Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কালিকা পুরাণ (কালিকাপুরাণম্‌) – পঞ্চানন তর্করত্ন সম্পাদিত

    পঞ্চানন তর্করত্ন এক পাতা গল্প667 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ২২. অরুন্ধতীর জন্ম

    দ্বাবিংশ অধ্যায় – অরুন্ধতীর জন্ম

    মার্কণ্ডেয় বলিলেন–সেই মহাগিরির যে সানুতে দেবগণের সভা হইয়াছিল, তথায় বিধাতার বাক্যে সীতা-নাম্নী এক দেবনদী উৎপন্ন হয়। ১

    যখন, দেবগণ চন্দ্রকে মনোহর শীতা-সলিলে স্নান করাইয়া ব্রহ্মার বাক্যানুসারে তাহাকে পান করেন, তখন সেই সীতা জল চন্দ্রের স্নানে অমৃত হইয়া সেই বৃহল্লোহিত সরোবরে নিপতিত হয়। ২-৩

    সেই মানস (মনঃসম্ভুত) সরোবরে অমৃত-জল বৃদ্ধি পাইল; ব্রহ্মা স্বয়ং তাহা দেখিলেন। ব্রহ্মার দর্শন মাত্রে সেই জল হইতে এক উত্তম কন্যা উত্থিতা হইলেন, স্বয়ং ব্রহ্মা, তাহার নাম রাখিলেন, “চন্দ্রভাগা”। ৪-৫

    সমুদ্র, ভাৰ্য্যা করিবার নিমিত্ত ব্ৰহ্মার সম্মতিক্রমে তাহাকে গ্রহণ করিলেন। চন্দ্র, গদার অগ্রভাগদ্বারা সেই পৰ্ব্বতের পশ্চিমপার্শ্বভেদ করিয়া চন্দ্রভাগা নাম্নী সেই রমণীর অধিষ্ঠিত জলরাশি প্রবাহিত করিয়া দেন। ৬-৭

    সেই অমৃত-জলপূর্ণ বৃহল্লোহিত-নামক সরোবর চন্দ্রভাগা নদীরূপে সমুদ্রে গমন করিল। ৮

    তখন সমুদ্রও নিজভাৰ্যা মহানদী চন্দ্রভাগাকে সেই জলপ্রবাহ দ্বারা নিজ ভবনে লইয়া গেলেন। ৯

    গঙ্গা-সদৃশ বিবিধ গুণবতী চন্দ্রভাগা নদী সেই পৰ্বত-প্রধান চন্দ্রভাগে এই রূপে উৎপন্ন হইয়াছিলেন। ১০

    যত নদী বা পৰ্বত–সকলেই স্বভাবতঃ দ্বিরূপ-সম্পন্ন; নদীগণের এক রূপ জল, এতদ্ভিন্ন স্বতন্ত্র শরীর আছে। ১১

    পর্বতের এক মূর্তি পাষাণময় স্থাবর, এতদ্ভিন্ন স্বতন্ত্র দেহ আছে। অর্থাৎ যেমন শুক্তি শঙ্খাদির অন্তর্গত স্বতন্ত্র দেহ এবং বাহিরে অস্থিময় স্বরূপ সর্বদা বিরাজমান। ১২-১৩

    এইরূপ, নদী এবং পর্বতের জল ও স্থাবর মূর্তি-বাহিরে, আর এতদ্ভিন্ন দেহ অন্তরে অবস্থিত তাহা সর্বদা উপযোগী নহে। ১৪

    স্থাবর মূর্তি, পৰ্বতের অন্তরে স্থিত শরীরের পুষ্টি ও তৃপ্তিবিধায়ক; আর, নদীর অন্তরে স্থিত শরীর তদীয় জলময় মূর্তি দ্বারা পোষিত ও তর্পিত হয়। ১৫

    পূর্বকালে, বিষ্ণু, জগৎ-স্থিতির জন্য নদী ও পৰ্ব্বতদিগকে সযত্নে কামরূপী করেন। ১৬

    হে দ্বিজগণ! জল শুষ্ক হইতে থাকিলে নদীর সর্বদা দুঃখ হয়, আর স্থাবরদেহ বিশীর্ণ হইলে পৰ্বতের প্রকৃত শরীর সর্বদা দুঃখাকুল হয়। ১৭

    সেই চন্দ্রভাগ-পৰ্বতে সন্ধ্যাকে বৃহল্লোহিত সরোবরের তীরে অবস্থিত দেখিয়া বসিষ্ঠ, সাদরে জিজ্ঞাসা করিলেন–ভদ্রে! তুমি কি জন্য এই নির্জন গিরিবরে আসিয়াছ? গৌরাঙ্গি! তুমি কার কন্যা? তুমি কিইবা করিতে ইচ্ছা করিয়াছ? ১৮-১৯

    দেখিতেছি, তোমার মুখমণ্ডল পূর্ণচন্দ্র-সদৃশ, কিন্তু এরূপ শ্রীহীন বিষণ্ণ কেন? যদি এ সকল কথা তোমার পক্ষে বিশেষ গোপনীয় না হয়; তাহা হইলে আমি শুনিতে ইচ্ছা করি। ২০

    মার্কণ্ডেয় বলিলেন–সন্ধ্যা, মহাত্মা বসিষ্ঠের কথা শুনিয়া এবং জ্বলন্ত অনল-সন্নিভ মূর্তিমান ব্ৰহ্মচর্যসদৃশ সেই মহাত্মা জটাধারী তপোধন বসিষ্ঠকে অবলোকন করিয়া সাদরে প্রণিপাত-পুরঃসর বলিতে লাগিলেন–দ্বিজবর! আমি যেজন্য। এই পৰ্বতে আসিয়াছি, আপনার দর্শনমাত্রেই তাহা সিদ্ধ হইয়াছে। অথবা, প্রভু হে! অবিলম্বেই তাহা সিদ্ধ হইবে। ২১-২৩।

    ব্ৰহ্মন্! আমি তপস্যা করিবার জন্য এই নির্জন পৰ্বতে আসিয়াছি; আমি ব্রহ্মার মানসী কন্যা, আমার নাম সন্ধ্যা। ২৪

    মুনিবর! আমি তপস্যার কোন উপদেশ প্রাপ্ত হই নাই; যদি এই গোপনীয় বিষয় উপদেশ দেওয়া আপনার অনুচিত না হয়, তাহা হইলে আমাকে উপদেশ দিন। ২৫

    ইহাই আমার গোপনীয় চিকীর্ষিত; আর অন্য কোন কার্যই নাই। ২৬

    আমি তপস্যার ভাব না জানিয়া তপোবনে আসিয়াছি, এই চিন্তায় বিশুষ্ক হইতেছি এবং হৃদয় সতত কম্পিত হইতেছে। ২৭

    মার্কণ্ডের বলিলেন,–ব্ৰহ্মনন্দন বসিষ্ঠ, তাহার এই কথা শুনিয়া আর কিছু জিজ্ঞাসা করিলেন না, কেননা তিনি স্বয়ং সকল তত্ত্বই অবগত ছিলেন। ২৮

    অনন্তর, বসিষ্ঠ, তপস্যা করিবার জন্য কৃতনিশ্চয়া সংযতচিত্তা শিষবৎ সন্ধ্যাকে গুরুবৎ শিক্ষা দিতে লাগিলেন;–যিনি পরম মহৎ জোতিস্বরূপ, যিনি পরম মহৎ তপস্য-স্বরূপ, সেই পরমারাধ্য পরম বিষ্ণুকে মনে মনে চিন্তা কর। ২৯-৩০।

    একমাত্র যিনি, ধর্ম, অর্থ, কাম এবং মোক্ষের আদি কারণ জগতের আদি সেই অদ্বিতীয় পুরুষোত্তমকে ভজনা কর। ৩১

    হে শুভাননে! শঙ্খ-চক্র-গদা-পদ্মধারী, কমললোচন, বক্ষঃস্থলে শ্রীবৎসধারী বনমালী, কেয়ূর-কুণ্ডল-কিরীট-বলয়াদি-ভূষণ-ভূষিত, গরুড়-পৃষ্ঠে শ্বেতশত দলে আসীন, সূর্যমণ্ডলমধ্যস্থিত নিৰ্ম্মল-স্ফটিক-সন্নিভ বা নীলোৎপল-শ্যামল মূর্তি সাকার এবং নিরাকার নিত্যানন্দময় এবং আনন্দ-শূন্য জ্ঞান-গম্য দেব দেব বিষ্ণুকে এই মন্ত্র দ্বারা ভজনা কর। ৩২-৩৫

    “ওঁ নমো বাসুদেবায় ওঁ” সৰ্ব্বদা এই মন্ত্র স্মরণ করত মৌনী তপস্যা আরম্ভ কর। ৩৬

    মৌনী তপস্যা যে কিরূপ, তাহা বলিতেছি শ্রবণ কর। মৌনাবলম্বনে স্নান এবং মৌনাবলম্বনেই পূজা করিতে হইবে। প্রথম ছয় দিন কিছুই আহার করিবে না, কেবল তৃতীয় দিন রাত্রিতে এবং ষষ্ঠ দিন রাত্রিতে পর্ণজলপান করিয়া থাকিবে। ৩৭

    তাহার পর তিন দিন নিরম্বু উপবাস; তৃতীয় দিন রাত্রিতেও জলপান করিবে না। এইরূপ তপস্যা সমাপ্ত হইলে, প্রতি তৃতীয়দিন রাত্রিতে যৎকিঞ্চিৎ ভোজন করিতে পারিবে। ৩৮

    বৃক্ষবল পরিধান, যথাকালে ভূমিতে শয়ন–এই তপস্যার অঙ্গ। ইহার নাম মৌনী তপস্যা; ইহাতে অবিলম্বে ব্ৰতফল পাওয়া যায়। ৩৯

    এইরূপ তপস্যাযোগে মাধবকে দৃঢ়চিন্তা কর। তিনি প্রসন্ন হইয়া অবিলম্বে তোমার মনোরথ পূর্ণ করিবেন। ৪০

    মার্কণ্ডেয় বলিলেন,–এইরূপে বসিষ্ঠ মুনি সন্ধ্যাকে ন্যায্যমত তপশ্চর্যা শিক্ষা দিয়া তথায় অন্তর্হিত হইলেন। ৪১

    সন্ধ্যাও তপস্যার ভাবভঙ্গী বুঝিয়া বৃহল্লোহিত সরোবরতীরে সানন্দে তপস্যা করিতে আরম্ভ করিলেন। ৪২

    বসিষ্ঠ, তপস্যা-সাধন যে মন্ত্র উপদেশ দিয়াছিলেন, সন্ধ্যা তদ্দ্বারা এই ব্রতে ভক্তিভাবে গোবিন্দ পূজা করিতে লাগিলেন। ৪৩

    সন্ধ্যা একাগ্রচিত্তে তপস্যা করিতে লাগিলেন; এইরূপে নারায়ণগত চিত্তে তাহার চারি যুগ কাটিয়া গেল। ৪৪

    তাহার অদ্ভুত তপস্যা দেখিয়া লোকে বিস্ময়াপন্ন হইল; এইরূপ তপস্যা আর কাহারও হইবে না। ৪৫

    মানুষ-প্রমাণে চারিযুগ অতীত হইলে, জগৎপতি বিষ্ণু, সন্ধ্যা যেরূপ চিন্তা করিয়াছিলেন, অন্তরে বাহিরে এবং জীবাত্মাকে সেইরূপ দেখাইয়া তাহার প্রত্যক্ষগোচর হইলেন। ৪৬-৪৭

    অনন্তর, সন্ধ্যা, নিজ-চিন্তিত শঙ্খচক্রগদাপদ্মধারী কমললোচন, কেয়ূর কুণ্ডল-কিরীট-কটক-শোভিত, গরুড়োপরি আসীন, নীলোৎপল-দল-শ্যামল পুণ্ডরীকাক্ষ হরিকে সম্মুখে দেখিয়া “আমি হরিকে কি বলিব? কিরূপেই বা স্তব করিব” এইরূপ চিন্তা করত সভয়ে নয়নযুগল মুদ্রিত করিলেন। ৪৮-৫০

    মধুসূদন, সেই মুদ্রিত-নয়না সন্ধ্যার হৃদয়ে প্রবিষ্ট হইয়া তাহাকে দিব্য জ্ঞান, দিব্য বাক্য এবং দিব্য চক্ষু দান করিলেন। ৫১

    তখন সন্ধ্যা দিব্য জ্ঞান, দিব্য বাক্য এবং দিব্য চক্ষু লাভ করিয়া প্রত্যক্ষে গোবিন্দ দর্শন করত সেই জগদীশ্বরকে স্তব করিতে লাগিলেন,–জ্ঞানগম্য পরাৎপর ন-স্থূল, ন-সূক্ষ্ম ন-বৃহৎ যদীয় নিরাকার রূপ–যোগিগণ, অন্তরে ধ্যান করেন, সেই হরিকে আমি নমস্কার করি। ৫২-৫৩

    যাহার শিব, শান্ত, নির্মল, নির্বিকার, জ্ঞানাতীত স্বপ্রকাশ রূপ প্রকাশ কারক মার্তণ্ড-সন্নিভ এবং তমঃপারে অবস্থিত; সেই তোমাকে আমি নমস্কার করি। ৫৪

    যাহার এক শুদ্ধ দীপ্যমান মনোহর স্বাভাবিক চিদানন্দময়, অনলাত্মক প্রসন্ন রূপ নিত্যানন্দময়, সৎ, বিবিধ-প্রকার এবং শ্রীপ্রদ তাহাকে নমস্কার। ৫৫

    তত্ত্বজ্ঞান সঙ্কেতে উদ্ভাবনীয়, বস্তুতঃ পৃথক হইলেও সত্ত্ব-সংবৃত আত্ম-স্বরূপে ধ্যেয়, সারাৎসার, যদীয় রূপ, সৰ্ব্বপারবর্তী এবং পাবনের পাবন, সেই তোমাকে নমস্কার করি। ৫৬

    যোগিগণ যে তোমার নিত্য অজর অব্যয় সর্বব্যাপক রূপকে অষ্টাঙ্গ সমাধি-পরম্পরা দ্বারা চিন্তা করেন এবং জ্ঞান-যোগ-দ্বারা তাহা প্রাপ্ত হইয়া পরমপদ লাভ করেন, সেই তোমাকে আমি নমস্কার করি। ৫৭

    যিনি সাকার শুদ্ধরূপে গরূড়োপরি-সংস্থিত, মনোহর নীলনীরদসন্নিভ এবং শঙ্খচক্রগদাপদ্মধারী, সেই যোগযুক্ত তোমাকে আমি নমস্কার করি। ৫৮

    পৃথিবী, জল, তেজ, বায়ু আকাশ, কাল এবং দিঙ্মণ্ডল যাহার রূপ-সেই তোমাকে নমস্কার করি। ৫৯

    প্রকৃতি এবং পুরুষ, যাঁহার কাজের অংশমাত্র; সেই প্রধান পুরুষ হইতেও অব্যক্তরূপ গোবিন্দকে নমস্কার করি। ৬০

    যিনি স্বয়ং পঞ্চভূত, যিনি স্বয়ং আবার তাহাদিগের গুণ এবং যে পরাৎপর জগতের আধার, সেই তোমাকে বারংবার নমস্কার করি। ৬১

    যে দেব, পরমাত্মা জগন্ময় অক্ষয় অব্যয় পরম পুরাণ-পুরুষ, সেই তোমাকে নমস্কার করি। ৬২

    যিনি ব্রহ্মারূপে সৃষ্টি, বিষ্ণুরূপে স্থিতি করেন এবং যিনি রুদ্ররূপে সংহার করিবেন, সেই তোমাকে বার বার নমস্কার করি। ৬৩

    যিনি কারণের কারণ, দিব্যামৃত-জ্ঞান-বিভূতি প্রদাতা, সমস্ত লোকের অন্তরে মোহান্ধকারজনয়িতা এবং স্বপ্রকাশরূপ, সেই পরাৎপরকে বারবার–নমস্কার। ৬৪

    যাহার চরণ হইতে পৃথিবী, চক্ষু হইতে সূর্য, মন হইতে চন্দ্র, মুখ হইতে বহ্নি এবং নাভি হইতে অন্তরীক্ষ উৎপন্ন–এইরূপ সমস্ত জগৎই যাহার প্রপঞ্চ বলিয়া কথিত, তুমি সেই হরি; তোমাকে নমস্কার করি। ৬৫

    হরি হে! তুমি পরাৎপর পরমাত্মা; তুমিই পরম শব্দব্রহ্মরূপা ব্ৰহ্মবিচারণ পরায়ণ। বিবিধ-প্রকার পরমতত্ত্ব বিদ্যা। যে জগদীশ্বরের আদি-মধ্য-অন্ত নাই, সেই বাক্য মনের অতীত দেবকে স্তব করিব কিরূপে? ৬৬-৬৭

    ব্ৰহ্মাদি দেবগণ এবং তপোধন মুনিগণ, যাহার অনন্তরূপ জানিতে পারেন না, আমি তাহাকে কেমনে বর্ণনা করিব? ৬৮

    প্রভু হে! তুমি নির্গুণ, আমি স্ত্রীলোক; আমি তোমার গুণাবলী জানিব কিরূপে? ইন্দ্র প্রভৃতি দেব দানবগণেও তোমার রূপ অবগত নহেন। ৬৯

    হে জগন্নাথ! তোমাকে নমস্কার করি; হে তপোময়! তোমাকে নমস্কার করি, হে ভগবন। প্রসন্ন হও, আমি তোমাকে ভূয়োভুয় নমস্কার করি। ৭০

    মার্কণ্ডেয় বলিলেন,–অনন্তর শ্রীহরি নারায়ণ, সন্ধ্যার অজিন-বল্কল সংবৃত মস্তক-স্থিত-পবিত্র-জটা-কলাপে শোভিত ক্ষীণ শরীর এবং শিশির-পীড়িত কমলোপম বিশুষ্ক মুখমণ্ডল নিরীক্ষণ করিয়া সদয়ভাবে বলিতে লাগিলেন। ৭১-৭২

    হে শুভবুদ্ধিশালিনি! ভদ্রে! তোমার পরম তপস্যায় এবং স্তবে আমি প্রীত হইয়াছি; এখন যে বরে তোমার ইষ্টসিদ্ধি হয়, সেই বর প্রার্থনা কর। ৭৩

    তুমি বল; আমি তোমার মনোগত বর প্রদান করিব; তোমার মঙ্গল হউক, আমি তোমার প্রতি প্রসন্ন হইয়াছি। ৭৪

    সন্ধ্যা বলিলেন,–দেব! যদি আমার তপস্যার তুমি প্রসন্ন হইয়া থাক, তাহা হইলে আমি প্রথমেই এই বর চাহি, প্রদান কর। ৭৫

    হে দেবেশ! পৃথিবীতলে প্রাণিগণ উৎপন্ন হইবামাত্র যেন সকাম না হয়, কিন্তু কালক্রমে যেন সকাম হয়। ৭৬

    “আমি যেন ত্রিজগতে পতিব্রতা বলিয়া বিখ্যাত হই” এই আমি দ্বিতীয়, বর প্রার্থনা করিলাম। ৭৭

    হে জগন্নাথ! স্বামী ব্যতীত অপর কাহারও প্রতি আমার যেন সকাম দৃষ্টি পতিত না হয় এবং স্বামীও যেন আমার বিশেষ সুহৃৎ হন। ৭৮

    যে পুরুষ, আমাকে কামভাবে অবলোকন করিবে, তাহার যেন পুরুষত্ব নষ্ট হয় এবং ক্লীবত্ব হয়। ৭৯

    ভগবান্ বলিলেন, প্রথম শৈশবাবস্থা, দ্বিতীয় কৌমারাবস্থা, তৃতীয় যৌবনাবস্থা, আর চতুর্থ বৃদ্ধাবস্থা। ৮০

    প্রাণিগণ, তৃতীয় বয়োভাগ প্রাপ্ত হইলে, সকাম হইবে। দ্বিতীয় ভাগের অন্তেও কদাচিৎ হইবে। ৮১

    প্রাণিগণ, উৎপন্ন হইবামাত্র যাহাতে সকাম না হয় এইরূপ নিয়ম তোমার তপস্যা প্রভাবে আমি জগতে স্থাপন করিলাম। ৮২

    ত্রিজগতে আর কাহারও যাদৃশ সতীত্ব হইতে পারিবে না, তুমি তাদৃশ সতীত্ব প্রাপ্ত হও। ৮৩

    তোমার পাণিগ্রহীতা ব্যতীত যে ব্যক্তি, কামভাবে তোমাকে দেখিবে–সে তৎক্ষণাৎ ক্লীব হইয়া দুৰ্বলত্ব প্রাপ্ত হইবে। ৮৪

    তোমার স্বামী, মহাভাগ তপোরূপ-সমন্বিত এবং তোমার সহিত সপ্তকল্পান্ত-জীবী হইবেন। ৮৫

    এইরূপ তুমি আমার নিকট যে সকল বর প্রার্থনা করিলে, আমি তাহা দিলাম। আর তোমার মনে যা ছিল, আমি তাহাও বলিয়া দিতেছি। ৮৬

    তুমি, অগ্নিতে দেহত্যাগ করিতে পূৰ্বেই প্রতিজ্ঞা করিয়াছ, মেধাতিথি মুনির দ্বাদশবার্ষিক যজ্ঞে আহুতি- প্রজ্বলিত অনলে অবিলম্বে তাহা সম্পাদন কর। মেধাতিথি, এই পৰ্বতের উপত্যকা ভূমিতে চন্দ্রভাগা নদীতীরে তপসাশ্রমে মহাযজ্ঞ করিতেছেন। ৮৭-৮৯

    আমার প্রসাদে তুমি তথায় মুনিগণের অলক্ষ্যে প্রচ্ছন্নভাবে গমন করিয়া উক্ত কাৰ্য্য সমাধা করিতে পারিবে। ৯০

    অনন্তর বহ্নিসম্ভূতা হইয়া সেই মেধাতিথির দুহিতা হইবে। যে কোন ব্যক্তিকে তুমি স্বামী করিতে বাঞ্ছা কর, তাহাকে নিজ হৃদয়ে ধ্যান করত অনলে দেহ ত্যাগ করিবে। ৯১

    সন্ধ্যে! যখন তুমি এই পৰ্বতে চতুর্যুগব্যাপী কঠোর তপস্যা করিতে থাক, তখন সত্যযুগ অতীত হইবে। ৯২

    ত্রেতাযুগের প্রথম ভাগে দক্ষের কতকগুলি কন্যা উৎপন্ন হয়। তন্মধ্যে তিনি, সাতাইশটী কন্যা চন্দ্রকে সম্প্রদান করেন। ৯৩

    অনন্তর, সেই সকল কন্যার জন্যই দক্ষ রোষাবেশে চন্দ্রকে শাপ দেন। তখন সকল দেবতারাই তোমার অতি নিকটেই আসিয়াছিলেন। ৯৪

    তুমি আমার প্রতি একাগ্রচিত্ত হইয়াছিলে। তুমি ব্রহ্মা বা অন্য দেবতা কাহাকেও দেখিতে পাও নাই। তপঃপ্রভাবে তোমাকেও তাহারা দেখিতে পান নাই। ৯৫

    বিধাতা, চন্দ্রের শাপমোচনাৰ্থ যখন এখানে চন্দ্রভাগা নদীর সৃষ্টি করেন, মেধাতিথি মুনি, তখনই আসিয়া উপস্থিত হন। ৯৬

    তাঁহার তুল্য তপোনিষ্ঠ ব্যক্তি ভূত, ভবিষ্যৎ, বর্তমানে নাই। তিনি মহা বিধানে জ্যোতিষ্টোম-যজ্ঞ আরম্ভ করিয়াছেন। ৯৭

    সেই যজ্ঞে প্রজ্বলিত অনলে নিজ কলেবর পরিত্যাগ কর। ৯৮

    হে তপস্বিনি। তোমার কার্যসিদ্ধির জন্য আমি এই সমস্ত ঘটনা ঘটাইয়া রাখিয়াছি। মহাভাগে। এখন নিজ কার্য সম্পাদন কর;–মহামুনির যজ্ঞে যাও। ৯৯

    মার্কণ্ডেয় বলিলেন,–অনন্তর স্বয়ং নারায়ণ হস্তাগ্রদ্বারা সন্ধ্যাকে স্পর্শ করিলে, ক্ষণমধ্যে তাহার শরীর পুরোড়াশময় হইল। ১০০

    মহামুনি মেধাতিথির সেই বিশ্বোপকারক যজ্ঞে অগ্নি যাহাতে ক্রব্যদাতা (অবৈধ-মাংসদাহকত্ব) প্রাপ্ত না হন, এই জন্যই নারায়ণ ঐরূপ করিলেন অর্থাৎ সন্ধ্যা-শরীরকে পুনরাডাশময় করিলেন। ১০১

    জগন্নাথ, নারায়ণ এইরূপ করিয়া তথায় অন্তর্হিত হইলেন। সন্ধ্যাও মেধাতিথি মুনির যজ্ঞে গমন করিলেন। ১০২

    অনন্তর, সন্ধ্যা, বিষ্ণুর প্রসাদে সকলের অলক্ষ্যে মেধাতিথি মুনির যজ্ঞে প্রবিষ্ট হইলেন। ১০৩

    পূৰ্বে বসিষ্ঠ ব্রহ্মার আদেশে ব্রহ্মচারিবেশে সন্ধ্যাকে তপস্যা করিবার বিধি উপদেশ দেন। ১০৪

    সেই তপস্যানুষ্ঠানের উপদেশক ব্রহ্মচারী ব্রাহ্মণকেই পতিভাবে মনে করিয়া ব্রহ্ম-নন্দিনী সন্ধ্যা, বিষ্ণুর প্রসাদে মুনিগণের অলক্ষ্যে সেই যজ্ঞীয় প্রজ্বলিত হুতাশনে প্রবেশ করিলেন। ১০৫-১০৬

    অনন্তর, পুরোডাশময় সন্ধা-শরীর তৎক্ষণাৎ অলক্ষিতভাবে দগ্ধ হইয়া পুরোডাশের গন্ধ বিস্তার করিতে লাগিল। ১০৭

    বহ্নি তাঁহার শরীর দগ্ধ করিয়া বিষ্ণুর অনুমতিক্রমে সেই বিশুদ্ধ দেহকে সূর্যমণ্ডলে স্থাপিত করিলেন। ১০৮

    সূৰ্য সেই শরীর দ্বিধা বিভক্ত করিয়া পিতৃগণ ও দেবগণের প্রীতির উদ্দেশে নিজ রথে স্থাপিত করিলেন। ১০৯

    হে দ্বিজোত্তমগণ! তদায় শরীরের ঊর্ধ ভাগ–দিবসের আদি ও অহো রাত্রের মধ্যগামিনী প্রাতঃসন্ধ্যা। ১১০

    শেষভাগ–দিবসের অন্ত ও অহোরাত্রের মধ্যভাগিনী পিতৃগণের সতত প্রীতি-দায়িনী সায়ং-সন্ধ্যা হইল। ১১১

    সূর্যোদয়ের পূর্বে যখন অরুণোদয় হয়, তখন দেবগণের প্রীতিদায়িনী প্রাতঃসন্ধ্যার উদয় হইয়া থাকে। ১১২

    আর সূর্য অস্তমিত হইলে, রক্ত-কমল-সন্নিভা পিতৃপণের আনন্দ-বিধায়িনী সায়ংসন্ধ্যা উদিত হন। ১১৩

    আর প্রভু বিষ্ণু, সন্ধ্যার প্রাণবায়ুকে দিব্য-শরীর ও মনঃসম্পর্কে শরীরী করিয়া মেধাতিথির যজ্ঞীয় অনলে স্থাপন করিলেন। ১১৪

    অনন্তর, মুনি মেধাতিথি তাহাকে যজ্ঞাবসানে অগ্নিমধ্যে তপ্তকাঞ্চন-বৰ্ণা কন্যা রূপে প্রাপ্ত হইলেন। ১১৫

    তখন মুনি, সেই কন্যাকে যজ্ঞীয় অর্ঘ্যজলে স্নান করাইয়া, সদয়ভাবে সানন্দে নিজ ক্রোড়ে গ্রহণ করিলেন। ১১৬

    মুনি, তাহার নাম রাখিলেন “অরুন্ধতী”। এই কার্যে মুনিবর মেধাতিথি শিষ্যগণ সমভিব্যাহারে অত্যন্ত আনন্দলাভ করিলেন। ১১৭।

    তিনি কোন কারণেই ধর্মরোধ করেন না, এই জন্য ত্রৈলোক্যবিখ্যাতা সেই “অরুন্ধতী” নাম তাহার অর্থপূর্ণ হইল। ১১৮

    মহর্ষি মেধাতিথি, যজ্ঞ সমাপন করাতে কৃত-কৃত্য এবং তনয়া লাভে আনন্দিত হইয়া সেই নিজ আশ্রমে শিষ্যবর্গসহ নিরন্তর সেই কন্যাকেই লালন পালন করিতে লাগিলেন। ১১৯

    দ্বাবিংশ অধ্যায় সমাপ্ত। ২২

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleশ্রীশ্রীচণ্ডী – অনুবাদ : পঞ্চানন তর্করত্ন
    Next Article ওয়ারলক – উইলবার স্মিথ

    Related Articles

    পঞ্চানন তর্করত্ন

    শ্রীশ্রীচণ্ডী – অনুবাদ : পঞ্চানন তর্করত্ন

    September 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }