Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কামিনী কাঞ্চন – কাসেম বিন আবুবাকার

    কাসেম বিন আবুবাকার এক পাতা গল্প124 Mins Read0
    ⤶

    কামিনী কাঞ্চন – ৮

    ৮

    আবুল হোসেন সাহেবের ড্রাইভার নাহিদাকে গাড়িতে করে সৈয়দপুর বিমানবন্দরে নিয়ে এসে চারটের ফ্লাইটে তুলে দিয়ে গেল। নাহিদা ঢাকায় পৌঁছে হোটেল অ্যাম্বাসাডারে রাত কাটাল। পরের দিন তিনটের ফ্লাইটে সিলেট রওয়ানা দিল।

    প্লেন যখন ওসমানি বিমানবন্দরে নামার জন্য সিগন্যালের অপেক্ষায় সিলেটের আকাশে ঘুরপাক খাচ্ছিল, তখন সাগরের ঢেউয়ের মতো নাহিদার মনে আনন্দ আছড়ে পড়তে লাগল। সে জানালার পাশে বসেছিল। এয়ারপোর্টের আশপাশের পাহাড়, রাস্তা-ঘাট, বাড়ি-গাড়ি দেখতে পেল। এক সময় ঝাঁকি দিয়ে প্লেনের পেটের তলা থেকে চাকা দুটো বেরিয়ে এল। প্লেন ল্যান্ড করতে শুরু করলে এয়ারপোর্টের নিচের সবকিছু নাহিদা দেখতে পেল। এক সময় প্লেনটা মাটি ছুঁয়ে রান করে এসে নির্দিষ্ট জায়গায় দাঁড়িয়ে পড়ল। সিঁড়ি লাগাবার পর নাহিদা কাঁধে এয়ার ব্যাগ ঝুলিয়ে প্লেন থেকে নেমে লাউঞ্জে এসে ঢুকল।

    এখন পাবলিককে এয়ারপোর্টে ঢুকতে দেওয়া হয় না। প্যাসেঞ্জারদের যাতায়াত করার জন্য বেশ কয়েকটা গেট আছে। সেখানে অনেকের আত্মীয়স্বজনের ভিড়। প্যাসেঞ্জারদের কেউ কেউ তাদের সঙ্গে কথা বলছে। নাহিদা গেটগুলোর দিকে তাকিয়ে নাহিদকে খুঁজল; কিন্তু পেল না। ভাবল, ফোন করলাম তবু এল না কেন? তাহলে কি তার কোনো অসুখ করেছে? কথাটা মনে হতে নাহিদার মন খারাপ হয়ে গেল। বিদেশ বিভুয়ে বেচারা কত কষ্ট পাচ্ছে। যদি সত্যিই তাই হয়, তাহলে মন প্রাণ উজাড় করে সেবা করবে। সুস্থতার জন্য আল্লাহর কাছে কেঁদে কেঁদে দোয়া চাইবে।

    অনেকক্ষণ বসে থাকার পর মালপত্র প্লেন থেকে এল। চেক হবার পর নাহিদা সুটকেস নিয়ে বেরিয়েছে এমন সময় নাহিদকে আসতে দেখল। নাহিদ আজ আকাশি রঙের টেট্রনের পাজামা-পাঞ্জাবি পরেছে। পাঞ্জাবির দুটো বোতাম খোলা থাকায় বুকের পশম দেখা যাচ্ছে। এতদিন পরে নাহিদকে দেখে নাহিদার মনে আনন্দের জোয়ার বইতে লাগল। পরক্ষণে তার পাশে শর্মিলাকে দেখতে পেয়ে নাহিদা এমনভাবে চমকে উঠল যেন একটা গোখরা সাপ ছোবল দেবার জন্য তার দিকে এগিয়ে আসছে। ভাবল, লাউঞ্জে ঢুকে গা ঢাকা দিবে এবং পরের ফ্লাইটে ফিরে যাবে। কিন্তু তা সম্ভব হল না। ততক্ষণে তারা নাহিদাকে দেখতে পেয়েছে। নাহিদা ঘাড় ঘুরিয়ে অন্যদিকে চেয়ে রইল।

    অল্পক্ষণের মধ্যে নহিদ ও শর্মিলা তার কাছে এসে পৌঁছাল। নাহিদ কিছু বলার আগে শর্মিলা নাহিদার একটা হাত ধরে সালাম দিয়ে বলল, কিরে আমাদের দেখতে পেয়েও তুই অন্যদিকে চেয়ে রয়েছিস কেন?

    নাহিদা কঠোরভাবে নিজেকে সামলাল। চিন্তা করল, শর্মিলার কাছে কিছুতেই ছোট হওয়া চলবে না। তার দিকে তাকিয়ে সালামের উত্তর দিয়ে বলল, তুই কবে এলি?

    : পরশু। তারপর নাহিদকে বলল, ভাইয়া তুমি ওর সুটকেসটা নাও।

    নাহিদ সালাম দিয়ে নাহিদার হাত থেকে সুটকেসটা নেয়ার সময় বলল, কেমন আছ, বাড়ির সবাই ভালো?

    নাহিদা সলামের উত্তর দিয়ে কয়েক সেকেন্ড তার মুখের দিকে চেয়ে মনের খবর জানার চেষ্টা করল; কিন্তু সফল হলো না। বলল, হ্যাঁ সবাই ভালো। তুমি কেমন আছ?

    : আল্লাহ পাকের রহমতে ভালো আছি। তারপর এস বলে গাড়ির দিকে এগোল।

    নাহিদ সুটসেকটা গাড়ির পিছনের বুটে রেখে ড্রাইভিং সিটে বসল। তারপর পাশের ও পিছনের দরজা খুলে দিল।

    শর্মিলা আগে পিছনের সিটে বসে দরজা বন্ধ করে দিল।

    নাহিদা সামনের সিটে বসার পর নাহিদ দরজা বন্ধ করে গাড়ি ছেড়ে দিল। কিছুদূর আসার পর নাহিদার দিকে চেয়ে বলল, আমার বাসায় যেতে আপত্তি আছে?

    নাহিদা রাস্তার দিকে চেয়েছিল। সেইভাবে থেকেই বলল, না।

    তারপর আর কেউ কোনো কথা বলল না।

    নাহিদ বাসার গেটে গাড়ি থামিয়ে পিছনের বুট থেকে নাহিদার সুটকেস বের করে দিল।

    শর্মিলা নেমে নাহিদাকে নামতে বলে নাহিদকে বলল, ভাইয়া, তুমি কাজ সেরে তাড়াতাড়ি ফিরবে কিন্তু।

    নাহিদা নামার পর নাহিদ গাড়ি নিয়ে চলে গেল।

    কাদুর বাপ গাড়ির শব্দ পেয়ে বেরিয়ে এসে নাহিদাকে দেখে তার দিকে চেয়ে রইল।

    শর্মিলা তাকে বলল, চাচা, সুটকেসটা নিয়ে আসুন। তারপর নাহিদাকে বলল, চল ভিতরে যাই।

    নাহিদা এয়ারপোর্টে শর্মিলাকে দেখে ঈর্ষায় জ্বলে উঠে ভেবেছিল, এইজন্যেই বোধহয় নাহিদ এতদিন তার খোঁজ-খবর নেয় নি। তখন শুধু নাহিদের প্রতিই নয় সমস্ত পুরুষ জতাটার উপর তার প্রচণ্ড ঘৃণা ও বিদ্বেষ জন্মেছিল। সেই সাথে শর্মিলার লন্ডনের একটা কথা মনে পড়েছিল, “পুরুষজাতটা মেয়েদেরকে ভালোবাসতে জানে না, জানে শুধু তোষামোদ করে দেহভোগ করতে।” এইসব কথা ভেবে সে পরের ফ্লাইটে ফিরে যেতে চেয়েছিল। কিন্তু শর্মিলার কাছে খুব ছোট হয়ে যাবে বলে এবং নাহিদের আসল স্বরূপ দেখবে বলে কঠোরভাবে নিজেকে সংযত করেছে। তারপর শর্মিলাকে যখন নাহিদের সঙ্গে ভাইয়া সম্বোধনে কথা বলতে শুনল, তখন বেশ অবাক হয়েছিল। এখন গাড়ি থেকে নেমেই বিয়ে বাড়ির মতো গেট ও বাড়ি সাজানো দেখে আরও বেশি অবাক হল। ভিতরে গিয়ে শর্মিলাকে জিজ্ঞেস করল, কী ব্যাপার বল তো? মনে হচ্ছে এটা যেন বিয়ে বাড়ি।

    শর্মিলা হাসতে হাসতে বলল, তোর অনুমান ঠিক। আজ এখানে একটা ছেলের সঙ্গে একটা মেয়ের বিয়ে হবে। তারপর একটা রুমে ঢুকে বলল, এটা গেস্ট রুম। ভাইয়া তো বেচেলার মানুষ, তাই দু’রুমের বাড়ি ভাড়া নিয়েছে। অবশ্য এখানে কাদুর বাপই থাকে। কেউ এলে-টেলে সে অন্যত্র থাকে।

    নাহিদা জিজ্ঞেস করল, কার বিয়ে হবে তুই জানিস?

    : এত ব্যস্ত হচ্ছিস কেন? এসেই যখন পড়েছিস তখন তো সবকিছু নিজেই জানতে পারবি।

    : আচ্ছা তুই নাহিদকে ভাইয়া ভাইয়া করছিস কেন?

    : সেটাও পরে জানতে পারবি। তবে তোর কাছে আমার একটা অনুরোধ, তুই আমাকে শত্রু ভাববি না। তুই যে খুব চালাক তা জানতাম; কিন্তু এত বড় মিথ্যাবাদী তা জানতাম না।

    নাহিদা অবাক কণ্ঠে বলল, প্রমাণ করতে পারবি?

    : প্রমাণ আর কী করবো, বাস্তব ঘটনাটাই তো জ্বলন্ত প্রমাণ। তারপর বলল, ঢাকার হোটেলে আমি যা বলেছিলাম, সে কথা মন থেকে মুছে ফেল। আমি যদি তোদের সম্পর্কের কথা ঘুণাক্ষরেও জানতাম, তা হলে আজ তোর কাছে এত ছোট হতাম না। আর নিজের কাছে নিজেও অপমান হতাম না। তারপর নাহিদার দুটো হাত ধরে ভিজে গলায় বলল, তুই নাহিদ ভাইয়াকে এতটুকু সন্দেহ করবি না। তার চরিত্র ফেরেশতার মতো নির্মল। গত পরশু আমি এসেছি। তারপর বাসায় এসে যখন আমার মনের কথা জানতে পারল, তখন নাহিদ ভাইয়া দুঃখ প্রকাশ করে বলল, সে তোকে নিজের থেকে বেশি ভালোবাসে। ভাগ্যের ফেরে পড়ে তোকে যদি নাও পায়, তবু অন্য কোনো মেয়েকে মনে স্থান দিতে পারবে না। আমরণ তোর পথ চেয়ে অপেক্ষা করবে। তারপর বলল, আমার জন্য তুই চিন্তা করিস না। অন্ধের মতো ভালোবেসে তাকে পাবার জন্য জীবনের গতি পরিবর্তন করেছিলাম সেকথা যেমন সত্য, তোদের সুখ-শান্তির জন্য সেই ভালোবাসা দিয়ে যে ভাই-বোনের সম্পর্ক পাতিয়েছি, সেটাও তেমনি সত্য।

    নাহিদা জিজ্ঞেস করল, তুই উঠেছিস কোথায়?

    : যদি বলি এখানে? তারপর হেসে উঠে বলল, নারে না, হোটেলে উঠেছি। তুই দেখছি এখনও আমাকে বিশ্বাস করতে পারছিস না। একটা কথা জেনে রাখিস, লন্ডনে অনেক ছেলের সঙ্গে যা-তা করে বেড়ালেও নাহিদ ভাইয়াকে ভালোবাসার ফলে আল্লাহপাক আমাকে হেদায়েত দিয়েছেন। এখন সেইসব কথা মনে পড়লে অনুশোচনার আগুনে দগ্ধ হই। কেঁদে কেঁদে আল্লাহ্পাকের কাছে। মাফ চাই, সারাজীবন চেয়েও যাব। জানি না তিনি আমাকে মাফ করবেন কিনা? এখন এসব কথা থাক, আসরের আজান হয়ে গেছে। কাপড় পাল্টে নামায পড়ে নেই আয়।

    নামায পড়ে শর্মিলা বলল, নাহিদ ভাইয়াকে ভালোবেসে তুইও অনেক পাল্টে গেছিস।

    নাহিদা কিছু না বলে শুধু একটু মৃদু হাসল। তারপর বলল, নাহিদ কোথায় গেল রে?

    : একটা কাজে গেছে। কিছুক্ষণের মধ্যেই ফিরবে। তারপর কাদুর বাপকে ডেকে বলল, চাচা, আমাদের জন্য নাস্তা তৈরি করেছ তো? তোমার সাহেব ফিরলে এক সঙ্গে খাব।

    কাদুর বাপ বলল, হ্যাঁ মা, সবকিছু তৈরি আছে।

    এমন সময় গাড়ির শব্দ পেয়ে শর্মিলা বলল, নাহিদ ভাইয়া এসে পড়েছে।

    নাহিদ ঘরে ঢুকলে শর্মিলা তাকে জিজ্ঞেস করল, সব ঠিক আছে তো?

    নাহিদ হ্যাঁ বলে বলল, তোরা তো বোধহয় এখনও নাস্তা খাস নি। তারপর কাদুর বাপকে হাঁক দিয়ে বলল, চাচা নাস্তা নিয়ে এস।

    নাস্তা খাওয়ার পর নাহিদা নাহিদকে বলল, ছুটি নিয়েছ তো? চা বাগান ঘুরে ঘুরে দেখব। শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার, সুনামগঞ্জ ও ছাতক বেড়াতে যাব। জাফলং-এর মনোরম প্রাকৃতিক দৃশ্য ও মাধবকুণ্ডের জলপ্রপাত দেখতে যাব। তারপর বলল, টেকনাফ ও সেন্ট মার্টিন দ্বীপে নিয়ে যাবার কথা মনে আছে তো?

    নাহিদ এক পলক শর্মিলার মুখের দিকে চেয়ে বুঝতে পারল তার মুখটা করুণ হয়ে গেছে। দৃষ্টি সরিয়ে নিয়ে নাহিদার দিকে চেয়ে বলল, ছুটি নিই আর না নিই, তোমার কোনো আশাই অপূর্ণ রাখব না।

    শর্মিলা বলল, এবার আমি যাই ভাইয়া, কাল চলে যাব। আজ টিকিটটা কনফার্ম করতে এয়ার অফিস হয়ে হোটেলে ফিরব। তবে সকালে বিদায় নিতে একবার আসতে পারি।

    নাহিদ বলল, কয়েকদিন থেকে যা না, ছুটি তো আছেই। তুইও নাহিদার সঙ্গে সব জায়গায় বেড়াতে যাবি?

    নাহিদের কথা শুনে নাহিদা রেগে গেলেও সংযত রইল।

    শর্মিলা নাহিদার দিকে একবার চেয়ে নিয়ে বলল, না ভাইয়া, তা হয় না। হাজার হোক আমি মেয়ে তো, অতটা হয়তো সহ্য করতে পারব না। তারপর সালাম বিনিময় করে নাহিদাকে বলল, আল্লাহপাক তোমাদের সুখী করুক। আসি, আল্লাহ হাফেজ বলে চলে গেল।

    শর্মিলা চলে যাবার পর নাহিদ বলল, ও তোমার জন্য নিজেকে স্যাকরিফাইস করল, ওকে থাকতে বলা তোমার উচিত ছিল।

    নাহিদা রেগে উঠে বলল, আমি না বলে বরং উচিত করেছি। ওর আজকের আচরণে আমি খুব অবাক হলেও ওকে আমি বিশ্বাস করি নি। ও যে কী ধরনের মেয়ে ছিল তা যদি জানতে, তা হলে একথা বলতে না। কত ছেলেকে যে ও নাকে দড়ি দিয়ে ঘুরিয়েছে তা আমিই জানি। একটা ছেলে ওর জন্য সুইসাইড করেছে, লন্ডনে কত ছেলের সঙ্গে যে ডেটিং করেছে, কত ছেলের সঙ্গে যে বিছানায় গেছে….

    নাহিদ তাকে আর কথা বলতে দিল না। দ্রুত উঠে এসে তার মুখে হাত চাপা দিয়ে বলল, ছি নাহিদা, কারো গোপন কথা প্রকাশ করা কঠিন গোনাহ্। পরের নিন্দা করার মতো বড় গোনাহ্ আর নেই। কুরআন পাকে আল্লাহ বর্ণনা করেছেন, “হে বিশ্বাসীগণ! অনেক অনুমান হইতে বাঁচিয়া থাক, কেননা, কোনো কোনো অনুমান পাপজনক হইয়া থাকে এবং (কাহারও দোষ) অনুসন্ধান করিও না, আর একে অন্যের গীবত (অগোচরে দুর্নাম)ও করিও না; তোমাদের মধ্যে কেন কি মৃত ভাইয়ের গোস্ত খাইতে স্বীকার করিবে? উহা তো তোমরা অবশ্যই ঘৃণা করিয়া থাক; আর আল্লাহকে ভয় কর; নিঃসন্দেহে আল্লাহ বড় তওবা কবুলকারী, দয়ালু।” [সূরা হুজরাত-১২ নং আয়াত, পারা-২৬।] একটা হাদিস বলছি শোন, রসূলুল্লাহ (দঃ) বলেছেন, “কোনো মুসলমানের সম্বন্ধে রসনা দীর্ঘ করা সুদের সুদ এবং এক মুসলমানের সম্মান, জান ও মাল অন্য মুসলমানের জন্য হারাম।” [হজরত দাউদ বিদ মাইদ ও হজরত আবু হুরায়রা (রাঃ) মোসলেম, আবু দাউদ।]

    তবে অত্যাচারিত ব্যক্তি ও নির্যাতিত ব্যক্তি অত্যাচারির অত্যাচার সম্বন্ধে লোকের নিকট বা বিচারকের নিকট নিন্দা করলে, বিচারকরা নেতার অবিচার, অত্যাচার, উৎকোচ গ্রহণ সম্বন্ধে লোক সম্মুখে নিন্দা করলে, অথবা কেউ ধর্মের কাজ করে দান-সদকা চাইলে, কিংবা শরীয়ত বিরুদ্ধ বেদাত প্রচার করলে তার বিরুদ্ধে কিছু বললে পরনিন্দা হয় না। নিন্দিত ব্যক্তি ক্ষমা না করলে এই গোনাহর মাফ নেই-ইহা মানুষের হক। আল্লাহ ইহাতে হস্তক্ষেপ করবেন না। কেয়ামতে নিন্দিত ব্যক্তির গোনাহ্ নিন্দুকের ঘাড়ে পতিত হবে। এই সবও হাদিসের কথা।

    কুরআন-হাদিসের কথা শুনে নাহিদার রাগ আসতে আসতে পড়ে গিয়ে আল্লাহর ভয়ে ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে পড়ল। চোখের পানি ছেড়ে দিয়ে নাহিদের হাত মুখ থেকে সরিয়ে ধরে রেখে বলল, কুরআন-হাদিসের ব্যাখ্যা এতদূর এখনও আমি পড়ি নি। আল্লাহপাক আমাকে মাফ করুন, আমি তওবা করছি আর কোনোদিন পরনিন্দা করব না।

    নাহিদ বলল, জেনে রেখ, আল্লাহ তওবাকারীকে খুব ভালোবাসেন। এখন এসব কথা বাদ দাও, তোমাকে নিয়ে এক জায়গায় যাব, রাজি আছ কিনা বল।

    : কিন্তু তার আগে তোমার সঙ্গে আমার কিছু বোঝাপড়া আছে।

    : সেটা ফিরে এসেও করতে পারবে। বোঝাপড়া করতে গেলে সেখানে যাওয়া হবে না।

    : ঠিক আছে চল। তুমি গাড়িতে যাও, আমি কাপড়টা পাল্টে আসছি।

    নাহিদ এয়ারপোর্ট থেকে ফিরে কাজী অফিসে গিয়ে বিয়ের ব্যবস্থা করে এসেছিল। এখন নাহিদাকে নিয়ে সেখানে গেল।

    গাড়ি থেকে নেমে নাহিদা কাজী অফিসের সাইনবোর্ড দেখে থমকে দাঁড়িয়ে পড়ল।

    নাহিদ তার হাত ধরে এক রকম টেনে নিয়ে যাবার সময় বলল, প্লিজ, কোনো সিন ক্রিয়েট কর না। করলে, আমার ও তোমার খালা-খালুর মান-সম্মান। থাকবে ন। যা কিছু করার বাসায় ফিরে করো।

    এখন রাত এগারোটা। নাহিদা একা ঘরে জানালার রড ধরে দাঁড়িয়ে বাইরে অন্ধকারের দিকে চেয়ে আছে। কাজী অফিস থেকে বেরিয়ে নাহিদ তাকে নিয়ে মার্কেটিং করেছে। তারপর আটটার দিকে বাসায় ফিরে নাহিদ তাকে এশার নামায পড়তে বলে সাড়ে আটটার সময় মসজিদে নামায পড়তে গেছে, এখনও ফিরে নি।

    নাহিদা বিয়ের রাতে তাকে বাইরে যেতে নিষেধ করে ঘরেই নামায পড়তে বলেছিল। নাহিদ শুনে নি। গাল টিপে আদর করে বলে গেছে ওসব মেয়েলি কুসংস্কার আমি বিশ্বাস করি না।

    প্রায় আড়াই ঘণ্টা পার হয়ে যেতেও যখন এল না তখন বেশ ভয় পেয়ে নার্ভাস ফিল করতে লাগল। বাসার চারপাশে পাহাড়। পাহাড়ের গাছপালাগুলো অন্ধকারে দানবের মতো তার কাছে মনে হলো। আশপাশে কোনো বাড়ি-ঘর নেই। এখানকার বাড়ি-ঘরগুলো বেশ দূরে দূরে। থাকতে না পেরে দরজার কাছে এসে দেখল, কাদুর বাপ দরজার পাশে বারান্দায় একটা শীতলপাটি বিছিয়ে শুয়ে আছে, আর তার হাতের তসবিহ নড়ছে। নাহিদা চাচা বলে স্নাকল।

    কাদুর বাপ ধড়মড় করে উঠে বসে বলল, জি আম্মা বলুন।

    : তোমার সাহেব মসজিদে নামাজ পড়তে যাচ্ছি বলে গেলেন, এত রাত হলো এখনও ফিরছেন না কেন?

    : উনি তো প্রতিদিন একটা-দেড়াটার সময় বাসায় ফিরেন।

    নাহিদা চমকে উঠে বলল, কী বললে?

    লাইটের আলোতে কাদুর বাপ নাহিদাকে চমকে উঠতে দেখেছে। বলল, সাহেবের জন্য আপনি দুশ্চিন্তা করবেন না। ওঁর এতটুকু ক্ষতি করার ক্ষমতা এ তল্লাটে করুর নেই।

    : তা না হয় বুঝলাম; কিন্তু এত রাত পর্যন্ত থাকেন কোথায়?

    : সাহেব মসজিদে আল্লাহর বন্দেগী করেন। কোনো কোনো দিন তো একেবারে ফজরের নামায পড়ে আসেন। তবে আজ মনে হয় তাড়াতাড়ি আসবেন। তারপর গেটের দিকে নজর পড়তে বলল, ঐ তো সাহেব আসছেন।

    নাহিদা সেদিকে একবার চেয়ে ঘরে এসে খাটে ঠেস দিয়ে দাঁড়িয়ে রইল।

    নাহিদ ঘরে ঢুকে সালাম দিয়ে দরজা লাগিয়ে ঘুরে দু’হাত বাড়িয়ে বলল, তোমার চির কাক্ষিত নাহিদ তোমার বুকের ছোঁয়া ও ঠোঁটের আদর পাওয়ার জন্য ব্যাকুল হয়ে ডাকছি, এস, ছুটে এসে ভালোবাসার আগুনে ঝাঁপিয়ে পড়।

    নাহিদার মন তার ডাকে সাড়া দেবার জন্য ব্যাকুল হয়ে উঠল; কিন্তু লজ্জায় তা পারল না। কাঁপা গলায় সালামের উত্তর দিয়ে বলল, আমি যে পায়ে শক্তি পাচ্ছি না, তোমার কাছে যাব কী করে?

    নাহিদ বলল, আমি কোনো কথাই শুনতে চাই না, তাড়াতাড়ি এস বলছি।

    নাহিদা আর স্থির থাকতে পারল না; কিন্তু লজ্জায় ও আনন্দে পা তুলতে পারল না। কোনো রকমে টলতে টলতে দু’এক পা এসে পড়ে যাচ্ছিল, নাহিদ তাড়াতাড়ি এগিয়ে এসে বুকে জড়িয়ে ধরে চেপে ধরল।

    নাহিদা আনন্দজনিত ভয়ে কয়েকবার চমকে উঠে কিছুক্ষণ নিথর হয়ে নিজেকে স্বামীর হাতে সঁপে দিল। তার মনে হলো সে বাস্তব জ্ঞান হারিয়ে ফেলেছে। তারপর নাহিদের বলিষ্ঠ বাহুতে নিষ্পেষিত হতে বাস্তবে ফিরে এসে সেও প্রতিদানে মেতে উঠল।

    সে রাতে তারা ঘুমোতে পারল না। ভোরে গোসল করে ফজরের নামাজ পড়ল। তারপর নাস্তা খেয়ে নাহিদ কাদুর বাপকে কিছু ফরমাশ বাতলে দিয়ে দরজা লাগিয়ে দু’জনে ঘুমিয়ে পড়ল।

    এখন প্রায় বেলা বারোটা। কাদুর বাপ রান্নার কাজে ব্যস্ত। গেটে গাড়ির শব্দ পেয়ে বেরিয়ে এসে দেখল, তিনজন বয়স্ক লোক ও দু’জন মহিলা এবং গতকালের সেই মেয়েটি ভেতরে ঢুকছে।

    আবুল হোসেন সাহেব কাদুর বাপকে দেখতে পেয়ে জিজ্ঞেস করলেন, তুমি কে?

    : জ্বি, আমি কাদুর বাপ। মানে আমি সাহেবের সবকিছু দেখাশুনা করি।

    : তা তোমার সাহেব-মেম কোথায়?

    : জি, তারা ঘুমাচ্ছেন।

    : ঘুমাচ্ছেন মানে?

    : জ্বি, উনারা দরজা বন্ধ করে ঘুমাচ্ছেন। আমি কত ডাকাডাকি করেও সাড়া পাই নি।

    আবুল হোসেন সাহেব হাতঘড়ির দিকে চেয়ে শর্মিলাকে বললেন, এখন রাত বারোটা না দিন বারোটা?

    শর্মিলা হাসি চেপে রেখে বলল, দিন বারোটা।

    : তুমি একটা বোকা মেয়ে। তারপর বললেন, তুমি তো এখনও ব্যাচেলার, তাই। নচেৎ বুঝতে, নবদম্পতিরা প্রথম দিকের দিনগুলোকে রাত মনে করে।

    শর্মিলা লজ্জা পেয়ে মাথা নিচু করে রইল।

    জোহরা বেগম রেগে উঠে স্বামীকে ধমকের সুরে বললেন, তুমি একটা যাচ্ছেতাই লোক। এত বয়স হলো, কখন কাকে কী বলতে হয় তাও জান না।

    নাহিদের বাবা নিয়াজ বললেন, আবুল হোসেন ভাই, ভাবি ঠিক কথা বলেছেন। তুমি সেই আগের মতোই রয়ে গেছ। আমরা বারান্দায় বসি চল, শর্মিলা ওদেরকে ডেকে নিয়ে আসুক।

    বারান্দায় দু’টো চেয়ার ছিল। কাদুর বাপ আরও তিনটি চেয়ার এনে দিল।

    শর্মিলা গিয়ে ওদের রুমের দরজায় প্রথমে আস্তে ধাক্কা দিয়ে ভাইয়া ভাইয়া বলে ডেকে কাজ না হতে পরে জোরে ধাক্কা দিয়ে ডাকতে লাগল।

    দরজায় ধাক্কার শব্দে দু’জনেরই ঘুম ভেঙে গেল। নাহিদ টেবিল ঘড়ির দিকে চেয়ে বলল, সর্বনাশ! বেলা বারোটা বেজে গেছে।

    নাহিদা বলল, তা বাজুক; কিন্তু দরজায় কে ধাক্কা মারছে তাড়াতাড়ি দেখ। নাহিদকে খাট থেকে নামতে দেখে আবার বলল, একটু অপেক্ষা কর, আমি কাপড়টা ঠিক করে পরে নিই।

    নাহিদ দরজার কাছে এগিয়ে যেতে বলল, কে?

    : ভাইয়া, আমি শর্মিলা।

    শর্মিলার নাম শুনে নাহিদা তার উপর ভীষণ রেগে গেল।

    নাহিদ দরজা খুলতেই শর্মিলা ঘরে ঢুকে হাসতে হাসতে নাহিদাকে উদ্দেশ করে বলল, কিরে, এক রাতে মধু চন্দ্রিমা পোষাল না বুঝি? তাই দিনকে রাত করে নিয়েছিস। শিগগির বাইরে চল, কারা এসেছে দেখবি?

    নাহিদা অবাক হয়ে নাহিদকে বলল, তুমি বুঝি অফিস স্টাফদের দাওয়াত দিয়েছ? আচ্ছা তুমি কী? দু’একদিন পরে দিলে কী হতো? তুমি যাও, আমি বাথরুম থেকে হাত-মুখ ধুয়ে তারপর যাব।

    শর্মিলা তার একটা হাত ধরে বাইরে নিয়ে আসতে আসতে বলল, হাত-মুখ পরে ধুস, আগে চল তো।

    নাহিদা বাইরে বেরিয়ে কিছুটা এসে ওদের সবাইকে দেখে ভীষণ লজ্জা পেল। তারপর শর্মিলার হাত থেকে নিজের হাত ছাড়িয়ে নিয়ে ছুটে ঘরে ঢুকে গেল।

    নাহিদ বারান্দায় বেরিয়ে সবার সাথে আব্বাকে দেখে ভয়মিশ্রিত লজ্জায় মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে রইল।

    ওরা সবাই তাদেরকে দেখতে পেয়েছেন।

    আবুল হোসেন সাহেব বড় গলায় শর্মিলাকে উদ্দেশ করে বললেন, ওদের দু’জনকেই ধরে নিয়ে এস। ওদেরকে আমি পুলিশের হাতে দেব। ভেবেছোটা কী? আমরা বেঁচে থাকতে ওরা যা খুশি তাই করবে, এটা তো মেনে নেওয়া যায় না।

    শর্মিলা নাহিদাকে ধরে নিয়ে আসার সময় নাহিদকে বলল, ভাইয়া তুমিও এস।

    নাহিদ ওদের আগে এসে সবাইকে কদমবুসি করল।

    তাই দেখে নাহিদা অন্যদের কদমবুসি করে যখন আঙ্কেলকে কদমবুছি করে উঠে দাঁড়াল তখন আবুল হোসেন সাহেব ভাইঝির একটা হাত খপ করে ধরে শর্মিলার দিকে তাকিয়ে বললেন, তুমি একটা রশি-টসি নিয়ে এস তো মা; এদের দু’জনকেই বাঁধতে হবে। ছাড়া থাকলে উড়াল দেবে।

    নিয়াজ বললেন, তুমি ভুলে যাচ্ছ কেন, তোমার আমার যুগ এটা নয়। এ যুগের ছেলেমেয়েরা নিজেদের মতো সবকিছু করে।

    আবুল হোসেন সাহেব বললেন, তাই বলে তোমার মতো আদর্শবান শিক্ষকের ছেলে হয়ে আমার ভাইঝিকে এয়ারপোর্ট থেকে হাইজ্যাক করে এনে বিয়ে করবে, এটা ঠিক মেনে নিতে পারছি না। তোমার ছেলে বলে পার পেয়ে গেল, নচেৎ টের পাওয়াতাম।

    তারপর নাহিদকে বললেন, তুমি যে একটা বাজে ছেলে জানতাম না। আরে বাবা, সবাই দেখেশুনে বিয়ে করে। দেশে এত ভালো মেয়ে থাকতে এরকম একটা তেঁদড় মেয়েকে কেউ বিয়ে করে?

    জোহরা বেগম স্বামীকে ধমক দিলেন, তুমি থাম তো, কত বেজেছে খেয়াল করেছ? ওদের খিদে পায় নি বুঝি?

    নাহিদার খালা সালমা বেগম বললেন, আপা ঠিক কথাই বলেছেন। ওদেরকে বকাবকি করে আর কী হবে? দোষ আপনাদেরই। ছেলেমেয়ে বিয়ের উপযুক্ত হলে তাদের বিয়ে দেওয়া গার্জেনদের কর্তব্য। আপনারা কর্তব্য পালন করেন নি।

    হাবিব সাহেব বলে উঠলেন, নাহিদার খালা ঠিক কথা বলেছে। নাহিদ যখন সেকেন্ড টাইম দিনাজপুর গিয়েছিল, তখন তো আমি ফোন করে আপনাকে বলেছিলাম, ওখানেই বিয়ের কাজটা মিটিয়ে ফেলতে। এখন ওসব কথা বলে কোনো লাভ নেই। যা করলে ভালো হয়, তাই করুন।

    আবুল হোসেন সাহেব ব্রিফকেস খুলে একটা খাম বের করে নাহিদার হাতে দিয়ে বললেন, সবাই যখন আমাকে দোষী সাব্যস্ত করছে তখন আমি তা স্বীকার করে টেক্সটাইল মিলের ডাইরেক্টরের পদ থেকে রিজাইন দিলাম। তারপর আর একটা বড় খাম বের করে সেটাও তার হাতে দিয়ে বললেন, আমি দোষী হলেও তোমার গার্জেন হিসেবে আমার কাছে তুমি খুব বড় অন্যায় করেছ। তাই তার শাস্তিস্বরূপ তোমার বাবার টেক্সটাইল মিল এবং তার ও আমার যা কিছু বিষয় সম্পত্তি আছে, সবকিছুর মালিকানা তোমাকে দিলাম। এবার তোমার জিনিস তুমি বুঝে নাও।

    আঙ্কেলের কথা শুনে নাহিদা কিছুক্ষণ অবাক হয়ে চুপ করে রইল। তারপর তাকে জড়িয়ে ধরে ভিজে গলায় বলল, এতবড় শাস্তি আমাকে দিও না আঙ্কেল, আমি সহ্য করতে পারব না। আমি কোনোকিছুই চাই না, শুধু তোমাকে ও আন্টিকে চাই। তোমার রিজাইন লেটারও অ্যাকসেপ্ট করব না। তারপর ফুঁপিয়ে উঠল।

    আবুল হোসেন সাহেব ভাইঝির গায়ে মাথায় হাত বুলোতে বুলোতে ভিজে গলায় বললেন, তুই ছাড়া আমাদের আর কে আছে বল, আমার বয়স হয়েছে। এবার সবকিছু তোকেই দেখাশুনা করতে হবে। না পারলে ঐ গুণ্ডা ছেলেটার সাহায্য নিবি বলে নাহিদের দিকে হাত বাড়িয়ে দেখালেন।

    নাহিদা সামলে নিয়ে অনুযোগের সুরে বলল, আঙ্কেল কী হচ্ছে? ও যাই হোক না কেন, এখন আমার স্বামী আর তোমাদের বংশের একমাত্র জামাতা। জামাতাকে এত লোকজনের সামনে গুণ্ডা বলতে তোমার বিবেকে বাঁধল না?

    সালমা বেগম ভাগ্নিকে উদ্দেশ করে বললেন, অনেক দস্যিপনা দেখিয়েছিস এবার তুই থাম। তারপর স্বামীর দিকে চেয়ে বললেন, এইসব করে কি দিনটা শেষ করবে, না সবাইকে নিয়ে বাসায় যাবে?

    হাবিব সাহেব কিছু বলার আগে নাহিদা আঙ্কেলকে বলল, আগে বল, তোমরা সব এখানে এলে কী করে?

    আবুল হোসেন সাহেব শর্মিলাকে দেখিয়ে বললেন, ঐ মেয়েটাও তোর মতো তেঁদড়। নাহিদের মতো ওরও একটা বাজে ছেলের সাথে বিয়ে দেবার ব্যবস্থা করতে হবে। তারপর বললেন, ঐ মেয়েটাই তোর খালা-খালুর সঙ্গে পরামর্শ করে পরশু সন্ধ্যায় ফোন করে আমাকে বলল, “নাহিদ অ্যাকসিডেন্ট করে হাসপাতালে আছে। তার অবস্থা খুবই আশঙ্কাজনক। আপনি নাহিদা ও আন্টিকে নিয়ে তাড়াতাড়ি চলে আসুন। আসার পথে নাহিদের বাবাকেও নিয়ে আসবেন।”

    তুই তো বিকেলের ফ্লাইটে ঢাকা রওয়ানা হয়েছিলি, আমি তোর আন্টিকে নিয়ে পরের দিন ভোরে রওয়ানা দিয়ে প্রথমে নাহিদের বাড়িতে যাই। তারপর সেখান থেকে নিয়াজকে নিয়ে গতকাল রাত আটটার সময় তোর খালাদের বাসায় আসি। তাদের কাছে তাদের অপকর্মের কথা শুনে রাতেই আসতে চেয়েছিলাম। কিন্তু তোর খালা-খালু নিষেধ করল, তাই।

    শর্মিলার স্যাক্রিফাইস নাহিদার মনকে নাড়া দিল। তার কাছে গিয়ে জড়িয়ে ধরে বলল, কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তোকে ছোট করব না। দোয়া করি, আল্লাহ পাক তোকে যেন সুখী করেন। তারপর তার দুটো হাত ধরে বলল, তোকে ভুল বুঝে আমি খুব অন্যায় করেছি; আমাকে তুই মাফ করে দে।

    শর্মিলা ভিজে গলায় বলল, ক্ষমা চাইছিস কেন? তোর জায়গায় আমি হলেও ঐ একই ভুল করতাম। তোরা দু’জন সুখী হ, আল্লাহ পাকের কাছে এই দোয়া করি।

    তারপর নাহিদা ছাড়া সবাইকে কদমবুছি করে নাহিদকে করার সময় বলল, ছোট বোনের কথা মনে রেখ ভাইয়া। আমার প্লেনের সময় হয়ে এসেছে, এখন আসি। তারপর ভিজে গলায় সালাম দিয়ে চোখ মুছতে মুছতে চলে গেল।

    ⤶
    1 2 3 4 5 6 7 8
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅমর প্রেম – কাসেম বিন আবুবাকার
    Next Article অবাঞ্ছিত উইল – কাসেম বিন আবুবাকার

    Related Articles

    কাসেম বিন আবুবাকার

    ক্রন্দসী প্রিয়া – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    জানি তুমি আসবে – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    কি পেলাম – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    কালোমেয়ে – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    একদিন অপরাহ্নে – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    কে ডাকে তোমায় – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }