Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কালিকা পুরাণ (কালিকাপুরাণম্‌) – পঞ্চানন তর্করত্ন সম্পাদিত

    পঞ্চানন তর্করত্ন এক পাতা গল্প667 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ২৪. শিবের অন্তর হইতে মায়ার অপসারণ ও শিবের তপস্যা

    চতুর্বিংশ অধ্যায় – শিবের অন্তর হইতে মায়ার অপসারণ ও শিবের তপস্যা

    মার্কণ্ডেয় বলিলেন,– অনন্তর, হিমালয় পর্বতপ্রস্থে শিপ্র-সরোবরতীরে আসীন মহেশ্বর, নিকটবর্তী সেই সরোবর অবলোকন করিতে লাগিলেন। ১

    ব্ৰহ্মা এবং বিষ্ণু, ধ্যান করিতে বারংবার অনুরোধ করায় তিনি ধ্যান করিতে মনস্থ করিলেন। ২।

    সেই স্মরহর আত্ম-সাহায্যে আত্মাতেই আত্ম-দর্শন করিবার জন্য দৃঢ়চিত্তে ধ্যান করিতে পরম যত্নশীল হইলেন। ৩

    মহাদেবের চিত্ত ধ্যানপ্রবণ হইয়াছে দেখিয়া ব্ৰহ্মাদি দেবগণ ভাবিলেন, শিব, মায়া-মোহিত হওয়াতেই সতীশোকে আকুল হইয়া সাতিশয় বিলাপ করিতেছেন; জগজ্জননী মায়াই ইহার মোহকারণ। অতএব এই মায়াকে নিঃসারিত করিয়া শিবের চিত্তকে ধ্যানে আসক্ত নিরাকুল ও নিরঞ্জন করিব। অতএব সংযত চিত্তে বিষ্ণুশক্তি মায়াকে স্তব করা যাক। সতী পুনরায় জন্ম গ্রহণ করিয়া যতদিন না শিবের অঙ্কশায়িনী হন, ততদিন ইনি শোকহীনচিত্তে নিষ্কল পরমব্রহ্ম ধ্যান করুন। ৪-৯

    মনে মনে ইহা চিন্তা করিয়া ব্ৰহ্মাদি দেবগণ, মহামায়া যোগনিদ্রাকে স্তব করিতে আরম্ভ করিলেন। ১০

    পরমনিষ্কলা মহত্তত্ত্ব প্রকৃতিরূপা স্থূল-সূক্ষ্ম-কাৰ্য-কারণ-জ্ঞান-অজ্ঞান রূপিণী ঐকান্তিক প্রীতি ও পুষ্টিস্বরূপা পবিত্রা পাবনী ক্ষেমঙ্করী শ্ৰীশক্তি শিবাকে আমরা মহা ভক্তিসহকারে স্তব করি। ১১-১২

    তুমি মেধা, তুমি ধৈৰ্য্য, তুমি লজ্জা, তুমি একা হইয়াও সৰ্বব্যাপিনী; তুমি আত্মপ্রপঞ্চ জগতের প্রকাশকারিণী দিবাকরদীধিতি। ১৩

    যাহা ব্রহ্মাণ্ডের আধার; যাহা জগতের কারণ এবং জগৎ; যাহা ব্রহ্মাদিকে আপ্যায়িত করে; তুমি সেই জল এবং তুমিই নদী। ১৪

    একমাত্র যে সদাগতি, সৰ্ব্বজগতের প্রাণ ও দেবগণের আধার, সেই বায়ু তোমারই অংশ। ১৫

    যে এক জ্যোতি সৰ্বত্ৰসমিদ্ধ সৰ্বব্যাপক ও জগৎকারণ আর বহুধা পরি দৃশ্যমান হইয়া থাকে, সেই জ্যোতি তোমারই রূপ। ১৬

    যে বস্তু–ব্রহ্মলোক পাতাল ও উহার মধ্যবর্তী সমুদায় লোক ব্যাপ্ত করিয়া রহিয়াছে, তুমিই সেই ব্রহ্মাণ্ডের মধ্য বাহ্য ও সৰ্ব্বত্র অবস্থিত আকাশ। ১৭

    প্রপঞ্চ-প্রসবিনী তুমিই কুলাচল-কুল-নিয়ন্ত্রিতা লোকমাতা জগদ্ধাত্রী অচলা মাধবী ধরণী। ১৮

    তুমি বুদ্ধি, তুমি বুদ্ধির বিষয় পদার্থসমূহ; তুমি মা! ছন্দোগতি; তুমি বেদমাতা গায়ত্রী সাবিত্রী সরস্বতী। ১৯

    তুমি নিখিল জগতের বার্তা, তুমি কামরূপিণী ত্রয়ী (ঋগ যজুঃ সাম)। ২০

    তুমি নিদ্রারূপে, স্বর্গাদিনিবাসী অমরাদি প্রাণিগণকে সুখী করত মুগ্ধ কর। ২১

    তুমি ধর্মিষ্ঠদিগের সুখ; পাপিষ্ঠদিগের দুঃখ; তুমি নীতিজ্ঞদিগের সুখ দায়িনী লক্ষ্মী, তুমি অন্তকালস্থায়িনী ও ধৈর্য্যস্বরূপা। ২২

    তুমি সৰ্ব্বজগতের শান্তি, তুমি শশধরের কান্তি, তুমি সৰ্ব্বভূতের জননী, তুমিই নারায়ণ-বিমোহিনী লক্ষ্মী। ২৩।

    তুমি পঞ্চভূতের সারকী তত্ত্বরূপিণী, তুমিই ত্রৈলোক্যরূপা মহামায়া, তুমি জনগণ-বিমোহিনী তন্দ্রা। ২৪

    পরমেশ্বর যাহার সাহায্যে সৰ্ব্বভূতকে সংসারচক্রে আরোহণ করাইয়া ভ্রমণ করাইতেছেন, হে মহেশ্বরি! তুমি সেই মায়া। ২৫

    তুমি জয়যুক্তদিগের জয়শক্তি, তুমি লজ্জা ও উত্তম নীতি, তুমি সামবেদের গীতি, তুমিই যজুর্বেদের নিগদময় মন্ত্র। ২৬

    সমস্ত দেবগণের শক্তিরূপিণী জ্যোতির্ময়ী যে দেবীকে একমাত্র সত্ত্বগুণের সাহায্যে সাক্ষাৎ করা যায় ও যিনি রজোগুণপ্রপঞ্চ সাহায্যে জগতের উপাদান কারণ হইতেছেন, আমরা তাহাকে স্তব করিতেছি, তিনি আমাদিগের মঙ্গল দায়িনী হউন। ২৭

    হে শিবে! তুমি চৈতন্যশক্তিহীন প্রকৃতি, তুমি সংসারসমুদ্রের ভীষণ তরঙ্গ স্বরূপ দুঃখজাল হইতে নিস্তারকারিণী, যোগের অষ্টাঙ্গরূপ পারসাধন কেনিপাত (দাঁড়) বিক্ষেপে বেগবতী তরণী; তোমাকে আমরা প্রণাম করি। ২৮

    যিনি নিদ্রারূপে ত্রিলোকবাসীদিগের নাসিকা, মুখ, চক্ষু, বাহু, বক্ষঃস্থল এবং মন অবলম্বন করিয়া নিরন্তর সুখ সম্পাদন করেন, সেই ধৃতি-স্মৃতি-বৃত্তি রূপিনী দেবী আমাদিগের প্রতি প্রসন্ন হউন। ২৯

    যিনি সৃষ্টি-স্থিতি-প্রলয়রূপিণী, এবং সৃষ্টি-স্থিতি-প্রলয়-শক্তি, সেই মায়া আমাদিগের প্রতি প্রসন্ন হউন। ৩০

    মার্কণ্ডেয় বলিলেন,–তখন মহামায়া যোগনিদ্রা, দেবগণকৰ্ত্তক এইরূপ স্তুত হইয়া মহাদেবের হৃদয় হইতে সত্বর সম্পূর্ণরূপে নিঃসৃত হইলেন। ৩১

    মায়া নিঃসৃত হইলে, বিশ্বরূপী স্বয়ং মধুসূদন শান্তিসম্পাদনাৰ্থ শিবের অন্তরে প্রবেশ করিলেন। ৩২

    যেরূপে প্রতিকল্পে সৃষ্টি-স্থিতি-প্রলয় হয়, অচ্যুত তাহার অন্তরে প্রবিষ্ট হইয়া তাহা দেখাইতে লাগিলেন। ৩৩

    তিনি যেরূপে সতী শিবের ভাৰ্য্য হন, সতী যে বস্তু, যাহার কন্যা এবং যেরূপে দেহত্যাগ করেন–তৎসমস্ত দেখাইলেন। ৩৪

    তিনি, বহির্ব্যক্ত, অন্তঃসারশূন্য এই রাজসপ্রপঞ্চ মুহুর্মুহুঃ দেখাইয়া শিবের মনকে পরম তেজে সন্নিবেশিত করিয়া দিলেন। ৩৫

    তখন মহাদেবও সেই সমস্ত প্রপঞ্চ বারংবার দর্শন করিয়া নিঃসারবোধে সার বস্তুতে মনোনিবেশ করিলেন। ৩৬

    তখন দেববৃন্দবন্দিতা মায়া ব্ৰহ্মাদিসমীপে কৰ্ত্তব্য-পালনে অঙ্গীকার করিয়া সত্বর অন্তর্হিত হইলেন। ৩৭

    ভগবান্ নারায়ণ, শিবের মন পরম পদে নিবেশিত করিয়া সূৰ্যমণ্ডল হইতে চন্দ্রের ন্যায় তদীয় অভ্যন্তর হইতে নিঃসৃত হইলেন। ৩৮

    তখন ব্রহ্মা বিষ্ণু প্রভৃতি সকলে, কৃতকার্য হইয়া মহাদেবকে সেই পৰ্বতে পরিত্যাগপূর্বক প্রীতি-যুক্ত-চিত্তে স্ব স্ব স্থানে প্রস্থান করিলেন। ৩৯

    ইন্দ্রাদি দেবগণ, ধ্যানাসক্ত ব্ৰহ্মরূপী চন্দ্রশেখর মহেশ্বরকে প্রণাম করিয়া স্ব স্ব স্থানে গমন করিলেন। ৪০

    সেই দেবগণ, গমন করিলে বৃষবাহন মহেশ্বর, দিব্যমানে সহস্র বৎসর পরম জ্যোতি ধ্যান করিতে লাগিলেন। ৪১

    ঋষিগণ বলিলেন,–মধুসূদন, শম্ভু-হৃদয়ে প্রবিষ্ট হইয়া কিরূপে প্রতিকল্পের সৃষ্টি-স্থিতি-প্রলয় যথার্থরূপে প্রদর্শন করিলেন? ৪২

    আর সেই কৈটভসূদন রাজস জগৎপ্রপঞ্চ এবং তাহার সারশূন্যতা প্রদর্শন করিলেন কিরূপে? ৪৩

    কিরূপেই বা তিনি সেই পরমগুহ্য সনাতন পরম জ্যোতি দেখাইলেন? হে দ্বিজবর! আমরা তোমার নিকট হইতে এই পরম মঙ্গলপ্রদ অদ্ভুত উৎকৃষ্ট ধর্মকথা শ্রবণ করিতে ইচ্ছা করি। ৪৪-৪৫

    মার্কণ্ডেয় বলিলেন–হে দ্বিজসত্তমগণ! আমি বরাহ-কল্পীয় সৃষ্টির কথা বলিতেছি। সৃষ্টি বরাহ-কল্পে যেরূপ, অন্যান্য কল্লেও সেইরূপ জানিবে। ৪৬

    হরি, শিবকে আদি সৃষ্টি প্রদর্শন করিয়া যেরূপ প্রতিসৃষ্টিতে প্রলয়াদি দেখিলেন, তাহা শ্রবণ কর। ৪৭

    হে বিপ্রগণ! প্রথমতঃ প্রলয় বর্ণন, তৎপরে বরাহ-কল্পীয় আদি সৃষ্টি ও প্রলয় কীৰ্ত্তন করিব–শ্রবণ কর। ৪৮

    এক এক নয়ন-নিমীলনে এক এক নিমেষ, ইহা কালের অংশবিশেষ। অষ্টাদশ নিমেষে এক কাষ্ঠা, ত্রিংশৎ কাষ্ঠায় এক কলা। ৪৯

    ত্রিংশৎ কলাতে এক ক্ষণ, দ্বাদশ ক্ষণে এক মুহূর্ত,–ত্রিংশৎ মুহূর্তে মনুষ্যের এক অহোরাত্র। ৫০

    পঞ্চদশ অহোরাত্রে এক পক্ষ, দুই পক্ষে, মনুষের এক মাস, পিতৃগণের এক অহোরাত্র। ৫১

    দ্বাদশ মাসে মনুষ্যদিগের এক বৎসর–দেবগণের এক অহোরাত্র। কৃষ্ণ পক্ষ-পিতৃ-দিন, অতএব পিতৃকাৰ্য্য তাহাতেই কর্তব্য। ৫২

    আর শুক্লপক্ষ তাহাদিগের নিদ্রোপযোগিনী রজনী বলিয়া কীৰ্ত্তিত। উত্তরায়ণ ছয়মাস-দেবগণের দিন, দক্ষিণায়ন ছয়মাস দেবগণের নিদ্রোপযোগিনী রজনী। নিম্নলিখিত সৌর দুই দুই মাসে এক এক ঋতু, তিন ঋতুতে মনুষ্যদিগের অয়ন, ছয় ঋতুতে বৎসর। ৫৩-৫৫

    হে দ্বিজগণ! চৈত্র প্রভৃতি দুই দুই মাসে ঋতু; ঋতুগণের বিশেষ বিশেষ সংজ্ঞা আছে, তাহা পৃথক পৃথক্‌ শ্রবণ কর। ৫৬

    চৈত্র-বৈশাখ বসন্তঋতু, জ্যৈষ্ঠ-আষাঢ় গ্রীষ্মঋতু, শ্রাবণ-ভাদ্র বর্ষাঋতু, আশ্বিন কার্তিক শরৎ-ঋতু, অগ্রহায়ণ-পৌষ হেমন্ত-ঋতু, আর মাঘ-ফাল্গুন শিশিরঋতু; এই ছয় ঋতু কথিত হইল। কোন যজ্ঞাদি কার্যের কাল বসন্ত, কোন যজ্ঞাদি কার্যের কাল গ্রীষ্ম, এইরূপে সকল ঋতুই যজ্ঞাদি-কার্য্যের বিহিত কাল। ৫৭-৫৮

    মনুষ্য-পরিমাণে সপ্তদশ লক্ষ অষ্টাবিংশতি সহস্র বৎসর সত্যযুগের পরিমাণ। ৫৯

    তন্মধ্যে চারিশত বৎসর সন্ধ্যা এবং চারিশত বৎসর সন্ধ্যাংশ। ইহা লইয়া সত্যযুগের পরিমাণ সপ্তদশ লক্ষ অষ্টাবিংশতি সহস্র। ৬০

    মনুষ্য পরিমাণে বার লক্ষ ছিয়ানব্বই হাজার বৎসর–ত্রেতাযুগের পরিমাণ। তন্মধ্যে তিন শত বৎসর সন্ধ্যা ও তিন শত বৎসর সন্ধ্যাংশ। ৬১-৬২

    মনুষ্য পরিমাণে আট লক্ষ চৌষট্টি হাজার বৎসর দ্বাপরযুগের পরিমাণ, তন্মধ্যে তিনশত বৎসর সন্ধ্যা ও তিনশত বৎসর সন্ধ্যাংশ। ৬৩

    চারি লক্ষ বত্রিশ হাজার বৎসর কলিযুগের পরিমাণ, তন্মধ্যে দেড় শত বৎসর সন্ধ্যা আর এক শত বৎসর সন্ধ্যাংশ। ৬৪-৬৫

    সত্য ত্রেতা দ্বাপর কলি–এই চারিযুগ, মনুষ্য প্রমাণে এইরূপ হইয়া থাকে অর্থাৎ সন্ধ্যা-সন্ধ্যাংশ-সমন্বিত এই চারিযুগের পরিমাণ ত্ৰিচত্বারিংশৎ লক্ষ বিংশতি সহস্র বৎসর। ৬৬-৬৭

    মনুষ্যের এক বৎসরে এক দৈব অহোরাত্র; এইরূপ নিয়মানুসারে গণনা করিলে মনুষ্যদিগের চতুর্যুগে দেবতাদিগের বার হাজার বৎসর। ৬৮

    তাহা মনুষ্যদিগের সন্ধ্যা-সন্ধ্যাংশ-সংযুক্ত চারিযুগ। পাপপুণ্যাদি ব্যবস্থানুসারে সত্য ত্রেতা দ্বাপর কলি–এইরূপ যুগভেদ ব্যবহার দেবগণের নাই। ৬৯-৭০

    মনুষ্যদিগের চারি যুগে এক দৈব যুগ হয়; একসপ্ততি দৈবযুগে এক মন্বন্তর। ৭১

    দৈব দুইসহস্র যুগে এবং মনুষ্যদিগের দুই সহস্র চতুর্যুগে ব্ৰহ্মার অহোরাত্র। ৭২

    এক ব্ৰহ্মদিনে চতুর্দশ মনুর অধিকার। মনুষ্যদিগের ন্যায় এইরূপ ব্রাহ্মদিব-মানানুসারে তিনশত ষাট দিনে ব্রহ্মার এক বৎসর হইয়া থাকে। ৭৩

    ব্ৰহ্মার পঞ্চাশৎ বৎসরে এক পরার্দ্ধ–তাহাই ঈশ্বরের দিন, ঈশ্বরের রাত্রিও ঐ পরিমাণ। ৭৪

    ব্ৰহ্মার একশত বৎসরে দ্বিপরার্দ্ধ কাল, এই দ্বিপরার্দ্ধকাল অতীত হইলে ব্ৰহ্মার লয় হয়। ৭৫

    ব্ৰহ্মা পরমবস্তুতে লীন হইলে, জগন্মণ্ডলের প্রাকৃত লয় হইয়া থাকে। যিনি সমস্ত জগতের আধার পরাৎপর অব্যয় ব্রহ্ম, তাহার অহোরাত্র “পর” নামে অভিহিত; তাহার অর্ধের নাম পরার্দ্ধ। ৭৬-৭৭

    জগৎস্বরূপী অক্ষয় অব্যয় ভগবান্ পরমাত্মা–স্থূল হইতে স্থূলতম, সূক্ষ্ম হইতে সূক্ষ্মতম। ৭৮

    তাঁহার আবার দিবারাত্রি ও বৎসরাদির ব্যবহার কি? ৭১

    কিন্তু পূর্বে পৌরাণিকগণ এবং তাহাদিগের পথাবলম্বী আমরাও সৃষ্টি প্রলয়ের বোধ-সৌকাৰ্য্যার্থে তাহার অহোরাত্র কল্পনা করিয়া লইয়াছি। ৮০

    তিনিই দিবা রাত্রি, তিনিই বৎসর, তিনিই পৃথিবী, তিনিই সৃষ্টিকর্তা আবার তিনিই সংহারকর্তা; সেই পুরাণ-পুরুষ বিশ্বরূপী এবং সমস্ত বিশ্ব তাহাতেই প্রকাশিত। ৮১

    ব্ৰহ্ম, নিত্য পরমাত্মায় বিলীন হইলে, সমস্ত জগৎই ক্রমে ক্রমে সেই পরমাত্মভাবে পরিণত হইতে থাকে। ৮২

    ব্রহ্মার শতবর্ষ-শেষে রুদ্ররূপী জনার্দন, জগৎ সংহার করিয়া স্বয়ং পরম বস্তুতে লীন হন। ৮৩

    সূৰ্য্য, প্রথমে সমুদয় স্থাবর জঙ্গমকে তীব্র কিরণে বিশোষিত করিয়া সমস্ত জলাংশ গ্রহণ করেন। ৮৪

    একশত দৈববৎসরে বৃক্ষ, তৃণ প্রাণী ও পৰ্বতগণ–শুষ্ক, চূর্ণ এবং বিশীর্ণ হইয়া যায়। ৮৫

    তখন দ্বাদশ সূর্যের কিরণ-জাল অত্যন্ত প্রবল হয় এবং দ্বাদশ সূর্যও জগৎ শোষণের জন্য উদ্দীপ্ত হন। ৮৬

    সেই সমস্ত সূৰ্য্য, রশ্মি দ্বারা সমস্ত ভুবনমণ্ডল দাহ করেন; তাহাতে স্বর্গ মর্ত্য স্বেদহীন এবং অতিশয় উষ্ণভাবাপন্ন হইয়া থাকে। ৮৭

    অনন্তর সকল স্থাবর জঙ্গম বিনষ্ট হইলে, রুদ্ররূপী জনার্দন, সূর্য-রশ্মি হইতে নিঃসৃত হইয়া প্রথমে পাতালে, পরে অতলে গমন করেন। ৮৮-৮৯

    অনন্তর তিনি, প্রধান শূল ধারণপূর্বক সপ্তপাতালস্থিত সমুদায় দেব, ঋষি, নাগ, গন্ধৰ্ব্ব ও রাক্ষসদিগকে নিহত করেন। ৯০

    এইরূপে সেই লোক-সংহারক রুদ্র, স্বর্গ, মর্ত্য, পাতাল এবং সমুদ্রবাসী সকল প্রাণীদিগকে বধ করেন। ৯১

    অনন্তর রুদ্র, স্বয়ং মুখমণ্ডল হইতে মহাবায়ু সৃষ্টি করেন, সেই অব্যাহত গতি বায়ু শত বৎসর যাবৎ ভুবনমধ্যে পরিভ্রমণ করত যাহা কিছু ছিল, তৎসমস্তই তৃণরাশির ন্যায় উৎসাদিত করিয়া থাকে। ৯২-৯৩

    অতি বেগশালী সেই বায়ু জগতের সমস্ত বস্তু চারিদিক হইতে উৎসারিত করত দ্বাদশ সূৰ্যে প্রবিষ্ট হয়। ৯৪

    রুদ্রপ্রেরিত বায়ু তেজোরাশি-সহ দ্বাদশ-সূর্যমণ্ডলে প্রবিষ্ট হইয়া সুবিশাল জলদাবলী সঞ্চার করিয়া দিতে আরম্ভ করে। ৯৫

    তখন অতি-বেগ-সম্পন্ন বায়ু এবং অতি রৌদ্ররূপী ‘রুদ্র’ কর্তৃক প্রেরিত জলদাবলী গগনমণ্ডল আচ্ছন্ন করে। ৯৬

    দলিতাঞ্জন-পুঞ্জসন্নিভ, ধুম্রবর্ণ, রক্তবর্ণ, শুক্লবর্ণ, নীলবর্ণ, বকসন্নিভ, পৰ্বতাকার, কুঞ্জরাকার, প্রাসাদ-সদৃশ ভীষণ ভীষণ সেই সকল মহা-ঘন-ঘটা ত্রিলোক প্লাবিত করত মহাশব্দে শতবর্ষেরও অধিককাল বৃষ্টি করিয়া থাকে। ৯৭-৯৯

    তাহাদিগের স্তম্ভসদৃশ স্থূল ধারাপাতে ত্রিভুবন পূর্ণ হইয়া যায়। ১০০

    ধ্রুবলোক হইতে সমস্ত স্থান জল-প্লাবিত হইলে রুদ্ররূপী জনার্দন, নিজ মুখ হইতে পুনরায় বায়ু সৃজন করিলেন। ১০১

    সেই মেঘমালা অব্যাহতগতি প্রবল-বায়ুবেগে শতবৎসর ইতস্তত বিক্ষিপ্ত হইয়া ক্রমে বিনষ্ট হইয়া যায়। ১০১

    মেঘ সকল বিনষ্ট হইলে, রুদ্র ব্রহ্মলোক জনলোকাদি সমস্তই নির্দয়ভাবে সংহার করেন। ১০৩

    সমস্ত জগৎ বিশেষতঃ ব্রহ্মলোক বিনষ্ট হইলে রুদ্র, দ্বাদশসূৰ্য্য সন্নিধানে উপস্থিত হন। ১০৪

    সংহারকর্তা রুদ্রদেব, মহাবেগে তথায় উপস্থিত হইয়া দ্বাদশ সূৰ্য্যকে গ্রাস করেন; দিবাকরগণ উদরস্থ হইলে তাহার প্রোজ্জ্বলতা সাতিশয় বৃদ্ধি পায়। ১০৫

    কালান্তক-যমোপম মহাবল রুদ্র, মুষ্টিপেষণে সমস্ত ব্ৰহ্মাণ্ড চূর্ণীকৃত ও পৃথিবী চূর্ণীকৃত হয়। ১০৬

    তখন, হরি, সমস্ত জলরাশি যোগবলে ধারণ করেন। সুতরাং ব্রহ্মাণ্ডের বাহ্যস্থিত অভ্যন্তরস্থিত সমুদয় জলই তখন মিলিত হইয়া থাকে। ১০৭

    ব্ৰহ্মাণ্ড-খণ্ড চূর্ণ ও চূর্ণিত পৃথিবীর অংশ সেই একীভূত সৰ্বব্যাপী জল, রাশির উপর নৌকার মত ভাসিতে থাকে। ১০৯

    অনন্তর জল, পৃথিবীর সারভাগ–সমুদায় গন্ধতন্মাত্ৰ ক্ৰমে ক্ৰমে গ্রহণ করে তাহাতেই পৃথিবী বিনষ্ট হয়। ১১০

    অনন্তর সেই ভয়ঙ্কর রুদ্র, নিজগর্ভস্থ পুঞ্জীভূত তেজরাশিকে পুনরায় নিঃসারিত করেন। ১১১

    ব্রহ্মাণ্ডের অন্তরে বাহিরে যেখানে যতটুকু তেজ থাকে, তৎসমস্তই সেই তেজোরাশির সহিত মিলিত হইয়া পড়ে। ১১২

    জগতের সমস্ত তেজ গ্রহণে উজ্জ্বল একীভূত তেজোরাশি ব্রহ্মাণ্ডখণ্ড চূর্ণ ও দগ্ধ করিয়া আরও উজ্জ্বলিত হইয়া থাকে। ১১৩

    অনন্তর সেই তেজ জলের সার রসতন্মাত্র গ্রহণ করিলে, তেজঃপ্রভাবে জল রাশি বিনষ্ট হয়। ১১৪

    জল বিনষ্ট হইলে, একীভূত মহাবেগসম্পন্ন সকল বায়ু তেজোমধ্যে প্রবিষ্ট হইয়া রূপতন্মাত্র গ্রহণ করে। ১১৫

    রূপতন্মাত্র গৃহীত হইলে, সমুদায় তেজ বিনষ্ট হয়; অনন্তর বায়ু, অবারিত ভাবে প্রবল হয়। ১১৬

    রুদ্র, ঘোরনিস্বন প্রভঞ্জন বহিতেছে দেখিয়া স্বয়ং আকাশ-মণ্ডলকে বিক্ষোভিত করেন। ১১৭

    আকাশ তাহাতে সংক্ষুব্ধ হইয়া পবনের স্পৰ্শতন্মাত্র গ্রহণ করে, তাহাতেই পবন বিনষ্ট হয়। ১১৮

    বায়ু নষ্ট হইলে রুদ্র, আকাশের সার শব্দতন্মাত্র গ্রহণ করিলে আকাশ বিনষ্ট হয়; তখন রুদ্র, ব্রহ্মার দেহে বিলীন হন। ১১৯

    তখন, ব্ৰহ্ম শরীর নিরাধার এবং অত্যন্ত আকুল হইয়া শঙ্খ-চক্র-গদা-শাঙ্গ ও উত্তম-খড়্গ-সম্পন্ন পাঞ্চভৌতিক চিরন্তর নিজ দেহ হইতে সৰ্ব্বতোভাবে সার গ্রহণ পূর্বক স্বীয় শক্তি দ্বারা অতি শীঘ্র সংহার করেন। ১২০-১২২

    তখন তিনি নিরাধার নিরাকার নির্বিকার নিঃসত্ব, বিশেষণ-বর্জিত ন-স্থূল, ন-সূক্ষ্ম, নির্লেপ “একমেবাদ্বিতীয়ং” সচ্চিদানন্দ স্বপ্ৰকাশ সৰ্বব্যাপী পরম ব্রহ্মরূপে বর্তমান থাকেন। ১২৩-১২৪

    তখন দিবা-রাত্রি থাকে না আকাশ পৃথিবী থাকে না, জ্যোতি-অন্ধকার–বা আর কিছুই থাকে না। তখন, শ্রবণাদি-ইন্দ্রিয়ে অতীত বুদ্ধির অগোচর প্রকৃতি জড়িত ব্ৰহ্ম-পুরুষ বর্তমান থাকেন। ১২৫

    সৃষ্টি যতকাল থাকে, ততকাল অর্থাৎ ব্রহ্মার শতবর্ষ, এক পরমতত্ত্ব ব্ৰহ্মও সৃষ্টিহীন অবস্থাতে বর্তমান থাকেন, অনন্তর সৃষ্টি প্রবৃত্তি হয়। ১২৬

    তন্মাত্রগণ অহঙ্কার এবং মহতত্ত্ব, সকলই–এমন কি, অন্যান্য প্রলয়ে স্থায়ী এই সকল ব্যক্ত পদার্থ তখন প্রকৃতিরূপে পর্যবসিত হয় বলিয়া ইহার নাম প্রকৃত প্রলয়। ১২৭-১২৮

    বিপ্রগণ! এই আমি তোমাদিগকে প্রাকৃত মহাপ্রলয় কীৰ্ত্তন করিলাম, এই আদি-সৃষ্টির বিষয় কীৰ্ত্তন করিতেছি শ্রবণ কর। ১২৯

    চতুর্বিংশ অধ্যায় সমাপ্ত ॥ ২৪

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleশ্রীশ্রীচণ্ডী – অনুবাদ : পঞ্চানন তর্করত্ন
    Next Article ওয়ারলক – উইলবার স্মিথ

    Related Articles

    পঞ্চানন তর্করত্ন

    শ্রীশ্রীচণ্ডী – অনুবাদ : পঞ্চানন তর্করত্ন

    September 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }