Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কামিনী কাঞ্চন – কাসেম বিন আবুবাকার

    কাসেম বিন আবুবাকার এক পাতা গল্প124 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কামিনী কাঞ্চন – ৩

    ৩

    নাহিদাদের বাড়ি সদরপুর গ্রামে। এখানে যে টেক্সটাইল মিল আছে, তার মালিক নাহিদার বাবা মোজাম্মেল সাহেব। তিনি স্ত্রী আজরা সুলতানাকে ভীষণ ভালোবাসতেন। মোজাম্মেল সাহেব যেমন অত্যন্ত সুপুরুষ ছিলেন, আজরা সুলতানাও তেমনি অপূর্ব সুন্দরী ছিলেন। আজরা সুলতানাও স্বামীকে ভীষণ ভালোবাসতেন। তাদের বিয়ের দিন ঠিক হয়ে যাবার পর মোজাম্মেল সাহেব পক্সে আক্রান্ত হন। বাঁচার কোনো আশা ছিল না। পক্স থেকে আরোগ্য লাভ করলেও মুখের সৌন্দর্য নষ্ট হয়ে যায়। মুখের দিকে তাকালে সবাই ভয় পেত। এই খবর আজরা সুলতানার–বাবা জানতে পেরে বিয়ে ভেঙে দিতে চাইলেন। কিন্তু আজরা সুলতানা মা-বাবাকে জানালেন, তাকেই বিয়ে করবেন। মা-বাবা মেয়েকে অনেক বুঝিয়েও বশে আনতে পারলেন না। আজরা সুলতানা তাদেরকে বললেন, বিয়ের পর যদি এরকম হতো, তা হলে কী করতে? তাছাড়া আমার যদি এরকম হতো, তা হলেই বা কী করতে?

    মোজাম্মেল সাহেব হবু শ্বশুর-শাশুড়ি ও স্ত্রীর কথা জানতে পেরে গোপনে আজরা সুলতানার সঙ্গে দেখা করে তার মা-বাবার কথা মেনে নিতে বলেন। আরও বলেন, এই কুৎসিত মুখ নিয়ে অন্য কোনো মেয়েকেও বিয়ে করবেন না। যে মুখ আয়নাতে দেখে আমি নিজেই ভয় পাই, সেই মুখ অন্য কোনো মেয়েকে দেখাব কী করে?

    আজরা সুলতানা পাশের গ্রামের সচ্ছল পরিবারের মেয়ে। অপূর্ব সুন্দরী হওয়ার কারণে স্কুল ও কলেজের অনেক ছেলে প্রেম নিবেদন করে চিঠি দিত। কেউ কেউ বিয়ের প্রস্তাবও দিত। তিনি তাদের কাউকেই পাত্তা দেন নি। কারণ তিনি মনে মনে মোজাম্মেল সাহেবকে ভালোবাসতেন। আর মোজাম্মেল সাহেবও যে আজরা সুলতানাকে মনে মনে ভালোবাসতেন, তা তিনি বুঝতে পেরেছিলেন। মোজাম্মেল সাহেবের চেয়ে আজরা সুলতানা দু’বছরের জুনিয়ার ছিলেন। রাস্তা ঘাটে ও স্কুল-কলেজে প্রায় তাদের দেখা হয়েছে, কিন্তু কেউ কোনোদিন কারো সঙ্গে কথা বলেন নি। কখনো কখনো সামনা-সামনি পড়ে গেলে, একে অপরের মুখের দিকে কিছুক্ষণ অপলক নয়নে চেয়ে থেকে দৃষ্টি সরিয়ে নিয়ে চলে যেতেন। তাতেই যেন একে অপরের মনের কথা জানতে পারেন। কিন্তু কোনোদিন কেউ তা প্রকাশ করেন নি। পড়াশুনা শেষ হবার পর তাদের মধ্যে আর দেখা-সাক্ষাৎ হয় নি। তারপর গার্জেনরা তাদের বিয়ের ব্যবস্থা করছেন জেনে, উভয়েই যেন আকাশের চাঁদ হাতে পেলেন।

    মোজাম্মেল সাহেবের কথা শুনে আজরা সুলতানা তার মুখের দিকে চেয়ে আঁশুভরা চোখে বললেন, ছাত্রজীবনে অনেকে আমাকে বিয়ে করতে চেয়েছিল এবং তাদের আমি ফিরিয়ে দিয়েছি, সে সব কথা হয়তো আপনি জানেন, কিন্তু কেন ফিরিয়ে দিয়েছি শুনবেন? আপনাকে ভালোবাসতাম। আপনার সঙ্গে আমার কোনোদিন আলাপ হয় নি বটে। কিন্তু জ্ঞান হবার পর থেকে মন-প্রাণ উজাড় করে আপনাকে ভালোবেসেছি, আজো বাসি এবং আমরণ বেসে যাব। আর আপনিও যে আমাকে ভালোবাসেন, তাও আমি জানি।

    মোজাম্মেল সাহেব কী বলবেন ভেবে না পেয়ে একটা দীর্ঘনিশ্বাস ফেলে চুপ করে রইলেন।

    : কী হলো কিছু বরছেন না কেন?

    : কী বলব বলুন, আমি এখন পরিস্থিতির শিকার।

    : কীসের পরিস্থিতি? সারা পৃথিবীর মানুষ আপনাকে কুৎসিত দেখলেও আমার চোখে আপনি তা নন। আপনি পুরুষ, পুরুষের চরিত্র এবং কর্মজীবনই তাকে পৃথিবীতে অমর করে রাখে। আমার প্রথম ও শেষ কথা আপনি যদি আমাকে বিয়ে না করেন, তাহলে আমার ভবিষ্যতের জন্য আপনি দায়ী থাকবেন।

    সেদিন মোজাম্মেল সাহেব আজরা সুলতানার দুটো হাত ধরে বলেছিলেন, তোমার কথাই ঠিক। আমিও তোমাকে জ্ঞান হবার পর থেকে ভালোবেসে এসেছি। তারপর আমার এই অবস্থার কারণে বিদেশে কোথাও পালিয়ে যাব ভেবেছিলাম; কিন্তু তার আগেই তোমার মতামত জানতে পেরে দেখা করতে এসেছি।

    আজরা সুলতানা এগিয়ে এসে কদমবুছি করে ভিজে গলায় বললেন, তোমাকে ছাড়া আমি বাঁচতে পারবো না, আমাকে গ্রহণ করে ধন্য কর।

    মোজাম্মেল সাহেব তার কপালে ভালোবাসার চিহ্ন এঁকে দিয়ে বললেন, ঠিক আছে, তোমার কথা আমি রাখব। তারপর তারা দুজনে বিদায় নিয়ে চলে গেলেন।

    এরপর অনেক বাধা-বিপত্তি ডিঙ্গিয়ে মোজাম্মেল সাহেব আজরা সুলতানাকে। নির্দিষ্ট দিনেই বিয়ে করেন।

    বিয়ের চার বছর পর নাহিদার জন্ম। নাহিদার বয়স যখন চার বছর তখন আজরা সুলতানা মারা যান। মোজাম্মেল সাহেব স্ত্রী বিয়োগে খুব ভেঙে পড়েন। মাস তিনেক পর কাউকে কিছু না বলে লন্ডন চলে যান। চাকরি পাবার পর বড় ভাইকে সবকিছু জানিয়ে নিয়মিত টাকা পাঠাতেন। প্রায় পাঁচ-ছয় বছর পর দেশে ফিরে নাহিদাকে নিয়ে চলে যান। তারপর প্রতি বছর নাহিদাকে নিয়ে দেশে আসতেন এবং বড় ভাইয়ের সঙ্গে পরামর্শ করে এক টেক্সটাইল মিল প্রতিষ্ঠা করেন।

    বড় ভাই আবুল হোসেন সাহেবের কোনো ছেলেমেয়ে নেই। নাহিদাকে উনি ও উনার স্ত্রী জোহরা বেগম নিজেদের মেয়ে মনে করতেন। তার বাবা যখন তাকে নিয়ে চলে যেতে চাইলেন তখন তাদের মনে ব্যথা লাগলেও বাধা দেন নি। আবু হোসেন সাহেব মিলের ডাইরেক্টর। শেষবারে এসে যখন মোজাম্মেল সাহেব মৃত্যুশয্যায় ছিলেন তখন বড় ভাইয়ের দুটো হাত ধরে বলেছিলেন, আমি মারা যাবার পর আপনারাই ওর গার্জেন। নাহিদা খুব জেদী মেয়ে। যদি আপাততঃ বিয়ে না করে চাকরি করতে চায়, তাহলে মিলেই একটা ভালো পদে চাকরি দিবেন। তারপর আপনি যা ভালো বুঝবেন করবেন।

    মোজাম্মেল সাহেব মারা যাবার পর আবুল হোসেন সাহেব ভাইঝির বিয়ে দেওয়ার অনেক চেষ্টা করেছেন; কিন্তু নাহিদা কিছুতেই রাজি হয় নি। লন্ডনে লেখাপড়া করে মানুষ হয়ে, বাংলাদেশের ছেলেদের মধ্যে কাউকে তার মনের মতো পাচ্ছে না। একবার চাচাকে বলেওছিল, এখানে থাকতে তার মন চায় না, লন্ডনে গিয়ে আরও পড়াশুনা করবে। এখানকার ছেলেমেয়েরা উচ্চ শিক্ষা নিলেও কেমন যেন আনকালচার্ড আনকালচার্ড মনে হয়।

    আবুল হোসেন সাহেব ভাইঝির মনোভাব বুঝতে পেরে বললেন, তুই আমাদের বংশের একমাত্র প্রদীপ। চলে গেলে এখানকার বিষয় সম্পত্তি কে ভোগ করবে? আর আমাদেরকেই বা কে দেখাশুনা করবে? আরও কিছুদিন থাক, দেখবি ভালো লাগছে। লেখাপড়া করতে চাইলে এখানেই কর। অথবা তুই যদি চাকরি-বাকরি কিছু করতে চাস, তাহলে আমি তার ব্যবস্থা করব।

    তারপর থেকে তাকে স্বাধীনভাবে চলাফেরা করার সুযোগ দিলেন। সেই সাথে প্রতিমাসে বেশকিছু টাকা হাত খরচ বাবদ দিচ্ছেন।

    নাহিদার চাচি জোহরা বেগম খুব সাদাসিধে মহিলা। তিনি বিষয় সম্পত্তির ব্যাপারে কিছুই জানেন না। নাহিদার বিয়ে দেবার জন্য স্বামীকে মাঝে মাঝে তাগিদ দেন।

    আবুল হোসেন সাহেব স্ত্রীকে বলেন, তুমি এ ব্যাপারে কোনো চিন্তা করো না। যা করার আমিই করব।

    এভাবে প্রায় এক বছর কেটে যাবার পর এবারে যখন নাহিদা সিলেটে বড় খালার বাড়ি বেড়াতে যাবার কথা বলল, তখন পারমিশন দিয়ে চিন্তা করলেন, এবার ওকে আমার অ্যাসিস্টেন্ট পদে চাকরি দিলে কেমন হয়? কিন্তু ও চাকরি করবে কিনা জানা দরকার। তাই সিলেট যাবার আগে একদিন নাহিদাকে জিজ্ঞেস করলেন, তোর কি চাকরি করার ইচ্ছা আছে, না আরও পড়াশুনা করবি?

    নাহিদা বলল, পড়াশুনা করতে ইচ্ছা করছে না। তবে একটা ভালো চাকরি পেলে করব।

    আবুল হোসেন সাহেব বললেন, আমার অ্যাসিস্টেন পদে লোক দরকার। তুই ইচ্ছা করলে অ্যাপ্লিকেশন করতে পারিস।

    নাহিদা পদের কথা শুনে খুশি হয়ে অ্যাপ্লিকেশন দিয়ে সিলেটে এসেছিল। অ্যাপোয়েন্টমেন্ট লেটার পেয়ে দিনাজপুর ফিরছে।

    বাড়িতে পৌঁছে নাহিদা করিডোরে গাড়ি পার্ক করার পর একজন চাকর এসে গাড়ির দুদিকের দরজা খুলে দিল।

    নাহিদ গাড়ি থেকে নেমে বাড়ি দেখে অবাক।

    প্রায় দুই একর জমির মাঝখানে তিনতলা বাড়ি। পিছনের দিকে নানা রকম ফলের গাছ থাকলেও সামনের সবটুকু জায়গা ফুল গাছে ভর্তি।

    নাহিদা গাড়ি থেকে নেমে চাকরকে মালপত্র তুলতে বলে নাহিদকে বলল, আসুন।

    নাহিদ চাকরকে পিছনের সিট থেকে নাহিদার সুটকেস ও অন্যান্য জামাকাপড় নামিয়ে নিতে বলে নাহিদাকে বলল, মাফ করবেন, এখন আসতে পারব না। অফিসের একটা রিপোর্ট আছে, সেটা দুপুরের আগে পৌঁছাতে হবে। বাসা তো চিনেই গেলাম, অন্য একদিন আসব।

    নাহিদা অসহিষ্ণু কণ্ঠে বলল, কিন্তু আপনি তো অসুস্থ, ড্রাইভিং করবেন কী করে?

    নাহিদ মৃদু হেসে বলল, অসুস্থ আগে ছিলাম কিন্তু আপনার চিকিৎসায় এখন সুস্থ।

    : যে কোনো সময় জ্বর আবার আসতে পারে।

    : তা পারে, তবে এলেও অনেক পারে আসবে। তার আগেই অফিসে পৌঁছে যাব।

    : অন্তত সামান্য কিছু মুখে দিয়ে যান।

    : ধন্যবাদ, আসি, আল্লাহ হাফেজ। তারপর নাহিদ গাড়িতে উঠে গাড়ি ছেড়ে দিল। নাহিদা তার উপর রেগে গেল। ভাবল, সত্যিই কি অফিসের কাজটা

    জরুরি? না অন্য কিছু?

    হাবিব সাহেব নাহিদাকে নাহিদের সাথে পাঠিয়ে দেবার পর ফোন করে নাহিদার চাচাকে সে কথা জানিয়ে বললেন, নাহিদ আমার ইন্ডাস্ট্রির অল ইন অল। যেমন সৎ তেমনি কর্মঠ ও দায়িত্বশীল।

    আবুল হোসেন সাহেব নাহিদের নাম শুনে বললেন, আপনি ছেলেটার বায়োডাটা বলুন তো?

    হাবিব সাহেব নাহিদের বায়োডাটা বললেন।

    আবুল হোসেন সাহেব হেসে উঠে বললেন, তাই নাকি? তাকে তো আমিও ভালোভাবে চিনি। সে আমার বন্ধু নিয়াজের ছেলে। আমরা ভার্সিটিতে এক সঙ্গে পড়েছি। অত্যন্ত সৎ। ডবল এম, এ, হয়েও সৎ নাগরিক তৈরি করার ব্রত নিয়ে নিজের গ্রামের স্কুলে মাস্টারি করছে।

    : তাহলে তো ভালোই হলো। আমি তো মনে করেছিলাম, অপরিচিত একজন ছেলের সঙ্গে এতটা পথ যাবে শুনে আপনি অসন্তুষ্ট হবেন।

    : আরে না না, কী যে বলেন। নাহিদের মতো ছেলে আজকাল চোখে পড়ে। আমি তো ওর সঙ্গে নাহিদার বিয়ে দিব বলে ভেবেছিলাম; কিন্তু মেয়েটা কিছুতেই রাজি হচ্ছে না। বলে কিনা এখানকার ছেলেরা সব আনকালচার্ড। আমি কিন্তু এখনও হাল ছাড়ি নি।

    : পাত্র হিসেবে নাহিদ যে রত্ন, সে কথা আমার চেয়ে আপনি বেশি জানেন। তবে একটা বিষয়ে যা একটু চিন্তা, নাহিদ খুব ধার্মিক। নাহিদা লন্ডনে মানুষ হয়েছে। সে ধার্মিক ছেলে পছন্দ করবে কিনা সন্দেহ। তবে নাহিদ ধার্মিক হলেও গোঁড়া নয়। সবকিছু মানিয়ে নেবার জ্ঞান তার আছে এবং সেই তাই করেও থাকে।

    : আমি নিয়াজকে তো জানি। নাহিদ তার বাবার মতো হয়েছে। আমি তার সম্বন্ধে কিছু কিছু খোঁজ-খবর নিয়েছি। তবে আপনার কাছে যে কাজ করছে। জানতাম না। দেখা যাক না, তিন চার দিন তো দু’জনে এক সঙ্গে থাকছে, এখানে এলেই ওদের ফিলিংস বুঝতে পারব। যাক, পরে এ ব্যাপারে আপনার সঙ্গে কথা বলব, এখন রাখি, তারপর সালাম বিনিময় করে আবুল হোসেন সাহেব ফোন রেখে দিলেন।

    নাহিদ চলে যাবার পর নাহিদা আঙ্কেলকে ফোন করল। নাহিদা চাচা-চাচিকে আঙ্কেল ও আন্টি বলে ডাকে।

    আবুল হোসেন সাহেব ফোন ধরে নাহিদার গলা বুঝতে পেরে বললেন, আমি এক্ষুনি আসছি। তারপর ফোন রেখে দিয়ে অফিস থেকে বেরিয়ে বাড়ি রওয়ানা দিলেন।

    বাড়িতে এসে নাহিদাকে জিজ্ঞেস করলেন, নাহিদকে দেখছি না কেন?

    নাহিদা বেশ অবাক হয়ে বলল, তুমি নাহিদ সাহেবের কথা জানলে কেমন করে?

    : তোর বড় খালু ফোন করে জানিয়েছেন। সে কোথায় বলবি তো?

    : নেই।

    : নেই মানে।

    : নেই মানে নেই। আমাকে পৌঁছে দিয়ে চলে গেছেন। তার এখানকার অফিসে কী একটা রিপোর্ট নাকি দুপুরের মধ্যে পৌঁছাতে হবে।

    : রিপোর্টটা সাবমিট করে তাকে আসতে বলিস নি?

    : কিছু বলার আগেই তিনি বললেন, সময় করে একদিন আসবেন।

    : কিন্তু তোদের তো গত কাল আসার কথা?

    নাহিদা গত কালের দুর্যোগের কথা ও নাহিদের জ্বরের কথা বলল।

    : ওকে যেতে দিয়ে তুই খুব ভুল করেছিস মা।

    : ফোন করলে অফিসের লোক বাপ বাপ করতে করতে এসে রিপোর্টটা নিয়ে যেত। তোর বড় খালু নামেমাত্র ইন্ডাস্ট্রির মালিক, যা কিছু সব নাহিদের কথায় চলে। ওকে সব অফিসের স্টাফরা যেমন ভয় করে তেমনি সম্মান করে। ওর মতো ছেলে এই জামানায় দ্বিতীয় আছে কিনা জানি না। সে যে তোকে এই কয়েকদিন কম্পেনিয়ান দিয়ে নিয়ে এল, সেটা তোর সৌভাগ্য।

    নাহিদা আরও অবাক হয়ে বলল, তুমি ওর সম্বন্ধে এতকিছু জানলে কী করে?

    : আমি জানব না তো কে জানবে? ও আমার বন্ধুর ছেলে। দাঁড়া ওর অফিসে ফোন করি।

    ওপারে ফোন ধরতে আবুল হোসেন সাহেব বললেন, নাহিদ সাহেবকে দিন।

    : উনি তো এই পাঁচ মিনিট আগে ঢাকায় রওয়ানা হয়ে গেছেন।

    : মানে?

    : জি, উনি অফিসে আসার পর পর সিলেট থেকে বড় সাহেব ফোন করেছিলেন। তিনি কী বললেন আমাদের বলেন নি। ফোন রেখে রিপোর্টটা বুঝিয়ে দিয়ে বললেন, জরুরি দরকারে আমাকে এক্ষুনি চলে যেতে হচ্ছে। আজ ঢাকায় পৌঁছাতেই হবে। ওখানকার কাজ সেরে কাল সিলেট যাবেন।

    আবুল হোসেন সাহেব ফোন রেখে একটা দীর্ঘনিশ্বাস ফেলে নাহিদাকে ফোনের আলাপের কথা বলে বললেন, শুনলি তো মা, ছেলেটা কত কর্তব্যপরায়ণ, কোম্পানির জন্য নিজের শরীরের দিকে খেয়াল করল না।

    নাহিদা চিন্তিত মুখে বলল, কিন্তু তিনি খুব অসুস্থ। সেই অবস্থায় এতটা পথ জার্নি করে এসে আবার এত পথ জার্নি করবেন কী করে?

    : সেকথা এখন আর ভেবে কী হবে? চল আমরা খেয়ে নিই।

    নাহিদার মন খারাপ হয়ে গেল। নাহিদের অসুস্থতার কথা চিন্তা করে একদিকে যেমন আতঙ্কিত হয়ে পড়ল, অপরদিকে আঙ্কেলের মুখে তার গুণগান শুনে আনন্দে ও অনুশোচনায় তার গলা শুকিয়ে আসতে লাগল। কোনো রকমে ঢোক গিলে বলল, তুমি খেয়ে নাও। আমার এখন খিদে নেই, পরে খাব।

    আবুল হোসেন সাহেব ভাইঝির মুখের অবস্থা দেখে যা বুঝার বুঝে গেলেন। মনে মনে খুশি হয়ে জিজ্ঞেস করলেন, তা নাহিদকে তোর কেমন লাগল।

    : কেমন আবার? ভালোই, তবে আনকালচার্ড।

    জোহরা বেগম নাহিদাকে ছোটবেলায় মেয়ের মতো মানুষ করলেও এখন তার বেলেল্লিপনার জন্য এব বিয়ে না করে চাকরি করবে শুনে তার উপর বেশ অসন্তুষ্ট। তিনি একটু আগে এসে নাহিদার শেষের কথা শুনে তাকে উদ্দেশ করে বললেন, তুই বুঝি নাহিদকে খুব চোটপাট দেখিয়েছিস?

    : আন্টি, তুমি আমাকে কী মনে কর? শুধু শুধু চোটপাট দেখাতে যাব কেন?

    আবুল হোসেন সাহেব বললেন, তোর আন্টির কথা বাদ দে। নাহিদ তোকে কেমন কম্পোনিয়ান দিল বল!

    নাহিদা ঠোঁট বাঁকিয়ে বলল, মোটামুটি।

    : যাক ছেলেটাকে তাহলে তোর মোটামুটি পছন্দ, কি বলিস?

    : আঙ্কেল, তুমি কিন্তু বেলাইনে চলে যাচ্ছ।

    আবুল হোসেন সাহেব স্ত্রীর দিকে একবার চেয়ে নিয়ে হেসে উঠে বললেন, বেলাইনে যাবার বয়স এখন আর কি আছ? তুই না চলে যাস সেই চিন্তাই করছি।

    নাহিদা লজ্জা পেয়ে বলল, আঙ্কেল কী হচ্ছে? আন্টি রয়েছে না?

    জোহরা বেগম চুপ করে থাকতে পারলেন না। বললেন, তোর আঙ্কেল বরাবর ঐ রকম। কাকে কী বলতে হয় জানে না। চল সবাই খাবে চল।

    আবুল হোসেন সাহেব বললেন, ওর এখন খিদে নেই। অসুস্থ নাহিদ আজই ফিরে গেছে শুনে মন খারাপ দেখতে পাচ্ছ না? আমাকে খেতে দেবে চল।

    নাহিদা আঙ্কেলের দিকে একবার কটাক্ষ হেনে বলল, উনি অসুস্থ তাই। নচেৎ আমার মন খারাপ হতে বয়েই গেছে। তারপর নিজের রুমে যেতে যেতে বলল, দু’দিন গোসল করি নি, গোসল করে তারপর খাব।

    নাহিদা বাথরুমে ঢুকে প্রথমে আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজের প্রতিবিম্বকে ধিক্কার দিয়ে বলল, এই রূপ ও ফিগার নিয়ে বড়াই করিস? তারপর শর্মিলাকে পাশে কল্পনা করে নিজেকে একটা নগণ্য মেয়ে বলে মনে হলো। শর্মিলাকে দেখার পর কোনো ছেলেই তার দিকে চেয়েও দেখবে না। তখন তার মনে হলো, মেয়েদের যতই গুণ থাক না কেন, সেই সাথে রূপ ও ফিগার যদি না থাকে, তা হলে সে মেয়ের দিকে কোনো সুপুরুষের চোখ পড়বে না।

    আয়নায় নিজের চেহারা দেখে নাহিদা জীবনে এই প্রথম আতঙ্কিত হয়ে চিন্তা করল, এই মুটকিকে কি কোনো সুন্দর ছেলে পছন্দ করবে?

    নাহিদা হ্যাংলা গোবেচারা ধরনের ছেলেদের মোটেই পছন্দ করে না। যুবতি হবার পর বান্ধবীদের প্রেমিকদের দেখে সে হতাশ হয়েছে। যে পুরুষের মধ্যে পৌরুষের বলিষ্ঠতা নেই, তাকে জীবনসঙ্গী করতে তার একদম মন চায় নি। লন্ডনে শর্মিলা ও অন্যান্য বান্ধবীদেরকে ঐরকম ছেলেদের সঙ্গে ডেটিং করতে দেখে নাহিদার মন বিরক্তিতে ভরে যেত। তাই মনের মতো পুরুষ পায় নি বলে কোনোদিন কারো সঙ্গে ডেটিং করে নি। নাহিদের সঙ্গে পরিচয় হলেও তার ঢিলে-ঢালা পোশাকের মধ্যে তার মনের মতো বলিষ্ঠ পুরুষ যে লুকিয়ে থাকতে পারে, তা ঢাকায় শর্মিলার কাছে নাহিদকে সুইমিং ড্রেসে না দেখলে জানতেই পারত না। শর্মিলার কথা মনে পড়তে ভাবল, তার মতো সুন্দরী মেয়ের ভালোবাসা অফার পাবার পরও কি নাহিদ আমার কথা মনে রাখবে? তা হলে আমি কি শর্মিলার মতো একটা বাজে মেয়ের কাছে হেরে যাব?

    নাহিদ ঢাকার অফিসের কাজ সেরে পরের দিন যখন সিলেটে নিজের বাসায় পৌঁছল তখন রাত আটটা। আজ কয়েক দিন তার শরীরের উপর দিয়ে অনেক ধকল গেছে। তার উপর অসুস্থ। বাসায় পৌঁছে প্রথমে ডাক্তারের কাছে গেল। তারপর ফিরে এসে এশার নামায পড়ে খাওয়া দাওয়া করতে করতে দশটা বেজে গেল। ভাবল, আজ আর সাহেবকে ফোন করার দরকার নেই; কাল অফিসে গিয়ে দেখা করলেই চলবে। এই ভেবে ঘুমোতে গিয়ে বালিশে মাথা রেখেছে, এমন সময় ফোন বেজে উঠল।

    ফোন ধরে হ্যালো বলতেই ওপাশ থেকে সালমা বেগমের গলা শোনা গেল, নাহিদ, কখন ফিরলে তুমি?

    : আটটার সময়।

    : তোমরা নাকি ঝড়-বৃষ্টির মধ্যে রাস্তায় আটকা পড়ে গাড়িতেই রাত কাটিয়েছ? কী সাংঘাতিক বিপদে না পড়েছিলে? গাড়িতে তোমার জ্বরও হয়েছিল? সেই অবস্থাতেই আবার এত পথ জার্নি করে ফিরে আসতে গেলে কেন? সাহেবকে অসুখের কথা জানিয়ে দু’চার দিন রেস্ট নিয়ে আসতে পারতে। শরীরের প্রতি এত অবিচার করা তোমার উচিত হয় নি। এখন কেমন আছ?

    নাহিদ বেশ অবাক হয়ে বলল, ভালো। কিন্তু এসব খবর এরই মধ্যে আপনি জানলেন কেমন করে?

    নাহিদার চাচা কিছুক্ষণ আগে ফোন করেছিলেন। ঐ দস্যি মেয়েটা তোমার সঙ্গে মনে হয় ভালো ব্যবহার করে নি?

    নাহিদ কিছু বলার আগে সাহেবের গলা শুনতে পেল, আমায় দাও।

    সালমা বেগম নাহিদকে বললেন, নাও, এবার তোমার সাহেবের সঙ্গে কথা বল।

    হাবিব সাহেব ফোন নিয়ে বললেন, নাহিদ, তুমি নিশ্চয় খুব টায়ার্ড? তাই এখন তোমার উচিত, খাওয়া দাওয়া করে ঘুমিয়ে পড়া। কাল অফিসে কথা হবে। তারপর ফোন রেখে দিলেন।

    নাহিদ হাঁফ ছেড়ে বাঁচল, সাহেব ফোন না ধরলে বেগম সাহেব আর যে কতক্ষণ বক্তৃতা করতেন, তার হিসাব নেই।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅমর প্রেম – কাসেম বিন আবুবাকার
    Next Article অবাঞ্ছিত উইল – কাসেম বিন আবুবাকার

    Related Articles

    কাসেম বিন আবুবাকার

    ক্রন্দসী প্রিয়া – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    জানি তুমি আসবে – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    কি পেলাম – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    কালোমেয়ে – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    একদিন অপরাহ্নে – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    কে ডাকে তোমায় – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }