Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026

    কালীগুণীন ও চতুরঙ্গের ফাঁদ – সৌমিক দে

    March 24, 2026

    কপিলাবস্তুর কলস – প্রীতম বসু

    March 23, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কামিনী কাঞ্চন – কাসেম বিন আবুবাকার

    কাসেম বিন আবুবাকার এক পাতা গল্প124 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কামিনী কাঞ্চন – ৫

    ৫

    পরের দিন নাহিদ নিজের কাজে ব্যস্ত রইল। লাঞ্চের পর এক ফাঁকে ফোন করে নাহিদাকে বলল, আমি চারটের সময় আসছি। তুমি রেডি থেকো, তোমাকে নিয়ে রাজবাড়ি দেখতে যাব।

    নাহিদা বলল, ঠিক আছে, তাই হবে; তবে তুমি আমাদের বাড়িতে এলে আন্টির সামনে তোমার সঙ্গে বেরোতে আমার লজ্জা লাগবে। তাছাড়া আঙ্কেল যা ঠোঁটকাটা, আমাকে যা তা করে বলে ইয়ার্কি করবে। এমনিতেই তোমাকে নিয়ে যা করে; আন্টির কাছে মাথা তুলতে পারি না।

    নাহিদ হেসে উঠে বলল, তাই নাকি? আঙ্কেল হয়ে ভাইঝির সঙ্গে ইয়ার্কি করেন কেমন করে?

    : আঙ্কেল খুব মজার লোক, কার সঙ্গে কী সম্পর্ক, কথা বলার সময় সেসব তার খেয়াল থাকে না। এজন্যে আন্টির কাছে প্রায়ই বকা খায়।

    : তোমার কথাই ঠিক। এখন আমার আব্বার কথা মনে পড়ছে; উনি আমাকে প্রায়ই বলেন জানিস নাহিদ, আমার এক অন্তরঙ্গ বন্ধু আবুল হোসেন সাহেব দিনাজপুর টেক্সটাইল মিলের ডাইরেক্টর। সে খুব সাদাসিধে ও আমুদে লোক। ছোট-বড়, আত্মীয়-অনাত্মীয় ছেলে হোক আর মেয়ে হোক, কথা বলার সময় সম্পর্কের কোনো ধার ধারে না। তাদের সাথে হাস্যরস করে কথা বলবেই।

    নাহিদা বলল, তোমার বাবা তার বন্ধুকে ঠিকই চিনেন। তুমি এক কাজ কর, আমাদের বাড়িতে আসবার সময় কিছুটা দূরে রাস্তার মোড়ে যে চায়ের দোকানটা আছে, ওখানে চা খাবে। আমি ঠিক চারটের সময় পৌঁছে যাব।

    নাহিদ বলল, ঠিক আছে, তাই হবে। তারপর সালাম বিনিময় করে ফোন ছেড়ে দিল।

    নাহিদা তিনটে থেকে পৌনে চারটে পর্যন্ত ড্রেসিং টেবিলের সামনে বসে নিজেকে সাজাল। তারপর আন্টির কাছে গিয়ে বলল, আমি বাইরে যাচ্ছি। ফিরতে একটু দেরি হতে পারে।

    জোহরা বেগম দেওরের এই মেয়েটিকে আজও চিনতে পারেন নি। নিজের কোনো ছেলেমেয়ে হয় নি। তাই হয়তো নাহিদাকে মানুষ করলেও তার মন বুঝতে পারেন নি। ভাবেন, মেয়েটা বিলেতে মানুষ হয়েছে বলে হয়তো এর স্বভাব আলাদা। আজ তাকে সেজেগুজে বেরোতে দেখে বললেন, কোথায় যাবি? তোর আঙ্কেলকে গাড়ি পাঠাতে বলেছিস?

    নাহিদা বলল, না বলি নি, যার সঙ্গে বেড়াতে যাব তার গাড়ি আছে।

    : কার সঙ্গে বেড়াতে যাবি?

    ফিরে এসে বলব বলে নাহিদা সেখান থেকে চলে এল। বাড়ি থেকে বেরিয়ে রাস্তায় এসে একটা রিকশা নিয়ে চৌরাস্তার মোড়ে এল।

    রিকশা থেকে নেমেছে এমন সময় নাহিদের গাড়ি তার পাশে এসে থামল।

    নাহিদ খুব অবাক হয়ে মুগ্ধ দৃষ্টিতে তার দিকে তাকিয়ে রইল। সে আজ ঘিয়ে কালারের সালওয়ার কামিজ ও ওড়না পরেছে। ভাবল, আমার পছন্দের সঙ্গে ওর পছন্দের হুবহু মিল রয়েছে।

    নাহিদা ভাড়া মিটিয়ে দিয়ে নাহিদের দিকে চেয়ে তারও ঐ একই অবস্থা এবং সেও একই কথা ভাবল। কারণ নাহিদও আজ ঘিয়ে কালারের পাজামা পাঞ্জাবি পরে এসেছে। এগিয়ে এসে সালাম দিয়ে বলল, এভাবে আমার দিকে চেয়ে কী দেখছ?

    নাহিদ সালামের প্রতিউত্তর দিয়ে পাশের দরজা খুলে বসতে বলল।

    নাহিদা বসে দরজা বন্ধ করে বলল, কী দেখছিলেন বললে না যে?

    নাহিদ বলল, গতকাল ও আজ যা দেখলাম, তাতে খুব অবাক হচ্ছি আমার পছন্দের সঙ্গে তোমার মিল দেখে। তার চেয়ে আরও আশ্চর্য হচ্ছি, দু’জনে একই সঙ্গে একই কালারের পোশাক পরেছি বলে।

    নাহিদা মৃদু হেসে বলল, আমিও তাই ভেবে খুব অবাক হচ্ছি। কয়েক সেকেন্ড বিরতি দিয়ে আবার বলল, এটা হয়তো আল্লাহপাকের ইশারা। জ্ঞানমতো জানি যাদের মন-মানসিকতা একই ধরনের হয়, তারা ভবিষ্যৎ জীবনে সুখী হয়।

    : তুমি খুব খাঁটি কথা বলেছ। আল্লাহপাক যেন আমাদের ইহজীবন ও পরজীবন সুখের করেন, শন্তির করেন।

    নাহিদা বলল, আমিন।

    সুবহান আল্লাহ বলে নাহিদ বলল, এই কয়েক মাসে তুমি অনেক বদলে গেছ। তোমার শারীরিক ও মানসিক অবস্থার অনেক পরিবর্তন হয়েছে। তোমার পরিবর্তনে আমি যে কত আনন্দিত হয়েছি, তা আল্লাহপাক ছাড়া কেউ জানেন না।

    নাহিদা বলল, আমার এই পরিবর্তনের মূলে তুমি। আল্লাহপাক মেহেরবানী করে তোমাকে জানার ও তোমাকে ভালোবাসার সুযোগ করে আমাকে ধন্য করেছেন, সে জন্যে তাঁর পাক দরবারে জানাই অসংখ্যবার শুকরিয়া।

    ততক্ষণে তারা রাজবাড়িতে পৌঁছে গেল। গাড়ি থেকে নেমে দু’জনে ঘুরে ঘুরে রাজবাড়ি দেখতে লাগল। রাজবাড়ির সামনে বেশ অনেকখানি ফাঁকা জায়গা। সেখানে নানা রকম গাছ। হাঁটতে হাঁটতে তারা একটা বড় দেবদারু গাছের তলায় এসে বসল।

    নাহিদ পকেট থেকে নামায পড়ার কাপড় বের করে বলল, আমার অযু আছে, আসরের নামায পড়ব।

    নাহিদা বলল, আমারও অজু আছে। তোমার পড়া হয়ে গেলে আমিও পড়ব।

    নামায পড়ে গল্প করতে করতে নাহিদা জিজ্ঞেস করল, কাল রাতে ঘুম হয়েছিল?

    : না, তোমার?

    : আমারও হয় নি।

    : আজ হবে?

    : জানি না।

    : ঘুম না আসলে আজও ফোন করব।

    : আমি জেগে থাকব। তারপর জিজ্ঞেস করল, সিলেটে কি একা থাক?

    : দোকা যে নেই, তা তো তুমি জান?

    : তাহলে রান্নাবান্না করে কে?

    : কাদুর বাপ।

    নাহিদা হেসে উঠে বলল, কাদুর বাপ আবার কে?

    : একজন বুড়োমতো লোক। তার কাদু নামে এক ছেলে ছাড়া কেউ নেই। সেই ছেলে বিয়ে করে শ্বশুর বাড়িতে থাকে। বুড়োটা আমাদের ইন্ড্রাস্ট্রিতে বদলিতে কুলির কাজ করত। মাসের মধে বিশ-পঁচিশ দিন কাজ পেত না। তবে সারাদিন গেটের পাশে বসে থাকত। খুব কষ্টে দিন কাটাচ্ছিল। আমি জানতে পেরে নিজের কাজে লাগিয়েছি। পাহাড়ি এলাকার খুব সহজ সরল লোক। তবে খুব ভালো রান্না করে। আর ঘরদোর খুব পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখে। কোনো লম্বা ছুটিতে সিলেটে বেড়াতে এসো না। দাওয়াত দিয়ে একদিন কাদুর বাপের মজাদার রান্না খাওয়াব। সে সময় আমারও ছুটি থাকবে। তোমাকে নিয়ে পাহাড়ি গ্রাম ঘুরে বেড়াব, মাধবকুণ্ডে জলপ্রপাত দেখাতে নিয়ে যাব। জাফলংয়ে তুমি তো একবার গিয়েছ, আবার নিয়ে যাব। ওখানকার মনোমুগ্ধকর প্রাকৃতিক দৃশ্য দু’বার দেখেছি, তবু বার বার দেখতে ইচ্ছে করে।

    নাহিদা আনন্দে উল্লসিত হয়ে বলল, ইনশাআল্লাহ নিশ্চয় যাব। তবে….বলে চুপ করে মলিন মুখে নাহিদের দিকে চেয়ে রইল।

    তাই দেখে বিমর্ষ মুখে নাহিদ বলল, কি হলো তোমার?

    নাহিদা ম্লান মুখে বলল, এখন আমরা যা করছি এবং যা করার প্রোগ্রাম করলাম তা কি শরীয়ত সঙ্গত?

    নাহিদ ছোটবেলা থেকে মা-বাবাকে ধার্মিক জেনে এসেছে। বাবাকে ধার্মিক ও আদর্শবান শিক্ষক হিসেবে তার সুনামের কথাও জেনেছে। তারা নাহিদকে নিজেদের মতো করে গড়েছেন। অন্যান্য ছেলে-মেয়েদেরও সেইভাবে গড়ছেন। তাই নাহিদ কলেজ, ভার্সিটি ও ফরেন থেকে উচ্চ শিক্ষা নিয়ে এলেও ধর্মের পথ থেকে এতটুকু সরে যায় নি। মেয়েদের সঙ্গে প্রেম করা গোনাহ্ জেনে ঐ পথে পা বাড়ায় নি। মা-বাবা তার বিয়ে দেবার জন্য অনেক মেয়ে দেখেছেন, কিন্তু গোপনে তাদের বায়োডাটা জেনে সব নাচক করে দিয়েছে। ভেবে রেখেছে, মনের মতো যদি কোনো মেয়ে পাই, তাহলে বিয়ে করবে নচেৎ করবে না। সাহেবের বাসায় যখন নাহিদার সঙ্গে তার পরিচয় হয়, তখন নাহিদাকে দেখে নাহিদের ঘুমন্ত মন হঠাৎ জেগে উঠে তাকে বলে, ভালো করে দেখ, এই তোমার মানসী কিনা? সেজন্যে অপলক নয়নে নাহিদার দিকে চেয়ে ছিল। কিন্তু তার পরিচয় শুনে দৃষ্টি সরিয়ে নিয়ে মনকে শক্ত করে নেয়। তারপর জাফলং থেকে নাহিদাকে নিয়ে কক্সবাজার যাওয়া এবং সেখান থেকে ঢাকা আসা পর্যন্ত তাকে নিয়ে কিছুই ভাবে নি। ঢাকার হোটেলে তার আচরণের পরিবর্তন দেখে বেশ অবাক হলেও মনকে সংযত রাখে। কিন্তু দিনাজপুর যাবার পথে সেই দুর্যোগপূর্ণ রাতের পর নাহিদার মনের খবর পেয়ে নিজেকে সংযত রাখতে পারে নি। তখন থেকে ভেবেছে, বিয়ে যদি করতেই হয় তবে নাহিদাকেই করবে। তারপর তাকে যত জেনেছে তার প্রতি তত দুর্বল হয়ে পড়েছে। বিয়ের আগে এভাবে দু’জন যুবক-যুবতির মেলামেশা যে ইসলামের দৃষ্টিতে নিষিদ্ধ, সে কথা তার মনে হয় নি। এতদিন সে যেন একটা ঘোরের মধ্যে ছিল। এখন নাহিদার কথা শুনে সেই ঘোর কেটে গেল। কিছুক্ষণ চুপ করে থেকে বলল, তোমাকে কী বলে ধন্যবাদ জানাব ভাষা খুঁজে পাচ্ছি না। সবকিছু জেনেও আমি বিরাট ভুল করে চলছিলাম। আল্লাহ্পাকের লাখ লাখ শুকরিয়া, তিনি আমাকে তার এক নেক বান্দীর মারফত অন্যায় ধরিয়ে দিলেন। বিশ্বাস কর নাহিদা, আমি কোনোদিন কোনো মেয়েকে নিয়ে ভাবি নি। বিনা প্রয়োজনে কোনো মেয়ের মুখের দিকে চেয়েও দেখি নি। প্রথম পরিচয়ের সময় তোমাকে দেখে দুর্বলতা অনুভব করেলেও ধর্মীয় কারণে নিজেকে সংযত রেখেছি। তারপর যখন আমরা একে অপরের মনের খবর পেয়ে এগোতে লাগলাম তখন ধর্মীয় বিধি-নিষেধের কথা ভুলে যাই। এখন আমাদের কী করা উচিত তুমি বল।

    নাহিদা ছলছল চোখে বলল, আমি কী ছিলাম, তা আমি জানি। তোমার সঙ্গে পরিচয় হবার পর সাধারণ ছেলে ভেবে পাত্তা দিই নি। তোমাকে নিয়ে কখনো ভাবি নি। তোমাকে জানার পর ভালোবসে নিজেকে চিনেছি, আল্লাহকে ও রসুল (দঃ)-কে চিনেছি। আর আমি কী রত্ন লাভ করেছি, তা আমি ও আমার সৃষ্টিকর্তা জানেন। আমি মেয়ে, কী বুদ্ধি দেব? যা কিছু করার তোমাকে করতে হবে।

    : তোমার আঙ্কেলের সঙ্গে আমার আব্বার বন্ধুত্ব। আব্বা প্রস্তাব দিলে নিশ্চয় উনি মেনে নেবেন।

    : আমারও তাই মনে হয়। আঙ্কেল তোমার ও তোমার বাবার প্রশংসা আমার কাছে প্রায় করেন। তোমাকে নিয়ে আমার সঙ্গে ফাজলামিও করেন। তাছাড়া তোমার বস ও তার স্ত্রী, মানে আমার বড় খালা ও খালু তোমাকে অত্যন্ত ভালোবাসেন। ওঁরাও শুনে খুশি হবেন।

    আলহামদুলিল্লাহ বলে নাহিদ বলল, তাহলে চল, আজই তোমার আঙ্কেলকে প্রস্তাবটা দিয়ে দিই। আর সেই সঙ্গে তোমাকে সিলেটে বেড়াতে যাবার আমন্ত্রণ জানাচ্ছি। তেমন তেমন বুঝলে সেখানেই বিয়েটা সেরে ফেলব।

    নাহিদা বিয়ের কথা শুনে লজ্জা পেলেও হাসি চাপতে পারল না। হাসতে হাসতে বলল, তেমন তেমন কথাটার অর্থ বুঝতে পারলাম না।

    : এই বোকা, সামান্য কথাটা বুঝতে পারলে না? কথাটার অর্থ হলো-আমরা যদি একে অন্যকে ছেড়ে থাকতে না পারি অথবা শরীয়তের কথা ভেবে এক সঙ্গে বেড়াতে যেতে না পারি, তা ইমারজেন্সি হিসেবে গোপনে কাজী অফিসে বিয়ে করে ফেলব। তার ফলে গার্জেনরা আমাদের মেলামেশা দেখে বুঝতে পেরে তাড়াতাড়ি শুভস্য শিঘ্রমের ব্যবস্থা করবেন।

    নাহিদা আরও বেশি লজ্জা পেয়ে কিছুক্ষণ চুপ করে রইল। তারপর বলল, তুমি মুখে যা বললে, কাজে তা দেখাতে পারবে?

    : কেন পারব না? তুমি চাইলে এক্ষুনি কাজী অফিসে যেতে পারি।

    নাহিদা হাসতে হাসতে বলল, কোনো কাজ তাড়াতাড়ি করতে নেই। এটা হাদিসের কথা। সিলেটে গিয়ে তেমন তেমন বুঝলে দেখা যাবে।

    নাহিদও হেসে উঠে বলল, আল্লাহপাক যেন সে সময় তোমাকে তেমন তেমন বুঝবার ক্ষমতা দেন।

    এই কথায় দু’জনে আবার হেসে উঠল।

    এমন সময় একজোড়া যুবক-যুবতিকে গেট দিয়ে ঢুকতে দেখে নাহিদ বলল, দেখ দেখ, আমাদের মতো ওরাও রাজবাড়ি দেখতে এসেছে।

    নাহিদা তাদের দিকে একবার চেয়ে নিয়ে বলল, ওরা আমাদের অফিস স্টাফ। ছেলেটা ম্যানেজার, আর মেয়েটা আঙ্কেলের পি.এ.। চল এবার ফেরা যাক, নচেৎ বাড়িতে গিয়ে মাগরিবের নামায পড়তে পারব না। কাজা হয়ে যাবে।

    : আরও কিছুক্ষণ বস। এখানে নামায পড়ব। তারপর শহরের কোনো ভালো হোটেলে খেয়ে তোমাকে পৌঁছে দেব।

    : সন্ধ্যার পর এখানে থাকলে পুলিশ ধরে থানায় নিয়ে যাবে।

    : তা হলে তো ভালোই হবে। দারোগাকে বলব, আমরা স্বামী-স্ত্রী, দয়া করে আমাদেরকে এক কামরায় রাখবেন।

    নাহিদা হেসে উঠে বলল, আবার কিন্তু বোকার মতো কথা বলছ।

    : আরে বাবা, প্রেমে পড়লে চালাকরাও বোকা বনে যায়। দেখলে না, একটা টেক্সটাইল মিলের ম্যানেজার হয়ে সামান্য একটা পি.এ.র সঙ্গে প্রেম করে অভিসারে বেরিয়েছে।

    : হয়েছে হয়েছে, অত আর সাফাই গাইতে হবে না। ওদের কেসটা একটু অন্যরকম।

    : তাই নাকি? তাহলে কেসটা বর্ণনা কর।

    : কেসটার সঙ্গে আমিও কিন্তু জড়িত।

    : তাহলে তো কেসটা দারুণ ফ্যান্টাস্টিক, তাড়াতাড়ি বল।

    নাহিদা হেসে উঠে বলল, শুনলে তোমার জেলাস হবে।

    : আমাকে অত ছোট ভাবলে দুঃখ পাব।

    : সরি, এমনি কথা প্রসঙ্গে বলেছি, তুমি দুঃখ পাবে জানলে বলতাম না। তবু ক্ষমা চাইছি।

    : ক্ষমা চাওয়ার মতো অপরাধ তুমি কর নি। এবার বল।

    : ম্যানেজারের অফিসিয়াল রেকর্ড খুব ভালো। আমিও তার কোনো দোষ দেখি নি। কয়েক মাস আগে তার স্ত্রী মারা গেছে। আমি অফিসে জয়েন করার পর আমার দিকে এগোবার চেষ্টা করেন। বুঝতে পেরে একদিন আমি ভদ্রভাবে কিছু কথাবার্তা বলে দু’জনের মাঝখানে প্রাচীর তুলে দুই। তারপর থেকে আঙ্কেলের পি, এর পিছনে লেগেছেন। আঙ্কেল বলেছিল, ওদের বিয়ে নাকি খুব শিগগির হবে।

    নাহিদ একটা মেকী দীর্ঘনিশ্বাস ফেলে বলল, সবার সব কিছু তাড়াতাড়ি হচ্ছে, শুধু আমার বেলায় ব্যতিক্রম।

    নাহিদা তার চালাকি বুঝতে পেরে হেসে উঠে বলল, সবরের গাছ খুব তিতা হলেও ফল বড় মিষ্টি।

    : কথাটা আমিও জানি। তুমি সবর করতে পারলে, আমি পারব না কেন? এখন বল, সিলেটে কবে আসছ?

    : চিঠি দিয়ে জানাব।

    : একটু তাড়াতাড়ি দিও।

    হঠাৎ নাহিদার শর্মিলার কথা মনে পড়ল। বলল, তুমি শর্মিলা নামে কোনো মেয়েকে চেন নাকি? অত্যন্ত সুন্দরী ও লাস্যময়ী মেয়ে। ওকে একবার দেখলে কেউ ভুলতে পারবে না। ময়মনসিংহের মেয়ে। এখন রাজশাহীতে চাকরি করছে। কথাটা বলে তার মুখের দিকে নাহিদা তাকিয়ে রইল, কোনো ভাবান্তর হয় কিনা দেখার জন্য। তা হল না দেখে খুশি হল।

    নাহিদ অল্পক্ষণ চিন্তা করে বলল, তুমি ছাড়া নাম মনে রাখার মতো এমন কোনো সুন্দরী মেয়ের সঙ্গে আমার পরিচয় নেই। তবে তোমার কথা শুনে একটা মেয়ের কথা একটু একটু যেন মনে পড়ছে। আমার বন্ধুর বোন। নাম মনে নেই। একবার কী একটা কাজে ময়মনসিংহ গিয়েছিলাম। সে সময় বন্ধুর বাড়িতে একদিন-একরাত ছিলাম। বন্ধুই তার বোনের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেয়। মেয়েটা দেখতে ভালোই। তবে তুমি যতটা সুন্দরী বললে, ততটা নয়। কী জানি, আমার হয়তো তেমন সৌন্দর্যবোধ নেই।

    নাহিদা বলল, সৌন্দর্যবোধ সবারই আছে। তবে তার প্রকারভেদ থাকতে পারে। আমি যে শর্মিলার কথা বলছি, তার সাথে আমার লন্ডনে পরিচয়। আমরা অক্সফোর্ডের ছাত্রী ছিলাম। কয়েক মাস আগে ফিরেছে। তার সাথে হঠাৎ একদিন দেখা। কথায় কথায় এক সময় তোমার দুটো ফটো দেখিয়ে বলল, একে সে ভীষণ ভালোবাসে। তার কথা শুনে মনে হলো, তোমার জন্যে সে প্রাণও দিতে পারে। সে সময় বলেছিল, ছুটি নিয়ে সিলেটে তোমার সঙ্গে দেখা করতে যাবে। তারপর মাসখানেক আগেও চিঠি দিয়ে সেকথা জানিয়েছিল। গিয়েছিল না কি?

    কথাটা বলে ফেলে নাহিদা বুঝতে পারল, কথাটা বলা ঠিক হয় নি। নাহিদ নিশ্চয় তাকে মীনমাইন্ডেড মনে করছে।

    নাহিদ অবাক কণ্ঠে বলল, স্ট্রেঞ্জ! তারপর কিছুক্ষণ চুপ করে থেকে বলল, তুমি বিশ্বাস কর আর নাই কর, আমি কিন্তু তার কথা এই প্রথম তোমার কাছে শুনলাম। তাদের বাড়িতে ফর্মাল আলাপ ছাড়া কোনো আলাপই হয় নি। ফটো দু’টো হয়তো তার ভাইয়ার কাছ থেকে পেয়েছে। কিছুদিন আগে অফিসে একটা মেয়ে কয়েকবার ফোন করে আমার খোঁজ করেছিল। আমি তখন কয়েকদিন সিলেটের বাইরে ছিলাম। ফিরে এসে সে খবর জানতে পারি। এখন মনে হচ্ছে, ঐ মেয়েটাই তাহলে ফোন করেছিল। টেবিলে যে মেসেজটা লেখা ছিল, তাতে মেয়েটার বাড়ি ময়মনসিংহ ছিল।

    নাহিদা ভাবল, শর্মিলার কথাটা না তুললেই ভালো হতো। প্রসঙ্গটা এড়াবার জন্য বলল, সত্যিই কি এখানে নামায পড়বে, না এবার উঠবে?

    : তুমি যখন পুলিশের ভয় দেখাচ্ছে তখন চলে যাওয়াই ভালো। নচেৎ সত্যিসত্যি যদি হাজতে যেতে হয়, তাহলে কেলেঙ্কারীর শেষ থাকবে না। এই কথা বলে উঠে দাঁড়াল। তারপর তাকে তাদের বাড়ির গেটের অনতিদূরে নামিয়ে দিয়ে ফিরে গেল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅমর প্রেম – কাসেম বিন আবুবাকার
    Next Article অবাঞ্ছিত উইল – কাসেম বিন আবুবাকার

    Related Articles

    কাসেম বিন আবুবাকার

    ক্রন্দসী প্রিয়া – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    জানি তুমি আসবে – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    কি পেলাম – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    কালোমেয়ে – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    একদিন অপরাহ্নে – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    কে ডাকে তোমায় – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Our Picks

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026

    কালীগুণীন ও চতুরঙ্গের ফাঁদ – সৌমিক দে

    March 24, 2026

    কপিলাবস্তুর কলস – প্রীতম বসু

    March 23, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }