Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কালিকা পুরাণ (কালিকাপুরাণম্‌) – পঞ্চানন তর্করত্ন সম্পাদিত

    পঞ্চানন তর্করত্ন এক পাতা গল্প667 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ২১. চন্দ্রের যক্ষ্মারোগমুক্তি

    একবিংশ অধ্যায় – চন্দ্রের যক্ষ্মারোগমুক্তি

    ব্রহ্মা কহিলেন; হে সুরগণ! তোমরা দক্ষ ভবনে গমন কর; চন্দ্র যাহাতে পূর্ণ হন, সেই জন্য গিয়া দক্ষকে প্রসন্ন কর। ১

    চন্দ্র, পূর্ণ হইলে সমস্ত জগৎ প্রকৃতিস্থ হইবে। তোমাদিগের শান্তি এবং ওষধি সকলেরও পুনরুদ্ভব হইবে। ২

    মার্কণ্ডেয় বলিলেন; ইন্দ্রাদি দেবগণ ব্রহ্মার এই কথা শুনিয়া হৃষ্টচিত্তে দক্ষালয়ে গমন করিলেন। ৩

    সকল দেবগণ, যথাযোগ্য বিনীতভাবে প্রজাপতি দক্ষসমীপে উপস্থিত হইয়া প্রণাম-পূর্বক মধুবচনে বলিতে লাগিলেন; ব্ৰহ্মন্! আমরা বহু দুঃখে অবসন্ন, আমাদিগের প্রতি প্রসন্ন হউন; হে মহামতে! আমাদিগকে রক্ষা করুন, শোকসাগর হইতে উদ্ধার করুন। ৪-৫

    পরমাত্মার ব্রহ্মা নামে যে সৃষ্টিকারক মূর্তি, বিপ্ররূপী পরম জ্যোতি তাহারই অঙ্গস্থিত; হে জ্যোতিঃ-স্বরূপ-বিপ্র! আপনাকে নমস্কার। ৬

    যিনি সৰ্ব্ব জগতের রক্ষক বলিয়া “দক্ষ”, আর প্রজাপালক বলিয়া “প্রজাপতি” নামে অভিহিত, আমরা তাহাকে নমস্কার করি।৭

    সমস্ত জগতের পালন-কর্তা কুশলাদিগের রক্ষাকর্তা মহাত্মা দক্ষকে সত্বর আত্মহিতের জন্য নমস্কার করি। ৮

    সংযতেন্দ্রিয় যোগিগণ যাহাকে সতত চিন্তা করেন, যিনি সেই সারবস্তু পরমাত্মার সারভূত, তুমি সেই দক্ষ। ৯

    হে অতি তেজস্বিন্! তুমি যোগবৃত্তি অধ্বর্য্যু এবং পারগামীদিগেরও পরম গতি; তোমাকে বারবার নমস্কার করি। ১০

    সেই সকল দেবগণের এই কথা শ্রবণপূর্বক দক্ষ, প্রাধান্য-প্রযুক্ত ইন্দ্রকে সম্বোধন করিয়া প্রসন্ন-বদনে বলিতে লাগিলেন; হে মহাবাহু ইন্দ্র। কি কারণে তোমাদিগের দুঃখ উপস্থিত হইয়াছে? প্রভো! দুঃখের কারণ কি বল; আমি তাহা শুনিতে ইচ্ছা করি। ১১-১২

    তোমাদিগের দুঃখ দূর করতে আমাকেই বা কি করিতে হইবে? আমার সাধ্যাতীত না হইলে আমি তোমাদিগের সম্পূর্ণরূপে হিত করিব। ১৩।

    মার্কণ্ডেয় বলিলেন, মহামুনি ব্ৰহ্ম-তনয় দক্ষের সেই কথা শুনিয়া বৃহস্পতি, ইন্দ্র এবং অগ্নি, তাহাকে বলিতে লাগিলেন। ১৪

    হে দ্বিজবর! শশধর ক্ষীণ হইয়াছেন, তাহাতে সকল ওষধিই ক্ষয় প্রাপ্ত হইয়াছে; ওষধি অভাবে এখন আর যজ্ঞ হইতেছে না। ১৫

    যজ্ঞ বন্ধ হওয়াতে অনাবৃষ্টি হইয়াছে, তাহাতে সকল প্ৰজাই ক্ষুধার জ্বালায় অস্থির, কতকগুলি প্রজা এইরূপ মহাদুঃখ পাইয়া প্রাণত্যাগও করিয়াছে। ১৬

    ব্ৰহ্মন্! আপনার ক্রোধে এই যে চন্দ্রের ক্ষয় হইয়াছে, তাহাতে সমস্ত জগৎ বিনষ্ট হইবার সম্ভাবনা। ১৭

    হে বিপ্রশ্রেষ্ঠ! সপ্তসমুদ্র–বল, পশু-পক্ষী বল, সুর-মণ্ডলী বল,–অধুনা ত্রিজগতে এমন কোন পদার্থ নাই, যাহা ক্ষুব্ধ বা বিলুপ্ত হয় নাই। ১৮

    এখন আর যজ্ঞ হয় না; তপস্বী তপস্যা করেন না। প্রজাকুল ক্ষীণ ভয়াতুর এবং অন্নকষ্টে হতশ্রী। ১৯

    হে বিপ্রবর! এইরূপ বিপ্লব প্রবৃত্ত হইয়াছে, এখন যাবৎ দৈত্যগণ রসাতল হইতে উত্থিত হইয়া আমাদিগকে পীড়া না দেয়, তন্মধ্যে উদ্ধার করুন। ২০

    দক্ষ! চন্দ্রের প্রতি প্রসন্ন হউন, তপোবলে তাহাকে পূর্ণ করুন; চন্দ্র পূর্ণ হইলে, সমস্ত জগতই প্রকৃতিস্থ হইবে। ২১

    মার্কণ্ডেয় বলিলেন; তখন ব্ৰহ্মনন্দন দক্ষ, দেবগণের এই কথা শুনিয়া তাঁহাদিগের হৃদয় হইতে শল্যোদ্ধার করত তাহাদিগকে বলিলেন; চন্দ্রের প্রতি আমার যে শাপ-বাক্য নির্গত হইয়াছে, আমি কোন নিদান ধরিয়াই তাহা মিথ্যা করিতে পারি না। ২২-২৩

    কিন্তু আমার বাক্যও একান্ত মিথ্যা না হয়, অথচ চন্দ্রও বৃদ্ধি পাইতে থাকে এরূপ উপায় দেখ। ২৪।

    তাহাতেও এইমাত্র উপায় আছে; চন্দ্র, সকল পত্নীর প্রতি সমান ব্যবহার করুক, তবে একপক্ষ ক্ষয় ও একপক্ষ বৃদ্ধি লাভ করিতে পারিবে। ২৫

    হে দ্বিজগণ। দক্ষ এই কথা বলিলে, তাহার সেই কথা শুনিয়া এবং সেই প্রজাপতি দক্ষকে প্রসন্ন করিয়া সুরগণ, সকলেই চন্দ্রমা যথায় ছিলেন তথায় গমন করিলেন। ২৬

    অনন্তর ভাৰ্যাগণ পরিবৃত চন্দ্রকে সঙ্গে লইয়া সেই সুরবরসমূহ হৃষ্টচিত্তে ব্ৰহ্ম-সদনে গমন করিলেন। ২৭

    মহাভাগগণ, তথায় গমন করিয়া দক্ষের কথিত সমস্ত কথাই পরমাত্মা ব্ৰহ্মার নিকট বলিলেন। ২৮

    ব্ৰহ্মা, দেবগণের প্রমুখাৎ দক্ষের বাক্য শ্রবণ করিয়া সুরগণ সমভিব্যাহারে সুবিস্তৃত চন্দ্রভাগ পৰ্বতে গমন করিলেন। ২৯

    সুরশ্রেষ্ঠ ব্রহ্মা, তথায় গমন করিয়া প্রজাগণের হিত-কামনায় লোহিত নামক বৃহৎসরোবর-জলে চন্দ্রকে স্নান করাইলেন। ৩০

    ভূত-ভবিষ্যৎ-বৰ্ত্তমানজ্ঞানসম্পন্ন জগৎপ্রভু পিতামহ, এইজন্যই পূৰ্বে এই স্থানে এই জলপূর্ণ সরোবর সৃষ্টি করেন। ৩১

    সেই লোহিত নামক বৃহৎ সরোবরে স্নান করিলে, প্রাণী রোগ-শূন্য এবং চিরজীবী হয়। ৩২

    তথা স্নান করিবামাত্র চন্দ্রের শরীর হইতে তৎক্ষণাৎ রাজযক্ষ্মা রোগ নির্গত হইল; তখন আবার তাহার পূর্বের ন্যায় রূপ প্রকাশ পাইল। ৩৩।

    রাজযক্ষ্মা, নিঃসৃত হইয়া জগৎপতি ব্রহ্মাকে প্রণামপূর্বক বলিল,-আমি কি করিব? কোথায় যাইব? ৩৪

    হে লোকেশ! আপনি ব্রিজগতের সৃষ্টিকর্তা, অতএব আপনি আমার অনুরূপ ভাৰ্য্যা, বাসস্থান এবং চিরন্তন কর্তব্যকাৰ্য্য স্থির করিয়া দিন। ৩৫

    মার্কণ্ডেয় বলিলেন,–অনন্তর, ব্রহ্মা, রাজযক্ষ্মাকে চন্দ্রের শরীর-স্থিত অমৃতপানে পরিপুষ্ট এবং চন্দ্রকে ক্ষীণ দেখিলেন। ৩৬

    বাহুযুগল দ্বারা তাহাকে ধারণপূর্বক বারংবার পৰ্বতে নিপীড়ন করিতে লাগিলেন। এইরূপে সেই রাজযক্ষ্মার দেহ হইতে অমৃত বাহির করিয়া লইলেন। ৩৭

    লোকপালক ব্রহ্মা সেই বহিষ্কৃত অশুদ্ধ অমৃত, ক্ষীরোদসাগরে জলমধ্যে গোপনে নিক্ষেপ করিলেন। ৩৮

    পূৰ্বে চন্দ্রের কলাসকল ক্ষীণ হইয়াছিল, এখন ব্রহ্মা সেই ক্ষীরোদসাগরে নিক্ষিপ্ত অমৃত হইতে তিল তিল কলাচূর্ণ গ্রহণ করিলেন। ৩৯

    রাজযক্ষ্মারোগ-প্রভাবে কলামাত্রাবশিষ্ট চন্দ্রের যে অমৃতময়ী পঞ্চদশকলা ক্ষয় পাইয়াছিল, তাহা রাজ-যক্ষ্মারই গর্ভে ছিল। ৪০

    এখন নিষ্পীড়ন বশে তৎসমস্ত চুর্ণ হইয়া যাইল। তেজ, জ্যোৎস্না এবং অমৃত এই তিন পদার্থময়। চন্দ্র-শরীর, তিনভাগে বিভক্ত হইয়া রাজ-যক্ষ্মার গর্ভে থাকে। ৪১-৪২

    জ্যোতি চূর্ণ হইয়াছিল, জ্যোৎস্না রাজযক্ষ্মা-দেহে লীন হইয়াছিল, আর অমৃতরাশি দ্ৰবভাবে উক্ত রোগের উদরে ছিল। ৪৩।

    ব্ৰহ্মা যখন রোগের উদর হইতে অমৃত বাহির করেন, তখন কেবল অমৃত নহে–জ্যোৎস্না, জ্যোতি এবং অমৃত, সকলই বাহির হইয়াছিল। ৪৪

    তখন বিধি তৎসমস্তই ক্ষীরোদসাগরে নিক্ষেপ করেন। অনন্তর বিধাতা দেবগণকে পৰ্বতে ছাড়িয়া স্বয়ং সত্বর ক্ষীরোদসাগরে গমন করেন। ৪৫

    তৎপরে অমৃত, কলাচুর্ণ এবং জ্যোৎস্না–এই তিন বস্তুই সমুদ্রে প্রক্ষালন পূর্বক গ্রহণ করিয়া সেই পৰ্বতে আগমন করিলেন। ৪৬

    বিধি, ক্ষীরোদসমুদ্র হইতে চন্দ্রভাগ পৰ্বতে আসিয়া দেবগণের মধ্যে কলাচুর্ণ, অমৃত এবং জ্যোৎস্না স্থাপন করিলেন। ৪৭

    ব্রহ্মা দেবগণের মধ্যে সেই তিন বস্তু রাখিয়া রাজযক্ষ্মার বাসস্থানাদি কীৰ্ত্তন করিতে লাগিলেন। ৪৮।

    যে ব্যক্তি, দিবা রাত্রি, সন্ধ্যা–সকল সময়েই রমণীতে আসক্ত হইয়া সুরতসেবা করে, হে রাজযক্ষ্মন্! তুমি তাহার শরীরে বাস করিবে। ৪৯

    যে ব্যক্তি, প্রতিশ্যায় রোগ, শ্বাসরোগ, কাসরোগ বা শ্লেষ্মরোগযুক্ত হইয়া মৈথুনাসক্ত হয়, তুমি, তাহাতে প্রবেশ করিবে। ৫০

    তৃষ্ণানাম্নী মৃত্যুকন্যা, গুণে তোমার অনুরূপা; সেই তোমার ভাৰ্য্যা হউক; সে তোমার সতত অনুগামিনী হইবে। ৫১

    ক্ষীণতাই তোমার কর্তব্য কৰ্ম্ম; তুমি যথায় থাকিবে, তাহার ক্ষীণতা করিবে, এখন সত্বর যথেচ্ছ স্থানে গমন কর, চন্দ্রের প্রতি বিমুখ হও। ৫২

    মার্কণ্ডেয় বলিলেন,–মহারোগ রাজযক্ষ্মা ব্রহ্মার নিকট এইরূপ বিদায় পাইয়া সৰ্ব্বদেবগণসমক্ষে অন্তর্হিত হইল। ৫৩।

    সেই মহারোগ অন্তর্হিত হইলে পর, লোক-পিতামহ ব্রহ্মা, কলামাত্রাবশিষ্ট চন্দ্রকে পঞ্চদশ কলার দ্বারা পরিপূর্ণ করিলেন। ৫৪

    অর্থাৎ স্বয়ম্ভু, সেই সেই অমৃতরাশি জ্যোৎস্না এবং কলাচূর্ণ দ্বারা চন্দ্রকে পূর্ববৎ করিলেন। ৫৫

    যখন চন্দ্র, যোল কলাপূর্ণ হইয়া পূর্ববৎ দীপ্তি পাইতে লাগিলেন, তখন দেবগণ, তাহাকে দেখিয়া অত্যন্ত আনন্দিত হইলেন। ৫৬

    অনন্তর পূর্ণচন্দ্র, পিতামহকে প্রণাম করিয়া সুর-সভামধ্যে অনতি-হৃষ্ট চিত্তে তাহাকে বলিলেন। ৫৭।

    সোম বলিলেন,–ব্ৰহ্মন! আমার শরীরে এখন পূর্বের ন্যায় আস্থা নাই, বীৰ্য্য নাই, উৎসাহ নাই; অঙ্গসন্ধি সকল শিথিল হইয়া পড়িতেছে। ৫৮

    আমি পূর্বের ন্যায় চেষ্টা (গমনাদি) করিতে পারিতেছি না; প্রত্যহ এইরূপে চেষ্টাহীন হইয়া থাকিব কিরূপে? ৫৯

    ব্ৰহ্মা বলিলেন,–চন্দ্র! যক্ষ্মা-রোগ-গ্রস্ত হওয়াতে তোমার অঙ্গসন্ধি সকল শিথিল হইয়া পড়িয়াছে, আজও তাহা পূর্ণ হয় নাই। ৬০

    আমি, এখন, রাজ-যক্ষ্মার উদর হইতে তোমার যে দেহচূর্ণ, অমৃত এবং জ্যোৎস্না নিঃসারিত করিলাম। ৬১

    সেই চূর্ণ, অমৃত এবং জ্যোৎস্নার প্রক্ষালনসময়ে যে কিছু অংশ জলে পড়িয়া গিয়াছে, তাহা তোমার শরীরে নাই। ৬২

    এই জন্যই হে রাজন! এখন তোমার অঙ্গসন্ধি সকল অবসন্ন। যাহা হউক, যাহাতে তোমার কষ্ট দূর হইবে, তাহার উপায় কীৰ্ত্তন করিতেছি। ৬৩

    যজ্ঞে প্রথমে প্রাজাপত্য, তৎপরে ঐন্দ্র, তৎপরে আগ্নেয় পুরোডাশ আহুতি দিবে; সকল যজ্ঞেই এই নিয়ম। ৬৪

    তাহার পর, তোমার ভাগের পুরোডাশ; আমি এই নিয়ম করিয়াছি। সেই যজ্ঞীয় ভাগ নিত্য ভোজন করিলে তোমার পূর্ববৎ উৎসাহ, স্থিতিশক্তি এবং বীৰ্য ইহবে। ৬৫

    ক্ষীরোদসাগরের জলে তোমার যে সকল অমৃতাংশ দেহচূর্ণ এবং জ্যোৎস্না কণা বর্তমান আছে, হে শশধর! তৎসমস্তই তোমার জ্যোৎস্নাসংসর্গে প্রত্যহ বাড়িতে থাকিবে। ৬৬।

    স্বারোচিধ-মন্বন্তরের দ্বিতীয় সত্যযুগে শঙ্করের অংশ-সম্ভূত, প্রচণ্ড মার্তণ্ড সদৃশ উগ্র-স্বভাবসম্পন্ন দুর্বাসা নামে এক ব্রাহ্মণ হইবেন। ৬৭

    তিনি দেবরাজের দুৰ্বিনয় বশতঃ তাহাকে নিদারুণ শাপ দিয়া সুরাসুর পরিবৃত ভুবনমণ্ডলীকে শ্রীহীন করিবেন। ৬৮

    হে চন্দ্র! তোমার ক্ষয়ে এখন যেমন লোকবিপ্লব হইয়াছে, সমস্ত জগৎ শ্রীহীন হইলে, এইরূপ লোক-বিপ্লব হইবে। ৬৯

    তৃতীয় সত্যযুগে এ ঘটনা হইবে; মনুষ্য-প্রমাণে চারি যুগ এইরূপ বিপ্লববস্থা থাকিবে। ৭০

    অনন্তর চতুর্থ সত্যযুগ আসিলে, আমি শিব এবং বিষ্ণু–আমরা দেবগণ সমভিব্যাহারে ক্ষীরোদসাগর মন্থন করিব। ৭১

    যজ্ঞভাগহীন হইলে আমরা দেবগণের জন্য মন্দরপৰ্বতকে মন্থনদণ্ড ও বাসুকিকে মন্থন-রজ্জু করিয়া দেব-দানব সমভিব্যাহারে ক্ষীরোদসাগর মন্থন করিব। ৭২

    এই তোমার শরীরামৃত, যাহা ক্ষীরোদসাগরে রহিল; রাশীকৃত এই অক্ষয় সুধামন্থন করিয়া গ্রহণ করিব। ৭৩

    চন্দ্র। তোমার এই দেহকে পুষ্ট করিবার জন্য সর্বৌষধি দ্বারা বেষ্টিত করিয়া ইহাকে সাগর-জলে নিক্ষেপ করিব। ৭৪

    আমরা সাগরমন্থন করিয়া যখন অমৃত উত্তোলন করিব, তখন তোমার দেহ পূর্ববৎ হইবে। ৭৫

    তখন তোমার দেহ, তেজো-বীর্য-সম্পন্ন, অক্ষয় সুধাময় এবং দৃঢ়সন্ধি-যুক্ত হইবে। ৭৬

    মার্কণ্ডেয় বলিলেন,–লোক-পিতামহ ব্রহ্মা সুধাংশুকে এই কথা বলিয়া তাহার এক পক্ষে ক্ষয়, আর এক পক্ষে বৃদ্ধি–ইহার জন্য যত্নশীল হইলেন। ৭৭

    চন্দ্র একপক্ষ ক্ষয় পাইবে, আর একপক্ষ বৃদ্ধি পাইবে, দক্ষ এই কথা বলিয়া ছিলেন, বিধাতা তাহা রক্ষা করিতে যত্নবান হইলেন। ৭৮

    অনন্তর সুরশ্রেষ্ঠ ব্ৰহ্মা, চন্দ্রকে ষোলভাগে বিভক্ত করিলেন; বিভাগ করিয়া সমস্ত সুরগণকে এই উত্তম কথা বলিতে লাগিলেন। ৭৯

    চন্দ্রের ষোলকলা; তন্মধ্যে এক কলা অদ্যাবধি শিবের মস্তকে থাক্‌; আর অন্য সমস্ত কলা, বিনা যক্ষ্মারোগে ক্ষয় পাইবে। ৮০

    যদি চন্দ্র, দক্ষের বাক্যে, একপক্ষকাল, ক্ষয়রোগে পীড়িত হইয়া ক্ষীণ হয়, তাহা হইলে আর ইহার শান্তি হইবে না। ৮১

    হে সুরবরগণ! প্রতিমাসের প্রতিপদ হইতে চতুর্দশী পর্যন্ত চতুর্দশদিনে ক্রমে ক্রমে চন্দ্রের চতুর্দশ কলার জ্যোৎস্না শিবমস্তকস্থিত শশিকলাতে গমন করিবে; অমৃত তোমরা পান করিবে। ৮২-৮৩

    তেজোভাগ সূর্যমণ্ডলে প্রবিষ্ট হইবে। কৃষ্ণপক্ষে, এইরূপ চন্দ্রক্ষয় হইবে। ৮৪

    চন্দ্রের অবশিষ্ট এক কলা অমাবস্যাতিথির প্রথমভাগে হরিৎপত্রে লুকাইয়া থাকিবে। ৮৫

    দ্বিতীয় ভাগে রোহিণীতে গমন করিবে; তৃতীয়ভাগে কলাবশিষ্ট বিধু-কলা সরস্বতী নদীতে স্নান করিয়া সমুজ্জ্বল হইবে। ৮৬

    আর চতুর্থভাগে বলসম্পন্ন হইয়া নিজমণ্ডল ও রথ-ঘোটক-সমভিব্যাহারে সূর্যমণ্ডলে প্রবেশ করিবে। ৮৭।

    প্রথম কলার ক্ষয় যতক্ষণে হয়, ততক্ষণেই কৃষ্ণপক্ষের প্রতিপৎ। কৃষ্ণপক্ষের দ্বিতীয়া প্রভৃতির ক্ষয়-বৃদ্ধিও কলাক্ষয়ের সময়-তারতম্য অনুসারে হইয়া থাকে। এই জন্যই তিথিসকলের হ্রাসবৃদ্ধি শুক্ল, কৃষ্ণ–উভয়পক্ষেই হইয়া থাকে। ৮৮-৮৯

    তৎপরে যে পর্যন্ত প্রথম কলা উদয় হইতে থাকে, দ্বিতীর কলার উদয় না হয়, তাবৎ শুক্লপক্ষের প্রতিপৎ, অনন্তর শিবশিরোভূষণ শশিকলাতে অবস্থিত দ্বিতীয় ভাগাদির জ্যোৎস্না ক্রমে পুনরায় আগত হইবে; তোমর কৃষ্ণপক্ষে প্রত্যহ যে অমৃত পান করিবে। ৯০-৯২

    হে সুরশ্রেষ্ঠগণ! চন্দ্র শুক্লপক্ষের দ্বিতীয়াদি তিথিতে তৎসমস্ত দ্বারা এবং জ্যোৎস্নাযোগে পূর্ণ হইতে থাকিবে। ৯৩

    যেমন কৃষ্ণপক্ষে প্রত্যহ শশিকলা ক্ষয় পাইতে থাকে, হে দেবগণ! সেইরূপ শুক্লপক্ষে প্রত্যহ বৃদ্ধি পাইতে থাকে। ৯৪

    শুক্লপক্ষে চন্দ্রের তেজোভাগ সূর্যমণ্ডল হইতে পুনরায় সমাগত হইবে। আর কৃষ্ণপক্ষে ক্রমানুসারে তাহা সূর্যমণ্ডলে সঙ্গত হইতে থাকিবে। ১৫

    শিব-শিরো-ভূষণ-শশিকলা হইতে জ্যোৎস্না পুনরায় আসিবে। তেজোভাগ, সূৰ্য্যমণ্ডল হইতে আসিবে আর অমৃত স্বয়ং উৎপন্ন হইবে। ৯৬

    শুক্লপক্ষে এইরূপ চন্দ্রের বৃদ্ধি হইবে। চন্দ্রের বৃদ্ধি-ক্ষয় অনুসারেই শুক্লপক্ষ আর কৃষ্ণপক্ষ এই দ্বিবিধ নাম হইয়াছে। ৯৭।

    যে ভাগ, যতক্ষণে ক্ষয় বা বৃদ্ধি পাইয়া চরমাবস্থাতে উপনীত হইবে, সেই ভাগ-সংখ্যানুসারে সংজ্ঞাপ্রাপ্ত তিথির পরিমাণ ততক্ষণ হইবে। ৯৮

    যদি শীঘ্র কলার বৃদ্ধি বা ক্ষয় হয়, অথবা যদি বিলম্বে কলার বৃদ্ধি বা ক্ষয় হয়, তাহা হইলে, শীঘ্ৰ ক্ষীণ বা বৃদ্ধ কলার অনুসারী তিথি অল্পপরিমাণ, আর বিলম্বে ক্ষীণ বা বৃদ্ধ কলার অনুসারী তিথি দীর্ঘ পরিমাণ হয়। ৯৮-৯৯

    চন্দ্ৰব্যতীত হব্য-কব্য হয় না; অতএব হব্য-কব্যের বৃদ্ধির জন্য দেবগণ চন্দ্রকে রক্ষা করুন। ১০০

    আর পিতৃগণ প্রতিমাসে অমাবস্যার অপরাহ্নে কলাবশিষ্ট চন্দ্রকে রোহিণী গৃহে ভোজন করিবেন। ১০৯

    তদাস্বাদনে প্রত্যহ কব্য বৃদ্ধি হইবে; সেই কব্য দ্বারা পিতৃগণ পরম তৃপ্তি লাভ করিবেন। ১০২

    মার্কণ্ডেয় বলিলেন– অনন্তর, দেবগণ সকলে লোকহিতের জন্য চন্দ্রের ক্ষয় বৃদ্ধি বিষয়ে ব্রহ্মার আদেশমত কাৰ্য্য করিতে লাগিলেন। ১০৩

    দেবগণ ও ব্রহ্মা অত্যন্ত প্রার্থনা করিলে, মহাদেব পরমাত্মস্বরূপ শশিকলাকে মস্তকে ধারণ করিলেন। ১০৪

    যে পরম তেজ জন্মমৃত্যুশূন্য এবং পরিবর্তনরহিত, এই শশিকলা, সেই তেজঃ স্বরূপ, এইজন্য তাহার আর ক্ষয় হয় না। ১০৫

    যোগিগণ, যখন অক্ষয় পরমানন্দ জ্যোতিতে প্রবিষ্ট হন, তখন তাহাদিগের মন উক্ত শশিকলাতে বিলীন হইবে। ১০৬

    “শিবশিরঃস্থিত শশিকলাতে চিত্ত লীন হইলে মুক্তি হইবে বলিয়া চন্দ্রের দ্বারা মুক্তি হয়” এইরূপ শ্রুতি আছে। ১০৭

    মহাদেব, এই সকল বিবেচনা করিয়া ক্ষয়-বৃদ্ধি-শূন্য শশিকলাকে সৰ্ব্বলোক হিতার্থে মস্তকে ধারণ করিলেন। ১০৮

    চন্দ্রের চন্দ্রিকাসম্পর্কে ওষধিগণ বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হইল, ওষধিবৃদ্ধি হইলে, যজ্ঞ অনুষ্ঠিত হইতে লাগিল। ১০৯

    যজ্ঞ অনুষ্ঠিত হইতে থাকিলে দেবগণ নিজ নিজ ভাগ এবং পিতৃগণ প্রচুর পরিমাণে কব্যগ্ৰহণ করিতে লাগিলেন। ১১০

    যে সকল দেবতার যজ্ঞভাগ নাই, তাহারা দেবগণের জন্য ব্রহ্মার সৃষ্ট সেই অমৃত দ্বারা তৃপ্তিলাভ করিতে লাগিলেন। ১১১

    যজ্ঞ-আপ্যায়িত সেই অমৃত জ্যোৎস্নাযোগে বৃদ্ধি পায়; জ্যোৎস্না ব্যতীত তাহা ক্ষয় পায়। ১১২

    অতএব চন্দ্র, অমৃত এবং যজ্ঞের অসামান্য কারণ। দক্ষশাপ হইতে সেই চন্দ্রকে রক্ষা করিবার জন্য এতকাণ্ড করিতে হইয়াছিল। ১১৩

    এখনও কৃষ্ণপক্ষে দেবগণ, চন্দ্রের সুধা পান করেন, তেজ-সূর্যমণ্ডলে প্রবিষ্ট হয়, জ্যোৎস্না শিব-শির-স্থিত শশিকলাতে গমন করে। ১১৪

    পুনরায় শুক্লপক্ষে এককলা উদিত হয়, তখন, শিব-মস্তকের শশিকলা হইতে পূর্বপ্রবিষ্ট অপর জ্যোৎস্নাংশ আর সূর্য-মণ্ডল হইতে পূর্ব-প্রবিষ্ট তেজ আসিয়া উদিত কলাতে মিলিত হয়। চন্দ্রের ষোলকলা,–তন্মধ্যে এ, কলা শিবের মস্তকে; অবশিষ্ট কলাসকলের ক্ষয় বৃদ্ধি হয়; তাহাতেই শুক্ল ও কৃষ্ণ উভয় পক্ষ। ১১৫-১১৬

    ব্রহ্মা সেই পৰ্বত-শ্রেষ্ঠোপরি যে কারণে যেরূপে চন্দ্রকে বিভাগ করেন এবং পৰ্ব্বতের নাম চন্দ্রভাগ হয়, যজ্ঞভাগ এবং কব্য (পিতৃভোজ্য অন্নাদি) থাকিতেও যে জন্য ব্রহ্মা চন্দ্রকে দেবগণের ও পিতৃগণের ভোজ্য করেন এবং যেরূপে তিথির ক্ষয়-বৃদ্ধি হয় তৎসমস্ত তোমাদিগকে এই বলিলাম। ১১৭-১১৮

    এই পবিত্রতম উপাখ্যান যে ব্যক্তি একবারও শ্রবণ করিবে, তাহার বংশে কদাচ রাজযক্ষ্মা হইবে না। ১১৯

    যে ব্যক্তি, যক্ষ্মা রোগগ্রস্ত হইয়া ব্রহ্মার এই সকল কথা শ্রবণ করে, সে ব্যক্তি অচিরে রোগমুক্ত হইয়া প্রাধান্য লাভ করে। ১২০

    যে ব্যক্তি এই গুহ্য হইতে গুহ্য পরম-স্বস্ত্যয়নস্বরূপ পবিত্ৰ উপাখ্যান একান্ত চিত্তে শ্রবণ করে, সে অত্যন্ত পুণ্যভাগী হয়। ১২১

    একবিংশ অধ্যায় সমাপ্ত। ২১

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleশ্রীশ্রীচণ্ডী – অনুবাদ : পঞ্চানন তর্করত্ন
    Next Article ওয়ারলক – উইলবার স্মিথ

    Related Articles

    পঞ্চানন তর্করত্ন

    শ্রীশ্রীচণ্ডী – অনুবাদ : পঞ্চানন তর্করত্ন

    September 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }