Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কামিনী কাঞ্চন – কাসেম বিন আবুবাকার

    কাসেম বিন আবুবাকার এক পাতা গল্প124 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কামিনী কাঞ্চন – ৬

    ৬

    নাহিদ পরের দিন মাগরিবের নামাযের পর নাহিদাদের বাড়ি রওয়ানা দিল। আবুল হোসেন সাহেব বিকেলে বেরিয়ে গেছেন। এখনও ফিরেন নি।

    আজ নাহিদা নিজেই রান্না করেছে। ফুল আনিয়ে ড্রইংরুম, ডাইনিংরুম ও বারান্দা সাজিয়েছে। সব কাজ সেরে গোসল করে মাগরিবের নামায পড়ল। তারপর হালকা আকাশি কালারের সালওয়ার, কামিজ ও সাদা ওড়না গায়ে দিল। মাথাটা কালো রুমাল দিয়ে চুলসহ বাঁধল। উত্তর বাংলায় শীত একটু আগে নামে। গোসল করার ফলে নাহিদার শীত লাগাতে ওড়না রেখে শাল গায়ে জড়িয়ে বারান্দায় এসে রেলিং ধরে নাহিদের আসার অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে রইল। সন্ধ্যার পর থেকে ছাদের কার্নিসের নিচে একটা ফ্লাড লাইট সারারাত জ্বলে। তার আলোতে বাড়ির সামনের অংশটা দিনের মতো আলো হয়ে থাকে। গেট থেকে নাহিদের গাড়ি ঢুকতে দেখে তাড়াতাড়ি করে নিচে নেমে এল।

    সে আসার আগে বাড়ির চাকর আজাদ দরজা খুলে দিয়েছে। নাহিদ ঢুকে নাহিদাকে দেখে সালাম দিল।

    নাহিদা সালামের উত্তর দিয়ে বলল, উপরে চলুন।

    নাহিদ তার পিছনে যেতে যেতে বলল, এই, আপনি করে বলছ কেন?

    : এ বাড়িতে যতক্ষণ থাকবেন ততক্ষণ আমরা আপনি সম্বোধনে কথা বলব। আঙ্কেল ও আন্টির সামনে তুমি করে বলতে আমার ভীষণ লজ্জা করবে। তাছাড়া আঙ্কেল হয়তো তোমার সামনেই এমন ইয়ার্কি করবে, যা আমি সহ্য করতে পারব না।

    নাহিদ বলল, তোমার আঙ্কেল ও আন্টির সামনে আপনি করে বললেও অন্য সময় কিন্তু তুমি করেই বলব।

    উপরে এসে নাহিদা বলল, কোথায় বসবে, ঘরে না বারান্দায়?

    : বারান্দায়।

    : শীত করবে তো?

    : তেমন শীত পড়ে নি।

    নাহিদা বারান্দায় এসে নাহিদকে বসতে বলে চীক ফেলে দিয়ে তার সামনের সোফায় বসল। তারপর জিজ্ঞেস করল, এখন কী খাবে বল।

    : তুমি যা খাওয়াবে।

    : একটু বস আমি অন্টিকে খবরটা দিয়ে নাস্তা নিয়ে আসছি। আঙ্কেল এখনও ফিরে নি।

    নাহিদা যাবার কয়েক মিনিট পরে জোহরা বেগম এলেন।

    নাহিদ দাঁড়িয়ে সালাম দিয়ে কদমবুসি করে বলল, কেমন আছেন চাচি আম্মী।

    জোহরা বেগম সালামের উত্তর দিয়ে বললেন, থাক বাবা থাক, বস। আল্লাহ তোমাকে সুখী করুক। আমি একবার মাত্র তোমাকে দেখেছিলাম। তোমার চাচা একবার তোমাদের বাড়িতে আমাকে নিয়ে বেড়াতে গিয়েছিলেন। সে সময় তুমি বেশ ছোট ছিলে। উনি পরে তোমাকে আরও দু’একবার দেখেছেন। তোমাদের কথা প্রায় বলেন। তোমার মা-বাবা কেমন আছেন?

    নাহিদ বলল, মাসখানেক আগে বাড়ি গিয়েছিলাম, তখন ভালো দেখে এসেছিলাম। সিলেট যাবার পথে বাড়ি হয়ে যাব ভেবেছি। চাচা কোথায় গেছেন?

    : উনি বিকেলে বেরিয়েছেন, এবার এসে পড়বে। তুমি বস, আমি নাহিদার হাতে নাস্তা পাঠিয়ে দিচ্ছি।

    জোহরা বেগম চলে যাবার দুতিন মিনিট পর নাহিদা একজন কাজের মেয়ের সঙ্গে নাস্তা নিয়ে এল।

    নাহিদ দেখল, লুচি, মুরগির ঝোল, পাঁচমিশালি ভাজি, হালুয়া ও দুতিন পদের মিষ্টি এবং কয়েক পদের ফল। কাজের মেয়েটা চলে যেতে বলল, আরও কয়েকজন মেহমান আসবেন নিশ্চয়?

    নাহিদা বলল, না।

    : তাহলে বাড়ির সবাই নিশ্চয় খাবেন?

    : তাও না। শুধু তুমি।

    : আচ্ছা, তুমি আমাকে কী মনে কর?

    : কেন একজন শক্তিশালী ও সামর্থবান ইয়াংম্যান, যিনি জুডো, ক্যারাট, ফুটবল ও সাঁতারে পারদর্শী।

    : এসব খবর জানলে কেমন করে?

    : যেভাবেই জানি না কেন, মিথ্যা তো আর বলি নি।

    : তাই বলে পাঁচ-ছয় জনের খাবার একা খাব ভাবলে কী করে?

    নাহিদা মৃদু হেসে বলল, সব খাবার খেতে হবে বলেছি নাকি? যতটা পার খাবে।

    এমন সময় আবুল হোসেন সাহেব সেখানে এসে বললেন, কী হে ইয়াংম্যান, তাহলে সত্যি সত্যি বাবার বন্ধুর বাড়িতে এলে?

    নাহিদ সালাম দিয়ে কদমবুসি করতে এলে বললেন, আমার মতো লোককে সালাম করলে নেকি হবে না, বস। তারপর তোমার মা-বাবার খবর কী? নিয়াজকে কতবার চিঠি লিখে জানালাম, সবাইকে নিয়ে কয়েকদিন বেড়িয়ে যেতে। বেড়াতে আসা তো দূরের কথা, একটা চিঠিরও উত্তর দিল না।

    নাহিদ বলল, আব্বা স্কুলের হেডমাস্টার। স্কুল নিয়েই সব সময় মেতে থাকেন। উনি মনে করেন, গ্রাম ছেড়ে অন্য কোথাও গেলে স্কুলের ক্ষতি হবে। তবে গত মাসে যখন বাড়ি গিয়েছিলাম তখন আমাকে বললেন, খুব শিগগিরই আপনার সঙ্গে দেখা করতে আসবেন।

    আবুল হোসেন সাহেব বললেন, তোমার বাবার কথা আমার জানা আছে। দেখছ না, তার খুব শিগগির এক মাস পর হয়ে গেছে। এক বছর পার হলেও অবাক হব না। এখন তার কথা থাক। দেখছি ইয়াং গার্ল নাস্তা পরিবেশন করে রেখেছে। তারপর নাহিদার দিকে চেয়ে বললেন, কিরে আমি এখানে খাব, না ভিতরে খাব?

    নাহিদা মিষ্টি ধমকের সুরে বলল, আঙ্কেল, বাঁচালরাই কিন্তু বেশি কথা বলে। কথা না বাড়িয়ে খেতে বস।

    : শুনলে হে ইয়াংম্যান, তোমার সামনেই বাপের বড় ভাইকে বাঁচাল বলছে। বিদেশে লেখাপড়া করে মেয়েটা একদম ভেঁপো হয়ে গেছে। তারপর খেতে বসে নাহিদাকে উদ্দেশ করে বললেন, দাঁড়া, আমার এই বন্ধুর ছেলেটাকে দিয়ে তোকে শায়েস্তা করতে হবে।

    নাহিদার কণ্ঠে আবার মিষ্টি ধমকের সুর বেজে উঠল, দাঁড়াও আন্টিকে ডেকে নিয়ে আসি। সে ছাড়া কেউ তোমার মুখে লাগাম পরাতে পারবে না। এই কথা বলে ডেকে আনার ভান করে দরজার বাইরে এসে পর্দার আড়ালে কান খাড়া করে দাঁড়িয়ে রইল, তার অনুপস্থিতিতে আঙ্কেল নাহিদকে কী বলে শোনার জন্য।

    আবুল হোসেন সাহেব নাহিদকে জিজ্ঞেস করলেন, তোমার নামটা যেন কী?

    : নাহিদ।

    হেসে উঠে আবুল হোসেন সাহেব বললেন, নাহিদ আর নাহিদা, খুব মজার ব্যাপার তাই না?

    নাহিদ ওঁর মনোভাব বুঝতে পেরে খুব লজ্জা পেল। মাথা নিচু করে খেতে লাগল।

    : কী হে ছোকরা কিছু বলছ না কেন? এত লজ্জাই বা পাচ্ছ কেন? নাহ, তোমাকে দিয়ে কিছু হবে না। তারপর দরজার দিকে একবার তাকিয়ে নিয়ে বললেন, আমি তোমাদের দুজনের ইয়ে-টিয়ে জেনে মনে করেছিলাম, তোমরা বেশ খানিকটা এগিয়েছ, কিন্তু সে রকম কিছু বুঝতে টুঝতে পারছি না।

    নাহিদ লজ্জা ঢাকা দেবার জন্য বলল, আপনি কী সব বলছেন, বুঝতে পারছি না।

    : নাহ্, সত্যিই তুমি একটা হোপ্লেস মার্কা ছেলে। আরে বাবা, আমি তোমার বাবার মতো গাধা চরিয়ে গরু হই নি। এই কথার মানেও বোধহয় বুঝতে পার নি? আমি বুঝিয়ে দিচ্ছি শোন, স্কুলের ছাত্ররা হলো গাধা, আর সেই গাধাদেরকে যারা মানুষ করতে করতে বারো বছর পার করে দেয় তারা গরু হয়ে যায়। তারপর নিজের কথায় নিজেই হেসে উঠে বললেন, আমি মানুষ চরিয়ে বুড়ো হয়েছি। কারো চোখ-মুখের দিকে তাকালে তার মনের খবর বুঝতে পারি। আমার ভাইঝি একটু রাগি হলে কী হবে, এতদিন ধর্মীয় গুণ ছাড়া সর্বগুণে গুণান্বিতা ছিল। মনে হচ্ছে ইদানিং তোমার পাল্লায় পড়ে সেই গুণও অর্জন করতে শুরু করেছে। খুব তেজী মেয়ে। পোষ মানাতে একটু সময় লাগবে। তুমি নিয়াজের ছেলে, পোষ মানাতে যে পারবে সে বিশ্বাস আমার আছে। একটা কথা মনে রেখ হে ছোকরা, তেজী ঘোড়াকে পোষ মানান যেমন পৌরুষ, তেমনি আনন্দও কম না।

    নাহিদা পর্দার আড়ালে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে আঙ্কেলের কথা শুনে যেমন রেগে যাচ্ছিল, তেমনি আনন্দও পাচ্ছিল। আন্টিকে আসতে দেখে ফিরে এসে একটা চেয়ারে বসল।

    আবুল হোসেন সাহেব তার দিকে একবার চেয়ে নিয়ে বললেন, মেহমানকে খেতে দিয়ে চলে যাওয়া খুব অভদ্রতা। এতদিন ফরেনে থেকে এলি, অথচ এই সাধারণ ভদ্রতা জ্ঞানটুকুও শিখিস নি।

    জোহরা বেগম এসে স্বামীর কথা শুনতে পেয়ে তাকে উদ্দেশ করে বললেন, তুমি কী বল তো? বন্ধুর ছেলের সামনে ওকে বকাঝকা করছ?

    : করবো না মানে, একশোবার করব। কেউ অন্যায় করলে তাকে প্রশ্রয় দেওয়া মানে অপরাধীকে প্রশয় দেওয়া। ততক্ষণে খাওয়া শেষ হয়েছে, হাতমুখ ধুয়ে বললেন, চা দাও।

    জোহরা বেগম বললেন, সারাজীবন আমাকে লেকচার শুনিয়ে পোষাল না, এবার ওকে দিতে শুরু করেছ। লেকচার বন্ধ করে ঘরে যাও, আমি চা নিয়ে আসছি।

    আবুল হোসেন সাহেব নাহিদকে উদ্দেশ করে বললেন, শুনলে বাবা তোমার চাচির কথা? ঠিক আছে, আমি যাচ্ছি, তবে তোমাকে যা বললাম মনে রেখ, তারপর তিনি চলে গেলেন।

    জোহরা বেগম স্বামীর জন্য এক কাপ চা তৈরি করে নিয়ে চলে গেলেন।

    ওঁরা চলে যাওয়ার পর নাহিদা বলল, আঙ্কেলকে কেমন মনে হলো?

    : যা শুনেছিলাম তার চেয়ে বেশি দেখলাম। উনি যা বললেন, তাতে লাইন যে অল ক্লিয়ার, তা স্পষ্ট।

    : এবার তাহলে কী করবে?

    : তুমি বললে, এক্ষুনি প্রস্তাবটা দিতে পারি।

    : লজ্জা করবে না?

    : করত, যদি তোমার আঙ্কেলের সঙ্গে আলাপ না হতো। কী বলব নাকি?

    নাহিদা লজ্জিত স্বরে বলল, কাল বললাম না সিলেটে যাবার পর যা করবার করবে?

    : এরপর তোমাকে না দেখে বেশিদিন থাকতে পারব না, তাড়াতাড়ি যাবার চেষ্টা করবে।

    : থাকতে না পারলে চলে আসবে।

    : তুমি তো বলেই খালাস, আমি চাকরি করি না।

    : তাহলে ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করবে।

    : আচ্ছা, আমাকে না দেখে তুমি থাকতে পারবে?

    : না।

    : তাহলে আমাকে বললে যে?

    : তোমার মতো আমিও চাকরি করি, তাই।

    : তুমি দেখছি সাংঘাতিক মেয়ে। তোমার আঙ্কেলের কথাই ঠিক, তোমাকে পোষ মানাতে বেশ বেগ পেতে হবে।

    নাহিদা বড় বড় চোখ বের করে বলল, কী বললে?

    : আঙ্কেল তো তাই বললেন। আরও অনেক কিছু বলেছেন, শুনবে নাকি?

    : এবার হেসে ফেলে বলল, আমি সব পর্দার আড়াল থেকে শুনেছি।

    : তাহলে বাধা দিচ্ছ কেন? দু’একদিনের মধ্যে বিয়ে করে নিয়েই যেতে পারি?

    : এটা তুমি চাইলেও আমি চাই না।

    : কেন?

    : ভীষণ লজ্জা পাবে।

    : লজ্জা তো নারীর ভূষণ। হাদিসে আছে, “লজ্জা ঈমানের অর্ধেক।” হাদিসে আরও আছে “যার লজ্জা নেই, তার ঈমানও নেই।”

    : তবে এখন কিছু বলতে পারছি না।

    : ঠিক আছে, যখন বলবে তখন করব।

    : রাগ করলে?

    : না, বরং খুশি হয়েছি।

    : শুনে আমিও খুশি হলাম। তারপর ঘড়ির দিকে চেয়ে বলল, সাড়ে নটা বাজে। এবার ভাত খেলে হতো না?

    : হ্যাঁ খাব।

    সবাই এক সঙ্গে খেতে বসেছে। নাহিদা নাহিদের পাতে এটা সেটা তুলে দিচ্ছে।

    জোহরা বেগম দেখেও দেখছেন না। কিন্তু আবুল হোসেন সাহেব এক সময় ভাইঝিকে বললেন, কী ব্যাপার? এখানে কি শুধু মেহমানই আছে? বুড়ো আঙ্কেলের দিকে চোখ পড়ছে না বুঝি? তারপর নাহিদকে উদ্দেশ করে বললেন, তোমার পছন্দ খুব ভালো। আমার ভাইঝির মতো মেয়ে আর পাবে না। তবে তার একটাই দোষ….

    আঙ্কেলকে কথাটা শেষ করতে না দিয়ে নাহিদা মেকী রাগ দেখিয়ে আন্টিকে বলল, তুমি আঙ্কেলকে কিছু বলবে, না আমি চলে যাব?

    জোহরা বেগম স্বামীর কাছ থেকে তাদের সম্পর্কে অনেক কিছুই শুনেছেন। নাহিদকে ওঁরও খুব পছন্দ। স্বামীর কথা শুনে মনে মনে খুব হাসছিলেন। নাহিদার কথা শুনে কপট রাগের সঙ্গে স্বামীকে বললেন, তোমার কি কাণ্ডজ্ঞান কোনোদিন হবে না?

    আবুল হোসেন সাহেব বললেন, তা নাই হোক, তবু ওকে আজ বলতে হবে কেন ও এতদিন আমাকে বলে এল বিয়ে করবে না? স্বীকার করলাম, নাহিদের সঙ্গে পরিচয় হয়ে না হয় ওর মত পাল্টেছে। সে কথা আমাকে না জানিয়ে ওর সঙ্গে ডুবে ডুবে পানি খাচ্ছে কেন? এটাই বুঝি ওর বুদ্ধিমত্তার পরিচয়?

    তারপর নাহিদের দিকে তাকিয়ে বললেন, এই যে মিস্টার নাহিদ, তোমারও অনেক কিছু জানি, সে সব আর বললাম না। এখন ভালো ছেলের মতো বল দেখি, এই ভেঁপো মেয়েটাকে বিয়ে করে শায়েস্তা করতে পারবে, আমার মতো সারাজীবন বউয়ের কথায় উঠবে আর বসবে? খুব সাবধান, বউয়ের কথা শুনেছ কি মরেছ; ওদেরকে একদম লাই দিবে না, ওরা হল বানরের জাত। বানরকে আদর করে কাঁধে নিলে আর নামতে চায় না। তেমনি বউকে লাই দিলে সে আর তোমার কথামতো চলবে না। বরং সেই তোমাকে তার কথা মতো চালাবে। তবে আমার মনে হয়, তুমি ওকে শায়েস্তা করতে পারবে। তোমার সাথে আলাপ হবার পর থেকে ওর অনেক পরিবর্তন হয়েছে। বিয়ের পরও যদি একটু শক্ত থাক, তাহলে বাকিটুকুও হয়ে যাবে।

    ওঁর কথা শুনে সবারই খাওয়া বন্ধ হয়ে গেছে, তা লক্ষ করে হাত মুখ ধুয়ে চলে যেতে যেতে বললেন, খেয়ে আর দরকার নেই বাবা; কাণ্ডজ্ঞানহীনের মতো

    কী সব বলে ফেললাম। ভেঁপো মেয়েটা আবার কী করতে কী করে বসে?

    এরপর জোহরা বেগম সেখানে থাকতে পারলেন না। তিনিও হাত মুখ ধুয়ে স্বামীর পথ ধরলেন।

    ওরা দু’জন পরস্পরের মুখের দিকে হাঁ করে চেয়ে রইল।

    আঙ্কেলের উপর রাগে ও অভিমানে নাহিদার চোখ দুটো পানিতে ভরে উঠল।

    তাই দেখে নাহিদ নরম সুরে বলল, আঙ্কেলের উপর খুব রাগ হয়েছে না? আমার কথা শোন, ওঁর কোনো ছেলেমেয়ে নেই। আর উনি খুব সহজ সরল মানুষ। সেজন্য বন্ধু-বান্ধবও তেমন নেই। তোমাকে ও আন্টিকে নিয়ে তার জীবন। তাই তিনি স্ত্রী ও ভাইঝিকে বন্ধু-বান্ধবী মনে করে সেই রকম ইয়ার্কি ফাজলামি করেন। আমার মনে হয়, উনি বোধহয় নিজের জীবনের চেয়ে তোমাকে বেশি ভালোবাসেন, স্নেহ করেন। তোমার ভবিষ্যতের ভালোমন্দ নিয়ে ভীষণ চিন্তা করেন।

    নাহিদা চোখ মুছে বলল, তা আমি জানি নাহিদ। কিন্তু কথাগুলো খাওয়ার পরেও বলতে পারত। সারাদিন কত পরিশ্রম করে নিজের হাতে রান্না করলাম তা কারো ভালোমতো খাওয়া হলো না। জান, আঙ্কেল আমার হাতের রান্না খুব ভালোবাসে। যেদিন আমি রান্না করব, সেদিন খেতে বসে মুখে দিয়ে আন্টিকে। বলবে, তুমি তো সারাজীবন আধপেটা খাইয়ে রেখেছ। এই ভেঁপো মেয়েটা যেদিন রাধে সেদিন তবু পেট পুরে খেতে পাই। আমি তখন বলি, ছি আঙ্কেল, অমন করে বলতে নেই, আন্টির মনে কষ্ট হবে। শুনে আঙ্কেল হো হো করে হেসে উঠে বলে, নারে পাগলি না। আমি যে ইয়ার্কি করছি তা তোর আন্টি জানে। তবে এটা ঠিক, তার চেয়ে তোর রান্নার হাত ভালো। দেখিস নি যেদিন তুই রাধিস, সেদিন বেশি খেয়ে হাইফাই করি। এমন অ্যাকটিং করে বলবে, যা শুনে আমি আর আন্টি হাসি চেপে রাখতে পারি না।

    নাহিদ বলল, সত্যিই তোমার আঙ্কেলের মতো মানুষ হয় না। তারপর বলল, ওঁরা না খেলেও আমি খেয়ে পুষিয়ে দেব। কাদুর বাপের রান্না খেতে আর ভালো লাগে না।

    কথাটা শুনে নাহিদার মন ব্যথায় ভরে গেল। ভাবল, বেচারা কতদিন মেয়েদের হাতের রান্না খায় নি। বলল, আমার আর খেতে ইচ্ছে করছে না। তুমি ধীরে ধীরে খাও। দেখে আমি তৃপ্ত হই।

    রাত প্রায় এগারোটার সময় নাহিদ তাদের কাছ থেকে বিদায় নিয়ে বাসায় ফিরল। আসবার সময় নাহিদাকে বলে এসেছে, কাল চলে যাচ্ছি। তুমি কিন্তু তাড়াতাড়ি যাবার চেষ্টা করবে। তারপর একা ভিজিটিং কার্ড দিয়ে বলল, চিঠি ও ফোনের অপেক্ষায় থাকব।

    নাহিদা জিজ্ঞেস করেছিল, প্রথমে কোথায় উঠবে?

    : কেন? তোমার খালার বাসায়। আর যদি বুকের পাটা থাকে, তাহলে আমার বাসায় উঠতে পার।

    : পারব না কেন? তুমি কি বাঘ ভালুক যে, আমাকে খেয়ে ফেলবে।

    : তার চেয়েও ভয়ংকর।

    নাহিদা হেসে উঠে বলল, ঠিক আছে দেখা যাবে।

    তাই দেখ-বলে নাহিদ সালাম বিনিময় করে চলে এসেছে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅমর প্রেম – কাসেম বিন আবুবাকার
    Next Article অবাঞ্ছিত উইল – কাসেম বিন আবুবাকার

    Related Articles

    কাসেম বিন আবুবাকার

    ক্রন্দসী প্রিয়া – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    জানি তুমি আসবে – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    কি পেলাম – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    কালোমেয়ে – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    একদিন অপরাহ্নে – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    কে ডাকে তোমায় – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }