Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কালিকা পুরাণ (কালিকাপুরাণম্‌) – পঞ্চানন তর্করত্ন সম্পাদিত

    পঞ্চানন তর্করত্ন এক পাতা গল্প667 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৬৬. নমস্কার ও মুদ্রাকথন

    ষষ্ঠষষ্টিতম অধ্যায় – নমস্কার ও মুদ্রাকথন

    ঔর্ব বলিলেন,–বেতাল ও ভৈরব এই সমস্ত মন্ত্র শ্রবণ করিয়া হর্ষোৎফুল্ল লোচনে ত্র্যম্বককে জিজ্ঞাসা করিল। ১

    তাহারা বলিল,-আপনার প্রসাদে কামাখ্যার সাঙ্গ তন্ত্র শ্রবণ করিলাম। এক্ষণে নমস্কার, মুদ্রা, বলিদান, ষোড়শ উপচারের নিয়ম, মাতৃকান্যাস এবং অন্যত্র পূজার ক্রম, হে জগৎ প্রভো! এই সকল বিষয় বিস্তারপূর্বক কীর্তন করুন। এ সকল শুনিয়া আমাদের তৃপ্তি হইতেছে না। ২৪

    ভগবান বলিলেন,–হে পুত্রশ্রেষ্ঠ বেতাল ও ভৈরব! তোমরা দুইজনে যাহা জিজ্ঞাসা করিলে, আমি সেই সকল বিষয় বলিতে প্রবৃত্ত হইলাম। হে নরশার্দূলদ্বয়! তোমরা একাগ্রমনে এক্ষণে শ্রবণ কর। ৫

    ত্রিকোণ, ষটকোণ, অর্ধচন্দ্রাকার, প্রদক্ষিণ, দণ্ড, অষ্টাঙ্গ এবং উগ্র-এই সাত প্রকার নতি। ৬

    কামাখ্যার পূজায় ঈশানকোণ অথবা উত্তরদিক প্রশস্ত; স্থণ্ডিসাদি সকল স্থানে সকল মূর্তিরই পূজা করিতে পারে। ৭

    এক্ষণে ত্রিকোণাদির ব্যবস্থা বলা যাইতেছে;–যদি পূৰ্বমুখ হইয়া পূজা করে, পশ্চিম হইতে ঈশানকোণে যাইয়া অবস্থানের নির্দেশ করিবে। ৮

    যৎকালে সাধক উত্তরমুখ হইয়া দেব পূজন করিবে, তখন দক্ষিণদিক হইতে বায়ুকোণে যাইয়া অবস্থান করিবে। ৯।

    দক্ষিণ হইতে বায়ুকোণে গমন করিবে, বায়ুকোণ হইতে ঈশানকোণে গমন করিবে, তাহার পর আবার দক্ষিণে গমন করিয়া উহা ত্যাগ করিয়া অগ্নি কোণে প্রবেশ করিবে। অগ্নিকোণ হইতে নৈর্ঋতকোণে গমন করিবে, নৈর্ঋত কোণ হইতে উত্তরদিকে গমন করিবে, উত্তর হইতে অগ্নিকোণে গমন করিবে; এইরূপে ত্রিকোণাকারে দুইবার ভ্রমণ করিলে ইহা শিব ও দুর্গার প্রীতি ষটকোণী নমস্কার। ১০-১২

    দক্ষিণ হইতে বায়ু কোণে গমন করিয়া সেই স্থান হইতে দক্ষিণদিকে ফিরিয়া আসিয়া যে নমস্কার করা হয়, তাহার নাম অর্ধচন্দ্র বলিয়া কীর্তিত হয়। ১৩

    সাধক বর্তুলাকারে একবার প্রদক্ষিণ করিয়া যে নমস্কার করে, তাহাকে ব্রাহ্মণগণ প্রদক্ষিণ বলিয়া থাকেন। ১৪।

    আপনার আসন পরিত্যাগ করিয়া উহাকে পশ্চাৎ প্রদক্ষিণ বিনা পৃথিবীতে দণ্ডবৎ পতিত হইয়া যে নমস্কার করা হয়, ঐ সৰ্ব্বদেবের আমোদপ্রদ নমস্কারকে দেবগণ দণ্ড নামে অভিহিত করেন। ১৫

    পূর্বোক্ত প্রকারে পৃথিবীতে দণ্ডবৎ পতিত হইয়া হৃদয়, চিবুক, মুখ, নাসিকা হনু, ব্ৰহ্মরন্ধ্র, কণ্ঠদ্বয়দ্বারা যথাক্রমে ভূমিস্পর্শ করিয়া যে নমস্কার করা হয়, পণ্ডিতগণ উহাকে সাষ্টাঙ্গ নমস্কার বলিয়া অভিহিত করেন। ১৬

    যে নমস্কারে বর্তুলাকারে তিনটি প্রদক্ষিণ করিয়া ব্ৰহ্মরন্ধ্রদ্বারা ভুমিস্পর্শ করা হয়, ঐ বিষ্ণুর তুষ্টিপ্রদ নমস্কারকে দেবগণ উগ্র বলিয়া অভিহিত করেন। ১৭

    যেমন নদদিগের মধ্যে সাগর, দ্বিপদদিগের মধ্যে ব্রাহ্মণ, নদীগণের মধ্যে জাহ্নবী, দেবতাদিতের মধ্যে বিষ্ণু; সেইরূপ সকল প্রকার নমস্কারের মধ্যে উগ্ৰনামক নমস্কার প্রশস্ত। ১৮

    ভক্ত সাধক ভক্তিপূর্বক ত্রিকোণাদি নমস্কার করিয়া অচির কালেই চতুৰ্বর্গ লাভ করে। ১৯

    নমস্কার একটী মহাযজ্ঞ, হে ভৈরব! উহা সর্বদা সর্বপ্রকারে সকল দেবতার এবং অপরেরও প্রীতিপদ। ২০

    উগ্ৰনামে যে নমস্কার, উহা সর্বদা হরির প্রীতিপ্রদ, এই নমস্কার শ্রেষ্ঠ, মহামায়ারও প্রীতিকারক। ২১।

    নমস্কারসকল উক্ত হইল, এক্ষণে তোমরা দুজনে যথাক্রমে মুদ্রার পরিসংখ্যা এবং স্বরূপ শ্রবণ কর। ২২

    ধেনু, সংপুট, প্রাঞ্জলি, বিল্ব, পদ্মক, নারাচ, মুণ্ড, দণ্ড, অঙ্গ, যোনি, বন্দনী, মহাযোনি, ভগ, পুটক, নিঃসঙ্গ, অর্ধচন্দ্র, অঙ্গ, দ্বিমুখ, শঙ্খ, মুষ্টিক, বক্ত্র, রন্ধ্র, ষটযোনি, বিমল, ঘট, শিখরিণী, তুঙ্গ, পুন্ড্র, অর্ধপুন্ড্র, অর্ধধেনু, সম্মিলনী, কুণ্ড, চক্র, শূল, সিংহবক্ত্র, গোমুখ, প্রোন্নাম, উন্নমন, বিম্ব, পাশুপত, শুদ্ধ, ত্যাগ, সারিণী, প্রসারিণী, উগ্ৰমুণ্ডা, কুণ্ডলী ব্যুহ, ত্রিমুখ, আসবাক্তা, যোগ, ভেদ, মোহন, বাণ, ধনু, তূণীর, এই সকল শ্রেষ্ঠমুদ্রা, এই একশত আটটি মুদ্রা ব্রহ্মা কর্তৃক কীর্তিত হইয়াছে। ২৩-২৯

    হে ভৈরব! মুদ্রারহিত জপ, প্রাণায়াম, দেবতাৰ্চন, যোগ, ধ্যান, জপন এ সকলই নিষ্ফল জানিবে। হে পুত্রদ্বয়! এক্ষণে তোমরা দুজনে ঐ সকল মুদ্রার প্রত্যেকের লক্ষণ শ্রবণ কর। ৩০-৩১

    দক্ষিণাবর্তক্রমে দক্ষিণহস্তের মধ্যমাঙ্গুলির অগ্রভাগদ্বারা বামহস্তের তর্জনীর এবং বামহস্তের তর্জনীর সহিত দক্ষিণহস্তের মধ্যমার যোগ করিবে; এইরূপ দক্ষিণহস্তের অনামিকার সহিত বামহস্তের কনিষ্ঠা এবং বামহস্তের অনামিকার সহিত দক্ষিণহস্তের কনিষ্ঠার সংযোগ করিলে ধেনুমুদ্রা হয়; এই মুদ্রা সমুদয় দেবগণের তুষ্টি প্রদায়িনী। ৩২-৩৪।

    হস্তদ্বয়ের দুইটি তল এবং অঙ্গুলীর অগ্রভাগ সংযুক্ত করিলে এবং উভয়ের অঙ্গুষ্ঠদ্বয় পাশাপাশি করিয়া রাখিলে যে মুদ্রা হয়, তাহাকে দেবগণ সংপুট নামে অভিহিত করিয়াছেন। ৩৫

    এই সংপুট সকল দেবতারই সর্বদা প্রীতিপ্রদ, ধ্যান, চিন্তন এবং যোগাদিতে এই সংপুট অতি প্রশস্ত। ৩৬

    হস্তদ্বয়ের তলভাগ দ্রোণীর আকারে ঈষৎ কুঞ্চিত করিয়া মধ্যস্থল শূন্য রাখিয়া পরস্পর সংযোগ করিলে যে মুদ্রা হয় তাহার নাম প্রাঞ্জলি। ৩৭

    অঙ্গুষ্ঠকে অন্তর করিয়া পাণিদ্বয়ে মুষ্টি আকারে বিল্বফলের মত, পরস্পর সংযোগে যে মুদ্রা হয়, তাহার নাম বিল্বমুদ্রা। ৩৮

    উভয় হস্তের মণিবন্ধ হইতে করভভোগ, দুই অঙ্গুষ্ঠ এবং দুইটি কনিষ্ঠ একত্রিত করিয়া অবশিষ্ট অঙ্গুলিত্রয় অল্প অল্প করিয়া বিস্তৃত রাখিলে যে মুদ্রা হয়, উহার নাম পদ্মমুদ্রা। ৩৯

    উহা মনুষ্যদিগকে চতুৰ্বর্গ প্রদান করে। অঙ্কুষ্ঠের অগ্রভাগ দ্বারা তজ্জনীর উৰ্দ্ধরেখা ক্রমে যোগ করিলে এবং অন্যান্য অঙ্গুলী সম্যকরূপে প্রসারিত রাখিলে যে মুদ্রা হয়, তাহার নাচারমূদ্রা। ৪০-৪১

    হে বেতাল ও ভৈরব! এই প্রিয়ঙ্করী নাচারমুদ্রা আমার এবং শিবার প্রীতিপ্রদ এবং সর্বদা প্রীতির নিমিত্তই হইয়া থাকে। ৪২

    বামহস্তের অঙ্গুষ্ঠ ছাড়িয়া একটি মুষ্টি করিয়া দক্ষিণ হস্তের মধ্যাদি যত্নপূর্বক নত করিয়া মধ্যমার সহিত তর্জনী এবং অঙ্কুষ্ঠের অগ্র সংযুক্ত করিয়া সাধক বামমুষ্টির উপর দক্ষিণভাগে দেখাইবে। ৪৩-৪৪

    ইহার নাম মুণ্ডমুদ্রা। ইহা গণনাথের সর্বোত্তম প্রীতিপ্রদায়িনী মুদ্রা। এই মুদ্রা নিখিল দেবগণের সকল কর্মে তুষ্টি প্রদান করে। ৪৫-৪৬

    দক্ষিণ হস্তের অঙ্গুষ্ঠ ও মধ্যমাদি অঙ্গুলি সম্যকরূপে নত করিয়া তর্জনীকে প্রসারিত করিলে যে মুদ্রা হয়, তাহার নাম দশমুদ্রা। ৪৭

    উভয় করের সকল অঙ্গুলীগুলি সংযোজিত করিয়া উভয় হস্তের কনিষ্ঠাদ্বয়কে রজ্জুতুল্য বদ্ধ ও সংযুক্ত করিয়া বামহস্তের অনামিকামূলে তাহার অগ্র ভাগের যোগ করিবে এবং দক্ষিণের মধ্যমামূলে বাম অগ্ৰ যোজিত করিবে। ৪৮-৪৯

    এইরূপ যোজনা করিবার পর অঙ্গুলিগুলি আবর্তিত করিলে মধ্যে যে যোনির আকার হয়, তাহার নাম যোনিমুদ্রা। ৫০

    হে ভৈরব! পঞ্চমূর্তি কামাখ্যা ভগবতী দুর্গার এবং কামের এই যোনিমুদ্রা অত্যন্ত প্রীতিপ্রদ। ৫১

    অঞ্জলি সকল সংসক্তভাবে প্রসারিত করিয়া দক্ষিণহস্তের অঙ্গুষ্ঠের অগ্রপর্ব দ্বারা কনিষ্ঠার অগ্রভাগের যোগ করিলে যে মুদ্রা হয়, তাহার নাম অর্ধ যোনিমুদ্রা। ইহাকে বৈষ্ণবীতন্ত্রে মহাযোনি বলে। ৫২

    সংপুট অথবা প্রাঞ্জলির যদি মস্তকে মস্তকে যোগ করা হয়, তাহা হইলে উহার নাম বন্ধনী মুদ্রা হয়, উহা বিষ্ণুর অতিশয় প্রমোদকারিণী। ৫৩

    ঐ মুদ্রা কর্ণে সংসক্ত হইলে মহামূদ্রা নামে অভিহিত হয় এবং উহা দক্ষিণ অংশে সংসক্ত হইলে বৈষ্ণবী নামে কীর্তিত হয়। ৫৪

    বৈষ্ণবীতন্ত্র প্রসঙ্গে মহাযোনিমুদ্রার বিষয় কথিত হইয়াছে। উভয় হস্তের কনিষ্ঠার মূলভাগে অঙ্গুষ্ঠাগ্র সংযোজিত করিয়া অপর অঙ্গুলিসকল বিস্তৃত করিয়া হস্ততল দুটি পরস্পর সংলগ্ন করিলে যে মুদ্রা হয়, উহার নাম ভগমুদ্রা; উহা লক্ষ্মী, বাণী ও শিবার প্রিয়। ৫৫-৫৬

    দক্ষিণহস্তের সকল অঙ্গুলীর অগ্রভাগ সংযুক্ত করিয়া একান্তে বিন্যাস করিলে যে মুদ্রা হয়, তাহার নাম প্রকটমুদ্রা। ৫৭

    কনিষ্ঠা, অনামিকা এবং অঙ্কুষ্ঠের অগ্রভাগ একত্র সংযুক্ত আর মধ্যমা ও তর্জনী প্রসারিত। ৫৮

    হস্তদ্বয় পৃথক পৃথক কুঞ্চিত করিয়া দেবতার সন্মুখে নিদর্শন করার নাম নিঃসঙ্গমুদ্রা, ইহা নরসিংহ এবং বরাহের প্রিয়। ৫৯

    দক্ষিণ হস্তের কনিষ্ঠা, অনামিকা এবং মধ্যমা আকুঞ্চিত ও তর্জনী ও অঙ্গুষ্ঠ প্রসারিত করিয়া যে মুদ্রা হয়, তাহার নাম অর্ধচন্দ্র মুদ্রা, উহা গ্রহগণের প্রীতিদায়িনী। ৬০

    দক্ষিণহস্তের অঙ্গুষ্ঠ উৰ্দ্ধ করিয়া সেই অঙ্গুষ্ঠকে মধ্যে রাখিয়া তাহার উপর বামমুষ্টি স্থাপিত করিবে এবং উহারও অঙ্গুষ্ঠ ঊর্ধ্বে রাখিবে, এইরূপে যে মুদ্রা হয় তাহার নাম অঙ্গমুদ্রা। ৬১

    এই মুদ্রারই এক একটি করিয়া কনিষ্ঠাদির মোচন করিলে আট প্রকার মুদ্রা হয়, উহাদের নাম ভিন্ন ভিন্ন। ৬২

    যথা দ্বিমুখ, মুষ্টি, বজ্র, আবদ্ধ, বিমল, ঘট তুঙ্গ এবং পুণ্ড্র। ৬৩

    নয় প্রকার বিষ্ণুমূর্তির অঙ্গমুদ্রার সহিত এই আট মুদ্রা যথাক্রমে প্রিয় এবং উহারা নায়িকাদিগেরও প্রিয়। ৬৪

    করতলের পৃষ্ঠভাগ পরস্পর সংযুক্ত করিয়া তাহা যুগপৎ আবর্তিত করিলে এবং তর্জনীদ্বয় প্রসারিত ও সর্বতঃ প্রকারে সংসক্ত এবং সম্মুখে সংসক্ত করিলে যে মুদ্রা হয়, তাহার নাম শঙ্খমুদ্রা। ৬৫

    উত্তান অঞ্জলি করিয়া দুইটী অঙ্গুষ্ঠ কনিষ্ঠাদ্বয়ের মূলে নিক্ষেপ করিবে, পরে পরে হস্তদ্বয় পরস্পর সংযুক্ত করিলে যেরূপ মুদ্রা হয়, তাহার নাম যোনিমুদ্রা; উহা দেবসমূহের তুষ্টিপ্রদায়িনী। ৬৬

    দক্ষিণ হস্তের মুদ্রাতে অঙ্গুষ্ঠ উর্ধ্ব করিলে শিখরিণী মুদ্রা হয়, উহার নাম ব্রাহ্মী এবং উহা সূৰ্য্যপ্রিয়া। ৬৭

    অনামিকা এবং কনিষ্ঠা এই দুই অঙ্গুলীকে ঋজুভাবে পরস্পর সংযুক্ত করিয়া মধ্যমা ও তর্জনীর যে ধেনুমুদ্রার ন্যায় বন্ধন, তাহার নাম অর্থধেনুমুদ্রা, উহা দেখাইলে চন্দ্রের প্রীতি বৰ্ধিত হয়। ৬৮

    করদ্বয়ের অঙ্গুলি সকলের অগ্রভাগ এক একটি পৃথক্ করিয়া রাখিয়া তাহাদের তলদ্বয় সংযোজিত এবং অধোভাগে বিয়োজিত করিয়া অগ্র সকলের যোগ করিলে যে মূদ্রা হয়, তাহার নাম সম্মিলনীমুদ্রা। এই মুদ্রা মঙ্গলগ্রহ এবং পৃথিবীস্থিত লিঙ্গসমূহের প্রতিবর্ধিনী বলিয়া বিখ্যাত। ৬৯-৭০

    দক্ষিণ হস্তের সকল অঙ্গুলি পরস্পর সংসক্ত এবং তলের কিয়ৎ অংশ আনম্র করিলে যে কুণ্ডাকার হয় উহার নাম কুণ্ডমুদ্রা; উহা বুধগ্রহ, বাণী এবং শিবা প্রিয়। ৭১

    সকল অঙ্গুলির মধ্য দিয়া বাম হস্তের সকল অঙ্গুলি প্রসারিত করিয়া অগ্রভাগে সংযুক্ত করিয়া ঐ অঙ্গুষ্ঠদ্বয়কে সম্মুখে রাখিলে যে মুদ্রা হয়, তাহার নাম চক্ৰমুদ্রা, ইহা বৃহস্পতি গ্রহ, বিষ্ণু এবং শিবের প্রিয়। ৭২

    দক্ষিণ করের অঙ্গুষ্ঠ এবং মধ্যমা কিঞ্চিৎ নত করিয়া অঙ্গুলিত্রয়কে অগ্রভাগে সংযুক্ত করিলে যে মুদ্রা হয়, তাহার নাম ধেনুমুদ্রা, উহা আমার, শুক্রগ্রহের এবং কার্তিকের প্রিয়। ৭৩

    হস্ততলদ্বয় কুঞ্চিত করিয়া বামতলস্থ অঙ্গুলি সকলের অগ্রভাগ বামতলের মধ্যে বিন্যস্ত করিয়া দক্ষিণ হইতে বাম হস্ত কিঞ্চিৎ নিম্ন করিলে যে মুদ্রা হয়, তাহার নাম সিংহমুখী মুদ্রা। এই মুদ্রা দুর্গার, সূর্যের পুত্র শনিগ্রহের এবং চক্রীর প্রীতিপ্রদ। ৭৪

    কর্ণমূলে গোমুখাকার করিলে ভগমূদ্রা হয়, উহা আমার, বিষ্ণুর এবং রাহুর সর্বদা প্রীতিদায়িনী। ৭৫

    মুষ্টিদ্বয় উত্তানভাবে পাশাপাশি সংযুক্ত করিয়া দক্ষিণ হস্তের কনিষ্ঠাদি অঙ্গুলি ক্রমশঃ প্রসারিত করিয়া বামহস্তের কনিষ্ঠাদি এক একটী করিয়া প্রসারিত করিলে যে আটটি মুদ্রা হয় তাহাদিগের ক্রমশঃ নাম শ্রবণ কর। যথা–প্রোল্লাস, উন্নমন, বিম্ব, পাশুপত, শুদ্ধ, ত্যাগ, সারণী ও প্রসারণী। ৭৬-৭৭

    অঙ্গুলীসকল অকুঞ্চিত করিলে দক্ষিণা নামে মুদ্রা হয়, স্বহস্তের বিপর্যয় করিলে উগ্ৰনামে মুদ্রা হয়। ৭৮

    এই দশটী ইন্দ্রাদি দশদিকপালের প্রীতিপ্রদ এবং সমুদয় দেবতার অতিশয় প্রীতিবর্ধন। ৭৯

    অঙ্কুষ্ঠের অগ্রভাগ তর্জনীর অগ্রভাগের সহিত যুক্ত করিয়া এবং দক্ষিণ হস্তের মধ্যাদি অঙ্গুলী আকুঞ্চিত করিয়া কুণ্ডলাকার যে মুদ্রা হয়, তাহার নাম কুণ্ডলী মুদ্রা; উহা শক্তির তুষ্টিদায়িনী এবং অপরাপর দেবতাদিগেরও অতিশয় তুষ্টিকারিণী। ৮০-৮১

    দক্ষিণ হস্তে অঙ্গুষ্ঠ, তর্জনী এবং মধ্যমা ও কনিষ্ঠা আকুঞ্চিত করিয়া যে মুদ্রা হইবে; উহা বিশ্বেদেবদিগের সর্বদা প্রিয়। ৮২

    এই মুদ্রা সর্বদা কেতুগ্রহের প্রিয় এবং মাতৃগণেরও তুষ্টিপ্রদ। ৮৩

    তর্জনী এবং অঙ্গুষ্ঠের অগ্রভাগ সংযোজিত এবং অপর অঙ্গুলিত্রয় আকুঞ্চিত করিয়া যে মুদ্রা হয়, তাহার নাম অসিবল্লী। ৮৪

    এই অসিবল্লী মুদ্রা পিতৃগণের, সাধ্যগণের, রুদ্রগণের এবং বিশ্বকর্মার সৰ্ব্বদা প্রীতিজননী। ৮৫

    পদদ্বয়ের তলভাগ পরস্পর সংযোজিত এবং তাহার অঙ্গুষ্ঠদ্বয় উর্দ্ধে নাভি দেশে যোজিত করিয়া তাহার উপর অঞ্জলি স্থাপন করিলে যে মুদ্রা হয়, তাহার নাম যোগ মুদ্রা ইহা যোগিনীদিগের তত্ত্ব প্রদায়িনী। ৮৬।

    এই যোগ মুদ্রা সকল দেবতার পূজনে এবং চিন্তনে তুষ্টি ও প্রীতিকরী। ৮৭

    পূর্বোক্ত মুদ্রা উর্ধ্বাধোভাগে যোজিত হইলে প্রাঞ্জলি নামে মুদ্রা হয়। ৮৮

    কার্য্যের সময় আট প্রকার ভেদ করিয়া দেখাইলে ভেদ নামক মুদ্রা হয়, উহা আমার, বিষ্ণুর এবং বিধাতার প্রিয়। ৮৯

    উভয় করতলে অঙ্গুষ্ঠদ্বয় নিক্ষিপ্ত করিয়া পরে অগ্রভাগদ্বারা উভয় হস্তের কনিষ্ঠাযুগলের যোগ করিবে। ৯০

    অবশিষ্ট তর্জনী আদি অঙ্গুলিরও অগ্রভাগে যোগ করিয়া কনিষ্ঠাকে পৃথক করিয়া দেখাইলে যে মুদ্রা হয়, তাহার নাম সম্মোহন নামক মুদ্রা; উহা কাম, দুর্গা এবং লক্ষ্মীর প্রিয় এবং অপর সকল দেবতারও মোহন ও প্রীতিপ্রদ। ৯১-৯২

    সব্য অর্থাৎ বামহস্তের মধ্যম ও অনামিকাকে ঈষৎ নম্র করিয়া তাহাদের পৃষ্ঠভাগে তদনন্তর অষ্ঠের অগ্রভাগ সংযোজিত করিয়া পরে কনিষ্ঠা এবং তৰ্জ্জুনীকে অগ্রভাগদ্বারা পরস্পর সংযুক্ত করিলে যে মুদ্রা হয়, তাহার নাম বাণমুদ্রা, উহা সকল দেবতার তুষ্টিপ্রদ। ৯৩-৯৪

    উভয় হস্তের সকল অঙ্গুলী সঙ্কুচিত ও তর্জনীকে প্রসারিত করিয়া এক অঙ্কুষ্ঠের অগ্রভাগ দ্বারা অপর অঙ্গুষ্ঠের অগ্রভাগ এবং এক তর্জনীর অগ্রভাগ দ্বারা অপর তর্জনীর অগ্রভাগ যথাশক্তি প্রসারিত করিলে যে মুদ্রা হয়, তাহার নাম ধেনু মুদ্রা। ৯৫-৯৬

    হে ভৈরব! সকল অঙ্গুলীর অগ্রভাগ ব্ৰহ্মতীর্থে নিয়োজিত করিলে অনামিকার পৃষ্ঠদেশে অগ্র নিয়োজিত করিলে এবং তাহাদের অভ্যন্তর তুণীরের মত শূন্য করিলে যে মুদ্রা হয়, তাহার নাম তুণীর মুদ্রা; ইহা সকলের প্রীতিবৰ্দ্ধিনী। ৯৭-৯৮

    মুদ্রাতেই পূজার স্থিতি, মুদ্রার উপরেই চিন্তার আবির্ভাব হয়, মুদ্রাতেই যোগ সংলগ্ন, এই নিমিত্ত মুদ্রা সকল অত্যন্ত আমোদর। ৯৯

    যে যে পূজায়, চিন্তায়, ধ্যান কার্য্যে, যজ্ঞাদিতে অথবা স্তব কার্যে হস্তের কোন ক্রিয়া না থাকে, সেই সেই সময় করদ্বরকে প্রথমে মুদ্রাযুক্ত করিবে। ১০০-১০১

    যদি করদ্বয় যজ্ঞাদি কাৰ্য্যে আসক্ত হইয়াও মুদ্রা দর্শনে সক্ষম হয়, তাহা হইলে প্রথমে মুদ্রা দেখাইয়াই সেই যজ্ঞের আরম্ভ করিবে। ১০২

    যদি মুদ্রাশূন্য হস্তে দেবকার্য করে, তাহা হইলে ঐ দেবকাৰ্য্য নিষ্ফল হয়, এই নিমিত্ত মুদ্রাযুক্ত হওয়াই উচিত। ১০৩

    যে দেবতার বিসর্জনের সময় যে মুদ্রা দেখাইবার কথা হইয়াছে, সেই দেবতার পূজার সময় সে মুদ্রা দেখাইবে না। ১০৪

    বিচক্ষণ সাধক বিসর্জনোক্ত মুদ্রাভিন্ন অপর যে কেন মুদ্রাযুক্ত হইয়া পূজনাদি সমস্ত কাৰ্য্য করিবে, কারণ, তাহা হইলে কৰ্ম্ম সকলের আধিক্য হইবে। ১০৫

    এই হেতু মুদ্রাই পরে ধর্ম, মুদ্রা পুণ্যপ্রদায়িনী, মুদ্রা দেবতাদিগের আমোদ দায়িনী, এই নিমিত্ত যত্নপূর্বক মুদ্রাপ্ৰদৰ্শন করিবে। ১০৬

    অর্ধযোনি, মহাযোনি, যোনিব্রাহ্মী এবং বৈষ্ণবী এই কয়টি শিব ও ত্রিপুরার বিসর্জনে উক্ত হইয়াছে। দুর্গার সর্বপ্রকার মূর্তিতেই এই মুদ্রাগুলি উক্ত হইয়াছে। ১০৭

    যোনি, সম্পুট, মহাযোনি এই কয়েকটি মুদ্রাভিন্ন অবশিষ্ট ত্রিপঞ্চাশৎ মুদ্রা ব্যস্তভাব হেতু যে কাৰ্যের নিমিত্ত উক্ত হইয়াছে, তাহার অতিরিক্ত স্থলেও প্রয়োগ করিতে পারে। ১০৮।

    কিন্তু যোনি প্রভৃতি মুদ্রা ব্যস্ত ভাবে বিপরীত ফল প্রদান করে। দেবতাদিগের পরম আমোদর বলিয়া উহাদিগের নাম মুদ্রা হইয়াছে। ১০৯

    হে বেতাল ও ভৈরব! পূজাকালে পূৰ্বে দেবতার তুষ্টিপ্রদ মুদ্রার স্বরূপ তোমাদিগকে বলিলাম, এক্ষণে বলিদান সকলের ক্রম শ্রবণ কর।১১০

    ষটষষ্টিতম অধ্যায় সমাপ্ত। ৬৬

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleশ্রীশ্রীচণ্ডী – অনুবাদ : পঞ্চানন তর্করত্ন
    Next Article ওয়ারলক – উইলবার স্মিথ

    Related Articles

    পঞ্চানন তর্করত্ন

    শ্রীশ্রীচণ্ডী – অনুবাদ : পঞ্চানন তর্করত্ন

    September 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }