Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কাবিল কোহকাফী – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল এক পাতা গল্প169 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৬. কোহকাফী এবং চাচা-চাচি

    ৬. কোহকাফী এবং চাচা–চাচি

    টুশি এবং তপু কী হয় দেখার জন্যে চোখ বিস্ফারিত করে তাকিয়ে রইল। তারা দেখল চাচা সোজা কাবিল কোহকাফীর দিকে এগিয়ে গিয়ে তার সাথে ধাক্কা খেলেন, ধাক্কা খেয়ে কাবিল কোহকাফি এবং চাচা দুইজন দুইদিকে উলটে পড়লেন এবং দুইজনেই যন্ত্রণায় চিৎকার করে উঠলেন। চাচি চাচাকে ধরে টেনে তুলতে তুলতে বললেন, “কী হয়েছে? কী হয়েছে তোমার?”

    চাচা ভয়-পাওয়া ফ্যাকাশে মুখে বললেন, “বুঝতে পারলাম না, হঠাৎ মনে হল কোথায় যেন ধাক্কা খেলাম”

    “ধাক্কা খেলে?” চাচি গলা উঁচু করে বললেন, “ফাঁকা ঘরে তুমি কেথায় ধাক্কা খাবে?”

    তারা দুজনেই সামনের দিকে তাকায়, টুশি এবং তপু অবাক হয়ে দেখল তাদের দৃষ্টি কাবিল কোহকাফীর উপর দিয়ে ঘুরে সারা ঘর হয়ে ফিরে এল কিন্তু তারা কাবিল কোহকাফীকে দেখতে পেলেন না। কী আশ্চর্য! শুধু তাই না, কাবিল কোহকাফী চাচার সাথে ধাক্কা খেয়ে যে ছিটকে পড়ে যন্ত্রণায় কো কো করে শব্দ করছে সেটাও তাঁরা শুনতে পাচ্ছেন না। তপু কিছু-একটা বলতে যাচ্ছিল, টুশি তার হাতে চাপ দিয়ে তাকে থামিয়ে দিল–ব্যাপারটা বোঝা দরকার।

    চাচা ল্যাংচাতে ল্যাংচাতে কাবিল কোহকাফীর একেবারে গা ঘেঁষে এগিয়ে গেলেন কিন্তু তবু তাকে দেখতে পেলেন না। চাচা একটা চেয়ারে বসে কেমন যেন ভয় পেয়ে চারদিকে তাকাতে লাগলেন। চাচি কঠিন মুখে বললেন, “এখন কেমন লাগছে?”

    “কেমনে আবার লাগবে। আমি বলছি কী-একটার সাথে যেন ধাক্কা খেলাম”

    “তুমি কোথাও ধাক্কা খাও নাই। তুমি হঠাৎ করে কলাপস করেছ। আমি একশবার করে বলছি খাওয়া কমাও খাওয়া কমাও–তুমি আমার কথা শোন না।” চাচি যখন চাচাকে গালাগাল শুরু করেন সেটা সাধারণত খুব ভয়ংকর ব্যাপার হয়, এবারেও তা-ই হল। চাচি তার খনখনে গলায় বলতে লাগলেন, “খেয়ে খেয়ে খাসির মতো মোটা হয়েছ, ব্লাডপ্রেশার হয়েছে, কোলেস্টেরল হয়েছে, এখন নিশ্চয়ই হার্ট এটাক হয়েছে। নিশ্চয় তুমি হার্ট এটাক হয়ে পড়ে গেছ।”

    চাচা দুর্বল গলায় বললেন, “না। আমার হার্ট এটাক হয় নাই।”

    “তা হলে কি স্ট্রোক করেছে?”

    চাচা বিরক্ত হয়ে বললেন, “স্ট্রোক করবে কেন? তোমার সবকিছু নিয়ে বাড়াবাড়ি।”

    চাচি চোখ-মুখ লাল করে বললেন, “আমার সবকিছু নিয়ে বাড়াবাড়ি? তুমি হাঁটতে হাঁটতে আছাড় খেয়ে পড়ে যাও আর সেটা নিয়ে কথা বললে আমার বাড়াবাড়ি হয়?”

    চাচা কিছু না বলে তাঁর পেটে হাত বুলাতে বুলাতে চারিদিকে তাকাতে লাগলেন।

    টুশি আর তপু দেখতে পেল কাবিল কোহকাফী উঠে এসে তাদের একেবারে কাছে এসে চাচা-চাচির ঝগড়া দেখতে দেখতে আনন্দে হাসতে লাগল। তারপর টুশির দিকে তাকিয়ে বলল, “এখন বিশ্বাস হল যে আমি জিন? দেখছ এরা আমাকে দেখতে পাচ্ছে না? আমার কথাও শুনতে পাচ্ছে না?”

    সত্যি সত্যি চাচা-চাচি কাবিল কোহকাফীকে দেখতে পেলেন না, শুনতেও পেলেন না–দুজনে নিজেদের মতো ঝগড়া করতে লাগলেন। কাবিল কোহকাফী বুকে থাবা দিয়ে বলল, “বিশ্বাস হল আমি জিন?”

    টুশি কিছু বলল না, তপু মাথা নেড়ে বলল, “বি-বিশ্বাস হয়েছে।”

    চাচা এবং চাচি তপুর কথা শুনে তার দিকে ঘুরে তাকালেন, বললেন, “কী বললি? কী বিশ্বাস হয়েছে?”

    তবু একেবারে থতমত খেয়ে গেল, এমনিতেই তার কথায় একটু তোতলামো এসে যায় এখন একেবারে বাড়াবাড়ি পর্যায়ে চলে গেল, বলল, “না-না-না– মা মা-মা–জি-জি-জি–”

    টুশি তাকে রক্ষা করল, বলল, “না চাচি কিছু না। আমি বলেছিলাম আপনারা সকালবেলাতেই চলে আসবেন, তপু আমার কথা বিশ্বাস করে নাই। এখন জিজ্ঞেস করছিলাম আমার কথা বিশ্বাস হয়েছে কি না–তাই বলছিল বিশ্বাস হয়েছে। তা ই না রে তপু?”

    তপু বিপদ থেকে উদ্ধার পেয়ে খুব জোরে জোরে মাথা নাড়ল। চাচি এবারে চাচার পাশে একটা চেয়ারে বসে দুজনের দিকে প্রথমবার ভালো করে তাকালেন। বেশ চেষ্টা করে গলাটা একটু নরম করে বললেন, “রাত্রিবলা একা একা থাকতে ভয় করেছিল?”।

    কাবিল কোহকাফী বলল, “ভয় করবে কেন? আমি ছিলাম না!”

    চাচা-চাচি অবশ্যি কাবিল কোহকাফীর কথা শুনতে পেলেন না, টুশি মাথা নেড়ে বললেন, “না চাচি ভয় করে নাই।”

    “রাত্রে কী খেয়েছিলে তোমরা?”

    “খিচুড়ি বেঁধে নিয়েছিলাম। আর ডিম ভাজা।”

    কাবিল কোহকাফী বলল, “ফাস্ট ক্লাস রান্না হয়েছিল!” চাচা-চাচি সেটা শুনলেন না। চাচি বললেন, “ভেরি গুড। আই অ্যাম সরি, হঠাৎ করে আটকা পড়ে গেলাম তাই আসতে পারলাম না।”

    টুশি সাহস করে জিজ্ঞেস করল, “কোথায় আটকা পড়েছিলেন?”

    “মায়ের বাসায়। তপুর নানির শরীরটা ভালো না তো।”

    “কী হয়েছে?”

    “বয়স হয়েছে তো তাই। মাথায় একটু গোলমালের মতো হয়েছে।”

    তপু অবাক হয়ে বলল, “না-না-নানি পা-পাগল হয়ে গেছে?”

    চাচি অস্বস্তি নিয়ে বললেন, “না, ঠিক পাগল না তবে

    চাচা ভেংচে বললেন, “বুড়ির ভিমরতি হয়েছে। এত বড় প্রপার্টি এতিমখানায় দান করে দেবে। ঢং দেখে বাঁচি না!”

    চাচার কথা শুনে কাবিল কোহকাফী দুই পা এগিয়ে এসে বলল, তাতে অসুবিধে কী হয়েছে? একজন মানুষ তার প্রপার্টি দান করতে পারে না?”

    চাচা সেই কথা শুনতে পেলেন না, গজগজ করে বললেন, “এতগুলো মানুষ মিলে বোঝালাম, বুড়ি তবু বোঝে না।”

    চাচি বললেন, “থাক থাক, বাচ্চাদের সামনে এইসব কথা বলে লাভ নেই।”

    কাবিল বুকে থাবা দিয়ে বলল, “আমার সামনে বলো। আমি বাচ্চা না। আমার বয়স এক হাজার দুইশ বাইশ।”

    চাচা তার কথা শুনলেন না তাই কিছু বললেন না, কিন্তু কাবিল তাতে শান্ত হল না, সে টেবিলের মাঝখানে একটা থাবা দিয়ে বলল, “কী হল? কথা কানে যায় না?”

    চাচা এবং চাচি কাবিলের কথা শুনতে পেলেন না, কিন্তু টেবিলের থাবাটা ঠিকই শুনতে পেলেন, চাচা চমকে উঠে বললেন, “কী হল? টেবিলটা এভাবে শব্দ করে কেঁপে উঠল কেন?”

    চাচিও অবাক হয়ে টেবিলটার দিকে তাকালেন, কাঁধ ঝাঁকুনি দিয়ে বললেন, “কী জানি!”

    টুশি এবারে চেষ্টা করে কাবিল কোহকাফীর চোখের দিকে তাকিয়ে চোখের ইশারায় তাকে পাগলামো করতে নিষেধ করল। কাবিল কোহকাফী চোখ মটকে বলল, “এখন কেমন জব্দ হয়েছ বাছাধন? একটু আগে যে আমাকে বাসা থেকে বের করে দিচ্ছিলে–এখন কেমন জব্দ হয়েছ? তোমার চাচা-চাচিকে আরেকটু শিক্ষা দেব? দেব নাকি?”

    টুশি ভয়ে ভয়ে মাথা নেড়ে নিষেধ করল। কাবিল কোহকাফী চোখ পাকিয়ে বলল, “আর আমার সাথে বেয়াদপি করবে? করবে বেয়াদপি?”

    টুশি তার চাচা-চাচির দৃষ্টি এড়িয়ে মাথা নেড়ে জানাল যে আর বেয়াদপি করবে না।

    “মনে থাকে যেন। আমি হচ্ছি কাবিল বিন মুগাবালি মাহিন্দর কোহকাফী। শাহজাদি দুনিয়া আমার জন্যে পাগল ছিল। আমি আসল সোলেমানি জাদু জানি ইচ্ছা করলে মন্ত্র পড়ে সবাইকে টিকটিকি বানিয়ে দিতে পারি। আমার সাথে বেয়াদপি করলে খবর আছে! আর আমাকে বাসা থেকে বের করে দেবে?”

    টুশি এবং তপু মাথা নাড়ল–এবারে চাচা-চাচির দৃষ্টি এড়াতে পারল না। চাচি ভুরু কুঁচকে বললেন, “এরকম বোকার মতো মাথা নাড়ছ কেন?”

    টুশি ঢোক গিলে বলল, “না-মানে ইয়ে–”।

    চাচি এবারে বাসার চারদিকে চোখ বুলিয়ে বললেন, “বাসার এই অবস্থা কেন? মনে হচ্ছে বাসার মাঝে ঝড় হয়ে গেছে। যাও–বাসাটা পরিষ্কার করো!”

    টুশি এবং তপু চাচা-চাচির সামনে থেকে সরে গেল। টুশি আর তপু বসার ঘরে বইগুলো শেলফে তুলে টেবিল-ল্যাম্পটাকে সোজা করল, টেবিলটাকে ঠিক জায়গায় রেখে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা ম্যাগাজিনকে টেবিলে সাজিয়ে রাখতে লাগল। তখন কাবিল কোহকাফী তাদের ঘরে এসে দাঁড়াল। টুশি ফিসফিস করে বলল, “ঘরটাকে তুমি এই অবস্থা করেছ। তুমি কেন পরিষ্কার করছ না!”

    “আমি একটা সম্মানী জিন। আমি ঝাড় দার না।”

    “বেশি ঢং করলে চাচা-চাচিকে বলে দেব তোমার কথা!”

    কাবিল কোহকাফী মুখ ভেংচে বলল, “বলে দেবে আমার কথা? বলে দাও তা হলে–তারা তোমার কথা বিশ্বাস করবে? তুমি প্রমাণ করতে পারবে যে আমি আসলেই আছি?”

    টুশি মাথা চুলকাল, কাবিল কোহকাফী সত্যি কথাই বলেছে। অদৃশ্য কিছুর সাথে ধাক্কা খেয়ে তারা একটু অবাক হতে পারে কিন্তু এইখানে একটা অদৃশ্য জিন ঘুরে বেড়াচ্ছে সেটা কখনওই কেউ বিশ্বাস করবে না। জোর করে বললে উলটো ব্যাপার হতে পারে–ভাবতে পারে তাদের মাথা খারাপ হয়ে গেছে। টুশি বলল, “ঠিক আছে, ঠিক আছে, তোমার কথা কাউকে বলব না। তুমি থাকো। কিন্তু বেশি চিৎকার কোরো না–বেশি লাফঝাঁপ দিও না। বুঝেছ?”

    “পুঁচকে মেয়ে, তোমার আমাকে উপদেশ দিতে হবে না। আমি একজন জ্ঞানী জিন। কখন কী করতে হয় আমি জানি। ক্রিটিক্যাল সময়ে আমি রাইট ডিসিশন নিতে পারি। খলিফা হারুন অর রশিদের সময়ে যখন–”

    ঠিক তখন তারা শুনতে পেল তপুর আব্বা তার মোটা শরীর নিয়ে দৌড়াতে দৌড়াতে বাথরুম থেকে বের হয়ে আসছেন, চিৎকার করে বলছেন, “শায়লা, শায়লা দেখে যাও বাথরুমে!”

    “কী হয়েছে?”

    “বাথরুমে কাটা লম্বা চুলদাড়ি, জরিদার পোশাক–”

    টুশি কাবিল কোহকাফীর দিকে তাকাল, ফিসফিস করে বলল, “ক্রিটিক্যাল সময়। রাইট ডিসিশন নাও দেখি!”

    কাবিল মাথা চুলকাল, “সর্বনাশ! এখন কী হবে?” তপু বলল, “তো-তোমাকে কেউ দেখে না! তু-তুমি যাও–ওগুলো লুকিয়ে ফেলো। দৌড়াও।”

    তপুর কথা শেষ হবার আগেই কাবিল কোহকাফী বাথরুমে ছুটে গেল, চোখের পলকে তার জরিদার পোশাকে কাটা চুলদাড়ি সবকিছু চেঁছে পুছে সরিয়ে নিয়ে চলে এল। কয়েক মুহূর্ত পরে চাচিকে চাচা বাথরুমে নিয়ে গেলেন, সেখানে কী হয় দেখার জন্যে টুশি এবং তপু এবং কাবিল কোহকাফীও হাজির হল। বাথরুমের দরজা খুলে চাচি বাথরুমের ভিতরে চারিদিকে তাকিয়ে বললেন, “কোথায়?”

    চাচার মুখ হাঁ হয়ে গেল। চারদিকে তাকিয়ে আমতা-আমতা করে বললেন, “এ-এ-এইখানে ছিল!”

    “কী ছিল?”

    “জরিদার পোশাক। এই লম্বা লম্বা কাটা চুলদাড়ি–”

    চাচি চোখ ছোট ছোট করে চাচার দিকে তাকিয়ে রইলেন। চাচা ফ্যাকাশে মুখে বললেন, “কী হল? তুমি আমার দিকে এভাবে তাকিয়ে আছ কেন?”

    চাচি কেমন জানি ঠাণ্ডা গলায় বললেন, “তোমার শরীর ভালো আছে ইমতিয়াজ?”

    চাচা কেমন জানি রেগে উঠলেন, বললেন, “আমার শরীর ভালো থাকবে না কেন? তুমি ভাবছ আমি মিথ্যা কথা বলছি? আমি আসলে দেখি নাই?”

    চাচি বললেন, “এই বাথরুমে তাকাও। কোথাও কিছু আছে?”

    “না নাই। কিন্তু বিশ্বাস করো আমি স্পষ্ট দেখেছি।”

    “আমি তোমার কথা বিশ্বাস করেছি, সেইজন্যেই বলছি।”

    “কী বলছ?”—

    “তুমি বিছানায় শুয়ে থাকো। আমি আইসব্যাগটা নিয়ে আসি।”

    চাচা মুখ শক্ত করে বললেন, “কেন?”

    “তোমার মাথায় দিতে হবে। তোমার নিশ্চয়ই হেলুসিনেশান হচ্ছে। তুমি বিছানায় শুয়ে থাকো। তুমি উলটাপালটা জিনিস দেখছ। এটা ভালো লক্ষণ না।”

    “কোনটা ভালো লক্ষণ না?”

    “প্রথমে এমনিতে আছাড় খেয়ে পড়ে গেলে, এখন অদ্ভুত অদ্ভুত জিনিস দেখছ।”

    “আমি কোনো অদ্ভুত জিনিস দেখি নাই।” চাচা চিৎকার করে বললেন, “আমি যেটা দেখেছি সেটাই বলেছি।”

    চাচি চাচাকে জোর করে বিছানায় শুইয়ে দিলেন–এক হাজার বছর গোসল না করা কাবিল কোহকাফী এই বিছানায় ঘুমিয়েছে তাই চাদরে বালিশে একটা বোটকা গন্ধ। চাচা দুর্বল গলায় বললেন, “কেমন জানি গন্ধ গন্ধ লাগছে।”

    চাচি বললেন, “সব তোমার মনের ভুল। তুমি চোখ বন্ধ করে শুয়ে থাকো।” চাচা চোখ বন্ধ করে শুয়ে রইলেন।

    .

    দুপুরে খাবার টেবিলে খাওয়া শুরু করার কিছুক্ষণের মাঝেই চাচি হঠাৎ করে অবাক হয়ে লক্ষ্য করলেন টেবিলে রাখা সব খাবার শেষ হয়ে গেছে। চাচি ভুরু কুঁচকে চাচার দিকে তাকিয়ে বললেন, “ডাক্তাররা না বলেছ তুমি কম করে খাবে!”

    চাচা মুখ কালো করে বললেন, “আমি কম করেই খাচ্ছি।”

    “কম করে খাচ্ছ? সারা সপ্তাহের জন্যে রান্না করেছি তুমি একা সাবাড় করে দিয়েছ।”

    চাচা রেগে উঠে বললেন, “আমি কখন খেয়েছি? একটু মুখে দিয়েছি না কি দিই নি”

    চাচি টেবিলে রাখা ডেকচি কাত করে দেখিয়ে বললেন, “এই দ্যাখো। দুইটা মুরগি রান্না করেছিলাম, শুধু পাখনার একটা হাড্ডি আছে। তুমি খাওনি তো কে। খেয়েছে?”

    টুশি আর তপু শক্ত হয়ে বসে রইল। শুধু তারাই আসল ব্যাপারটি দেখেছে– কাবিল কোহকাফী ঘুরে ঘুরে খাচ্ছে, একটু পরপর টেবিল থেকে খাবার তুলে নিচ্ছে। এক হাজার বছরের অভুক্ত জীনের ক্ষুধা এক দুইদিনে মিটবে বলে মনে হয় না।

    চাচি বললেন, “বলো কে খেয়েছে।”

    চাচা রেগে চিৎকার করে বললেন, “তুমি খেয়েছ। তুমি।”

    ব্যস–সাথে সাথে দুজনের তুমুল ঝগড়া শুরু হয়ে গেল। ঝগড়াটা একটু জমে ওঠার সাথে সাথে প্রায় নিয়মমাফিক তাদের রাগটা এসে পড়ল তপুর ওপর। চাচা হুংকার দিয়ে বললেন, “কী হল? তুই খাচ্ছিস না কেন?”

    তপু বলল, “খা-খা-খাচ্ছি আলু।”

    চাচি বললেন, “খবরদার কথা বলবি না, চুপ করে খা।”

    তপু কথা বলল না, মাথা নেড়ে চুপচাপ খাবার চেষ্টা করল। কিন্তু তাতে মনে হল চাচির রাগ আরও বেশি হয়ে গেল। চোখ লাল করে বললেন, “কী বলেছি আমি?”

    “ব-ব-ব–” ভয় পেয়ে তপুর কথা মুখে আটকে যায়। চাচি তখন আরও হিংস্র হয়ে উঠলেন, চিৎকার করে বললেন, “কী বলেছি আমি?”

    তপু অসহায়ভাবে একবার টুশির দিকে তাকিয়ে আবার বলার চেষ্টা করল, “ব ব-ব–বলেছ–খ-খ-খ-” তপুর মুখ লাল হয়ে গেল, ঠিক করে কথা বলার চেষ্টায় তার চোখে পানি এসে যায়, ঠোঁটে কামড় দিয়ে সে প্রাণপণে আবার চেষ্টা করে– “খ-খ-খ “

    চাচি চিলের মতো চিৎকার করে বললেন, “কথা বলো ঠিক করে বদমাইশ পাজি ছেলে–”

    কাবিল কোহকাফী চাচির দিকে দুই পা এগিয়ে এসে বলল, “এই যে এই যে লেডি, কী করছেন আপনি? দেখছেন না ছেলেটা নার্ভাস–কথা বলতে অসুবিধে হচ্ছে দেখছেন না–”

    চাচি কাবিল কোহকাফীকে দেখছেন না, তার কথাও শুনছেন না, ডালের চামুচটা হাতে নিয়ে ওপরে তুলে মারের ভঙ্গি করে আরেকবার গালাগাল করার জন্যে মুখ খুললেন ঠিক তখন কাবিল কোহকাফী চাচির মুখটা দুই হাত দিয়ে চেপে ধরল। চাচি একেবারে হতবাক হয়ে আবিষ্কার করলেন তিনি মুখ খুলতে পারছেন না, কয়েকবার চেষ্টা করে উঁ উঁ উঁ করে একটু শব্দ করে ছটফট করতে লাগলেন। চাচা অবাক হয়ে বললেন, “কী হয়েছে তোমার? কথা বলছ না কেন?”

    কাবিল কোহকাফী চাচির মুখটা একটু ফাঁক করে দুই-একটা শব্দ বলতে দিল, “ক-ক-কথা ব-ব-বলতে পারছি না।” কাবিল কোহকাফী আবার শক্ত করে মুখ চেপে ধরল। চাচি মুখ খোলার জন্য প্রাণপন চেষ্টা করতে থাকেন কিন্তু কোনো লাভ হয় না। তার চোখ-মুখ লাল হয়ে, যায় চোখে পানি এসে যায় কিন্তু মুখ থেকে একটি শব্দ বের হয় না।

    কাবিল কোহকাফী শেষ পর্যন্ত চাচির মুখ ছেড়ে দিয়ে সরে গেল, হুংকার দিয়ে বলল, “এখন বুঝেছেন কথ না বলতে পারলে কেমন লাগে? বুঝেছেন লেডি?”

    চাচি কাবিল কোহকাফীর কথা না শুনতে পারলেও কথা বলতে না পারার কষ্টটা প্রথমবার টের পেলেন। সাবধানে নিজের দুই গালে, চোয়ালে মুখে হাত বুলাতে বুলাতে বললেন, “কী কী সর্বনাশ! ম-ম-মনে হল কেউ মুখ চেপে ধরে রেখেছে কথা বলতে দিচ্ছে না।”

    চাচাকে কেন জানি হঠাৎ খুব খুশি মনে হল। দুলে দুলে হেসে বললেন, “এখন বুঝেছ তপু কেন তোতলা হয়েছে?”

    “কেন?”

    “ফ্যামিলিগত ব্যাপার। তুমি তোতলা, তোমার ছেলেও তোতলা।”

    “আমি মোটেও তোতলা না।”

    “তা হলে একটু আগে কথা বলতে পারছিলে না কেন?”

    “সেটা অন্য ব্যাপার” চাচি আরও কী-একটা বলতে চাইছিলেন কিন্তু তার । আগেই কাবিল কোহকাফী এসে চাচির মুখ শক্ত করে চেপে ধরল। চাচি প্রাণপণে কথা বলতে চাইলেন কিন্তু তাঁর মুখ দিয়ে শুধু উ উ ধরনের একটা শব্দ বের হল, কোনো কথা বের হল না।

    চাচা উল্লসিত হয়ে বললেন, “এই দ্যাখো তুমি আবার তোতলাচ্ছ!”

    কাবিল কোহকাফী চাচির মুখটাকে ছেড়ে দিয়ে বলল, “মনে থাকে যেন লেডি। এই ছোট ছেলেটাকে আপনি যদি উৎপাত করেন আপনার মুখ আমি চেপে ধরে রাখব। আমাকে চেনেন না–হুঁ! আমি হচ্ছি কাবিল বিন মুগাবালি মহিন্দর কোহকাফী।”

    চাচি কিংবা চাচা কেউই কাবিল বিন কোহকাফীর কথা শুনতে পেলেন না, কিন্তু ঠিক করে কথা বলতে না পারার জন্যে ছোট একটা ছেলেকে যে যন্ত্রণা দেয়া যায় না হঠাৎ করে সেই জিনিসটা বুঝে গেলেন।

    খাবার টেবিলে সবাই নিঃশব্দে খেতে লাগল। খুব ভালো করে লক্ষ করলে দেখা যেত টুশি এবং তপু চোখের কোনা দিয়ে কাবিল কোহকাফীর দিকে তাকিয়ে মাথা নেড়ে কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছে।

    বিচিত্র এই জিনটাকে টুশি এবং তপু একসাথে ভালোবেসে ফেলল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসায়েন্স ফিকশন সমগ্র ৪ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    Next Article এক ডজন একজন – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    Related Articles

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    ছোটগল্প – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সাদাসিধে কথা – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মেকু কাহিনী – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    আমার বন্ধু রাশেদ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সায়েন্স ফিকশান সমগ্র ১ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    টুনটুনি ও ছোটাচ্চু – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }