Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কাবিল কোহকাফী – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল এক পাতা গল্প169 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৭. স্কুল

    ৭. স্কুল

    রাত্রিবেলা কাবিল কোহকাফী টুশি আর তপুর ঘরে ঘুমাল। টুশি তার বালিশটা কাবিল কোহকাফীকে দিয়েছিল, কিন্তু তার জন্যে নরম বিছানায় ব্যবস্থা করা গেল না। কাবিল কোহকাফী ইচ্ছে করলে বাইরের ঘরে সোফায় শুয়ে ঘুমাতে পারে, কিন্তু ভোরবেলা চাচা ঘুম থেকে উঠে সোফায় বসে কিছুক্ষণ টিভি দেখেন–ভুল করে যদি অদৃশ্য কাবিল কোহকাফীর ভুঁড়ির উপর বসে যান তা হলে যা, একটা কেলেঙ্কারি হবে সেটা আর বলার মতো নয়!

    টুশি এবং তপু দুজনের ঘুমই হল ছাড়া-ছাড়া তাদের দুজনের কেউ টের পায় নি নাকডাকার ব্যাপরটি এরকম ভয়ংকর হতে পারে। যখনই ঘুমিয়েছে তখনই স্বপ্ন দেখেছে যে তারা একটা প্লেনে করে যাচ্ছে কিংবা একটা সিংহ গর্জন করে তাদের তাড়া করছে কিংবা একটা মিছিলে হাজার হাজার মানুষ চিৎকার করছে–একটু পরে পরে তাদের ঘুম ভেঙে গেছে আর তারা আবিষ্কার করেছে যে প্লেনের শব্দ, সিংহের গর্জন বা মিছিলের চিৎকারের শব্দ ঘুম ভাঙার পরও শোনা যাচ্ছে– খানিকক্ষণ পর তারা টের পেয়েছে যে সেটা কাবিল কোহকাফীর নাকডাকার শব্দ!

    ভোরবেলা ঘুম থেকে উঠে টুশি আর তপু তাদের স্কুলের জন্যে রেডি হতে থাকে তখন তারা শুনতে পেল চাচি রান্নাঘর থেকে চিৎকার করছেন, কে নাকি ফ্রিজ থেকে সব রুটি খেয়ে ফেলেছে! এটা নিশ্চয়ই কাবিল কোহকাফীর কাজ–টুশি আর তপু ভয়ে ভয়ে থাকল–ব্যাপারটি নিয়ে চাচা কিংবা চাচি কোনোকিছু সন্দেহ না করে বসেন। কিন্তু সেরকম কিছু হল না, কারণ চাচা বিরক্ত হয়ে চাচিকে বললেন, “কী ভোরবেলা উঠেই তুমি ক্যাটক্যাট শুরু করলে–”

    চাচি তখন রেগে আগুন হয়ে বললেন, “কী? আমি ক্যাটক্যাট করি? তোমার এত বড় সাহস”

    ব্যস দুজনে খেপে গেলেন এবং তার এক ফাঁকে টুশি আর তপু স্কুলের জন্যে বের হয়ে যায়। তারা মাত্র বাসা থেকে বের হয়ে রাস্তায় পা দিয়েছে তখন শুনল কাবিল কোহকাফী পিছন থেকে চিৎকার করতে করতে আসছে, “দাঁড়াও! দাঁড়াও আমিও যাব।”

    টুশি আর তপু অবাক হয়ে কাবিল কোহকাফীর দিকে তাকাল, টুশি জিজ্ঞেস করল, “তুমি? তুমি কোথায় যাবে?”

    “তোমরা যেখানে যাচ্ছ।”

    “আমরা স্কুলে যাচ্ছি।”

    “আমিও স্কুলে যাব।”

    টুশি মাথা নেড়ে বলল, “বড় মানুষেরা স্কুলে যায় না। স্কুলে যায় ছোট ছেলে মেয়েরা, আর তুমি বড় মানুষও না, তুমি হচ্ছ একটা জিন!”

    তপু টুশির হাত ধরে ঝাঁকুনি দিয়ে বলল, “টু-টু-টু-শি আপু–”

    “কী হল?”

    “তু-তু-তুমি এইভাবে কথা বোলো না, স-স-সবাই তোমার দিকে অবাক হয়ে দে-দেখছে।”

    টুশির হঠাৎ করে মনে পড়ল যে রাস্তায় যারা যাচ্ছে আসছে তাদের কেউ কাবিল কোহকাফীকে দেখছে না, তাই সে যখন অদৃশ্য কাবিল কোহকাফীর সাথে কথা বলছে তাকে নিশ্চয়ই সবাই ভাবছে মাথা খারাপ! টুশি নিশ্বাস ফেলে বলল, “ঠিকই বলেছিস।” তারপর আড়চোখে কাবিলের দিকে তাকিয়ে বলল, “আমরা এখন সোজাসুজি তোমার দিকে তাকিয়ে কথাও বলতে পারব না। তা হলে সবাই আমাদের পাগল ভাববে।”

    কাবিল কোহকাফী চুটকি বাজিয়ে বলল, “কোনো চিন্তা নাই। আমার দিকে না তাকিয়ে একজন আরেকজনের দিকে তাকিয়ে কথা বলো–আমি শুনে নেব।”

    তপু বলল, “টু-টু-টুশি আপু। তাড়াতাড়ি চলো, দে-দেরি হয়ে যাচ্ছে।”

    “হ্যাঁ চল।”

    কাবিল কোহকাফীও বলল, “চলো।”

    টুশি আর তপু সামনে এবং তাদের দুই পা পিছনে কাবিল কোহকাফী হাঁটতে শুরু করে। বড় রাস্তায় পৌঁছাতে পৌঁছাতে কয়েকটা অঘটন ঘটে গেল, মাথায় টুকরি নিয়ে একজন পুরানো কাগজ শিশি-বোতল নিয়ে যাচ্ছিল, কাবিল কোহকাফীর সাথে ধাক্কা খেয়ে তার পুরানো কাগজের বাণ্ডিল রাস্তায় ছড়িয়ে পড়ল–মানুষটা অবিশ্বাসের ভঙ্গিতে টুকরিতে কাগজের বাণ্ডিল তুলতে তুলতে বলল, “কী আজব কাণ্ড–মনে হল ধাক্কা খেলাম কিন্তু ধাক্কা খাওয়ার কিছু নাই।”

    কাবিল মানুষটাকে সাহায্য করার জন্যে আসতে চাইছিল, টুশি নিষেধ করল, সাহায্যের বদলে তখন উলটো ঝামেলা শুরু হয়ে যাবে–মানুষ যখন দেখবে কাগজের বাণ্ডিল নিজে থেকে লাফিয়ে লাফিয়ে টুকরিতে ঢুকে যাচ্ছে সেটা একটা মহা কেলেঙ্কারি হয়ে যেতে পারে।

    টুকরি মাথায় মানুষের সাথে ধাক্কা থেকেও চমকপ্রদ ঘটনা ঘটল যখন আট দশ বছরের কয়েকটা বাচ্চা কথা নেই বার্তা নেই হঠাৎ করে কোথা থেকে ছুটে এল এবং তাদের মাঝে একজন অদৃশ্য কাবিল কোহকাফীর ভেতর দিয়ে বের হয়ে। যাবার চেষ্টা করল। বাচ্চাটা আরেকটু হলে আছাড় খেয়ে পড়ত, কিন্তু কাবিল কোহকাফী তাকে ঠিক সময়ে ধরে ফেলে সোজা করে দাঁড় করিয়ে দেয়। কাবিল কোহকাফীকে দেখতে পাচ্ছে বলে ব্যাপারটি টুশি আর অপুর কাছে মোটেও অস্বাভাবিক মনে না হলেও অন্য বাচ্চাগুলোর চোখ গোল আলুর মতো বড় হয়ে। যায়। তারা দেখল বাচ্চাটি আছাড় খেয়ে মাটিতে পড়ার শেষ মুহূর্তে হঠাৎ ম্যাজিকের মতো সোজা হয়ে আকাশের দিকে উঠে মাটিতে দু-পায়ের ওপর। দাঁড়িয়েছে। ব্যাপারটি কীভাবে সম্ভব কেউ সেটা বুঝতে পারল না।

    কাবিল কোহকাফীকে সাথে নিয়ে গেলে এরকম আরও কত কী ঘটবে তার কোনো নিশ্চয়তা নেই, তাই তারা তাড়াতাড়ি স্কুলে যাবার চেষ্টা করতে থাকে। কিন্তু বড় রাস্তায় এসে কাবিল কোহকাফীকে নড়ানো খুব মুশকিল হয়ে যায়। সে এর আগে কখনও গাড়ি দেখে নি এবং রাস্তার গাড়িগুলোর দিকে সে হাঁ করে তাকিয়ে রইল। চোখ কপালে তুলে বলল, “ইয়া মাবুদ! এটা কী তেলেসমাতি!”

    টুশি কাবিলের দিকে না তাকিয়ে বলল, “এইটা তেলেসমাতি না। এইটার নাম গাড়ি।”

    “চলে কেমন করে? ঘোড়াগুলো কোথায় ঢুকিয়েছে?”

    টুশি মাথা নেড়ে বলল, “এর মাঝে কোনো ঘোড়া নাই। এগুলো ইঞ্জিন দিয়ে চলে।”

    “ইঞ্জিন! সেগুলো আবার কীরকম জানোয়ার? কখনও নামও শুনি নাই। কোন দেশে পাওয়া যায়?”

    “এগুলো কোনো জন্তু-জানোয়ার না। এগুলো মেশিন!”

    “কী আশ্চর্য!” কাবিল কোহকাফী চোখ ছানাবড়া করে তাকিয়ে থেকে বলল, “কী আচানক ব্যাপার!”

    টুশি কাবিল কোহকাফীকে খোঁচা দিয়ে বলল, “তাড়াতাড়ি চলো, তা না হলে স্কুলে দেরি হয়ে যাবে।”

    দুই-দুইবার ধাক্কা খেয়ে কাবিল কোহকাফী এবারে মানুষের ধাক্কা বাঁচিয়ে খুব সাবধানে যেতে থাকে, তার পরেও একজন অন্ধ ফকির, একজন হকার আর একজন ট্রাফিক পুলিশের সাথে ছোট মাঝারি আর বড় একটা ধাক্কা লাগিয়ে ফেলল। শুধু যে মানুষের সাথে ধাক্কা লাগিয়েই গোলমাল পাকাল তা নয়, একেবারে নিজে নিজেও সে একটা গোলমাল পাকাল। সেটা শুরু হল এভাবে।

    একজন খুব সেজেগুজে থাকা ফিটফাট মানুষ রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে জুতো পালিশ করাচ্ছে, জুতো পালিশ করছে একটা ছোট ছেলে। ছেলেটা খুব যত্ন করে জুতো পালিশ করে সেটা চকচকে একটা আয়নার মতো করে ফেলেছে। মানুষটা। দেখে খুব খুশি হয়ে পকেট থেকে মানিব্যাগ বের করে একটা ময়লা নোট ছুঁড়ে দিল। ছেলেটা চোখ কপালে তুলে বলল, “স্যার এইটা কী দিলেন?”

    ফিটফাট মানুষটা বলল, “যা যা বেটা ভাগ! যা দিয়েছি বেশি দিয়েছি।”

    “বেশি দিয়েছেন?” ছেলেটা রেগে বলল, “এইটা বেশি হল?”

    মানুষটা রেগে এবারে ছেলেটার মাথায় একটা চটি মেরে বলল, “চুপ কর ছোটলোকের বাচ্চা। চড় মেরে দাঁত ভেঙে ফেলব।”

    ছোট ছেলেটার মনে হয় বেশ তেজ আছে, তেরিয়া হয়ে বলল, “কী বললেন? আমি ছোটলোকের বাচ্চা? এতক্ষণ ধরে জুতো পালিশ করলাম আর এই ছেঁড়া একটা নোট দিয়ে আমারে বলেন ছোটলোকের বাচ্চা? কে আসলে ছোটলোকের বাচ্চা?”

    ফিটফাট মানুষটা এবারে হুংকার দিয়ে বলল, “তবে রে হারামজাদা–” তারপর পা তুলে সে ছোট ছেলেটাকে কষে একটা লাথি মেরে বসল–অন্তত সে তা-ই ভাবল। আসলে অবশ্যি সেটা ঘটল না, কারণ কাবিল কোহকাফী বিদ্যুদ্বেগে মাঝখানে গিয়ে তার লাথিটা ফেরাল, তারপর টুশি আর তপু কিছু বোঝার আগে মানুষটার বুকের কাপড় ধরে ওপরে তুলে তাকে পিছনে ছুঁড়ে ফেলে দিল। টুশি এবং তপুর কাছে মনে হল কাজটি ভয়ংকর কিন্তু অন্য সবার কাছে মনে হল কাজটি অবিশ্বাস্য রকমের হাস্যকর। তারা কেউ কাবিল কোহকাফীকে দেখেনি, তারা দেখেছে ফিটফাট একটা মানুষ ছোট একটা বাচ্চাকে লাথি মারতে গিয়ে হঠাৎ মাঝখানে তার পা ব্রেক কষেছে, তারপর হঠাৎ করে রকেটের মতো সে উপরে উঠে গিয়ে উলটো দিকে ডাইভ দিয়ে কাদা-পানির মাঝে উলটো হয়ে পড়েছে। কোনো মানুষ কাদায় পিছলে পড়লে হাসা উচিত নয় জেনেও সবাই হেসে ফেলে–এখানে ফিটফাট একটা মানুষ নিজে থেকে একটা হাস্যকর ভঙ্গিতে উলটোভাবে কাদার মাঝে লাফিয়ে পড়েছে মানুষজন হাসতেই পারে। আশপাশে যারা ছিল সবাই হো হো করে হাসতে শুরু করে দেয়। সবচেয়ে জোরে হাসল জুতো পালিশ করা ছেলেটা–সে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে হাসতে হাসতে মাটিতে লুটোপুটি খেতে থাকে।

    ফিটফাট মানুষটা, যে আর ফিটফাট নেই, কোনোমতে কাদা থেকে উঠে ছেলেটার দিকে তেড়ে আসছিল, তখন রাস্তার লোকজন তাকে থামায়–একজন বলল, “ভাই! আপনি জোকারি করে কাদার মাঝে লাফাচ্ছেন–পোলাপান হাসবে না? হাসার কাজ করলে তো তোক হাসবেই।”

    মানুষটা মুখ খিঁচিয়ে বলল, “আমি লাফ দেই নাই–আমাকে ধাক্কা মেরেছে।”

    “কে ধাক্কা মেরেছে? বাতাস?”

    মানুষটা এর কোনো উত্তর দিতে পারল না, রাগে ফোঁস ফোঁস করতে লাগল। জুতো পালিশ করা ছেলেটা একটু নিরাপদ দূরত্বে সরে গিয়ে চিৎকার করে বলল, “গরিবের বন্ধু হচ্ছে আল্লাহ্! আপনি গরিবকে ঠকিয়েছেন তাই আল্লাহ্ আপনার শাস্তি দিয়েছে!” ছেলেটার চোখেমুখে অবশ্যি ঠকে যাওয়ার কোনো চিহ্ন দেখা গেল না, সবগুলো দাঁত বের করে হেসে বলল, “খোদার কসম স্যার আপনি যে সার্কাস দেখাইলেন চাইনিজ সার্কেও সেটা দেখাতে পারবে না।”

    মানুষটা আবার তেড়ে গেল কিন্তু ছেলেটা ততক্ষণে দৌড়ে সরে গেছে, অনেকদূর থেকে তার হাসির শব্দ শোনা যেতে থাকে।

    টুশি আর তপু দ্রুত সেই জায়গা থেকে চলে গেল–কাবিল কোহকাফী দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে আরও কিছুক্ষণ চিৎকার করতে চাইছিল, কিন্তু টুশি আর তপু তাকে সেই সুযোগ দিল না।

    স্কুলের কাছাকাছি এসে টুশি কাবিল কোহকাফীকে বলল, “তুমি স্কুলের ভিতরে আবার কোনো গোলমাল শুরু করো না যেন।”

    কাবিল কোহকাফী বলল, “আমি কখনও কোনো গোলমাল করি না।”

    টুশি চোখ পাকিয়ে বলল, “কী বললে, গোলমাল কর না? একটু আগে কী করেছ?”

    কাবিল কোহকাফী মুখ শক্ত করে বলল, “এটা গোলমাল হল। একজন পাজি মানুষকে একটু টাইট করা হল–”

    টুশি মাথা নাড়ল, বলল, “মনে থাকে যেন স্কুলের ভিতরে তুমি কাউকে টাইট দিতে পারবে না।”

    কাবিল কোহকাফী মুখ সুচালো করে বলল, “খুব যদি পাজি হয়–ডাবল গেজ পাজি–তখন আমি যদি শুধু”।

    “তুমি কারও গায়ে হাত দিতে পারবে না।”

    “হাত দিতে পারব না? একটু ধাক্কা–একটু কাতুকুতু একটু ডলাডলি–”

    “উঁহু।” টুশি গম্ভীর মুখে বলল, “তুমি আমাকে কসম খেয়ে বলো কারও গায়ে তুমি হাত দেবে না।”

    কাবিল কোহকাফী একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলল, “ঠিক আছে। ঠিক আছে কথা দিচ্ছি।”

    “কী কথা দিচ্ছ? স্পষ্ট করে বল।”

    কাবিল কোহকাফী বিরক্ত হয়ে বলল, “কথা দিচ্ছি যে কারও গায়ে হাত দেব না।”

    “কসম খেয়ে বলো।”

    “কসম? কসম খেয়ে কেন বলতে হবে?”

    “কারণ তোমাকে আমি চিনি। খাও কসম।”

    “ঠিক আছে ঠিক আছে কসম খাচ্ছি।” কাবিল কোহকাফী মাথা ঝাঁকিয়ে বলল, “শাহজাদি দুনিয়ার চোখের ভুরুর কসম, তার রেশমি চুলের কসম, তার গালের তিলের কসম। কোহকাফ নগরের কসম। আসমান জমিনের কসম মুরগির রোস্টের কসম”

    টুশি কী করবে বুঝতে না পেরে চোখ কপালে তুলে হতাশ হয়ে মাথা নাড়ল।

    .

    তবে কাবিল কোহকাফী তার কথা রেখেছিল, সে স্কুলে কারও গায়ে হাত দেয় নি। স্কুল কম্পাউন্ডের ভেতরে কিছু দোলনা আছে–ছোট ছোট বাচ্চারা সেখানে উঠে আবিষ্কার করল কোনো কারণ ছাড়াই আজ দোলনাগুলো দুলছে। অন্যদিন সেগুলো দুলিয়ে দেবার জন্যে অন্যদের সাধাসাধি করতে হত–আজকে কাউকে বলতেও হচ্ছে না দোলনাগুলো বেশ নিজে নিজেই দুলছে! শুধু তা-ই নয়, কেউ যদি অন্যকে চড়তে না দিয়ে নিজে নিজে বেশিক্ষণ দোলনায় বসে থাকতে চায় তা হলে কেন জানি বসতে পারে না–পিছলে পড়ে যায়। বেশি ছোট বাচ্চা নিজে থেকে উঠতে না পারলেও কীভাবে কীভাবে জানি দোলনায় উঠে যাচ্ছে। ব্যাপারগুলো খুব বিচিত্র, বলা যেতে পারে অবিশ্বাস্য কিন্তু ছোট ছোট বাচ্চারা সেটা নিয়ে একেবারেই মাথা ঘামাল না। শুধু টুশি আর তপু আসল ব্যাপারটা দেখতে পেল, কাবিল কোহকাফী মহা আনন্দে ছোট বাচ্চাদের সাথে দোলনা নিয়ে খেলছে, দোলনা ধাক্কা দিচ্ছে, ছোটদের দোলনায় তুলে দিচ্ছে, যারা বেশি সময় ধরে দোলনায় বসে আছে তাদের। নামিয়ে দিচ্ছে–কেউ তাকে দেখছে না, শুধু তার মজার কাজকর্মগুলো টের পাচ্ছে। বয়স্ক কোনো মানুষ হলে হয়তো ঘাবড়ে যেত কিন্তু ছোট হওয়ার অনেক মজা কেউই ব্যাপারটি নিয়ে মাথা ঘামাচ্ছে না।

    আরও কিছু বিচিত্র ব্যাপার ঘটল–যেটা কেউই ঠিক বুঝতে পারল না। যেমন তপুর কথায় একটু তোতলামো আছে বলে ক্লাসের দুষ্টু ছেলেরা তাকে নিয়মিতভাবে ভ্যাংচায়, আজ হঠাৎ করে তাদের বিপদ হয়ে গেল। যেমন বাইরে ছোটাছুটি করে। সবাই কুমির কুমির খেলছে, তপু লাফ দিয়ে সিঁড়িতে উঠে বলল, “আমি ডা-ডা ডাঙায়–”

    তাকে ঠাট্টা করে সাদিব নামে ছেলেটা দাঁত বের করে হেসে বলল, “ডা-ডা ডাঙা ভা-ভা-ভাঙা– ডা-ডা-ডাঙা ভা-ভা-ভাঙা–”

    সাথে সাথে খুব একটা বিচিত্র ব্যাপার ঘটে যায়, সাদিবের মনে হল তার শার্টের কলার ধরে কেউ যেন উপরে তুলে একটা ঝাঁকুনি দিয়ে নিচে নামিয়ে দিয়েছে। সে যা ভয় পেল সেটি আর বলার মতো নয়। একটু পর খেলতে খেলতে তপু যখন মাঠে নেমে চিৎকার করে বলল, “কু-কু-কুমির তোর জলে নেমেছি” তখন তাদের ক্লাসের পাজি একটা মেয়ে, নাম শাওন, মুখ ভেংচে বলল, “কু-কু কুমির কু-কু-কুমির–”

    হঠাৎ করে শাওনের মনে হল তার বেণিটায় কেউ একটা হ্যাঁচকা টান দিয়েছে, শাওন যন্ত্রণায় চিৎকার করে পিছনে তাকিয়ে দেখে কেউ নেই। সে যত না অবাক হল ভয় পেল তার থেকে অনেক বেশি। সারাদিন এরকম ঘটনা ঘটতে থাকল– তপুকে কেউ টিটকারি করা মাত্র সাথে সাথে তার শাস্তি পেয়ে যায় এবং দিনের শেষে আর কেউ তপুকে নিয়ে টিটকারি করার সাহস পেল না। ব্যাপারটা টুশি এবং তপু দুজনেই লক্ষ করেছে–তপুর যা আনন্দ হল সেটা আর বলার মতো নয় কিন্তু টুশি ব্যাপারটাকে একেবারেই ভালো চোখে দেখল না। কাবিল কোহকাফীকে এক কোনায় ঠেলে নিয়ে ফিসফিস করে বলল, “তুমি বলেছ তুমি কারও গায়ে হাত দেবে না।”

    কাবিল কোহকাফী বুকে থাবা দিয়ে বলল, “আমি কারও গায়ে হাত দেই নাই।”

    “একটু আগে তুমি একটা মেয়ের বেণি ধরে টান দিয়েছ।”

    “বেণি হচ্ছে চুল–আমি চুলে হাত দিয়েছি গায়ে হাত দেই নাই”

    এই নিয়ে তর্ক করা যেত কিন্তু ঠিক সেই সময়ে ক্লাসের ঘণ্টা পড়ে গেল। টুশি ক্লাসে যাবার সময় ফিসফিস করে বলল, “দ্যাখো–তুমি যদি আমার ক্লাসে ঢোকো ভালো হবে না কিন্তু।”

    কাবিল কোহকাফীর চোখ উত্তেজনায় চকচক করে উঠল, সে দুই পা এগিয়ে এসে আগ্রহ নিয়ে বলল, “কেন? ক্লাসে ঢুকলে কী হবে?”

    টুশি দুর্বলভাবে চেষ্টা করল, বলল, “তুমি আমাকে কথা দিয়েছ–”

    “আমি কথা দিয়েছি কারও গায়ে হাত দেব না।” কাবিল কোহকাফী চোখ নাচিয়ে বলল, “কিন্তু আমি তোমার ক্লাসে ঢুকব না সেটা তো কথা দিই নাই।”

    টুশি রেগেমেগে কিছু-একটা বলতে যাচ্ছিল, কিন্তু ঠিক তখন টুশির ক্লাসের একটি মেয়ে টুশির দিকে অবাক হয়ে বলল, “তুমি একা একা কথা বলছ কেন?”

    টুশি মেয়েটার দিকে তাকিয়ে ঠাণ্ডা চোখে বলল, “আমার যখন খুব মেজাজ খারাপ হয় তখন আমি নিজে নিজে কথা বলি।”

    মেয়েটা, যে ক্লাসের মাঝে সবচেয়ে সুন্দরী কিন্তু যে সারা ক্লাসের মাঝে সবচেয়ে পাজি, যার নাম ফারিয়া, একেবারে নায়িকাদের মতো ঢং করে খিলখিল করে হেসে বলল, “ও মা! তোমার চেহারা যেরকম অদ্ভুত তোমার স্বভাবও সেরকম অদ্ভুত!”

    কাবিল কোহকাফী ফারিয়ার দিকে এগিয়ে যাচ্ছিল, টুশি দাঁতে দাঁত ঘষে ফিসফিস করে বলল, “খবরদার কাবিল কোহকাফী।”

    ফারিয়া বলল, “কী বলছ?”

    টুশি চোখ লাল করে বলল, “কিছু বলি নাই।”

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসায়েন্স ফিকশন সমগ্র ৪ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    Next Article এক ডজন একজন – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    Related Articles

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    ছোটগল্প – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সাদাসিধে কথা – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মেকু কাহিনী – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    আমার বন্ধু রাশেদ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সায়েন্স ফিকশান সমগ্র ১ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    টুনটুনি ও ছোটাচ্চু – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }