Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কালিকা পুরাণ (কালিকাপুরাণম্‌) – পঞ্চানন তর্করত্ন সম্পাদিত

    পঞ্চানন তর্করত্ন এক পাতা গল্প667 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৪৬. বেতাল-ভৈরবের উপাখ্যান

    ষট্‌চত্বারিংশ অধ্যায় – বেতাল-ভৈরবের উপাখ্যান

    সগর বলিলেন,–হে দ্বিজশ্রেষ্ঠ! বেতাল কাহার নাম? ভৈরবই বা কাহার নাম? এবং কিরূপেই বা তাহারা মনুষ্য-শরীরে গণাধিপতি হইলেন? তাহা আমাকে বিশেষরূপে বলুন। ১

    নন্দীকে শিবের সহচর বলিয়া জানি এবং যেরূপে তিনি গণাধিপতি হইয়াছেন, তাহা নারদমুখে শ্রুত হইয়াছি। ২

    হে দ্বিজসত্তম! এ বিষয় যথার্থরূপে শুনিতে ইচ্ছা করি। ইহারা কাহার পুত্ররূপে জন্মগ্রহণ করিয়া গণাধ্যক্ষ হইলেন? ৩

    মহাভৈরবাখ্য গণাধিপ–শুনিয়াছি–মৃগরূপ মহাদেবের শরীরের অংশ স্বরূপ। ৪

    কিন্তু হে দ্বিজোত্তম। সেই ভৈরব এ ভৈরব কি না, তাহাই যথার্থরূপে জানিতে ইচ্ছা করি। ৫

    কাহার তনয় হইয়া গণাধিপ হইলেন এবং কি জন্যই বা তাহাদের উভয়ের মুখ বানরাকৃতি হইল, তাহাই বলুন। ৬-৭

    ঔৰ্ব বলিলেন,–হে রাজন্! মহাত্মা মহাকাল, ভৃঙ্গী, ভৈরব ও বেতালের অদ্ভুতচরিত বলিতেছি শ্রবণ করুন। ৮

    ভৃঙ্গী হরাত্মজ এবং মহাকালও হরসূত; ইহারা উভয়েই গৌরীর শাপে নরযোনিজ হইয়াছেন। ৯

    বেতাল ও ভৈরব পৃথিবীতে কোন নৃপভবনে জন্মগ্রহণ করিয়াছিলেন; যেরূপে মহাকাল ও ভৃঙ্গী পূৰ্বে উৎপন্ন হইয়াছেন, তাহা বিশেষরূপে শ্রবণ করুন। ১০

    মহাভৈরব শরভরূপী মহাদেবের কায়ভাগ, কিন্তু ভৈরব পৃথক একজন; ইনি গণাধ্যক্ষ এবং হরাত্মজ। ১১

    ইন্দ্রাদি দেবগণ তারকের বধের নিমিত্ত স্তুতিবাক্যে উমার গর্ভে হরের ঔরসে হরসমীপে সন্তান প্রার্থনা করিলেন। ১২।

    ভগবান্ বৃষধ্বজও দেবগণের প্রার্থিত হইয়া পুত্রের নিমিত্ত উমসহ মহাসুরত ক্রীড়া আরম্ভ করিলেন। ১৩

    হে রাজন! চন্দ্রশেখরের সেই মহাসুরত ক্রীড়া আরম্ভ হইলে মনুষ্য পরিমিত বর্ষ-সংখ্যায় বত্রিশ বৎসর ক্ষণকালের ন্যায় অতীত হইল। ১৪

    মহেশ্বর এইরূপ নিধুবনক্রীড়ায় তৃপ্তিলাভ করিলেন না এবং তেজও প্রচ্যুত হইল না, পাৰ্বতীও কিছুই তৃপ্তিলাভ করিলেন না। ১৫

    সেইরূপ ঘোর নিধুবন সময়ে বসুধা নিরন্তর কম্পিতা হইতে লাগিল এবং স্বর্গস্থ সমস্ত দেবগণ আকুল হইলেন। ১৬

    হরগৌরীর সেইরূপ সুরত ব্যাপারে সমস্ত জগৎ আকুলীভূত হইল। ১৭

    অনন্তর ইন্দ্রাদি দেবগণ হরের কেলিতে ভীত হইয়া জগৎপতি শরণ্য ব্রহ্মার শরণাগত হইলেন। ১৮

    সুরোত্তমগণ মিলিত হইয়া বিধাতাকে প্রণামকরত হরক্রীড়ায় আকুলচিত্তে সমস্ত বিষয় তাহার নিকট বর্ণন করিলেন। ১৯

    তাহার পর ইন্দ্র সকল দেবগণকে পশ্চাৎ রাখিয়া তৎকালোপস্থিত ভয় গদগদবাক্যে বিধাতাকে বলিলেন। ২০

    ইন্দ্র বলিলেন, হে ব্ৰহ্ম। হরের সুরতক্ৰীড়ায় সমস্ত জগৎ আকুলিত হইয়াছে এবং আমিও অত্যন্ত ভীত হইয়া আপনার শরণাপন্ন হইয়াছি। ২১

    হে ব্ৰহ্মন্! এইরূপ হরগৌরীর সঙ্গমে যে পুত্ৰ উদ্ভূত হইবে, সে নিশ্চয় আমাকে অতিক্রম করিবে। ২২

    ক্রীড়াসক্ত মহাদেবের ঔরসজাত পুত্র হইতে আমার তারক অপেক্ষাও অধিক ভয় হইতেছে। ২৩

    তাহা হইলে সেই হরপুত্র আমাকে ও দেবগণকে পীড়া না দিতে পারে, তদ্বিষয়ে যত্ন করত আমাদিগকে এই মহাভয় হইতে উদ্ধার করুন। ২৪

    ব্ৰহ্মা বলিলেন,–যদি উমার গর্ভে শঙ্করের তেজে পুত্ৰ উৎপন্ন হয়, তাহা হইলে সেই পুত্রের পরাক্রম ইন্দ্র প্রভৃতি দেবগণের ও সমস্ত লোকের দুঃসহ হইবে। ২৫

    যাহাতে হর-তেজঃসম্ভূত পুত্ৰ উমাগর্ভে উৎপন্ন না হয়, আমি দেবগণসহ হর-সমীপে গমন করত সে বিষয়ে চেষ্টা করিতেছি। ২৬

    যাহাতে তারকাসুর হর-তেজঃ-প্রভাবে শীঘ্র বিনষ্ট হয়, তাহারও প্রতি বিধান করিতেছি। ২৭

    ব্রহ্মা এই কথা বলিয়া দেবগণসহ কৈলাসপৰ্বতে হরগৌরীর সুরতস্থানে গমন করিলেন। ২৮

    লোকপিতামহ ব্রহ্মা সমস্ত দেবগণসহ সেইস্থানে গমন করিয়া বৃষধ্বজকে দেবগণ সহ স্তব করিতে লাগিলেন। ২৯

    দেবগণ বলিলেন, যাহার রতি-প্রীতির নিমিত্ত নহে এবং কাম যাহার মনোজ নহে, যাহার জন্মের কোনরূপ কারণাদি নাই, তাহাকে আমরা প্রণাম করি। ৩০

    যাহার লোকহিতের নিমিত্ত জায়াপরিগ্রহ, সেই ত্র্যম্বককে আমরা ভক্তি প্রবণ চিত্তে প্রণাম করি–তিনি আমাদিগের প্রতি প্রসন্ন হউন। ৩১

    মন্মথ ব্যতীত, শৃঙ্গারাদি যাহার স্মরণমাত্রেই আশ্রয় করে, সেই দেবশ্রেষ্ঠ মহাদেবকে আমরা প্রণাম করি। ৩২

    যিনি হিরণ্যরেতা হিরণ্যাভ ও হিরণ্য-বাহুরূপে খ্যাত–সেই সৃষ্টি-সংহার কারী শিব আমাদের প্রতি প্রসন্ন হউন। ৩৩

    জগন্ময়ী যোগনিদ্রা বলীয়সী বিষ্ণুমায়া স্বয়ং যাহার পত্নী হইয়াছেন, তাহাকে আমরা প্রণাম করিতেছি। ৩৪

    যাহার পঞ্চভূতস্বরূপ পঞ্চ-বদন শোভা পাইতেছে, সেই পঞ্চবক্ত্র দেবকে ভক্তিপূর্বক প্রণাম করিতেছি। ৩৫

    লোকে যাহাকে প্রধানপুরুষ বলে, সেই সদ্যোজাত অঘোর বামদেব উমা পতি ঈশানকে প্রণাম করিতেছি। ৩৬

    যিনি অসৎ ব্যক্তির অমঙ্গল স্বরূপ এবং ভক্তিশালীর মঙ্গল স্বরূপ–যিনি মঙ্গল ও অমঙ্গল স্বরূপ, সেই উভয় গুণসম্পন্ন মহাদেবকে আমরা প্রণিপাত করি। ৩৭

    যিনি ব্রহ্মা বিষ্ণু শিব এই ত্রিবিধ-রূপসম্পন্ন হইয়া নিরন্তর জগতের সৃষ্টি, স্থিতি ও বিনাশাদি বিধান করিতেছেন; হে বিভো! সেই মঙ্গলাস্পদ বিরূপাক্ষকে আমরা বন্দনা করিতেছি। ৩৮

    যিনি শূল, খট্বাঙ্গ ও মৃগাঙ্কাদি ধারণ করিতেছেন, যিনি সর্ব শক্তিমান, যাহার গোধ্বজ, সেই জাতবেদঃপ্রভাশালী ভগবান্ মহাদেবকে বারংবার প্রণাম করিতেছি। ৩৯

    যিনি ব্ৰক্ষা ও অগ্নিস্বরূপ, সর্পধারী, দৈত্যহন্তা, নিয়োগের কর্তা এবং যিনি অখিল ব্রহ্মাণ্ডের দর্পহারী; সেই আপনি স্তুতিতে তুষ্ট হইয়া আমাদের প্রতি প্রসন্ন হউন। ৪০

    অনন্ত নিত্যোদ্রেকী, বিবিধ রূপসম্পন্ন প্রধান এবং পরমব্রহ্ম স্বরূপ, নিয়ত একবিষয়ে লীন, নিত্যজ্যোতীরূপ, নিয়ত অসীম, নিরন্তর আত্মভোগরত, ভর্গ রূপ গিরিশ আমাদের মঙ্গলবর্ধক হউন। ৪১

    মহামায়াধার উমাপতি মহাদেব জগৎপতি শান্ত মঙ্গলকর শিবকে আমরা প্রণিপাত করিতেছি–প্রসন্ন হউন। ৪২

    মহাদেব, এইরূপ ইন্দ্র প্রভৃতি দেবগণের স্তবে প্রসন্ন হইয়া উমার সঙ্গ পরি ত্যাগ করিলেন। ৪৩

    যেরূপে মহাসুরত ক্রীড়াসক্ত ছিলেন, সেই অবস্থাতেই ব্ৰহ্মাদি দেবগণ সমীপে উপস্থিত হইলেন। ৪৪

    অনন্তর মহাদেব, সুরগণকে সত্বর বলিলেন, হে নিৰ্জরগণ! আপনারা কিজন্য আগমন করিয়াছেন, তাহা বলুন। ৪৫

    শক্র প্রভৃতি সমস্ত দেবগণ, মহাদেবকে বলিলেন; হে ভর্গ! আপনার মহা সুরত ক্রীড়াতে সকল জগৎ কম্পিত হইতেছে। ৪৬

    পৃথিবী-শৈল কাননাদি সহ নিরন্তর কম্পিত হইতেছে, সমস্ত নদ নদী ও সাগরাদি ক্ষুব্ধপ্রায়। ৪৭

    দেবগণ ও দিকপালগণ নিরন্তর অশান্তি অবস্থায় অবস্থান করিতেছেন; অতএব হে সৰ্ব্বলোকেশ! সকলের প্রতি কৃপা করুন। মহামৈথুন ত্যাগ করত কেবল মাত্র রতি অবলম্বন করুন। ৪৮

    শঙ্কর, পরমাত্মা ব্রহ্মার বাক্য শ্রবণ করত হৃষ্ট না হইয়া দেবগণকে বলিলেন। ৪৯

    হে দেবগণ! আমার এই প্রবৃত্তি আপনাদের হিতের জন্য; মহামৈথুন ত্যাগ করত রতিমাত্র অবলম্বন করিলে উমাগর্ভে পুত্র উৎপন্ন হইবে না। তাই আমার এই উদ্যম। ৫০-৫১

    উমার গর্ভে সেই জন্যই আমার তেজে যে পুত্র উৎপন্ন হইবে, সেই পুত্র, রিপুকুল বিনাশ করত দেবতাদিগকে উদ্ধার করিবে। ৫২

    অতএব আমার এই ক্রীড়াতে বীতভয় হইয়া সুরোত্তমগণ স্বস্থানে প্রস্থান করুন,আমি কর্তব্য কাৰ্য্য চিন্তা করি। ৫৩

    দেবগণ বলিলেন,–হে জগন্নাথ! উমাশরীরজ পুত্র যাহাতে না হয়, সেই অনুষ্ঠান করত মৈথুন পরিত্যাগ করুন। ৫৪

    ঈশ্বর বলিলেন, কেবল রতিমাত্রে উমাতে আমার পুত্র হইবে না, অতএব মহামৈথুন পরিত্যাগ করিলে পাৰ্ব্বতী অপুত্রা হইবেন। ৫৫

    তাহা হইলেও দেবতাদের ও ব্রহ্মার বাক্যানুসারে আমি মহামৈথুন পরিত্যাগ করিতেছি। ৫৬

    হে নিৰ্জরগণ! আপনারা এক কাৰ্য করুন, মহামৈথুন জন্য আমার প্রসূত তেজ, যিনি নিষ্কম্প ও নির্বিকার হইয়া ধারণ করিতে পারিবেন, সেই তেজস্বী দেবতাকে আপনারা আনয়ন করুন; হে ত্রিদশগণ! এরূপ ব্যক্তি দেখাইয়া দিন–আমি শরীরজ তেজ পরিত্যাগ করি। ৫৭-৫৮

    ঔর্ব বলিলেন, অনন্তর বৃষধ্বজের বাক্য শ্রবণ করিয়া ব্ৰহ্মা প্রভৃতি দেবগণ বুদ্ধিপূর্বক বীতিহোত্রসমীপে গমন করিলেন। ৫৯

    অনন্তর ব্রহ্মা সহ মন্ত্রণা করত পাবককে তেজোধারণে স্বীকৃত করাইয়া ইন্দ্রাদি দেবগণ হরকে এই বাক্য বলিলেন। ৬০

    এই তেজোময় বলী বৈশ্বানর আপনার মহামৈথুনসম্ভূত তেজ স্বয়ং গ্রহণ করিবেন। এই কথা বলিয়া ত্রিদশগণ অগ্রস্থিত বীতিহোত্রকে সৰ্ব্বকারণ শম্ভুসমীপে নির্দেশ করিলেন। ৬১-৬২

    তাহার পর মহাবাহু ভর্গ, মৈথুন-সম্ভূত স্বকীয় তেজ দহনশীল বহ্নিমধ্যে পরিত্যাগ করিলেন। ৬৩

    শশি-শেখরের অগ্নিতে পরিত্যক্ত তেজের পরমাণুদ্বয় পরিমিত অল্পতেজ, গিরি-সানুতে পতিত হইল। ৬৪।

    সেই পতিত অণুদ্বয়-মাত্র তেজ হইতে শঙ্করের দুইটি পুত্র উৎপন্ন হইল। সেই পুত্রদ্বয় মধ্যে একটি ভৃঙ্গ সদৃশ কৃষ্ণবর্ণ বলিয়া ব্রহ্মা তাহার নাম ভৃঙ্গী রাখিলেন, অপরটী মর্দিত অঞ্জন-সদৃশ অত্যন্ত কৃষ্ণ, এইজন্য পিতামহ তাহার নাম মহাকাল রাখিলেন। ৬৫

    শঙ্কর, তাহাদের উভয়কে প্রমথাদি গণসমূহ দ্বারা প্রতিপালন করাইলেন এবং অপর্ণাও তাহাদিগকে বিশেষ যত্ন করত বর্ধিত করিলেন। তাহারা হর ও উমার প্রতিপালনে প্রবৃদ্ধ হইল এবং হর তাহাদিগকে গণাধিপতি করিয়া দ্বারে নিয়োগ করিলেন। ৬৬

    সগর বলিলেন,–হে দ্বিজোত্তম! যে তেজ, অগ্নিতে নিক্ষিপ্ত হইয়াছিল, তাহা কিরূপ হইল; সেই বিষয় জানতে আমার অভিলাষ, অতএব সংক্ষেপ রূপে তাহা বলুন। ৬৭

    ঔর্ব বলিলেন,–বৃষধ্বজ অগ্নিতে তেজঃসমূহ তৎকালে পরিত্যাগ করত আকাশগঙ্গাকে উদ্দেশ করিয়া দেবতাদিগকে বলিলেন। ৬৮

    হে সুরোত্তমগণ! দেবী যোগনিদ্রা ভিন্ন এবং শৈলতনয়া ভিন্ন অন্য স্ত্রী এই তেজ গ্রহণ করিতে পারিবে না। ৬৯

    হে দেবগণ! আমি এইকথা বলিতেছি যে, এই তেজ যে গ্রহণ করিবে, তাহার পুত্র উৎপাদন হইবে। ৭০

    এই আকাশ গঙ্গা শৈলরাজের অপর সুতা, উমার জ্যেষ্ঠা ভগিনী, ইহার গর্ভে হুতাশন নিজ প্রভাবে এই তেজ দ্বারা পুত্ৰ উৎপাদন করিবে। ৭১

    সেই পুত্ৰ অনুপমদ্যুতিশালী দেবতা এবং অরিন্দম হইয়া সেনাপতি হইবে। সেই শিখিধ্বজ, তারককে আপনাদের সমক্ষে পরাজয় করিবে; তাহাকে অপ্রতিহত মহাবীর্যের দ্বারা আমিই বর্ধিত করিব। ৭২-৭৩

    এই কথা বলিয়া মহাদেব সকল দেবগণকে পরিত্যাগ করত পার্বতীসমীপে নিজের শুদ্ধতার নিমিত্ত গমন করিলেন। ৭৪

    সতী পাৰ্বতী, দেবগণের সেই অপ্রিয় বাক্য শ্রবণ করিয়া পুত্রের আশা পরিত্যাগ করত দেবসমূহের প্রতি কোপ করিলেন। ৭৫

    কোপে দগ্ধপ্রায় হইয়াই যেন তাহার অধরোষ্ঠ কম্পিত হইতে লাগিল। তিনি পরিত্যক্তমৈথুন হরকে দেখিয়া সুরগণকে এই কথা বলিলেন। ৭৬

    যেহেতু আপনারা আমার সুরত কাৰ্য্য হইতে শম্ভুকে বিযুক্ত করিলেন এবং আমি অজাতপুত্রা হইয়া বারস্ত্রীর ন্যায় নিতান্ত পীড়িত হইলাম। ৭৭

    অতএব সুরগণ-অদ্য পর্যন্ত নিজ স্ত্রী সহ মহামৈথুনভ্রষ্ট হউন। ৭৮

    ইহাদেরও আর আনন্দদায়ক পুত্র জন্ম গ্রহণ করিবে না। বরাঙ্গনা দেবস্ত্ৰীসকল পুত্রহীন হউক। ৭৯

    যেরূপে আমি পুত্রের আশায় বঞ্চিত হইয়া পরিতাপ করিতেছি, সেইরূপ দেবযোষিদগণও পুত্রাশায় বঞ্চিত হইয়া পরিতাপ করিবে। ৮০

    গিরিসুতা এইরূপ ক্রোধে হুতাশনের ন্যায় হইয়া দেবগণকে শাপ দিলেন; সেই পর্যন্ত ত্রিদশভবনে অদ্যাবধিও দেবগণের পুত্ৰ উৎপন্ন হইতেছে না। ৮১-৮২

    অগ্নি, কালক্রমে গঙ্গার উদরে হর-সম্বন্ধীয় সুবর্ণসন্নিভ রেতঃ সংক্রান্ত করিলেন। ৮৩

    দেবী গঙ্গা সেই রেত দ্বারা সম্পূর্ণ কালে সৰ্ব্বলক্ষণ-সম্পন্ন মনোহর পুত্রদ্বয় প্রসব করিলেন। ৮৪।

    সেই পুত্রদ্বয়ের মধ্যে একটির নাম স্কন্দ, অপরটির নাম বিশাখ। তাহারা রেতঃ-সদ্ভুত কান্তিবর্ধিত হইয়া মনোহর রূপশালী হইলেন এবং উভয়েই শক্তি ধর হইলেন। ৮৫

    তৎপরে বিশাখ ও স্কন্দের উভয় দেহ, একভাগে পরিণত হইল, যেমন জগতে অন্য শিশু হয়। সেই শিশু জন্মগ্রহণ করিয়াছে দেখিয়া গঙ্গা, বিস্মিতচিত্তে হঠাৎ শরবণমধ্যে নিক্ষেপ করিলেন। ৮৬-৮৭

    গর্ভ পরিত্যাগ করিয়া গঙ্গাদেবী গর্ভের বৃত্তান্ত ও জাত পুত্র পরিত্যাগ সমস্তই বহুলার নিকট বলিলেন। ৮৮

    বহুলা শ্রবণ করত মহাদেবের পুত্র জানিতে পারিয়া অবিলম্বে সেই পুত্র গ্রহণ করত প্রতিপালন করিলেন। ৮৯

    তৎপরে উমা ও শঙ্করকে জ্ঞাত করাইয়া তাহাদের অনুমতিক্রমে সেই অরিমর্দন পুত্রকে দেবীর করে সমৰ্পণ করিলেন। ৯০

    অতিপ্রবৃদ্ধ মহাবলপরাক্রম শক্তিধর শঙ্কর-প্রভাবে বর্ধিত হইয়া দেব সেনাপতি-পদে অভিষিক্ত হইলেন। ৯১

    তাহার পর মহাবল শক্তি-হস্ত হরতনয় সুরারি তারকাসুরকে স্বগণের সহিত অবসাদিত করিলেন। ১২

    হে নৃপোত্তম! এইরূপে ভর্গের তেজ অগ্নিতে পরিত্যক্ত হইয়া যেরূপ হইয়াছিল, তাহা বলিলাম। ৯৩

    সম্প্রতি মহাকাল ও ভৃঙ্গীর প্রকৃত বৃত্তান্ত আপনাদের শ্রবণ করা কর্তব্য। অতএব হে রাজেন্দ্র। তাহারা উভয়ে যেরূপে মানবযোনি প্রাপ্ত হইলেন, সেই বৃত্তান্ত শ্রবণ করুন। ৯৪

    ষট্‌চত্বারিংশ অধ্যায় সমাপ্ত। ৪৬

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleশ্রীশ্রীচণ্ডী – অনুবাদ : পঞ্চানন তর্করত্ন
    Next Article ওয়ারলক – উইলবার স্মিথ

    Related Articles

    পঞ্চানন তর্করত্ন

    শ্রীশ্রীচণ্ডী – অনুবাদ : পঞ্চানন তর্করত্ন

    September 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }