Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কালিকা পুরাণ (কালিকাপুরাণম্‌) – পঞ্চানন তর্করত্ন সম্পাদিত

    পঞ্চানন তর্করত্ন এক পাতা গল্প667 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৫৫. বলিদান

    পঞ্চপঞ্চাশ অধ্যায় – বলিদান

    ভগবান বলিলেন, তাহার পর দেবীর প্রমোদজনক বলি প্রদান করিবে। কেননা, শাস্ত্রে উক্ত হইয়াছে সাধক, মোদক দ্বারা গণপতিকে, ঘৃতদ্বারা হরিকে, নিয়মিত গীত বাদ্যদ্বারা শঙ্করকে এবং বলিদান দ্বারা চণ্ডিকাকে সর্বদা সন্তুষ্ট করিবে। ১-২

    (১) পক্ষী (২) কচ্ছপ (৩) কুম্ভীর (৪) নবপ্রকার মৃগ যথা–বরাহ, ছাগল, মহিষ, গোধা, শশক, বায়স, চমর, কৃষ্ণসার, শশ এবং (৫) সিংহ, মৎস্য (৬) স্বগাত্র-রুধির (৭) এবং ইহাদিগের অভাবে হয় এবং (৮) হস্তী এই আট প্রকার বলি শাস্ত্রে নির্দিষ্ট হইয়াছে। ৩-৪

    ছাগল, শরভ এবং মনুষ্য ইহারা যথাক্রমে বলি, মহাবলি এবং অতিবলি নামে প্রসিদ্ধ। ৫

    পুষ্প, চন্দন এবং বন্দনদ্বার বলিকে স্থাপিত করিয়া সাধক বারংবার বলিদানোক্ত মন্ত্র দ্বারা দেবীর পূজা করিবে। ৬

    সাধক, স্বয়ং উত্তরাভিমুখ হইয়া এবং বলিকে পূর্বমুখ স্থাপিত করিয়া তাহার দিকে দৃষ্টিপাত করত বক্ষ্যমাণ মন্ত্র পাঠ করিবে। ৭

    তুমি শ্রেষ্ঠ জীব, আমার ভাগ্যে বলিরূপে উপস্থিত হইয়াছ, অতএর সর্বস্বরূপ বলিরূপী তোমাকে আমি ভক্তিপূর্বক প্রণাম করি। ৮

    হে বলে। তুমি চণ্ডিকার প্রীতি উৎপাদন করিয়া দাতার আপৎ সকল বিনাশ কর, বৈষ্ণবীর বলিরূপী তোমাকে নমস্কার। ৯

    ব্ৰহ্মা, স্বয়ং যজ্ঞের নিমিত্ত সকল প্রকার বলির সৃষ্টি করিয়াছেন, এই নিমিত্ত আমি তোমাকে বধ করি, এই জন্যে যজ্ঞে পশুবধ হিংসার মধ্যে গণ্য নয়। ১০

    হে ভৈরব! সেই বলিকে কামরূপী চিন্তা করিয়া ওঁ ঐঁ হ্ৰীঁ শ্ৰীঁ এই মন্ত্র দ্বারা তাহার মস্তকে পুষ্পদান করিবে। ১১

    তাহার পর দেবীর উদ্দেশে আপনার কামনা নির্দেশ করিয়া বলিকে অভিষিক্ত করিয়া করবালের পূজা করিবে। ১২

    হে খড়্গ! তুমি চণ্ডিকার রসনাস্বরূপ এবং সুরলোকের সাধক এই বলিয়া ধ্যান করিয়া ওঁ ঐঁ হ্ৰীঁ শ্ৰীঁ এই মন্ত্রদ্বার খড়্গকে পূজা করিবে। ১৩।

    তাহার পর কালরাত্রিস্বরূপ উগ্রমূর্তি রক্তাস্য রক্তনয়ন রক্তমাল্যানুলেপন রক্তবস্ত্রধর পাশহস্ত সকুটুম্ব রুধিরপায়ী মাংসভোজী কৃষ্ণবর্ণ পিনাকীপাণিরও পুজা করিবে। ১৪-১৫

    হে খড়্গ। তোমার নাম অসি, বিশসন, তীক্ষ্ণধার, দুরাসদ, শ্রীগর্ভ, বিজয় এবং ধর্মপাল, তোমাকে নমস্কার করি। ১৬

    তাহার পর আঁং হ্রীং ফট্‌ এই মন্ত্র দ্বারা খড়্গকে পূজা করিয়া সেই বিমল খড়্গ গ্রহণ করিয়া বলিচ্ছেদ করিবে। ১৭

    তাহার পর ছিন্ন বলির রুধির-জল, সৈন্ধব, সুস্বাদু ফল, মধু, গন্ধ ও পুষ্পের দ্বারা সুবাসিত করিয়া ওঁ ঐঁ হ্ৰীঁ শ্ৰীঁ কৌশিকি এই রুধির দ্বারা প্রীতিলাভ কর, এই মন্ত্র বলিয়া যথাস্থানে রুধির নিক্ষেপ করিয়া ছিন্ন মস্তকের উপর প্রদীপ জ্বালাইয়া রাখিবে, এইরূপে সাধক, বলির পূর্ণ ফল প্রাপ্ত হইবে। ১৮-২০

    কোন বিষয় ন্যূনতা হইলে ফলেরও ন্যূনতা হয় এবং বিপৰ্যয় হইলে কর্ম একবারে নিষ্ফল হয়। ২১

    হে বেতাল ও ভৈরব। দুর্গার সকল প্রকার বলিদানে এই একই বিধি জানিবে এবং পণ্ডিতগণ ইহারই অনুষ্ঠান করিবেন। ২২

    তাহার পর পূর্বের মত ধ্যানতৎপর হইয়া জপ আরম্ভ করিবে। হস্তে মালা গ্রহণ করিয়া মনে মনে দুর্গাদেবীর চিন্তা করিবে। ২৩-২৪

    গুরুবর্ণাদি যেরূপ হইবে, সেইরূপে গুরুকে মস্তকে চিন্তা করিবে, কণ্ঠে পীতবর্ণ হিরন্ময় মন্ত্রের ধ্যান করিবে। ২৫

    হৃদয়ে মহামায়ার ধ্যান করিবে এবং আপনাকে গুরুপদে বিলীন বিবেচনা করিবে। ২৬

    তাহার পর সুষুম্না-পথ দিয়া গুরু, মন্ত্র, আত্মা এবং দেবীর একতা চিন্তা করিবে। তাহার পর তত্ত্বস্বরূপ একটি ষটচক্রকে আশ্রয় করিবে। ২৭

    বিচক্ষণ সাধক ঐ ষটচক্রেও ক্ষণকাল মহামায়ার ধ্যান করিয়া মূলমন্ত্র, আদি ষোড়শচক্রে আশ্রয় করিবে। ২৮

    আদি-ষোড়শ চক্র-স্থিত, সাধকদিগের আনন্দকারিণী দেবীকে চিন্তা করিয়া সাধক জপকর্ম আরম্ভ করিবে। ২৯

    ভ্রূর উপরিভাগ নাড়ীত্রয়ের প্রান্তভাগ বলিয়া প্রসিদ্ধ। সেই প্রান্তভাগ ত্রিপথ ষটকোণ এবং চতুরাঙ্গুলপরিমিত। রক্তচন্দন-যোগজ্ঞ ব্যক্তিগণ ঐ স্থানকে আজ্ঞাচক্ৰ বলিয়া অভিহিত করেন। ৩০

    মনুষ্যদিগের কণ্ঠে সুষুম্না, ইড়া ও পিঙ্গলা এই নাড়ীত্রয়ের ষড়ঙ্গুলিপরিমিত ষটকোণ, একটি বেষ্টন আছে। উহাও একটি ষটচক্র, উহা কণ্ঠের মধ্যস্থিত এবং শুক্লবর্ণ। ৩১-৩২

    হৃদয়ে তিনটি নাড়ীর একত্ৰ মিলন হইয়াছে, ঐ স্থান সপ্তাঙ্গুল প্রমাণ এবং ষোড়শার নামে বিখ্যাত। ৩৩

    যোগজ্ঞ পণ্ডিতগণ ঐ আদি ষোড়শচক্রকে পীতবর্ণ বলিয়া নির্দেশ করেন। যেহেতু ধ্যান, মন্ত্র-চিন্তনের এবং জপের হৃদয় আদ্য স্থান, এই নিমিত্ত হৃদয় আদি নামে অভিহিত হয়। ৩৪

    জপের প্রথমে জল দ্বারা যত্নপূর্বক মালা ধৌত করিয়া মণ্ডলের মধ্যে অথবা বামহস্তে রক্ষা করিয়া তাহার পূজা করিবে। ৩৫

    হে মালে। তুমি মহামায়া সৰ্বশক্তিস্বরূপা, তোমাতে চতুৰ্বর্গ ন্যস্ত হইয়াছে, তুমি আমার সিদ্ধিপ্রদা হও। ৩৬

    হে ভৈরব! এইরূপে মালার পূজা করিয়া দক্ষিণ হস্তে তর্জনী ত্যাগ করিয়া অনামিকা ও কনিষ্ঠার সহিত মিলিত মধ্যমার মধ্যভাগে ঐ মালা গ্রহণ করিয়া সেই স্থানে মালা ধারণ করিয়া এক একটি বীজ স্পর্শ করিয়া জপ করিবে। ৩৭

    প্রতিবার ধীরে ধীরে মন্ত্র পাঠ করিবে; ওষ্ঠ চালিত করিবে না, মালার এক একটি বীজ গণনা করিয়া জপ করিবে, একদা উভয় বীজ স্পর্শ করিবে না। ৩৮

    হে ভৈরব! পূর্ব জপে প্রযুক্ত অঙ্কুষ্ঠের অগ্রভাগ দ্বারা পূর্ববীজ জপ করত পর বীজ স্পর্শ করিবে না, ঐরূপ করিলে তাহার সেই জপ নিষ্ফল হইবে। ৩৯

    যে ব্যক্তি মালাকে হৃদয়ের সন্নিহিত করিয়া দক্ষিণ হস্তদ্বারা ধারণপূর্বক দেবীকে চিন্তা করত জপ করে, তাহাকে পাপ স্পর্শ করে না। ৪০

    স্ফটিক, ইন্দ্রাক্ষ, রুদ্রাক্ষ, পুত্ৰঞ্জীব-সমুদ্ভব বীজ, সুবর্ণ, মণি, প্রবাল অথবা পদ্মের বীজ ইহার একতরের দ্বারা দেবীর পরম প্রীতিকর অক্ষমালা নির্মাণ করিবে। কুশ-গ্রন্থিযুক্ত হস্তদ্বারা সর্বদা অনুচ্চ স্বরে জপ করিবে। ৪১

    সমুদয় মালাবীজের মধ্যে রুদ্রাক্ষ আমার প্রিয় অপেক্ষাও প্রিয়; যেহেতু রুদ্রের প্রীতি উৎপাদন করে, এই জন্য উহার নাম রুদ্রাক্ষ। ৪২

    প্রবালের অষ্টাবিংশতি বা পঞ্চপঞ্চাশৎ বীজদ্বারা মালা রচনা করিবে, ইহা অপেক্ষা অধিক বা ন্যূন সংখ্যা দ্বারা করিবে না। ৪৩

    রুদ্রাক্ষ, ইন্দ্রাক্ষ, বা স্ফটিক দ্বারা যদি জপমালা প্রস্তুত করে, তাহা হইলে উহার মধ্যে পুত্ৰঞ্জীবাদি অন্য কিছু মিশ্রিত করিবে না। ৪৪

    জপকর্মে মালার মধ্যে যদি অন্য কিছু মিশ্রিত করে, তাহা হইলে প্রিয়ঙ্করী দেবী তাহাকে কাম বা মোক্ষ দান করেন না। ৪৫

    সে জন্মান্তরে বেদবেদাঙ্গ-পারগ হইয়া জন্মগ্রহণ করে; কিন্তু পরে পাপ কৰ্ম্মবশে চণ্ডালদিগের সহিত মিশ্রভাব প্রাপ্ত হয়। ৪৬

    মালার মূলে একটী পূৰ্ব্বাপেক্ষা স্থূলবীজ গ্রন্থন করিবে, তাহার পর ক্রমশঃ অপেক্ষাকৃত কৃশ বীজের বিন্যাস করিবে। ৪৭

    এইরূপ ক্রমে মালা নিৰ্মাণ করিবে, যাহাতে সেটি একটি সর্পাকারে পরিণত হয়। প্রতিবীজ যথাস্থিত ব্রহ্মগ্রন্থি-যুক্ত করিবে। ৪৮

    গ্রন্থিশূন্য দৃঢ় রজ্জু-যুক্ত করিবে। যে গ্রন্থির মধ্যদেশে ত্রিরাবৃত্তি, অন্তদেশে অৰ্ধাবৃত্তি এবং দক্ষিণাবৰ্ত্ত হয়, তাহার নাম ব্ৰহ্মগ্রন্থি। ৪৯

    মালা স্বয়ং যোজিত করিবে, মন্ত্র উচ্চারণ না করিয়া যোজনা করিবে না। এরূপ দৃঢ় সূত্রের যোজনা করিবে যাহাতে জপ করিতে ত্রুটিত না হয়। ৫০

    এইরূপ দৃঢ় করিয়া মালা ধরিবে, যাহাতে জপ করিতে করিতে হস্ত হইতে চ্যুত না হয়। মালা হস্ত হইতে চ্যুত হইলে বিঘ্ন হয় এবং ছিন্ন হইলে মরণ হয়। ৫১

    আমার কথানুসারে যে ব্যক্তি মালা প্রস্তুত করে এবং জপ করে, তাহার অভীপ্সিত সিদ্ধ হয়; কোন বিষয়ে হীন হইলে বিপরীত ফল হয়। ৫২

    অন্য সময়েও অভীষ্ট দেবকে স্মরণ করিয়া মালা জপ করিবে। পূর্বে যেরূপ উপদেশ করা গেল, সাধক, তদনুসারেই জপ করিবে; কখনও অন্যরূপ করিবে না। ৫৩

    যথাশক্তি সংখ্যাপূর্বক যত্ন করিয়া জপ করিবে, সংখ্যাহীন জপ নিষ্ফল হয়। ৫৪

    জপ সমাপন করিয়া মালা শিরোদেশে অথবা উচ্চ স্থানে স্থাপন করিবে। তাহার পর আপনার মনোগতভাব নিবেদন করিয়া স্তুতি পাঠ করিবে। ৫৫

    স্তুতি একটি মহামন্ত্র সৰ্ব্বকর্মের সাধক। হে মহাভাগদ্বয়। তোমাদের দুজনকে সেই সর্বসিদ্ধিপ্রদায়ক স্তুতির কথা বলিতেছি। ৫৬

    হে সৰ্বমঙ্গলমঙ্গল্যে শিবে। হে সৰ্বার্থসাধিকে! হে শরণ্যে। ত্র্যম্বকে। গৌরবর্ণে! নারায়ণি! তোমাকে নমস্কার করি। ৫৭

    সাধক এই স্তুতি পাঠ করত সপ্তবার প্রদক্ষিণ করিবে। তাহার পর ঐং হ্রীং শ্রীঁ এই মন্ত্র দ্বারা পাঁচবার প্রাণায়াম করিবে, অথবা অন্য কার্যের পরে আপনার ইচ্ছায় অধিকবারও প্রাণায়াম করিতে পারে। ৫৮

    তাহার পর যোনিমুদ্রা দেখাইয়া বিসর্জন করিবে। ৫৯

    দুইটি হস্ততল বিস্তার করিয়া ঊর্ধ্বদিকে অঞ্জলি করিবে। দুই কনিষ্ঠার অগ্রভাগে দুইটি অঙ্কুষ্ঠের অগ্র সংযোজিত করিবে। ৬০

    বাম হস্তের অনামিকার সম্মুখে তাহার কনিষ্ঠার বিন্যাস করিবে, এইরূপ দক্ষিণ হস্তের অনামিকার সম্মুখভাগে তাহার কনিষ্ঠার বিন্যাস করিবে। ৬১

    দুই হস্তের দুইটি তর্জনীর অগ্রভাগ কনিষ্ঠার অগ্রভাগের সহিত যুক্ত করিবে। ৬২

    এইরূপ করিলে একটি যোনিমুদ্রা হইবে, এই যোনিমুদ্রা দেবীর অতিশয় প্রীতিকরী। ৬৩

    সাধক প্রতিমার সম্মুখে তিনবার যোনিমুদ্রা প্রদর্শন করাইবে। ঐ মুদ্রা মস্তকে স্থাপিত করিয়া পরে মণ্ডলের অগ্রভাগে স্থাপন করিবে।৬৪

    তাহার পর দ্বারপদ্ম পরিত্যাগ করিয়া ঈশানকোণে ঐ যোনিমুদ্রার অগ্রভাগ করিয়া সেই স্থানে রক্তচণ্ডাকে নমস্কার করিবে। ৬৫

    তদনন্তর সাধক হ্ৰীঁ শ্ৰীঁ এই মন্ত্র উচ্চারণপূর্বক রক্তচণ্ডায়ৈ নমঃ এই বলিয়া নিৰ্মাল্য নিক্ষেপ করিবে। ৬৬

    তাহার পর জলেই হউক, অথবা বৃক্ষমূলেই হউক, নিৰ্মাল্যের বিন্যাস করিবে। এইরূপ বিধানে যে মনুষ্য সেই মঙ্গলদায়িনী দেবীর পূজা করে, সে সর্বপ্রকার বাঞ্ছিত ফল প্রাপ্ত হয়। ৬৭

    সাধক, প্রথমে অর্ধ লক্ষ জপ করিয়া বিশেষ নৈবেদ্য দান করিয়া পুরশ্চরণ করিবে। ৬৮

    শুক্লপক্ষে অষ্টমীর দিবস উপবাস করিয়া মণ্ডল তুল্য একটি কুণ্ড করিবে। নবমীর দিবস পঞ্চবর্ণের গুঁড়ি দিয়া পিতা এবং গুরুকে নিকটে রাখিয়া পূর্বের ন্যায় একটি মণ্ডল করিবে। ৬৯

    পূর্বোক্ত বিধানে চণ্ডিকা দেবীর পূজা করিয়া বিল্বপত্র সহিত তিলের দ্বারা অষ্টোত্তর শতবার হোম করিয়া তিন সহস্রবার জপ করিবে। ৭০

    নৈবেদ্য, গন্ধপুষ্প, প্রিয়বস্তু, পূর্বোক্ত অন্যান্য বস্তু এবং পায়স দেবীকে দান করিবে। ৭১

    পূজার অবসানে ত্ৰিজাতীয় তিনটি বলি প্রদান করিবে। তাহার পর সিন্দুর, স্বর্ণ, রত্নাদি স্ত্রীদিগের ভূষণ সকল এবং শক্তি অনুসারে ভূরি পরিমাণে পুষ্পমালা প্রদান করিবে। ৭২

    নবমীর দিবস শালি অন্ন সহিত মহাশক্ত, ব্যঞ্জনযুক্ত দ্রব্য এবং সন্ধ্যাকালে ঘৃতের সহিত বলি দেবীকে দান করিবে। ৭৩

    গুরুকে সুবর্ণ, গাভী এবং তিল দক্ষিণা দান করিবে। ৭৪

    অভিশপ্ত, অপুত্র, নিন্দনীয়, ক্রিয়াহীন, অকল্পজ্ঞ, বামন, গুরুনিন্দক, এবং সৰ্ব্বদা মৎসরযুক্ত এইরূপ গুরুর নিকট মন্ত্র গ্রহণ করিবে না। ৭৫

    গুরু,–মন্ত্রের মূল, যেহেতু মূল শুদ্ধ হইলে তৎসম্বন্ধীয় অঙ্গ সকল সফল হয়, এই নিমিত্ত তাহাকে যত্নপূর্বক পরীক্ষা করিবে। ৭৬

    শাস্ত্রে কোন একটি ভাল মন্ত্র দেখিয়া তাহা শাঠ্যদ্বারা, ক্রোধ-প্রদর্শনপূর্বক মোহ উৎপাদন করিয়া, সম্পত্তির লোভ দেখাইয়া, অথবা ছলনাপূর্বক গুরুর মুখ হইতে গ্রহণ করিবে না। ৭৭।

    সেই-মন্ত্র-চৌর্য-রূপ পাপে মনুষ্য মন্বন্তর-ত্রয় নরকে বাস করিয়া পাপ যোনিতে জন্মগ্রহণ করে। ৭৮

    যেমন নিবিড় অরণ্য মধ্যে সুশস্যের বীজ বপন অনুচিত, সেইরূপ শঠ, ক্রূর, মূর্খ, ছলনাকারী, অভক্ত এবং দূষিত ব্যক্তিকে মন্ত্র দান করা উচিত নয়। ৭৯

    পুরশ্চরণপূর্বক একলক্ষবার মন্ত্র জপ করিলে অভীষ্ট সিদ্ধ হয়; কারণ পুরশ্চরণ কাৰ্য্য দ্বারা সকল পাপ বিনষ্ট হয়। ৮০

    হে নরশ্রেষ্ঠদ্বয়। প্রতিদিন ত্রিসন্ধ্যা বীজসংপুট করিয়া দ্বিলক্ষ বার মন্ত্র জপ করিলে মনুষ্য–কবি, বাগ্মী, পণ্ডিত এবং যশস্বী হয়। ৮১

    হে সাধকদ্বয়। ইহার পর সাধকদিগের শ্রেষ্ঠ পূজা-স্থান শ্রবণ কর। ৮২

    যে মনুষ্য, যে কোনরূপ নির্জন স্থানে পূজা করে, দেবী স্বয়ং তাহার দত্ত পত্র, পুষ্প, ফল এবং জল গ্রহণ করেন। ৮৩।

    পূজা বিষয়ে শিলা, স্থণ্ডিল এবং নির্জন স্থান–সর্বাপেক্ষা প্রশস্ত এবং সকল প্রকার জপের মধ্যে উপাংশু জপই সর্ব প্রধান বলিয়া পরিকীর্তিত হইয়াছে। ৮৪

    অশুচি মনুষ্য, কদাপি মহামায়ার পূজা করিবে না। কিন্তু তাহার অন্তরে যদি ভক্তি থাকে, তবে অবশ্য মন্ত্রের স্মরণ করিতে পারে। ৮৫

    দম্ভ হইতে রক্ত নির্গত হইলে স্মরণ নিষিদ্ধ। ঐ অবস্থায় কোন প্রকার মন্ত্রের স্মরণ করিলেই নরকে গতি হয়। ৮৬

    জানুর ঊর্ধ্বে ক্ষত হইলে কখনও নিত্যকর্মের অনুষ্ঠান করিবে না; জানুর অধোদেশে যদি রক্তস্রাব হয়, তাহা হইলে নৈমিত্তিক কর্মের অনুষ্ঠান করিবে। ৮৭

    ক্ষৌরকর্ম বা মৈথুনে লোম বা কেশ হইতে রক্ত বিগলিত হইলে ধূমোগদার অর্থাৎ চোঁয়া-ঢেকুর উঠিলে বা বমন হইলে নিত্যকর্ম সকল পরিত্যাগ করিবে। ৮৮

    কোন দ্রব্য ভোজন করিয়া অজীর্ণ হইলে অথবা কোন বস্তু ভোজন করিয়া–মনুষ্য নিত্য কর্ম করিবে না। জননাশৌচ বা মরণাশৌচ হইলেও নিত্য কৰ্ম্মের পরিত্যাগ করিবে। ৮৯

    হে নরশ্রেষ্ঠ। পত্র, পুষ্প এবং তাম্বুল যাহা ঔষধরূপে পরিকল্পিত হইয়াছে, সেই ঔষধ ভিন্ন যে কোন দ্রব্য, ফল অথবা জলও ভোজন করিয়া কোন নিত্য বা নৈমিত্তিক কর্মের অনুষ্ঠান করিবে না। ৯০-৯১

    জলৌকা, গূঢ়পাদ, কৃমি এবং গণ্ডুপদাদি জীবকে ইচ্ছাপূর্বক হস্তদ্বারা স্পর্শ করিলে নিত্যকর্মের অধিকার থাকে না। ৯২

    বিশেষ মৃত-পিতৃক মনুষ্য এক বৎসর পর্যন্ত শিবপূজা এবং দুর্গাদেবীর মানসিক হইলে এক বৎসর যাবৎ কোন কাম্য কর্মের অনুষ্ঠান করিবে না। ৯৩

    ঋতুতে কর্তব্য যজ্ঞ, ব্ৰহ্মষজ্ঞ, শ্রাদ্ধ এবং কোন প্রকার দেবকাৰ্য্যও করিবে। ৯৪

    হে ভৈরব! গুরুর নিন্দা করিলে, স্বহস্তে ব্রাহ্মণকে প্রহার করিলে এবং রেতঃপাত করিলে নিত্যকর্ম সকলের অনুষ্ঠান করিবে না। ৯৫

    মনুষ্য, ভগ্ন আসন বা অর্ঘ্যপাত্র গ্রহণ করিয়া পূজা করিবে না। এবং ঊষর অর্থাৎ ক্ষার ভূমিতে, কৃমিযুক্ত স্থানে অথবা অমার্জিত স্থানেও পূজা করিবে না। ৯৬

    হে ভৈরব! নীচ আসনে উপবেশনে করিয়া শুচি এবং পবিত্রমানস হইয়া চণ্ডিকাদেবী এবং অন্য দেবতাকে অর্চনা করিবে। ৯৭

    সমুদয় দিকের মধ্যে কৌবেরী (উত্তর) দিক চণ্ডিকার প্রীতিকারিণী, এই নিমিত্ত সর্বদা উত্তরমুখে আসীন হইয়া চণ্ডিকার পূজা করিবে। ৯৮

    কীট-ভিন্ন, বিশীর্ণ, ভগ্ন, স্বয়ংপতিত, কেশযুক্ত এবং মূষিকা-চৰ্বিত পুষ্প যত্নপূর্বক পরিত্যাগ করিবে। ৯৯

    এইরূপ বিশীর্ণ, ভগ্ন, উদগত, কেশযুক্ত এবং মূষিকা-ধৃত দীপ ও আসনও পরিত্যাগ করিবে। ১০০

    যে সকল বস্তু যাচিত, যা পরকীয় বা পর্যুষিত অর্থাৎ বাসি, অথবা অন্ত্যজ জাতিস্পৃষ্ট অথবা পদদ্বারা সৃষ্ট এ সকল বস্তু বহু যত্নপূর্বক পরিত্যাগ করিবে। ১০১

    হে ভৈরব! যে মনুষ্য উক্তরূপ বিধান অনুসারে চণ্ডিকা দেবীর পরম মনোরম পূজন করে, সে ইহলোকে সমুদয় বাঞ্ছিত প্রাপ্ত হইয়া অচিরকাল মধ্যে চণ্ডিকার ভবনে গমন করে। ১০২

    পঞ্চপঞ্চাশ অধ্যায় সমাপ্ত। ৫৫

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleশ্রীশ্রীচণ্ডী – অনুবাদ : পঞ্চানন তর্করত্ন
    Next Article ওয়ারলক – উইলবার স্মিথ

    Related Articles

    পঞ্চানন তর্করত্ন

    শ্রীশ্রীচণ্ডী – অনুবাদ : পঞ্চানন তর্করত্ন

    September 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }