Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কালিকা পুরাণ (কালিকাপুরাণম্‌) – পঞ্চানন তর্করত্ন সম্পাদিত

    পঞ্চানন তর্করত্ন এক পাতা গল্প667 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৬৩. পূজাপ্রকরণ–ত্রিপুরাতন্ত্র

    ত্ৰিষষ্টিতম অধ্যায় – পূজাপ্রকরণ–ত্রিপুরাতন্ত্র

    ঈশ্বর বলিলেন;–আমি পূৰ্ব্বে বৈষ্ণবী তন্ত্র-মন্ত্রের মণ্ডল-প্রতিপত্তি এবং মণ্ডলক্ৰম যেরূপ বলিয়াছি, প্রথমে পুষ্প ও চন্দনদ্বারা শিলায় সেইরূপ ক্রম করিবে এবং পাত্রাদির প্রতিষ্ঠার নিমিত্ত এস্থলেও সেইরূপ পূজা করিবে। ১-২

    বৈষ্ণবীতন্ত্রমন্ত্রের যে সকল প্রতিপত্তি উক্ত হইয়াছে, এস্থলেও সেই সকলের গ্রহণ করিবে এবং আসনাদিরও পূজা করিবে। ৩

    হে ভৈরব! সেই সকল হইতে যাহা যাহা অতিরিক্ত, তাহাদিগের উল্লেখ করিতেছি, শ্রবণ কর। ৪

    প্রথমে পুষ্প ও চন্দন সংবীত সিদ্ধার্থ এবং সর্ষপদ্বারা গণের সহিত মহাত্মা সূর্যকে অর্ঘ্যপ্রদান করিবে। ৫

    আসনার্জনের অবসানে মণ্ডলের মধ্যে পীঠোক্ত সমুদয় দেবতাকে পীঠ নামানুসারে পূজা করিবে। ৬

    হে ভৈরব! কামাখ্যার স্বরূপ বৈষ্ণবীর সহিত কিঞ্চিৎ বিভিন্ন। অন্যান্য সকল জ্ঞাতব্য বিষয় মহামায়াস্তবে কথিত হইয়াছে। ৭

    কামাখ্যার পূজার সময় চতুঃষষ্টি যোগিনীর এক এক করিয়া পূজা করিবে। অনন্তর মনোভবা গুহা, মহোৎসাহ সখী, দিপাল এবং নবগ্রহের স্বরূপ ভাবনা করিয়া ইষ্ট-সিদ্ধির নিমিত্ত পূজা করিবে। ৮-৯

    প্রথম পূর্বদ্বারে গণপতিকে পূজা করিবে এবং পশ্চিম দ্বারে নন্দী-হনু মানের পূজা করিবে। ১০

    উত্তর দ্বারে ভৃঙ্গীকে এবং দক্ষিণ দ্বারে মহাকালকে অর্চনা করিবে। ইহার আমারই দ্বারপাল, দেবীর দ্বারেও ইহাদিগের পূজা করিবে। ১১

    কামমুদ্রা দ্বারা পাত্রের সৎকৃতি করিবে এবং পূর্বে তালত্রয় দ্বারা ভূতগণের অপসারণ করিবে। ১২

    হূঁ হূঁ ফট্‌ এই মন্ত্র উচ্চারণপূর্বক বাম হস্তে তালি দিয়া বেতালগণের উৎসারণ করিবে। ১৩।

    সাধক, উত্তর তন্ত্রোক্ত সমুদয় বিধানেরই অনুষ্ঠান করিবে এবং তন্ত্রোক্ত নিয়মে প্রাণায়াম করিবে। ১৪।

    পূজক–মধু, ক্ষীর, দধি, গোমূত্র, গোময়, রত্নোদক, শর্করা, গুড়, রত্ন এবং কুশোদক দ্বারা মূলমন্ত্র উচ্চারণপূর্বক প্রথমে দেবীকে স্নান করাইবে। ১৫

    সিত-সর্ষপ, মুদ্গ, তিল, ক্ষীর, যব, রক্তচন্দন, পুষ্প, দূৰ্বা এবং রোচনা এই নয় প্রকার বস্তু দ্বারা অর্ঘ্য রচনা করিয়া যোনি সমীপে শিলাতে প্রদান করিবে। ১৬

    আসন, পাদ্য, অর্ঘ্য, আচমনীয়, মধুপর্ক, স্নানজল, বস্ত্র, ভূষণ, চন্দন, পুষ্প ধূপ, দীপ, নেত্ৰাঞ্জন, নৈবেদ্য, আচমনীয়, প্রদক্ষিণ এবং নমস্কার পূর্বকাল হইতে এই ষোড়শ প্রকার উপচার নির্দিষ্ট হইয়াছে। ১৭-১৮

    কামযুক্ত গায়ত্রী দ্বারা মহাদেবীর আবাহন করিবে। হে বেতাল ও ভৈরব! ঐ গায়ত্ৰীকেই গুহ্য দেবতা বলিয়া জানিও। ১৯

    হে কামাখ্যে দেবি! আপনি এই আমার সমীপে যথাবৎ আগমন করুন। হে কামিনি! আপনি আমার পূজাকার্যে সান্নিধ্য রক্ষা করুন। ২০

    আমি কামাখ্যা দেবীকে জানিতেছি, কামেশ্বরী দেবীকে জানিতেছি, অতএব কুব্জাদেবী আমাদের অর্থসিদ্ধি করুন। ইহা কামাখ্যা দেবীর গায়ত্রী, ইহা দ্বারা তাহার পূজা করিবে। ২১

    পূজার অবসানে দেবীর প্রীতি নিমিত্ত বলি প্রদান করিবে। রুদ্রাক্ষমালা দ্বারা জপের অনুষ্ঠান করিবে। ২২

    মূলমন্ত্রের ত্রিরাবৃত্ত তিনটি অক্ষর দ্বারা স্বকীয় অঙ্গ নামের অনুসারে কামাখ্যদেবীর ষড়ঙ্গ পূজা করিবে। ২৩

    বৈষ্ণবীতন্ত্রমন্ত্রের কর এবং অঙ্গন্যাসে যে সকল স্বর উক্ত হইয়াছে, মূলমন্ত্রের আদিস্থিত অক্ষরদ্বয় অর্ধচন্দ্র ও বিন্দুযুক্ত সেই সকল স্বরদ্বারা কনিষ্ঠাদিক্রমে অঙ্গ ন্যাস করিবে। ২৪-২৫

    ভক্তসাধক–অঙ্গন্যাস এবং করন্যাস করিয়া, পরে হৃদয়, শির, শিখা, কর্ণ নেত্র, আস্য, উদর, পৃষ্ঠ, বাহু, হস্ততল, জঙ্ঘা এবং পদদ্বয়েও মন্ত্রবিন্যাস করিবে। ২৬

    অনন্তর, অভয়, বরদ, হস্ত, অক্ষমালা, সিদ্ধসূত্র, শিব, সূৰ্য্য এবং মস্তকস্থিত চন্দ্রকলারও পূজা করিবে। ২৭

    ভক্ত সাধক, সেই শক্তি স্থানের মধ্যে রক্তপদ্ম, শব, লৌহিত্যব্রহ্মপুত্র, মনোভব শিলা এবং করবাল, দেবীর পার্শ্বে ইহাদিগেরও পূজা করিবে। ২৮

    সেই স্থানে পীঠাদিদেবতা–শুভ-রূপিণী কামেশ্বরী দেবীর পূজা করিবে, এবং মধ্যভাগে পীঠের প্রত্যধিদেবতা ত্রিপুরার পূজা করিবে। মধ্যভাগে মহোৎসাহ সারদারও পূজা করিবে। ২৯-৩০

    মহাদেবী চণ্ডেশ্বরী, কামাখ্যা দেবীর নিৰ্ম্মাল্যধারিণী এবং কামাখ্যা দেবীর বিসর্জনের মুদ্রা যোনি-মুদ্রা। ৩১

    সিন্দুর, চন্দন, অগুরু এবং কুঙ্কুম এই সকল দ্রব্য দেবীর অঙ্গরাগার্থ প্রদান করিবে। কামাখ্যা দেবীর পূজার এইগুলিই বিশেষ। ৩২

    এই বিশেষের সহিত বৈষ্ণবী-তন্ত্র-গোচর নিখিল কল্পের যোগ করিয়া কামাখ্যা দেবীর পূজা করিবে। ৩৩

    যে মনুষ্য এইরূপ বিধানে মনোভব-গুহামধ্যে কামাখ্যা দেবীর পূজা করে, সে পরম গতিপ্রাপ্ত হয়। ৩৪।

    ব্ৰহ্মাণী, চণ্ডিকা, গৌরী, রৌদ্রী, ইন্দ্রাণী, কৌমারী, বৈষ্ণবী, দুর্গা, নারসিংহী, কালিকা, চামুণ্ডা, শিবদূতী, বারাহী, কৌশিকী, মাহেশ্বরী, শঙ্করী, জয়ন্তী, সৰ্বমঙ্গলা, কালী, কপালিনী, মেধা, শিবা, শাকম্ভরী, ভীমা, শান্তা, ভ্রামরী, রুদ্রাণী, অম্বিকা, ক্ষমা, ধাত্রী, স্বাহা, স্বধা, অপর্ণা, মহোদরী, ক্ষেমঙ্করী, উগ্রচণ্ডা, চণ্ডোগ্রা, চণ্ডনায়িকা, চণ্ডা, চণ্ডবতী, চণ্ডী মহামোহা, প্রিয়ঙ্করী, কলদ্র বিকরিণী, বলপ্ৰমথিনী, মনোন্মথিনী, সৰ্ব্বভূতদমনী, উমা, তারা, মহানিদ্রা; বিজয়া, জয়া এবং পূর্বোক্ত শৈলপুত্রী প্রভৃতি অষ্টযোগিনী, ইহারা সকলে মিলিত হইয়া চতুঃষষ্টি যোগিনী হন। মণ্ডলের মধ্যে সকল প্রকার কাম এবং অর্থের সিদ্ধির নিমিত্ত এই চতুঃষষ্টি যোগিনীর পূজা করিবে। ৩৫-৪২

    দেবীকে নানাবিধ নৈবেদ্য ও পানীয় দ্রব্য, পায়স, মোদক, অপুপ এবং পিষ্টকাদি সমর্পণ করিবে। ৪৩

    যে ভক্তিযুক্ত মনুষ্য উপরি-উক্ত নিয়ম অনুসারে বরদায়িনী কামাখ্যা দেবীর আরাধনা করে, সে সকল প্রকার অভিলষিত লাভ করে। ৪৪

    যে মহামায়া দেবী মহোৎসাহা নামে বিখ্যাত, যোনিমণ্ডলে বৈষ্ণবী তন্ত্রের মন্ত্রদ্বারা তাহাকেও পূজা করিবে। ৪৫

    উহাই তাহার মণ্ডল, তাহার অঙ্গন্যাস পূর্বোক্তরূপ। পূজার ক্রম এবং ধ্যানও পূর্বোক্তরূপ,–উভয় দেবতা একই! মুখ্য মন্ত্রও একরূপ; অন্য কোন বিষয়ে কিছু প্রভেদ নাই। ৪৬

    মহামায়ার মহোৎসবে মণ্ডল হইতে বিসর্জন পৰ্যন্ত যে সকল বিধানের কথন হইয়াছে, স্নানপূর্বক মণ্ডলমধ্যে মহোৎসাহা দেবীকেও সেইরূপ বিধানে মধু ও মদ্যাদিদ্বারা পূজা করিবে। ৪৭।

    এক্ষণে ত্রিপুরা-মূৰ্তি কামাখ্যা পূজা শ্রবণ কর। ইহার মূল মন্ত্ৰ-পূর্বে উত্তর তন্ত্রে প্রিয় শিষ্য তোমাদের উভয়ের নিকট প্রতিপাদিত হইয়াছে। ৪৮

    বাগভব, কামবীজ এবং ঈশ্বর, ধর্ম, অর্থ ও কামাদির সাধক এই তিনটী কুণ্ডলীযুক্ত হইয়া ত্রিপুরা দেবীর মূলমন্ত্র হয়। ৪৯

    যেহেতু মহেশ্বরী দুর্গাদেবী তিনের অগ্রে ধ্যাত হন, এইজন্য কামরূপিণী কামাখ্যা ত্রিপুরা নামে প্রসিদ্ধ। ৫০

    কামাখ্যা দেবীর যেরূপ স্থাপন উক্ত হইয়াছে–সাধক, মূলমন্ত্র দ্বারা তাহারও সেইরূপে স্নাপন করিবে। ৫১

    ইহার মণ্ডল ত্রিকোণরেখাত্রয়ে নির্মিত তিনটি পুর, মন্ত্র, ত্র্যক্ষর, রূপ তিন প্রকার এবং ত্রিদেবের সৃষ্টির নিমিত্ত কুণ্ডলী শক্তিও ত্রিবিধ। যেহেতু এই সমুদয় বস্তুই তিন তিন, এই নিমিত্ত উহার নাম ত্রিপুরা। ৫২-৫৩

    মণ্ডলের উত্তরে পূর্বান্ত তিনটী রেখা পুষ্প এবং চন্দনদ্বারা অঙ্কিত করিবে। ঈশান কোণ হইতে নৈর্ঋত কোণে ঐ রূপ তিনটী করিয়া রেখা লিখিবে। ৫৪

    নৈর্ঋত হইতে বায়ুকোণে এবং বায়ু হইতে ঈশান কোণ পৰ্য্যন্ত পুনর্বার রেখা অঙ্কিত করিবে। মণ্ডলের মধ্যে ঐরূপ একটী ত্রিকোণ ক্ষেত্র লিখিবে। ৫৫

    ঈশান কোণ হইতে যে রেখা প্রবৃত্ত হইয়াছে তাহা শক্তি নামে অভিহিত হয়। ৫৬

    নৈর্ঋত হইতে বায়ুকোণে এবং বায়ুকোণ হইতে ঈশান কোণে যে রেখা অঙ্কিত হইয়াছে, উহা শম্ভুনামে অভিহিত হয়; শক্তি হইতে শম্ভুর ভেদ করিবে। ৫৭

    শক্তি হইতি বিভিন্ন শম্ভুকে অষ্টদল কমল দ্বারা বেষ্টন করিবে। তাহার পর ঐ রেখাকে ত্রিবর্ণারূপে ধ্যান করিয়া প্রথমে তাহার পূজা করিবে। তদনন্তর তিন তিনটি রেখা দ্বারা শক্তি ও শম্ভুকে বেষ্টন করিবে। ৫৮

    অনন্তর, স্থানের অভ্যুক্ষণ, মার্জন, লিখন, অস্ত্রমন্ত্র প্রয়োগদ্বারা ভূতদিগের অপসারণ করিবে। ৫৯

    সকল কার্য্যে উত্তর তন্ত্রে বৈষ্ণবীতন্ত্র-মন্ত্র-প্রসঙ্গে যাহা সামান্যাকারে উক্ত হইয়াছে, সাধক মনুষ্য তৎসমুদয় করিবে। ৬০

    ত্রিপুরা দেবীর পূজাক্রমে যাহা বিশেষ বলা হইয়াছে, তাহাও করিবে। ৬১

    পূর্বে যে ত্রিকোণ ক্ষেত্রের কথা বলা হইয়াছে, উহা ব্ৰহ্মাদি দেবতাত্রয়ের স্থান বলিয়া অভিহিত হয়। ৬২

    ঈশান কোণে মহাদেব, নৈর্ঋতকোণে ব্রহ্মা এবং বায়ুকোণে বিষ্ণু অবস্থান করেন, ষটকোণেও ঐ সকল দেবতা কীৰ্ত্তিত হইয়াছেন। ৬৩

    দল একটি পুর, কেশর একটি পুর এবং অবশিষ্ট ত্রিকোণ একটি পুর–এইরূপে উহা ত্রিপুরমণ্ডল নামে অভিহিত হইয়াছে। ৬৪

    দলে, কেশরে এবং ত্রিকোণে যে তিন তিনটি করিয়া রেখা বিহিত হইয়াছে, তাহা পুনঃ পুনৰ্বার করিবে। ৬৫

    উত্তরে দ্বার হইবে, ঐ দ্বারের আকার ধনুকের মত; পূর্বদ্বার ষট্‌কোণ এবং দক্ষিণদ্বার চতুষ্কোণ। ৬৬

    পশ্চিমদ্বার তোরণাকার হইবে, যেমন অন্য মণ্ডলে হইয়া থাকে। ৬৭

    ঈশানকোণ পাঁচটী বাণের স্বরূপ লিখিবে, অগ্নিকোণে ধনুকের স্বরূপ লিখিবে। নৈর্ঋতকোণে পুস্তক এবং বায়ুকোণে অক্ষমালা লিখিবে। ৬৮

    এইরূপ মণ্ডল নিৰ্মাণ করিয়া উহা বামহস্ত দ্বারা ধারণ করিয়া বাগ্মেশ্মনে নমঃ এই বলিয়া মণ্ডলের পূজা করিবে। ৬৯

    এইরূপে মণ্ডলের পূজা করিয়া মূলমন্ত্র এবং পূর্বোক্ত মন্ত্রসকল উচ্চারণ পূর্বক তালত্রয় দ্বারা ভূতগণের পূজা করিবে। ৭০

    আপনাকে তিনবার বেষ্টন করিয়া নয়টি তুড়ি মারিয়া ভূতদিগের অপসারণের নিমিত্ত অভক্ষণ করিবে। ৭১

    সাধক, অর্ঘ্যের নিমিত্ত পাত্রের পূর্ববৎ নয় প্রকার প্রতিপত্তি করিবে। প্রথমে দহন, প্লবন এবং ধেনুমুদ্রা দ্বারা অমৃতীকরণ করিবে। ৭২

    অনন্তর যোনিমুদ্রা করিয়া তিনবার পাত্রের জল স্পর্শ করিবে। দূর্বা, সিতসর্ষপ, রক্তপুষ্প এবং চন্দন দ্বারা অর্ঘ্য রচনা করিয়া সগণ মার্তণ্ড ভৈরবকে নিবেদন করিবে। ৭৩-৭৪

    অনন্তর হস্তদ্বয় কচ্ছপাকার করিয়া যোনিমুদ্রা প্রদর্শনপূর্বক ধ্যান করিবে। হে বেতাল ও ভৈরব! ধ্যানের আদিতেই হউক অথবা মধ্যেই হউক, অস্ত্রমন্ত্র উচ্চারণপূর্বক পাত্ৰ স্থাপনার্থ মণ্ডল করিবে। ৭৫-৭৬।

    প্রথমে একটী ষটকোণ লিখিবে, তাহাতে পূর্বোক্ত অস্ত্রমন্ত্র পাঠ করিয়া পাত্র স্থাপন করিবে। অনন্তর ঐঁ আঁ ক্লীঁ এই মন্ত্র উচ্চারণ করিয়া, পাত্রে তিনবার জলক্ষেপ করিবে। ৭৭

    ঐ পাত্রে গন্ধ, পুষ্প, দূৰ্বা এবং অক্ষতও তিন তিন বার করিয়া নিক্ষেপ করিবে। ৭৮

    অনন্তর ওঁ হ্রাঁ হ্রীঁ হ্রূঁ হ্রৈঁ হ্রৌঁ, এই সকল মন্ত্রদ্বারা অঙ্গুষ্ঠাদি ক্রমে ন্যাস করিবে। ৭৯

    ‘ওঁ হ্রূঃ’ এই অস্ত্রমন্ত্রদ্বারা পাণি-পৃষ্ঠ এবং তলদ্বয়ে ন্যাস করিবে। পরে এইরূপে হৃদয়াদি ক্রমে তিন তিনবার ন্যাস করিবে। ৮০

    হস্তের দুটী দুটী অঙ্গুলী সংযুক্ত করিয়া, অঙ্গুষ্ঠাদিক্রমে তিন তিনবার করিয়া ন্যাস করিবে এবং অবশিষ্ট অঙ্গদিগেরও ন্যাস করিবে। ৮১

    কর্ণরন্ধ্র দ্বয়ে, ব্ৰহ্মরন্ধ্রে, কেশতলে, নাসিকারদ্বয়ে, জানুযুগলে এবং পদদ্বয়ে পূর্বোক্ত ছয়টী মন্ত্র এক একটী পৃথক্‌ উচ্চারণ করিয়া তিন তিন বার ন্যাস করিবে। ৮২

    অনন্তর পূরক, কুম্ভক এবং রেচক দ্বারা প্রাণায়াম করিয়া, ত্রিপুরা দেবীর মূৰ্তি চিন্তা করিবে। ৮৩।

    প্রাণায়াম দ্বারা তিনবার দহন এবং প্লবন করিয়া, হৃদয়ে দেবীমূর্তির ধ্যান করিবে। হে ভৈরব! এক্ষণে সেই দেবীমূর্তি বর্ণন করিতেছি, শ্রবণ কর। ৮৪

    ঐ মূর্তি সিন্দুর-পুঞ্জ-সঙ্কাশা, ত্রিনেত্রা, চতুর্ভূজা, বামদিকের উর্ধ্বহস্তে পুষ্পধনুঃ এবং অধোহস্তে পুস্তক। ৮৫

    দক্ষিণের উর্ধ্বহস্তে পাঁচটী বাণ এবং অধোহস্তে অক্ষমালাধারিণী; চারিটী কুণপের পৃষ্ঠে আর একটি কুনপ রক্ষা করিবে। ৮৬

    তাহার পৃষ্ঠে সমপাদে দণ্ডায়মানা; জটাজূট এবং অর্ধচন্দ্রদ্বারা সমাবদ্ধকেশা। ৮৭

    নগ্না, বলিত্রয় শোভিন-মধ্যা, মনোহরা, সৰ্বালঙ্কারভূষিতা, সৰ্বাঙ্গসুন্দরী, শুভরূপা, ধন-বিতরণকারিণী এবং সৰ্বলক্ষণ সম্পন্না এই মূর্তির প্রথমে ধ্যান করিয়া আত্মাকে ত্রিধারূপে চিন্তা করিবে। ৮৮-৮৯

    তদনন্তর আবার ঐ রূপের চিন্তা করিয়া, বাগভবমন্ত্র উচ্চারণপূর্বক আপনার মন্তকে পুষ্প রাখিবে এবং পুনৰ্বার পূর্বের মত অঙ্গন্যাস করিবে। ৯০

    অনন্তর সাধক, বাগভবাদি মন্ত্ৰত্রয়ের তিন বার জপ করিয়া অর্ঘ্যপাত্ৰান্তৰ্গত জল আত্মমন্ত্র উচ্চারণপূর্বক মস্তকে সিঞ্চন করিবে। ১১

    ঐ জলদ্বারা পূজার উপকরণ সকল বারত্ৰয় অভ্যুক্ষিত করিবে। অনন্তর কামপীঠের ধ্যান করিয়া বক্ষ্যমাণ দেবতাদিগের পূজা করিবে। ৯২

    মূল মন্ত্রোচ্চারণপূর্বক পূৰ্বাদি দ্বারে ক্রমশঃ গণেশ, গণাধ্যক্ষ, গণনাথ এবং গণক্রীড়ের পূজা করিবে। হেরম্ববীজই ইহাদের মূলমন্ত্র অবধারিত হইয়াছে। ১৩

    বিদ্যা, শান্তি, নিবৃত্তি এবং প্রতিষ্ঠা ইহারা দ্বারপালিকা; পূৰ্বাদিক্রমে ইহাদিগের সম্যক্ পূজা করিবে। ৯৪

    সিদ্ধপুত্র, জ্ঞানপুত্র, সহজপুত্র এবং সময়পুত্র এই চারিটি বটুকেরও পূজা করিবে। ৯৫

    প্রত্যেক বটুকের ওপর শ্রীদেবীর পূজা করিবে। মণ্ডলের ঈশানাদি কোণে সিদ্ধ, সহজ, জ্ঞান এবং সময় ইহাদের পূজা করিবে। ৯৬-৯৭

    ঈশানাদিক্রমে গোরট, ডামর, লৌহজঘ এবং ভূতনাথ এই ক্ষেত্রপাল চতুষ্টয়েরও পূজা করিবে। ৯৮

    মণ্ডলের মধ্যে পাঁচটি বাণের সম্যকরূপে পূজা করিবে। ৯৯

    দ্রাবণ, শোষণ, বন্ধন, মোহন এবং আকর্ষণ এই পাঁচটি বাণ ইষুমন্ত্রদ্বারা পূজা করিবে। ১০০

    অনন্তর তিনকোণে যথাক্রমে ভগা, ভগজিহ্বা এবং ভগাস্যা এই তিন যোগিনীর পূজা করিবে। ১০১

    তাহার পর মধ্যস্থিত ত্রিকোণে ক্রমশঃ অপর যোগিনীত্রয়ের পূজা করিবে। প্ৰথমকোণে ভগমালিনী, দ্বিতীয়কোণে ভগোদরী এবং তৃতীয়কোণে কাম রূপিণী ভগবোহা যোগিনীর পূজা করিবে। ১০২-১০৩

    অনঙ্গকুসুমা, অনঙ্গমেখলা, অনঙ্গমদনা, অনঙ্গমদনাতুরা অনঙ্গবেশা, অনঙ্গমালিনী, মদনাতুরা এবং মদনাঙ্কুশা, এই আটজন দেবীকে দল ও কেশরের মধ্যে পূজা করিবে। ত্রিপুরার পূজনক্রমে শৈলপুত্রী প্রভৃতি আটজন যোগিনীর পূজা করিবে। ১০৪-১০৬

    এই সকল কামযোগিনীদিগকে, নাম উল্লেখ করিয়া অব্যগ্রভাবে অর্চনা করিয়া বাগভববীজদ্বারাই হউক অথবা দুর্গার নেত্রবীজের অন্তদ্বারাই হউক, পূজা করিবে। ১০৭

    পুনৰ্বার অঙ্গন্যাস মন্ত্রদ্বারা কিঞ্জল্কপত্রের মধ্যে বক্ষ্যমাণ ছয় জন ইষ্ট ক্ষেত্ৰপালের পূজা করিবে। ১০৮

    তাহাদের নাম হেতুক, ত্রিপুরঘ্ন, অগ্নিজিহ্ব, অগ্নিবেল, কাল এবং করাল। কামবীজযুক্ত ঐ আটটি মন্ত্রদ্বারা উত্তরাদিক্রমে একপাদ এবং ভীমনাথ প্রভৃতির পূজা করিবে। ১০৯-১১০

    মণ্ডলের চতুর্দিকে এক একটিকে দু’টি করিয়া পূৰ্বাদিক্রমে অসিতাঙ্গাদি নব নায়কের আটজনের পূজা করিবে এবং পদ্মমণ্ডলের মধ্যে অবশিষ্ট একের পূজা করিবে। ১১১-১১২

    অসিতাঙ্গ, রুরু, চণ্ড, ক্রোধ, উন্মত্ত, ভয়ঙ্কর, কপালী, ভীষণ এবং সংহারী এই নয় জন নায়ক। ১১৩

    সাধক মনুষ্য ঈশানকোণাদিক্ৰমে দু’টি দু’টি করিয়া নায়িকার পূজা করিবে এবং পদ্ম ও মণ্ডলের মধ্যে অগ্নিকোণেও দুজনের পূজা করিবে। ১১৪

    ঐ সকল নায়িকার নাম ব্ৰহ্মাণী, কৌমারী, বৈষ্ণবী, নারসিংহী, বারাহী, ইন্দ্রাণী, চামুণ্ডা এবং চণ্ডিকা। ১১৫

    হে ভৈরব! মণ্ডলের মধ্যে বৈষ্ণবী তন্ত্রকল্পোক্ত সমূদয় আধার শক্তি প্রভৃতির পূজা করিবে। ১১৮

    পূৰ্বে সদ্যোজাত প্রভৃতি যে মহাদেবের পঞ্চ মূর্তি কথিত হইয়াছে, উহারা পদ্মমধ্যে প্রেতত্ব প্রাপ্ত পাইয়াছে। ১১৭

    পদ্মমধ্যে ঐ সকল মূর্তির এবং রক্ত-পদ্ম-রূপ শবেরও পূজা করিবে। এই সেই স্থানে জগতের আধার সিংহের পূজা করিবে। ১১৮

    জয়ন্তী, মঙ্গলা, কালী, ভদ্রকালী, কপালিনী, দুর্গা, শিবা, ক্ষমা, ধাত্রী, স্বাহা এবং স্বধ। ইহাদিগেরও পূজা করিবে। ১১৯

    উগ্রচণ্ডা, প্রচণ্ডা, চণ্ডোগ্রা, চণ্ডনায়িকা, চণ্ডা, চণ্ডবতী, চণ্ডরূপা এবং চণ্ডিকা ইহাদিগকে মণ্ডলমধ্যে বিশেষ করিয়া পূজা করিবে। ১২০

    নিজ নিজ অস্ত্র শস্ত্র সংযুক্ত আদিত্যাদি গ্রহগণের প্রত্যেককে উদ্দেশ করিয়া স্বরূপতঃ বাম পার্শ্বে পূজা করিবে। ১২১

    হে ভৈরব! সমুদয় দিকপালগণকে দিকপালদিগের মন্ত্র দ্বারা পূজা করিবে; অস্ত্রমন্ত্রই তাহাদিগের মন্ত্র। ১২২

    সেই স্থানে একবক্ত্র, চতুর্ভুজ, ভস্মশ্বেত, হৃদয়মধ্যে রক্তপুষ্প ও কুঙ্কুমে উপশোভিত, বাম-হস্তদ্বয়ে ত্রিশূল ও পিনাকধারী দক্ষিণ-হস্তদ্বয়ে উৎপল এবং শ্বেতপদ্মে উপবিষ্ট কামেশ্বরনাথের ধ্যান করিয়া পূজা করিবে। ১২৩-১২০

    কামাখ্যা মূর্ধিতে ধ্যান করিয়া কামাখ্যা দেবীর পূজা করিবে। ১২৫

    হে বেতাল ও ভৈরব। সেই স্থানে পরমেশ্বরী কামেশ্বরী দেবীকে বক্ষ্যমাণ স্বরূপে পূজা করিবে। ১২৬

    দংষ্ট্রাদ্বারা অত্যন্ত বিদ্ধাধর, কৰ্তরী ও খৰ্পরধারী, করালনামক ক্ষেত্র পালেরও পূজা করিবে। ১২৭

    তিন্তিড়ীনামক কল্পবৃক্ষ, সচ্ছায় রত্নভূষিত ত্রিকূট, কৃষ্ণবর্ণ মহাদ্যুতি নীলশৈল, পঞ্চ ব্যামাত্রয়, রত্নমণ্ডল-সংযুক্ত রক্তবর্ণ, সুবর্ভুল শুভ মনোভবা নাম্নী গুহা, ব্যামত্রয় বিস্তৃত, ঈষদ্ৰক্তবর্ণ ও সর্বদা কুসুমসমূহে উপশোভিত, অপরাজিতা লতা এবং সুবর্ণের মত গৌরবর্ণ, দ্বিভুজ, দক্ষিণ-হস্তে দণ্ড এবং বামহস্তে কৃপাণধারী গজানন কম্বলাখ্য বটুকেরও বিঘ্ননাশের নিমিত্ত দেবীর সম্মুখে পূজা করিবে। ১২৮-৩১

    আরক্ত গৌরবর্ণ, চতুর্ভুজ, গদা, পদ্ম, শক্তি ও চক্রধারী, বিশ্বরূপধৃকৃ পাণ্ডু-নাথ-নাম ভৈরবকেও দেবীর পুরোভাগে পূজা করিবে। ১৩২

    রক্তবর্ণ, ভয়ঙ্কর, অসিচক্রধর, রৌদ্র, মনুষ্যমাংস ভোজনে নিরত, রক্ত ধারা-বর্ষি-মুণ্ডমালা-ত্রয়ে অলঙ্কৃত, অগ্নিদগ্ধ ও গলদন্ত্র প্রেতোপরি-স্থিত শব বাহন ও শব-ভূষণ শ্মশান-হেরুকাখ্যের ধ্যান করিয়া পূজা করিবে। ১৩৩-৩৪

    দেবীর অগ্রে মহামায়া-স্বরূপিণী মহোৎসাহা নাম্নী যোগিনীর স্বরূপ ধ্যান করিয়া পূজা করিবে। ১৩৫

    নীল পর্বতের পূর্বদিকে যোজনদ্বয় বিস্তীর্ণ, অর্ধযোজন আয়ত, উচ্চ প্রাসাদ ও সৌধসমূহে বিভূষিত মণি-রত্ন ও সুবর্ণনির্মিত প্রাসাদনিচয়ে সঙ্কীর্ণ, বিকচ-কমল শোভিত ছয়টি ক্রীড়া-সরোবর সংযুক্ত চন্দ্রবতী নাম্নী দেবীর পুরীর ও দেবীর অগ্রে সমন্ত্ৰকপূজা করিবে। ১৩৬-৩৮

    রক্তগৌরাঙ্গ, নীলবস্ত্র-বিভূষিত, রত্নমালা-সমাযুক্ত, চতুৰ্ব্বাহু-সমন্বিত, দক্ষিণ বাহুদ্বয়ে পুস্তক ও পদ্ম এবং বাম বাহুদ্বয়ে শক্তি ও ধ্বজা ধারণকারী শিশুমারস্থিত লৌহিত্যের পূজা করিবে। ১৩৯-১৪০

    মধ্যে এই সকল পীঠাধিষ্ঠাতৃ-দেবতার সমন্ত্রক পূজা করিবে। প্রাসাদ মন্ত্র দ্বারা কামেশ্বরনাথ দেবের পূজা করিবে। ১৪১

    কামেশ্বরীর বীজ দ্বারা শুভদায়িনী কামেশ্বরীর পূজা করিবে। ১৪২

    মায়াকারণ মন্ত্রের দুইটী উপান্তে ক্রমশঃ বল ও মদনের সহিত নাদ ও বিন্দুর যোগ করিবে। ১৪৩

    চণ্ডিকা-নেত্রবীজের যে শেষ অক্ষর, উহাই তিন্তিড়ী নামক কল্পবৃক্ষের বীজ। ১৪৪

    উগ্রার মধ্যবীজই নীল শৈলের মূল মন্ত্র। মনোভবের বীজকে মহাদেবের সহিত মিলাইয়া আদি বা অন্তে চন্দ্রবিন্দুর যোগ করিলে মনোভব গুহার মূল মন্ত্র হইবে। ১৪৫-৪৬

    বৈষ্ণবী-তন্ত্র-মন্ত্রের শেষ বীজাক্ষরের নীচে রান্ত অর্থাৎ ‘ল’ যুক্ত করিয়া তাহাতে চতুর্থ স্বর এবং চন্দ্রবিন্দু যোগ করিলে যে মন্ত্র হয়, উহাই অপরাজিতার বীজ মন্ত্র। ১৪৭

    হয়গ্রীব স্বরূপ বিষ্ণুর যে বীজ, কম্বলখ্য বটুকের পূজায়ও সেই বীজ কীৰ্ত্তিত হইয়াছে। ১৪৮

    কেবল ‘হ’ পরে থাকিলে এবং ষষ্ঠস্বর ও চন্দ্রবিন্দুযুক্ত ‘হ’ আদিতে থাকিলে যে মন্ত্র হয়, তাহাই হয়গ্রীবের বীজ। ১৪৯

    বনমালি-স্বরূপ পাণ্ডুনামা ভৈরব বরাহবীজের দ্বারা পূজা করিবে। ১৫০

    দুইটী হকারের প্রথমটীতে অনুস্বার এবং পরটিতে বিসর্গ যোগ করিলে যে মন্ত্র হয়, উহা মহাভৈরবের মন্ত্র, উহার দ্বারা ভৈরবের পূজা করিবে। ১৫১

    ঐশ্বৰ্য্য বৃদ্ধির নিমিত্ত তন্ত্রোক্ত দ্বিতীয়াক্ষর বীজ দ্বারা মহামায়া মহোৎসাহা দেবীকে পূজা করিবে। ১৫২

    চন্দ্রবতীর স্বীয় নামের আদ্য অক্ষর অর্ধচন্দ্র ও বিন্দু দ্বারা অলঙ্কৃত হইলে উহার পূজার বীজ মন্ত্র হইবে। ১৫৩

    ব্ৰহ্মপুত্র নদরাজ লৌহিত্যের স্বাহান্ত ব্ৰহ্মবীজই ভূতিপ্রদ বীজ মন্ত্র। ১৫৪

    দেবীর আবাহনার্থে দেবীর দ্বিতীয় ও তৃতীয় রূপ যোনিমুদ্রা প্রদর্শনপূর্বক ধ্যান করিবে। ১৫৫

    দ্বিতীয়া ত্রিপুরা মূর্তি বন্ধুক-পুষ্পসঙ্কাশা, জটাজূট ও চন্দ্র দ্বারা মণ্ডিতা, সৰ্বলক্ষণসম্পূর্ণা সৰ্ব্ব অলঙ্কারে ভূষিতা উদ্যৎসূৰ্য্য-সদৃশ বসনপরিধানা পদ্ম পর্য্যঙ্কসংস্থিতা মুক্তারত্নাবলীযুক্ত পীনোন্নতপয়োধরা বলীত্রয়-মনোহরা আসবামোদমোদিতা, নেত্ৰাহ্লাদকরী শুদ্ধা, জগতের ক্ষোভিণী। ১৫৬-৫৮

    ত্রিনেত্রা, যোনিমুদ্রার প্রতি ঈষৎহাস্য-সমাযুক্ত নবযৌবনসম্পন্না, মৃণাল তুল্য চতুর্ভুজশালিনী, বামদিকে উর্ধ্বহস্তে অক্ষমালা ধারণকারিণী বামদিকের অধোহস্তে এবং দক্ষিণহস্তের অধো হস্তে বরপ্রদায়িনী, স্রবদ্রজা সূৰ্য্যাভা আপাদম্বিনী শিরোমালা-ধারিণী, কল্পদ্রুমাবলম্বনে সংস্থিতা, কদম্বোপবনান্তস্থিতা, শুভদায়িনী এবং কামাহ্লাদকরী এইরূপ মনোহরা দ্বিতীয় ত্রিপুরা মূর্তির ধ্যান করিবে। হে বেতাল ও ভৈরব! এক্ষণে তৃতীয়া ত্রিপুরা-স্বরূপ বর্ণন করিতেছি, শ্রবণ কর। ১৫৯-১৬৩

    ঐ মূর্তি জবাকুসুম সদৃশী, মুক্তকেশী শুভাননা, হাস্যকারী সদাশিবকে প্রেতবৎ স্থাপন করিয়া সেই দেবের হৃদয়ে ঊর্ধপদ্মাসনে উপবিষ্ট, গ্রীবাদেশ হইতে আপাদলম্বিনী রক্তোৎপল-মিশ্রিত মুণ্ডমালাধারিণী, পীনোন্নতপয়োধরা, চতুর্ভূজা, দিগম্বরী দক্ষিণদিকের উৰ্দ্ধহস্তে অক্ষমালাধারিণী এবং অধোহস্তে বরদায়িনী, বামদিকের উর্ধ্বহস্তে অভয়দায়িনী এবং অধোহস্তে পুস্তকধারিণী, ত্রিনেত্রা, হাস্যমুখী গলদ্রুধিরতোগাৰ্তা এবং সৰ্বাঙ্গসুন্দরী, পূজক এই প্রকার মূর্তির ধ্যান করিবে। ১৬৪-১৬৮

    আদ্যরূপ বাগভব, দ্বিতীয় কামবীজক, তৃতীয় ডামর এবং মোহন বলিয়া পরিকীর্তিত হয়। ১৬৯

    সাধক পূৰ্বে এক একটি করিয়া তিনটী রূপের চিন্তা করত বাহিরের মত হৃদয়াভ্যান্তরেও মন্ত্ৰত্ৰয় উচ্চারণ করিয়া ষোড়শ উপচারদ্বারা প্রত্যেকের পূজা করিবে। ১৭০-১৭১

    দেবীর তিন মূর্তি একত্র করিয়া মধ্যরূপে মন্ত্ৰত্রয় একত্র করিয়া, হৃদয়ে নিবেশ করিবে। ১৭২।

    পুনর্বার দক্ষিণনাসাপুট দ্বারা তাহাকে নিঃসৃত করিয়া হস্ততলদ্বারা অবতরণ পূর্বক দেবীকে তিনপ্রকারে আবাহন করিবে। ১৭৩

    প্রথম গায়ত্ৰীয় উচ্চারণ করিয়া তাহাকে স্নান করাইবে। অনন্তর আবাহনের সময় সাধকগণ বক্ষ্যমাণ মন্ত্র পাঠ করিবে। ১৭৪

    হে শুভাবর্তে দেবি! এই আমার সমীপে আগমন করুন। এবং আমায় অচ্ছিন্ন শুদ্ধবাক্য প্রদান করুন। ১৭৫

    হে ভগবতি কামদায়িনি মাতঃ ত্ৰিপুরে! আগমন করুন; এই ছাগবলি গ্রহণ করিয়া এইস্থানে সন্নিহিত হউন। ১৭৬

    আমরা নারায়ণীকে জানিতেছি, বাগভবার চিন্তা করিতেছি; এই বাক্যটি বলিবার পরে বলিবে; দেবী আমাদিগকে বাক্য প্রদান করুন। ১৭৭

    আমরা নারায়ণীকে জানিতেছি, চণ্ডিকা তোমাকে চিন্তা করিতেছি; ইহার শেষে বলিবে,-অতএব আমাদিগকে শক্তি প্রদান করূন। ১৭৮

    হে মহামায়ে! আমরা তোমাকে জানিতেছি, তোমার সম্মোহিনীরূপের চিন্তা করিতেছি, ইহার পরে বলিবে, চণ্ডি! আমাদের অভিলষিত পূরণ করুন। ১৭৯

    এই তিনটী ত্রিপুরা দেবীর প্রত্যেক মূর্তির এই তিনপ্রকার গায়ত্রী উচ্চারণ করিয়া স্নান করাইবে। প্রথম সেই শিবাকে বাগভববীজ উচ্চারণপূর্বক পূজা করিবে। ১৮০

    অনন্তর কামবীজ উচ্চারণ করিয়া পশ্চাৎ ডামরবীজ উচ্চারণপূর্বক পূজা করিবে। ১৮১

    তদনন্তর তিনটী মন্ত্র একত্র উচ্চারণ করিয়া তাহাকে পূজা করিবে। তাহার পর সমন্ত্রক ষোড়শ উপচার প্রদান করিবে। ১৮২

    কামাখ্যাতন্ত্র-কথিত সকলের পুনর্বার পূজা করিবে এবং অঙ্গন্যাশমন্ত্র দ্বারা দেবীর সমুদয় অঙ্গের পূজা করিবে। ১৮৩

    প্রথমে এক এক করিয়া সকল অঙ্গের পূজা করিয়া মূলমন্ত্র উচ্চারণ পূর্বক অষ্ট অঙ্গের পূজা করিবে এবং “ত্রিপুরায়ৈ নমোহস্তু তে” এই বলিয়া নমস্কার করিবে। ১৮৪

    কামরূপিণী ত্রিপুরাদেবীর নব প্রকারে পূজা করিবে, এবং পদ্মের উত্তরাদি চতুষ্পত্রে বক্ষমাণ দেবতার ইচ্ছা পূরণ করিবে। ১৮৫

    ব্ৰহ্মা, মাধব, শম্ভু, ভাস্কর-এই দেবচতুষ্টয়ের উক্ত চারি পাত্রে পূজা করিবে এবং ঈশান-আদিতে ক্রমশঃ বক্ষ্যমাণ দেবতার পূজা করিবে। ১৮৬

    ঈশানকোণে জয়ন্তীর, বায়ুকোণে অপরাজিতার, নৈর্ঋতকোণে বিজয়ার এবং অগ্নিকোণে জয়ার পূজা করিবে। ১৮৭

    ত্রিকোণকেশরের মধ্যে কাম, প্রীতি, রতি, পঞ্চবাণ, পুষ্প, চাপ এবং পুস্তিকার পূজা করিবে। ১৮৮

    ঐ স্থানেই অক্ষমালা, পাঁচশর, রত্ন-পৰ্য্যঙ্ক এবং প্রেতপদ্মরূপ শিবের পূজা করিবে। ১৮৯

    হে ভৈরব! পূর্ববৎ স্ফটিকমালার পূজা করিয়া এবং উহা হস্তে লইয়া উত্তরীয় দ্বারা আচ্ছাদন করত, সাধক পূৰ্বোধৃত ত্রিপুরামন্ত্রের সম্যক প্রকারে জপ করিবে। ১৯০

    জপ, স্তুতি এবং বারংবার প্রণাম করিয়া ত্রিপুরা দেবীকে বলিদান প্রদান করিবে, যদি সম্ভব হয়, তবে তিন জাতীয় বলির সংগ্রহ করিবে। ১৯১

    হে ভৈরব! তোয়সংযুক্ত সফেন শর্করা, মধু এবং সৈন্ধব দ্বারা রুধির অভূ্যক্ষিত করিয়া কামবীজ উচ্চারণপূর্বক উহার উৎসর্গ করিবে। বাগভব মন্ত্র দ্বারা বলিচ্ছেদ করিবে এবং ডামরমন্ত্র দ্বারা বলির ছিন্ন মস্তক প্রদান করিবে। ১৯২-১৯৩

    দেবতার্চনকালে সাধক যখন যখন বলি প্রদান করিবে, তখন তখন বৈষ্ণবীতন্ত্র-কল্পোক্ত বলি-পূজাই গ্রহণ করিবে। ১৯৪

    অনন্তর বর্ণক্রমে দেবীতে এইরূপে বলি-প্রদান করিবে। যথা;-ব্রাহ্মণ গোক্ষীর, ক্ষত্রিয় গব্য আজ্য, বৈশ্য মক্ষিকা নির্মিত মধু এবং শূদ্র পুষ্প-মধু আদি প্রদান করিবে। ১৯৫-১৯৬

    অনন্তর পণ্ডিত, পূষ্প ঘ্রাণ করিয়া ঈশানকোণে নির্মাল্য নিক্ষেপ করিবে। ঐ দেবীর নির্মাল্যধারিণী ত্রিপুরচণ্ডিকা দেবী। বিসর্জনের প্রথমে পৃথক পৃথক্ করিয়া যোনিমুদ্রা, পদ্মমুদ্রা, অৰ্দ্ধমুদ্রা এবং ত্রিমুদ্রার দর্শন করাইবে। অনন্তর কামবীজ উচ্চারণ করিয়া নিৰ্মাল্য গ্রহণ করিবে। ১৯৭-১৯৮

    কামরূপিণী ত্রিপুরার এইরূপে যে পূজা করে, সে অখিল অভিলষিত প্রাপ্ত হইয়া অন্তে দেবীলোকে গমন করে। ১৯৯

    ত্ৰিষষ্টিতম অধ্যায় সমাপ্ত। ৬৩

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleশ্রীশ্রীচণ্ডী – অনুবাদ : পঞ্চানন তর্করত্ন
    Next Article ওয়ারলক – উইলবার স্মিথ

    Related Articles

    পঞ্চানন তর্করত্ন

    শ্রীশ্রীচণ্ডী – অনুবাদ : পঞ্চানন তর্করত্ন

    September 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }