Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কার্ভালোর বাক্স – সমরেশ মজুমদার

    সমরেশ মজুমদার এক পাতা গল্প96 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৩. ঘুম হয়েছিল কি হয়নি

    ঘুম হয়েছিল কি হয়নি, ঘণ্টা তিনেক বিছানায় শুয়ে স্নান সেরে কিছু মুখে দিয়ে অর্জুন যখন থানায় ফিরে এল, তখন ঘড়িতে সাড়ে দশটা। শঙ্করবাবু তাঁর বাসস্থানে এখনও ঘুমোচ্ছেন, অবনীবাবু এস. পির বাংলোয় গিয়েছেন। অর্জুন জানল মহাদেব সেনের ঘুম এখনও ভাঙেনি। সে বারান্দা দিয়ে এগোতেই তিস্তাকে দেখতে পেল। একজন বয়স্কা মহিলার সঙ্গে দাঁড়িয়ে আছে। ওকে

    দেখেই তিস্তা হাসল, গুড মর্নিং।

    অর্জুন বলল, সুপ্রভাত। উনি কি এখনও ঘুমোচ্ছন?

    হ্যাঁ। পুলিশটা বলল না জাগলে ভেতরে যাওয়া নিষেধ। কাল কখন আপনি মোটরবাইক নিয়ে গেলেন আমি টেরই পাইনি। তিস্তা হাসল।

    আপনারা এখানে দাঁড়িয়ে না থেকে ভিজিটার্স রুমে গিয়ে বসতে পারেন। অর্জুন কথা শেষ করতেই ডাক্তার দাসকে আসতে দেখা গেল। তিনি বললেন, কী ব্যাপার, উনি কেমন আছেন? ঘুম ভেঙেছে?

    অর্জুন বলল, বোধ হয় না।

    ডাক্তার দাস ঘড়ি দেখলেন, প্রায় ছঘণ্টা হয়ে গেছে। চলুন, একবার দেখে আসি।

    ডাক্তার দাসের পেছন-পেছন ওরা ভেতরে ঢুকল। মহাদেব সেন সেই একই ভঙ্গিতে ঘুমোচ্ছন। মুখ খুব প্রশান্ত। ডাক্তার দাস তাঁর হাত তুলে পাল দেখতে লাগলেন। এই সময় চোখ খুললেন মহাদেব সেন। তাঁর মাথার পাশে তিস্তারা দাঁড়িয়ে ছিল, পায়ের কাছে অর্জুন। সে দেখল মহাদেব সেনের মুখে বিস্ময় ফুটে উঠছে। তিনি বললেন, কী ব্যাপার, তুমি এখানে? ডাক্তার দাস জিজ্ঞেস করলেন, কেমন বোধ হচ্ছে এখন?

    এবার মহাদেব সেন বাকিদের দেখলেন। তিস্তা ঝুঁকে পড়ল, কেমন আছ দাদু?

    আরে! আমি কোথায় শুয়ে আছি?

    থানায়। তোমার খুব শরীর খারাপ হয়েছিল। আমরা চিন্তায় ছিলাম খু-উ-ব।

    আমি থানায় শুয়ে আছি! মহাদেব সেন উঠে বসলেন, কাল রাত্রে, কাল রাত্রে তো অৰ্জুন এসেছিল। হ্যাঁ, ওর সঙ্গে বেরিয়ে শেষপর্যন্ত থানায় এসেছিলাম। মনে পড়ছে সব। তারপর আমার কী হয়েছিল অর্জুন? স্পষ্ট চোখে তাকালেন মহাদেব সেন।

    অর্জুনের কেমন সন্দেহ হল। সে জিজ্ঞেস করল, আচ্ছা, আপনি কি আমাকে দেখতে পাচ্ছেন?

    প্রশ্নটি শোনামাত্র মহাদেব সেন হতভম্ব হয়ে পড়লেন, দুটো হাত তুলে চোখ রগড়ালেন, তারপর চিৎকার করে উঠলেন, আরে, এ কী হল?

    তিস্তা অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করল, কী হয়েছে?

    মুখ ঘুরিয়ে ঘরের সবাইকে দেখলেন মহাদেব সেন, আমি, আমি দেখতে পাচ্ছি, তোমাদের সবাইকে স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছি। কী করে হল! আমার যে কোনও সম্ভাবনাই ছিল না দেখার। আহ। দিস ইজ এ মিরাকল।  নীচে নেমে দাঁড়ালেন তিনি কথাগুলো বলতে বলতে।

    ডাক্তার দাস তাঁকে বাধা দিলেন, আপনি এত এক্সাইটেড হবেন না। টেক ইট ইজি।

    টেক ইট ইজি? আরে, আমার মতো প্রায় অন্ধ হঠাৎ দৃষ্টিশক্তি ফিরে পেল, এটা কি রোজকার ঘটনা? মাথা নাড়লেন মহাদেব সেন। তাঁকে খুব খুশি দেখাচ্ছিল। এই সময় সুব্রত সেন ঘরে ঢুকলেন অবনীবাবুর সঙ্গে। তাঁদের দেখামাত্র তিস্তা চিৎকার করে উঠল, দাদু এখন স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছেন। আমি বাড়িতে যাচ্ছি সবাইকে খবর দিতে। তিস্তা বেরিয়ে গেল।

    সুব্রতবাবু হকচকিয়ে গেলেন, দেখতে পাচ্ছেন মানে?

    মহাদেব সেন ছেলের দিকে তাকালেন, হ্যাঁ সুব্রত, আমি দেখতে পাচ্ছি।

    কী করে সম্ভব?

    এবার ডাক্তার দাস বললেন, অঘটন ঘটে। আমাদের চিকিৎসাশাস্ত্রে যা অসম্ভব বলা হয়েছে জীবনে তার উলটোটা মাঝে-মাঝে হতে দেখেছি।

    আপনি ডাক্তার? মহাদেব সেন বললেন।

    অর্জুন বলল, হ্যাঁ। উনি ডাক্তার দাস। গত রাত থেকেই উনি আপনার কাছে আছেন বলা যেতে পারে।

    গত রাত থেকে! হ্যাঁ, তাই তো, আমি এ কোথায় শুয়ে আছি?

    আপনি থানায় রাত্রিবাস করেছেন সার। আমি এখানকার ওসি। অবনীবাবু হাসিমুখে এগিয়ে এলেন হাতজোড় করে।

    নমস্কার ফিরিয়ে দিয়ে ছেলের দিকে তাকালেন মহাদেব সেন, আমার কী হয়েছিল?

    সুব্রত সেন বললেন, পরে শুনবেন। এখন বাড়ি চলুন, আপনার বিশ্রামের দরকার।

    মহাদেব সেন মাথা নাড়লেন, সারারাত ঘুমিয়ে এখন আবার বিশ্রামের দরকার হবে কেন? ডাক্তার, আপনি বলুন তো আমার কী হয়েছিল?

    ডাক্তার দাস বললেন, আপনি খুবই এক্সাইটেড ছিলেন। সত্যি কথা বলতে গেলে বলতে হয় মস্তিষ্ক কাজ করছিল না। খুব অ্যাগ্রেসিভ হয়ে উঠেছিলেন। সেই অবস্থা থেকে সরিয়ে আনতে আপনাকে আমি ঘুমের ওষুধ দিই। কিন্তু অদ্ভুত ব্যাপার, সেই ওষুধ কাজ শুরু করে অনেক পরে, ভোরের একটু আগে। ততক্ষণ আপনার অবস্থা নর্মাল ছিল না। এখন অনুগ্রহ করে একটু শুয়ে পড়ুন, আমি পরীক্ষা করব।

    মহাদেব সেন বাধ্য ছেলের মত আদেশ পালন করলেন। তাঁকে পরীক্ষা করার পর ডাক্তার দাসের মুখে হাসি ফুটল, নাঃ, একদম ঠিক আছেন। এবার বাড়ি যেতে পারেন।

    শুয়ে-শুয়েই মহাদেব সেন প্রশ্ন করলেন, কটা বাজে এখন?

    অবনীবাবু সময়টা বললেন। মহাদেব সেন বিড়বিড় করলেন, এত বেলা পর্যন্ত ঘুমোলাম!

    ডাক্তার দাস বললেন, আপনার ঘুম শুরু হয়েছিল সাড়ে চারটে থেকে। সময়টা বেশি নয়।

    মহাদেব সেন সোজা হলেন, আমার একটু টয়লেট যাওয়া দরকার। সুব্রত সেন বললেন, বাড়িতে চলুন।

    মহাদেব সেন বললেন, বেশ। তাই চলো। কিন্তু অর্জুন, তুমি আমার সঙ্গে কখন দেখা করছ?

    আপনি বিশ্রাম নিন। বিকেলের দিকে।

    না, না। অত দেরি করা চলবে না। আমি আধঘণ্টার মধ্যেই তৈরি হয়ে নেব। তুমি চলে এসো। ছেলের সঙ্গে বেরিয়ে গেলেন মহাদেব সেন। তিস্তার সঙ্গে যে মহিলা এসেছিলেন তিনিও ওঁদের অনুসরণ করলেন। ঘরের জানলা খুলে দিয়ে অবনীবাবু বললেন, ব্যাপারটা কী হল?

    ডাক্তার দাস বললেন, আমি বুঝতে পারছি না। গত রাত্রে যখন ওঁকে প্রথম দেখলাম তখন ওঁর দৃষ্টিশক্তি নিয়ে ভাবার প্রশ্নই ছিল না। বদ্ধ উন্মাদ মনে হচ্ছিল ওঁকে। কিন্তু এমন কিছু ঘটে গেছে ওঁর শরীরে, যে কারণে আমার ইনজেকশন কাজ করতে দেরি করেছিল। ব্যাপারটা কলকাতায় জানাতে হবে।

    অবনীবাবু বললেন, সেটা জানাবার পরে অনেক সময় পাবেন। কিন্তু সত্যি কি উনি চোখে ভাল দেখতে পেতেন না? আমি বুঝতে পারছি না।

    অর্জুন হতভম্ব হয়ে বসে ছিল। বলল, এর মধ্যে মিথ্যে কিছু নেই। উনি প্রায় অন্ধ ছিলেন। ওই যন্ত্রটির কাছে পৌঁছে যাওয়ার পর ওঁর আচরণে পরিবর্তন এল। মনে হয় তারই রি-অ্যাকশনে উনি এখন দেখতে পাচ্ছেন।

    ডাক্তার দাস জিজ্ঞেস করলেন, কী যন্ত্র?

    অবনীবাবু চট করে ঘুরে দাঁড়ালেন, একদম ভুলে গিয়েছিলাম। চলুন দেখা যাক।

    ডাক্তার দাস ব্যাপারটা বুঝতে পারছিলেন না। যেতে-যেতে ওঁকে ওয়াকিবহাল করলেন অবনীবাবু। ভদ্রলোককে বলতে শোনা গেল, কী আজগুবি গল্প শোনাচ্ছেন।

    নীচের ভল্টের সামনে পৌঁছে অবনীবাবু ডাক্তার দাসকে জিজ্ঞেস করলেন, কোনও সাউন্ড শুনতে পাচ্ছেন?

    ভদ্রলোক জবাব দেওয়ার আগেই অর্জুন বলল, দিনের বেলায় ওটা শোনা যায় না। অন্তত রামচন্দ্র রায় তাই বলেছেন।

    ভদ্রলোক সঠিক কথা নাও বলতে পারেন। অবনীবাবুর ইঙ্গিতে সেপাই তালা খুলল।

    ডাক্তার দাস বললেন, দূর মশাই, আমি কিছুই শুনতে পাচ্ছি না।

    ঘরের যে-কোণে সুটকেসটাকে ঢুকিয়ে রেখেছিল অর্জুন, সেখানেই ওটা পড়ে আছে। অবনীবাবু একটানে সেটাকে র্যাকের আড়াল থেকে বের করতে পারলেন না। অর্জুন সেইভাবেই ঢুকিয়ে রেখেছিল। এখন বলল, তালা লাগানো নেই। সাবধানে।

    সুটকেস থেকে থার্মোকলের বাক্সগুলো খুলে যন্ত্রটাকে তুলে আনা হল। ধাতব বস্তুটি শব্দহীন। অর্জুনের খেয়াল হল, রামচন্দ্র রায়ের বাড়িতে যখন এটাকে সে দেখেছিল তখন এর ভেতর থেকে আলো বের হচ্ছিল। এখন কোনও আলোই নেই! ঘুরিয়ে ফিরিয়ে যন্ত্রটিকে দেখে অবনীবাবু বললেন, জিনিসটা কী তাই, বোঝা যাচ্ছে না।

    সিগন্যাল রিসিভিং মেশিন। যখনই এটা সেই সিগন্যাল পায় তখনই এর ভেতর থেকে আলো বের হয় দপদপ করে। অর্জুন গম্ভীর গলায় বলল।

    অবনীবাবু জিজ্ঞেস করলেন, সিগন্যালটা পায় কার কাছ থেকে?

    সেটা জানি না। কাল রাত্রে যখন রামচন্দ্রবাবু সিগন্যালের শব্দ পাচ্ছিলেন তখন ওটা থেকে আলো বের হতে দেখেছি আমি। অর্জুন বলল।

    এতক্ষণ ডাক্তার দাস যন্ত্রটির দিকে তাকিয়ে ছিলেন, এবার বললেন, একটা কথা খুবই বিনীতভাবে জানতে চাইছি। এটা যদি একটা সিগন্যাল রিসিভ করার মেশিন হয় তাহলে এর কাছাকাছি এলাকায় পৌঁছে মহাদেববাবুর নার্ভ বিকল হয়ে গেল কী করে, আর দৃষ্টিশক্তি ফিরে পেলেন কোন যুক্তিতে?

    অবনীবাবু বললেন, তাই তো!

    অর্জুন বলল, এইটে জানতে আরও কিছু সময় লাগবে। আমরা এর মধ্যে জেনেছি এই যন্ত্রের কাছাকাছি এলে বেশিরভাগ মানুষের কিছুই হয় না। যেমন আমি, শঙ্করবাবু, ল্যাংড়া-পাঁচু, থানার সেপাইরা, এমনকী আপনারাও। কারণ আপনারাও কাল রাত্রে কোনও সিগন্যাল শুনতে পাননি। কিন্তু কিছু কিছু মানুষের পরিবর্তন হয়। আজ সকালে রামচন্দ্র রায় এসেছিলেন, কারণ যন্ত্রটির সঙ্গে রাত কাটানো তাঁর কাছে নেশার মতো হয়ে গেছে। ওঁর শরীরে যে বাতের ব্যথা ছিল তা উধাও হয়ে গিয়েছিল যন্ত্রটির সঙ্গে রাত কাটিয়ে! কিন্তু নির্যন্ত্র থাকার ফলে সেটা আবার ফিরে এসেছে।

    শব্দটা কী বললেন ভাই? নির্যন্ত্র? ডাক্তার দাস জিজ্ঞেস করলেন।

    হ্যাঁ। যদি নির্জন, নিবান্ধব হতে পারে, তখন নির্যন্ত্র হবে না কেন? অর্জুন হাসল। তারপর ঘড়ি দেখল।

    অবনীবাবু হঠাৎ পুলিশি গাম্ভীর্য নিয়ে বললেন, কার্ভালোর পেট থেকে খবর বের করতে হবে যে, কোথায় সে যন্ত্রটা পেয়েছে?

    সে যদি আর না ফেরে?

    এত দামি একটা জিনিস ফেলে রেখে কতদিন বাইরে থাকবে?

    ভদ্রলোক কিন্তু এক মাস ধরে উধাও।

    ওই লোকটারও কোন রি-অ্যাকশন হয়নি। তাই তো?

    হ্যাঁ, কার্ভালোও আমাদের দলে।

    এটাই অদ্ভুত। হ্যাঁ মশাই এটার সঙ্গে অ্যাটমিক ব্যাপারের কোনও সংযোগ নেই তো? এইযে আমি ধরলাম। অবনীবাবুকে এবার নার্ভাস দেখাল।

    সেটাও জানা দরকার। অর্জুন গম্ভীরভাবে বলল, আমি এখন মহাদেববাবুর বাড়িতে যাব। যাওয়ার সময় এটাকে সঙ্গে নেব।

    এটাকে সঙ্গে নিয়ে বাইরে যাবেন?

    কেন? দিনের বেলায় অসুবিধে কোথায়?

    আরে মশাই, এত মূল্যবান জিনিস, ওঁর কাছে যাওয়ার দরকার কী?

    এই শহরে একমাত্র উনিই এ-বিষয়ে কিছু বলার ক্ষমতা রাখেন। ভদ্রলোক চিরকাল বিজ্ঞানচর্চা করে এসেছেন।

    অবনীবাবু ইতস্তত করছিলেন, এরকম জিনিস যে-কোনও মানুষের পক্ষে বিপজ্জনক হতে পারে। তা ছাড়া পথে যদি কিছু হয় তা হলে! বরং উনি তো এখন ভাল আছেন, এখানেই এসে দেখতে বলুন না।

    অনেক তর্কের পর অবনীবাবু রাজি হলেন। কিন্তু পুলিশের জিপে অর্জুন যন্ত্রটিকে নিয়ে যাবে এবং সঙ্গে সেপাই থাকবে। অবনীবাবু ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে এই অদ্ভুত যন্ত্র পাওয়ার খবর পাঠাতে দেরি করলেন না। এটা নাকি তাঁর কর্তব্যের মধ্যে পড়ে।

    জিপে বসে থানার বাইরে আসামাত্র অর্জুন দেখল রাস্তার একপাশে রামচন্দ্র রায় ছাতি মাথায় দাঁড়িয়ে আছেন। ভদ্রলোককে খুব উদ্বিগ্ন দেখাচ্ছিল। অর্জুন পুলিশ-ড্রাইভারকে বলল গাড়ি থামাতে। তাকে দেখতে পেয়ে রামচন্দ্র রায় এগিয়ে এলেন, আপনার জন্যে দাঁড়িয়ে আছি। আরে, ওটাই তো কার্ভালোর সুটকেস, তাই না?

    অর্জুন দেখল রামচন্দ্রবাবুর চোখ চকচক করে উঠল। সে সেটাকে গুরুত্ব না দিয়ে বলল, আপনি এখানে আমার জন্যে অপেক্ষা করছেন? পাগল হয়ে গিয়েছেন নাকি?

    তা বলতে পারেন। বাড়ি গিয়ে শুনলাম থানায় এসেছেন, তাই। রামচন্দ্রবাবু কাঁচুমাচু হলেন, আসলে আমার মনে হচ্ছে জীবনের অনেক কিছু হারিয়ে গিয়েছে। ফাঁকা লাগছে।

    উঠে আসুন জিপে। অর্জুনের মায়া হল।

    চটপট জিপে উঠলেন রামচন্দ্র রায়, নাইনটিন ফর্টি নাইনে আমি একটানা বাহাত্তর ঘণ্টা জিপ চালিয়েছিলাম। নাওয়া-খাওয়া সব মাথায় উঠেছিল।

    অর্জুন বলল, থামেননি?

    ওই যখন তেলের দরকার হত, তখনই। রামচন্দ্র হাসলেন, এখানে, মানে ইন্ডিয়ায় নয়। অস্ট্রেলিয়ায়। জাহাজ থেকে একটা জরুরি খবর নিয়ে ছুটতে হয়েছিল।

    বাব্বা, আপনার তো অভিজ্ঞতা অনেক।

    তা তো বটেই। বই লিখলে ইয়া মোটা হয়ে যেত।

    লিখুন না।

    ছাপবে কে? এ-দেশে গুণীর কদর নেই। কার বাড়ি?

    অর্জুনের ইশারায় ড্রাইভার মহাদেব সেনের বাড়ির সামনে জিপ থামিয়েছিল। সুটকেস নিয়ে নামতে নামতে অর্জুন বলল, আপাতত এই শহরে আপনার সঙ্গে মিল আছে যে একমাত্র মানুষটির, তিনি এই বাড়িতে থাকেন। গতরাত্রে তাঁকে আপনার বাড়িতে নিয়ে গিয়েছিলাম।

    এখানে কেন আনা হল?

    উনি একজন বিজ্ঞানী। আপনার, আমার চেয়ে অনেকগুণ বেশি জানেন। ওঁর সাহায্য দরকার এই রহস্য সমাধান করতে। আপনিও আসুন না! অর্জুনের অনুরোধে রামচন্দ্র রায় যেন বাধ্য হয়েই অনুসরণ করলেন।

    বাড়ির সবাই প্রস্তুত ছিলেন। তিস্তা ওদের মহাদেব সেনের ঘরে নিয়ে যাওয়ামাত্র তিনি জিজ্ঞেস করলেন, ওটা কী?

    এটাই কার্ভালোর রেখে যাওয়া সুটকেস। অর্জুন সযত্নে মেঝের ওপর রাখল সুটকেসটাকে। মহাদেব সেনকে এখন অনেকটা স্বাভাবিক দেখাচ্ছে। চোখের চশমা খুলে তিনি বললেন, এঁর সঙ্গে কোথায় দেখা হল?

    থানার সামনে। জবাব দিয়ে অর্জুন দেখল রামচন্দ্রবাবু একদৃষ্টিতে মহাদেব সেনের দিকে তাকিয়ে আছেন। যেন ওঁর ভেতরটা পড়ে নেওয়ার চেষ্টা করছেন। তারপর হাসলেন, রামচন্দ্র মহাদেবের বাড়িতে এল অর্জুনের সঙ্গে।

    ধন্যবাদ। মহাদেব সেনের চোখ ঘরের ভেতর দাঁড়ানো আত্মীয়স্বজনের ওপর পড়ল, এবার আমরা একটু কাজ করব। তোমরা দরজাটা ভেজিয়ে দিয়ে যাও।

    আদেশ অমান্য করার সাহস কারও হল না, যদিও বেরিয়ে যেতে কারওরই মন চাইছিল না। রামচন্দ্র রায় বললেন, কাজেব সময় আমার থাকা কি উচিত হবে?

    নিশ্চয়ই। এখানে আপনি-আমি গিনিপিগ। প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করব। অর্জুন, দরজা দুটো বন্ধ করে সুটকেস খোলো। আগে যন্ত্রটাকে দেখা যাক। মহাদেব সেন বললেন।

    দরজা বন্ধ করে সুটকেস খুলে থার্মোকলের ভেতর থেকে যন্ত্রটাকে বের করা হল। মহাদেব সেন সামনের টেবিলে সেটিকে রাখতে বললেন। জানলা দিয়ে আসা আলো পড়ায় যন্ত্র চকচক করছে। মহাদেব সেন বললেন, মেটালটা লক্ষ কবো। স্টিল অ্যালুমিনিয়াম মেশানো বলে ভুল হবে। তুমি বলেছিলে আলো বেরোতে দেখেছ, কোনও আলো নেই।

    ওটা সিগন্যাল হলে বের হয় বলে মনে হচ্ছে।

    হয়তো। মিস্টার রায়, আপনি কি কোনও শব্দ পাচ্ছেন?

    রামচন্দ্র রায় মাথা নাড়লেন, নাঃ। দিনের বেলায় তো পেতাম না।

    তা হলে তোমাব ধারণাই ঠিক অর্জুন। কিন্তু এই মেটাল কভারটায় কোথাও জোডের চিহ্ন নেই। ভেতরে যে যন্ত্রপাতি, না না, অর্জুন, এই জায়গাটা লক্ষ করো। ঝুঁকে পড়ে দেখতে-দেখতে মহাদেব সেন অর্জুনকে ডাকলেন। অর্জুন দেখল। কিছু একটা খুলে নেওয়া হয়েছে সেখান থেকে। বস্তুটিকে ধরে রাখার হুক এখনও এর গায়ে আছে।

    অর্জুন বলল, এর গায়ে কিছু লাগানো ছিল।

    মহাদেব সেন বললেন, হু। এখন এই যন্ত্রটি ঠিক কী জিনিস তা জানার জন্যে দুটো পথ আছে। এক, আমরা এই মেটাল কভার ভাঙতে পারি। সেক্ষেত্রে যদি যন্ত্রটাই খারাপ হয়ে যায় তা হলে চিরকাল আফশোস থেকে যাবে। দ্বিতীয় পথটা আরও কটা রাত পরীক্ষা করা।

    রামচন্দ্র রায় বললেন, দ্বিতীয় পথটাই ঠিক। তা হলে আমার বাতের ব্যথাটা কমে যাবে।

    আপনার বাত আছে? মহাদেব সেন মুখ তুললেন।

    আর বলবেন না, নাইনটিন ফিফটি ওয়ানে…।

    রামচন্দ্রবাবুকে থামিয়ে অর্জুন বলল, এটা কোথায়? আফ্রিকায়?

    একদম ঠিক। অ্যাকসিডেন্ট হয়েছিল আমার। বাঁচার চান্স ছিল না।

    অর্জুন ভদ্রলোককে থামাবার জন্যে বলল, উনি বলছেন রোজ রাত্রে এই যন্ত্রের সঙ্গে থাকার ফলে ওঁর শরীরে বাতের ব্যথা কমে গিয়েছিল। এক রাত ছাড়াছাড়ি হওয়ায় আবার বেড়ে গিয়েছে। আপনার চোখের ব্যাপারটা কীরকম?

    মহাদেব সেন বললেন, উনি ঠিকই বলছেন অর্জুন। যখন ঘুম থেকে উঠেছিলাম তখন মনে হয়েছিল সব স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছি। কিন্তু এরই মধ্যে মনে হচ্ছে দৃষ্টিশক্তি কমতে আরম্ভ করেছে। আগের থেকে অনেক ভাল, কিন্তু ওই পাওয়ার বেড়ে গেলে যা হয়।

    অর্জুন জিজ্ঞেস করল, আপনার কি মনে হয় এটা পৃথিবীতে তৈরি হয়েছে?

    না হওয়ার সম্ভাবনা খুব বেশি। যদি কেউ করে থাকেন তা হলে তাঁর পক্ষে এমন ঝুঁকি নেওয়া খুবই বোকামি হবে।

    বোকামি কেন?

    তিনি নিশ্চয়ই লুকিয়ে রেখেছিলেন তাঁর আবিষ্কারের কথা। যন্ত্রটা নিশ্চয়ই তাঁর কাছ থেকে চুরি গিয়েছে। প্রতি রাত্রে তিনি সিগন্যাল পাঠান যন্ত্রটার অস্তিত্বটা জানার। না, তা হতে পারে না। তা হলে তিনি জেনেই যেতেন যন্ত্রটা কোথায় আছে, এসে নিয়ে যেতেন। যে-যন্ত্র একটি মানুষকে প্রভাবিত করে তার শরীরের ত্রুটি কমিয়ে দেয়, তাকে তিনি অনেক বড় কাজে ব্যবহার করবেন।

    তা হলে?

    হ্যাঁ। সেরকমই মনে হয়। এই ধাতব বস্তুটি আমার অচেনা। গড়নও অদ্ভুত। দিনের আলো নিভে গেলে পৃথিবীতে সিগন্যালটা আসে অথবা দিনের আলোর জন্যেই সিগন্যাল এলেও এটি অচল থাকে। সিগন্যাল পেলেই যন্ত্রটা সক্রিয় হয়। সক্রিয় যন্ত্রটি থেকে যে-তরঙ্গ বের হয় তা সেইসব মানুষের মস্তিষ্কের কোষে প্রতিক্রিয়া আনে, যাদের গঠনের সঙ্গে এই যন্ত্রে রাখা ফর্মুলার মিল আছে। কিন্তু কেন? কারা এটাকে পৃথিবীতে পাঠিয়েছে। উদ্দেশ্য কী? তা ছাড়া এই যন্ত্রটি স্বয়ংসম্পূর্ণ নয়। এর শরীর থেকে কিছু একটা খুলে নেওয়া হয়েছে। কী সেটা? যেন বারংবার নিজেকেই প্রশ্ন করে গেলেন মহাদেব সেন। খুব চিন্তামগ্ন দেখাচ্ছিল তাঁকে।

    অর্জুন বলল, বেশ, এবার আমরা একটা হিসেবে আসি। আমরা জেনেছি এই যন্ত্রটির একটা অংশ উধাও হয়েছে। দুই, এটি দিনের বেলায় নিষ্ক্রিয় থাকে। তিন, সন্ধের পরেই দূর থেকে ভেসে আসা সিগন্যালে এ রেসপন্স করে এবং ভোর হওয়ার সঙ্গে-সঙ্গেই আবার নিষ্ক্রিয় হয়। তা হলে দিনের বেলায় সিগন্যাল আসে না অথবা এলেও এ গ্রহণ করতে পারে না।

    মহাদেববাবু বললেন, আমাদের পৃথিবী যখন সূর্যের দিকে মুখ করে থাকে তখন ওই সিগন্যাল-প্রেরকের কাজ করার ক্ষমতা কমে যায়। হয়তো সূর্যতাপ সহ্য করতে পারে না।

    অর্জুন বলল, বেশ। এবার দেখা যাচ্ছে, সন্ধে হওয়ার পর থেকেই এই যন্ত্রের কাছাকাছি আসামাত্র কোনও-কোনও মানুষ একটা ক্ষীণ শব্দ শুনতে পাচ্ছেন।

    রামচন্দ্র রায় বললেন, ক্ষীণ কিন্তু ননস্টপ।

    হ্যাঁ, সেটা একসময় বাড়তে আরম্ভ করে?

    মিস্টার রায় বলতে পারবেন। আমি গতকাল রিকশায় বসেই যা শুনতে পেয়েছি তাতে মনে হচ্ছিল কালা হয়ে যাব।

    ঠিকই। সন্ধে থেকে শুরু হয়। একটু-একটু করে বাড়তে থাকে। আমি চটপট রাত্রের খাওয়া খেয়ে নিতাম, কানে শব্দ বাজত। তারপর একসময় মনে হত কানের পরদা ফেটে যাবে। তখন আর জ্ঞান থাকত না। রামচন্দ্র রায় বললেন।

    হ্যাঁ, আমি এই স্টেজটাই জানতে চাইছি। গত রাত্রে আপনার কানে ব্যথা হচ্ছিল শব্দটার জন্যে, রিকশাতে বসেই। আমার সঙ্গে যখন থানার ভেতরে ঢুকলেন তখনও আপনি স্বাভাবিক কথা বলছিলেন, মনে আছে? অর্জুন

    মহাদেব সেনকে জিজ্ঞেস করল।

    মনে আছে। তখন শব্দটা কানের ভেতর তুমুল হয়ে উঠছিল। যখন নীচের বন্ধ দরজার কাছে পৌঁছলাম তখন ওই আওয়াজের প্রাবল্যে যেন উন্মাদ হয়ে গেলাম।

    হ্যাঁ। আপনি তখন দরজা খোলার চেষ্টা করছিলেন একাই। প্রচণ্ড শক্তি এসে গেল শরীরে। আপনাকে ধরে রাখা একজন সেপাইয়ের পক্ষে সম্ভব হয়নি। মিস্টার রায়, ওই অবস্থায় পৌঁছে আপনিও কি যন্ত্রটার দিকে যাওয়ার চেষ্টা করতেন? সেক্ষেত্রে তো আপনি সহজেই যন্ত্রটাকে পেতেন। ওটা আপনার ঘরে সুটকেসের মধ্যেই থাকত। অর্জুন তাকাল।

    না। আমি বেরিয়ে পড়তাম। খালি হাতে নয়। কিছু একটা ভারী জিনিস বয়ে নিয়ে যেতাম। কোথায় যেতাম, কেন যেতাম তা জানি না। অনেকটা হাঁটতাম মধ্যরাত্রে। দু-একজন প্রতিবেশী পরের দিন সকালে দেখা হলে জিজ্ঞেস করেছে অতরাত্রে তিস্তা ব্রিজের দিকে কেন গিয়েছিলাম? জবাব দিতে পারিনি। রামচন্দ্র রায় হাসলেন, সকালে ডান হাতে খুব ব্যথা হত। এখন মনে হচ্ছে এমনও হতে পারে ওই সুটকেস বয়ে নিয়ে যেতাম। শুধু এই কারণেই একসময় ভয় হল, রাত্রে বেরিয়ে আমি কাউকে খুনও করতে পারি। এই ভয় বাড়তেই আমি থানায় গেলাম ডায়েরি করতে। আপনাকে বলেছিলাম আমার বাড়ির বাইরের দরজায় তালা দিয়ে যেতে।

    ওই সময়ে আপনি কাউকে দেখেছেন বলে মনে পড়ে?

    কাউকে বলতে? মহাদেব সেন জিজ্ঞেস করলেন।

    এমন কেউ যে আপনাকে পরিচালনা করছে।

    রামচন্দ্র রায় বললেন, আমার মনে হত কেউ পাশে আছে অথচ তাকে আমি দেখতে পাচ্ছি না। সে যা বলছে আমাকে, তাই করতে হচ্ছে।

    আপনি?

    ঠিক এক অনুভূতি নয়। আমি বুঝতে পারছিলাম আমাকে তালা দিয়ে কেউ চাবি নিয়ে গিয়েছে। সেই চাবিটা আছে এই যন্ত্রের মধ্যে। ওই যন্ত্র পেলে আমি মুক্ত হয়ে যাব। কিন্তু তোমরা আমাকে আটকে রেখেছিলে। মহাদেব সেন বললেন। এই সময় রামচন্দ্র রায় উঠে এসে পরম স্নেহে যন্ত্রের গায়ে হাত বোলালেন।

    অর্জুন জিজ্ঞেস করল, আপনারা দুজনেই কি আজ রাত্রে এই যন্ত্রটির সঙ্গে থাকার জন্যে কোনও টান অনুভব করছেন? রামচন্দ্র রায় বলে উঠলেন, নিশ্চয়ই। মহাদেব সেন বললেন, আমার শুধু কৌতূহল হচ্ছে।

    ওই কৌতূহল থেকেই টান আসবে। এ মশাই নেশার মতন ব্যাপার। রামচন্দ্র রায় দীর্ঘশ্বাস ফেললেন।

    আমাকে একটু ভাবতে দিন। এখনও কয়েক ঘণ্টা হাতে আছে। বিকেলে আমার কাছে এসো অর্জুন। একটা কিছু করতে হবে আজ রাত্রে।

    আমি নিশ্চয়ই বাদ যাচ্ছি না? রামচন্দ্র রায় জিজ্ঞেস করলেন।

    অবশ্যই না। মহাদেব সেন বললেন।

    তা হলে এটিকে আবার থানায় রেখে আসি? অর্জুন বলল।

    কেন? মহাদেববাব আপত্তি করলেন।

    এখন এটা সরকারের সম্পত্তি, যেহেতু এর মালিককে পাওয়া যাচ্ছে না। অর্জুন বলল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleএকশ বছরের সেরা গল্প – সমরেশ মজুমদার (সম্পাদিত)
    Next Article সাতকাহন ২ – সমরেশ মজুমদার

    Related Articles

    সমরেশ মজুমদার

    চব্বিশ ঘণ্টার ঈশ্বর – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    ছোটগল্প – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    আট কুঠুরি নয় দরজা – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    উত্তরাধিকার – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    গর্ভধারিণী – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    কইতে কথা বাধে – সমরেশ মজুমদার (অসম্পূর্ণ)

    December 4, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }