Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কালিকা পুরাণ (কালিকাপুরাণম্‌) – পঞ্চানন তর্করত্ন সম্পাদিত

    পঞ্চানন তর্করত্ন এক পাতা গল্প667 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৩৮. নরকের পিতৃ-দর্শন

    অষ্টত্রিংশ অধ্যায় – নরকের পিতৃ–দর্শন

    মার্কণ্ডেয় বলিলেন, অনন্তর নৃপশ্রেষ্ঠ, গৌতম-মহর্ষি দ্বারা পুত্রের মনুষ্যা চরণীয় সংস্কার করাইলেন। ১

    মনুষ্যমস্তকে মস্তক ন্যস্ত করিয়াছিল বলিয়া মুনি সেই পুত্রের নাম নরক রাখিলেন। ২

    ঋক্‌ যজুঃ সাম মন্ত্রের দ্বারা কেশ বপনাদি সংস্কার ক্ষত্রিয়-বিধিমতে করিলেন। ৩

    তাহার পর সেই নরক রাজভবনে দিন দিন শারদীয় চন্দ্রের ন্যায় শোভা সম্পন্ন হইতে লাগিল। ৪

    রাজা পুত্রকে মনুষ্যাচরণীয় কাৰ্যকলাপ শিক্ষা দেওয়া কর্তব্য মনে করিয়া ধীসম্পন্ন গৌতমপুত্র শতানন্দের দ্বারা ক্ষত্রিয়োচিত, মনুষ্যাচরণীয় কাৰ্যপরম্পরা শিক্ষা দিলেন। ৫

    সেইরূপ দেবী বসুন্ধরাও রাজপুত্র নরককে মনুষ্য কর্তব্য কাৰ্যকলাপ সুবিশদ রূপে শিক্ষা দিলেন। ৬

    যে সময়ে রাজপুত্র নরক প্রসূত হইয়াছিল, সেই সময়ে দেবী পৃথিবী মায়া যোগে মনুষ্যরূপ ধারণ করত রাজান্তঃপুরে প্রবেশ করিয়াছিলেন। ৭

    হে মুনিগণ! তাহার পর, অন্তঃপুর-প্রবিষ্টা বসুন্ধরা, রাজাজ্ঞা অনুসারে ধাত্রী কাত্যায়নী রূপে ষোড়শ বৎসর পর্যন্ত নরককে পালন করত নীতিশিক্ষা দিলেন। ৮-৯

    পৃথিবী-পুত্র নরক, দিন দিন বৃদ্ধি পাইতে লাগিল; এবং রীতিনীতিতে সমস্ত রাজপুত্রদিগকে অতিক্রম করিল। ১০

    শরীর-লাবণ্যে, রূপে, বলবীর্য্যে, ধনুর্যুদ্ধে, গদাযুদ্ধেও অন্যান্য রাজপুত্র দিগকে অতিক্রম করিল। ১১

    শাস্ত্রজ্ঞ, ধনুৰ্বেদপারদর্শী রাজপুত্র ষোড়শ বৎসর বয়ঃপ্রাপ্ত হইলেই বীর বর্গের অজেয় হইলেন। ১২

    বিদেহাধিপতি, নরকের প্রভূত পরাক্রম দেখিয়া এবং অন্য পুত্রদিগকে তাহা হইতে হীনবীৰ্য্য দর্শনে অধিক আনন্দিত হইলেন না। ১৩

    ভাবিলেন, কালক্রমে এই মহাবীর আমার পুত্রদিগকে নিরাস করিয়া রাজ্য গ্রহণ করিবে। ১৪

    রাজা অন্তঃপুরস্থিত পুত্রদিগকে দেখিয়া যত প্রফুল্ল হইতেন, কিন্তু নরককে দেখিয়া তত হইতেন না। ১৫

    বসুন্ধরা রাজার সেই ভাব বুঝিতে পারিলেন এবং মহিষীও রাজার সেই ভাবে বিস্মিত হইলেন। ১৬

    অনন্তর, এক সময়ে মহাত্মা জনকের মহিষী–প্রাণেশ্বর নৃপশ্রেষ্ঠ বিদেহ পতিকে জিজ্ঞাসা করিলেন। ১৭

    নাথ। আমি আপনাকে কোন বিষয়ে জিজ্ঞাসু হইব মনে করিতেছি। যদি সেটী আপনার পরিহাস বিবেচনা না হয়, তাহা হইলে আমার প্রতি কৃপা করিয়া আমাকে বলুন। ১৮

    যে সময়ে আপনার পুত্রগণ সম্মুখীন হইয়া ইতস্তত ভ্রমণ করে, তৎকালে নরককে দেখিলে, আপনাতে মলিনভাব লক্ষিত হয়। ১৯

    তাহার পর, দিবারাত্র বিস্মিতভাবে বাক্য-প্রয়োগ করেন কেন? আপনার ভাবদর্শনে সংশয় ও ভয় আমাকে পরিত্যাগ করিতেছে না। ২০

    আপনার পুত্র নরক অত্যন্ত রূপবান ও বীৰ্য্যবান্, নীতি ও বিনয়ে সুপণ্ডিত এবং প্রত্যুৎপন্নমতি ও মহাবলবান। ২১

    আপনি এরূপ পরদুৰ্জেয় পুত্রকে, তাদৃশ স্নেহ করিতে পরাঙ্মুখ কেন? তাহাই আমি জানিবার জন্য ইচ্ছা করি, যদি বক্তব্য হয় তবে বলুন। ২২

    মার্কণ্ডেয় বলিলেন,–রাজা মহিষীর এইরূপ বাক্য শ্রবণ করিয়া ক্ষণকাল মৌনাবলম্বন করিলেন, তাহার পর এই কথা বলিলেন। ২৩

    রাজা বলিলেন,–প্রিয়ে! যে কথা আমাকে জিজ্ঞাসা করিয়াছ, তাহার প্রকৃত ঘটনা তোমাকে বলিব; তিনমাস কাল প্রতীক্ষা কর। ২৪

    এ বিষয়ে নিগূঢ়তত্ত্ব আছে, এ সময়ে পুত্রগত রহস্য-গোপনেও কিছু বলিব। ২৫

    মার্কণ্ডেয় বলিলেন,–রাজা এবং মহিষীর প্রস্তাব নিকটে হইয়াছিল বলিয়া, মায়ামানুষী, ধাত্রী বসুধা পরস্পরের সেই বাক্য শুনিলেন। ২৬

    বসুন্ধরা, রাজা এবং মহিষীর আলোচিত তিনমাস পরিমিত প্রতীক্ষণীয় সময়ের বৃত্তান্ত শ্রবণ করিলেন। ২৭

    সেই সময়ে নরকের নাম শ্রবণে বিমর্ষচিত্ত রাজাকে দেখিয়া ভাবিলেন; তিনমাস অতীত হইলে নরকের ষোড়শ বৎসর পূর্ণ হইবে। ২৮

    তাহার পর রাজা মহিষীকে পুত্রগত বৃত্তান্ত সঙ্গোপনে বলিবেন। তৎপরে আমার রহস্যও প্রকাশ হইবে। ২৯

    এই ভাবিয়া দেবী বসুন্ধরা পুত্রের জন্য কিছু চিন্তিত হইলেন এবং তৎকাল কর্তব্য কাৰ্য্য নিশ্চয় করিয়া সময় প্রতীক্ষা করিতে লাগিলেন। ৩০

    তাহার পর গৌতমের সহিত রাজাকে প্রাপ্ত হইয়া যশস্বিনী বসুন্ধরা পুত্রের জন্য এই কথা বলিলেন। ৩১

    আমার প্রস্তাবিত নিয়ম আপনি প্রতিপালন করিয়াছেন এবং আমার বিনয়াবনত পুত্রকেও আপনি সম্পূর্ণরূপে প্রতিপালন করিয়াছেন। ৩২

    পুত্ৰও যৌবনে পদার্পণ করিয়াও অত্যন্ত বিনীত হইয়াছে; আপনার অনুগ্রহে আমার পুত্র সুখে বর্ধিত হইয়াছে। ৩৩

    বর্তমান সময়ে পুত্রকে পূর্বের নিয়মানুসরণ করাইতে ইচ্ছা করি; অতএব আপনি নরককে যাইতে অনুমতি করুন। ৩৪

    হে রাজন! পুরোহিতের সহিত আপনি কিঞ্চিৎ সময় প্রতীক্ষা করুন এবং দুঃখিত হইবেন না, আমি নরককে লইয়া প্রচ্ছন্নভাবে গমন করি। ৩৫

    মার্কণ্ডেয় বলিলেন,–জগৎ-মাতা বসুন্ধরা বিদেহাধিপতিকে এই কথা বলিয়া, এইরূপ অদ্ভুত ব্যাপারদর্শনোম্মুখ রাজা ও শতানন্দের সমক্ষে অন্তৰ্হিতা হইলেন। ৩৬

    রাজাও ক্ষিতির সেই বাক্য অঙ্গীকার করত পুরোহিতের সহিত স্বস্থানে গমন করিলেন, ক্ষিতি তাহা অন্তর্হিতভাবেই দেখিলেন। ৩৭।

    অনন্তর এক সময়ে নরক-ধাত্রী বসুন্ধরা মায়াবলে মনুষ্যরূপ ধারণ করিয়া নির্জনে নরককে বলিলেন। ৩৮

    মহাবাহু নরক! তোমার সহিত অদ্য গঙ্গাগমনে অভিলাষিণী হইয়াছি; পুত্র! যদি তুমি অনুগমন কর, তাহা হইলে সুখে যাইতে পারি। ৩৯

    নরক বলিলেন,–পিতৃআজ্ঞা ব্যতীত আপনার অনুগমনে স্বীকৃত হইতে পারি না; মহারাজের অনুমতি লইয়া আপনার ঈপ্সিত কাৰ্য্য সম্পন্ন করিব। ৪০

    গুরুপুত্র শতানন্দের অনুমতি লইয়া রথে আরোহণ করত আপনার সহিত গঙ্গাতীরে গমন করিব। ৪১

    ধাত্রী বলিলেন,–জনক তোমার পিতা নহেন, কিন্তু যিনি সর্বজগতের প্রভু, তিনি তোমার পিতা, আমার সহিত গমন করিলেই তাহাকে দেখিতে পারিবে। ৪২

    মহারাজ জনক, তোমার মাত্র প্রতিপালক পিতা; কিন্তু হে সুব্রত! যিনি তোমার জন্মদাতা, তাহাকে অচিরাৎ দেখিতে পাইবে। ৪৩।

    অন্যান্য গোপনীয় বিষয় গঙ্গাতীরে তোমাকে বলিব, না হইলে গোপনীয় বিষয় সমস্ত প্রকাশিত হইবে। ৪৪

    মার্কণ্ডেয় বলিলেন, নরক ধাত্রীবাক্যে বিশ্বাস করিয়া রথ পরিত্যাগ করত গুপ্তভাবে পদব্রজে গঙ্গাতীরে গমন করিলেন। ৪৫

    অনন্তর বসুন্ধরা, গঙ্গাতীরে পুত্রকে রাখিয়া মনুষ্যমূর্তি পরিত্যাগ করত নীলাৎপল-দলের ন্যায় শ্যাম সৰ্বসুলক্ষণ-সম্পন্ন সৰ্বাঙ্গসুন্দর এবং মনোহর বিবিধ অলঙ্কার-ভূষিত স্বকীয় মূর্তি দেখাইলেন। ৪৬-৪৮

    পূৰ্বে এ ভাব গুপ্ত ছিল কেন, পৃথিবী তাহা–যাহাতে পুত্রের প্রতীতি হয়, এরূপভাবে বলিলেন। ৪৯

    হে পুত্র। যে সময়ে তুমি আমার গর্ভে দিন দিন বাড়িতে লাগিলে, ব্ৰহ্মাদি দেবগণ তাহা দর্শন করিয়া বিবেচনা করিলেন। ৫০।

    ক্ষিতি পূৰ্বে ঋতুমতী ছিল, সে সময়ে তাহার গর্ভে বিষ্ণুর ঔরসে জাত মহাবলসম্পন্ন পুত্ৰ উদ্ভূত হইয়াছে; অতএব সেই গর্ভজাত পুত্র, অসুররূপ ধারণ করিয়া আমাদিগকে নিশ্চয়ই বিনাশ করিবে। ৫১

    এইরূপে চিন্তাকুল দেবগণ, সেই সময়ে একটি কুৎসিত মন্ত্রণা করিলেন, এই গর্ভস্থ বালক গর্ভেতেই সৰ্ব্বদা অবস্থান করুক। ৫২

    তাহার পর তুমি আমার গর্ভেই বহুকাল অবস্থান করিলে, সেই সময়ে দেবতাদের কু-চক্রে নিতান্ত অবসন্ন হইয়া পড়িলাম। ৫৩

    বহুকাল তোমাকে গর্ভে ধারণ করাতে মৃতপ্রায় হইয়া ভগবান বিষ্ণুর শরণাপন্ন হইলাম। ৫৪

    তাহার বাক্যের প্রভাবেই তুমি প্রসূত হইলে। হে পুত্র। আমি তোমার জন্মের যে সমস্ত বৃত্তান্ত বলিলাম, তাহা নিশ্চিতরূপে সত্য বলিয়া ধারণা কর। ৫৫

    অনন্তর বসুধা, পুত্রের যতক্ষণ বিম্ময়ভাবের উদয় না হইল, ততক্ষণ তাহাকে সমস্ত বৃত্তান্ত বলিলেন। ৫৬

    আপনি যেরূপে বিদেহনাথের যজ্ঞভূমিতে প্রসব করিয়াছিলেন এবং বিদেহ রাজের সহিত যেরূপ আচার-ব্যবহার হইয়াছিল, যেরূপে মায়াবলে, মনুষ্যরূপ ধারণ করিয়া নরকের ধাত্রীভাব গ্রহণ করিয়াছিলেন, সে সমস্ত নরককে বলিলেন। ৫৭-৫৮

    অনন্তর পৃথিবীবাক্যে কিঞ্চিৎ সংশয়িত হইয়া নরক পুনর্বার পৃথিবীকে বলিলেন। ৫৯

    যদি আমার পিতা স্বয়ং বিষ্ণু এবং আপনি স্বয়ং পৃথিবী মাতা, তাহা হইলে পিতা বিষ্ণু আমার উন্নতিসাধনে ধরায় আগমন করুন। ৬০

    সেই সৰ্বলোক-ঈশ্বর বিষ্ণু যদি বলেন যে, আমি তোমার পিতা ও বসুন্ধরা তোমার মাতা, তাহা হইলে আমি বিশ্বাস করিতে পারি। ৬১

    আপনি মনুষ্যরূপ ধারণ করিয়া ধাত্রীরূপে আমাকে প্রতিপালন করিয়াছেন, কিন্তু যদি তোমার এইপ্রকার রূপ হয়, তাহা হইলে সেই কাত্যায়নী রূপ দেখিতে ইচ্ছা করি। ৬২

    সেই সময়ে দেবী বসুন্ধরা পুত্রকে এই কথা বলিলেন,–পুত্র! আমি তোমার জননী, আমা হইতেই তুমি জন্মগ্রহণ করিয়াছ এবং আমিই জগদ্ধাত্রী পৃথিবী; আমারই স্বরূপ মৃত্তিকা। ৬৩

    হে মহাবাহু! তোমার পিতা জগৎপালক, অচ্যুতরূপ বিষ্ণু। তাহার বরাহ অবস্থাতে সেই বরাহরূপে বিষ্ণুর ঔরসে আমার গর্ভ উৎপন্ন হইয়াছিল। ৬৪

    কালক্রমে তোমার জন্ম হইল, তাহার পর এই রাজা জনক তোমাকে প্রতিপালন করিয়াছেন। ৬৫

    ধনুর্দ্ধর নরক পৃথিবীকে এই কথা বলিলেন; আমার মাতা পূর্বেই স্থির হইয়াছেন, কিন্তু আপনি বলিতেছেন, আমি তোমার মাতা এবং পিতাও পূর্বেই বিহিত হইয়াছেন, আপনি বলিতেছেন বিষ্ণু তোমার পিতা। ৬৬-৬৭

    কিন্তু আমি জানি, বিদেহাধিপতি জনক আমার পিতা, তাহার মহিষী সুমতী আমার জননী, তাঁহার পুত্রগণ আমার ভ্রাতা ও জনক-নন্দিনী-সীতা আমার ভগিনী। জনক-পত্নী সুমতী আমার মাতা, তাহা সমস্ত লোকেই বিশেষ জানে। ৬৮-৬৯

    যে কাত্যায়নীর রূপ আপনি কিছুক্ষণ ধারণ করিয়াছিলেন, সেই কাত্যায়নী আমার ধাত্রী। কিন্তু আপনি যে পিতা ও মাতার কথা বলিয়াছেন, তাহ সমস্তই আমার নিকট মিথ্যা জল্পনা করিয়াছেন, যেরূপেতে আমি আপনার পুত্র, সে বিষয় নিশ্চিতভাবে আমাকে বলুন। ৭০-৭১

    মার্কণ্ডেয় বলিলেন;–অনন্তর পুত্রের বাক্য শ্রবণ করিয়া কিঞ্চিৎ হাস্যের উদ্ভব হইলেও বসুন্ধরা তাহার পর শোকোচ্ছাসে আকুল হইলেন। সর্বংসহা সমস্ত পুত্র-বাক্য শ্রবণ করিয়া পূর্ব-বৃত্তান্ত সুবিশদরূপে পুত্রকে বলিলেন।৭২-৭৩

    যেরূপে ঋতুমতী হইয়া বরাহরূপী বিষ্ণুর সহিত সম্ভোগ হইয়াছিল যে কারণে দৈবদুর্বিপাকে পুত্রকে গর্ভে বহুকাল ধারণ করিয়াছিলেন, যেরূপে গর্ভ-যাতনায় পীড়িত হইয়া বিষ্ণুর শরণাপন্ন হইয়াছিলেন এবং যেরূপে জনকরাজকে বিষ্ণু তাঁহার প্রস্তাবিত নিয়ম প্রতিপালন করিতে অনুমতি করিয়াছিলেন, সে সমস্ত পুত্রকে বলিলেন। তথাপি সে সব বাক্যে নরকের সন্দেহ দূর হইল না। ৭৪

    মার্কণ্ডেয় বলিলেন, এই পুত্রের বাক্য শ্রবণ করিয়া দেবী মায়া-মনুষ্যরূপ ধারণ করিলেন। ৭৫

    যে কাত্যায়নীরূপে নরককে প্রতিপালন করিতেন; পৃথিবী ত্যাগ করিয়া সেই মূর্তিতে অবস্থিতি করিতে লাগিলেন। ৭৮

    অনন্তর, নরক, ধাত্রী কাত্যায়নীকে দেখিয়া রাজমন্দিরগত পূর্ব-বৃত্তান্ত জিজ্ঞাসা করিলেন। ৭৭

    কাত্যায়নীরূপিণী বসুন্ধরাও যেরূপে নরক প্রতিপালিত হইয়াছিলেন এবং জনকভবনে যাহা হইয়াছিল, তৎসমস্তই নরককে বলিলেন। ৭৮

    নরক, কাত্যায়নীর বাক্যে বিশ্বস্ত হইলেন; পৃথিবীও কাত্যায়নীমূর্তি পরিত্যাগ করত স্বমূর্তি গ্রহণ করিলেন। ৭৯

    অনন্তর পৃথিবী পূর্ববিহিত সময়ে বারংবার প্রণাম করিয়া ভগবান্ বিষ্ণুকে স্মরণ করিলেন। ৮০

    ক্ষিতি স্মরণ করিবামাত্র গরুড়ধ্বজ মাধব প্রত্যক্ষ ভাবে সন্মুখে উপস্থিত হইলেন। ৮১

    দেবী পৃথিবী সম্মুখস্থ গরুড়বাহন, নীলোৎপল-দলের ন্যায় শ্যাম, শঙ্খ-চক্র গদাধারী পীতবন্ত্র-পরিধান শ্রীবৎসলাঞ্ছন জগৎ-প্রভু নারায়ণকে দেখিয়া ভক্তি পূর্বক ভূমিতে পতিত হইয়া প্রণাম করিলেন। ৮২-৮৩

    ‘হে জগন্নাথ জগৎকারণ! হে পরমেশ! আমার প্রতি প্রসন্ন হউন’ পৃথিবী এই প্রকার নানাবিধ স্তুতি করিলেন। ৮৪

    নরকও হরিকে দেখিয়া নয়ন মুদ্রিত করিলেন এবং তাহার তেজঃপুঞ্জের বিপুল প্রভাবে তৃপ্তি লাভ করত ভূমিতেই উপবেশন করিলেন। ৮৫

    নরক উপবিষ্ট হইলে দেবী বসুধা পুত্রের নিমিত্ত নানাবিধ স্তুতি বাক্যে নারায়ণকে প্রসন্ন করিলেন। ৮৬

    নারায়ণ সন্তুষ্ট হইয়া শঙ্খাগ্রদ্বারা পুত্র নরককে স্পর্শ করিলেন, স্পর্শমাত্রেই নরকের দিব্যচক্ষু হইল এবং নরক অত্যন্ত হৃষ্ট, উৎসাহসম্পন্ন ও মহাবলবান হইলেন। ৮৭-৮৮

    তাহার পর উঠিয়া মহাভক্তিপূর্বক সাষ্টাঙ্গে জগৎকর্তা হরিকে মুহুর্মুহু প্রণাম করিতে লাগিলেন। ৮৯

    নরক-বীর সেই সময়ে পৃথিবীকে বিশেষ বিশ্বাস করিয়া তাহাকেও ভক্তি পূর্বক প্রণাম করিলেন। ৯০

    প্রণাম করিয়া কিঞ্চিৎ ভীত চিত্তে অঞ্জলি বদ্ধ করিয়া মৌনভাবে দণ্ডায়মান রহিলেন। তাহার পর পৃথিবী পুত্রের জন্য মাধবের নিকট প্রার্থনা করিলেন। ৯১

    সৰ্ব্বদেব-ঈশ্বর নারায়ণ, আপনি প্রসন্ন হইয়া প্রতিজ্ঞা প্রতিপালন করুন। আপনি আমাকে এ পুত্র প্রদান করিয়াছেন; ইহার জন্য যে প্রতিজ্ঞা করিয়া ছিলেন, তাহা পালন করুন। ৯২।

    ভগবান বলিলেন, পৃথিবী! তুমি পুত্রের জন্য যে সমস্ত প্রার্থনা করিয়া ছিলে, তাহা সমস্তই দিয়াছি এবং উত্তম রাজ্যও দিয়াছি। ১৩

    জগৎকর্তা নারায়ণ এই কথা বলিয়া নরক ও পৃথিবীকে লইয়া গঙ্গাতে প্রবেশ করিলেন। ৯৪

    এবং ক্ষণকালের মধ্যেই প্রাগজ্যোতিষ পুরে উপস্থিত হইলেন। সে স্থানটি কামরূপের মধ্যে। ৯৫

    যেখানে কামাখ্যাদেবী নায়িকা, সেই দেশে নিজের পুত্রের জন্য পূর্বে মহাদেব গোপন করিয়া রাখিয়াছিলেন। ৯৬

    সে স্থানে অত্যন্ত কর্কশকায় বহু-কিরাতবর্গের বাস; বিষ্ণু সেই স্থানে সুবর্ণ স্তম্ভনিভ, জ্ঞান-হীন, বিনা কারণে মুণ্ডিতমস্তক, মদ্য ও মাংস ভোজনে তৎপর কিরাতকুল দেখিতে পাইলেন; তাহারাও ভগবানকে দেখিয়া কুপিত হইলেন। ৯৭-৯৮

    তাহাদের অধিপতির নাম ঘটক, সে অত্যন্ত বীর্যবান, তাহার সুবর্ণ-স্তম্ভ সদৃশ দীর্ঘ কলেবর, অতএব প্রদীপ্ত অগ্নিশিখার ন্যায় উজ্জ্বল। ৯৯

    সেই ঘটক ক্রোধ-পরবশ হইয়া চতুরঙ্গ সেনার সহিত মহাবল নরক ও ভগবানকে আক্রমণ করিল এবং বহু কিরাত সহ ঘটক, নারায়ণকে শরবর্ষণ করিয়া নিতান্ত জর্জরিত করিল। ১০০-১০১

    মাধবও মহাবীৰ্যবান্ পুত্র নরককে কিরাত-সহ যুদ্ধার্থ প্রেরণ করিলেন। ১০২

    নরক, যুদ্ধক্ষেত্রে উপস্থিত হইয়া, ধনুর্গ্রহণ করত বলবান্ কিরাতরাজের সহিত বহু অস্ত্রশস্ত্র নিক্ষেপ করিয়া অনেক সময় যুদ্ধ করিতে লাগিলেন। ১০৩

    তাহার পর বলবান নরক, ধনুর্গুণে ভল্ল নামক অস্ত্র যোজনা করিয়া কিরাতরাজের মস্তকচ্ছেদন করিলেন। ১০৪

    সিংহ যেমন বনমধ্যে হরিণদিগকে বিনাশ করে, সেইরূপ নরক বীরও প্রধান প্রধান কিরাতদিগকে ও সেনাপতিদিগকে বিনাশ করিলেন। ১০৫

    অনন্তর, কিরাতরাজ হত হইলে কিরাত-বলের মধ্যে কেহ কেহ পলায়ন করিল, কেহ বা নরকের শরণাপন্ন হইল। ১০৬

    যাহারা যুদ্ধেতেই রত ছিল তাহাদিগকে বিনাশ করিয়া নরক, শরণাগত দিগকে রক্ষা করিলেন। ১০৭

    তাহার পর নরক পিতার নিকট গিয়া প্রণাম করত বলিলেন, তাত! কিরাতরাজ ঘটক হত হইয়াছেন এবং তাহার সেনাপতিগণও হত হইয়াছে, এখন কি করিতে হইবে আজ্ঞা করুন। ১০৮

    ভগবান বলিলেন;–পুত্র! দেব দিক্করবাসিনীর স্থান পর্যন্ত কিরাতদিগের অপসারিত কর এবং পলায়তিদিগকে খুব শাস্তি প্রদান করিয়া শরণাগতদিগকে রক্ষা কর। ১০৯

    মার্কণ্ডেয় বলিলেন,–তাহার পর নরক বীর চতুর্দন্ত বিপুল শরীর বীর্যে ঐরাবত সদৃশ, বেগে গরুড়-তুল্য কিরাতরাজের বাহন শ্বেতহস্তী আরোহণ করিয়া দিক্করবাসিনীর স্থান পর্যন্ত কিরাতদিগকে অপসারিত করিলেন। ১১০-১১১

    অনন্তর, নরক কিরাতদিগকে তাড়িত করিয়া পুনর্বার পিতার নিকটে আসিয়া এই কথা বলিলেন। কিরাতগণ আমার প্রভাবে তাড়িত হইয়া সাগরের সন্নিকট-ভূমিতে আশ্রয় গ্রহণ করিয়াছে, কিরাতাধিপতি ঘটক নিহত হইয়াছে। ১১২

    এসময়ে অন্য কর্তব্য কি আছে আদেশ করুন, ঐরাবত-সদৃশ এই গজে আরোহণ করিয়া সমস্ত সম্পাদন করি। ১১৩

    ভগবান বলিলেন; পুত্র। করতোয়া নামে গঙ্গা সৰ্ব্বদা পূৰ্বদিগ ভাগে বহিতেছেন, যে স্থানে ললিতকান্তাদেবী আছেন, সেই স্থান পর্যন্ত তোমার ভবন হইবে। ১১৪

    এই স্থানে দেবী মহামায়া জগৎপ্রসবিনী যোগনিদ্রা, কামাখ্যারূপ ধারণ করিয়া সর্বদা বিরাজ করিতেছেন এবং ব্ৰহ্মপুত্ৰ লৌহিত্য নামক নদও রহিয়াছে; এই পুণ্যভূমে দশদিকপালগণও স্বকীয় স্বকীয় স্থানে আছেন। ১১৫-১৬

    এই স্থানে স্বয়ং মহাদেব, ব্ৰহ্মা ও আমি–সর্বদা অবস্থান করি এবং চন্দ্র সূৰ্য্যও নিরন্তর বাস করিতেছেন। ১১৭

    এটি অত্যন্ত রহস্যস্থান, এজন্য সমস্ত দেবতারাই ক্রীড়ার নিমিত্ত এ স্থলে আগমন করেন। ১১৮

    এস্থলে সৰ্ব্বতোভদ্রা নামে লক্ষ্মী আছেন এবং এটি অত্যন্ত গোপনীয় এবং ভোগের স্থান; এই পুরীতে ব্রহ্মা পূৰ্বে একটি নক্ষত্র পরিত্যাগ করিয়াছিলেন, সেইজন্য ইন্দ্রপুরী সদৃশ এই পুরীর প্রাগজ্যোতিষ নাম হইল। ১১৯

    ভদ্র নরক! তুমি দারপরিগ্রহ করত রাজা হইয়া অমাত্যের সহিত কুশলে বাস কর, আমি তোমাকে অভিষিক্ত করিলাম। ১২০।

    মার্কণ্ডেয় বলিলেন,–বিষ্ণু পুত্রকে এই কথা বলিয়া মহাদেবের আজ্ঞানুসারে পূৰ্বসাগরের নিকট ভূমিতে তাহাদের বাসস্থান নির্ণয় করিলেন। ১২১

    ললিত-কান্তার পূর্বভাগ অবধি করিয়া সাগর পর্যন্ত ভূমি, কিরাতদের বাসস্থান হইল এবং ললিতকান্তার পশ্চাৎভাগকে সীমা করিয়া, করতোয়া নদী পৰ্যন্ত কামাখ্যাদেবীর আবাসস্থান। ১২২-১২৩

    সেইস্থান হইতে কিরাতদিগকে দূর করিয়া, বেদশাস্ত্রবিৎ বহু ব্রাহ্মণাদি শ্রেষ্ঠবর্ণের বাসস্থান করিলেন। ১২৪

    নারায়ণ, মুনিদিগের বাসস্থানের ব্যবস্থা করিয়া যেরূপে বেদাধ্যয়ন দান ধর্ম ইত্যাদি নিরন্তর বৃদ্ধি হয়, তদ্বিষয়ে চেষ্টা করিলেন। ১২৫

    সেই স্থানের সমস্ত ব্রাহ্মণগণ বেদবাক্যে নিরত এবং দানধৰ্ম্মে পরায়ণ বলিয়া দেবতারাও অনেককাল কামরূপ ছাড়িয়া থাকিতে পারিতেন না। ১২৬

    তাহার পর হরি, পুত্রের বিবাহের জন্য মায়ানাম্নী বিদর্ভ রাজকন্যাকে বরণ করিলেন। ১২৭

    হৃষীকেশ, পুত্রের সহিত মায়ার বিবাহকাৰ্য্য সম্পাদন করিয়া তাহার সহিত পুত্রকে রাজত্বে অভিষেক করিলেন। ১২৮

    মাধব, গিরিদুর্গ-মধ্যবর্তী কোন সুগুপ্তস্থানে পুরী নিৰ্মাণ করিলেন, সেটি অত্যন্ত নিভৃত ও সকল বিষয়ে সুখকর এবং দেবতাদেরও অগম্য। ১২৯

    তৎপরে, নরক কিরাতরাজের চতুর্দন্ত বহুবিধ হস্তী, প্রভূত সৈন্য, অশ্ব ভূষণ ইত্যাদি সমস্ত গ্রহণ করিলেন। ১৩০

    বিষ্ণু কিরাতরাজের নিজের ব্যবহার্য ভূষণ এবং ধ্বজ ও আভরণাদি সমস্ত পুত্রকে দিলেন। ১৩১

    তাহার ত্রিভুবনশ্রেষ্ঠ লৌহময় চক্র-শোভিত অর্ধযোজন বিস্তৃত, মনের ন্যায় বেগশালী সহস্র সহস্র অশ্বযুক্ত, কাঞ্চনখচিত, বেদিকার বিস্তারের ন্যায় বিস্তৃত, কাঞ্চনময়, বজ্রের ন্যায় কঠিন ধ্বজ-শোভিত এবং স্বর্ণ-নির্মিত দণ্ড পতাকা যুক্ত বৈদূর্য্যমণিদ্বারা মনোহর, সিংহ ও ব্যাঘ্রের চর্মে আচ্ছাদিত ও লৌহজালে আচ্ছাদিত, কিঙ্কিণীজালরূপ মালাভূষিত, নানাপ্রকার অস্ত্রশস্ত্র যুক্ত মায়াময় রথও তাহাকে দিলেন এবং সৰ্ব্ব-শত্রুবিনাশিনী শক্তিও তাহাকে দিলেন, সেই শক্তি অগ্নিশিখার ন্যায় দীপ্তরূপিণী ও বিপ্ৰকক্ষস্থিত অগ্নিরূপা। ১৩২-১৩৬

    নরকের হিতের জন্য বসুধার সমক্ষে বিষ্ণু এই নিয়ম করিলেন এবং নরককে বলিলেন,–তুমি এই শক্তি প্রাণসংশয় ব্যতীত মনুষ্যের প্রতি নিক্ষেপ করিও না। ১৩৭-৩৮

    এই বৈদেহী মায়া রূপ ও গুণে তোমারই অনুরূপা; যতদিন তুমি বর্তমান থাকিবে, ততদিন তোমার নিকট অবস্থান করিবেন। ১৩৯

    তুমি পুত্রের জন্য ত্রেতাতে যত্ন করিও তাহার পর দ্বাপরের শেষভাগে পুত্র হইবে। ১৪০

    পুত্র! চিরকাল বাঁচিতে ইচ্ছা করিলে, ব্রাহ্মণ ও মুনিগণের সহিত কদাচ বিরুদ্ধাচরণ করিও না এবং রাজা ও দেবগণের সহিতও বিরুদ্ধাচরণ করিও না। ১৪১-৪২

    পরে অজেয়, এই মহাদুর্গের মধ্যে সদাকাল বাস কর এবং দিব্য স্ত্রীগণের সহিত সুখভোগে রত থাকিয়া নিরন্তর সুখে কালযাপন কর। ১৪৩

    পুত্র! তুমি কামরূপে এই কমনীয় পৰ্ব্বতে চিরকাল বাস করিবে এবং জগন্মাতা মহামায়ারূপিণী কামাখ্যাদেবী ব্যতীত অন্য দেবপূজায় বিশেষ রত হইও না। ১৪৪

    নরক! আমার প্রস্তাবিত নিয়মের অন্যথা করিলে তোমার প্রাণনাশ হইবে, অতএব এই নিয়ম যত্নপূর্বক প্রতিপালন কর। ১৪৫

    বিষ্ণু নিজ-তনয়কে এই কথা বলিয়া পৃথিবীকে গোপনে এই কথা বলিলেন। ১৪৬

    সুন্দরি! তোমার নিকট যে যে বিষয় পূর্বে বলিয়াছিলাম, সে সমস্তই নরকের আশু মঙ্গলের জন্য। অতএব সে বিষয়ে তুমি উহাকে উপদেশ দান কর। ১৪৭

    জগদ্ধাত্রি! তুমি যে সময়ে নরকের বিনাশ করিতে আমাকে বলিবে, সেই সময়ে কোন এক মনুষ্য তাহাকে বিনাশ করিবে। ১৪৮

    পৃথিবী বলিলেন, পুত্রের জন্যই আমার এই যত্ন, কিন্তু পুত্রের অভাব হইলে আমার নিন্দা হইবে, অতএব নাথ! আপনি পুত্রকে প্রতিপালন করিবেন। ১৪৯

    মার্কণ্ডেয় বলিলেন, বিষ্ণু পৃথিবীকে বলিলেন, তুমি যাহা বলিলে তাহাই করিব। এবং নরককেও স্নেহবাক্য বলিয়া, অন্তর্হিত হইলেন। ১৫০

    হরি স্বস্থানে প্রস্থান করিলে করিলে পৃথিবী তনয়কে হরির প্রস্তাবিতরূপে সেই স্থলে স্থাপন করিলেন। ১৫১

    বেদ-শাস্ত্ৰ-পারদর্শী, ব্রাহ্মণ-কৰ্ত্তব্য-কার্যে রত, নীতিজ্ঞ, নম্র, দানতৎপর কামাখ্যা দেবীর পূজাতে রত, নীলকুটনামক পৰ্ব্বতে নানাবিধ সুখভোগে আসক্ত, শোভাসম্পন্ন এবং শত্রুর অজেয়, নরক-বীরও; সেই পুরীতে ইন্দ্রের ন্যায় চিরকাল রাজত্ব করিতে লাগিলেন। ১৫২-৫৩

    তাহার পর বিদেহ-বাজও নরকের সুখ-সম্পত্তির কথা শ্রবণ করিয়া স্ত্রী-পুত্র বন্ধুগণের সহিত নরককে দেখিতে আসিলেন এবং কামরূপের মধ্যে প্রাগ জ্যোতিষ নামক পুরে গমন করিয়া শারদীয়-নিশাকরের ন্যায় শোভা সম্পন্ন নরক রাজাকে দেখিলেন। ১৫৪-৫৫

    বিদেহরাজ প্রাগজ্যোতিষপুরকে ইন্দ্রভবন বলিয়া বোধ করিতে লাগিলেন এবং নানাবিধ ভূষণে ভূষিত নরককে দেবরাজ বলিয়া বোধ করিতে লাগিলেন। ১৫৭

    তাহার পর জনক, মহিষীকে সমস্ত বলিলেন,–এ মহাত্মা তোমার পালিত পুত্র নরক, বরাহরূপী জগৎপালক বিষ্ণুর ঔরসজাত পৃথিবী দেবীর পত্র, কিরূপ ভাবে পরিণত হইয়াছে দেখ। ১৫৮

    মার্কণ্ডেয় বলিলেন, জনকরাজা এই কথা বলিয়া যেরূপে নরকের জন্ম হইয়াছিল, পূৰ্ববৃত্তান্ত সমস্ত বলিলেন। ১৫৯

    তাহার পর বিদেহাধিপতি নরকের সৎকারে সৎকৃত হইয়া আনন্দিত-চিত্তে সেই প্রাগজোতিষপুরে কিছুদিন অবস্থান করিয়া বন্ধুগণের সহিত স্বস্থানে প্রস্থান করিলেন। ১৬০-১৬১

    পৃথিবীপুত্ৰ নরক প্রশান্তভাব অবলম্বন করিয়া চিরকাল বিহার করিতে লাগিলেন। ১৬২

    অষ্টত্রিংশ অধ্যায় সমাপ্ত। ৩৮

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleশ্রীশ্রীচণ্ডী – অনুবাদ : পঞ্চানন তর্করত্ন
    Next Article ওয়ারলক – উইলবার স্মিথ

    Related Articles

    পঞ্চানন তর্করত্ন

    শ্রীশ্রীচণ্ডী – অনুবাদ : পঞ্চানন তর্করত্ন

    September 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }