্যান করিয়ে আনো। আমি ততক্ষণে তোমাদের একটা ই-মেইল অ্যাকাউন্ট খুলে দিই।”

    টিশার্ট পরা উশকো-খুশকো চুলের ছেলেটা থাকার কারণে আধা ঘণ্টার মাঝে মধ্যপ্রাচ্যের প্রাচীন ভাষায় বিশেষজ্ঞ এরকম অনেক মানুষের কাছে এই লেখাটা পাঠানো হয়ে গেল। ছেলেটা বলল, যদি কেউ এর সমাধান বের করতে পারে তা হলে আজ কালকের মাঝেই তাদের সেটা জানিয়ে দেবে। টুশি আর তপুকে সাইবার কাফেতে এসে প্রত্যেক দিন তাদের ই-মেইল পরীক্ষা করে দেখতে হবে কোনো উত্তর এসেছে কি না।

    সত্যি কথা বলতে কি কোনো উত্তর চলে আসবে সেটা টুশি কিংবা তপু কেউই একেবারে আশা করে নি। তাই পরের দিন স্কুল থেকে আসার সময় যখন সাইবার কাফেতে গিয়ে তাদের ই-মেইল এসেছে কি না পরীক্ষা করতে গেল তখন তারা অবাক হয়ে দেখল সত্যি সত্যি চারটা ই-মেইল চলে এসেছে। প্রথম ই-মেইলটাতে লেখা :

    “তোমরা যে লেখাটি পাঠিয়েছ আমি সেটা সম্পর্কে পরিচিত নই। লেখার গঠনভঙ্গি দেখে মনে হচ্ছে এটা প্রাচীন হিব্রু ভাষায় একটি অপভ্রংশ।” দ্বিতীয় ই-মেইলটাতে লেখা :

    “তোমাদের লেখাটি দেখে মনে হচ্ছে এটি পঞ্চদশ শতাব্দীতে তাইগ্রিস নদীর তীরে গড়ে-ওঠা একটি সভ্যতার লিপি। এই লিপিটি বর্তমানে মৃত। তোমরা কোথায় এটি পেয়েছ জানার জন্যে খুব আগ্রহী। তৃতীয় ই-মেইলটাতে লেখা :

    “তোমাদের পাঠানো ই-মেইলে সংযুক্ত লিপিটি পেয়ে আমি চমৎকৃত হয়েছি। এটি অধুনালুপ্ত কিফুস ভাষার লিখনলিপি। আমি দীর্ঘদিন থেকে এই ভাষার উপরে গবেষণা করছি। এখানে লেখা : কাবিল তুমি দুই হস্ত প্রসারণ করে মস্তিষ্ক নত করো, উচ্চারণ করে উচ্চকণ্ঠে, মাগারুফাস মাগারুফাস এবং মাগারুফাস। এই লিপিটি কোথা থেকে সংগ্রহ করেছ আমাকে জানাও। আমাদের জাতীয় মিউজিয়াম এর প্রকৃত কপিটি সংগ্রহ করতে আগ্রহী হবে।”

    চতুর্থ ই-মেইলটি পাঠিয়েছে একজন বদমেজাজি প্রফেসর, সে লিখেছে : “ভবিষ্যতে আমাকে এই ধরনের আজেবাজে জিনিস পাঠালে মাথা ভেঙে দেব। দূর হও হতভাগা সকল।”

    অন্য তিনটি ই-মেইল পেয়ে টুশি আর তপু এত খুশি হয়ে গেল যে বদমেজাজি প্রফেসরের ই-মেইলটির জন্যে তারা কিছু মনে করল না। যিনি এই রহস্যময় লেখাটার অনুবাদ করে পাঠিয়েছেন টুশি আর তপু তাঁকে বিশাল লম্বা একটা চিঠিতে সবকিছু লিখে পাঠাল। মানুষটা নিশ্চয়ই কিছু বিশ্বাস করবেন না কিন্তু টুশি আর তপু সেটা নিয়ে মাথা ঘামাল না। অন্য যে-দুজন তাদের কাছে ই-মেইল পাঠিয়েছেন তাদেরকেও ধন্যবাদ দিয়ে সাথে সাথে উত্তর পাঠিয়ে দিল।

    বদমেজাজি প্রফেসরকেও তারা একটা ই-মেইল পাঠাল, সেখানে লিখল :

    “হে বদমেজাজি প্রফেসর জন্মের সময় তোমার মা কি তোমার
    মুখে মধু দিতে ভুলে গিয়ে আলকাতরা দিয়েছিল?”

    তারপর তারা ছুটল বাসায়। কাবিল কোহকাফীকে অদৃশ্য থেকে উদ্ধার করার মন্ত্র তারা এখন পেয়ে গেছে!

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসায়েন্স ফিকশন সমগ্র ৪ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    Next Article এক ডজন একজন – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    Related Articles

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    ছোটগল্প – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সাদাসিধে কথা – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মেকু কাহিনী – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    আমার বন্ধু রাশেদ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সায়েন্স ফিকশান সমগ্র ১ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    টুনটুনি ও ছোটাচ্চু – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }