Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কালিকা পুরাণ (কালিকাপুরাণম্‌) – পঞ্চানন তর্করত্ন সম্পাদিত

    পঞ্চানন তর্করত্ন এক পাতা গল্প667 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৬০. কাত্যায়নীর আবির্ভাব

    ষষ্টিতম অধ্যায় – কাত্যায়নীর আবির্ভাব

    ভগবান্ বলিলেন;–রাজা-রাজারা শরৎকালে মহানবমীতে দুর্গা-মন্ত্র-তন্ত্র দ্বারা দুর্গার মহোৎসব এবং বলিদান করিবে। ১

    আশ্বিন মাসের যে শুক্লপক্ষীয় অষ্টমী তিথি, তাহা দেবীর অতিশয় প্রীতিকরী ‘মহা অষ্টমী’ নামে বিখ্যাত। ২।

    তৎপরবর্তী মহানবমী বলে। সেই তিথি শিবপ্রিয় এবং সর্বলোক পূজনীয়; হে ভৈরব! প্রতিবর্ষে ঐ তিথিদ্বয়ে দুর্গাপূজার বিশেষ ফল শ্রবণ কর। ৩

    হে বৎস! মহাদেবী দুর্গা যেমন ভিন্ন ভিন্ন বিভূতি প্রদানের নিমিত্ত ভিন্ন ভিন্নরূপে পূজা গ্রহণ করেন; সেইরূপ রবি, কন্যারাশি গত হইলে শুক্ল প্রতিপদ হইতে আরম্ভ করিয়া ভিন্ন ভিন্ন তিথিতে ভিন্ন ভিন্ন বিভূতি দানের নিমিত্ত পূজাগ্রহণ করেন। ৪-৫

    অনাহারী, নক্তাহারী, একাহারী অথবা বায়ুভোজী হইয়া প্রাতঃস্নান, ইন্দ্রিয়জয় এবং ত্ৰৈকালিক-শিবপূজা, জপ ও হোম করত কুমারিকা ভোজন করাইবে এবং ষষ্ঠীর দিবস বিল্বশাখা ও ফলে দেবীর পূজা করিবে। ৬-৭

    সপ্তমীর দিবস সেই বিল্বশাখা আহরণ করিয়া পুনরায় পূজা করিবে। ৮

    পুনৰ্বার অষ্টমীর দিন বিশেষ উপচারের সহিত পূজা করিবে, স্বয়ং বলি দান করিবে এবং মহানিশাতে জাগরণ করিবে। ৯

    নবমীতে যথেষ্ট বলিদান করিবে, দশভুজা দেবীর ধ্যান করিবে এবং দুর্গা তন্ত্র মন্ত্র উচ্চারণপূর্বক পূজা করিবে। ১০।

    দশমীতে শার্বরোৎসব-পূর্বক বিসৰ্জন করিবে। বিসৰ্জন করিয়া রাত্রে পূর্ববৎ আচরণ করিবে। যখন দুর্গা-তন্ত্র-মন্ত্রদ্বারা মহামায়ার ষোড়শভুজা মূর্তি পূজা করিবে, তৎকালিক বিশেষবিধি শ্রবণ কর। ১১-১২

    কন্যাস্থ-রবিতে কৃষ্ণপক্ষীয় একাদশীর দিন উপবাসী হইয়া দ্বাদশীতে একাহার এবং পরদিবস নক্ত করিবে। ১৩

    চতুর্দশীতে গীত ও বাদ্যের শব্দ করিয়া নানাবিধ নৈবেদ্য দান ও বন্দনাপূর্বক দেবীর বোধন করিবে এবং পরদিন উপবাস করিবে। ১৪

    নবমী পর্যন্ত এইরূপ ব্রতের অনুষ্ঠান করিবে। ১৫

    জ্যেষ্ঠা-নক্ষত্রে পূজা আরম্ভ করিয়া মূলা ও উত্তরাষাঢ়া নক্ষত্রে পূজা করিয়া শ্রবণার শেষে বিসর্জন করিবে। ১৬

    যখন অষ্টাদশভুজা মূর্তির দুর্গা-তন্ত্র-মন্ত্রদ্বারা পূজা করিবে, হে ভৈরব! সে বিষয়েও বিশেষ বিধি শ্রবণ কর। ১৭

    কন্যারাশির কৃষ্ণপক্ষে আর্দ্রানক্ষত্রযুক্ত নবমীর দিবাভাগে গীত ও বাদ্যের শব্দ করিয়া দেবীর বোধন করিবে। ১৮

    শুক্লপক্ষের চতুর্থীতে দেবীর কেশমোচন করিয়া পঞ্চমীর দিন প্রাতঃকালেই সুগন্ধি জলদ্বারা স্নান করাইবে। ১৯

    সপ্তমীর দিন পত্রিকা পূজা, অষ্টমীতে উপবাস এবং নবমীতে বিধিপূর্বক পূজা জাগরণ ও বলি প্রদান করিবে। ২০

    দশমীতে ক্রীড়া-কৌতুক ও মঙ্গলাচরণ করিয়া বিসর্জন করিবে। দশমীতে নিরাজন করিলে অতিশয় বল বৃদ্ধি হয়। ২১

    হে ভৈরব! যখন জগন্ময়ী মহামায়া বৈষ্ণবী দেবীকে পূজা করিবে, তাৎকালিক বিশেষ বিশেষ বিধি শ্রবণ কর। ২২

    কন্যারাশিস্থিত রবিতে যে পূজনীয় শুক্লাষ্টমী তিথি, তাহার রাত্রিকালে অতিশয় বিভব বিস্তারপূর্বক পূজা করিবে। ২৩

    নবমীতে যথাবিধি বলিদান করিবে এবং বিভূতির নিমিত্ত বিধিপূর্বক জপ ও হোম করিবে। ২৪

    মনুষ্য অষ্ট পুষ্পিকাদ্বারা মহামায়ার পূজা করিবে। পূর্বে রামের প্রতি অনুগ্রহ এবং রাবণের বধের নিমিত্ত ব্রহ্মা রাত্রিকালে এই মহাদেবীর বোধন করিয়াছিলেন। ২৫-২৬

    অনন্তর মহাদেবী প্রবোধিত হইয়া রাবণের বাস-ভূমি লঙ্কায় গমন করিয়া ছিলেন। ২৭

    সেই লঙ্কা নগরে গমন করিয়া স্বয়ং অন্তর্হিত হইয়া রাম এবং রাবণকে যুদ্ধে প্রবৃত্ত করিয়াছিলেন। ২৮

    ঐ যুদ্ধে রাক্ষস এবং বানরদিগের মাংসও ভক্ষণ করত রাম-রাবণের যুদ্ধ সপ্তাহ স্থায়ী করিয়াছিলেন। ২৯

    সপ্তরাত্ৰ অতীত হইলে নবমীতে জগন্ময়ী মহামায়া রামের দ্বারা রাবণের বিনাশ করেন। ৩০

    যে সপ্তরাত্রি দেবী আনন্দের সহিত তাহাদের দুজনের যুদ্ধক্ৰীড়া দর্শন করিয়াছিলেন, সেই সপ্তরাত্ৰ সমুদয় দেবগণ তাহাকে পূজা করিয়াছিলেন। ৩১

    রাবণ নিহত হইলে, নবমীতে পিতামহ ব্রহ্মা, নিখিল দেবগণের সহিত দেবীর বিশেষ পূজা করিয়াছিলেন। ৩২

    তাহার পর দশমীতে সেই দেবী ভগবতী, শার্বরোৎসবের সহিত বিসর্জিত হইয়াছিলেন। ৩৩

    অনন্তর ইন্দ্রও দেব-সৈন্যের শান্তির নিমিত্ত এবং দেব-রাজ্যের বৃদ্ধির নিমিত্ত দেবসেনারও নীরাজন করিয়াছিলেন। ৩৪

    স্বাতি-নক্ষত্র-যুক্ত তৃতীয়া তিথিতে রামরাবণের সেই ভয়প্রদ বাণযুদ্ধ দেখিয়া লঙ্কার পূৰ্বোত্তর দিকে অবস্থিত সুমহৎ সুরসৈন্যকে ভীত দেখিয়া দেবরাজ ইন্দ্রের বচনানুসারে তাহাদের ভয় নিবারণার্থ দেবী স্বয়ং রক্ষা করিয়াছিলেন। ৩৫-৩৬

    অনন্তর শ্রবণা-যুক্ত দশমীতে শুভদায়িনী চণ্ডিকা দেবীকে বিসর্জন করিয়া ইন্দ্র, শান্তির নিমিত্ত স্বসৈন্যের নীরাজন করিয়াছিলেন। ৩৭

    শচীপতি ইন্দ্র স্বসৈন্যের নীরাজনান্তে তত্রন্থিত রাম ও লক্ষণের সহিত সম্ভাষণ করিয়া দেবগণের সহিত স্বর্গে গমন করিয়াছিলেন। ৩৮

    পূর্বকালে স্বায়ম্ভুব মনুর অন্তরে দেবী ভগবতী, দেবগণের হিতের নিমিত্ত দশভুজা রূপে প্রাদুর্ভূত হইয়াছিলেন এইরূপ ইতিবৃত্ত আছে। ৩৯

    উহা মনুষ্যদিগের ত্রেতাযুগের আদিতে জগতের হিতের নিমিত্ত সংঘটিত হয়। পূর্বকল্পে যেরূপ ঘটিয়াছিল, প্রতিকল্পেই সেইরূপ ঘটিয়া থাকে। প্রতি কল্পেই দৈত্যদিগের নাশের নিমিত্ত দেবী স্বয়ং প্রবৃত্ত হন এবং রাবণ-রাক্ষস ও রামও প্রতি কল্পে উৎপন্ন হন। ৪০-৪১

    প্রতিকল্পে এ উভয়ের সেইরূপ যুদ্ধ হয় এবং পূর্বের মত দেবতাদিগের সহিতও রামের সঙ্গ হয়। ৪২

    এইরূপ হাজার হাজার রাম ও হাজার হাজার রাবণ পূৰ্বে হইয়া গিয়াছে এবং ভবিষ্যতেও হইবে; ভূত ও ভবিষ্যতে দেবীরও একইরূপ প্রবৃত্তি। ৪৩

    সকল দেবগণ কল্পে কল্পে দেবীর পূজা ও স্বসৈন্যের নীরাজন করেন; অতএব মনুষ্যদিগেরও যথাবিধি দেবীর পূজা করা উচিত। ৪৪

    রাজগণ, শক্তির বৃদ্ধির নিমিত্ত নিজ দিব্যালঙ্কার-ভূষিত কামিনীগণ দ্বারা নিজ নিজ সৈন্যের নীরাজন করাইবে এবং নৃত্য গীত ক্রীড়া কৌতুক ও মঙ্গল কার্য্যের অনুষ্ঠান করিবে। ৪৫-৪৬

    মোদক, পিষ্টক, পেয়, অনেক প্রকার ভক্ষ্য, ভোজ্য, কুষ্মাণ্ড, নারিকেল, খর্জুর, পনস, দ্রাক্ষা, আমলক, শাণ্ডিল্য, প্লীহ, করুণ, কশেরু, ক্রমুক, মূল, লাজ, জম্বু এবং তিন্দুক আদি ফল, আর গব্য, গুড়, মাংস, মদ্য, মধু, ইক্ষুদণ্ড, শর্করা, লবলী, নারঙ্গক, ছাগল, মহিষ, মেষ, নিজের শোণিত, পক্ষী আদি পশু, নয় প্রকার মৃগ–এই সকল উপকরণ দ্বারা নিখিল জগতের ধাত্রী মহা মায়ার পূজা করিবে, এবং এত পরিমাণে বলিদান করিবে, যাহাতে মাংস ও শোণিতের কর্দম হয়। ৪৭-৫০

    শত্রুর নাশ-নিমিত্ত এবং দুর্গার প্রীতি ইচ্ছা করিয়া পিষ্টকের পুতুল নির্মাণ করিয়া রাত্রে স্কন্দ ও বিশাখের পূজা করিবে। ৫১

    তিল ও মাংসের সহিত আজ্য দ্বারা হোম করিবে এবং উগ্রচণ্ডাদি শুভ দায়িনী অষ্ট যোগিনীর পূজা করিবে। ৫২

    চতুঃষষ্টি যোগিনী এবং কোটি যোগিনীরও পূজা করিবে। সর্বদা দেবীর সন্নিহিত শুভদায়িনী জয়ন্তী প্রভৃতি নবদুর্গারও গন্ধ পুষ্প দ্বারা পূজা করিবে, যেহেতু তাহারা দেবীর মূর্তিভেদ-মাত্র। ৫৩-৫৪

    মহিষাসুরমর্দিনী দেবীর সমুদয় অস্ত্র এবং অঙ্গ ও প্রত্যঙ্গে স্থিত সমুদয় ভূষণ এবং বাহন সিংহকেও ভূতির নিমিত্ত সর্বদা পূজা করিবে। ৫৫

    পূর্বকল্পে স্বায়ম্ভুব মনুর অধিকারে মনুষ্যদিগের ত্রেতাযুগের আদিতে মহিষাসুরের বিনাশ এবং জগতের নিমিত্ত যোগনিদ্রা জগদ্ধাত্রী জগন্ময়ী মহাদেবী মহামায়া-সমুদয় দেবগণকর্তৃক সংস্তুত হইয়াছিলেন। ৫৬-৫৭

    অনন্তর তিনি ক্ষীরোদ সমুদ্রের উত্তরতীরে অতিবিপুল শরীর ধারণ করিয়া ষোড়শভুজারূপে আবির্ভূত হইয়া ভদ্রকালী নামে আবির্ভূত হন। ৫৮

    তৎকালে তাহার বর্ণ অতসী পুষ্পের মত হইয়াছিল, কর্ণে উজ্জ্বল কাঞ্চনের কুণ্ডল ছিল এবং মস্তক জটাজূট, অর্ধচন্দ্র এবং মুকুটে ভূষিত ছিল। তাহার গলদেশে নাগহারের সহিত সুবর্ণের হার বিরাজ করিয়াছিল। ৫৯

    তিনি দক্ষিণ বাহুসমূহে শূল, খড়্গ, শঙ্খ, চক্র, বাণ, শক্তি, বজ্র এবং দণ্ড ধারণ করিয়াছিলেন; তাহার দাঁতগুলি সমুজ্জ্বলরূপে বিকাশিত হইয়াছিল। ৬০-৬১

    তাহার বামহস্ত-নিচয়ে খেটক, চৰ্ম্ম, চাপ, পাশ, অঙ্কুশ, ঘণ্টা, পরশু এবং মূষল শোভিত ছিল। ৬২

    তিনি সিংহের উপর আরোহণ করিয়াছিলেন এবং রক্তবর্ণ নয়ন-ত্রয়ে উজ্জ্বলিত হইয়াছিলেন। সেই জগন্ময়ী পরমেশ্বরী দেবী মহিষকে বামপাদের দ্বারা আক্রমণ করিয়া শূলের দ্বারা তাহার শরীর ভেদ করিয়াছিলেন। ৬৩-৬৪

    তখন দেবগণ, পরমেশ্বরীর সেই মূর্তি এবং মহিষাসুরকে নিহত দেখিয়া কিছুই বলিতে পারেন নাই অর্থাৎ বিস্ময়াবেশে স্তম্ভিত হইয়াছিলেন। ৬৫

    অনন্তর সেই ঈষৎ-হাস্যনিঃসৃত-সমুজ্জ্বল-দন্তকিরণাবলি দেবী পরমেশ্বরী, ব্ৰহ্মাদি দেবগণকে বলিয়াছিলেন। ৬৬

    হে সুরগণ! তোমরা সকলে জম্বুদ্বীপে হিমালয় পর্বতের নিকটবর্তী কাত্যায়নমুনির আশ্রমে গমন কর। সেই স্থানেই তোমাদিগের কাৰ্য্য সিদ্ধ হইবে, তাহাতে সংশয় নাই। ৬৭

    সেই মহাদেবী এই কথা বলিয়াই সেই স্থানে অন্তর্হিত হইলেন। ৬৮

    দেবগণও তাহাকে নমস্কার করিয়া বিস্ময়াবিষ্টচিত্তে কাত্যায়নমুনির আশ্রমে গমন করিয়াছিলেন। ৬৯

    যাহার নিধনের জন্য আমরা জগদ্ধাত্রী জগন্ময়ী মহাদেবীর স্তব করিয়া ছিলাম; সেই মহিষাসুর আমাদের সম্মুখে নিহত হইয়াছে। ৭০

    তবে কি জন্য সেই মহাদেবী আমাদিগকে কাত্যায়নের আশ্রমে যাইতে আদেশ করিলেন? আমাদের আর কি অভিলষিত কাৰ্য্য বাকী আছে? ৭১

    সেই দেবগণ, পরস্পর এইরূপ বলিতে বলিতে হিমালয়ের সহিত কাত্যায়ন মুনির আশ্রমে গমন করিলেন। ৭২

    সেই স্থানে ইন্দ্রের সহিত দিকপালগণ এবং ব্রহ্মা, বিষ্ণু ও শিব–ইহরা দুর্গার দর্শনে অভিলাষী হইয়া প্রীতিসহকারে সেই স্থানে অবস্থান করিয়া ছিলেন। ৭৩

    তাহার পর রুদ্রগণ আসিয়া মহিষাসুরের চেষ্টা এবং দেবতাদিগের পরাভব কীৰ্ত্তন করিয়াছিলেন। ৭৪

    এই কথা শুনিয়া ব্রহ্মা, বিষ্ণু এবং শিব আদি দেবগণ অত্যন্ত ক্রোধযুক্ত হইয়া বলিতে লাগিলেন;-মহিষ অসুরকে ত দেবী হত করিয়াছেন; তদ্ভিন্ন অন্য আর মহিষ কে আছে? যে এই জগতের অত্যন্ত ধ্বংস করিতে প্রবৃত্ত হইয়াছে। ৭৫

    তাহারা এইরূপে কোপ করিলে তাহাদের প্রত্যেকের শরীর হইতে তৎক্ষণাৎ পৃথক পৃথক্ তেজ নির্গত হইয়াছিল। ৭৬।

    সেই তেজোরাশি হইতে উপজাতশরীরা দেবী কাত্যায়ন কর্তৃক প্রথমে সন্ধুক্ষিত এবং পূজিত হইয়াছিলেন বলিয়া তাহাকে কাত্যায়নী বলা হয়। ৭৭

    তাহার পর সেই দশভুজা জগদ্ধাত্রী জগন্ময়ী মহাদেবী, মহিষাসুরকে নিহত করিয়াছিলেন। ৭৮

    সেই মহাদেবী দেবগণ কর্তৃক সংস্তুত এবং প্রবোধিত হইয়া, আশ্বিন মাসে কৃষ্ণপক্ষের চতুর্দশীর দিনে প্রাদুর্ভূত হইয়াছিলেন। ৭৯

    সুশোভন শুক্লপক্ষের সপ্তমীর দিবস দেবগণের তেজে সেই দেবীমূর্তি ধারণ করিয়াছিলেন। অষ্টমীতে দেবগণ নানাবিধ অলঙ্কার দ্বারা সজ্জিত করিয়া ছিলেন। ৮০

    নবমীতে দেবী নানাবিধ উপহার দ্বারা পূজিভ হইয়া মহিষাসুরকে নিহত করেন এবং দশমীতে দেবগণ কর্তৃক বিসৃষ্ট হইয়া অন্তর্ধান করিলেন। ৮১

    মার্কণ্ডেয় বলিলেন;–মহারাজ সগর, দেবীর এইরূপ উত্তম চরিত শ্রবণ করিয়া, সংশয় অপনোদনের নিমিত্ত পুনৰ্বার ঔর্বকে জিজ্ঞাসা করিয়াছিলেন। ৮২-৮৩

    যদি মহাদেবী পশ্চাৎই মহিষাসুরকে বধ করিয়াছিলেন, তবে ভদ্রকালীরূপে যে মহিষ বধ করিয়াছিলেন উক্ত হইয়াছে, উহা কি? ৮৪

    দেবগণ যখন সেই ভদ্রকালী-মূর্তি দর্শন করিয়াছিলেন, তখন মহিষকে দেবীর পাদদ্বারা আক্রান্ত এবং হৃদয়ে শুল বিদ্ধ দেখিয়াছিলেন। ৮৫

    হে মুনিশ্রেষ্ঠ। আপনি আমার এই সংশয় চ্ছেদন করুন। ৮৬

    ও বলিলেন;–হে মহারাজ! যেরূপে মহিষের সহিতই মহাভাগা ভদ্রকালী প্রাদুর্ভূত হইয়াছিলেন, তদ্বিষয় কীর্তন করিতেছি শ্রবণ কর। ৮৭

    ঐ বীর মহিষাসুর, রাত্রে পর্বতে নিদ্রা যাইতে যাইতে অতি নিদারুণ ভয়ঙ্কর স্বপ্ন দেখিয়াছিল। ৮৮

    সে স্বপ্নে দেখিল,–যেন মহামায়া ভদ্রকালী অতি ভীষণরূপে আস্য বিস্তার পূর্বক খড়্গদ্বারা তাহার শিরচ্ছেদ করিয়া তাহার রক্তপান করিয়াছেন। ৮৯

    অনন্তর প্রাতঃকালে সেই দৈত্য মহিষাসুর অত্যন্ত ভীত হইয়া আপনার অনুচরবর্গের সহিত সেই দেবীরই পূজা করিয়াছিল। ৯০

    অনন্তর দেবী মহিষাসুর কর্তৃক আরাধিত হইয়া ষোড়শভুজা ভদ্রকালীরূপে আবির্ভূত হন। ৯১

    তাহার পর অসুর মহিষ, ভক্তিসহযোগে নম্ৰশরীরে সেই জগন্ময়ী মহামায়াকে প্রণাম করিয়া বলিয়াছিল। ৯২

    হে দেবি! আমি সত্যই স্বপ্নে দেখিয়াছি, আপনি আমার শিরচ্ছেদ করিয়া রুধিরপান করিতেছেন। ৯৩

    তাহাতে আমি নিশ্চয় জানিতে পারিয়াছি যে, আপনি আমার রুধিরপান করিবেন। অতএব এক্ষণে আমাকে একটি বরদান করুন। ৯৪

    হে পরমেশ্বরি! আমি যে আপনার বধ্য, সে বিষয়ে কোন সংশয় নাই, আমারও তাহাতে দুঃখ নাই; কারণ নিয়তিকে কে লঙ্ঘন করিতে সমর্থ হয়?

    কিন্তু আমার পিতা আমার নিমিত্তই পূর্বে আপনার সহিত শম্ভুকে আরাধনা করিয়াছিলেন, অনন্তর আমার জন্ম হয়। ৯৬

    আমিও শম্ভুর আরাধনা করিয়া অভীষ্ট বরলাভ করিয়াছি। আমি তিন মন্বন্তরকাল ব্যাপিয়া নিষ্কণ্টকে শ্রেষ্ঠ অসুররাজ্য ভোগ করিয়াছি, আমার কিছুই অনুতাপ নাই। ১৭

    শিষ্যের নিমিত্ত কাত্যায়নমুনি আমাকে পাপ দিয়াছেন যে, স্ত্রীজাতি তোমাকে নিহত করিবে, সে বিষয়ে কোন সন্দেহ নাই। ৯৮

    পূর্বে কাত্যায়নমুনির শিষ্য রৌদ্রাশ্বনামে একটি অতিশয় সাধুচরিত্র ঋষি হিমালয় পর্বতের নিকট তপস্যা করিতেছিলেন। ৯৯

    আমি কৌতুক-বশে অতুলসৌন্দৰ্যশালী দিব্য স্ত্রীরূপ ধারণ করিয়া সেই ঋষিকে মোহিত করি। ঋষি, বিমূঢ় হইয়া তৎক্ষণাৎ তপস্যা হইতে বিরত হন। ১০০

    কাত্যের পুত্র অর্থাৎ কাত্যায়ন ঋষি সেই স্থানের অনতিদূরে অবস্থান করিতেছিলেন। আমার সেই মায়া জানিতে পারিয়া তাহার ক্রোধানল প্রজ্বলিত হইল, তিনি শিষ্যের মঙ্গলের নিমিত্ত আমাকে শাপ দিলেন। ১০১

    যেহেতু তুমি স্ত্রীরূপ ধারণ করিয়া আমার শিষ্যকে মোহিত করিয়া তপস্যাচ্যুত করিলে, সেই হেতু স্ত্রীজাতি তোমার বধসাধন করিবে। ১০২

    পূৰ্বে মুনি কাত্যায়ন, এইরূপে আমাকে অভিশাপ দিয়াছিলেন। সেই শাপের ফলপ্রাপ্তির সময় উপস্থিত হইয়াছে। ১০৩

    আমি দেবেন্দ্রত্ব প্রাপ্ত হইয়াছি এবং অখণ্ড ত্রিভুবনরাজ্য নিৰ্ব্বিবাদে ভোগ করিয়াছি। আমার ইহলোকে এমন কোন বাঞ্ছনীয় নাই, যাহার অপ্রাপ্তি হেতু অনুতাপ করিতে হয়। ১০৪

    এই নিমিত্ত আমি তোমার আশ্রয় লইয়াছি। হে দেবি দুর্গে! তুমি পুনর্বার আমার জন্মের শেষ প্রার্থনা পূরণ কর, আমি তোমাকে বারংবার নমস্কার করি। ১০৫

    দেবী বলিলেন;–হে মহাসুর। তোমার অভিলষিত বর কি, তাহা আমাকে শ্রবণ করাও। তুমি যে বর প্রার্থনা করিবে, আমি তাহাই প্রদান করিব; সে বিষয়ে কোন সংশয় নাই। ১c৬।

    মহিষ বলিল;–আমি আপনার অনুগ্রহে যজ্ঞভাগ ভোগ করিতে ইচ্ছা করি। অতএব নিখিল যজ্ঞে যাহাতে আমি পূজ্য হই, সেইরূপ করুন। ১০৭

    যে পর্যন্ত সূৰ্য্যদেব বর্তমান থাকিবেন, সেকাল পর্যন্ত আমি তোমার পদ সেবা ত্যাগ করিব না। যদি আমাকে বর দেওয়া আপনার উচিত বলিয়া বিবেচনা হইয়া থাকে, তবে এ বরটীও প্রদান করুন। ১০৮

    দেবী বললেন;-পূৰ্বেই এক একটি করিয়া সমুদয় যজ্ঞের ভাগ দেবতা দিগের মধ্যে বন্টিত হইয়াছে। যজ্ঞের এমন একটী ভাগ নাই, যাহা এক্ষণে আমি তোমাকে দিতে পারি। ১০৯

    কিন্তু হে মহিষাসুর! আমাকর্তৃক যুদ্ধে নিহত হইয়াও তুমি আমার চরণ কোন কালে ত্যাগ করিবে না, এ বিষয়ে কোন সংশয় নাই। ১১০

    আর হে দানব! যেখানে যেখানে আমার পূজা হইবে, সেই সেই স্থানেই তোমার এই শরীরের পূজা হইবে, সে বিষয়েও কোন সন্দেহ নাই। ১১১

    দেবীর এই বাক্য শুনিয়া মহিষাসুর, বর লাভে অত্যন্ত হৃষ্ট এবং প্রসন্নবদন হইয়া বলিল। ১১২

    হে উগ্রচণ্ডে! ভদ্রকালি! দেবি! দুর্গে! আপনাকে নমস্কার করি। আপনার মূর্তি অনেক; এই জগতের সমুদয় বস্তুই আপনার মূর্তিভেদ। ১১৩

    অতএব হে পরমেশ্বরি! আমি যজ্ঞে আপনার কোন্ কোন্ মূর্তির সহিত পূজ্য হইব। যদি আমার উপর আপনার কৃপা হইয়া থাকে, তবে ইহা কীর্তন করুন। ১১৪।

    দেবী বলিলেন;–হে মহিষাসুর! তুমি আমার যে নামগুলির কীর্তন করিলে, তুমি ঐ সকল মূর্তিতে আমার পাদলগ্ন পূজ্য হইবে। ১১৫

    উগ্রচণ্ডা–এই মূৰ্ত্তি; ভদ্রকালী মূৰ্ত্তি–যে মূর্তি ধারণ করিয়া আমি তোমাকে দ্বিতীয় সৃষ্টিতে নিহত করি; এবং দুর্গা বলিয়া আমার যে মূর্তি কীৰ্তিত হয়,–এই তিন মূর্তিতে তুমি সর্বদা আমার পাদলগ্ন হইয়া মনুষ্য, দেব এবং রাক্ষসগণেরও পূজ্য হইবে। ১১৬-১১৭

    আদি সৃষ্টিতে আমি উগ্রচণ্ডা রূপে তোমাকে নিহত করিয়াছি। দ্বিতীয় সৃষ্টিতে আমি ভদ্রকালীরূপে তোমাকে বিনাশ করি। ১১৮

    এক্ষণে দুর্গারূপে অনুচরবর্গের সহিত তোমাকে বধ করিব। কিন্তু পূর্ববর্তিতে আমি নিজ চরণতলে তোমাকে গ্রহণ করি নাই। এক্ষণে তোমার বর প্রার্থনা অনুসারে ঐ উভয় মূর্তিতেও তোমাকে গ্রহণ করিলাম এবং তোমার যজ্ঞভাগের উপভোগের নিমিত্ত দুর্গা মূর্তিতেও তোমাকে গ্রহণ করিব। ১১৯-১২০

    মহামায়া এই সকল কথা বলিয়া তৎকালে মহিষাসুরকে নিজের উগ্রচণ্ডা মূর্তি দর্শন করাইয়াছিলেন। ১২১

    যাদৃশ ষোড়শভুজা মূর্তি ভদ্রকালী নামে বিখ্যাত, তাদৃশ মূর্তিতে আর দুইটী বাহু, অধিক যুক্ত হইলে উগ্রচণ্ডা মূর্তি হয়। ঐ অতিরিক্ত বাহুদ্বয়ের মধ্যে দক্ষিণদিকের হস্তে একটী গদা ও বামদিকের হস্তে সুরা পানপাত্র এবং মন্তকে মুণ্ডমালা ধৃত হইয়াছে। ১২২-২৩

    ঐ মূর্তির প্রভা দলিত-অঞ্জন-সদৃশ; মূর্তি দেখিতে প্রচণ্ড এবং সিংহবাহিনী, নেত্র রক্তবর্ণ, শরীরের আয়তন অতি বৃহৎ এবং অষ্টাদশ বাহুযুক্ত। ১২৪

    মহিষ, ভদ্রকালী দেবীর সেই উগ্রচণ্ডা মূর্তি দর্শন করিয়া বিস্ময়াবিষ্টচিত্তে তৎক্ষণাৎ প্রণাম করিল। ১২৫

    অনন্তর পূর্বে যেমন চরণদ্বারা আক্রমণ করিয়া মহিষাসুরকে বধ করিয়া ছিলেন, দেবী তৎকালেও নিজ চরণতলে তাহাকে সেইরূপে গ্রহণ করিলেন। ১২৬

    তখন হৃদয় শূল দ্বারা ভিন্ন মহিষ-রূপ ছিন্নমস্তক, দেবীকর্তৃক কেশে গৃহীত এবং মহিষ শরীর হইতে নির্গত-অন্ত্র-দ্বারা ভূষিত, রক্তস্রাবকারী এবং অতি বৃহৎ আয়তন মহিষ আপনার পূর্ব শরীরকে এইরূপে অবস্থিত দেখিয়া ভয়ে ভীত হইয়া যুগপৎ শোক এবং মোহ প্রাপ্ত হইল। ১২৭-১২৮।

    অনন্তর সেই দানব মহিষাসুর আপনাকে সুস্থির করিয়া এবং দেবীকে প্রণাম করিয়া গদগদস্বরে বলিতে লাগিল! ১২৯

    হে দেবি! যদি আমার উপর প্রসন্ন হইয়াছেন, এবং আমার নিমিত্ত যজ্ঞ ভাগেরও কল্পনা করিয়াছেন, তবে যেন আমি পুনরায় আর এরূপ না হই। ১৩০

    হে দেবি! যাহাতে আমি আর দেবগণের সহিত কোনরূপ বৈর উৎপাদন করি, আর যাহাতে পুনরায় আমার আর জন্ম না হয়, তাহা করুন। ১৩১

    দেবী বলিলেন, তুমি আমার আরাধনা করিয়াছ, আমি তোমাকে বরদান করিয়াছি তুমি আমারই বধ্য, সে বিষয়ে কোন বিচার করিও না। ১৩২

    তুমি যে প্রার্থনা করিয়াছ, দেবগণের সহিত তোমার আর বিরোধ না হউক–তাহাই হইবে। ১৩৩।

    হে দানব! আমার পাদতল-সংস্পর্শে তোমার শরীর যজ্ঞভাগ গ্রহণের নিমিত্ত বিশীর্ণ হইবে না। ১৩৪

    হে মহাসুর! মহাদেবের পাদসংস্পর্শে তোমার প্রাণসকল কেবল তোমার জীবাত্মার সহিত অবস্থান করিবে। ১৩৫

    হে মহিষাসুর! একশত অষ্টাধিক ত্রিশ সহস্র কোটি কল্প পৰ্যন্ত তোমার পুনৰ্বার জন্ম হইবে না। ১৩৬

    দেবী মহিষাসুরকে এইরূপ বর প্রদান করিলে, সে মস্তক অবনত করিয়া তাহাকে প্রণাম করিল এবং দেবীও অন্তর্হিত হইলেন। ১৩৭

    হে নৃপ! মহিষও নিজস্থানে গমন করিল, কিন্তু মায়াদ্বারা মোহিত হইয়া পুনৰ্বার পূর্বের মত অসুরভাব প্রাপ্ত হইল। ১৩৮

    সগর বলিলেন, ভগবতী মহামায়া লোকের বিভূতির নিমিত্ত অনেক দৈত্যকে নিহত করিয়াছেন, কিন্তু কাহাকেও তিনি গ্রহণ করেন নাই এবং কাহাকেও তিনি বর দান করেন নাই। ১৩৯

    হে দ্বিজোত্তম! কি কারণে দেবীকর্তৃক এই মহিষাসুর গৃহীত হইল এবং কেনই বা তিনি তাহাকে বরদান করিলেন, ইহা আমার নিকট সম্যকরূপে কীর্তন করুন। ১৪০

    ঔর্ব বলিলেন, রম্ভনামে দৈত্য বহুকাল তপশ্চরণ করিয়া মহাদেবেরে আরাধনা করে, মহাদেব তাহার তপস্যায় প্রীতি-লাভ করেন। ১৪১

    অনন্তর মহাদেব সন্তুষ্ট হইয়া তাহার প্রত্যক্ষ হইয়া বলিলেন; হে রম্ভ। আমি তোমার উপর প্রীত হইয়াছি; তুমি অভীপ্সিত বর গ্রহণ কর। ১৪২

    এইরূপে উক্ত হইয়া রম্ভ অসুর মহাদেবকে বলিল, হে মহাদেব। আমি অপুত্র, আপনার যদি আমার উপর অনুগ্রহ হইয়া থাকে, আমার তিন জন্মে আপনি আমার পুত্র হউন এবং আমার পুত্র হইয়া সকল প্রাণীর অবধ্য, দেব গণের জেতা, চিরায়ু, যশস্বী, লক্ষ্মীবান্ এবং সত্য প্রতিজ্ঞ হউন। ১৪৩-৪৪

    দৈত্যকর্তৃক এইরূপে উক্ত হইয়া মহাদেব তাহাকে বলিলেন; তোমার এই বাঞ্ছিত সিদ্ধ হউক, আমি তোমার পুত্র হইব। ১৪৫

    এই কথা বলিয়া মহাদেব সেই স্থানে অন্তর্হিত হইলেন এবং রম্ভাসুরও হর্ষোৎফুল্ল-লোচনে আপনার স্থানে গমন করিল। ১৪৬

    পথে যাইতে যাইতে রম্ভ একটি তিন বৎসর-বয়স্ক ঋতুমতী বিচিত্রবর্ণা সুন্দরী মহিষীকে দেখিতে পাইল। ১৪৭

    সেই মহিষীকে দেখিয়া সে কামে মোহিত হইয়া তাহাকে হস্তদ্বারা ধারণ করিয়া তাহার সহিতই রতিক্রীড়া করিল। ১৪৮

    এইরূপে তাহাদের উভয়ের সুরত সম্পূর্ণ হইলে রম্ভের তেজে মহিষী গর্ভ ধারণ করিল এবং সেই গর্ভ হইতেই মহিষাসুরের জন্ম হয়। ১৪৯

    সেই মহিষীর সঙ্গমেই মহাদেব, রম্ভের পুত্ররূপে জন্মগ্রহণ করেন। এবং জন্ম হইতে মহিষাসুর শুক্লপক্ষের চন্দ্রের মত প্রতিদিন বৃদ্ধি প্রাপ্ত হইয়াছিল। ১৫০

    সেই মহিষাসুরকে শিষ্যানুগ্রহকারী কাত্যায়ন মুনি শিষ্যের প্রতি অত্যাচার করায় শাপ দিয়াছিলেন। ১৫১

    মহিষাসুর কাত্যায়ন-কর্তৃক শপ্ত দেখিয়া চন্দ্রশেখর মহাদেব, চণ্ডিকাকে প্রণয়পূর্বক বলিয়াছিলেন। ১৫২

    হে দেবি জগন্ময়ি! কাত্যায়ন-মুনি, মহিষাসুরকে এই বলিয়া শাপ দিয়াছেন যে স্ত্রীজাতি তোমার বিনাশ-কর্ত্রী হইবে। ১৫৩

    ঋষির বাক্য যে সফল হইবে, সে বিষয়ে কোন সন্দেহ নাই। হে জগন্ময় দেবি! যোগযুক্ত মহিষ শরীর আমারই; উহা বরাবর পূর্বেও তোমা কর্তৃক হত হইয়াছে এবং পরেও হত হইবে। ১৫৪

    এক্ষণে ভগবান্ হরি, একা সিংহরূপে তোমাকে বহন করিতে অক্ষম, আমার এই মহিষ-শরীরই তোমার বাহক হইবে। ১৫৫

    পূর্বকালে মহাদেব, দেবীর নিকট এইরূপ প্রার্থনা করিয়াছিলেন, তাহাতেই দেবী মহিষাসুররূপী মহাদেবকে গ্রহণ করিয়াছিলেন। ১৫৬

    ভগবান হর, তিন জন্মে রম্ভাসুরের পুত্র হইয়া জন্ম গ্রহণ করেন। রম্ভাসুর ঐ তিন বার রম্ভ নামেই জন্মগ্রহণ করে। ১৫৭

    রম্ভাসুর জন্মত্ৰয়েই অতি নিদারুণ তপস্যা করিয়া পুত্রের নিমিত্ত ভগবান শম্ভুর আরাধনা করে এবং শম্ভুও তাহাকে পূর্ববৎ বর প্রদান করেন। ১৫৮

    পূর্বের মত সুরতোৎসুক হইয়া রম্ভ, মহিষীর অনুসরণ করে এবং মহিষীর গর্ভে মহিষাসুর দৈত্যের জন্ম হয়। ১৫৮

    প্রতি জন্মেই মহিষাসুরকে ভগবান কাত্যায়ন-মুনি শাপ প্রদান করেন; কারণ, পূর্ব এবং পরজন্মে মহিষেরও তাহার শিষ্যকে ভুলাইবার প্রবৃত্তি হয়। ১৫৯

    কল্পে কল্পে তৃতীয় জন্মে মহিষও দেবীর পূজা করিবার বর প্রার্থনা করে এবং অভিলষিত বর প্রাপ্ত হয়। ১৬০

    “আর যেন ইহলোকে আমার জন্ম না হয়” এইরূপ বর প্রার্থনা করে। ১৬১

    হে নৃপ! সেই জন্য ঐ অসুর দেবীর পদতলে সংলগ্ন হইয়া আছে। তাহার আর অনেক কল্পান্ত অবধি জন্ম হইবে না। ১৬২

    এইরূপ দেবীর প্রসাদে মহাদেবাঙ্গ-সম্ভব মহিষাসুর নিত্য উৎকৃষ্ট প্রতিপত্তি লাভ করিয়াছে। ১৬৩

    হে রাজন্! সেই মহিষাসুর দেবীর পদতল প্রাপ্ত হইয়া যেরূপ অদ্যাপি আনন্দ ভোগ করিতেছে, তাহা তোমার নিকট কীর্তিত হইল। হে নৃপোত্তম। এক্ষণে তোমার নিকট প্রস্তুত বিষয়ের কীৰ্ত্তন করিতেছি শ্রবণ কর। ১৬৪

    মার্কণ্ডেয় বলিলেন, ঔৰ্বের সহিত মিলিত হইয়া মহারাজ সগর যেরূপে দেবী ও মহিষের সংবাদ ভুবনে প্রচার করিয়াছিলেন, তাহা তোমাদিগের নিকট কীৰ্তিত হইল। ১৬৫

    পুনর্বার মহর্ষি ঔর্ব, মহারাজ সগরের নিকট যে কথার উল্লেখ করিয়াছিলেন, সেই অতি গোপনীয় কথা বলিতেছি, হে মুনি-শ্রেষ্ঠগণ! আপনারা শ্রবণ করুন। ১৬৬

    ষষ্টিতম অধ্যায় সমাপ্ত। ৬০

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleশ্রীশ্রীচণ্ডী – অনুবাদ : পঞ্চানন তর্করত্ন
    Next Article ওয়ারলক – উইলবার স্মিথ

    Related Articles

    পঞ্চানন তর্করত্ন

    শ্রীশ্রীচণ্ডী – অনুবাদ : পঞ্চানন তর্করত্ন

    September 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }