Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কালিকা পুরাণ (কালিকাপুরাণম্‌) – পঞ্চানন তর্করত্ন সম্পাদিত

    পঞ্চানন তর্করত্ন এক পাতা গল্প667 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৬১. দেবীপূজার কর্তব্যতা

    একষষ্টিতম অধ্যায় – দেবীপূজার কর্তব্যতা

    ঔর্ব কহিলেন;-হে নৃপশ্রেষ্ঠ! পুনর্বার ভগবান্ মহাদেব বেতাল ও ভৈরবের নিকট যে বিষয়ের বর্ণন করিয়াছিলেন, এক্ষণে সেই প্রস্তুত বিষয়ের বর্ণন করিতেছি শ্রবণ কর। ১

    ভগবান্ বলিলেন;–ভগবতী অষ্টদশভুজা উগ্রচণ্ডা নামে যে মূর্তি ধারণ করিয়াছিলেন, উহা পূর্বে, সূৰ্য্য কন্যারাশিগত হইলে কৃষ্ণপক্ষের নবমীতে কোটি যোগিনীর সহিত প্রাদুর্ভূত হয়। ২

    আষাঢ় মাসের পূর্ণিমাতিথিতে প্রজাপতি দক্ষ, দ্বাদশ বার্ষিক যজ্ঞ করিতে আরম্ভ করে; ঐ যজ্ঞে সমুদয় দেবগণকে বরণ করা হইয়াছিল। ৩

    ঐ যজ্ঞে দক্ষ, আমাকে কপালী বলিয়া বরণ করে নাই এবং আমার পত্নী বলিয়া তাহার নিজের কন্যা সতীকেও বরণ করেন নাই। ৪

    তখন সতী, ক্রোধ-পরবশ হইয়া নিজের দেহত্যাগ করিয়াছিলেন এবং দেহত্যাগ করিয়া চণ্ডমূর্তি ধারণ করেন। ৫

    অনন্তর, দ্বাদশ-বার্ষিক যজ্ঞ প্রবৃত্ত হইলে, কন্যারাশি কৃষ্ণপক্ষে নবমী তিথিতে সতীরূপ পরিত্যাগ করিয়া যোগনিদ্রা চণ্ডরূপধারিণী মহামায়া কোটি যোগিনীর সহিত যজ্ঞভঙ্গ করিয়াছিলেন। ৬-৭

    মহাদেবের সমুদয় গণের সহিত এবং সাক্ষাৎ মহাদেবের সহিত দেবী স্বয়ং মহাত্মা দক্ষের যজ্ঞভঙ্গ করেন। ৮

    অনন্তর দেবীর সেই নিদারুণ ক্রোধ অপগত হইলে সমস্ত দেবগণ, পূর্ব কথিত বিধান-অনুসারে দেবীর অতুলা পূজা করিয়াছিলেন। ৯

    দুঃখহানির নিমিত্ত দেবগণ পূর্বোক্ত বিধান অনুসারে দেবীর পূজা করিয়া অতিশয় শান্তি প্রাপ্ত হইয়াছিলেন। ১০

    এইরূপ অতুল বিভূতি লাভের নিমিত্ত অপর ব্যক্তিরও দেবীর চতুৰ্বর্গপ্রদ পূজন করা উচিত। ১১।

    হে ভৈরব! যে ব্যক্তি মোহবশতই হউক, আলস্যবশতই হউক, দম্ভ অথবা দ্বেষবশতই হউক, মহোৎসবকালে ভগবতী দুর্গাদেবীর পূজা না করে, দেবী ভগবতী তাহার উপর ক্রুদ্ধ হইয়া তাহার অভিলষিত কামনাসকল নষ্ট করেন এবং পরে সে দুর্গার বলিরূপে জন্মগ্রহণ করে। ১২-১৩

    অষ্টমীর দিবস রুধির, মাংস, সুগন্ধি মহামাংস, নানাজাতীয় বলি, সিন্দুর, পট্টবাস, নানাবিধ বিলেপন, অনেক জাতীয় পুষ্প এবং বহুবিধ ফল দ্বারা দেবীর পূজা করিবে। ১৪

    পুত্রবান ব্যক্তি মহাষ্টমীর দিবস উপবাস করিবে না। এবং ব্ৰতশালীও সর্ব প্রকারে পূতাত্মা হইয়া দেবীর পূজা করিবে। ১৬

    মহাষ্টমীর দিন পূজা করিয়া, নবমীর দিবস বহুবিধ বলি প্রদানপূর্বক পূজা করিয়া, দশমীর দিবস শ্রবণানক্ষত্রে শাবরোৎসবের সহিত দেবীর বিসর্জন করিবে। ১৭

    যে দশমী তিথির দিবাভাগে শ্রবণার শেষ পাদ হইবে, সেই দশমী তিথিতেই দেবীর বিসর্জন করিবে। ১৮

    রাগনিপুণ কুমারী ও বেশ্যা এবং নর্তকগণ সঙ্গে লইয়া শঙ্খ, তুরী মৃদঙ্গ এবং পটহের শব্দ করিতে করিতে নানাবিধ বস্ত্রের ধ্বজা উড়াইয়া খই এবং ফুল ছড়াইতে ছড়াইতে ধূলি-কর্দম নিক্ষেপ করত নানা ক্রীড়া-কৌতুক ও মঙ্গলা চরণপূর্বক ভগ-লিঙ্গাদি বাচক গ্রাম্যশব্দ উচ্চারণ ও তাদৃশ শব্দবহুল গান এবং তাদৃশ অশ্লীল বাক্যালাপ করিয়া বিসর্জন সময়ে ক্রীড়া করিবে। ১৯-২১

    সেই দিবস যদি কোন মনুষ্য, নিজের উপর অপর কর্তৃক অশ্লীল ব্যবহার করা না ভালবাসে এবং অপরের উপর অশ্লীল ব্যবহার করিতে না চাহে, তবে ভগবতী ক্রুদ্ধ হইয়া তাহাকে শাপ প্রদান করিয়া গমন করেন। ২২

    যে নবমীর নিশাভাগে শ্রবণার আদিপাদ হইবে, সেই নবমীর রাত্রিকালেই দেবীর সমূত্থান করিবে; দিবাভাগে নহে। ২৩

    যে নবমীর রাত্রিকালে শ্রবণার অন্ত পাদ হইবে, সেই নবমীরই দিবাভাগে দেবীর সমুত্থান করিবে। ২৪

    হে ভৈরব! দেবীর প্রতিমা জলে রাখিয়া বিভূতির নিমিত্ত বক্ষ্যমাণ মন্ত্র দ্বারা বিসৰ্জন করিবে। ২৫

    হে দেবি! চামুণ্ডে! আমার শুভ পূজা গ্রহণ করিয়া উত্থান করুন এবং অষ্ট শক্তির সহিত আমার কল্যাণ করুন। ২৬

    হে দেবি! আপনার সেই শ্ৰেষ্ঠস্থানে গমন করুন এবং আমার পূজা পরিপূর্ণ হউক। ২৭

    আপনি স্রোতোজলে গমন করুন অথচ আমার গৃহে থাকিয়া ঐশ্বৰ্য্য প্রদান করুন। আপনি এই বেগশালী জলে পত্রিকাকে সঙ্গে লইয়া নিমগ্ন হউন। ২৮

    পুত্র, আয়ুঃ ও ধনের বৃদ্ধির নিমিত্ত আমি তোমাকে জলে স্থাপন করিতেছি। সৰ্ব্বলোকের হিত এবং বিভূতির নিমিত্ত এই মন্ত্র পাঠ করিয়া দেবীকে জলে স্থাপন করিবে। ২৯-৩০

    মহামায়ার মহোৎসব সময়ে ভদ্রকালী এবং উগ্রচণ্ডা এই উভয়কেই দুর্গা তন্ত্রমন্ত্র দ্বারা পূজা করিবে। ৩১

    সকল প্রকার যোগিনী এবং মূলমূর্তি–ইহাদের সকলের পূজাতেই নেত্র বীজ উক্ত হইয়াছে। ৩২

    হে ভৈরব! তুমি উগ্রচণ্ডার পৃথক মন্ত্র শ্রবণ কর। উপান্তে নেত্ৰবীজ মন্ত্রের আদ্যদ্বয় অন্তরে অন্ত্যস্বর ও চন্দ্রবিন্দুযুক্ত বহ্নিবীজ বিন্যস্ত হইলে উগ্রচণ্ডার মন্ত্র হয়। দ্বিরাবর্তিত নেত্রবীজের দ্বিতীয় অক্ষর ভদ্রকালীর মন্ত্র; ইহা ধর্ম, কাম এবং অর্থের সাধন। ৩৩-৩৫

    যখন মহামায়া জগন্ময়ী বৈষ্ণবী দেবীর পূজা করা হয়, তখন অষ্টযোগিনীও পূজ্য বলিয়া উক্ত হইয়াছে। ৩৬

    হে ভৈরব! পূৰ্বকল্পে সেই অষ্ট যোগিনী, শৈলপুত্রী প্রভৃতি। আর দুর্গা-তন্ত্রের অষ্ট যোগিনী উগ্রচণ্ডাদি, ইহা কীর্তিত হইয়াছে। ৩৭

    ভদ্রকালীর তন্ত্র দ্বারা ভদ্রকালীর পূজাকালে ঐশ্বৰ্য-বৃদ্ধির নিমিত্ত বক্ষ্যমাণ অষ্টযোগিনীর পূজা করিবে। ৩৮

    জয়ন্তী, মঙ্গলা, কালী, ভদ্রকালী, কপালিনী, দুর্গা; শিব, ক্ষমা এবং ধাত্রী,–এই অষ্ট যোগিনীকে অষ্টদলে পূজা করিবে। ৩৯

    যখন উগ্রচণ্ডা মন্ত্র দ্বারা সেই দেবীর পূজা করিবে, হে ভৈরব! তখন অপর অষ্ট যোগিনীর পূজা করিবে। তাহাদের নাম–কৌশিকী, শিবদূতী, হৈমবতী, ঈশ্বরী, শাকম্ভরী, দুর্গা এবং মহোদরী এই সাত এবং উগ্রচণ্ডা। ৪০-৪১

    হে ভৈরব! সৌম্য-মূর্তি উমার মন্ত্র শ্রবণ কর। প আদি, সমাপ্তি সহিত ফট্‌ অন্তে অথবা অন্তে ফট্‌ শূন্য এই একাক্ষর অথবা ত্র্যক্ষর উমা মন্ত্র। ৪২

    উমা সুবর্ণসদৃশী গৌরবর্ণা, দ্বিভুজা, বামহস্তে নীলারবিন্দু-ধারিণী শুক্ল চামর ধারণ করিয়া শিবের দক্ষিণ অঙ্গে দক্ষিণ হস্ত বিন্যাস করিয়া অবস্থিত, এইরূপে চিন্তা করিবে। ৪৩-৪৪

    ভক্ত, মহাদেবের সঙ্গ ব্যতীতও কেবল সুবর্ণ-সদৃশী গৌরাঙ্গী, পদ্মচামর ধারিণী, দ্বিভুজা এবং সর্বদা ব্যাঘ্র-চৰ্ম্মস্থিত পদ্মে পদ্মাসনে উপবিষ্ট রুদ্রাণীকেও চিন্তা করিতে পারো। ৪৫

    হে ভৈরব! এই উমার পূজাকালে যে অষ্টযোগিনী ও নায়িকার পূজা কর্তব্য, তাহাদের প্রত্যেকের নাম শ্রবণ কর। ৪৬

    জয়া, বিজয়া, মাতঙ্গী, ললিতা, নারায়ণী, সাবিত্রি, স্বধা এবং স্বাহা এই আটজন। ৪৭

    পূর্বকালে মহাসত্ত্ব, মহাকায়, প্রবল পরাক্রান্ত হস্তীর মত দুর্মদ, দৈত্য শুম্ভ এবং নিশুম্ভ নামে অন্ধকের দুই পুত্র জন্ম গ্রহণ করিয়াছিল। ৪৮

    মহাসূর অন্ধক আমাকর্তৃক নিহত হইলে সেই দুই ভ্রাতা সৈন্য এবং বাহনের সহিত পাতালতলে আশ্রয় গ্রহণ করে। ৪৯

    অনন্তর সেই অসুরদ্বয় অতি তীব্র তপস্যার অনুষ্ঠান করিয়া ব্ৰহ্মাকে সম্পূর্ণ রূপে সন্তুষ্ট করে। ৫০

    ব্রহ্মা প্রীত হইয়া তাহাদিগকে বর প্রদান করেন। সেই দানবদ্বয় ব্রহ্মার বরে অত্যন্ত গর্বিত হইয়া ত্রিজগৎ অধিকার করিয়া শুম্ভ, ইন্দ্রত্ব এবং নিশুম্ভ চন্দ্ৰত্ব করিতে থাকে। ৫১

    শুম্ভ স্বয়ং নিখিল দেবগণের যজ্ঞভাগ অপহরণ করে এবং নিশুম্ভ দিকপাল দিগের অধিকার গ্রহণ করে। ৫২

    অনন্তর ইন্দ্রের সহিত নিখিল দেবগণ হিমালয়ে গমন করিয়া গঙ্গাবতরণ স্থানের সমীপে মহামায়ার স্তব করিয়াছিলেন। ৫৩

    তখন দেবী দেবগণ কর্তৃক বারংবার সংস্তুত হইয়া মাতঙ্গের স্ত্রীর রূপ ধারণপূর্বক দেবগণকে জিজ্ঞাসা করিয়াছিলেন। ৫৪

    হে অমরগণ! তোমরা এখানে আসিয়া কোন স্ত্রীর স্তব করিতেছ এবং তোমরা এই মাতঙ্গের আশ্রমেই বা কি নিমিত্ত আগমন করিয়াছ? ৫৫

    সেই মাতঙ্গী এইরূপ বলিতেছেন, এমন সময়ে একটি দেবী তাহার শরীর কোষ হইতে নির্গত হইয়া বলিলেন যে, দেবগণ আমারই স্তব করিতেছেন।

    শুম্ভ ও নিশুম্ভ নামে দুই জন দানব, সমস্ত দেবগণকে বাধা দিতেছে। সেই হেতু তাহাদের বধের জন্য দেবগণ আমারই স্তব করিতেছেন। ৫৭

    মাতঙ্গীর শরীর হইতে সেই দেবী নিঃসৃত হইলে পর, সেই হিমাচলাশ্রিত গৌরবর্ণা মাতঙ্গী তৎক্ষণাৎ দলিত অঞ্জন-সদৃশ কৃষ্ণবর্ণা হইলেন এবং কালিকা নামে প্রসিদ্ধ হইলেন। ৫৮

    মনীষী ঋষিগণ, তাঁহাকে উগ্রতারা নামে অভিহিত করেন। কারণ, সেই অম্বিকা ভক্তগণকে সর্বদা উগ্রভয় হইতে রক্ষা করেন। ৫৯

    বীজক্ৰমে প্রথমেই ইহার বীজ কথিত হইয়াছে। ইহার একটি জটা আছে বলিয়া ইহার নাম একজটা। ৬০

    হে বেতাল ও ভৈরব। যেরূপ ধ্যান করিলে ভক্তের অভিলষিত লাভ হয়, এক্ষণে ইহার সেই ধ্যান শ্রবণ কর। ৬১

    উগ্রতারা–চতুর্ভূজা কৃষ্ণবর্ণা মুণ্ডমালা বিভূষিতা; ইহার দক্ষিণদিকের ঊর্ধ্বহস্তে খড়্গ ও অধোহস্তে চামর। ৬২

    বামদিকের উৰ্দ্ধহস্তে কাতারী ও অধোহস্তে খর্পর; ইনি মস্তকে আকাশ ভেদকারিণী একটি জটা দ্বারা শোভিতা। ৬৩

    সমস্ত মস্তক ও গ্রীবাদেশে মুণ্ডমালা এবং বক্ষঃস্থল নাগ-হারে অলঙ্কৃতা, রক্তনেত্রা। ৬৪

    কৃষ্ণবস্ত্রধরা, ইহার কটিদেশ ব্যাঘ্রচৰ্ম্মে শোভিত, বামপাদ শবের হৃদয়ে এবং দক্ষিণপাদ সিংহের পৃষ্ঠে স্থাপিত; ইনি স্বয়ং শবদেহ লেহনে নিযুক্তা। ৬৫

    অট্টহাস্যশালিনী অতিঘোর-শব্দ-কারিণী এবং স্বয়ং অতি ভীষণস্বরূপা। সুখাভিলাষী ভক্তগণ উগ্রতারাকে এইরূপে চিন্তা করিবে। ৬৬

    ইহার যে আটজন যোগিনী আছেন, আমি তাহাদিগের বিষয়ও কীর্তন করিতেছি। ৬৭

    মহাকালী, রুদ্রাণী, উগ্র, ভীমা, ঘোরা, ভ্রামরী, মহারাত্রি এবং ভৈরবী এই আটটী যোগিনী; ইহাদিগেরও পূজা করিবে। ৬৮

    হে ভৈরব! কালিকার কায়কোষ হইতে যে দেবী নির্গত হইয়াছেন, সেই সুচারুরূপসম্পন্না মনোহরা দেবী কৌশিকীনামে বিখ্যাত। ৬৯

    ঐ চণ্ডিকা, কালিকা দেবীর হৃদয় হইতে রসনাগ্র দ্বারা নিঃসৃত হইয়া ছিলেন; তত্তুল্য সুন্দর রূপ আর কাহারও নাই। ৭০

    ত্রিভুবনে শরীর-কান্তিতে ইহার সদৃশ আর কেহই নাই, কারণ যিনি যোগ নিদ্রা, মহামায়া এবং মূল প্রকৃতি, এই দেবী কৌশিকী তাহারই প্রাণস্বরূপ। ৭১

    নেত্ৰবীজ ইহারও বীজরূপে কীর্তিত হইয়াছে, এক্ষণে মনুষ্যের সর্বকামপ্রদ ইহার মন্ত্র বলিতেছি। ৭২

    সমাপ্তিতে নান্ত দান্ত ষষ্ঠবর্গের আদি-ষষ্ঠস্বর এবং চন্দ্রবিন্দুযুক্ত এই কয়েকটী মিলিত হইয়া কৌষিকীমন্ত্র হয়, ইহা মনুষ্যের ধর্ম, কাম এবং অর্থপ্রদ। ৭৩।

    হে ভৈরব! আমি জগতের আহ্লাদকারক ইহার মূর্তি এবং রূপের কথা বলিতেছি, একমনা হইয়া শ্রবণ কর। ৭৪

    মস্তকে কবরীবন্ধন, তাহার নীচে অধোমুখী চন্দ্রকলা, কেশের অন্তে একটা উৰ্দ্ধমুখ তিলক, গণ্ডস্থল মণিকুণ্ডল দ্বারা সংসৃষ্ট, মস্তকে মুকুট। ৭৫

    কর্ণ সমুজ্জ্বল কর্ণপূরনামক কর্ণভূষণ দ্বারা অলঙ্কৃত; সুবর্ণ, মণিমাণিক্য এবং নাগহারে বিরাজিত। ৭৬

    নিয়ত-সুগন্ধ অম্লান পদ্মদ্বারা অতি-সৌন্দর্য্যের আরও বৃদ্ধি হইয়াছে। গ্রীবাদেশে মালা, কেয়ূর-রত্ননিৰ্মিত। ৭৭

    মৃণালসদৃশ কোমল আয়ত অথচ গোল গোল সুন্দর বাহুনিচয়ে সুশোভিত শরীর-কঞ্চুক দ্বারা আবৃত, পয়োধর পীন এবং উন্নত। ৭৮

    মধ্য ক্ষীণ ত্রিবলী-ভূষিত, বস্ত্র পীতবর্ণ। ৭৯

    দক্ষিণদিকের হস্তনিচয় দ্বারা উৰ্দ্ধ হইতে যথাক্রমে নীচে নীচে শূল, বজ্র, বাণ, খড়গ এবং শক্তি ধারণ করিয়া আছেন। ৮০

    ঐরূপ বামদিকের হস্তনিকর দ্বারা উর্ধ্বাধঃক্রমে গদা, ঘণ্টা, চাপ এবং চর্ম ধারণ করিয়া আছেন। ৮১

    সিংহের উপরে আস্তীর্ণ ব্যাঘ্রচর্ম উপবিষ্ট হইয়া কৌষিকী অতুলরূপে সুর এবং অসুরকে বিমোহিত করিতেছেন। ৮২

    হে বৎস! ইহার সহিত পূজ্য অষ্টযোগিনীগণের নাম শ্রবণ কর। তাহারা পূজিত হইয়া মনুষ্যকে চতুর্বর্গ প্রদান করেন। ৮৩

    ব্ৰহ্মাণী, মাহেশ্বরী কৌমারী, বৈষ্ণবী, বারাহী, নারসিংহী, ঐন্দ্রী এবং শিবদূতী। এই কামপ্রদায়িনী যোগিনীগণ সৰ্ব্বদা পূজ্য। ৮৪

    দেবীর ললাট হইতে নিষ্ক্রান্ত হইয়া যিনি কালী নামে খ্যাত হইয়াছেন; হে ভৈরব! তাহার কামপ্রদ মন্ত্র কীৰ্ত্তন করিতেছি, শ্রবণ কর। ৮৫

    “ক্রীঁ ফট্‌” ইহা ধর্ম-কামার্থ-সাধক কালীমন্ত্র। হে বৎস! আমি ইহার মূর্তি বর্ণন করিতেছি, একাগ্রমনে শ্রবণ কর। ৮৬-৮৭

    ইনি নীলোৎপলদলের মত শ্যামবর্ণা চতুর্ভূজা। দক্ষিণদিকের হস্তদ্বয়ে উর্ধ্বাধঃক্রমে খট্বাঙ্গ ও চন্দ্রহাস। ৮৮

    বামদিগের হস্তদ্বয়ে সেইরূপ চর্ম ও পাশ ধারণ করিতেছেন। গলদেশে মুণ্ডমালা, পরিধানে ব্যাঘ্রচর্ম। ৮৯

    কৃশাঙ্গী, দীর্ঘদংষ্ট্রা, অতিদীর্ঘ এবং ভীষণাকার; জিহ্বা লক লক করিতেছে; চক্ষুঃ অতিশয় লাল, তাহাতে মূর্তি আরও ভয়ঙ্কর হইয়াছে। ১০

    কবন্ধ বাহনে আসীন এবং শ্রবণ ও আনন অতি বিস্তার; ইনি তারা ও চামুণ্ডা বলিয়াও অভিহিত হন। ৯১

    ইহার সহিত অষ্টযোগিনীর পূজা এবং ধ্যান করিবে। ত্রিপুরা, ভীষণা, চণ্ডী, কর্ত্রী, হন্ত্রী, বিধায়িনী, করালা, শূলিনী এই আটটি যোগিনী কীর্তিত হইয়াছে। এই দেবী অতিশয় কাম প্রদায়িনী এবং সর্বদা জড়তাবিনাশিনী। ইহার সদৃশ কামপ্রদায়িনী দেবী আর নাই। ৯২-৯৩

    কৌষিকীর ধ্যান করিতে করিতে হরির হৃদয় হইতে যে দেবী নিঃসৃত হইয়াছেন। যিনি শিবদূতী নামে বিখ্যাত শত শত শৃগালবৃন্দে আবৃত। ৯৪

    ইহার ধর্ম কাম এবং অর্থ-প্রদ মন্ত্র কীৰ্ত্তন করিতেছি, যাহা শুনিয়া সাধক, দুর্লভ শিবমন্দিরে গমন করে। ৯৫

    এই মন্ত্র দ্বারা মনুষ্য শিবস্বরূপিণী শিবদূতীর আরাধনা করিয়া অচির কালের মধ্যে সকল অভীষ্ট লাভ করে এবং সর্বজয়ী হয়। ১৬

    ক্ষং ইত্যাদি শিবদূতীর মন্ত্র; ইহা বলিলাম। শিবদূতী জয়দায়িনী; এক্ষণে ইহার রূপের বর্ণনা করিতেছি, একমন হইয়া শ্রবণ কর। ৯৭-৯৯

    চতুর্ভূজা, মহাকায়া, দ্যুতি সিন্দুর সদৃশ, রক্তদন্ত, জটাজূট, মুণ্ডমালা এবং অর্ধচন্দ্র দ্বারা মস্তক শোভিত। ১০০

    নখগুলি সমুজ্জ্বল, পরিধানে ব্যাঘ্রচর্ম, দক্ষিণদিকের হস্তদ্বয়ে উর্ধ্বাধঃক্রমে শূল ও খড়্গ। ১০১

    বাম দিকের হস্তদ্বয়ে পাশ ও চৰ্ম্ম ধারণ করিয়াছে। বক্ত্র স্থূল, পীন ওষ্ঠ, মূর্তি উচ্চ ও তুঙ্গ এবং দেখিতে অতি ভয়ঙ্কর। ১০২

    দক্ষিণ চরণ শবের বক্ষে এবং বামচরণ শৃগালের পৃষ্ঠে বিন্যস্ত; শত শত ফেরুগণে পরিবেষ্টিত। ১০৩

    শিবদূতীর এইরূপ বিভীষণমূৰ্তি বিভূতি লাভাৰ্থ চিন্তা করিবে। মনুষ্য কেবল ইহার ধ্যান করিলেই শুভফল প্রাপ্ত হয়। আর পূজা করিলে ত দেবী অচির কামধ্যে সমুদয় অভিলষিত প্রদান করেন। ১০৪

    যে সাধক, শিবার শব্দ শুনিয়া ভক্তিপূর্বক শিবদূতীর পূজা করে, সমুদয় কামনা তাহার হস্তগত। ১০৫

    যৎকালে মহাদেবী, মহামায়া জগতের হিতের নিমিত্ত রক্তবীজের সংহার করেন। ১০৬

    সেই সময় যে অম্বিকামূৰ্তি তাহার শরীর হইতে নিঃসৃত হইয়া শিবকে দূত করিয়া শুম্ভের নিকট প্রেরণ করেন, তিনিই সমস্ত দেবগণ কর্তৃক শিবদূতীনামে গীত হইয়াছেন। ১০৭

    ক্ষেমঙ্করী, শান্তা, বেদমাতা, মহোদরী, করালা, কামদা, ভগাখ্যা, ভগমালিনী, ভগোদরী, ভগারোহা, ভগজিহ্বা এবং ভগা এই দ্বাদশটী যোগিনী সৰ্ব্বদাই শিবদূতীর সঙ্গে সঙ্গে ভ্রমণ করেন। ১০৮-১০

    যোগিনীগণ সখীস্বরূপ। অন্যান্য মূর্তির ন্যায় চণ্ডিকার যোগিনীও পরিকীর্তিত হইয়াছে। ১১১

    হে বেতাল-ভৈরব! তোমাদিগের নিকট অঙ্গমন্ত্র সকল কীৰ্ত্তন করিলাম, এক্ষণে কামাখ্যা দেবীর মাহাত্ম্য, পূজাকল্প এবং মন্ত্রের বিষয় কীৰ্ত্তন করিব। ১১২

    একষষ্টিতম অধ্যায় সমাপ্ত। ৬১

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleশ্রীশ্রীচণ্ডী – অনুবাদ : পঞ্চানন তর্করত্ন
    Next Article ওয়ারলক – উইলবার স্মিথ

    Related Articles

    পঞ্চানন তর্করত্ন

    শ্রীশ্রীচণ্ডী – অনুবাদ : পঞ্চানন তর্করত্ন

    September 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }