Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কালিকা পুরাণ (কালিকাপুরাণম্‌) – পঞ্চানন তর্করত্ন সম্পাদিত

    পঞ্চানন তর্করত্ন এক পাতা গল্প667 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৪৩. শিবের প্রসন্নতা

    ত্রিচত্বারিংশ অধ্যায় – শিবের প্রসন্নতা

    মার্কণ্ডেয় বলিলেন;–অনন্তর দেবমুনি কামচারী নারদ, শক্রের নিয়োগ বশত হিমালয় মন্দিরে গমন করিলেন। ১

    গিরিভবনে উপস্থিত হইবামাত্র অচল-রাজ তাঁহাকে পূজাদি সৎকার করিলেন, তারপর মুনি অচল-রাজকে পরিত্যাগ করিয়া নির্জনে কালীর সমীপে গমন করিলেন। ২

    জ্ঞানশালিনী কালীকে প্রবোধ-বাক্য দ্বারা সান্ত্বনা করিয়া সমস্ত জগতের হিতকর বাক্য বলিতে লাগিলেন। ৩

    নারদ বলিলেন, দেবি কালি! আমার বাক্য শ্রবণ করিয়া, সত্য বলিয়া ধারণা করুন; আপনি মহাদেবকে তপস্যা ব্যতীত আরাধনা করিয়াছেন। ৪

    অতএব সেই জন্য তিনি আপনার প্রতি অনুরক্ত হইয়াও আপনাকে পরিত্যাগ করিয়াছেন। ৫

    মহাদেব, আপনাকে ভিন্ন অন্য কাহাকেও গ্রহণ করিবেন না এবং আপনিও মহেশ্বর ভিন্ন কাহাকেও পতিপদে বরণ করিবেন না। ৬

    অতএব আপনি তপস্যাতে রত হইয়া মহাদেবকে আরাধনা করুন। আপনি তপশ্চরণের দ্বারা সংস্কৃত হইলে শিব আপনাকে গ্রহণ করিবেন। ৭।

    হে সুভগে! সেই তপস্যার অঙ্গভূত মন্ত্র শ্রবণ করুন, এই মন্ত্রবলে আরাধিত মহেশ্বর প্রত্যক্ষভাবে শীঘ্র দর্শন দেন। হে গিরিজে! “ওঁ নমঃ শিবায়” এই ষড়ক্ষরমন্ত্র, শঙ্করপ্রিয়; নিয়ম প্রতিপালন করিয়া ইহা শঙ্কররূপ চিন্তা করত জপ করুন, তাহা হইলেই হর সন্তোষ হইবেন। ৮-৯

    নারদ এই কথা বলিলে কালী তপশ্চরণ কৰ্তব্য মনে করিলেন এবং নারদ বাক্য অত্যন্ত হিতকর বিবেচনা করিলেন। ১০

    নারদ কালীকে তপস্যার জন্য উপদেশ করিয়া ত্রিদশভবনে গমন করিলেন কালীও ব্ৰত কার্যে নিশ্চিত বুদ্ধি হইলেন। ১১

    নারদমুনি গমন করিলে কালী, মাতা মেনকাকে নিজের–হর-সহ মিলনেচ্ছায় তপঃপ্রবৃত্তি বিশেষরূপে বলিলেন। ১২

    কালী বলিলেন, মাতঃ! মহাদেবকে পাইবার নিমিত্ত তপস্যা করিতে গমন করিব; অতএব আপনি অদ্য তপস্যার জন্য তপোবনে গমন করিতে অনুমতি করুন এবং আমার এই তপশ্চরণের ইচ্ছা পিতার নিকট শীঘ্র বলুন। আমাকে শিব বিরহানল–যত বিলম্ব হইতেছে, ততই দগ্ধ করিতেছে। ১৩-১৪

    মেনকা, কালীর এইরূপ বাক্য শ্রবণ করিয়া শোকাকুল-চিত্তে নিজ তনয়াকে আলিঙ্গন করত বলিলেন, বল্লভে! তোমার তপস্যাতে প্রয়োজন নাই। ১৫

    তুমি অত্যন্ত কোমলাঙ্গী; অতএব পুত্রি! তুমি সম্পূর্ণরূপ তপস্যা করিলে অত্যন্ত কর্কশ হইয়া পড়িবে। মুনিদিগের শরীর তপস্যাসহ, কিন্তু তোমার শরীরে সে কষ্ট কিছুতেই সহ্য হইবে না; পুত্রি! তোমার বনবাস অবলম্বন করা শত্ৰুদিগেরও অভিলষিত নহে। ১৬-১৭

    তাহা হইলে তুমি বনবাস-সাধ্য তপস্যা পরিত্যাগ করত নিজের সাধ্যানুরূপ উপযুক্ত তপশ্চরণ কর। ১৮

    মার্কণ্ডেয় বলিলেন, গিরিজা, মাতার বাক্য শ্রবণ করিয়া দুঃখিতান্তঃকরণে তপোযত্নের অনুকূল বাক্য বলিলেন। ১৯

    আমাকে নিষেধ করবেন না, আমি তপস্যার জন্য অন্য তপোবনে নিশ্চয় যাইব; আপনি যদি অনুমোদন নাই করেন, তাহা হইলে প্রচ্ছন্নভাবে যাইব। ২০

    মেনকা বলিলেন, ব্ৰহ্মা বিষ্ণু শিবাদি দেবগণ গৃহেই সৰ্ব্বদা অবস্থান করিতেছেন, তাহা হইলে গৃহেতে সেই ঈপ্সিত দেবতাকে অর্চনা কর। ২১

    স্ত্রীগণের স্বামী ভিন্ন বনগমন আমি কখনও শুনি নাই; অতএব পুত্রি! তুমি তপস্যার জন্য তপোবনে যাত্ৰা করিও না। ২২

    যেহেতু তপোধন-গমনোদ্যত তনয়াকে “উ মা” এই সম্বোধন করিয়া মেনকা নিষেধ করিলেন, সেই জন্য তাহার উমা নাম হইল। ২৩

    তাহার পর গিরিজা মাতার অভিপ্রায় বুঝিয়া সখীগণদ্বারা পিতাকে তপস্যার উদ্যোগ জানাইলেন। ২৪

    গিরিপতি দুহিতার তপস্যার উদ্যম জানিয়া বিশেষ হৃষ্ট না হইয়াও অনুমোদন করিলেন। ২৫

    পিতার অনুমতি গ্রহণ করিয়া যে স্থানে মহাদেব মদনকে ভস্ম করিয়াছিলেন, সেই স্থানে গঙ্গাবতরণে গমন করিলেন। ২৬

    কালী হিমবৎপ্রস্থ গঙ্গাবতরণ-প্রদেশ হর-শূন্য দেখিলেন এবং যে স্থানে শম্ভু, ধ্যানস্থ ছিলেন, সেই স্থানে গিরিসুতা বিরহাৰ্দিত-চিত্তে ক্ষণকাল অবস্থান করিয়া ‘হা হর!’ এই শব্দে অত্যন্ত রোদন করিতে লাগিলেন; চিন্তা, শোক ও দুঃখে নিতান্ত পীড়িতা হইয়া বিলাপ করিতে লাগিলেন। ২৭-২৯

    তাহার পর ক্ষণকাল বিলাপ করিয়া, কমলেক্ষণা কালী, সেই সময়ে পূর্ব বৃত্তান্ত স্মরণ করত হৃদয়স্থিত হর-সম্বন্ধীয় মোহ প্রাপ্ত হইলেন। ৩০

    তাহার পর কিছু সময় গত হইলে কালী সেই ধৈৰ্য্যাবলম্বন করিয়া মোহ সম্বরণ করিলেন। হিমালয়-সূতা নিয়ম প্রতিপালনের নিমিত্ত দীক্ষিত হইয়াছিলেন। ৩১

    তাহার প্রথম নিয়ম-ফলভোজন দ্বারা নিষ্পন্ন হইল। তৎপরে গিরিজা, শম্ভু-সম্বন্ধে চিন্তা ও শম্ভুর নাম জপই পঞ্চ তপে কৰ্তব্য মনে করিয়া যজ্ঞীয় শুষ্ক কাষ্ঠদ্বারা চারিদিকে চারিভাগ করত তাহাতে অগ্নি স্থাপন করিলেন এবং সূৰ্য্যদ্বারা পঞ্চাগ্নি পূর্ণ হইল। ৩২-৩৩

    নিজ আসনের একহস্ত পরিমাণ দূরে চারিদিকে চারি ভাগে বৈশ্বানর-যজ্ঞ দ্বারা অগ্নি প্রজ্বলিত করিলেন, গ্রীষ্মকালে তাহার মধ্যে বহুবস্ত্র-বেষ্টিত হইয়া নিরন্তর উৰ্দ্ধমুখে সুৰ্যকিরণ অবলোকন করত অবস্থান করিতেন এবং শীতকালে তোয়মধ্যে অবস্থান করিয়া তপস্যা করিতে লাগিলেন। ৩৪-৩৫

    প্রথম ফলাহারে, দ্বিতীয়তঃ তোয়াহারে, তৃতীয়তঃ স্বয়ংপতিত বৃক্ষ-পত্র ভোজন করিয়া, ক্ৰমে পতিত পত্র পরিত্যাগ করিয়া নিরাহারেই তপশ্চরণ করিতে লাগিলেন। ৩৬-৩৭

    দেবী, আহারে পত্ৰ পৰ্যন্ত পরিত্যাগ করিয়াছিলেন বলিয়া দেবগণ তাহার নাম ‘অপর্ণা’ রাখিলেন। ৩৮

    হিমালয়সুতা কোন সময়ে পঞ্চতপ অবলম্বন করিয়া, কোন সময়ে জলে প্রবেশ করিয়া, কোন সময়ে এক পদাবলম্বনে স্থিত হইয়া অবস্থান করিতে লাগিলেন। ৩১

    ষড়ক্ষর মন্ত্র জপ করত বহুকাল তপস্যা করিলেন। তিনি চীর বল্কলদ্বারা আবদ্ধা এবং জটাধারিণী ছিলেন। ৪০

    কৃশাঙ্গী কালী চিন্তাবিষয়ে অত্যন্ত সক্ষমা হইয়া মুনিদিগকে পরাজয় করিলেন। তপস্যাতে আসক্ত ব্যক্তিকে শঙ্কর স্বয়ং রক্ষা করিয়া থাকেন এবং তাহাদের সহিত আনন্দিতচিত্তে আপ্যায়িত করেন ও ভয়ে রক্ষা করেন। ৪১

    তপোবনে তপস্যারতা কালীর শঙ্করকে চিন্তা করিতে করিতে তিন সহস্র বৎসর অতীত হইল। ৪১

    তাহার পর অষ্টাদশ সহস্র বৎসর অতীত হইলে ব্রহ্মা আগমন করত দৈব বিধি-অনুসারে তাহার সংস্কার করিলেন, তৎপরেই দেবী হরের গ্রহণযোগ্যা হইলেন। ৪৩

    তাহার পর যেস্থানে মহাদেব অষ্টাদশ বৎসর তপস্যা করিয়াছেন, সেইস্থানে ক্ষণকাল অবস্থান করত ভামিনী কালী চিন্তা করিতে লাগিলেন। ৪৪

    আমি নিয়ম-রতা হইয়া তপস্যা করিতেছি, তাহা বোধ হয় মহাদেব জানিতে পারেন নাই, যেহেতু বহুকাল তপোরতা হইয়াও তাহার বিদিত হইতে পারিলাম না। ৪৫

    গিরীশ ইহলোকে নাই, এই যে মুনিগণ বলিয়া থাকেন, তাহা কি সত্য? কিন্তু দেবগণ বলিয়া থাকেন, শিব সৰ্ব্বজ্ঞ সৰ্ব্বগ দেব। ৪৬

    যদি তিনি সর্বজ্ঞ, সৰ্ব্বগ, সৰ্ব্বলোকের আত্মস্বরূপ সৰ্ব্বহৃদয়গত সৰ্ব্ব ঐশ্বৰ্যপ্রদ, সৰ্বভাবন দেব হন এবং আমার মাতা মেনকা যদি সতী হন ও আমি যদি অন্যে অনুরক্ত না হইয়া বৃষধ্বজেই অনুরক্তা হইয়া থাকি, তাহ হইলে শঙ্কর আমার প্রতি প্রসন্ন হউন। ৪৭-৪৮

    যদি নারদমুখনিঃসৃত এই ষড়ক্ষর মন্ত্র হয় এবং আমি যদি ভক্তি পূর্বক জপ করিয়া থাকি, তাহা হইলে হর আমার প্রতি প্রসন্ন হউন। ৪৯

    যদি আমি তপস্যা করিয়া থাকি এবং হর যদি সত্য আরাধিত হইয়া থাকেন, যদি তপস্যা সত্য হইয়া থাকে, তাহা হইলে হর প্রসন্ন হউন। ৫০

    মার্কণ্ডেয় বললেন,–কালী এইরূপ চিন্তা করত জটাবল্কল-বদ্ধা দীনবেশে অধোমুখী হইয়া হরের পূর্বের আবাসস্থলে অবস্থান করিতে লাগিলেন। ৫১

    সেই সময়ে কোন এক ব্রাহ্মণ, কালীসমীপে উপস্থিত হইলেন, তিনি ব্রহ্ম চৰ্যব্রতাবলম্বী; তাহার কৃষ্ণাজিন উত্তরীয়, হস্তে দণ্ডকমণ্ডলু। ৫২

    শরীর স্বর্ণের ন্যায় গৌর, ব্রহ্মার শোভার ন্যায় প্রদীপ্ত দেহ-ভাগ, বিস্তৃত জটা-কলাপে শোভিত; শম্ভু এই ব্রাহ্মণরূপধারী। ৫৩

    ব্রাহ্মণ-রূপী শম্ভু–প্রথমত কালীসমীপে উপস্থিত হইয়া প্রত্যক্ষভাবে অনুরাগ জানিবার জন্য এবং তাহার বাক্য শ্রবণ করিবার নিমিত্ত বাগ্মী গিরিজাকে বিচিত্র বাক্যের দ্বারা জিজ্ঞাসা করিলেন। ৫৪-৫৫

    ব্রাহ্মণ বলিলেন,–তুমি কে? এবং কাহার কন্যা? কি জন্যই বা প্রযতাত্মা মুনিদিগের দুর্ধর্ষ তপশ্চরণ করিতেছ? ৫৬

    তুমি বালাও নহ এবং বৃদ্ধাও নহ–অতি শোভাশালিনী তরুণী; সম্প্রতি পতি ভিন্ন কি জন্য এই তপস্যা করিতেছ? ৫৭

    ভদ্রে! তুমি কাহারও কি সহচারিণী তপস্বিনী? তোমার তপস্বী কি অন্য স্থানে পুষ্পাদি অহরণ করিবার নিমিত্ত গমন করিয়াছেন? ৫৮

    যদি তোমার গোপনীয় না হয়, তাহা হইলে সমস্ত বিষয় সম্পূর্ণরূপে আমার নিকট বল। ৫১

    যদি তোমার হৃদয়ে দুঃখের কোন কারণ থাকে, তাহা হইলে বল, তাহার নিরাকরণ করিবার নিমিত্ত আমি সমর্থ হইব। ৬০

    ব্রাহ্মণ এই কথা বলিলে গিরিজা তাহার উত্তর প্রদানের নিমিত্ত নিজ সখী বিজয়াকে নয়ন-সঙ্কেতে নিয়োগ করিলেন। ৬১

    বিজয়া, কালীর বাক্যানুসারে গিরিজার মুখপানে দৃষ্টি রাখিয়া ব্রাহ্মণকে সত্য বাক্যে উত্তর প্রদান করিতে লাগিল। ৬২

    হে দ্বিজোত্তম। ইনি গিরিরাজের তনয়া, ইহার নাম কালী; এবং পার্বতী নামও ইহার খ্যাত আছে। ৬৩।

    ইহাকে কেহ পরিণয় করে নাই, বৃষধ্বজ শঙ্করকে পতিপদে বরণ করিতে বাঞ্ছা করিয়া তীব্র তপশ্চরণ করিতেছেন। ৬৪

    ভবানী কালী তিন সহস্র বৎসর অতীত হইল তপস্যা করিতেছেন, কিন্তু শঙ্কর অদ্য পর্যন্তও গিরি-সুতাকে গ্রহণ করিলেন না। ৬৫

    তাপসগণ ও দেবগণ বলিয়া থাকেন; শঙ্করদেব গিরিশ সৰ্বগত এবং সৰ্ব্বজ্ঞ। ৬৬

    তাহা হইলে ইহাকে কি তিনি জানিতে পারিলেন না? অদ্য এই চিন্তা পরবশ হইয়া নিতান্ত দুঃখিতা হইতেছেন। ৬৭

    অতএব হে সুব্রত। আমাদের সখী প্রার্থনা না করিলেও অনুগ্রহপূর্বক আপনি ইহার প্রতি দয়া করুন; এবং সখীকে শঙ্করের সহিত সঙ্গতা করুন। ৬৮

    এই বাক্য শ্রবণ করিয়া ব্রহ্মচারী দ্বিজ, কিঞ্চিৎ হাস্যপূর্বক পার্বতীকে এই কথা বলিতে আরম্ভ করিলেন। ৬৯

    ব্রাহ্মণ বলিলেন,–আমার দর্শন কখনও বিফল হয় না, আমি শিবকে আনিতে পারি, কিন্তু একটি কথা বলিতেছি, তাহা নিশ্চয়রূপে শ্রবণ কর। ৭০

    আমি মহাদেবকে জানি, তাহার বিষয় বলিতেছি শ্রবণ কর; মহাদেবের বাহন বৃষ, অঙ্গে নিরন্তর ভূতি লেপন করে এবং জটাধারী, তাহার ব্যাঘ্রচর্ম পরিধান এবং গজচৰ্ম্ম উত্তরীয়। ৭১

    নর-কপালধারী-সর্পসমূহের দ্বারা সৰ্ব্বগাত্রে বেষ্টিত এবং বিষবেগে দগ্ধ গলদেশে অক্ষমালা; সে বিরূপাক্ষ এবং ভয়ঙ্কর। ৭২

    তাহার জন্মের কোন নিশ্চয় নাই; সে সর্বদা গৃহভোগত্যাগী, জ্ঞাতি ও বান্ধবাদি-শূন্য, তাহার ভোজনব্যাপার ও ভোজনীয় দ্রব্যের কোন সংস্রব নাই। তিনি নিরন্তর শ্মশানবাসী, সৎসঙ্গবর্জিত। ৭৩-৭৪

    নিরন্তর গর্জনকারী বিকট ভূতগণের মধ্যে তাহার সৰ্ব্বদা বাস। ৭৫

    সে শৃঙ্গারাদি-রসশূন্য ও ভাৰ্য্যাপুরহিত, অতএব কি জন্য তুমি তাহাকে পতিত্বে বরণ করিতে ইচ্ছা করিতেছ? ৭৬

    আমি পূৰ্বে শুনিয়াছি; সে একটি কাৰ্য্য করিয়াছে, তাহা বলিতেছি; যদি তোমাদের অভিরুচি হয় তাহা হইলে গ্রহণ করিবে। ৭৭

    পূর্বে দক্ষকন্যা সাধ্বী সতী, দৈববশতঃ সম্ভোগবর্জিত বৃষধ্বজকে পতিত্বে বরণ বরিয়াছিলেন। ৭৮

    ‘কপালীর জায়া’ এই বলিয়া দক্ষ, কন্যাকে পরিত্যাগ করেন এবং যজ্ঞভাগ শিবকে প্রদান করিলেন না। ৭৯

    সতী সেই অপমানে অত্যন্ত শোকাকুল হইয়া নিজের প্রিয় প্রাণ পরিত্যাগ করিয়াছিলেন এবং হরকেও পরিত্যাগ করিয়াছিলেন। ৮০

    তুমি স্ত্রীদিগের মধ্যে রত্নস্বরূপা এবং তোমার পিতা সমস্ত পৰ্বতের রাজা, তাহার সমক্ষে এইরূপ পতিকে কিজন্য উগ্র তপস্যার দ্বারা বরণ করিতেছ? ৮১

    দেবেন্দ্র, কুবের, পবন, অগ্নি, কি অন্য সুরগণ অথবা স্বৰ্গবৈদ্য অশ্বিনীকুমার, বিদ্যাধর, গন্ধৰ্ব্ব, নাগ, মনুষ্য–ইহার মধ্যে রূপ ও নবযৌবনসম্পন্ন যে কেহ হয়, প্রশস্ত-কুলোদ্ভব সেই শ্রীমান ব্যক্তিই তোমার পতির যোগ্য। ৮২-৮৪

    যাহার সহিত তুমি বহুরত্বপূর্ণ সুবিস্তৃত মাল্যসমূহ-সংযুক্ত ধূপচূর্ণের দ্বারা সুবাসিত স্বর্ণখচিত আভরণ-সংযুক্ত বিস্তৃত মনোহর সুবর্ণবিভূষিত সুন্দর প্রাসাদ মধ্যে শয্যাতলে সুখভোগে রত হইতে পারি, সেই পতিই তোমার উপযুক্ত। ৮৫-৮৬

    হে সুভগে! যদি ইহা জানিয়াও শঙ্করকে বাঞ্ছা কর, তাহা হইলে তোমার তপস্যার প্রয়োজন নাই; আমি তোমাকে হর সহ সঙ্গতা করিব। ৮৭

    মার্কণ্ডেয় বলিলেন,–কালী ব্রাহ্মণের সেই অপ্রিয় বাক্য শ্রবণ করিয়া কোপান্বিতচিত্তে ব্রাহ্মণকে পরিমিত ও সত্যবাক্য বলিলেন। ৮৮

    কালী বলিলেন,–হে দ্বিজনন্দন! আপনি হরকে বিশেষ না জানিয়া এরূপ বলিতেছেন, তাঁহার বাহ্যভাব দর্শন করিয়াছেন, তাহাই বলিতেছেন। ৮৯

    ইন্দ্র, ব্ৰহ্মা প্রভৃতি দেবগণ, যাহার ভাব জানিতে অক্ষম, আপনি শিও বিপ্রতনয় হইয়া কি তাহার ভাব জানিতে পারিবেন? ৯০

    আপনি হরকে না দেখিয়া কোন নীচ ব্যক্তির মুখে এই কুৎসিত বাক্য শ্রবণ করিয়া এরূপ বলিতেছেন। ৯১

    সেই মহাদেব হইতে শ্রেষ্ঠ পতিকে আমি বাঞ্ছা করি না; অন্যের বাক্য শ্রবণ করিতে ইচ্ছাও করি না; হরসঙ্গমই নিরন্তর বাঞ্ছা করি। ৯২

    গিরিজা বিপ্রকে এই কথা বলিয়া সখীর মুখ অবলোকন করত সংশয়িত চিত্তে বলিতে লাগিলেন। ৯৩

    আমি এই স্থানে মহৎ চিন্তাপূর্বক তপস্যা দ্বারা হরকে আরাধনা করিতেছি, কিন্তু সেই আরাধ্য মহাদেবকে আমার সমক্ষে এই বিপ্রপুত্র নিন্দাবাক্য বলিতেছেন, অতএব ইহাকে স্তুতিবাক্য দ্বারা এখান হইতে দূর করি। ৯৪

    আমি পিতার মুখে পূৰ্বে শ্রবণ করিয়াছি, মহাত্মাদিগের নিন্দা যে করে, এবং যে তাহা শ্রবণ করে, উভয়ের অপরাধই সমান হয়। ৯৫

    তাহা হইলে উহাকে এখান হইতে অপনয়ন করাই ভাল, অতএব তুমি বিপ্রকে নিষেধ কর। ১৬

    কালী, সখীকে এই কথা বলিয়া শিব-নিন্দা-শ্রবণজনিত অপরাধ মার্জনের জন্য শম্ভু-সঙ্গত-চিত্তে হরকে স্তব করিতে লাগিলেন। ১৭

    কালী বলিলেন, কারণত্রয়ের হেতু জিতেন্দ্রিয় শিবকে আমি প্রণাম করি। হে পরমেশ্বর! আপনিই একমাত্ৰগতি, অতএব আপনাকেই আত্মা উৎসর্গ করিতেছি। ৯৮

    হৃদগত উৎকৃষ্ট জ্ঞানশালী প্রপঞ্চহীন হিরণ্যবাহুকে আমি সাদরে প্রণিপাত করিতেছি এবং নারায়ণ-পদ্ম-সম্ভূত প্রধান বীজস্বরূপ জগতের হিতসাধক গিরিশকে আমি নমস্কার করিতেছি। ৯৯

    দ্বিজ, পুনৰ্বার অপ্রিয় শিবনিন্দাবাক্য তাহাকে কিঞ্চিৎ বলিতে লাগিলেন; কালিকে উদ্দেশ্য করিয়া দ্বিজ, কিছু বলিবার চেষ্টা করিতেছেন বুঝিতে পারিয়া গিরিসুতা সখীকে বলিলেন। ১০০

    এই দ্বিজ উগ্র হরকে না জানিয়া তাহাকে নিন্দা করিবার উদ্দেশ্যে কিছু বলিতে উপক্ৰম করিতেছে, প্রাণ-বিনাশক হর-নিন্দা কিছুতেই আমি শুনিতে পারিব না। ১০১

    সখি! যত দূরে গমন করিলে এই দ্বিজ-বাক্য শুনিতে না পাই, আমি তত দূরে গমন করিয়া অবস্থান করিতে ইচ্ছা করি। ১০২

    এই কথা বলিয়া হিমালয়সুতা হঠাৎ গাত্রোত্থান করত দ্বিজকে পরিত্যাগ করিয়া সখীর সহিত প্রস্থান করিলেন। ১০৩।

    অনন্তর শম্ভু নিজরূপ ধারণ করত, কালী তাহাকে পরিত্যাগ করিয়া যাইতেছে দেখিয়া সহাস্যন্তঃকরণে তাহার পশ্চাৎভাগে গমন করিলেন এবং বলিলেন। ১০৪

    অয়ি শঙ্করি! কালি! আমিই মহাদেব, আমি সেই হর, এখন আমার সম্ভাষণ করিতেছ না কেন? তুমি সম্মুখিনী হও, আমাকে আশ্বাস প্রদান কর। ১০৫

    এই কথা বলিয়া মহাদেব কালীর অগ্রভাগে যাইয়া হস্ত প্রসারণ করত তাহার গতিরোধ করিলেন। ১০৬

    গিরি-সূতা শম্ভুর মুখ নিরীক্ষণ করিয়া তাহার ভয়ে চকিতের ন্যায় হঠাৎ অধোমুখী হইলেন। ১০৭

    অত্যন্ত লজ্জা ও প্রীতিতে সে সময়ে তিনি জড়ের ন্যায় হইয়া পড়িয়া রহিলেন। ভামিনী, বলিবার ইচ্ছা থাকিলেও কিছু বলিবার নিমিত্ত সক্ষম হইলেন না। ১০৮

    হে দ্বিজোত্তমগণ। মনোরথ সিদ্ধ হইয়াছে বলিয়া তাহার শরীর যেরূপ সুধা-পুর্ণ হয়, সেইরূপ আনন্দপূর্ণ হইল। ১০৯

    অষ্টাদশ সহস্র বৎসর পর্যন্ত যে সমস্ত তপঃক্লেশ পাইয়াছেন, তৎক্ষণাৎ সমস্ত পরিত্যাগ করত আনন্দিত হইলেন। ১১০

    বৃষধ্বজ, কালীকে সেইরূপ দেখিয়া প্রণয়বশতঃ গাত্রস্থ ভস্মরূপ কাম দ্বারা মোহিত হইলেন। ১১১

    অনন্তর, বিরহোদ্রিক্ত বৃষধ্বজ কালীকে প্রাপ্ত হইয়া সম্বোধন করত হর্ষোৎফুল্লচিত্তে কিঞ্চিৎ চতুরতাযুক্ত বাক্য বলিলেন। ১১২

    হে সুন্দরি! তুমি আমাকে কিছুই বলিতেছ না, তবে কি তপঃক্লেশ স্মরণ করিয়া আমার প্রতি ক্ৰোধ করিয়া রহিয়াছ। ১১৩

    হে সুভগে। আমিও তোমা বিহনে পরিতাপ ভোগ করিতেছি; আমার নিয়মের নিমিত্ত তুমি তপস্যা আরম্ভ করিয়াছিলে, সেই জন্য তোমার সহিত অনুরক্ত হই না। ১১৪

    তাহার পর প্রিয়ে! তপোবলে তুমি সংস্কার-সম্পন্না হইলে তোমাতে অনুরক্ত হইয়াছি। আমি যে নিয়ম করিয়াছিলাম, তপস্যার জন্য তাহা অতীত হইয়াছে, তুমিও তপস্যা দ্বারা সংস্কৃতা হইয়াছ। ১১৫-১১৬

    সচ্চিন্তা, জপ এবং তীব্র তপস্যা-রূপ মহৎ মূল্য দ্বারা আমি তোমার ক্রীতদাস হইয়াছি। ১১৭

    অতএব তোমার অঙ্গ-সংস্কার, জটাসমূহের সংস্কার ও গাত্র হইতে বল্কল মুক্ত করিয়া মনোহর বস্ত্র নিবেশ করিতে, হার, নূপুর, কেয়ূর, গুজাদি পরিধান করাইতে–শীঘ্র নিয়োগ করিয়া আমাতে স্নেহ প্রকাশ কর। ১১৮-১৯

    আমার নেত্রানলে দগ্ধ মদন ভস্মরূপে আমার অঙ্গেই বাস করিতেছেন; সে যেন প্রতিকার করিবার নিমিত্তই তোমার সমক্ষে আমাকে দগ্ধ করিতেছে। ১২০

    অগ্নি মনোহারিণি। তোমার অঙ্গরূপ অমৃত দান করিয়া সেই অগ্নি-সদৃশ কাম হইতে আমাকে উদ্ধার কর। দয়িতে! আমার প্রতি প্রসন্ন হও। ১২১

    ত্ৰিচত্বারিংশ অধ্যায় সমাপ্ত। ৪৩

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleশ্রীশ্রীচণ্ডী – অনুবাদ : পঞ্চানন তর্করত্ন
    Next Article ওয়ারলক – উইলবার স্মিথ

    Related Articles

    পঞ্চানন তর্করত্ন

    শ্রীশ্রীচণ্ডী – অনুবাদ : পঞ্চানন তর্করত্ন

    September 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }